Categories
Movies

ব্রেকিং!!

অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড অস্কার ২০২১-এর জন্যে ইন্ডিয়া থেকে সিলেক্ট হয়েছে লিজো জোস-এর মাস্টারপিস মালায়ালাম সিনেমা ‘Jallikattu’!

বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ক্যাটাগরিতে একমাত্র ইন্ডিয়ান সিনেমা হিসেবে লড়বে এটি 🔥💥

Categories
Lifestyle

শুরু হয়ে গিয়েছে দারাজের FATAFATI FRIDAY SALE! এই লিংক https//click.daraz.com.bd/e/_eBUYG থেকে এখনই অর্ডার করে ফেলুন স্টক শেষ হবার আগেই।

“কথা” এখন দেশের সবচেয়ে বড় ই -কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজের পার্টনার। ২০০ টাকার ডিসকাউন্ট “KOTHASOHAG360” ভাউচার কোড ব্যবহার করলে।

দারাজে নতুন ব্যবহারকারী হলে এবং ৩০০০ টাকার পণ্য কিনলে রিডিম করা যাবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

২৬শে নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) থেকে ৩০শে নভেম্বর (সোমবার) পর্যন্ত চলবে FATAFATI FRIDAY SALE!

Categories
Invention

সিগারেট আবিষ্কারের ইতিহাস এবং মানুষ কেন সিগারেট খায়?

⛔ ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক!
মানুষ কেন সিগারেট খায়? আজব প্রশ্ন! এ প্রশ্নের উত্তর নিজের মত করে দেবো। আগে সিগারেটের ইতিহাস সম্পর্কে জেনে নেয়া আবশ্যক!

ইউরোপিয়ানদের মধ্যে বিখ্যাত নাবিক এবং আবিষ্কারক ক্রিস্টোফার কলম্বাসই প্রথম তামাক গাছ দেখেন। ১৪৪২ সালে কলম্বাস যখন সান সালভাদরে গিয়ে পৌঁছান তখন সেখানকার আদিবাসীরা মনে করেছিলো কলম্বাস ঈশ্বর প্রেরিত স্বর্গীয় জীব! তারা কলম্বাসকে উপহার স্বরূপ কাঠের তৈরি যুদ্ধাস্ত্র, বন্য ফলমূল এবং শুকনো তামাক পাতা দিয়েছিলো। অন্যান্য উপহার গুলো নিলেও কলম্বাস ধূমপান না করে তামাক পাতা গুলো ফেলে দিয়েছিলো।

ঠিক ঐ বছরই আরেকজন ইউরোপিয়ান রডরিগো ডি যেরেয (Rodrigo de Jerez) কিউবায় গিয়ে পৌঁছান এবং ইউরোপিয়ান হিসাবে তিনিই প্রথম ধূমপান করেছিলেন। রডরিগো ডি যেরেয ছিলেন স্পেনের নাগরিক। পরবর্তীতে স্পেনে ফিরে গিয়ে তিনি জনসম্মুখে ধূমপান করে মানুষজনকে চমকে দিতেন। এক জন মানুষের নাক এবং মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে এটা দেখে সাধারন মানুষ ভড়কে যেত। একটা সময় অনেকেই ভাবতে শুরু করে যে রডরিগো ডি যেরেযের উপর শয়তান ভর করেছে। তাই রডরিগোকে ৭ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়! কারাগারে রডরিগোর সাথে থেকে অনেকেই ধূমপান শুরু করেন।
তামাক এবং পাইপের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে। একসময় জন্ম হয় সিগারেটের। সিগারেট আস্তে আস্তে সবার কাছে গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠে।

১৮১৫ সালে সিগারেট ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়। এমনকি দি হাউস অফ পার্লামেন্টেও সিগারেট খাওয়ার জন্য আলাদা রুম করা হয়। ১৮২৮ সালে নিকোটিনের পিওর ফর্ম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানীরা। কিছুদিনের মধ্যেই সবাই বুঝতে পারে এটা মারাত্মক বিষ! ১৮৫২ সাল থেকেই ধূমপান করার সুবিধার্থে ম্যাচ বা দিয়াশলাই এর প্রচলন হয়।১৮৫৬ সালে ক্রিমিয়ান যুদ্ধ ফেরত সৈন্যরা তুর্কি থেকে সিগারেট নিয়ে আসে। সৈনিকদের মাঝে সিগারেট অনেক জনপ্রিয় হয়ে পড়ে। অলসতা এবং বিষাদ দূর করার জন্য তখন সৈন্যদেরকে নিয়মিত সিগারেট সরবরাহ করা হতো। ১৮৬৫ সালে আমেরিকার নর্থ ক্যারোলিনার ওয়াশিংটন ডিউক নামের এক ব্যাক্তি প্রথম সিগারেট রোল করে বিক্রি করা শুরু করে।

১৮৮৩ সালেজেমস বনস্যাক প্রথম সিগারেট রোল করার মেশিন আবিষ্কার করেন। এই মেশিন দিয়ে দিনে ১০০০ সিগারেট তৈরী করা যেত। বনস্যাক একটা সিগারেট কোম্পানী শুরু করেন যার নাম ছিলো আমেরিকান টোবাকো কোম্পানী। বনস্যাকের মেশিন সিগারেট শিল্পে বিপ্লবের সূচনা করে। তামাক চাষ এবং সিগারেট প্রস্তুত প্রক্রিয়ার উন্নতির সাথে সাথে সিগারেট ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯১৬ সালে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় আর্মিদের রেশনের সাথে সিগারেটও যুক্ত করা হয়। ১৯৫০ সালে সিগারেটের ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে প্রথম প্রচারনা শুরু হয়। এই সময়ই ধূমপান এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করা হয়। ড. ওয়াইন্ডার এবং ড. গ্রাহাম একটি গবেষণায় দেখান যে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ৯৫% মানুষই ২৫ বছর বা তার বেশী সময় ধরে ধূমপানে আসক্ত।

এবার আশা যাক কেন মানুষ সিগারেট খায় এ প্রসঙ্গে! বেশিরভাগ কিশোর বা যুবক সিগারেট খায় হতাশার কারনে। নিজেকে কষ্ট দিয়ে তারা আনন্দ পেতে চায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যারা নিয়মিত সিগারেট খায় , তাদের জীবনে একটা খারাপ অতীত থাকে। অতীতের কষ্ট বাষ্প করে দিতে সিগারেটে টান ধরায়। আদৌ কি কষ্ট লাঘব হয়? সম্ভবত না। আবার এক ধরনের মানুষ সিগারেট খায় শখের বশে! তাদের ধারনা সিগারেট না খেলে স্মার্ট হওয়া যায় না। যাই হোক, যারা সিগারেট খায় তারা এক সময় আফসোস করে। যদি আপনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে থাকেন, তবে বলব হতাশা কাটাতে বই পড়েন , ঘুরতে যান, ধর্মীয় কাজে লিপ্ত হন। সিগারেট খাবার দরকার কি! আর যদি আপনি শখের বশে সিগারেট খান, তবে বলব আপনি ভুলের জগতে আছেন। কিছু কিছু লোক আছেন যারা এ খারাপ ত্যাগ করতে চাচ্ছেন কিন্তু পারছেন না। তাদের উচিত হবে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা।

আমাদের সমাজেরও কিছু সমস্যা আছে বলে আমি মনে করি। কোন কিশোর সিগারেট খেলে তাকে ঠেলে দেয় নষ্টের কাতারে। সিগারেট খেলে ফুসফুসের ক্ষতি হয় , চরিত্রের কি হয় ! এ দেশে একজন লম্পট চরিত্রের ছেলের থেকে একজন সিগারেটখোর ছেলেকে বেশি ঘৃণার চোখে দেখা হয়। প্রকৃতপক্ষে এই মনোভাবও তাদের সিগারেট খেতে উদ্বুদ্ধ করে। আমি সিগারেট খাওয়াকে সমর্থন করি না। মাত্র অল্প কটাদিন আমরা বাচিঁ। দুঃখ কষ্ট তো থাকবেই! সিগারেট কখনই দুঃখ লাঘবের হাতিয়ার হিসেবে গন্য হতে পারে না। আরেকবার ভাবুন! আপনার জীবনের গল্প আপনার হাতে। সুন্দর করে গড়ুন জীবনটা। বেদনাকে এত গাঢ় করে কি লাভ! জীবনানন্দ দাসের এই কবিতাটা পড়েছেন, ‘ কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে!

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট.

Categories
Movies

নিউজ আপডেট

দিন-The Day এর অ্যাকশন সিকোয়েন্স এর শুটিংয়ে অনন্ত জলিল।

শেষ লটের শুটিং চলছে বর্তমানে তুরকীতে।

Categories
Movies

Irina

🔰Drama:Irina
🔰Director:Vicky Zahed
🔰Cast : Mehazabien Chowdhury,Afran Nisho, Sallha khanam Nadia and others

⚠️হালকা স্পয়লার⚠️

🔰চরিত্র:

আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরী বরাবরের মতই ছোট পর্দায় জনপ্রিয়। তাদের নাটক মানেই অন্যরকম কিছু এবং এই নাটকে ও কিন্তু তারা তাদের নিজেদের অবস্থান ভালোই বজায় রেখেছেন। নাটকে মেহজাবিন চৌধুরী ও আফরান নিশো এন্যরকম একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন যার কারণে নাটকটি আপনার মনে ভালোলাগার জায়গা তৈরি করে নিতে পারে।

🔰কি লাভ হবে?

Thriller পাগলদের জন্য এটি একটি‌ ভাল package বলে আমি মনে করি। কেননা একটি মুভি দেখতে আপনার প্রায় ২ থেকে ২.৫ ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয়! সেক্ষেত্রে আপনি ৩৯ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে সেই feel পাবেন। আর মূল বিষয় বাংলাদেশে এমন একটি Thriller short film তৈরি করা সম্ভব? একথায় আমারচিন্তার বাইরে ছিল।

🔰কাহিনী সংক্ষেপে:

হয়ত সৃষ্টিকর্তা স্বার্থপর মানুষ কে শিক্ষা দেওয়ার জন্য ইরিনাকে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছন।
কারণ মানুষের স্বার্থপরতা আজ হিংস্র পশুর চেয়ে‌ ও চরমে পৌঁছেছে। নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য মানুষ অপরের ক্ষতি এমনকি অপরের মৃত্যু কামনা করতেও পিছুপা হয় না। মানুষ ভুলেই গিয়েছে যে, সে সংঘবদ্ধ জীব, সে অন্যের খারাপ চিন্তা করলে সেটার প্রতিক্রিয়া কোনো না কোনো ভাবে নিজের উপরে এসে পড়বে।

বি:দ্র:যার কথা না বললেই নয় নাটকটির পরিচালক *ভিকি জাহেদ* এটি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে চাইলে ৪০ মিনিট এর মধ্যে ও এমন অসাধারণ Thriller drama তৈরি করা যায়। যার ফলে তিনি ছোট পর্দায় পরিচালক হিসেবে ভাল একটি জায়গা তৈরি করে নিবেন আমি মনে করি।

⚜️৩ দিন এর মধ্যে নাটকটি ১.১মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে। আমার‌ মতে ২০২০ সালের সেরা ৫ এর তালিকায় থাকবে ইরিনা।

YouTube link:

Categories
Life Hacks

শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন

◽বদলাবে বই, কমবে পরীক্ষা :

✅ সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন

✅ ক্লাস টেনের আগে কোনো পাবলিক পরীক্ষা নেই

✅ ক্লাস 3 এর আগে কোনো পরীক্ষাই নেই

✅ এসএসসি তে মাত্র ৫ বিষয়ের পরীক্ষা। বাংলা, ইংলিশ, ম্যাথ, সায়েন্স ও সোশ্যাল সায়েন্স। কোনো পত্র নেই। মাত্র ৫ দিনেই শেষ

✅ সায়েন্স, আর্টস, কমার্স গ্রুপিং হবে ইন্টারমিডিয়েটে

✅ হাইস্কুল লেভেলে বিষয় থাকবে ১০ টি :

– বাংলা,
– ইংরেজি,
– গণিত,
– জীবন ও জীবিকা,
– বিজ্ঞান,
– সামাজিক বিজ্ঞান,
– ডিজিটাল প্রযুক্তি,
– ধর্মশিক্ষা,
– ভালো থাকা,
– শিল্প ও সংস্কৃতি।
.

📚 📚 📚
.

২০২৬ এর ইন্টারমিডিয়েট,
২০২৪ এর ক্লাস নাইন,
২০২৩ এর ক্লাস এইট ও
২০২২ এ নিচের অন্যান্য ক্লাসগুলো নতুন বই পাবে,,

✅ ইন্টারমিডিয়েটে সাবজেক্ট ৬টা। প্রত্যেকটার পত্র ৩ টা করে।

ফার্স্ট ইয়ারে সবগুলোর প্রথম পত্রের পাবলিক এক্সাম

সেকেন্ড ইয়ারে সেকেন্ড ও থার্ড পার্টের

তারপর ২ এক্সাম মিলিয়ে চূড়ান্ত এইচএসসির রেজাল্ট
.
.

◽ছবি ও কিছু তথ্য প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Invention

ক্যালকুলেটর আবিষ্কারের ইতিহাস

দৈনন্দিন জীবনে যোগ-বিয়োগ বা হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে ক্যালকুলেটরের ব্যবহার খুবই সাধারণ একটা বিষয়। হরহামেশাই দেখা যায়, চারকোনা এ যন্ত্রটির ব্যবহার। প্রযুক্তি বিজ্ঞানের এ যুগে আমরা ক্যালকুলেটরের সঙ্গে খুব ভালোভাবেই পরিচিত। যন্ত্রটি হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার। পাটিগাণিতের হিসাব-নিকাশে সক্ষম এ যন্ত্রটির আবিষ্কারের সঙ্গে মিশে আছে আরেকটি প্রাচীন গণনাযন্ত্র। এর নাম অ্যাবাকাস। ক্যালকুলেটর আবিষ্কারের আগে গণনাযন্ত্র হিসেবে এশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে ব্যবহৃত হতো অ্যাবাকাস নামের যন্ত্রটি।

খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দের আগে মিসরীয়রা ও ইজিপশিয়ানরা আদি এ গণনা যন্ত্রটি তৈরি করে। ১৬৪২ সালে আবিষ্কৃত হয় মেকানিক্যাল ক্যালকুলেটর। ব্লেইজ প্যাসকেল এ যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন। ছোটখাটো একটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের মতো ছিল এর আকার। তখন যন্ত্রটি পরিচিত ছিল প্যাসকেলের ক্যালকুলেটর বা প্যাসকেলাইন নামে। সপ্তদশ শতাব্দীতে এ ক্যালকুলেটরটিই ছিল পৃথিবীর একমাত্র ক্যালকুলেটর, যা দিয়ে হিসাব-নিকাশ করা যেত। বাণিজ্যিকভাবে প্রথম ক্যালকুলেটর বাজারজাত শুরু হয় আরো ২০০ বছর পর। ১৯৬০ সালের দিকে আবিষ্কৃত হয় আধুনিক ইলেকট্রনিক ক্যালকুলেটর। মূলত ১৯৭০ সালের দিক থেকেই চাহিদা কমতে থাকে মেকানিক্যাল ক্যালকুলেটরের।

বিশ্বখ্যাত কম্পানি ইন্টেল জাপানি ক্যালকুলেটর তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান, বিজকমের জন্য মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করলে ক্যালকুলেটর ইতিহাসে বিপ্লব ঘটে যায়। মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে ক্যালকুলেটরের আয়তন ছোট হয়ে তা পৌঁছে যায় মানুষের পকেটে। এরপর থেকে ক্যালকুলেটরের আকার-আকৃতিতে এসেছে নানা পরিবর্তন। সংযোজন হয়েছে নতুন নতুন নানা কাজ করার সুযোগ। পাটিগণিতের যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগ করতে সক্ষম এ ধরনের ক্যালকুলেটর ছাড়াও বাজারে সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর পাওয়া যায়। এমনকি এমন কিছু ক্যালকুলেটর আছে, যা বীজগণিতের নানা হিসাব করতেও পারদর্শী। এ ছাড়া রয়েছে গ্রাফিং ক্যালকুলেটর নামে বিশেষ এক ধরনের ক্যালকুলেটর, যা গ্রাফভিত্তিক হিসাব-নিকাশ করতে পারে। বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় এ যন্ত্রটির ব্যবহার বেশ কমতির দিকে। তবে এখনো বিভিন্ন অফিস-আদালত বা দোকানে সহজে হিসাবের কাজটা সেরে ফেলার জন্য ক্যালকুলেটর ব্যবহৃত হয়।

⛔ তথ্যসুত্রঃ দৈনিক যুগান্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত।

Categories
Invention

ভিটামিন আবিষ্কারের কাহিনী

ইংরেজিতে লিখে Vitamin। কিন্তু একশ’ বছর আগে শব্দটি লেখা হতো Vitamine। কী করে Vitamin হল? কেন একটি অতিরিক্ত E বাদ দেয়া হল?

নিশ্চয়ই কোনো গল্প আছে!
কারণটি ছিল মজার।

১৯১২ সালে পোল্যান্ডের এক বায়োকেমিস্ট Casimir Funk প্রথম ভিটামিন আবিষ্কার করেন। পোলিশ আসল নাম Kazimierz Funk। ১৯১০-এর দিকে লন্ডন চলে আসেন। আবার পরবর্তী সময়ে ১৯৪০-এর দিকে আমেরিকায় চলে যান, পরিচিতি পান Casimir Funk নামে।

লন্ডনের বিখ্যাত Lister Institute-এ গবেষণা করে তিনি প্রথম ভিটামিন আবিষ্কার করেন।

এ প্রসঙ্গে বলে নেই- সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা বেশিরভাগ চিকিৎসক কিংবা বিজ্ঞানীদেরও ধারণা নেই, আজকের পৃথিবীতে চিকিৎসা বিজ্ঞানের যত ভালো ভালো আবিষ্কার ও সুফল মানুষ ভোগ করছে তার সিংহভাগ এসেছে পৃথিবীর ৩টি রিসার্চ ইন্সটিটিউট থেকে। লন্ডনের লিস্টার ইন্সটিটিউট, প্যারিসের পাস্তুর ইন্সটিটিউট ও আমেরিকার রকফেলার ইন্সটিটিউট।

যাই হোক, Casimir Funk ভিটামিন আবিষ্কার করে নাম দেন Vitamine। ভাঙলে হয় Vital Amine। ভিটামিনের রাসায়নিক গঠনে তখন তিনি ভেবেছিলেন, এর মধ্যে Amine নামের গ্রুপের রাসায়নিক উপাদান আছে। Amine হল একধরনের গ্রুপ যেখানে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের বন্ধনে কেমিক্যালটি তৈরি হয়। যেমন- অ্যামিনো এসিড।

তিনি ভেবেছিলেন, ভিটামিনের মধ্যে Amine আছে এবং এটি শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নাম দেন- Vital Amine বা Life Amine। ল্যাটিন Vita মানে Life।

পরবর্তী সময়ে দেখা গেল, যেসব ভিটামিনের মধ্যে Amine গ্রুপের কিছু থাকে না; শেষে E বাদ দিয়ে সংশোধন করে বলা হতে লাগল- Vitamin!

উনিশ শতকে চিকিৎসকরা ভাবত, শরীরের ৪টি মূল উপাদান দরকার। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও মিনারেলস। তখনও ভিটামিনের কথা জানত না।

Casimir Funk বিশ শতকের শুরুর দিকে ডাচ বিজ্ঞানী Christiaan Eijkman-এর একটি আর্টিক্যাল পড়েন। সেখানে Beriberi রোগের কারণ সম্পর্কে Christiaan Eijkman আলোচনা করেন। ১৮৯৭ সালে Eijkman প্রথম বেরিবেরির কারণ হিসেবে খাদ্যকে দায়ী করেন। তিনি দেখতে পান, যারা সাদা চালের পরিবর্তে বাদামি চাল খায় তাদের এ রোগ হয় না। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানীরা জানে, এ বেরিবেরির কারণ ভিটামিন B1 বা Thiamine।

রসায়নবিদ Casimir Funk বাদামি চালের ওপর কাজ করে তার রাসায়নিক উপাদানটি পৃথক করে তার নাম দেন- Anti-Beriberi!

তার মানে ভিটামিন শব্দটি লেখার আগে ১৯১১ সালে তাকে প্রথম বলা হতো Anti-Beriberi। তিনি তখন আসলে ভুল করে অন্য একটি ভিটামিন B3, যা Niacin নামে বর্তমানে পরিচিত সেটি আবিষ্কার করেন। বাদামি চালের ভেতর ভুল করে B3-কে ভাবেন, বেরিবেরির উপাদান। আসলে সেটি ছিল B1 Thiamine। এমন করে পরবর্তী সময়ে ৪টি মূল ভিটামিন তিনি আবিষ্কার করেন। ভিটামিন B1, B3, C ও D।

কিন্তু নামগুলো এমন অ্যালফাবেট ছিল না।

বেরিবেরির কারণ Anti-beriberi Vitamin-এর অভাব, যা পরে নাম দেয়া হল ভিটামিন-ই-এর সাব গ্রুপ B1 বা Thiamine।

স্কার্ভির কারণ Anti-scorbut Vitamin-এর অভাব, যা পরে নাম দেয়া হল ভিটামিন C।

Pellagrar’র কারণ Anti-pellagric Vitamin-এর অভাব, যা পরে নাম দেয়া হল ভিটামিন B3 বা Niacin।

রিকেটস-এর কারণ Anti-rachitic Vitamin-এর অভাব, যা পরে নাম দেয়া হল ভিটামিন D।

১৯১২ থেকে ১৯৪৮ সালের মধ্যে সব ধরনের ভিটামিন আবিষ্কার হয় একে একে।

ভুল করে প্রথম ভিটামিন হিসেবে ভিটামিন B আবিষ্কৃত হলেও পরবর্তী সময়ে ১৯১২ সালেই John Hopkins ভিটামিন A আবিষ্কার করেন, যা পরে ১৯২০ সালে নামকরণ করে A হিসেবে।

শুরুর দিকে প্রতিটি আবিষ্কারের একটি নাম থাকলেও পরবর্তী সময়ে আবিষ্কারের ক্রম অনুযায়ী ভিটামিনগুলোর নাম- A, B, C, D, E

ও K করা হয়। B মূলত বেরিবেরি থেকে নেয়া, ভিটামিন K রক্ত জমাট বাঁধায় দরকারি বলে জার্মান koagulation বা ইংরেজি Coagulation থেকে K নেয়া হয়েছে।

মানুষের শরীরে দরকার ধরা হয় ১৩টি ভিটামিন। কেউ কেউ Choline নামের একটি উপাদানকেও ভিটামিন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত করে ১৪টি বলে।

ভিটামিন D ছাড়া আর কোনো ভিটামিন শরীর নিজেকে জোগাতে পারে না। তাই বিভিন্ন খাবার খেয়ে ভিটামিনের প্রয়োজনটি পূরণ করতে হয়।

ভিটামিনের মূল কাজ শরীরে কোষের ভেতর বিভিন্ন মেটাবলিক কাজে সাহায্য করা।

⛔ তথ্যসুত্রঃ দৈনিক যুগান্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত।

Categories
Invention

বয়কট শব্দটি যেভাবে এলো!

সাত অক্ষরের ইংরেজি শব্দটির বাংলা পরিভাষা বর্জন করা; একঘরে করা; কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দেশের সঙ্গে সকল সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা। তবে আভিধানিক অর্থের চেয়ে বাংলাতেও স্রেফ ‘বয়কট’ শব্দেই জোরালো অর্থ প্রকাশ পায়। দুনিয়াজুড়ে শব্দটির ব্যবহার হরহামেশাই লক্ষ করা যায়। জনপ্রিয় এই শব্দ এল কী করে?

সর্বজন পরিচিত শব্দটি অভিধানভুক্ত হওয়ার পেছনে রয়েছেন এক ইংরেজ ভদ্রলোক, যাঁর নাম চার্লস কানিংহাম বয়কট (১৮৩২-১৮৯৭)। তাঁর কীর্তিকলাপের জন্য তাঁকে একঘরে করছিলেন আয়ারল্যান্ডের মায়ো কাউন্টির বর্গাচাষিসহ স্থানীয় লোকজন। বয়কটের এই একঘরে হওয়ার ঘটনা তখন প্রচারমাধ্যমেও আসে, যা কালক্রমে যুক্ত হয় অভিধানেও।

১৮৮০ সালের কথা সেটা। চার্লস কানিংহাম বয়কট ছিলেন তৃতীয় আর্ল আর্নে (সম্ভ্রান্ত ইংরেজ ভূমিমালিকদের পদবি) জন ক্রিকটনের (১৮০২-১৮৮৫) প্রতিনিধি। মায়ো কাউন্টির খাজনা আদায়ের দায়িত্ব ছিল তাঁর। সে বছর ফসলের ফলন কম হওয়ায় চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন। সে আশঙ্কা আমলে নিয়ে জন ক্রিকটন ১০ শতাংশ খাজনা মওকুফের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু চাষিরা দাবি তোলেন ২৫ শতাংশ মওকুফের। চাষিদের দাবি অগ্রাহ্য করেন লর্ড আর্নে।

এদিকে বয়কট আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে এক কাণ্ড ঘটান। তিনি ১১ জন বর্গাচাষিকে উচ্ছেদের চেষ্টা করেন। সরব হয়ে ওঠে স্থানীয় লোকজন। সরব হওয়ার পেছনে অবশ্য কারণও আছে। সে সময়টায় আয়ারল্যান্ডের ভূমি সংস্কারের পক্ষে লড়ে যাচ্ছিলেন আইরিশ রাজনীতিবিদ চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল (১৮৪৬-১৮৯১)। তিনিই কোনো এক ভাষণে বলেছিলেন, কোনো জমি থেকে বর্গাচাষিকে উচ্ছেদ করা হলে, সে জমি যেন অন্য চাষিরা বর্গা না নেন। মালিকপক্ষ উচ্ছেদের হুমকি দিলে অহিংসভাবে তাঁকে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

বয়কটের বিরুদ্ধে স্থানীয় লোকজন সেই কৌশল বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর গৃহকর্মী থেকে দিনমজুরেরা কাজ বর্জন করেন। ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করতে থাকেন। এক সময় দেখা যায়, স্থানীয় ডাকঘরের পিয়নও চিঠি সরবরাহ বন্ধ করেছেন।

বয়কট চেষ্টা করেন অন্য এলাকা থেকে লোক এনে চাষবাসের কাজ করানোর। সে উদ্যোগও সফল হয়নি তাঁর। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকেন বয়কট। হালের ‘ভাইরাল’ হওয়ার মতো এই ঘটনা তখন ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়, ফলাও করে প্রচার করা হয় গণমাধ্যমে। বর্জন ও একঘরের সমার্থক হয়ে ওঠেন ‘বয়কট’, যা কালক্রমে যুক্ত হয় অভিধানেও। কিন্তু কে এই চার্লস কানিংহাম বয়কট?

বয়কট এক বিচিত্র চরিত্রের মানুষ। তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডের নরফোকের এক গ্রামে। পড়াশোনা করেছেন দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের ব্ল্যাকহিথ এলাকার একটি বোর্ডিং স্কুলে। স্কুলজীবন থেকেই বয়কটের ফৌজি জীবনের প্রতি ছিল দুর্নিবার আকর্ষণ। সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি সেই আকর্ষণের টানে ১৮৪৮ সালে দক্ষিণ লন্ডনের উলউইচে অবস্থিত রয়্যাল মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হন। বছরখানেক পর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে মিলিটারি একাডেমি ছাড়তেও হয় তাঁকে। কিন্তু হাল ছাড়েন না বয়কট। পরিবারের সহায়তায় ১৮৪৯ সালে ৪৫০ পাউন্ডে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন পদ পেয়ে (ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে পদ কেনার সুযোগ ছিল) যান তিনি।

১৮৫১ সালের আগস্টে অসুস্থ হয়ে পড়েন বয়কট। প্রায় ছয় মাস রোগে ভোগার পর বয়কট তাঁর সেনাবাহিনীর পদ বিক্রি করে দেন। সে বছরই বিয়ে করেন মেরি অ্যান দুনেকে। টিপেরারি কাউন্টিতে খামার ইজারা নিয়ে আয়ারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। আয়ারল্যান্ডের উত্তরাধিকার সনদ পাওয়ার হওয়ার পর দেশটির পশ্চিম উপকূলীয় মায়ো কাউন্টির একটি দ্বীপে চলে যান বয়কট।

মায়ো কাউন্টিতে তাঁর জীবনের ইতিহাস তো ‘বয়কট’ শব্দেই মিশে আছে!

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত।

Categories
Movies

দামাল 💥

:: #দামাল ! a film by Raihan Rafi !!

Categories
Movies

আপডেট ভিডিও মুভিকথা 💥

Categories
Invention

ভ্যাকসিন আবিষ্কারক মুসলিম দম্পত্তি।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ যখন চোখ রাঙাচ্ছে, তখন বিশ্বখ্যাত ওষুধ কোম্পানি ফাইজার ও জার্মানভিত্তিক বায়োএনটেক কোম্পানিই প্রথম সুখবরটি দিল। অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানুষ যে অস্ত্রটি হাতে পেতে এত দিন উচাটন হয়ে ছিল, তা-ই ধরা দিল। ভ্যাকসিন। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন। ফাইজার যে ভ্যাকসিনটির ঘোষণা দেয়, তা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৯০ শতাংশ কার্যকর। এর পরপর আরেকটি ভ্যাকসিনের ঘোষণা দেয় মডার্না। কিন্তু প্রথম তো প্রথমই। আর এ প্রথম ভ্যাকসিনটি ধরা দিল এক নিবেদিত মুসলিম দম্পতির হাত ধরে।

করোনাভাইরাসের হানায় গোটা বিশ্ব থমকে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তারপর প্রকোপ কিছুটা কমে এলে ধীরে ধীরে বিভিন্ন দেশ আবার সচল হতে শুরু করে। কিন্তু সেই স্বস্তির সময় পুরোপুরি আসার আগেই শুরু হয়ে গেল করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের চোখরাঙানি। বাড়তে থাকল সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা। আর দ্বিতীয় এই আঘাত থেকে বাঁচতে মানুষকেও আবার ঘরবন্দী হওয়ার বাস্তবতা মেনে নিতে হচ্ছে। এই সময়ে এমন একটি সুখবরের মূল্য অনেক।

ভ্যাকসিনটির ঘোষণা দেওয়ার সময় বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) উগার শাহিন বলেন, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ফলে থমকে যাওয়া পৃথিবী আবার সচল হবে, স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরে আসবে।

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পুরো দায়িত্বে ছিলেন বায়োএনটেক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা তুরস্ক বংশোদ্ভূত জার্মান দম্পতি উগার শাহিন ও ওজলেম তুরেসি। এই মুসলিম দম্পতির মাত্র কয়েক বছর আগে প্রতিষ্ঠিত বায়োএনটেক কোম্পানিটি ইউরোপে খুব একটা পরিচিত না হলেও করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে বিশ্বখ্যাত হয়ে উঠেছে। ড. উগার শাহিন ও ওজলেম তুরেসি মূলত ক্যানসার সেল নিয়ে গবেষণার জন্য বায়োএনটেক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

৫৫ বছর বয়সী ড. উগার শাহিন তুরস্কের ইস্কেন্দেরুন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র চার বছর বয়সে ইস্কেন্দেরুন শহর থেকে অভিবাসী হিসেবে পরিবারের সঙ্গে জার্মানিতে আসেন। বাবা ফোর্ড গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে কোনো রকমে সংসার চালাতেন। ছোট থেকেই উগার শাহিনের ইচ্ছা ছিল চিকিৎসক হওয়ার। নতুন অভিবাসী হিসেবে অনেক কষ্টে চিকিৎসক হলেন শেষ পর্যন্ত। দ্রুতই যোগ দিতে হয় কাজে। কিন্তু এতে থেমে থাকেননি তিনি। কর্মস্থল থেকেই ১৯৯৩ সালে প্রথম পিএইচডি করেন। সেখানেই পরিচয় হয় ড. ওজলেম তুরেসির সঙ্গে। তারপর বিয়ে। দুজন মিলে গড়ে তোলেন বায়োএনটেক নামের একটি গবেষণা কেন্দ্র। মূলত ক্যানসার নিয়ে গবেষণার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন তাঁরা। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরির কোনো পরিকল্পনা সে সময় ছিল না। থাকার কথাও নয় কারণ, সে সময়তো এই রোগের কারণ নতুন করোনাভাইরাসটির সংক্রমণই দেখা দেয়নি। এর অস্তিত্ব সম্পর্কেই কেউ ওয়াকিবহাল ছিল না।

এদিকে ড. ওজলেম তুরেসির জন্ম জার্মানিতেই। জন্মের আগেই তাঁর পরিবার জার্মানিতে পাড়ি জমায়। বাবা ছিলেন চিকিৎসক। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনিও চিকিৎসক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। উগার শাহিনের সঙ্গে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। বর্তমানে ৫৩ বছর বয়সী বায়োএনটেকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ওজলেম তুরেসি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা। ইমিউনলজিস্ট হিসেবে তাঁর খ্যাতি রয়েছে।

এ বছরের শুরুতে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারি ছড়িয়ে পরলে আলবার্ট বোরলা বায়োএনটেকের সিইও ড. শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সেই আলাপের সূত্র ধরেই শুরু হয় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের গবেষণা। অবশ্য তার আগেই গত জানুয়ারিতে চীনের উহানে নতুন করোনাভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়ার পরই উগার শাহিন ক্যানসার চিকিৎসার জন্য তৈরি এমআরএনএ ওষুধকে এমআরএনএ ভ্যাকসিনে রূপান্তরের প্রাথমিক উদ্যোগটি নেন।

@Source: Prothom alo.

Categories
Movies

Ludo “Breathe” আর “Ludo” দেখার পর অভিষেক বচ্চনকে নিয়ে আবার নতুন করে একটা হাইপ উঠেছে দেখে ভাবলাম এই মানুষটাকে একটু নিজের মনের ভাব শেয়ার করি :)

অভিষেক কে নিয়ে বর্তমান বাজারে সবচে প্রচলিত এবং মুখস্ত অপিনিয়ন হচ্ছে “অভিষেক ওর বাবা অমিতাভ বচ্চন এর সাথে কম্পেয়ারড হওয়া বা ওর বাবার লিগ্যাসী ছুঁয়ার এক্সপেক্টেশনের চাপে শেষ হয়ে গেছে।”… এই থিওরিটা সত্যিকার অর্থে কবে এবং কিভাবে জন্ম হইল আমি জানিনা, কিন্তু আমার কাছে কেন যেন এই থিওরিটা একেবারেই ভিত্তিহীন আর আজিব মনে হয়! :3

আমার হিন্দি সিনেমা দেখে বেড়ে উঠার সময়টা হচ্ছে আর্লি ২০০০ এর ঐ “ক্ল্যাসিক” সময়টা। অভিষেক বচনেরও বলিউডে গ্রোথ পিরিয়ড ওইসময়ই এবং বিলিভ মি, এগেইন, বিলিভ মি… ওইসময় যদি কাউকে বলা হইত যে “অভিষেক আসলে তার বাপ অমিতাভ বচ্চনের স্টারডমের চাপ নিতে পারতেছে না…” সে আপনার মুখের উপর হো হো করে হাসত শিওর! :p অভিষেক কে যে আসলে ওর বাপের “লীগ্যাসী” ছুইতে বা টপকাইতে হবে- এই আশাটা বা এই থিওরিটা তৎকালীন কারো মাথাতেই আসে নাই! কারণ অমিতাভ বচ্চনের লীগ্যাসী শাহরুখ আমির রাই ছুঁয়ার সাহস করেনা, আর তো অভিষেক! কোত্থেকে এই “স্টারডমের চাপ” থিওরি আসল আমি জানিনা!

বরং আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করেন… আমার শৈশব কৈশোরে আমি অভিষেক বচ্চনকে বলিউডে একেবারেই তার নিজের আলাদা একটা “ব্র্যান্ড” গড়ে তুলতে ও প্রতিষ্ঠা করতে দেখেছি! একদম নিজস্ব স্বকীয়তা, নিজের স্টাইল… তার বাপ অমিতাভ তো দূরে থাক, এমনকি তিন খান বা কনটেম্পোরারি কুমার রোশনদের চেয়েও অভিষেকের ফর্মুলা ছিল একদম আলাদা!! <3

তখন বলিউডে হিরো বলতে ছিল হয় "রোম্যান্টিক" নাহলে "একশন"! আমার মনে হয় অভিষেক বচ্চনই সেই ঘরানায় সর্বপ্রথম একটা নতুনত্ব এনেছিলেন! তিনি বিভিন্ন প্রকার এক্সপেরিমেন্টিং রোলে অভিনয় করতেন! তার সিনেমায় রোমান্স বা একশন থাকলেও তা হত প্রচলিত বলিউডি ফর্মুলার বাইরে! তখন আরো একটা চল ছিল যে রোমান্স করুক বা মারপিট- হিরো মানে হচ্ছে ক্লিনশেভ চকলেট বয়… অভিষেক সেই ধারাতেও এনেছিলেন পরিবর্তন! নতুনত্ব! "SWAG" শব্দটা বলি না আমরা? "পৌরুষ" বলি না?? অভিষেকই কনটেম্পোরারি নায়কদের মধ্যে প্রথম দেখিয়েছিলেন পৌরুষদীপ্ত ঘন দাঁড়ি, ভরাট কণ্ঠস্বর, সানগ্লাস আর স্টাইলিশ ড্রেস পরে "Swag" দেখানো কাকে বলে! ম্যানলিনেস, হ্যান্ডসামনেস কাকে বলে!
ইভেন এখনো যদি আপনি অভিষেকের পুরনো গান গুলো ইউটিউবে দেখেন, ৭-৮ বছর আগের কমেন্ট গুলো দেখবেন, তখন অভিষেককেই বলা হইত "Swag" আর "Manliness" এর এপিটোম! এটা কি একদম স্বতন্ত্র একটা ব্র্যান্ড ইমেজ নয়? তা কিন্তু অভিষেক নিজের যোগ্যতায় ক্রিয়েট করেছিলেন! তার বাবার যোগ্যতায় নয়! 🙂

এবং তার এই নিজস্ব ব্র্যান্ড আর ভিন্নধারার মুভি দিয়েই ২০০৪-২০০৯ অভিষেক বচ্চন বলিউডে আলাদা একটা ক্রেইজ তৈরি করতে সফল ছিলেন! তার ধারাবাহিকতা ছিল ঈর্ষণীয়! ২০০৪ এ একে একে আসে "Run", "Yuva", আর অভিষেক তথা ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইতিহাসেই ল্যান্ডমার্ক একশন মুভি "Dhoom"! তিন মুভিতে তিন রকম রোলেই অভিষেক ক্রিটিক্যালি কমার্শিয়ালি সুপারহিট! Rakth মুভির সেই "One love" গানে অভিষেকের ঐ স্টাইল কোন ৯০'জ কিড ভুলতে পারবে? Yuva তো মণি রত্নমের মাস্টারপীস যেইখানে চারচাঁদ লাগিয়েছিল অভিষেক আর রাণীর কেমিস্ট্রি! আর Dhoom তো Dhoom! শুধু খাকি পোশাক না বরং জ্যাকেট পরে বাইক নিয়ে স্টাইল মেরেও পুলিশ সাজা যায়… জন এব্রাহাম এর পাশে অভিষেক এর সেই অভিনব চরিত্রটা কি কম আলো কেড়েছিল? এখন এসে অনেক কিছুই বলা যায়… তখন হিসাব অন্য ছিল 🙂

২০০৫… অভিষেক এর সাফল্যের ঝুলি আরও পরিপূর্ণ! বান্টি অউর বাবলি সুপারহিট, "সরকার" তার বাপের মুভি হইলেও সেখানে আলো কাড়েন এরপর আসে মুভি "DUS"! "Dus Bahane Karke Le Gaye Dil"… এই গানটার যে ওইসময় উপমহাদেশের প্রতিটা পাড়ায় মহল্লায় কি ক্রেজ ছিল সেইটা এখনকার জেনারেশন যারা টাইগার শ্রফের রিমেকটা দেখছে তারা কোনদিন বুঝতেও পারবে না ভাই! :p বছর শেষ করেন Bluffmaster দিয়ে যেটা আমার মনে হয় বলিউড ইতিহাসের অন্যতম আন্ডাররেটেড সিনেম্যাটিক ব্রিলিয়ান্স গুলার মধ্যে একটা!!! মুভিটার ডায়লগস, টুইস্টস, অভিষেক নানা পাটেকর বোমান ইরানির অভিনয় আর শেষে ঐ "Right here right now" গানে অভিষেক এর Swaaag! 🔥🔥
২০০৬ এ "ধুম টু" তে লিগ্যাসী কন্টিনিউ করা, "কাভি আলভিদা না কেহনা" তে শাহরুখের পাশে নিজের দ্যুতি ছড়ান, ০৭ এ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবসাসফল ছবি "গুরু"তে ইন্ডিয়া কাঁপিয়ে দেওয়া, ০৮ এ দোস্তানাতে একদম নিজের খোলস ভেঙ্গে সমকামী চরিত্রে অভিনয় করা, "রাবণ" এ দুর্দান্ত নেগেটিভ রোল… "দিল্লী ৬" এর রোশান হিসাবে সমালোচকদের মন জিতে নেওয়া! ❤️ ০৯ এ "পা" তে নিজের বাবার "বাবা" সাজা… অভিষেক প্রতিটা মুভিতে নতুন কিছু দিতে চেয়েছেন এবং পেরেছেন ও!

******

অনেকের মনে এতক্ষনে অবশ্যই প্রশ্ন জাগছে "আচ্ছা এত সাফল্য বলছেন আপনি, তাও অভিষেকের নাম কেন বলিউডের এলিট লেভেলটায় উচ্চারণ হয়না? কেন এতবছর পর নতুন জেনারেশনের কাছে তিনি ব্যর্থ নায়ক?" উত্তরে আবারো বলি, এর কারণ "ও অমিতাভের ছেলে" তা কোনমতেই মনে হয়না আমার! :3 অভিষেক এর ব্যর্থতার পেছনে দুটি মূল কারণ আমার যা মনে হয়-

১/ অভিষেক এর "সোলো হিট" খুবই কম! উপমহাদেশের দর্শকরা আজীবন সোলো হিরো দের জয়জয়কার করেছে! এতদিনে এসেও ইন জেনারেল মানসিকতা খুব একটা চেঞ্জ হইছে বলে মনে হয়না! সেই জায়গায় অভিষেক একক নায়ক হিসেবে হিট দিয়েছেন অনেক কম! হ্যাঁ গুরু ব্লকবাস্টার, বান্টি অউর বাবলি সুপারহিট, রান হিট… কিন্তু আর?? এরপর? নাই! গোরুখোঁজা দিতে হবে! প্রায় ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে মাত্র ৩টা মেমরেবল একক হিট দিতে পারা নায়ক উপমহাদেশে কদর পাবেন না বলাই বাহুল্য!

২/ ২০১০-২০১৮ এই ৯ বছর একের পর এক আবর্জনা মার্কা সিনেমা সাইন করা! বোল বাচান, হ্যাপি নিউ ইয়ার হাউজফুল ৩ এ অহেতুক সস্তা ভাঁড়ামি যা তার ক্যারিয়ারের ১ম স্পেলের ঐ Swag ওয়ালা Manly ইমেজের অভিষেক এর সাথে একেবারেই বেমানান এমনকি এখনকার জেনারেশন যে চোখ কপালে তুলে যে "অভিষেক ও Manly ছিল কখনো?" তার এইটাই কারণ! এবং বিগত ৯ বছরে লেলফা ফাতরা সিনেমা চয়েজ করে করে নিজের নাম নিজেই ডুবানোর ডিসক্রেডিট অভিষেক কেই নিতে হবে এটা নিঃসন্দেহে! -_-

********

আমার শৈশব কৈশোরের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতাতে এই ছিল অভিষেক বচ্চন! যে অভিষেক বচ্চন হারিয়ে যেতে বসেছিল… যাকে নিয়ে খোলাখুলি উচ্ছ্বাস কারো সাথে কথা বলা যাইত না! এতদিন পর Breathe: Into the Shadows দিয়ে অভিষেক বলিউড কে একটা জোরালো ধাক্কা দিয়েছেন! এরপর পর ই এলো "লুডো" যা নিয়ে কিছু বলাই বাহুল্য… এই দুটাও Solo Hit নয়, কিন্তু উপমহাদেশের দর্শক এখন মাল্টিস্টারার মুভিতেও ইন্ডিভিজুয়ালি ক্যারেক্টারদের এক্টিং কে দাম দিতে শিখেছে বলে এখন অভিষেক বচ্চন এর জয়জয়কার আবারো নতুন করে শুরু হয়েছে! মানুষ বুঝতে পেরেছে যে সে কি মাপের একজন অভিনেতা! এই মাপের অভিনেতার আসলে তার বাবার লিগ্যাসী ছুঁতে হয় না… এই মাপের অভিনেতা রা নিজেদের ব্র্যান্ড তৈরি করেন! অনেক তারকার পাশে নিজেরা জ্বলজ্বল করতে পারেন! <3

Categories
Invention

পরীক্ষা ব্যবস্থার উদ্ভাবক যিনি ছাত্র সমাজের কাছে এক খলনায়ক।

ছাত্রজীবনে পরীক্ষা নামক দানব তাড়া করে বেড়ায় দিনরাত্রি। পরীক্ষার চিন্তায় নাওয়া খাওয়া শিকেয় উঠে বসে। ক্লাস পরীক্ষা, সাপ্তাহিক পরীক্ষা, মাসিক পরীক্ষা, হঠাৎ পরীক্ষা, ষাণ্মাসিক পরীক্ষা, টিউটোরিয়াল পরীক্ষা, প্রস্তুতি পরীক্ষা, অর্ধ বাৎসরিক পরীক্ষা, বাৎসরিক পরীক্ষা, ভর্তি পরীক্ষা, চাকরির পরীক্ষা– পরীক্ষার যেন অভাব নেই! এতসব পরীক্ষার যাঁতাকলে রীতিমত নাভিশ্বাস উঠে যায় ছাত্রদের। পরীক্ষার সাতদিন আগে থেকেই এক অজানা আতঙ্ক ভর করে বসে মনের মধ্যে। কেমন যেন অস্বস্তিকর একটা অনুভূতি বিরাজ করতে থাকে। খাওয়ার অরুচি, মাথাব্যথা, বমি বমি লাগা এমনকি অনেকের জ্বরও চলে আসে!

চলছে পরীক্ষার মৌসুম। মানে আবার সেই পুরনো পড়া রিভিশন দাও। টেনশনে চোখ ঢুলুঢুলু। বই আর বই। সারা বছর তো ঠিকই পড়াশোনা করেছি, অনেক জ্ঞানও হয়েছে। আবার এই হতচ্ছাড়া পরীক্ষার কী দরকার! সারা বছরের জ্ঞান কি আর তিন ঘণ্টায় জাহির করা সম্ভব! কে যে আবিষ্কার করেছে এসব পরীক্ষা-টরীক্ষা।

লোকটার নাম হেনরি ফিশেল। এই লোকটার কারণেই সুখের শৈশব-কৈশোর সব মাটি (ফার্স্টবয়দের ছাড়া)। বছরের শেষ সময়ে এসে মাথায় লেগে যায় জট। অ্যালজেব্রা আর চিড়িয়াখানার জেব্রাকে দেখায় একই রকম। এরপর শুরু হয় দিন গোনা। কবে যে শেষ হবে পরীক্ষা! যার কারণে এত টেনশন, সেই ফিশেল মশাইয়ের আজকে একশত সাত তম জন্মবার্ষিকী। পরীক্ষার আবিষ্কারক বলে অনেকেই চেনে তাঁকে। তিনিই বের করেছেন, বছর শেষে একটা পরীক্ষা না নিলেই নয়। কে পড়াশোনা করেছে আর কে করেনি, সেটা যাচাই করার এর চেয়ে ভালো পদ্ধতি নাকি আর নেই।

এরই মধ্যে যারা যারা ফিশেলের মুণ্ডুপাত করেছ, তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বলে রাখি, আসলে গোটা জীবনটাই তো পরীক্ষা। নানা রকম পরীক্ষা না থাকলে তো বিপদেই পড়ে যাবে। পরীক্ষা না থাকলে দেখা যাবে তোমার চেয়ে অনেক অনেক কম যোগ্য একজন পেয়ে যাচ্ছে নানা সুযোগ-সুবিধা ও সম্মান। পরীক্ষা নেই তো তোমার যোগ্যতা প্রমাণের উপায়ও নেই। তারপর? দেখবে কেউ তোমাকে দামই দিচ্ছে না। তখন নিশ্চয়ই খুব খারাপ লাগবে। সুতরাং ফিশেলকে দোষ দেওয়াটা ঠিক হবে না। সময় থাকতে এখনই ধন্যবাদ জানিয়ে বলে ফেলো- হ্যাপি বার্থডে ফিশেল!

👨‍💼হেনরি এ. ফিশেল
(নভেম্বর ২০, ১৯১৩ – মার্চ ২০, ২০০৮).

Categories
Photography

Photographer A H Emon

Facebook : https://www.facebook.com/ahemon8