Categories
Health

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর লক্ষণ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় সমূহ

◽করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ :

করোনাভাইরাস, যার পোশাকি নাম কোভিড-১৯, সেই রোগটিকে এখন বিশ্ব মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এই ভাইরাস যা মানুষের ফুসফুসের মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে- যা পূর্বে বিজ্ঞানীদের অজানা ছিল- চীন থেকে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে।

◽ভাইরাসটা কী?

করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস – যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি।

এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী প্রাণহানি হয়েছে ছয় লাখের মত মানুষের। বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৪০ লাখে। (তথ্য আপডেট করা হয়েছে ১৮ই জুলাই ২০২০)

ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯ – এনসিওভি বা নভেল করোনাভাইরাস। এটি এক ধরণের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।

২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স (পুরো নাম সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪জনের মৃত্যু হয়েছিল আর ৮০৯৮জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করোনাভাইরাস।

নতুন এই রোগটিকে প্রথমদিকে নানা নামে ডাকা হচ্ছিল, যেমন: ‘চায়না ভাইরাস’, ‘করোনাভাইরাস’, ‘২০১৯ এনকভ’, ‘নতুন ভাইরাস’, ‘রহস্য ভাইরাস’ ইত্যাদি।

এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগটির আনুষ্ঠানিক নাম দেয় কোভিড-১৯ যা ‘করোনাভাইরাস ডিজিজ ২০১৯’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

করোনাভাইরাসে হওয়া রোগের নতুন নাম ‘কোভিড-১৯’

◽রোগের লক্ষণ কী:

রেসপিরেটরি লক্ষণ ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষণ।

এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে।

সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়।

সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচ দিন সময় নেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৪দিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। তবে কিছু কিছু গবেষকের মতে এর স্থায়িত্ব ২৪দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।

মানুষের মধ্যে যখন ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেবে তখন বেশি মানুষকে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকবে তাদের। তবে এমন ধারণাও করা হচ্ছে যে নিজেরা অসুস্থ না থাকার সময়ও সুস্থ মানুষের দেহে ভাইরাস সংক্রমিত করতে পারে মানুষ।

শুরুর দিকের উপসর্গ সাধারণ সর্দিজ্বর এবং ফ্লু’য়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্থ হওয়া স্বাভাবিক।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব অনেককে সার্স ভাইরাসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে যা ২০০০ সালের শুরুতে প্রধানত এশিয়ার অনেক দেশে ৭৭৪ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিলো ।

নতুন ভাইরাসটির জেনেটিক কোড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এটি অনেকটাই সার্স ভাইরাসের মতো।

“আমরা যখন নতুন কোনো করোনাভাইরাস দেখি, তখন আমরা জানতে চাই এর লক্ষ্মণগুলো কতটা মারাত্মক। এ ভাইরাসটি অনেকটা ফ্লুর মতো কিন্তু সার্স ভাইরাসের চেয়ে মারাত্মক নয়,” বলছিলেন এডিনবারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মার্ক উলহাউস।

◽ কোথায় যোগাযোগ করতে হবে
কোথায় চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে :

সর্বপ্রথমে মনে রাখতে হবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

সারা পৃথিবীতে যত মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে তাদের ৮০ শতাংশেরও বেশি বাসায় থেকে নানাভাবে উপশমের চেষ্টা করছেন।

বাসায় অবস্থান করে চিকিৎসা নেবার নেবার ক্ষেত্রে যেসব বিষয় মনে রাখতে হবে সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।

১. নিজেকে বিচ্ছিন্ন করুন

যদি সন্দেহ হয় যে আপনার মধ্যে কোভিড-১৯-এর এক বা একাধিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে নিজেকে পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন বা আইসোলেট করুন।

এতে করে অন্যদের মাঝে সংক্রমণের আশংকা কমে আসবে।

২. জ্বর আসলে কী করবেন

করোনাভাইরাস সংক্রমণ থামানোর যেহেতু কোন ঔষধ নেই সেজন্য সাধারণ সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে যে ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয় সেগুলো অনুসরণ করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

ঢাকার বক্ষব্যধি হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী সাইফুদ্দিন বেন্নুর বলেন, প্যারাসিটামল খাওয়া এবং গার্গল করা করা যেতে পারে।

জ্বর এলেই আতঙ্কিত না হাবার পরামর্শ দিচ্ছেন মি. বেন্নুর। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

৩. কফ থাকলে যা করবেন

যদি আপনার কফ জমে থাকে বসার সময় পিঠে ভর দিয়ে হেলান দিয়ে না বাসাই ভালো। মেরুদণ্ড সোজা করে বসুন। এতে কফ কিছুটা হালকা হয়ে আসতে পারে।

ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

সেখানে আরো বলা হয়েছে, কফ হালকা করার জন্য এক চামচ মধু খেতে পারেন। এতে উপকার হতে পারে। তবে বারো বছর বয়সের নিচে বাচ্চাদের মধু দেবেন না।

৪. টেস্ট সেন্টারের ফোন নম্বর রাখুন

বাংলাদেশে এখন ৪৫টির মেতো ল্যাবরেটরিতে করোনাভাইরাসের টেস্ট করানো হচ্ছে। আপনার নিকটস্থ টেস্ট সেন্টার কোথায় হতে পারে সে সংক্রান্ত খোঁজ রাখুন।

এখন কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাসায় গিয়ে নুমনা সংগ্রহ করছে। তাদের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে রাখতে পারেন।

৫. অক্সিজেন ভাড়া নিতে পারেন

শ্বাসকষ্ট হলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই সেটি সম্ভব হচ্ছে না।

এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটোছুটি করতে করতে রোগীর অবস্থা আরো অবনতি হয়।

রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে না পারলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় অক্সিজেন নিতে পারেন।

ঢাকার বক্ষব্যধি হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী সাইফুদ্দিন বেন্নুর বলেন, “অক্সিজেন বাসায় নেবার সিস্টেম আছে। আমরা যখন লং টাইম অক্সিজেন থেরাপি দেই, আমরা কখন অক্সিজেন বাসায় নিতে বলি রোগীদের।” তিনি বলেন, কোভিড১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে হাই ফ্লো অক্সিজেন দিতে হবে।

৬. টেলিমেডিসিন সম্পর্কে জেনে রাখুন

করোনা সংক্রমনের এই সময়টিতে অনেক চিকিৎসক রোগীদের সরাসরি দেখছেন না। অধিকাংশ ডাক্তারের চেম্বারও বন্ধ।

তবে গত দুইমাসে বহু ডাক্তার টেলিফোন এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।

বেশকিছু সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ডাক্তারদের মাধ্যমে টেলিফোনে অথবা ভিডিও কনফারেন্সের সাহায্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে।

যেসব প্রতিষ্ঠান এ ধরণের সুবিধা দিচ্ছে তাদের ফোন নম্বর হাতের কাছে রাখতে পারেন। টেলিফোন নম্বর জানা থাকলে প্রয়োজনের সময় দ্রুত কাজে লাগবে।

চিকিৎসক সাইফুদ্দিন বেন্নুর বলেন, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে তিনি ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সন্তুষ্ট হতে পারেন।

তিনি বলেন, বেশিরভাগে ক্ষেত্রে রোগীদের উদ্বেগ প্রশমনেও ভূমিকা রাখে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা।

◽প্রতিকার :

এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। তবে আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষের দিকে এই টিকা মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা যাবে। এই রোগ থেকে রক্ষার একমাত্র উপায় হলো অন্যদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ হতে না দেয়া।

ভাইরাস থেকে বাঁচতে যা যা করতে হবে: ১. আক্রান্ত ব্যক্তি হতে কমপক্ষে ২ হাত দূরে থাকতে হবে। ২. বারবার প্রয়োজনমতো সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে, বিশেষ করে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে কিংবা সংক্রমণস্থলে ভ্রমণ করলে। ৩. জীবিত অথবা মৃত গৃহপালিত/বন্যপ্রাণী থেকে দূরে থাকা। ৪. ভ্রমণকারীগণ আক্রান্ত হলে কাশি শিষ্টাচার অনুশীলন করতে হবে (আক্রান্ত ব্যক্তি হতে দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা, হাত ধোয়া, যেখানে-সেখানে কফ কাশি না ফেলা)। ৫. করমর্দন এবং কোলাকুলি না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়াও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রতিদিন বাড়ি-ঘর ভালো মতো পরিষ্কার করাও জরুরি। পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্য উপকরণ ঘরে রাখা জরুরি।

১. জীবাণুনাশক হ্যান্ডওয়াশ

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাসায় জীবাণু নাশক হ্যান্ডওয়াশ রাখা জরুরি। প্রতিবার খাবার রান্না বা তৈরি করার আগে ও পরে, খাবার খাওয়ার আগে ও পরে, বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে, বাইরে থেকে বাসায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই জীবাণু নাশক হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। 

২. জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে

রান্নাঘরের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখতে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার জরুরি। খাবার তৈরির আগে ও পরে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার করে রান্নাঘর পরিষ্কার করুন। যাতে কোনো রোগজীবাণু খাবারে ঢুকতে না পারে। রান্নাঘর ছাড়াও বাথরুম, লিভিং রুম, ডাইনিং রুম এবং বেডরুমও পরিষ্কার করুন জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে দিয়ে।

৩. রাবার গ্লাভস

হাড়ি-পাতিল ধোয়া, টয়লেট পরিষ্কার বা ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করা মতো গৃহস্থালি কাজের জন্য রাবার গ্লাভস ব্যবহার করুন।

৪. বক্সড টিস্যু

বাড়ির প্রতিটি ঘরে টিস্যু রাখুন। যাতে কাশি বা হাঁচির সময় হাত বাড়ালেই টিস্যু পাওয়া যায়।

৫. ভেজা টিস্যু, হান্ড স্যানিটাইজার এবং পকেট টিস্যু

জীবাণুনাশক ভেজা টিস্যু এবং স্যানিটাইজার ঘরে বা বাইরেও ব্যবহার করা যায়। যখন সাবান বা পানি পাওয়া যাবে না তখন এসব ব্যবহার করে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Movies

Categories
Life Hacks

অতিরিক্ত ঘাম থেকে বাঁচার উপায় সমূহ

◽অতিরিক্ত ঘাম :

অনেকের অতিরিক্ত ঘাম হয়। ঘাম কমাতে অনেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কক্ষে আশ্রয় নেন। তবে এটি ঘাম কমানোর কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলেই এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। নিচে ঘাম কমানোর কিছু উপায় উল্লেখ করা হলো –

▫অতিরিক্ত ঘাম এড়ানোর জন্য প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই। কারণ ঘাম হলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এ জন্য পানি খাওয়া উচিত।

▫কফি পান কমাতে হবে। কেননা কফিপান শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ঘাম বাড়ে।

▫নাইলন ও প্লাস্টিক জাতীয় কাপড় পরিহার করুন। কেননা এ কাপড় আপনার দেহের সাথে লেগে থাকে। ফলে শরীর উত্তপ্ত হয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত ঘাম বের হয়।

▫দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপও অতিরিক্ত ঘামের জন্য দায়ী। তাই মনসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমান, দেখবেন অতিরিক্ত ঘাম কমে গেছে।

▫গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। এটা আপনার দেহ ও মনকে শীতল রাখতে সহায়ক।

▫গরমে কোনো ধরনের সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এতে এরোসোল থাকে, যা আপনার শরীরকে গরম রাখে। তাই অতিরিক্ত ঘাম হয়।

▫অতিরিক্ত ঘাম কমাতে টমেটোর জুস খেতে পারেন। টমেটোর জুসে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম আছে, যা অতিরিক্ত ঘাম রোধে সহায়ক।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
History

সূর্য বিস্ফোরণের দিন।

নতুন পর্ব ; নাম – ২১শে ফেব্রুয়ারী। ছয় পর্বের আলোচনা জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

৮ই ফাল্গুন, ২১শে ফেব্রুয়ারী, বৃস্পতিবার। ফুলার রোড ও তার আশেপাশের ছাত্র এলাকা কুয়াশা-জাগা আবছা ভোরে স্তব্ধতায় ঢাকা। ছাত্রদের মনের গভীরে ঢেউ তোলা টেনশনের কোনো ইঙ্গিত সেখানে নেই। হরতালের সফল চেহারা সত্ত্বেও এই ছাত্র এলাকা দিয়েই যে দু-একটা রিক্সা যাতায়াত করছে না এমন নয়। ক্কচিৎ দু-একটা গাড়ি।

সেই আবছা ভোরেই মেডিকেল ব্যারাকের কয়েকজন ছাত্র পিকেটিং এর জন্য পথে নেমে এসেছে। আলী আজমল, নবাব হোসেনদের মতো একটু জঙ্গি চেহারার ছাত্র ছাড়াও শুকনো পাতলা আরো একজন রাস্তায় জমায়েত হয়েছে। উদ্দেশ্য, হরতালের চেহারাটা একটু দেখে নেয়া। সেদিন বাংলা-বিরোধী “মর্নিং হাউস” পত্রিকার “ভয়েস অফ ন্যাশন” লেখা “অস্টিন ভ্যান” গাড়িটাকে আজমল ও তার সঙ্গী ধাওয়া করেছিল ধরবে বলে। এমনকি ফুলবাড়ীয়া রেলস্টেশনগামী একটি রিক্সাকেও সে রেহাই দেয়নি।

রোদ উঠতেই ব্যারাকের দক্ষিণ-পশ্চিম গেট দিয়ে বকশীবাজারের দিক থেকে নবকুমার স্কুলের এবং জগন্নাথ কলেজের ছাত্র একে একে এসে জমায়েত হতে শুরু করেছে, কলাভবনে আমতলার সভায় যোগ দেবে বলে। পার্টিকর্মী মৃণাল বাড়রি এবং মেডিকেল কলেজের ছাত্র মঞ্জুর হোসেনের উচ্চকণ্ঠের হাসিও কেন জানি সেদিনকার জমাট অস্বস্তি ঝেড়ে ফেলতে পারেনি। সবার মুখেই ১৪৪ ধারা ভাঙ্গার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে।

বেলা বাড়তেই ছেলেরা নানা পথ ধরে কলাভবনের প্রাঙ্গনে হাজির হতে শুরু করেছে। কেও পেছনের রেল লাইন ধরে, কেও হাসপাতাল ও কলাভবনের মধ্যকার একটু ভাঙ্গা পাঁচিল ডিঙিয়ে। কেও কেও আবার মধুর ক্যান্টিনে পরিচিতদের সাথে আলাপ জমাচ্ছে। আমতলায় ভীড় জমাচ্ছে আস্তে আস্তে। স্কুল কলেজের ছেলেরা আসছে, মিছিল করে নয়, ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে।

রিভিউয়ার : মাহিম।
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে নেওয়া।

কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে আমাদের সাথেই থাকুন।

ইতিহাসের কথার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে নিম্নোক্ত সোশ্যাল মিডিয়ার লিঙ্কে ক্লিক করে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সর্বদা থাকবো আপনার পাশে।

☆ 𝙤𝙛𝙛𝙞𝙘𝙞𝙖𝙡 :

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha

Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

Pinterest ( For Some Historical Pin ) :
https://www.pinterest.com/its_me_nitmahim/

☆ 𝙥𝙚𝙧𝙨𝙤𝙣𝙖𝙡 :

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim

Imstagram :
www.instagram.com/_______badboy__

Twitter :
https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Related Fb Page :
https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Related Youtube Channel :
Search in Youtube “To know in a new way”

Personal Kotha Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Mobile

মোবাইল টাওয়ারে ওয়াইফাই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট!

ফাইবার অপটিক নয়, বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সংযুক্ত করার প্রযুক্তি নিয়ে পরীক্ষা করছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এ জন্য হুয়াওয়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল টাওয়ারকে ওয়াইফাই টাওয়ারে রূপান্তরে প্রাথমিক সফলতাও মিলেছে।

আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে মূল্যায়ণ প্রতিবেদন হাতে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

জানাগেছে, সপ্তাহখানেক আগে নেত্রকোনার খালিয়াজুরীর কৃষ্ণপুরে টেলিটক টাওয়ারকে ওয়াইফাই-এ রূপান্তর করে স্থানীয় আব্দুল জব্বার রাবেয়া খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে পরীক্ষামূলকভাবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু করেছে। ৫০ এমবিপিএস বলা হলেও সেখানে ২০০-৩০০ মিটার দূরেও ফ্রিক্সড ওয়াইফাই ইন্টারনেটের গতি মিলেছে ৪১.২ এমবিপিএস।

হুয়াওয়ের প্রস্তাবে নতুন এই প্রযুক্তি নিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আমাদের তো দেশজুড়েই মোবাইল টাওয়ার রয়েছে। এই প্রযুক্তিটি আমাদের ক্যাবেল ডিপেন্ডেন্সি কমাবে। কেননা এখন মাটির তল দিয়ে বা উপর দিয়ে দুই দিক দিয়েই ক্যাবল ব্যবহার বিড়ম্বনার।

প্রযুক্তিটি ইন্টারনেট ব্যবসায় মাইলফলক হতে পারে মন্তব্য করে মন্ত্রী আরো বলেন, আগামী সপ্তাহে পরীক্ষার ফলাফল হাতে পাওয়া যাবে। এরপর সফলতা এবং সুফলের সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করে এ বিষয়ে প্রকল্প হাতে নেয়া হতে পারে। এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই নয়, দেশজুড়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেয়া সহজ হবে।

Categories
Movies

THE DARK KNIGHT মুভির পিছনের কিছু সত্য কাহিনী।

©®Moviekotha

.
.
.
.
🚩#Spoiler_Alert
.
.
.
⏩সর্বকালের সেরা সুপারহিরো ফিল্ম এবং মডার্ন ফিল্মের অন্যতম সেরা মুভি The Dark Knight কার না পছন্দের! এমনকি মার্ভেলের ফ্যানদেরও এই মুভি ভালো লাগতেই হবে! যারা মুভিটি দেখেনি তারা পোস্টটা এখনই এড়িয়ে যান,এবং মুভিটি আগে দেখ আসুন! পুরা ট্রিলজিটা দেখবেন! নাইলে আপনি মুভিজগতের অন্যতম সেরা সারপ্রাইজ মিস করবেন! আর জোকারকে তো মিস করবেনই! মুভিটি সম্পর্কে কোনো রিভিউ দিবোনা! মুভিটি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য দিবো যা আসলে মুভির পিছনের কাহিনী…..
.
.
.
.
.
⭐HEATH LEDGER’S TALENT:
হাসপাতাল উড়িয়ে দেওয়ার আগে জোকার হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসে অই সিনটা মনে আছে? অইসময় জোকার রিমোটের বাটনে প্রথমে ক্লিক করার পরে বাটন কাজ করেনা এবং বোমও ফাটেনা! এই পার্টটা আসলে Technical Error ছিলো! মুভির স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী প্রথম ক্লিকেই বোমটা ফাটার কথা! কিন্তু ফাংশনের ত্রুটির কারণে তা হয়নি! কিন্তু জোকার তারপর সেকেন্ড টাইম রিমোটে টিপ দেওয়ার আগে একটা অসাধারণ এক্টিং করে,যা কিন্তু স্ক্রিপ্টে ছিলোনা (পারসোনালি আমার কাছেও জোকারের এই পার্টটা জোস লাগসে)… সে সেইম শ্যুটেই অদ্ভুতভাবে ব্যাপারটাকে নিজে থেকে মানিয়ে নেয় এবং নিজের এক্টিং এর বাড়তি ট্যালেন্ট দেখায়! এবং নিজেকে আরেকবার প্রমাণ করে দেয় জোকার ক্যারেক্টার টা হিসেবে…
.
.
⭐JOKER’S HOMEMADE VIDEOS :
মুভিটিতে দুই জায়গায় আমরা GCN Channel এ জোকারের দুইটি হোমমেইড ভিডিও দেখি যেখানে সে শহরের সবাইকে কিছু বলছে! আপনি কি জানেন যে এই হোমমেইড ভিডিও দুইটা নোলান না, বরং হিথ লেজার নিজেই ডিরেক্ট করেছেন? তিনি ক্যারেক্টারটার প্রতি এতটাই প্যাশনেট হয়ে গিয়েছিলেন যে তিনি নোলানকে বলেছিলেন যে, এটা তার উপর ছেড়ে দিতে! নোলান আবারও আস্থা রেখেছিলেন…
.
.
⭐WHY HEATH LEDGER WAS CAST AS THE JOKER:
২০০৭ সালে যখন The Dark Knight এর শ্যুটিং শুরু হয়, তার আগ পর্যন্ত হিথ লেজারের তেমন খুব একটা সাফল্য ছিলোনা বলতে গেলে! A Knight’s Tale(2001), Brokeback Mountain(2005) তখন পর্যন্ত তার সফল মুভি ছিলো.. কিন্তু তারপরেও The Dark Knight এর বাকি লিড এক্টর যেমন: ক্রিশ্চিয়ান বেল, গ্যারি ওল্ডম্যান, মাইকেল কেইন এদের মতো এতটা জনপ্রিয় এক্টরের সাথে হিথ কে কেনো নেওয়া হলো জোকার ক্যারেক্টার হিসেবে?
Well…আসলে ব্যক্তিগতভাবে নোলান হিথ লেজারকে আরো কিছু কাস্টের অফার দিয়েছিলেন বিভিন্ন সময়ে। এমনকি তিনি Batman Begins বানানোর আগে Batman এর রোলটিও তাকে অফার করেছিলেন! কিন্তু তিনি রোলটি নেননি! এটাই প্রথম নয়, হিথ লেজারকে এর আগেও অন্য ডিরেক্টর স্পাইডারম্যানের রোল প্রথমে তাকে অফার করেছিলেন! কিন্তু তিনি তা নেননি! হয়তো সুপারহিরো হবার কোনো ইন্টারেস্ট তার ছিলোনা! তাই বারবারই তিনি এইসব হিস্টোরিকাল সুপারহিরো রোলকে প্রত্যাখান করেছেন! কিন্তু পরে যখন তিনি নোলানের The Dark Knight বানানোর পরিকল্পনা শুনেন, তখন তিনি নিজে থেকেই নোলানকে বলেন জোকার ক্যারেক্টারটা তাকে দিতে! সে এমন একটি ক্যারেক্টারই চায়! নোলান হিথকেই রোলটা দেয়! মাইকেল কেইন হিথ কে জোকারের রোলটা দেওয়া পছন্দ করেননি শুরুর দিকে! তিনি বলেছিলেন, ১৯৮৯ সালে জোকারের ক্যারেক্টারটাতে বাজিমাত করেছিলেন জ্যাক নিকোলসন। তাকে ছাপিয়ে যাওয়াটা সহজ হবেনা। তাকে রোলটা দিলেই বরং ভালো হবে!
নোলান মত পাল্টাননি! তিনি সবার বিরুদ্ধে গিয়ে হিথ লেজারের উপর আস্থা রেখেছিলেন! বাকিটা আমরা সবাই জানি… ইতিহাস গড়লেন হিথ!!
.
.
⭐THE BATPOD:
ব্যাটম্যানের ব্যাটপডকে এই ট্রিলজিতে ইন্ট্রোডিউস করা হয়! এই ব্যাটপড কিন্তু আসলেই একটি চলন্ত মোটরসাইকেল! কিন্তু এটা চালানোর স্টান্টগুলা সব করেছিলো ক্রিশ্চিয়ান বেলের স্টান্টম্যান Jean-Pierre Goy…তার মতে, তিনি এই জিনিসের স্টান্ট করতে করতে আসল মোটরসাইকেল চালানোই প্রায় ভুলে গেছিলেন! পরে তাকে তা আবার রপ্ত করতে হয়! বেল এই স্টান্টগুলার কিছু শ্যুটিং নিজেওবকরতে চেয়েছিলো, কিন্তু নোলানসহ বাকি টিম তাকে সে সুযোগ দেয়নি তার সেফটির কথা চিন্তা করে…
.
.
⭐MICHAEL CAINE’S MISTAKES:
জোকার যখন ব্রুস ওয়েইনের পেন্টহাউজে যায়, তখন তার এক্টিং এতটাই ভয়ানক ছিলো যে মাইকেল কেইন নিজের ডায়লগ ভুলে যান!
.
.
⭐THE TRUCK FLIPPING SEQUENCE WAS DONE FOR REAL:
মুভির মাঝখানে গোথামের (শিকাগো) রাস্তায় আমরা দেখি যে, ব্যাটম্যান জোকারের ট্রাকটা উল্টে ফেলে দেয়! এই পুরা শ্যুটটা রিয়াল ছিলো! নোলান এই পুরা ব্যাপারটা কোনোরকম কম্পিউটার বা কোনোকিছুর সাহায্য ছাড়া রিয়াল শ্যুট করেছিলো এবং ১৮ চাকার একটা বিশাল ট্রাক উল্টে ফেলে দেয়!
তাকে জিজ্ঞেস করা হলে সে এ ব্যাপারে বলে যে, “Nobody had ever done it before and it was really a pretty amazing thing to watch.”
.
.
⭐THE JOKER’S PERSONALITY WAS INSPIRED BY DR. MABUSE:
যখন ক্রিস্টোফার নোলান তার ভাই জোনাথন নোলানকে ডার্ক নাইটের স্ক্রিনপ্লে লিখতে বলেন, তখন তিনি শুরু করার আগে তাকে বলেন ১৯৩৩ সালের The Testament of Dr. Mabuse নামের জার্মান মুভিটি দেখতে! এই মুভিতে Dr. Mabuse একজন পাগল ক্রিমিনাল ছিলো যে শহরে আতংকের কারণ হয়ে উঠে! এই ক্যারেক্টার থেকেই জোকারের আতংকময়,সাইকো টাইপ ক্যারেক্টারটা মাথায় আসে নোলানের!
.
.
⭐THE MOVIE’S GROUNDBREAKING VIRAL MARKETING:
২০০৮ সালেই আসলে ইন্টারনেটে মুভির প্রচার চালানো শুরু হয় বলা যায়, আর এর পিছনে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলো ডার্ক নাইট! ডার্ক নাইট রিলিজের কয়েক মাস আগেই জোকারের সেই ফ্যামাস ছবি যেখানে লেখা WHY SO SERIOUS সেটা ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যায়! Batman Begins এরও কড়া সাফল্য এবং জোকারের আগমনে এবং তার মেকআপ সব মিলিয়ে দর্শকের এক অন্যরকম আশা তৈরি হয় দা ডার্ক নাইটের প্রতি! পরবর্তীতে মানুশের আশা ভালোভাবেই রক্ষা করে ডার্ক নাইট!
.
.
⭐SENATOR’S ACTING:
মুভির একটা সিনে আমরা দেখি যে, ব্রুস ওয়েইনের পেন্টহাউজে এক পার্টিতে জোকার আসে! এবং র‍্যাচেলকে বিল্ডিং থেকে ফেলে দেয়! অই সিনে একজন লোক বলে যে, “We are not intimated by thugs”…
ঐ লোকটি আসলে ছিলেন আমেরিকার State of Vermant এর একজন সেনেটর!নাম Patric Leahy তিনি ৩০ বছর ধরে আমেরিকার সেনেটর ছিলেন তৎকালীন সময়ে! তিনি ছোটবেলা থেকেই ব্যাটম্যান এবং জোকারের ফ্যান ছিলেন! সে কারনেই তিনি নোলানকে তার ইন্টারেস্টের কথা বলায় নোলান তাকে একটি ছোট্ট শ্যুটে পার্ট দেয় তার এই মুভিতে!
.
.
⭐JACK NICKOLSON’S DISAPPOINTMENT:
১৯৮৯ সালে ব্যাটম্যানের মুভিতে জ্যাক নিকোলসন জোকারের চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেন! তিনি যখন শুনলেন যে, The Dark Knight এর মাধ্যমে নোলান আবার জোকারকে ফিরিয়ে আনছে, স্বভাবতই তিনি আশা করেছিলেন যে তাকে রোলটা দেওয়া হবে এবং তাকে ডাকা হবে! নোলানকে মাইকেল কেইনও শুরুতে নিকোলসনের কথাই বলেছিলেন! কিন্তু নোলান কারো কথা শুনেনি! সে হিথকেই জোকারের রোলটা দিয়েছিল! বাকিটা আমরা সবাইই জানি! হিথ লেজার কি তৈরী করলো! কিন্তু এতকিছুর পরও জ্যাক নিকোলসন এই ব্যাপারটা নিয়ে তারপরেও বিরক্ত। তিনি তাকে ক্যারেক্টারটি অফার না করার ব্যাপারটি মেনেই নিতে পারেননি….
.
.
⭐TRIBUTE TO DAUGHTER:
হিথ লেজার তার মেয়ের জন্য এই মুভিতে একটি ট্রিবিউট রেখে গেছেন! কীভাবে?
তার মেয়ের নাম Matilda….মুভিটিতে যখন আমরা হাসপাতালে নার্সের ড্রেস পড়া জোকারকে দেখতে পাই, তখন যদি ভালোভাবে লক্ষ্য করেন, তাহলে দেখবেন যে, নার্সের ড্রেসের Nameplate MATILDA লেখা থাকে! যা হিথ নিজেই চেয়েছিলো… তার মেয়ের নামানুসারে!
.
.
⭐JONATHON NOLAN WROTE THE SCRIPTS OF TDK:
আমরা জানি যে, David S. Goyer কমিকবুক মুভি ইন্ডাস্ট্রি তে একজন well-known writer যে কিনা Batman Begins এরও স্ক্রিপ্ট লিখেছিলো… তাই অনেকেই ভুল করে ভাবে যে,তিনি ডার্ক নাইটেরও স্ক্রিপ্ট লিখেছেন! কিন্তু তথ্যটি ভুল! ডার্ক নাইটের স্ক্রিপ্ট David S. Goyer লেখেননি, বরং ক্রিস্টোফার নোলানের ভাই জোনাথন নোলান লিখেছেন, যিনি নোলানের অনেক মুভিরই স্ক্রিপ্ট লিখেছেন…
.
.
⭐LEARNING TOOLS:
আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছিলেন যে, এই মুভিটি দেখে তিনি ISIS এর রোল এবং কাজকর্মেরও কিছু ধারনা পেয়েছিলেন যা তাকে পরবর্তীতে সাহায্য করেছিলো! মুভিটির শুরুর কিছু পরে একটি সিন আছে,যেখানে শহরের সব ক্রিমিনাল আন্ডারগ্রাউন্ডে একটি মিটিং এ বসে(পরে সেখানে জোকার হাজির হয়ে তার বিখ্যাত Pencil Disappearing scene টি করেন)! এই সিনটিই মূলত ওবামাকে প্রভাবিত করেছিলো যা পরে তিনি নিজে বলেছেন..
.
.
⭐HEATH LEDGER’S AWARDS:
হিথ লেজার এই মুভিতে তার এক্টিং এর জন্য টোটাল ৩৪ টা এওয়ার্ডে বেস্ট এক্টর/ বেস্ট সাপোর্টিং এক্টরের নোমিনেশন পান, যার মধ্যে ২ টি বাদে বাকি ৩২ টিই তিনি জিতেন! এর মধ্যে Oscar, Golden Globe, BAFTA, SAG এবং Critic’s Choice Awards ও ছিলো..
.
.
⭐FAKING THE MOVIE NAME:
গোথাম শহরের বেশিরভাগ শ্যুটিং ই হয়েছিলো শিকাগোতে! শিকাগোতে যখন তারা শ্যুটিং শুরু করে, মানুষের ভিড় কমানোর জন্য নোলান বলে যে,তারা “Rory’s First Kiss” নামে একটি মুভির শ্যুটিং করছে, যাতে হাইপ কমে এবং শ্যুটিংও ভালোভাবে করা যায়!
কিন্তু কতক্ষনই বা ব্যাটম্যান আর জোকারকে মানুষের দৃষ্টি থেকে আটকিয়ে রাখা পসিবল! কয়েক মিনিটের মাথাতেই মানুষ বুঝে গেলো তারা নাম আড়াল করছে এবং আবারও ভিড় জমে গেলো..
.
.
⭐JOKER’S SMILE:
আমরা জোকারের মুখে যেই Scar বা ঘায়ের চিহ্ন দেখি, এইটার একটা নির্দিষ্ট নাম আছে তা কি জানেন?
এটাকে বলা হয়, Glasgow Smile….
.
.
⭐HEATH LEDGER’S PREPARATION:
হিথ লেজার শ্যুটিং শুরু হওয়ার আগে নিজেকে ৬ সপ্তাহ একটি হোটেল রুমের মধ্যে বন্দী করে রেখেছিলো শুধুমাত্র জোকার চরিত্র নিজের মধ্যে ফুটিয়ে তুলতে….
.
.
⭐CHRISTIAN BALE ACTUALLY HURT HEATH LEDGER DURING FILMING:
পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এর ইন্টেরোগেশন রুমে ব্যাটম্যান আর জোকারের কনভারশেসন মনে আছে? যখন ব্যাটম্যান জোকারকে বারবার আঘাত করছিলো?
অই scene টাতে বেল কিন্তু সত্যি সত্যিই হিথ লেজারকে আঘাত করে! আসলে তাকে হিথ লেজারই বলেছিলো, “আঘাত চালিয়ে যাও! মারো! আমি ক্যারেক্টারটাকে ফিল করতে পারছি!”
এটা প্রমান করে যে, হিথ লেজার কতটা ডেডিকেটেড এবং প্যাশনেট ছিলো জোকার ক্যারেক্টার টার প্রতি!
.
.
⭐FIRST COMIC BOOK FILM TO HIT BILLIONS:
ডার্ক নাইট প্রথম কোনো কমিকবুক ক্যারেক্টার নিয়ে বানানো মুভি যেটা এক বিলিয়ন ডলার ক্রস করেছে বক্সঅফিসে! শুধু তাইই না, এটা এখন পর্যন্ত আয় করা সবথেকে হিট ব্যাটম্যান ফিল্ম!
.
.
⭐NOLAN’S CHANGE OF MIND:
ক্রিস্টোফার নোলান তার ক্যারিয়ারে সবসময় প্লটের মুভি বানান অর্থাৎ সিকুয়েল মুভি থেকে দূরে থাকেন! কিন্তু তিনি প্রতিটি মুভির মধ্যেই অনেক প্লট এন্টার করেন,যা better than enough এক কথায়! তিনি যখন Batman Begins বানান, তখনও তিনি জানতেন না বা ভাবেননি যে তিনি এটার সিকুয়েল বানাবেন! কিন্তু পরবর্তীতে দর্শক এবং ভক্তদের সাড়ায় এবং জোকার ক্যারেক্টারটার প্রতি তার নিজের ইচ্ছার জন্য আবার ফিরে আসেন এবং সিকুয়েল হিসেবে দা ডার্ক নাইট বানান।
বাকিটা ইতিহাস!!
.
.
⭐JOKER NEEDS NO INTRODUCTION:
সাধারণত আমরা কোনো সুপারহিরো মুভিতে কোনো হিরো বা ভিলেনের শুরু অর্থাৎ কীভাবে সে এরকম হয় সেটা দিয়ে শুরু করতে দেখি!
কিন্তু এই মুভিটিতে জোকারের কোনো Origin Story ছিলোনা,বা নোলান কখনো এমন চানও নি!
নোলান এ সম্পর্কে বলেছিলেন,”We never wanted to do an origin story for the Joker in this film”…
.
.
⭐THE JOKER’S THEME SONG IS REALLY JUST TWO NOTES:
Hans Zimmer হলিউড এবং পুরা বিশ্বের একজন বিখ্যাত মিউজিক ডিরেক্টর! যিনি The Lion King, Pirates of the Caribbean series এর মত মুভিতে মিউজিকের দায়িত্বে ছিলেন! তিনি নোলানের কিছু মুভিতেও মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন! তিনি জোকারের বিখ্যাত থিম সং টা বানিয়েছিলেন, যা মাত্র দুইটা নোটের উপর বেজড করে বানানো!
.
.
⭐BLOWING UP A BULIDING:
নোলান এই মুভিতে বোম দিয়ে হাসপাতাল উড়িয়ে দেওয়ার সিনটি পুরাপুরি বাস্তবে করেছিলেন! এবং এই সিনে কোনোপ্রকার এডিটিং করা হয়নি বা কম্পিউটার ইফেক্ট যোগ করা হয়নি! এখানে একটি পুরানো অব্যবহৃত ফ্যাক্টরিকে নোলান হাসপাতাল হিসেবে ইউজ করেন! এবং এই শ্যুটটা করার আগে বিশেষজ্ঞ দ্বারা ঐ বিল্ডিং এর এমন এমন জায়গায় প্রিপ্ল্যান্ড ভাবে বোম ফিট করেন যাতে বার্স্ট হবার পর ঠিক যেমনটা আমরা দেখেছি মুভিতে,ঠিক অমনই যাতে হয়! এবং তারা সেটা পেরেছিলোও!! এই শ্যুটিং এর টাইমে ২০-২৫ টার বেশি ক্যামেরা হাসপাতালের বিভিন্ন এংগেল থেকে দাড়া করানো হয়, এবং ৫ টা হেলিকপ্টার উপর থেকে শ্যুট করে! এই শ্যুটিং টা করার আগে বিভিন্ন নিউজ চ্যানেল থেকেও মানুষ এসে ভিড় লেগে যায়! এবং আমরা মুভিতে ঠিক যেটা দেখেছি, সেভাবেই আসলে বিল্ডিং টা বার্স্ট হয়েছিলো…

Categories
Humor

আমি দেখাচ্ছি।।।

★নেটে অনুশীলনের সময় ব্যাটসম্যানরা কেউই ব্যাটে বল লাগাতে পারছিলেন না। কোচ রেগে গিয়ে ব্যাটসম্যানের হাত থেকে ব্যাট কেড়ে নিয়ে বললেন, ‘এবার আমাকে বল করো, আমি দেখাচ্ছি।’

পরপর ছয়টি বল খেলে কোচ একটি বলও ব্যাটে লাগাতে পারলেন না। তার পর এদিক-ওদিক তাকিয়ে ঝাঁঝের সঙ্গে বললেন, ‘হ্যাঁ, আমি দেখলাম, তোমরা ঠিক এমনটাই খেলছিলে! এখন যাও, আর ঠিকমতো খেলো!’
😂😂😂

▶▶▶

⚫Personal Kotha Account⤵⤵⤵
★https://link.kotha.app/app/user/preview/34bhz17gh

Categories
Career

ক্যাড (CAD)

ক্যাড হচ্ছে কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন (Computer-aided design)। এর মাধ্যমে ডিজাইনার বা টেকনিশিয়ানরা যে কোন যন্ত্র, স্থাপনা বা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাপ্লিকেশনের টু ডি বা থ্রি ডি ডিজাইন তৈরি করতে পারে। বর্তমান সময়ে যে কোন জিনিসের প্রোটোটাইপ তৈরি করা বেশ ব্যয়বহুল হতে পারে। আবার কাগজে করা নকশনা ভালোভাবে বোঝা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই আজকাল সকল ডিজাইনের ক্ষেত্রেই অটোক্যাড ব্যবহৃত হয়।

কোথায় ক্যাড প্রয়োজন হয়?

শিল্প-কারখানা, নানা ধরনের ম্যানুফ্যাকচারিং ফার্ম, ইন্টেরিয়র ফার্ম, কন্সট্রাকশন ফার্ম, আর্কিটেকচারাল ফার্ম, সার্ভেয়িং ফার্ম – সর্বত্রই এখন অটোক্যাড ডিজাইনারদের চাহিদা রয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব কাজ তারা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে করিয়ে নেয়।

ইউএস ব্যুরো অফ লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৪-২০২৪ সালের মধ্যে আর্কিটেকচারাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডের কাজের সুযোগ ৩ ভাগ কমলেও ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক খাতে সুযোগ শতকরা ৫ ভাগ বাড়বে।

ক্যাডে কেমন কাজ করতে হবে আপনাকে?

বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের কাজ ক্যাড দিয়ে করা যায়। যেমনঃ

রাস্তা-ব্রীজসহ বিভিন্ন কন্সট্রাকশন সাইটের ডিজাইন

কলকারখানার মেশিন ও যন্ত্রপাতির ডিজাইন

বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ভেতরের সার্কিট ডায়াগ্রামের ডিজাইন

গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশের ডিজাইন

বাড়ির নকশা বা ইন্টেরিয়র ডিজাইন

ক্যাডের কাজ কোথায় পাবেন?

ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সারসহ আরো বহু অনলাইন মার্কেটিং সাইট রয়েছে। এগুলোতে ক্লায়েন্টরা তাদের কাজের বর্ণনা দেন ও সে অনুযায়ী ডিজাইনার খোঁজেন। এছাড়া গ্র্যাবক্যাডসহ কিছু সাইটে ডিজাইনারেরা ব্যক্তিগত কাজের নমুনা প্রদর্শন করতে ও বিক্রি করতে পারেন।

ক্যাডে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কেমন আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে?

নিয়মিত কাজ করলে মাসে ৪০-৫০ হাজার টাকা উপার্জন করতে পারেন। তবে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে তা এক-দুই লাখ টাকাও হতে পারে। যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে প্রতিযোগিতা বেশি, সেহেতু ক্লায়েন্ট পেতে হলে আপনাকে হতে হবে দক্ষ ও সৃজনশীল। এছাড়া সব সময় চেষ্টা করবেন সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার।

ক্যাডের জন্য কোন সফটওয়্যার শিখবেন?

ক্যাডের জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার দরকার হয়। যেমনঃ

অটোক্যাড (AutoCAD)

অটোক্যাড ইনভেন্টর (AutoCAD Inventor)

সলিডওয়ার্ক্স (SolidWorks)

সলিড এজ (Solid Edge)

ফ্রিক্যাড (FreeCAD)

টার্বোক্যাড (TurboCAD)

কোথায় শিখবেন ক্যাডের কাজ?

ক্যাড নিয়ে কাজের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু আপনার যদি কোন প্রফেশনাল ডিগ্রি বা ট্রেনিং থাকে, তবে সেটা অবশ্যই ভালো।

যেহেতু ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরেই ক্যাডের ব্যবহার বেশি, কাজেই যন্ত্র প্রকৌশল কিংবা পুর প্রকৌশল ডিগ্রি থাকলে কাজ পেতে সুবিধা হবে। বাংলাদেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যন্ত্র ও পুর কৌশল বিভাগে অটোক্যাড বা সলিডওয়ার্ক্স শেখানো হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশে তেমন স্বনামধন্য ক্যাড প্রশিক্ষণ কেন্দ্র না থাকলেও ছোট ও মাঝারি আকারের বহু প্রতিষ্ঠান এর উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

Categories
Movies

কেন আমাদের কপি করতে হয়!

©®Sabbir2.1

আমাদের কি এতই ক্রিয়েটিভিটির অভাব যে বাহিরের দেশের থেকে এতোটা কপি করতে হবে যাতে সবাই হাসতে বাধ্য হয়!

কিছু নতুন করার প্রচেষ্টা করতে হবে আমাদেরই। কারণ এখন আর সেই বাঙ্গালী নই যা আমাদের দেওয়া হবে তাই গিলতে হবে।

দুঃখিত এতোটা আগ্রাসী হবার জন্যে । আরো কথা ছিলো সে নাহয় ভিডিওতেই বলা হবে।

ইতি ছোট্ট সদস্য Sabbir2.1

Categories
Health

বাতজ্বর ও প্রাথমিক চিকিৎসা

◽বাতজ্বর :

বাতজ্বরের ডায়াগনোসিস রোগীর মূখ্য ও গৌণ লক্ষনের মাধ্যমে করা যায়। এর মধ্যে যদি মূখ্য লক্ষণ ২টি ও গৌণ লক্ষন ১টি কিংবা গৌণ লক্ষণ ২টি ও মূখ্য লক্ষণ ১টি পাওয়া যায় তাহলে বাতজ্বরের ডায়াগনসিস নিশ্চিত করা সম্ভব হয় । সাথে অবশ্যই বিটা হিমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কাসের প্রদাহজনিত গলাব্যথার ইতিহাস থাকতে হবে । 

➡ মুখ্য লক্ষণ রয়েছে ৫টি । যেমনঃ

▫হৃৎপিণ্ডের প্রদাহ, যা হলে রোগীর জ্বর, বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফর করা, নাড়ীর গতি বেড়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি সমস্যা হয় ।

▫গিরায় ব্যথা, যা হলে মূলত বড় গিরায় যেমন হাঁটু, গোড়ালি, হাতের কবজি, কনুই ও কোমরে ব্যথা হয়, ফুলে যায় ও লালচে বর্ণ ধারণ করে। প্রথমে যেকোনো একটি গিরায় ব্যথা ও ফোলা থাকে, তার সেই গিরার ব্যথা ও ফোলা ২-৩ দিন পর কমে গিয়ে আরেকটি গিরাকে আক্রান্ত করে। এভাবে প্রদাহ এক গিরা থেকে অন্য গিরায় ছড়িয়ে পড়ে ।

▫ইরিথেমা মারজিনেটাম অর্থাৎ বুকে ও পিঠের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন আকৃতির লাল বর্ণের চাকা দেখা দেয়া, যেগুলোতে কোনো ব্যথাও হয় না, আবার চুলকায়ও না, তবে একটু ফুলে ওঠতে পারে এবং নিজে নিজেই ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যায় ।

▫সিডেনহ্যাম কোরিয়া, যা মস্তিষ্কের এক ধরনের সমস্যা। এর ফলে রোগীর মেজাজ খুব খিটখিটে হয়। হাত-পা বা শরীরের কোনো অংশ নিয়ন্ত্রণহীনভাবে অযথা কাঁপতে থাকে।

▫চামড়ার নিচে ছোট দানা, যেগুলো সিমের বীচির মতো আকৃতির, শক্ত ও ব্যথাযুক্ত। এগুলো সাধারণত কনুই, ঘাড়, কবজি বা পায়ের সামনের দিকে দেখা যায়

⏩ বাতজ্বরের চিকিৎসা নিন :

বাতজ্বরের আক্রমণের সংখ্যা যত বাড়বে, বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি হবে। তাই এব্যাপারে কোন অবহেলা করা যাবেনা। বাতজ্বরের চিকিৎসা সহজ ও সস্তা। কিন্তু এ চিকিৎসা ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদি। মোট পাঁচ বছর অথবা ২২ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত নিতে হবে। এর মধ্যে যেটি দীর্ঘতর হবে, সেটিই প্রযোজ্য হবে। যেমন যার বয়স ১০ তাকে নিতে হবে বার বছর, আর যার বয়স ২০, তাকে নিতে হবে পাচ বছর। যাদের হৃদযন্ত্র আক্রান্ত হয়েছে, তাদের কমপক্ষে ১০ বছর অথবা ৩০ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত নিতে হবে (এর মধ্যে যেটি দীর্ঘতর হয়)। অন্যদিকে যাদের বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ হয়েছে, এমনকি যারা ভাল্বের অস্ত্রোপচার করেছে, তাদের আজীবন নিতে হবে।

⏩ বাত জ্বর নিয়ে কিছু কথা জেনে রাখা জরুরী:

গিরাব্যথা ও জ্বর হলেই বাতজ্বর নয়ঃ গিরা ফোলা বা ব্যথাসহ জ্বর আরও বেশ কিছু রোগে হতে পারে। তাই গিরাব্যথা হলেই বাতজ্বর হয়েছে বলা যাবে না। তবে গিরা ফুলে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মনে রাখবেন, বাতজ্বরের গিরা ফোলা বা ব্যথা সহজেই ভালো হয়ে যায়। তাই চিকিৎসা নেওয়া সত্ত্বেও যদি কোনো রোগীর গিরাব্যথা ভালো না হয়, তাহলে রোগটি বাতজ্বর না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বাংলাদেশে যারা বাতজ্বরের চিকিৎসা নিচ্ছে, তাদের অধিকাংশই এ ধরনের রোগী।

⏭ রক্তের এএসও টাইটার বেশি মানেই বাতজ্বর নয়ঃ

 বাতজ্বর নির্ণয়ের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট রক্ত পরীক্ষা নেই। তাই বাতজ্বর সন্দেহ হলে চিকিৎসকেরা রক্তের অ্যান্টি-স্ট্রেপটোলাইসিন-ও (এএসও) পরীক্ষা করে থাকেন। এএসও বেশি হওয়ার অর্থই বাতজ্বর নয়। স্ট্রেপ দ্বারা গলদাহ হলেই রক্তে এএসওর মাত্রা বাড়বে। বাতজ্বর হলে অবশ্যই উপরোল্লিখিত মূখ্য ও গৌণ লক্ষণগুলো থাকতে হবে। লক্ষণ বা উপসর্গের অনুপস্থিতিতে এ ধরনের রক্ত পরীক্ষা মূল্যহীন।

⏭ বাতজ্বর হলেও গর্ভধারণ করা যায়ঃ 

মেয়েদের বাতজ্বর হলে বিয়ে বা সন্তান ধারণে অসুবিধা নেই। গর্ভধারণ করলেও পেনিসিলিন চালিয়ে যেতে হবে। এতে সন্তানের কোনো ক্ষতি হবে না। তবে বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ গুরুতর হলে সন্তান নেওয়া মায়ের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তাই বাতজ্বরজনিত হৃদরোগীরা গর্ভধারণের আগে বাতজ্বরে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

⏭ উপসর্গ ভালো হলেই ওষুধ বন্ধ করা যাবে নাঃ

 উপসর্গ ভালো হয়ে গেলেই বাতজ্বরের প্রতিষেধক চিকিৎসা বন্ধ করা সঠিক নয়। বাতজ্বর একবার হলে বারবার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বাতজ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শমতে নিয়মিত ও ক্রমাগত পেনিসিলিন ব্যবহার করতে হবে, যাতে পুনরায় বাতজ্বর না হয়। মনে রাখবেন, এই পেনিসিলিন গ্রহণ বাতজ্বরের পূর্ববর্তী আক্রমণের জন্য নয়। এটি ভবিষ্যতে বাতজ্বর না হওয়ার জন্য স্বল্পমেয়াদি টিকা হিসেবে কাজ করে।

⏩ বাতজ্বর ছোঁয়াচে রোগ নয়ঃ

 বাতজ্বর ছোঁয়াচে রোগ নয়। বাতজ্বরের রোগীর সঙ্গে থাকলে, খেলে, ঘুমালে, এমনকি ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করলেও বাতজ্বর হওয়ার আশঙ্কা নেই। গর্ভাবস্থায় মা থেকে শিশুতেও সংক্রমণের আশঙ্কা নেই। কিন্তু স্ট্রেপ গলদাহের সময় কাছাকাছি থাকলে, কথা বললে অন্যের গলদাহ হতে পারে। তাই শিশুর গলাব্যথা হলে সেসময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Movies

The Twilight Saga(Movie Series)

©®Moviekotha

Genre:-Romantic,Fantasy

IMDb:-5.5 (average)( 600k vote)

Cast:-
Robert Pattinson(Edward )
Kristen Stewart, (Bella)
Taylor Lautner (Jacob)
Director:- Catherine Hardwicke
Writing:- Stephanie Mayer & Melissa Rosenberg
#Budget:-401 M (5 film)
Box office:- 3.346 B( All)
★★স্পয়লার

মূলত মুভিটি স্টেপেনি মেয়ারের একটি ফ্যান্টাসি ঘরনার উপন্যাস থেকে নির্মিত,তবে উপন্যাস থেকে কিছু আলাদা ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে মুভিটিকে,এর স্ক্রিপ্ট মেলিসা রোজেনবার্গ ঠিক করেন উপন্যাসের সাথে মিল রেখে। আমাদের সবারই ছোটবেলা থেকে কম বেশি মনে ফ্যান্টাসি হিসেবে থাকে ভ্যাম্পায়ার,ওয়ার-উলফ কিংবা ড্যাকুলা নিয়ে,মুভিটিতে মূলত সবকিছুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়, কম বেশি সবাই এই মুভি দেখেছেন, এই মুভি দেখেই অনেকে ক্রিস্টিনার প্রেমেও পড়েছেন,যদিও রবার্টের সাথে অনেকের পরিচয় হ্যারি পটার দিয়ে।
মুভিটির মূল চরিত্রগুলো হলো এডওয়ার্ড কালেন, বেলা সুয়ান,জ্যাকব ব্ল্যাক, রেনেজমি চার্লি কালেন, জ্যাসপের হালে সহ আরো অনেকে।
স্কিন প্লে কিছুটা স্লো হলেও একসাথে সিরিজের সবগুলো মুভি দেখলে খুব একটা খারাপ লাগে না।কাহিনীর ভেতরে ঢুকে যাওয়া যায়,এরপরের কাহিনী নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে।

📌📌গল্প কাহিনীঃ-
মুভির মূল কাহিনী শুরু হয় বেলা সোয়ান নামে একটা মেয়েকে নিয়ে, বেলার বাবা মায়ের ডিভোর্সের পর বেলা তার মায়ের কাছে থাকে,তবে রিসেন্টলি কিছু সমস্যার জন্য সে তার বাবার সাথে থাকার জন্য এরিজোনায় তার বাবার কাছে আসে,
এখানে এসে বছরের মধ্যে সময়ে বেলা নতুন স্কুলে ভর্তি হয়। কিন্তু স্কুলে কিছু স্টুডেন্টস ছিলো যারা একটু ভিন্ন ধরণের।
কিছু ঘটনায় বেলার তাদের প্রতি আকর্ষণ জাগে বিশেষত এডওয়ার্ডের প্রতি।
জ্যাকবের(বেলার বাবার বন্ধুর ছেলে) আপত্তি থাকা সত্ত্বেও সে এডওয়ার্ডের সাথে রিলেশনে জড়ায় আস্তে আস্তে।

অন্য ভ্যাম্পায়ার কতৃক বেলা হুমকির মুখে পড়লে এডওয়ার্ডের ফ্যামিলিসহ বেলাকে উদ্ধারের জন্য অভিযান শুরু করে।

📌এরপর থেকে শুরু হয় ঘটনার একেকদিকে মোড় নেওয়া।
অন্যান্য পর্বগুলোতে আস্তে আস্তে অনেক কিছুই ফুটে ওঠে।

#এডওয়ার্ডের দূরে সরে যাওয়া,জ্যাকবের সাথে বন্ধুত্ব,জ্যাকবের অন্য পরিচয় প্রকাশ,ভল্টেরির ফুটে ওঠা আক্রোশ দিক,ফ্যামিলি বন্ডিং,বন্ধুত্ব,ভালোবাসা,বেলার বিয়ে,সন্তান জন্ম দেয়া ইত্যাদি।

#প্রথম ও শেষ পর্বটা ব্যাক্তিগতভাবে বেশি ভালো লেগেছে।
শেষ পর্বে বেলার পরিবর্তন,সব বন্ধু গোত্রের একত্রিত হওয়া, ভল্টেরির যাথে যুদ্ধের পরিণতি সহ বেলার সন্তানকে নিয়ে ঘিরে উঠে অনেক কল্পকাহিনী যা সত্যিই আপনাকে ভালো লাগাবে।

**
মুভির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনেক মুহূর্তই আপনার সামনে এনে দেবে।
হয়তোবা ছোট্টো একটা ভালোলাগাও কাজ করতে পারে আপনার ভেতর।

#=প্রধান তিনটি চরিত্র নিয়ে না বললেই নয়।
#Bella Swan উফফ…তার কিউটনেস,স্মাইল আপনাকে আরো কাছে টানবে। অজানা একটা ভালোলাগা তার প্রতি মনের অজান্তেই কাজ করবে। মুভি দেখার পর তার প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম,পরে যখন জানতে পারি সে মূলত লেসবিয়ান 😞ম্যারা তো দিল ই টুট গায়া💔💔😫
😍

#Edward Cullen,
এডওয়ার্ডের স্মার্টনেস পুরো সিরিজটাতেই ফুটে ওঠেছে। বিভিন্ন দৃশ্যে তার Attitude,Styles,Smiles তাকে আরো স্মার্ট করে Show করেছে।রোমান্টিক মুভিতে এমন নায়ক কেইবা না দেখতে চায়।

# Jacob Black,
জ্যাকব। বেলার সবচেয়ে কাছের বন্ধু বা তার চেয়ে বেশি কিছু বললে ভুল হবে না।
পুরো সিরিজটিতে আস্তে আস্তে তাকে ভালো লাগতে শুরু করবে।প্রথমটায় না ভালো লাগলেও পরেরগুলোতে আস্তে আস্তে সে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করবেই।
মনের অজান্তেই জ্যাকবের প্রতি একটা ভরসা তৈরি হয়ে যাবে।
এমনকি তার Anger গুলোও বেশ Enjoy করবেন।

YouTube video Moviekotha ⏩

আমাদের পাশেই থাকুন ✅

ডাউনলোড লিঙ্ক এর জন্য জয়েন করুন অথবা মেসেজ করুন মুভি কথাকে ধন্যবাদ ⏬⏬⏬

⏩Telegram link……… : https://t.me/Moviekotha

⏩YouTube link…….. : https://bit.ly/36GxyeC

⏩Instagram……………: instagram.com/moviekotha/

📌মুভি লাভারদের মত কেউ মোবাইল লাভার হন এখনি ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল Mobile kotha account থেকে 🔜👇👇👇 ⏩mobile Kotha……… : https://bit.ly/36PVcFt

Categories
Career

ওয়েব ডিজাইন

একজন ওয়েব ডিজাইনার ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য পরিকল্পনা, ডিজাইন ও কোডিং করে থাকেন। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে ওয়েব ডিজাইনের আন্তর্জাতিক মার্কেট যথেষ্ট বড়।

কোথায় ওয়েব ডিজাইন প্রয়োজন হয়?

ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশন দেখতে কীরকম হবে, তা একজন ওয়েব ডিজাইনার ঠিক করেন। আপনি ফেসবুকে ঢুকলে যে নীল-সাদা রঙের ইন্টারফেস দেখতে পান, তার পেছনে রয়েছে ওয়েব ডিজাইনের কাজ।

ওয়েব ডিজাইনে কেমন কাজ করতে হবে আপনাকে?

ওয়েব ডিজাইনে সাধারণত আপনাকে যেসব কাজ করতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে –

ওয়েবপেইজ/ওয়েবসাইট/অ্যাপ্লিকেশনের প্রাথমিক লেআউট তৈরি করা;

প্রয়োজনে প্রজেক্টের জন্য গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন কিংবা ডিজিটাল ফটোগ্রাফি ডিজাইন করা;

প্রয়োজনীয় কোড লেখা;

দরকার হলে কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নিয়ে কাজ করা;

প্রজেক্ট বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ওয়েবসাইট/অ্যাপ্লিকেশনের ডিজাইনের সামঞ্জস্য বজায় রাখা;

ওয়েবপেইজ/অ্যাপ্লিকেশনের বিভিন্ন কন্টেন্ট এডিট করা ও বারবার এর কার্যকারিতা যাচাই করা।

ওয়েব ডিজাইনের কাজ কোথায় পাবেন?

আপওয়ার্ক কিংবা গুরু ডট কমের মতো প্লাটফর্মগুলোতে কাজ খুঁজে নিতে পারেন আপনি।

ওয়েব ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কেমন আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে?

একজন স্বল্প অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার চাইলে নিয়মিত কাজ করে প্রতি মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা উপার্জন করতে পারেন। কিন্তু দক্ষ হলে লাখ টাকার উপরেও উপার্জন সম্ভব। এজন্য অবশ্যই একটি সুন্দর পোর্টফোলিও থাকা চাই।

ওয়েব ডিজাইনের জন্য কী কী টেকনিক্যাল স্কিল দরকার?

প্রজেক্টের উপর টেকনিক্যাল জ্ঞানের ধরন নির্ভর করে। এরপরও সাধারণ উদাহরণ হিসাবে নিচের স্কিলগুলোর কথা বলা যায় –

কোডিং: HTML, CSS, JavaScript, jQuery, Dreamweaver

ডিজাইন ও গ্রাফিক্স: Photoshop, Illustrator, InDesign

কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: WordPress, Drupal, Joomla

বহু ক্ষেত্রে অ্যাপ্লিকেশন তৈরির কোডিং (যেমনঃ PHP, Python) নিয়েও ধারণা থাকার দরকার হয়।

কোথায় শিখবেন ওয়েব ডিজাইনের কাজ?

ওয়েব ডিজাইনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার থেকে কাজের দক্ষতা ও জ্ঞান বেশি জরুরি। কিন্তু এরপরও কম্পিউটার সায়েন্স, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, মাল্টিমিডিয়া ডিজাইন, ডিজিটাল মিডিয়া প্রোডাকশন, ইনফরমেশন টেকনোলজি বা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং- এগুলোর কোন এক বিষয়ে ডিগ্রি থাকলে আপনার জন্য এ পথে আসা সহজ হবে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার থেকে সবচেয়ে বেশি জরুরি হলো কাজের পোর্টফোলিও থাকা।

Categories
Lifestyle

Congratulations to the Leaderboard winners of July 2020!

Categories
Lifestyle

Kotha App Theme Song Song Credit Artist: Mr Khoka & M Alli Mix Master: OTG Workstation

Join 100,000+ Bangladeshi community on the Bangladesh’s “OWN” Social & Lifestyle platform Experience the Bangladeshi social Media with chat, post, feeds, free calls, amazing stickers, lifestyle content and much more.

MAKE NEW FRIENDS. GROW YOUR POPULARITY.

Categories
Health

আলঝেইমার রোগে ঝুঁকি কমাতে যা খাবেন

◽আলঝেইমার রোগ :

আলঝেইমার রোগ মস্তিষ্কের একধরনের অস্বাভাবিকতা, যাতে সাধারণত স্মৃতিভ্রংশ হয়, রোগীর কগনিটিভ কার্যকারিতা বা পরিপার্শ্ব সম্পর্কে চেতনার ক্ষয় হতে থাকে। ৬৫ বছরের পরে এ রোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি। এই রোগের তেমন কোনো প্রতিকার নেই। রোগের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে রোগীর শারীরিক অবস্থারও অবনতি হতে থাকে, খাওয়াসহ অন্যান্য দৈনন্দিন কাজ নিজে করতে না পারার কারণে রোগী একেবারেই পরনির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য আমাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। এ জন্য ‘মাইন্ড ডায়েট’ খুবই উপকারী। মাইন্ড ডায়েট অনুসরণ করতে দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় নিচের খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন:

▫পূর্ণ শস্যযুক্ত খাবার :

দিনে খাবারের তালিকায় পূর্ণ শস্যযুক্ত খাবার রাখুন। লাল আটা, লাল চাল, ভুট্টা, গম, ওটস, হোল গ্রেইন পাস্তা, পপকর্ন—এগুলো পূর্ণ শস্যযুক্ত খাবার।

▫সামুদ্রিক মাছ :

ওমেগা-৩ যুক্ত মাছ যেমন স্যামন, টুনা, ম্যাকরেল ইত্যাদি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। সপ্তাহে অন্তত দুই দিন সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার চেষ্টা করুন।

▫শিম ও শিমের বিচি :

স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে এটা খুবই উপকারী। এতে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে।

▫শাকসবজি :

সবুজ শাক, বিশেষ করে পালংশাক, ব্রকলি, বাঁধাকপি, শালগম এবং আরও যে সবুজ রঙের শাকসবজি রয়েছে, সেগুলো খেতে হবে। এতে লুটেইন, ফলেট, ভিটামিন ই, বিটা ক্যারোটিন এবং পলিফেনলস রয়েছে।

⏩ সালাদ: দিনে একবার সালাদ খেলে তা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

⏩ বাদাম: স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাদামের জুড়ি নেই। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন অল্প বাদাম খান।

⏩ অলিভ অয়েল: রান্নার কাজে এবং সালাদ তৈরিতেও ড্রেসিং হিসেবে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

মাইন্ড ডায়েটের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:

রেড মিট, মিষ্টিজাতীয় খাবার যতটা সম্ভব কম খেতে হবে।

ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার সপ্তাহে একবারের বেশি খাওয়া ঠিক নয়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil