Categories
History

সংস্কৃতির উদার চর্চা ; গণসংস্কৃতির প্রচেষ্টা :

১৯৪৮-৫২ এই সময়ের মধ্যে সংস্কৃতি অঙ্গনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ৩টি সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্মেলন অনুষ্ঠান।

■১ম টি অনুষ্ঠিত হয় সরকারি উদ্যেগে ঢাকায়, ১৯৪৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর থেকে পহেলা জানুয়ারী ১৯৪৯। না

১৯৪৮-৫২ এই সময়ের মধ্যে সংস্কৃতি অঙ্গনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ৩টি সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্মেলন অনুষ্ঠান।

■১ম টি অনুষ্ঠিত হয় সরকারি উদ্যেগে ঢাকায়, ১৯৪৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর থেকে পহেলা জানুয়ারী ১৯৪৯। নাম পূর্বপাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন। অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন সাস্থ্যমন্ত্রী হাবিবুল্লাহ বাহার। কিন্তু মূল বক্তা-সভাপতি ছিলেন ড. শহীদুল্লাহ, যিনি শুধু বাংলাভাষার পক্ষেই বক্তব্য রাখেননি, সেই সঙ্গে বক্তব্য রাখেন বাঙালি সংস্কৃতির নৃতাত্ত্বিক ও ঐতিহ্যিক বাস্তবতার পক্ষে, যা তিক্ত বিতর্কের সৃষ্টি করে। এ প্রসঙ্গে দৈনিক আজাদ পত্রিকার শহীদুল্লাহ-বিরোধী ভূমিকা ভুলে যাবার নয়।

■ দ্বিতীয় সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে, ১৯৫১ সালের ষোলো থেকে ঊনিশে মার্চ পর্যন্ত। অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবুল ফজল। সম্মেলনের মূল সভাপতি আব্দুল করিম। তিনি তার ভাষণে সমাজ সংস্কৃতি ঐতিহ্য সম্পর্কে এক আবেগময় মানবিক অসাম্প্রদায়িক চেতনার উদ্ভাস ঘটান। সবশেষে প্রস্তাব নেয়া হয় রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে।

■ তৃতীয় সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লায়, ১৯৫২ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারী। উদ্বোধন করেন ড. শহীদুল্লাহ। এই সম্মেলনেও বাঙালি সংস্কৃতি, ভাষা সাহিত্য ইত্যাদির পাশাপাশি প্রগতি সংস্কৃতির একটি বলিষ্ঠ প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে বলিষ্ঠ অভিমত তুলে ধরা হয়।

গণসঙ্গীত ও গণসংস্কৃতির গুরুত্ব বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয় পরিবেশিত সঙ্গীতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বন্ধুদেরসহ চেনা-অচেনা অসংখ্য ডেলিগেটদের দেখেছি তন্ময় হয়ে প্রতিটি অনুষ্ঠান উপভোগ করতে, আবেগে উদ্বেল হয়ে উঠতে, ঈশ্বর পাঠশালার প্রাঙ্গনে কিংবা টাউনহলের বিরাট হলঘরে ও ময়দানে।

রিভিউতে : মাহিম।
তথ্যসূত্র : একুশের ইতিহাস, আমাদের ইতিহাস।
লেখক : আহমদ রফিক।

পার্সোনাল কথা :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *