Categories
Life Hacks

পড়া ও মনোযোগ বৃদ্ধির ৫টি জরুরি টিপস

◽পড়া ও মনোযোগ বৃদ্ধি :

১. রুটিন কেবল দিনের মধ্যে সীমিত না রেখে একে সাপ্তাহিক এমনকি মাসিক কর্মসূচিতে পরিণত করুন। অর্থাৎ কাজের পরিধি বড় হলে যেমন (৩৫০ শব্দের রিপোর্ট) একে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে ফেলুন। শন

◽পড়া ও মনোযোগ বৃদ্ধি :

১. রুটিন কেবল দিনের মধ্যে সীমিত না রেখে একে সাপ্তাহিক এমনকি মাসিক কর্মসূচিতে পরিণত করুন। অর্থাৎ কাজের পরিধি বড় হলে যেমন (৩৫০ শব্দের রিপোর্ট) একে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে ফেলুন। শনিবার রিপোর্টের ভূমিকা, রবিবার ১ম অংশ .. এভাবে এক সপ্তাহে কাজটি শেষ করুন।

২. সময়কে ভাগ না করে কাজকে ভাগ করুন। ধরুন দুপুর ১১.০০টায় স্কুলের জন্যে রওনা হওয়ার আগে আপনাকে বেশ কয়েকটি কাজ করতে হবে। গোসল-নাস্তা-খাওয়া-পেপার পড়া এবং স্কুলের পড়া তৈরি করা। প্রত্যেকটির জন্য সময় ভাগ না করে রুটিনকে এভাবে সাজান। ৮.০০-৯.৩০ : মেডিটেশন-গোসল-খাওয়া-পেপার পড়া; ৯.৩০-১১.০০ : স্কুলের পড়া তৈরি ও স্কুলের জন্য তৈরি হওয়া।

৩. দিন শেষে অবশ্য রুটিনটি নিয়ে একবার বসুন। যেগুলো করতে পারলেন না সেগুলোর পাশে লাল ক্রসচিহ্ন দিন। সেইসাথে পরদিন ঐ না হওয়া কাজগুলো করার চেষ্টা করুন।

৪. নিজের প্রতি সদয় হোন। অনেকগুলো কাজ একদিনে করার মোট কতক্ষণ ব্যয় করছেন প্রতিদিন? খেয়াল রাখুন, আপনার পড়াশোনার সময় যেন এর চাইতে বেশি অন্তত কম না হয়।

৫. দিনে যদি দুটো মহা মহা গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকে, যা করতেই হবে, তবে এর একটি যেন হয় মেডিটেশন। দেখবেন বাকি দিন ঠিকমতো কাটবে।

▫কোয়ান্টা রিডিং- অল্প সময়ে বেশি পড়া

ভালো রেজাল্টের জন্যে একদিকে আপনাকে পড়তে হবে প্রচুর। আবার সময়ও আপনার কম। এজন্যে কোয়ান্টা রিডিং। এ পদ্ধতিতে পাঠ্যবইয়ের অপ্রয়োজনীয় শব্দগুলো বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় শব্দগুলোই আপনি পড়বেন এবং মনে রাখবেন। যেমন, নিচের প্যারাগ্রাফটি পড়ুন।

বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলের জনগণ নিজ নিজ অঞ্চলের ভাষায় কথা বলে। এগুলো আঞ্চলিক কথ্য ভাষা বা উপভাষা। পৃথিবীর সব ভাষায়ই উপভাষা আছে। এক অঞ্চলের জনগণের মুখের ভাষার সঙ্গে অপর অঞ্চলের জনগণের মুখের ভাষার যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। ফলে এমন হয় যে, এক অঞ্চলের ভাষা অন্য অঞ্চলের লোকের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাধারণের কথ্য ভাষা দিনাজপুর বা রংপুরের লোকদের কাছে খুব সহজবোধ্য নয়। এ ধরনের আঞ্চলিক ভাষাকে বলার ও লেখার ভাষা হিসেবে সার্বজনীন স্বীকৃতি দেয়া সুবিধাজনক নয়। কারণ তাতে বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষাভাষীদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদানে অন্তরায় দেখা দিতে পারে। সে কারণে দেশের শিক্ষিত ও পণ্ডিতসমাজ একটি আদর্শ ভাষা ব্যবহার করেন। বাংলা ভাষাভাষী শিক্ষিত জনগণ এ আদর্শ ভাষাতেই পারস্পরিক আলাপ আলোচনা ও ভাবের আদান-প্রদান করে থাকেন। বিভিন্ন অঞ্চলের কথ্যভাষার সমন্বয়ে শিষ্টজনের ব্যবহৃত এ ভাষাই আদর্শ চলিত ভাষা।

এবার পড়ুন নিচের প্যারাগ্রাফটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলের জনগণ নিজ অঞ্চলের ভাষায় কথা বলে। এগুলো আঞ্চলিক কথ্য ভাষা বা উপভাষা। পৃথিবীর সব ভাষায়ই উপভাষা আছে। বিভিন্ন অঞ্চলের মুখের ভাষার যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। অন্য অঞ্চলের লোকের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের কথ্য ভাষা দিনাজপুর বা রংপুরে সহজবোধ্য নয়। সার্বজনীন স্বাকৃতি দেয়া সুবিধাজনক নয়। ভাবের আদান-প্রদানে অন্তরায় দেখা দিতে পারে। দেশের শিক্ষিত ও পণ্ডিতসমাজ একটি আদর্শ ভাষা ব্যবহার করেন। এ ভাষাই আদর্শ চলিত ভাষা। প্রথম প্যারাগ্রাফের অপ্রয়োজনীয় শব্দগুলো যা প্রথমবার পড়ার পর আর আপনার পড়ার দরকার নেই সেগুলো বাদ দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে পরের প্যারাগ্রাফটি। খেয়াল করে দেখুন, প্রথম প্যারাগ্রাফ থেকে মনে রাখা দরকার এমন সব কথাগুলোই আছে পরের প্যারাগ্রাফে। কোয়ান্টা রিডিং-এ আপনার পড়ার গতি শুধু বাড়বে তাই নয়, বাড়বে মনোযোগ ও বোঝার ক্ষমতা।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *