Categories
History

চৈনিক সভ্যতার পটভূমি ;

● প্রাচীন সভ্যতা || পর্ব – ৭ ; আপনি চাইলে আগের ৬টি পর্ব এই ভেরিফাইড একাউন্ট টি থেকে পড়ে আসতে পারেন।

চীনা সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও নদীকেন্দ্রিক সমৃদ্ধ সভ্যতা। অনেকের মতে, এর উদ্ভব চীনের উত্তর

Get the kotha app

● প্রাচীন সভ্যতা || পর্ব – ৭ ; আপনি চাইলে আগের ৬টি পর্ব এই ভেরিফাইড একাউন্ট টি থেকে পড়ে আসতে পারেন।

চীনা সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও নদীকেন্দ্রিক সমৃদ্ধ সভ্যতা। অনেকের মতে, এর উদ্ভব চীনের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের তারিম উপত্যকায়। কুয়েন্ডলুং পর্বত অতিক্রম করে হোয়াংহো নদীর তীর বরাবর গড়ে উঠেছিল এই সভ্যতা। উত্তর চীনে বর্তমানে যে জাতীয় মানুষের বসবাস, প্রস্তর যুগেও তাদের আকার আকৃতিবিশিষ্ট জনগোষ্ঠীর বসতি ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা ব্যবহার করত পাথরের তৈরী ছুরি, তীরের ফলা, কুঠার ও হাড়ের তৈরি নানাধরণের অস্ত্রশস্ত্র। কাপড় বোনা ও মাটির পাত্র নির্মাণ পদ্ধতিও তাদের আয়ত্তে ছিল।

চীনা সভ্যতা মূলত কৃষিভিত্তিক। এখানকার প্রাচীন জনগোষ্ঠী হোয়াংহো নদীর দু’পাশের উর্বর এলাকাজুড়ে চাষ করতো জব, গম, ধান ও নানা ধরনের শাকসবজি। পালন করতো বিভিন্ন জাতের পশু, তারা রেশমকীটের চাষাবাদ পদ্ধতিও জানত। এর সুতো দিয়ে তারা মজবুত ও সুন্দর বস্ত্রাদি বানাতো।

খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দ পর্যন্ত চীনে বহু খণ্ড-বিখণ্ড রাষ্ট্রের অস্তিত্ব বিদ্যমান ছিল। এরা বিভিন্ন রাজবংশ ও তাদের শাসনামল দ্বারা বিভক্ত। খ্রিস্টপূর্ব ২২১ অব্দে যুদ্ধমান রাজ্যসমূহের বিভক্তি ও বিচ্ছিন্ন অবস্থার অবসান ঘটে। যুদ্ধোদ্যমের সর্বাত্মক সাফল্যের জন্য দিগ্বিজয়ী বীর শিহুয়াংতিকে চীনের নেপোলিয়ন বলা হয়ে থাকে। তিনি দেশকে মঙ্গোলীয়দের পৌণঃপুনিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য গড়ে তোলেন চার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ প্রাচীর, যা চীনের মহাপ্রাচীর নামে খ্যাত এ প্রাচীর বিশ্বের প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম।

■চীনারা খ্রিষ্টীয় প্রথম শতকে আবিষ্কার করে কাগজ ও কম্পোজার।
■খ্রিষ্টের জন্মের আগেই চীনের মাটিতে বারুদ ও খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতকে মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার মানব সংস্কৃতি ও সভ্যতার বিকাশে প্রভূত অবদান রেখেছে।
■চীনে বহু বিশ্ব-বিশ্রুত মনীষী, ধর্মগুরু ও দার্শনিকের আবির্ভাব ঘটেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন -কনফুসিয়াস, লাও-তসু ও সিনাৎসিয়ান।
■চীনা লোক কাহিনী, লোকগীতি ও পুরানকথার অনেক কিছুই কালজয়ী সাহিত্য কর্মের মর্যাদা অর্জন করেছে। ■প্রাচীন চীনা চিকিৎসকগণ বিভিন্ন ব্যাধি ও ক্ষত নিরাময়ের ভেষজ ও শল্য চিকিৎসা জানতেন। চীনা আকুপাংচার পদ্ধতি এখনো প্রচলিত।

প্রাচীন চীনের ধর্ম ছিল অনেকটা অবিন্যস্ত ও অস্পষ্ট। নির্দিষ্ট ধর্মবিশ্বাস তাদের মধ্যে লক্ষ করা যায়নি। তাদের ধর্মীয় জগত স্বর্গীয়, প্রাকৃতিক ও আধ্যাত্মিক প্রভাবে প্রভাবিত ছিল।

কেমন লাগলো চৈনিক সভ্যতা সম্পর্কে জানতে পেরে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অন্যকে জানার সুযোগ কর দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : Collected from Google.

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যুক্ত হতে পারেন। আমরা সর্বদা থাকবো আপনার পাশে।

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha
Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

My Personal Accounts ;

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim

Instagram :
instagram.com/_______badboy__/

Twitter :
https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

My Personal Kotha Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Related Facebook page :
https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Related YT Channel : To know in a new way.

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Get the kotha app

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *