Categories
Invention

বেতার (রেডিও) আবিষ্কারের কথা।

বিনা তারেই এক ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ ও তথ্য গ্রহণ করা যায়। এই প্রযুক্তি পূর্বে ব্যবহার করা হতো কেবলমাত্র রেডিওতে। তবে বর্তমানে এই প্রযুক্তির বিস্তৃতি ঘটেছে। কিভাবে এই বেতার প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হয়। এবার আমরা জানবো আবিষ্কারের কথা- বেতার (রেডিও) সম্পর্কে।

 

অনেকেই এই বেতার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছেন। এর মধ্যে থমসন এডিসন এবং স্যার বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু অন্যতম। থমাস এডিসন বেতার প্রযুক্তি বিষয়ে যে গবেষণা চালিয়ে যান তাতে অনেকাংশে সফল হন। ১৮৮৫ সালে থমসন আমেরিকার পেটেন্ট অফিসে তার পেটেন্টের জন্য আবেদন করেন। ১৮৯১ সালে ২৯ ডিসেম্বরে এই পেটেন্ট অনুমোদন লাভ করে। পরবর্তীতে মার্কনি প্রতিষ্ঠান এই স্বত্ত্ব কিনে নেয়। আইনগতভাবে তা সুরক্ষা করেন। ফলে গুগলিয়েলমো মার্কনী ১৮৯৬ সালে এই স্বত্ত্ব লাভ করতে সক্ষম হন।

বিজ্ঞানী স্যার জগদীশচন্দ্র বসু সম্পর্কে না বললেই নয়। উল্লেখ্য, তিনি গবেষণাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ছাড়াই ইলেকট্রিক রেডিয়েশন বিষয়ে গবেষণা করতেন। বিদ্যুৎ উৎপাদক ইথার তরঙ্গের কম্পনের দিকে পরিবর্তন বিষয়ক প্রবন্ধটি (যা তাঁর প্রথম প্রবন্ধ) তিনি এশিয়াটিক সোসাইটিতে পেশ করেছিলেন। পরের প্রবন্ধগুলো ইংল্যান্ডের বেশ কিছু পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। এসময় বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বিনা তারে বৈদ্যুতিক তরঙ্গের মাধ্যমে শব্দকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় কিভাবে পাঠানো যায় সে বিষয়ে গবেষণা করছিলেন। ১৮৯৫ সালে তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজে এ বিষয়ে পরীক্ষা করেন। বেতার যন্ত্র তখনও আবিষ্কৃত হয় নি। কলকাতার টাউন হল। সাঁইত্রিশ বছরের যুবক জগদীশ যন্ত্রপাতি নিয়ে তৈরি হয়ে আমন্ত্রিত শ্রোতাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন, সর্বসমক্ষে তা পরীক্ষা করে দেখাতে চান। এর পরেই তিনি বিনাতারে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্রের মাধ্যমে নিজের বাসা থেকে এক মাইল দূরে কলেজে সঙ্কেত আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করলেন। ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফি সন্বন্ধে তাঁর আবিষ্কার ইংল্যান্ডে সাড়া পড়ে গিয়েছিল। একটি বিখ্যাত ইলেকট্রিক কোম্পানী তাঁর পরামর্শ মত কাজ করে ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফি বিষয়ে প্রভূত উন্নতি করতে সক্ষম হয়। অর্থনৈতিক কারণে জগদীশচন্দ্রের গবেষণা ব্যাহত হয়েছিল।

Categories
Life Hacks

ওয়েট সাইক্লিং ও ক্রাশ ডায়েট

◽পঞ্চম অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

ডায়েটে একটা ইয়ো-ইয়ো আছে যাকে ইয়ো-ইয়ো ডায়েটিং বা “ওয়েইট সাইকেলিং” বলে যার মাধ্যমে এমন একটি প্যাটার্ন বোঝায় যেখানে একবার ওজন কমানো হয় তারপর আবার বাড়ানো হয় তারপর আবার ওজন কমানোর জন্য চেষ্টা করা হয়। ঠিক ইয়ো-ইয়োর মত ওজন একবার ওপরে উঠে যায় আবার নিচে নেমে আসে তারপর আবার ওপরে উঠে যায়। পরিসংখ্যান বলছে পুরুষদের ১০% এবং মহিলাদের ৩০% এই ধরনের ডায়েট করে থাকেন। মূলত এটা ক্রাশ ডায়েট করে একবার হঠাৎ ওজন কমানো এবং কদিন পরই সে ওজন ফিরে আসার ঘটনার পুনরাবৃত্তিই বোঝায়।

⏩ ইয়ো-ইয়ো ডায়েট এর সমস্যাঃ

১. ওজন কমানোর জন্য ডায়েটে থাকা অবস্থায় ফ্যাট লসের কারনে শরীরে “লেপটিন” হরমোন এর লেভেল কমে যায় যেটি খাবার পর পেটভরা অনুভুতি তৈরি করে। সাধারন সময়ে শরীরের জমানো ফ্যাট লেপটিন নিঃসরণ করে রক্তে যা শরীরকে বলে দেয় যে শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি রয়েছে এবং আর খাওয়ার প্রয়োজন নেই। ওজন কমাতে গিয়ে শরীর থেকে ফ্যাট কমে যাবার পর স্বাভাবিক ভাবেই লেপটিনের নিঃসরণ কমে যায়। তারওপর আবার শরীর যেহেতু জমানো শক্তি হারিয়েছে তাই নতুন করে সে শক্তির ডিপোজিট করতে সে ক্ষুধার অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়। ফলশ্রুতিতে আবার রাক্ষুসে ক্ষুধা, নিয়ন্ত্রনহীন খাওয়া এবং অবধারিতভাবে আবার মোটা হয়ে যাওয়া।

২. ক্রাশ-ডায়েট বা শর্ট টার্ম ইনটেন্স ডেফিসিট ডায়েট প্ল্যানে শরীর দ্রুত ওজন হারায় এবং সে হারানো ওজনের বেশিরভাগই হয় মাসল মাস এবং ওয়াটার ওয়েট (গ্লাইকোজেন)। ডায়েট থেকে বের হবার পর প্রায় দ্রুতই ৩০-৬৫% ওজন ফিরে আসে। মাসল হারানোর কারনে শরীরের মেটাবোলিজমও কমে আসে এবং ইভেনচুয়ালি ওজন আগের চেয়েও বেশি হয়ে যায়।

৩. মাসল বানাতে হয় আর ফ্যাট শরীরে সুযোগ পেলেই জমে। ক্রাশ ডায়েট বা অন্য যেকোনও ডায়েটে ওজন কমানো বেশ সোজা কাজ হলেও একই সাথে মাসল বিল্ডআপ করা এবং ফ্যাট লস করা বেশ কঠিন। এজন্য ডায়েটপ্ল্যানে যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন রাখতে বলা হয় এবং রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং করতে বলা হয় যাতে মাসলও তৈরি হয় এবং ফ্যাটও লস হয়। হঠাৎ ওজন কমানোর পর যখন আবার ওজন বাড়ে তখন কিন্তু মাসল অত্যন্ত নগন্য পরিমান বাড়লেও ফ্যাট বাড়ে বেশি। ফলাফল হিসেবে শরীরে ফ্যাট% বেড়ে যায় এবং ওজন যতটা বাড়ে তারচেয়েও বেশি বাড়ে ইঞ্চিতে ফলে দেখতে মোটা লাগে।

৪. একটা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আছে ক্রাশ ডায়েটের। আপনি হয়তো ওজন নিয়ে অনেকদিন ধরেই চিন্তিত। অনেকবার ভেবেছেন একটা হেলদি লাইফস্টাইল অ্যাডপ্ট করবেন কিন্তু কেন যেন করি করি করেও করা হয়ে উঠছেনা। এমন সময় একটা ৭-১০ দিনের ক্রাশ ডায়েট প্রগ্রামে গিয়ে দ্রুত ৫/৬ কেজি কমিয়ে ফেললেন। তারপর কি আর আপনার মন চাইবে ক্যালরি মেপে খেতে? ইচ্ছে করবে সকাল বা বিকালে ১ ঘন্টা হাটতে? ইচ্ছে করবে দিনে ৩/৪ লিটার পানি জোরাজুরি করে খেতে? আপনি হয়তো একটা হেলদি লাইফস্টাইলে চলেই যেতেন কিন্তু এই নগদ নগদ পরিবর্তন দেখতে পেয়ে কষ্টসাধ্য কিন্তু জরুরী পদক্ষেপটা আর নেয়া হয় না। এভাবে একটু একটু করে পেছাতে পেছাতে একসময় আর হেলদি লাইফস্টাইল অ্যাডপ্ট করাই হয়না।

⏩ তাহলে কি করতে হবে?

উত্তর একটাই। ধানাইপানাই ছেড়ে সোজা রাস্তায় আসতে হবে। প্রপার ম্যাক্রো রেশিও তে প্রপার ক্যালরি লিমিটে থেকেই ওজন কমাতে হবে। এক্সারসাইজ করতে হবে এবং ধৈর্য রাখতে হবে। তাড়াহুড়ার কাজ ভালো হয়না

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Invention

উচ্চ ক্ষমতার সোলার সেল আবিষ্কার, বিদ্যুতে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার।

দেশে দেশে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ছে। কিন্তু যে সোলার সেল বা সৌরকোষের মাধ্যমে সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করা হয়, তার কার্যক্ষমতা এত দিন অনেক কম ছিল। এখন আরও বেশি কার্যক্ষমতাসম্পন্ন সোলার সেল তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি ল্যাবরেটরির (এনআরইএল) বিজ্ঞানীরা নতুন অধিক কার্যক্ষমতা সম্পন্ন এই সোলার সেল তৈরি করেছেন। এই সোলার সেলের কার্যক্ষমতা ৫০ শতাংশের কাছাকাছি।

আগে গড়পড়তা সোলার সেলের কার্যক্ষমতার হার সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ছিল। এর অর্থ হলো, আগে সোলার সেল বা সৌরকোষ শোষিত সৌরশক্তির সামান্য অংশকে বিদ্যুতে রূপান্তর করতে পারত। এখন এই ক্ষমতা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

নতুন আবিষ্কৃত ছয়টি সক্রিয় ফটো অ্যাকটিভ স্তরের (সিক্স জংশন) সোলার সেলের কার্যক্ষমতা অনেক বেশি। এই সোলার সেলের রূপান্তর ক্ষমতা সর্বোচ্চ ৪৭ দশমিক ১ শতাংশ। এটা একটা বিশ্ব রেকর্ড।

গবেষণা প্রকল্পের মুখ্য বিজ্ঞানী ও গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক জন গেইজ বলেন, নতুন আবিষ্কৃত সোলার সেল সত্যিই অসাধারণ কার্যক্ষমতা প্রদর্শন করছে।

প্রকল্পের বিজ্ঞানী ও গবেষণাপত্রের সহলেখক রায়ান ফ্রান্স বলেন, তাঁদের আবিষ্কৃত সোলার সেলের কার্যক্ষমতা ৫০ শতাংশ অতিক্রম করার সম্ভাবনা আছে। আর এই লক্ষ্য অর্জন করা খুবই সম্ভব।

তবে মৌলিক সীমাবদ্ধতার কারণে ১০০ শতাংশ কার্যক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব হবে না বলে জানান রায়ান ফ্রান্স।

বিজ্ঞানী জন গেইজ জানান, তাঁরা সোলার সেলের উৎপাদন খরচ কমানোর বিষয়ে কাজ করছেন। সেটা করা গেলে উচ্চ কার্যক্ষমতার সোলার সেলের ডিভাইসের নতুন বাজার সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।

এটা হলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিরাট পরিবর্তনের আসবে, যা সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। কারণ, এর ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার আরও কমানো সম্ভব হবে।

ℹ তথ্যঃ প্রথম আলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত।

Categories
Puzzle

টাইটেল : মৎস্য মূলক ধাঁধা (তৃতীয় ভাগ)।
ধাঁধার সংখ্যা : ৮৪

মাছ একটি অতি পরিচিত জীব। মাছের আকৃতি এবং প্রকৃতিতেও বেশ কিছু না কিছু বিশেষত্ব আছে, যা আমাদের দৃষ্টিতে পরিস্ফুটিত হয়। এর বৈচিত্র্য ও গুণাগুণকে উপলব্ধি করার প্রয়াসে বেশ কিছু ধাঁধা প্রকাশ পায়। তাই এর কিছু দৃষ্টান্ত নিম্নরূপ –

★ আপনাকে দেখতে আইলো,
আমাকে লইয়া গেল । (অঞ্চল : লোয়াকুই গ্রাম) (উত্তর : মাছ)

★ আঁখির কোণে পাখির বাসা ,
জল বেঁধেছে ত্রিশূল চাষা ,
চার পেয়ের ওপর নিপে ,
নিপেকে নিয়ে গেল দুপে । (অঞ্চল : হুগলি) (উত্তর : মাছ , চিল , গরু)

★ চার পায়ের উপরে নিপাই নাচে ,
দু পায় ধরিল খায় । (অঞ্চল : পুরুলিয়া) (উত্তর : কাকড়া , মাছ , চিল)

★ কি অপরূপ দেখে এলুম ,
ডানকুনির মাঠে ,
মরা আহার করে ,
জ্যান্ত তার পেটে ! (অঞ্চল : হুগলি) (উত্তর : মাছ ও ঘুনি)

★ আমি থাকি ডালে ,
তুমি থাক পালে ,
দেখা হবে রান্নাশালে । (অঞ্চল : মাঠা) (উত্তর : মাছ এবং তেঁতুল)

★ আমি থাকি খালে ,
তুমি থাক ডালে ,
তোমার আমার দেখা হবে ,
মরে যাবার কালে । (অঞ্চল : ঝাড়গ্রাম) (উত্তর : মাছ এবং তেঁতুল)

★ ধাগুর ধাগুর চার চোঁখ ,
তার চোদ্দ পা তার এক নেঙ্গুর । (অঞ্চল : হাতীবাড়ী) (উত্তর : মাছ ধরার জাল)

★ জলের মধ্যে মিন রাখছে কারাগারে ,
অচরিত্র কল দেখে ,
আসলাম ঢালি মশার ঘরে । (অঞ্চল : বরিশাল) (উত্তর : শিশির ভিতর মাছ)

Categories
Puzzle

টাইটেল : মৎস্য মূলক ধাঁধা (দ্বিতীয় ভাগ)।
ধাঁধার সংখ্যা : ৮৩

মাছ একটি অতি পরিচিত জীব। শুধুমাত্র মাছের আকৃতি এবং প্রকৃতি সম্পর্কেই নয়, মাছ ধরবার সরঞ্জাম সম্পর্কেও এক বিপুল সংখ্যক ধাঁধা রচিত হয়েছে। তাই এর কিছু দৃষ্টান্ত নিম্নরূপ –

★ আমার ভাই ভেঁটে ,
দুয়োর দেয় এঁটে । (অঞ্চল : যশোর) (উত্তর : মাছ)

★ তুমি ডালে আমি জলে ,
দেখা হবে মরণ কালে । (অঞ্চল : কুষ্টিয়া ) (উত্তর : মাছ ও লস্কা)

★ ধান্দা রে ধান্দা ,
ধান্দা যাইছে পানি খাইতে ,
নেঙর আছে সাপ । (অঞ্চল : হাতীবাড়ী) (উত্তর : মাছ ধরার জাল)

★ কাই যাউ বুরে খর খরানি ,
চুপ থারে দুল দুলানি ,
গারোস্তির খাবে মোকেও খাবে । (অঞ্চল : রংপুর) (উত্তর : মাছ ও কচ্ছপ)

★ দশভুজ পাতি যার দ্বিভুজ রমণী ,
তাহার তৃতীয় স্বামীর পুত্রের কামিনী ,
তাহার পিতার পিতা যেই নাম ধরে ,
সেই দ্রব্য দয়া করিয়া ,
পাঠাইবেন মোরে । (অঞ্চল : হাতীবাড়ী) (উত্তর : মাছ)

★ তাঙ বেউর তেটে ,
খিটি বা ঘিনি খেটা ,
দেরে ঘন ধেরে তেটে ধাদা ,
বর পালাল জানলা দিয়ে ,
কর্তা রইল বাধা । (অঞ্চল : হাতীবাড়ী) (উত্তর : মাছ)

Categories
Invention

অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কারের কথা।

ছোট জিনিসকে বড় আকারে দেখার জন্য লেন্সের ব্যবহার শুরু হয় বহু আগ থেকেই। যত দূর জানা যায়, এ ধরনের লেন্স প্রথম আবিষ্কার হয় আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৭০০ অব্দের দিকে। তবে ওই লেন্স নাকি ছিল খুব ঘোলাটে। প্রথম লেন্স কে আবিষ্কার করেন, এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মোটামুটি ১০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে এসে আরেকটু ভালো লেন্স তৈরি হয়। এ সময় লেন্সের উপরিভাগকে গোলাকার করা হয়। রোমানরা এ ধরনের লেন্স ব্যবহার করত।

কাছের জিনিস বড় করে দেখার জন্য চশমা তৈরি শুরু হয় চীনে। তবে ওইগুলো মানের দিক থেকে খুব একটা ভালো না হওয়ায় জনপ্রিয়তা পায়নি। ১২৮০ সালের দিকে এসে ইতালির ফ্লোরেন্সে চশমা ও লেন্সের বেশ বিকাশ ঘটে। কারো কারো ধারণা, আমাটি নামের এক গবেষক এই লেন্স ও চশমা তৈরি করেন।

ধীরে ধীরে চশমার পাশাপাশি এমন ধরনের আতশ কাচ তৈরি হতে থাকে যেগুলো চোখে না লাগিয়েই বস্তুকে বড় দেখা সম্ভব হয়। এর ধারাবাহিকতায় তৈরি হয় সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্র। ১৫৯০ সাল কিংবা এর কিছু পরে ডাচ লেন্স প্রস্তুতকারক হ্যান্স এবং তাঁর ছেলে জ্যাকারিয়াস জ্যানসেন এক জোড়া লেন্স ব্যবহার করে তৈরি করেন জটিল অণুবীক্ষণ যন্ত্র। এই যন্ত্রটায় বাপ-বেটা দুজনের ভূমিকা থাকলেও পরে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের ব্যাপক উন্নয়ন করেন জ্যাকারিয়াস। তাই আধুনিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের জনক বলা হয় জ্যাকারিয়াসকেই।

পরে গ্যালিলিও অণুবীক্ষণ ও দূরবীক্ষণ যন্ত্রের বেশ উন্নয়ন করেন। হল্যান্ডের লিউ ওয়েনহোকও বেশ শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপ তৈরিতে সফল হন। রবার্ট হুক নামের এক ইংরেজও অণুবীক্ষণ যন্ত্র নিয়ে ওই সময় বেশ কাজ করেন। এখনকার আধুনিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রগুলোর বেশির ভাগ তৈরি হয় জার্মানি, জাপান ও চীনে।

Categories
Science

ক্রায়োনিক্স (আধুনিক মমি)

ক্রায়োনিক্স হচ্ছে এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে মৃত মানুষকে সংরক্ষণ করা হয় এই আশায় যে ভবিষ্যৎ প্র‍যুক্তির সাহায্যে তাদেরকে জীবিত করা যাবে। এটি অনেকটা Hibernation বা শীতনিদ্রার মতো। এই পদ্ধতিতে মৃত ব্যক্তির দেহকে বা শুধু মাথাকে নিম্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয় যার জন্য বহুদিন লাশ অবিকৃত থালে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ক্রায়োপ্রিজারভেশন। বর্তমানে জীবিত মানুষের শরীরে ক্রায়োনিক্স নিষিদ্ধ তাই ক্লিনিকাল ডেথ এর পর একজন মানুষকে ক্রায়োপ্রিজারভেশনে রাখা হয়।

ক্লিনিকাল ডেথ বলতে বুঝায় হার্টবিট বন্ধ হয়ে যাওয়া। কিন্তু হার্টবিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও কিছুক্ষণ মস্তিষ্কের কোষ জীবিত ও কর্মক্ষম থাকে। এমন অনেক নজির আছে যেখানে দেখা যায় কিছুক্ষণ হার্টবিট বন্ধ থাকার পর মানুষটি আবার বেঁচে ফিরেছে। তাই, ক্রায়োবিদরা মনে করেন যে মস্তিষ্ক যতক্ষণ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত একজন মানুষকে মৃত দাবী করা করা যায়না। তাদের মতে ভবিষ্যৎ এ এমন প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হবে যার সাহায্যে তারা মস্তিষ্কে থাকা সকল তথ্য পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। Science Bee Family

ক্রায়োনিক্স এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেহের সব কার্যক্রম স্থগিত করে দেওয়া বা সরাসরি বলতে গেলে মৃত্যুকে স্থগিত করে দেওয়া। ক্রায়োনিক্স প্রক্রিয়ায় কিছু কোষের ফাংশন সংরক্ষণ করা হয় যা থেকে থিওরেটিক্যালি তাদের আবার জীবিত করা সম্ভব। কোনো মানুষ মারা যাওয়ার পর তার শরীরকে স্থির অবস্থায় আনতে অক্সিজেন ও রক্ত সরবরাহ করা হয় যাতে শরীরের কিছু ক্রিয়া চলতে থাকে। তারপর শরীরে অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট দেওয়া হয় যাতে রক্ত জমে না যায় এবং শরীরকে বরফে মুড়ে দেওয়া হয়।

মানুষের কোষের বেশিরভাগ অংশই পানি হওয়ায় শরীরের পানি সরিয়ে ক্রায়োপ্রোট্যাক্টট্যান্ট বা গ্লিসারল দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়াকে বলে ভিট্রিফিকেশন। পানি না সরালে তা বরফ হওয়ার পর আয়তনে বেড়ে যাবে এবং সব কোষ নষ্ট হয়ে যাবে। ভিট্রিফিকেশন এর পর ড্রাই আইস দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা -২০২°F পর্যন্ত ঠান্ডা করা হয়, একে বলে প্রি-কুলিং। এরপর শরীরকে তরল নাইট্রোজেন এর ট্যাঙ্কে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা -৩২০°F এ নেমে আসে।

সবচেয়ে জটিল বিষয় হচ্ছে এই অবস্থা থেকে ফিরিয়ে এনে দেহ স্বাভাবিক করা। এখনো পর্যন্ত কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীকে এই অবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনা যায়নি, কেবল কিছু নেমাটোডদের স্বাভাবিক করা গিয়েছে। আর ভবিষ্যৎকালে কোনো মানুষকে হিমায়িত অবস্থা থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় আনা গেলেও সে থাকবে মৃত এবং মৃত মানুষটিকে জীবনদান করা অসম্ভব ব্যাপার। তাই, বর্তমানে ক্রায়োনিক্সকে ছদ্মবিজ্ঞান বা Pseudoscience হিসেবে দেখা হয়। এই প্রক্রিয়ায় শরীর সংরক্ষণে খরচ হয় ২ লক্ষ ডলার, মস্তিষ্ক সংরক্ষণে খরচ হয় ৬০ হাজার ডলার।

© Nishat Tasnim
সোর্স: Science Bee Family

Categories
Movies

#BlackWidow – Film New Release Date Is Now May 7, 2021

Categories
Invention

ফারেনহাইট স্কেল আবিষ্কারের কথা।

ফারেনহাইট হচ্ছে তাপমাত্রা পরিমাপের একটি স্কেল। জার্মান বিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গ্যাব্রিয়েল ফারেনহাইট এই তাপমাত্রা পরিমাপের স্কেল আবিষ্কার করেন এবং তাঁর নামানুসারে ফারেনহাইট নামকরণ করা হয়। কিন্তু কিভাবে এই ফারেনহাইট আবিষ্কৃত হলো?

বিজ্ঞানী ফারেনহাইট স্কুল-কলেজের পাঠ সমাপ্ত করে সদ্য গবেষণার প্রতি মনোযোগী হলেন। তিনি স্বদেশের বিভিন্ন গবেষণাগারে গবেষণার পর উন্নততর গবেষণার জন্য ইংল্যান্ড, হল্যান্ড প্রভৃতি দেশ পরিভ্রমণ করেন। সেখানে অনেক খ্যাতিমান বিজ্ঞানীর সান্নিধ্য আসেন।

তিনি বিদেশ থাকাকালীন সময়ে প্রচুর অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলেন। তিনি জীবনের অধিকাংশ সময় তাপমাত্রা পরিমাপ নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি স্বদেশে এসে থার্মোমিটারের প্রতি আকর্ষণবোধ করেন। সেই সময় পর্যন্ত থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহারের রীতি প্রচলন হয়নি। তখন তরল হিসেবে থার্মোমিটারে অ্যালকোহলকেই ব্যবহার করা হতো। ফারেনহাইট বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর স্থির করলেন, থার্মোমিটার পারদ ব্যবহার করলেই বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। আর এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৭১৪ খ্রিস্টাব্দে পারদ থার্মোমিটার ব্যবহারের প্রথা প্রবর্তন করেন। তিনি যে স্কেলটির প্রবর্তন করেন সেই স্কেলটির নাম ‘ফারেনহাইট স্কেল’। এই স্কেল প্রবর্তনের মূলে তিনি একটি ধারনায় উপনীত হলেন। সেটি হচ্ছে মানুষের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৬ ডিগ্রী। এই হিসেবে তিনি বরফের গলনাংক ৩২ ডিগ্রী নির্ণয় করেছিলেন।

এই ফারেনহাইট স্কেলে পানির হিমাঙ্ক কে বিবেচনা করা হয় ৩২ ডিগ্রী ফারেনহাইট (°F) এবং স্ফুটনাঙ্ক কে বিবেচনা করা হয় ২১২ °F। আর এই দুইয়ের মধ্যবর্তী অংশ কে ১৮০ ক্ষুদ্র ভাগে ভাগ করা হয়। প্রতিটি ক্ষুদ্র ভাগ হচ্ছে ১ ডিগ্রী ফারেনহাইট। তিনি তাপমাত্রার হিমাঙ্ক হিসাবে 0° প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

Categories
Movies

Vikings.

#হাল্কা_স্পয়লার

মুলত ঐতিহাসিক যুদ্ধের কিছু এপিসোডের আশা নিয়ে viking দেখা শুরু করেছিলাম। নিরাশ হই নি বরং আরো বেশি কিছু পেয়েছি। স্টোরি লাইনটা শুরু হয় সপ্তদশ শতাব্দীর শেষের সময় থেকে। র‍্যাগনার ছিলো যোদ্ধা, নির্ভীক, এডভেঞ্চারাস, পরিবার নিয়ে কেয়ারফুল। অন্যদিকে এথেলস্টান সাধারন জীবন যাপনের এক্টি চরিত্র, যে কিনা ধর্মীয় কাজে তার দিন যাপন করত। র‍্যাগনার লর্থব্রোকের এডভেঞ্চার আর নতুন যায়গা আবিস্কারের নেশা থেকেই শুরু হয় viking. তার প্রথম অভিযানেই সে সফল হয় যা তার বিশাল বিজয়ের সূচনা ছিল৷ তবে এই সাফল্যের সাথে হয়ত সে জীবনের সবথেকে কাছের বন্ধুকে পেয়েছিল। অভিযান শেষে সব লুট করে আনার সময় তারা সেখান থেকে বেশ কিছু মানুষ কে বন্দি করে আনে দাশ হিসেবে রাখার জন্য। আর তার ভিতরেই ছিলো এথেলস্টান।র‍্যাগনার এথেলস্টান কে তার বাড়িতে দাশ হিসেবে নিয়ে আসে। এরপর ধীরে ধীরে এথেলস্টান র‍্যাগ্নারের ফ্যামিলি মেম্বারে পরিনিত হয়। শুরু হয় র‍্যাগ্নার আর এথেলস্টানের বন্ডিং। এথেলস্টানকে র‍্যাগ্নার যথেস্ট মর্যাদা দিয়েছিল। কিন্তু র‍্যাগ্নার ছাড়া তার অন্য কোনো সহযোদ্ধা এথেলস্টানকে সহ্য করতে পারত না যার মুল কারন ছিল সে ক্রিসচিয়ান। এথেলস্টান সব সময় র‍্যাগনারের ছায়ার মত তার সাথে থেকে তাকে নতুন বিজয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে তাকে বিশ্ব বিজয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছে। এক পর্যায়ে র‍্যাগ্নার এথেলস্টানের প্রতি একপ্রকারে নির্ভর হয়ে পড়ে এবং তাকে সব থেকে বেশি বিশ্বাষ করতে শুরু করে। আর যেটা তার অন্য বন্ধুরা মোটেও সহ্য করতে পারেনা বিশেষ করে ফ্লোকি।
আর যেটা এই মহান বন্ধুত্বের ইতি টানে। তবে এথেলস্টানের মৃত্যুর পর র‍্যাগ্নারকে সবচেয়ে বেশি কস্ট পেতে দেখেছি। সব থেকেও সে যেন নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিল। তবে র‍্যাগ্নারের রাগ কন্ট্রোল করার ব্যাপারটা প্রথম থেকেই এই ক্যারেক্টরে অন্য এক ধাপে নিয়ে গিয়েছে।
“You give the Gods too much credits”

-Ragnar.

আমাদের ট্রেইলার রিভিউ দেখুন 🔽🔽🔽🔽

আমাদের পাশেই থাকুন ✅

ডাউনলোড লিঙ্ক এর জন্য জয়েন করুন অথবা মেসেজ করুন মুভি কথাকে ধন্যবাদ ⏬⏬⏬

⏩Telegram link……… : https://t.me/Moviekotha

⏩YouTube link…….. :
📌 https://www.youtube.com/c/moviekotha

📌https://www.youtube.com/c/moviekothadetails

⏩Instagram……………: instagram.com/moviekotha/

📌মুভি লাভারদের মত কেউ মোবাইল লাভার হন এখনি ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল Mobile kotha account থেকে 🔜👇👇👇 ⏩mobile Kotha……… : https://bit.ly/36PVcFt

Categories
Invention

পটেটো চিপস আবিষ্কারের কথা।

লেখার খাতা খুলে বসেছিলাম বিজ্ঞানের বিখ্যাত আবিষ্কারের কথাগুলো লিখে রাখার জন্য। সেখানে পটেটো চিপসের আবিষ্কার কি লেখার মত কোন বিষয়! হঠাৎ মনে হলো কোন আবিষ্কার ছোট নয়। নাট-বোল্ট স্ক্রু আবিষ্কার হয়েছিলো বলে আজ আমরা বিশাল কাঠামো স্বাচ্ছন্দে দাড় করাতে পারছি। আমার আজকের বিষয় মানুষ প্রথম কিভাবে পটেটো চিপসের সন্ধান পেলো।

বেশী বেশী আলু খান, ভাতের উপর চাপ কমান। আলু বাঙালী জীবনের সাথে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িয়ে আছে। আলু আমাদের মাছের বিকল্প, মাংসের বিকল্প, নিরামিশে মিলেমিশে আছে। ঝালে, ঝোলে, ভাজিতে কোথায় আলুর ব্যবহার নেই। পৃথিবীতে চালের পর দ্বিতীয় প্রধান খাদ্য শষ্য হচ্ছে আলু। আলু থেকেই তৈরী হয় পটেটো চিপস। আপনি বলতে পারেন, দ্যাখো গাধাটা বলে কি? পটেটো চিপস আলু থেকে হবে নাতো কি ধানের খড় থেকে হবে!

১৭০০ সালের দিলে ফ্রান্সে মোটা করে কাটা আলু ভাজা বেশ জনপ্রিয় হয়। ফ্রান্সে তখন আমেরিকার রাষ্ট্রদূত থমাস জেফারসন, তিনি ফেন্স ফ্রাই এর প্রেমে পড়ে যান। দেশে ফেরার সময়ে তিনি ফ্রেন্স ফ্রাই এর রেসিপি বা প্রস্তুত প্রণালী সাথে করে নিয়ে যান। মন্টিসেল্লোর অতিথিদের তিনি ফ্রেন্স ফ্রাই খাইয়ে মুগ্ধ করেন। এরপর পুরো আমেরিকায় ফ্রেন্স ফ্রাই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ১৮৫৩ সালের বসন্তের এক সন্ধ্যা। নিউ ইয়র্কের সারাগোটা স্প্রিংসের অভিজাত রিসোর্ট
গুলোতে পর্যটকের উপচে পড়া ভীড়। মুন লেক লজ রেস্টুর্যারন্টে ডিনারের টেবিলে একজন গেস্ট ফ্রেন্স ফ্রাই এর টুকরা অতিরিক্ত পুরো বলে অভিযোগ করে অর্ডার বাতিল করেন। রেস্তোরায় তখন শেফের দ্বায়িত্বে ছিলে জর্জ ক্রাম নামের একজন নেটিভ আমেরিকান। ক্রাম আরো পাতলা করে কেটে ভেজে ফ্রেন্স ফ্রাই তৈরী করে আনলেন। কিন্তু তাতেও সেই গেস্টের মন ভরলো না। সে ফিরিয়ে দিলো। ক্রাম কিচেনে ফিরে গেলো। যতটা সম্ভব পাতলা করে আলুর স্লাইস কাটলো। তারপর সেটা ভেজে তাতে লবন ছিটিয়ে দিলো। এত পাতলা করলো যাতে গেস্ট ফর্ক দিয়ে এটা তুলতে না পারে। তাতে হিতে বিপরীত হলো। গেস্ট এই নতুন আইটেম খুব পছন্দ করলো এবং পরের দিন আবার অর্ডার দিলো এই বিশেষ আলু ভাজা খাওয়ার জন্য। অনেক অনুরোধ আসতে থাকলো ক্রামের পটেটো চিপসের জন্য। এরপর রেস্তোরার মেনু কার্ডে সারাগোটা চিপস বলে স্পেশাল একটা আইটেম যুক্ত হলো।

১৮৬০ সালে ক্রাম সারাগোটা লেকের কাছেই মাল্টা এভিনিউয়ে তার নিজের রেস্তোরা চালু করলেন। তখনকার সময়ের বিত্তশালী ব্যক্তি বর্গ যেমন উইলিয়াম ভ্যান্ডারবিল্ট, কর্নেলিয়াস ভ্যান্ডারবিল্ট, জয় গোল্ড, হেনরি হিলটন ছিলো তার নিয়মিত খদ্দের। ত্রিশ বছর রেস্তোরা চালানোর পর ১৮৯০ সালে রেস্টোরাটি বন্ধ করে দেন। ৯২ বছর বয়সে ১৯১৪ সালে জর্জ ক্রাম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজকের দিনে আমরা কুড়কুড়ে মুড়মুড়ে প্রান পটেটো চিপস খাচ্ছি অথচ জর্জ ক্রামের নাম আমরা কজনই বা জানি। সময়ের নায়কেরা এভাবেই বিস্মৃত হয়ে যায়।

১৮৯৫ সালে ক্লিভল্যান্ডের উইলিয়াম ট্যাপেনডন প্রথম বাসায় পটেটো চিপস তৈরী করে পার্শ্ববর্তী মুদি দোকানগুলোতে বিক্রির জন্য সরবরাহ করতেন। তার বাসাতেই তৈরী হয় পৃথিবীর প্রথম পটেটো ফ্যাক্টরি। ১৮৫৩ সালে জর্জ ক্রামের হাতে আবিষ্কৃত হওয়া পটেটো চিপস এখনো আমেরিকানদের প্রিয় স্ন্যাকস। অতলান্তিকের জলরাশি পেরিয়ে পটেটো চিপস এখন বাঙালী শিশু কিশোরের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে। আপনি কি কখনো পটেটো চিপস খেয়েছেন?

Categories
Puzzle

টাইটেল : মৎস্য মূলক ধাঁধা (প্রথম ভাগ)।
ধাঁধার সংখ্যা : ৮২

বাঙ্গালীর নিকট মাছের চাইতে প্রিয় আর কিছু নাই। পাখির ন্যায় মাছ, এ জাতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িত। সেজন্য মাছের আকৃতি এবং প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের মধ্যে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা অধিক। মাছের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার লক্ষ্যে এটি ধাঁধার মধ্যেও অন্তর্গত হয়েছে। তাই এর কিছু দৃষ্টান্ত নিম্নরূপ –

★ শুনো হে ঠাকুরপো ,
মোর একটি বাণ ,
জানলা দিয়ে ঘর পালাল ,
গৃহস্থ পড়িল ধরা ঘরের ভিতর । (অঞ্চল : বাঁশপাহাড়ী) (উত্তর : মাছ)

★ বাপরে বাপ ,
মাথায় পইড়ল চাপ ,
ঘর পালাল দুয়ার পথে ,
হামি পালাইব কোন্ পথে ? (অঞ্চল : পুরুলিয়া) (উত্তর : মাছ)

★ উপরে পাটা নীচে পাটা ,
বসে আছে বাবুর বেটা । (অঞ্চল : বেলপাহাড়ী) (উত্তর : মাছ)

★ ঘরের ভিতর ঘর ,
জানালায় পালাল নিশাচর । (অঞ্চল : রংপুর) (উত্তর : মাছ)

★ অকস্মাৎ ডাকাতে ঘিরিল বাড়ী ,
ঘর পালাল বেড়ার ফুটা দিয়া ,
গৃহস্থের গলায় দড়ি ! (অঞ্চল : বরিশাল) (উত্তর : মাছ)

★ ধ্যান চ্যান ধ্যানে ভোজন । (অঞ্চল : বরিশাল) (উত্তর : মাছ)

★ তুমি জলে আমি ডালে ,
দেখা হবে মরণ কালে । (অঞ্চল : কুষ্টিয়া ) (উত্তর : মাছ)

★ দুই হাত দিয়ে দিলাম ভরে ,
একহাত দিয়ে নিলাম বেছে । (অঞ্চল : পরগণা) (উত্তর : মাছধরা)

Categories
Career

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এর ক্যারিয়ার কেমন হয়?

শিল্পায়ননির্ভর এ সময়ে যে কয়েকটি পেশাকে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ধরা হয়, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং তাদের মধ্যে একটি। একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রের ডিজাইন, নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে থাকেন।

এক নজরে একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার

সাধারণ পদবী: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার
বিভাগ: ইঞ্জিনিয়ারিং
প্রতিষ্ঠানের ধরন: সরকারি, বেসরকারি, প্রাইভেট ফার্ম/কোম্পানি
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম
লেভেল: এন্ট্রি, মিড
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা সীমা: ০ – ২ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য গড় বেতন:৳৩০,০০০ – কাজ, প্রতিষ্ঠান ও অভিজ্ঞতাসাপেক্ষ
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স: ২৫ বছর
মূল স্কিল: যন্ত্রপাতি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান, সিস্টেম ডিজাইনে পারদর্শিতা
বিশেষ স্কিল: প্রজেক্ট ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা

একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কোথায় কাজ করেন?

বিদ্যুৎ খাত থেকে শুরু করে গ্যাসকূপ খনন, চামড়া প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, রড-সিমেন্টের কারখানা, এমনকি পানিশোধনাগারগুলোতে পর্যন্ত একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কাজ করতে পারেন।

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা মূলত বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের টারবাইন, অল্টারনেটর ও জেনারেটরের নকশা, সংযোজন, বাস্তবায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকেন। এছাড়া তারা বিমানের ইঞ্জিন, কমবাশ্চন ইঞ্জিন, এয়ারকন্ডিশনিং মেশিন ও রেফ্রিজারেটর উৎপাদন কারখানার মান নিয়ন্ত্রণ ও কমিশনিংয়ের কাজ করেন।

বড় ছাপাখানা, সমরাস্ত্র কারখানা, টাকশাল, গ্যাস ও তেল খনন কূপের জন্য নিয়োজিত কিংবা শোধনের জন্য ব্যবহৃত ভারি যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণের কাজে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেয়া হয়।

একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কী ধরনের কাজ করেন?

যে কোন খাতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের সাধারণ দায়িত্বের মধ্যে পড়েঃ

যন্ত্রপাতির নকশা বানানো;

কারখানার চাহিদা অনুসারে স্বল্প খরচে সর্বাধিক কর্মদক্ষতার যন্ত্রাংশ নির্মাণ করা;

ভারী যন্ত্র স্থাপন (Installation), কমিশনিং ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;

প্রকল্প ব্যয় নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় সময়ের হিসাব ও বাজেট প্রণয়নে সহায়তা করা।

একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে।

বয়সঃ প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষে বয়সের সীমা নির্ধারিত হয়। সাধারণত আপনার বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

অভিজ্ঞতাঃ এ পেশায় অভিজ্ঞদের প্রাধান্য রয়েছে। সাধারণত ১-২ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে আসে।

একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

চাকরিদাতারা আশা করেন যে, একজন এন্ট্রি লেভেলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আপনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে ভালোভাবে জানবেন। সে লক্ষ্যে আপনার থার্মোডিনামিক্স, সলিড মেকানিক্স, ফ্লুইড মেকানিক্স, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স এবং কন্ট্রোল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। এতে আপনি সিস্টেম ডিজাইনে পারদর্শী হয়ে উঠবেন।

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আপনার বেসিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ব্যবহৃত গণিত আর পরিসংখ্যানে দক্ষতা থাকা উচিত। পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যারের (যেমনঃ SolidWorks, AutoCAD, MATLAB) কাজ জানা থাকলে আপনি চাকরির বাজারে আরো গ্রহণযোগ্যতা পাবেন। এখানে উল্লেখ্যযোগ্য আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে, আপনি যদি ছাত্র থাকা অবস্থায় কোন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করতে পারেন, তাহলে তা চাকরিদাতাকে আপনার ব্যাপারে আরো আগ্রহী করে তুলবে। এর কারণ হলো, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কিছুটা হ্যান্ড-অন এক্সপেরিয়েন্স ব্যবহারিক কাজের জ্ঞান থাকা জরুরি।

নন-টেকনিক্যাল জ্ঞানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো –

সৃজনশীল উপায়ে ও যৌক্তিকভাবে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা;

বিশ্লেষণী ক্ষমতা, যা খুঁটিনাটি বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে সাহায্য করতে পারে;

অন্যদের সাথে কাজ করার মানসিকতা থাকা;

বিভিন্ন ধরনের কাজ একসাথে সামলানোর দক্ষতা;

বড় কারখানায় ভারি যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করার মানসিকতা থাকা।

কোথায় পড়বেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং?

বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর বিএসসি ডিগ্রি নিতে পারেন। আবার ডিপ্লোমা কোর্সেও পড়াশোনার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া বাংলাদেশে বহু সরকারি-বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে, যেখানকার বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু কারখানা ও শিল্পাঞ্চলে কাজ পেতে সাহায্য করবে।

একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় কেমন?

সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে জাতীয় বেতন স্কেলের ৯ম গ্রেডে সহকারী প্রকৌশলীদের বেতন শুরু হয় ৳৩২,০০০ থেকে। পদোন্নতির সাথে এর পরিমাণ সাথে বাড়তে থাকে। তবে অধিকাংশ বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠান সরকারি মালিকানাধীন লিমিটেড কোম্পানি হয়ে যাওয়াতে সেখানে সম্পূর্ণ নিজস্ব স্কেলে বেতন দেয়া হয়, যা ৳৫২,০০০ থেকে শুরু হয়। উল্লেখ্য যে, বিনা অভিজ্ঞতায় এসব চাকরিতে যোগ দেয়া গেলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে।

বিনা অভিজ্ঞতায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চিনি, তামাক, চামড়া, খাদ্য উৎপাদন কারখানা, ব্যাংক ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ৳৩৫০০০- ৳৪০,০০০ মাসিক বেতনে নিয়োগ পাওয়ার সুযোগ আছে।

অভিজ্ঞতা, কারিগরি যোগ্যতা আর বিশেষায়িত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের বেসরকারি খাতে ২ লক্ষ টাকা আয় করারও নজির আছে। পাশাপাশি সরকারি প্রকৌশলীদের জন্য কনসাল্টেন্সি করে বৈধ পন্থায় মাসে লক্ষাধিক টাকা আয়ের সুযোগ আছে এ পেশায়।

একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলে দক্ষতা অনুসারে নির্দিষ্ট সময় পর পদোন্নতি পেয়ে প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে আরোহণ করা সম্ভব।

সরকারি খাতে সহকারী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে প্রধান প্রকৌশলী কিংবা বেসরকারি খাতে হেড অফ অপারেশন বা চিফ অপারেটিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ পাওয়া মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ক্যারিয়ার লক্ষ্য হতে পারে। এছাড়া বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা, ব্যাংক আর সিভিল সার্ভিসেও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

Categories
Movies

The Platform(2019)

Genres – Horror, Sci-Fi, Thriller
Release – March 20,2020
Director – Galder Gaztelu-Urrutia
Country – Spain
Imdb- 7.0/10
Personal – 9/10

অ্যালার্টঃ হরিফিক ভায়োলেন্স ইনক্লুডিং ক্যানিবালিজম।সুতরাং দূর্বল চিত্তের ব্যক্তিরা এভয়েড করতে পারেন।

ডিস্টোপিয়ান একটা পৃথিবীর একটা জেলখানায় বন্দীদেরকে একটা প্লাটফর্ম বা টেবিলে নির্দিষ্ট পরিমাণ দৈনন্দিন খাবার দেওয়া হয়, যা লেভেল জিরো থেকে শুরু হয়ে সোজা নিচে লেভেল ১, ২, ৩ এভাবে অনেক নিচে নামতে থাকে। লেভেল জিরোর উপরে থাকে প্রশাসক বা সরকার। একটা লেভেলে দুইজন বন্দী থাকে, আর খাবারের প্লাটফর্মটা প্রত্যেক লেভেলে মাত্র দুই মিনিটের জন্য থামে। কেউ জমিয়ে রাখার জন্য বাড়তি খাবার রাখলে সেই ফ্লোর ভীষণ গরম অথবা ঠান্ডা হয়ে উঠে। বন্দীদেরকে এক মাস পরপর লেভেল বদলে দেওয়া হয়। উপরের দিকে যারা থাকে, বুঝতেই পারছেন, তারা বেশি খাবার খায়, নিচের লেভেলের বন্দীদের কথা ভাবে না। আর নিচের লেভেলের বন্দীদের কী অবস্থা হয় ভাবুন।
নিজেদের স্বার্থপরতা, উপর তলার মানুষের প্রতি ঘৃণা, নিচের তলার মানুষের প্রতি তাচ্ছিল্য, অসহায়ের প্রতি নির্যাতন সবকিছুরই এক প্লাটফর্ম এই মুভিটি।
এর সাথে তুলনা করা যায় বৈশ্বিক পুঁজিবাদী সিস্টেম ও তার অবভিয়াস চেহারাকে। এর সমাধান কী? বন্দীদের মধ্যে কেউ কি পারবে সিস্টেমটা বদলাতে? সবাই কি সমান খেতে পারে না? সরকার নাগরিকদের নিয়ে কতটা ভাবে? সরকার কি সত্য কথা বলে? জগতে মানুষ আসলে কী?

অদ্ভুত দার্শনিক একটি ফিল্ম।

আমাদের ট্রেইলার রিভিউ দেখুন 🔽🔽🔽🔽
https://youtu.be/_zE77mNx0FA

আমাদের পাশেই থাকুন ✅

ডাউনলোড লিঙ্ক এর জন্য জয়েন করুন অথবা মেসেজ করুন মুভি কথাকে ধন্যবাদ ⏬⏬⏬

⏩Telegram link……… : https://t.me/Moviekotha

⏩YouTube link…….. :
📌 https://www.youtube.com/c/moviekotha

📌https://www.youtube.com/c/moviekothadetails

⏩Instagram……………: instagram.com/moviekotha/

📌মুভি লাভারদের মত কেউ মোবাইল লাভার হন এখনি ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল Mobile kotha account থেকে 🔜👇👇👇 ⏩mobile Kotha……… : https://bit.ly/36PVcFt

Categories
Invention

কম্পাস আবিষ্কারের কথা।

কম্পাস অর্থাৎ দিক নির্দেশক যন্ত্র সম্পর্কে সবারই কম বেশি জানা আছে। সূচালো শলার উপর সরু চুম্বকের পাত বসিয়ে কম্পাস তৈরি করা হয় যেখানে চুম্বক পাতের প্রান্ত দুটি সর্বদা উত্তর-দক্ষিণ দিক নির্দেশ করে থাকে। বর্তমানে কম্পাস আর একটি প্রকারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, তৈরি হচ্ছে নানা রকম কম্পাস। যেমন: সাধারণ ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয় পকেট কম্পাস, আকাশপথে ব্যবহৃত হয় জাইরো কম্পাস আবার নৌপথে ব্যবহৃত হয় নৌকম্পাস। আর এই কম্পাস আবিষ্কারের পেছনেও রয়েছে বিশাল ইতিহাস।

ইউরোপিয়ানরা যখন প্রথম আমেরিকায় যাবার পরিকল্পনা শুরু করে তখনই তারা একটা দিক নির্দেশক যন্ত্রের অভাব অনুভব করে। তারা পরিস্কার দিনের আকাশের সূর্য কিংবা রাতের আকাশের নক্ষত্র বিশেষ করে নর্থ স্টার বা উত্তর নক্ষত্রের অবস্থান দেখে দিক নির্ণয় করতেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে আকাশ পরিস্কার না থাকলে কিংবা ঝড় বা কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দিক নির্ণয় করা শুধু কষ্টসাধ্যই নয়, অনেকটা অসম্ভব ছিল যা তাদেরকে কম্পাস আবিষ্কারে আরও উদ্বুদ্ধ করে। তার আগেই প্রাচীনকালের মানুষেরা ম্যাগনেট বা চুম্বকের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছিল যে ম্যাগনেট কে ঝুলিয়ে রাখলে এর এক প্রান্ত সর্বদা নর্থ স্টারের দিকে মুখ করে থাকে অর্থাৎ নর্থ স্টারকে নির্দেশ করে।

খ্রিষ্ট-পূর্ব ২০৬ সালের হ্যান রাজত্বকালে প্রাচীন চীনারা ভবিষ্যৎবাণী করার জন্যে প্রথম কম্পাস আবিষ্কার করেছিল বলে ধারনা করা হয়। বড় ধরনের চামচের ন্যায় চুম্বকজাতীয় পদার্থের সাহায্যে বর্গাকৃতি ব্রোঞ্জ প্লেটে এটিকে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১০৪০-১০৪৪ সাল পর্যন্ত সং রাজত্বকালে সামরিকবাহিনীর মাধ্যমে নৌপথ পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহার করতো। এছাড়াও, ১১১১-১১১৭ সাল পর্যন্ত নৌপথ নজরদারীতে এর প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। কিন্তু পশ্চিম ইউরোপে সর্বপ্রথম কম্পাসের ব্যবহারের প্রামাণ্য দলিল চিত্রিত রয়েছে ১১৮৭ থেকে ১২০২ সালের মধ্যে। পারস্যে ১২৩২ সালে কম্পাস ব্যবহার করা হয়েছিল। ইউরোপে ১৩০০ সালে শুষ্ক কম্পাস আবিষ্কৃত হয়। বিংশ শতকের প্রথমার্থে এর পরিবর্তে তরল পদার্থে পরিপূর্ণ চৌম্বকীয় কম্পাসের প্রচলন ঘটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধেও কম্পাস ব্যবহৃত হয়েছিল।

বর্তমান বিজ্ঞান দিক নির্দেশনার জন্য হাজারো প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে, জিপিএস এর কথায় হয়তো আপনাদের অনেকেরই জানা। তারহীন প্রযুক্তি দিক নির্দেশনাকে একটা ছেলেখেলাই বানিয়ে ফেলেছে কিন্তু এসবকিছুর শুরুটা কিন্তু হয়েছিল এই সাধারণ একটা কম্পাসের মাধ্যমেই। এই কম্পাস ব্যবহার করেই ইউরোপিয়ানরা প্রথম আমেরিকা সফর করতে সক্ষম হন।