Categories
History

নেতৃত্বহীন লড়াই, লড়াইয়ের স্বতস্ফূর্ত চেহারা।

একুশে ফেব্রুয়ারী || পর্ব ৬ ; আপনি চাইলে পূর্বের পোস্টটি এই লিংকে ক্লিক করে পরে আসতে পারেন।

লিংক : https://link.kotha.app/app/feed/preview/5f3e337d41da570013fbd2d2

দুপুর গড়িয়ে চলেছে তবু লড়াই শেষ হ

Get the kotha app

একুশে ফেব্রুয়ারী || পর্ব ৬ ; আপনি চাইলে পূর্বের পোস্টটি এই লিংকে ক্লিক করে পরে আসতে পারেন।

লিংক : https://link.kotha.app/app/feed/preview/5f3e337d41da570013fbd2d2

দুপুর গড়িয়ে চলেছে তবু লড়াই শেষ হবার কোনই লক্ষণ নেই। টিয়ার গ্যাসের মাত্রা বোরন বেড়েই চলেছে। আর ছাত্রদের দিক থেকেও পাল্টা জবাব। বেলা গড়ানোর সাথে সাথে রাস্তায় জনসংখ্যাও বেড়ে উঠছিলো। আর পুলিশের দিক থেকে ধৈর্যচ্যুতি ঘটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছিলো তাদের পক্ষ থেকে অবিরাম কাঁদানে গ্যাস বর্ষণের এবং ব্যারাকের মধ্যে ঢুকে লাঠিচার্জ করার প্রবণতা বেড়ে উঠার মধ্যে।

তা সত্ত্বেও ব্যারাকের বাইরে ও ভেতরে ছাত্রদের প্রতিবাদ প্রতিরোধ ক্রমেই জোরালো হতে থাকে। অনমনীয় ছাত্রদের প্রাণপণ চেষ্টা, যেভাবেই হোক পরিষদ ভবনে পৌঁছানো। আর পুলিশের চেষ্টা, লাঠি-টিয়ার গ্যাস ইত্যাদির সাহায্যে সেই চেষ্টায় বাধা দেয়া।

সেদিনকার এ লড়াই-প্রচেষ্টার যে একটি সুস্পষ্ট বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয় হওয়া সত্ত্বেও এ পর্যন্ত কারো লেখায় পরিস্ফুটন হয়ে উঠেনি তা হলো সংগ্রামী ছাত্র-জনতা তথা ভাষা সৈনিকের সামনে দলপতির বা নেতৃত্বের অনুপস্থিতি। ঘন্টা বেজে চলেছে, তবু সেই বিস্ফোরক সময় কাজে লাগানোর মতো নায়ক, ছাত্র-জনতাকে সুসংবদ্ধ করে এগিয়ে নিয়ে যাবার মতো কোনো নেতাই সেখানে উপস্থিত ছিল না। ছিল না তোহায়া, মতিন, অলি, আহাদ, ইমাদুল্লাহ, সোলতান বা অন্য কেউ। ছিল না গোলাম মাহবুব বা জাহেদী। সংগঠকদের প্রধান অংশের এ ভুল অস্বীকারের উপায় নেই কোনো।

তাদের অনুপস্থিতিতে সংঘবদ্ধ মিছিল নিয়ে পরিষদ ভবন ঘেরাও এর চেষ্টা এভাবে গোড়াতেই নষ্ট হয়ে গেলো। একুশে ফেব্রুয়ারির ঐ সময়ে আমাদের চলমানতা যেমন স্বতঃস্ফূর্ত, তেমনি শৃঙ্খলার অভাবে দুর্বল। লড়াইয়ের এই বৈশিষ্ট্য জয় এর বৈশিষ্ট্য নয়। গড়ানো দুপুরে সক্রিয় ছাত্ররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজের মতো করেই লক্ষে পৌঁছাবার চেষ্টা করেছে। সে সময় তাদের পাশে ও পেছনে ছিল কিছু সংখ্যক অছাত্রজনতা। ওরা কখন এলো, কিভাবে এলো আমরা জানি না। ফুলার রোডের গুটিকয় দোকান ও হোটেল-রেস্তোরার কর্মচারী ও বয় বাবুর্চি নিয়ে এতটা জনসংখ্যা বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়।

কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। “একুশে ফেব্রুয়ারী” এর ৭ পর্বের আলোচনা জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

রিভিউয়ার : মাহিম।
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে নেয়া।

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো কিছু জানতে বা জানাতে চাইলে নিম্নোক্ত লিংকে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সর্বদা আপনাদের পাশেই থাকবো।

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha
Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup
Gmail : [email protected]
Instagram : www.instagram.com/_______badboy__
Facebook : https://www.facebook.com/nit.mahim
Twitter : https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_
Facebook Page : https://www.facebook.com/kothon.official.24/
Pinterest Account : https://www.pinterest.com/its_me_nitmahim/
Pinterest’s Pin : https://pin.it/2oUfs93
Personal Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Get the kotha app

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *