Categories
Career

সেলসের দক্ষতা বাড়াবেন যেভাবে

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে প্রতিযোগিতাপূর্ণ চাকরিগুলোর একটি হলো সেলসের কাজ। প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রির দায়িত্বে থাকলে আপনি প্রতিনিয়ত নতুন চ্যালেঞ্জ পাবেন। তাই আপনার সেলসের দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। এর জন্য দরকার নিয়মিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

সেলসে নতুন বা পুরানো হোন, কয়েকটি উপায় অবলম্বন করে নিজেকে দক্ষ করতে পারবেন এ কাজে।

১. প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে ভালোমতো জানুন।

আপনি যে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি করছেন, তার খুঁটিনাটি জেনে নিন। এর মাধ্যমে আপনি কাস্টমারের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হবেন।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের একই প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে খোঁজ রাখুন। সেগুলোর ভালো-মন্দ জানা থাকলে কাস্টমারের সাথে কথা বলতে সুবিধা হবে।

২. কাস্টমারের প্রয়োজন ঠিকভাবে বুঝুন।

একজন কাস্টমার যখন কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কিনতে চান, তার উদ্দেশ্য হলো কোন একটি সমস্যার সমাধান পাওয়া। তাই আপনার কাস্টমারের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিন। তার প্রয়োজন ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারলে নিজের প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের উপকারিতা তুলে ধরা সহজ হবে।

কোন কিছু কেনার ক্ষেত্রে কাস্টমারের বিবেচনায় কিছু ব্যাপার থাকে। যেমন:

সমস্যা (উদাহরণ: “ইদানিং অসহ্য গরম পড়েছে।”)

সম্ভাব্য সমাধান (উদাহরণ: “একটা ফ্যান/এসি কেনা দরকার।”)

সমাধানের মূল্য (উদাহরণ: “কত টাকায় একটা ভালো ফ্যান/এসি কেনা যাবে?”)

সমাধানের জায়গা (উদাহরণ: “কোন জায়গা থেকে ফ্যান/এসি কিনলে ভালো হয়?”)

শর্ত (উদাহরণ: “ফ্যান/এসিটাকে কমপক্ষে ১ – ২ বছর টিকতে হবে।”)

এসব প্রশ্নের মাধ্যমে আপনি একজন কাস্টমারের প্রয়োজনকে বিশ্লেষণ করতে পারেন।

৩. যোগাযোগের দক্ষতা বাড়ান।

যোগাযোগের মাধ্যমেই আপনাকে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি করতে হবে। সেটা সরাসরি কথাবার্তা দিয়ে হতে পারে। ফোন কলের মাধ্যমে হতে পারে। হতে পারে ইমেইল দিয়েও। যেভাবেই কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ হোক না কেন, আকর্ষণীয়ভাবে আপনার বক্তব্য উপস্থাপন করা জরুরি। তাই যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন করুন।

৪. কাস্টমারের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তুলুন।

একজন কাস্টমার যদি আপনাকে বিশ্বাসযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য মনে করেন, তাহলে আপনার জন্য সেলস অনেকাংশে সহজ হয়ে আসবে। তাই –

কাস্টমারের সাথে ভালো ব্যবহার করুন।

কাস্টমারের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন।

কোন ধরনের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস পেলে কাস্টমার সবচেয়ে খুশি হবেন, সে সম্পর্কে প্রশ্ন করুন।

ধৈর্য সহকারে কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তর দিন।

পুরানো কাস্টমার হয়ে থাকলে আগের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে তার মতামত জেনে নিন।

কোন ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা করতে পারলে কাস্টমারকে জানান।

মনে রাখবেন, সেলসের কেন্দ্রবিন্দু হলেন আপনার কাস্টমার। তিনি যে আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তা মার্জিত আচরণ দিয়ে প্রকাশ করুন।

৫. নতুন পদ্ধতি চেষ্টা করুন।

একেক কাস্টমারের সমস্যা একেক রকম। এর সাথে প্রোডাক্ট বা সার্ভিসেও প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসে। তাই বিক্রির ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি সবসময় কাজ করে না। চ্যালেঞ্জিং এ পেশায় সাফল্য পেতে মাথা খাটিয়ে নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করুন। এগুলো কতটুকু কাজ করছে, সে ব্যাপারে নজর দিন। তাহলে পরিস্থিতি অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন।

সেলসের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ – আত্মবিশ্বাস। হুট করে এটি অর্জন করা যায় না। বরং নিয়মিত নিজের স্কিল বাড়ানোর মাধ্যমে আপনি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারবেন। তাই চেষ্টা চালিয়ে যান!

Categories
Career

নার্স এর ক্যারিয়ার কেমন হয়?

চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে একজন নার্স রোগীর চিকিৎসা সেবা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরিচর্যার কাজ করে থাকেন। যারা সেবামূলক পেশায় যেতে চান, তাদের জন্য নার্সিং একটি আকর্ষণীয় পেশা হতে পারে। দেশের প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি ক্লিনিকে নার্সদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সরকারের সেবা পরিদপ্তর প্রতি বছর প্রচুর নার্স নিয়োগ দিয়ে থাকে। সম্মানের পাশাপাশি এ পেশায় রয়েছে আকর্ষণীয় উপার্জনের সুযোগ।

এক নজরে একজন নার্স

সাধারণ পদবী: নার্স
বিভাগ: স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
প্রতিষ্ঠানের ধরন: সরকারি, বেসরকারি, প্রাইভেট ফার্ম
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম, পার্ট-টাইম
লেভেল: এন্ট্রি, মিড
এন্ট্রি লেভেলে অভিজ্ঞতা সীমা: ০ – ২ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য গড় বেতন:৳৮,০০০ – ৳১৪,০০০
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স সীমা: ২০ – ২৫ বছর
মূল স্কিল: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেয়া, চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্রাথমিক ব্যবহার জানা
বিশেষ স্কিল: সেবার মানসিকতা থাকা, ধৈর্য, গভীর মনোযোগ, যোগাযোগের দক্ষতা

একজন নার্স কোথায় কাজ করেন?

সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে;

বেসরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে;

আইনশৃঙ্খলা ও সামরিক বাহিনীর চিকিৎসা বিভাগে;

ব্যক্তিগত ক্লিনিকে।

কাজের ক্ষেত্র ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আপনি অ্যাসিস্ট্যান্ট নার্স, স্টাফ নার্স, ওটি সিস্টার বা নার্সিং সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি নার্সিং কলেজে ইন্সট্রাক্টর বা ডেমোনস্ট্রেটর ইনচার্জ হিসেবেও অনেকে নিয়োগ পান। এছাড়া, নার্সিং অধিদপ্তরে প্রজেক্ট অফিসার, সহকারী পরিচালক পদেও কাজ করতে পারেন।

একজন নার্স কী ধরনের কাজ করেন?

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা (যেমনঃ রক্তচাপ মাপা) করা;

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীকে সঠিকভাবে ঔষধ খাওয়ানো;

রোগীর স্বাস্থ্যের অগ্রগতি বা অবনতি সম্পর্কে ডাক্তারকে নিয়মিত জানানো;

অপারেশনের আগে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ ওটি (Operation Theater) প্রস্তুত করা;

রোগীকে অপারেশন টেবিলে নিয়ে যাওয়া;

অপারেশনের সময় চিকিৎসকে সহায়তা করা;

রোগীর সার্বিক পরিচর্যার দায়িত্ব নেয়া।

একজন নার্সের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল অনুমোদিত যেকোন সরকারি বা বেসরকারি নার্সিং কলেজ বা নার্সিং ইন্সটিটিউট থেকে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং বা বিএসসি ইন নার্সিং কোর্স সম্পন্ন করে যে কেউ নার্সিং পদের জন্য আবেদন করতে পারেন। প্রতিষ্ঠানভেদে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পরে নার্সদের আরো দক্ষ করে তোলা হয়।

একজন নার্সের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার খুঁটিনাটি জানা;

স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ব্যবহৃত সাধারণ যন্ত্রপাতি (যেমনঃ রক্তচাপ মাপার যন্ত্র বা স্ফিগমোম্যানোমিটার) ব্যবহার করতে পারা;

ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ও পরামর্শ সঠিকভাবে বোঝা ও সে অনুযায়ী রোগীর পরিচর্যা করা;

রোগীর সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা ও ডাক্তারকে জানানো;

রোগীর স্বাস্থ্যের অগ্রগতি ও অবনতি সম্পর্কে নিয়মিত প্রতিবেদন তৈরি করতে পারা;

অপারেশন থিয়েটারের যন্ত্রপাতি সম্পর্কে জ্ঞান রাখা ও প্রয়োজনে ডাক্তারকে সহায়তা করা।

কোথায় পড়বেন নার্সিং?

সেবা পরিদপ্তরের অধীনে নার্সিং কলেজ ও ইনিস্টিটিউটে নার্সিং পড়তে পারেন। সারা দেশের সরকারি ৭টি ও বেসরকারি ২১টি নাসিং কলেজ ও সরকারি ৪৩টি নার্সিং ও বেসরকারি ৭০টি ইনিস্টিটিউটে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এবং চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন নার্সিং কোর্সে পড়ানো হয়।

কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নার্সিং বিষয়ক ডিপ্লোমা পড়ানো হয়। এছাড়া অর্থোপেডিকস, সাইকিয়াট্রিক, পেডিয়াট্রিক, সিসিইউ, আইসিইউ ও কার্ডিয়াক নার্সিংসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর এক বছর মেয়াদী কোর্স চালু আছে।

নার্সিংয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কোর্সের শেষে ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল আয়োজিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এতে উত্তীর্ণ হবার মাধ্যমে নিবন্ধিত হলেই পেশা হিসাবে নার্সিং নিতে পারবেন।

একজন নার্সের মাসিক আয় কেমন?

ক্যারিয়ারের শুরুতে অ্যাসিস্ট্যান্ট নার্স বা ওটি সিস্টার হিসেবে সরকারি হাসপাতালে যোগ দিলে একজন নার্স সরকারি বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৳৮,০০০ – ৳১৬,৫৪০ মাসিক বেতন পেয়ে থাকেন।

বেসরকারি ক্লিনিকে সাধারণত মাসিক ৳১৪,০০০ থেকে বেতন শুরু হয়। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে কমবেশি হতে পারে আয়।

একজন নার্সের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

আমাদের দেশে প্রয়োজনের তুলনায় নার্সের সংখ্যা এখনো কম। তাই নার্স হিসাবে নিবন্ধন পাবার পর তুলনামূলকভাবে কম সময়ে চাকরি পাওয়া সম্ভব।

বিদেশেও দক্ষ ও অভিজ্ঞ নার্সের চাহিদা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। মধ্যপ্রাচ্য, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাতেও বাংলাদেশের নার্সরা কাজ করছেন বেশ সুনামের সাথে। সম্ভাবনাময় এ পেশায় রয়েছে আর্থিক স্বচ্ছলতা ও মর্যাদার জীবন।

নার্স থেকে পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়ার স্টাফ নার্স ও সুপারিন্টেনডেন্ট বা নার্সিং ট্রেনিং কলেজের প্রশিক্ষক হওয়ার জন্য প্রয়োজন অভিজ্ঞতা ও বিশেষায়িত কারিগরি দক্ষতা। এছাড়াও সরকারের সেবা পরিদপ্তরের উচ্চ পদে যেতে পারেন নার্সরা। সেবাধর্মী এ পেশায় আপনিও অর্জন করতে পারেন সামাজিক মর্যাদা ও ভালো আয়ের সুযোগ।

Categories
Career

ট্যুর গাইড এর ক্যারিয়ার কেমন হয়?

একজন ট্যুর গাইড অচেনা কোন জায়গা ভ্রমণ বা ঘোরার ক্ষেত্রে পর্যটকদের সাহায্য করে থাকেন। এজন্য তাকে সে জায়গা সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য তথ্য খুব ভালোভাবে জানতে হয়। এ পেশায় দক্ষ হলে দেশ-বিদেশে কাজের যথেষ্ট সুযোগ পাওয়া সম্ভব।

এক নজরে একজন ট্যুর গাইড

সাধারণ পদবী: ট্যুর গাইড
বিভাগ: ট্যুরিজম
প্রতিষ্ঠানের ধরন: প্রাইভেট ফার্ম/কোম্পানি
ক্যারিয়ারের ধরন: পার্ট-টাইম, ফুল টাইম
লেভেল: প্রযোজ্য নয়
এন্ট্রি লেভেলে অভিজ্ঞতা সীমা: ০ – ২ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য গড় বেতন:৳১৫,০০০ – ৳২০,০০০
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স সীমা: ১৯ – ৩৫ বছর
মূল স্কিল: ভ্রমণের আগ্রহ, ম্যাপ ব্যবহারে দক্ষতা, কম্পাসের ব্যবহার জানা
বিশেষ স্কিল: যোগাযোগের দক্ষতা, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ

একজন ট্যুর গাইড কোথায় কাজ করেন?

হোটেল

পার্ক

মিউজিয়াম

দর্শনীয় স্থান

একজন ট্যুর গাইড কী ধরনের কাজ করেন?

পর্যটকদের জায়গা ঘুরানো;

কোন জায়গা সম্পর্কে পর্যটকদের প্রশ্নের উত্তর দেয়া;

পর্যটকদের সুবিধা-অসুবিধার দিকে খেয়াল রাখা।

একজন ট্যুর গাইডের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতা: হাই স্কুল/কলেজ পাশ।

বয়স: সাধারণত ১৯ – ৩৫ বছর হতে হবে আপনাকে।

অভিজ্ঞতা: সাধারণত ১ – ২ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে আসে। তবে বিশেষ কোন বাধ্যবাধকতা থাকে না।

একজন ট্যুর গাইডের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

কোন জায়গা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য জানা ও মনে রাখতে পারা;

যোগাযোগের দক্ষতা;

ধৈর্য;

মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা;

যেকোন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারা।

উল্লেখ্য যে, ইংরেজি ভাষায় পারদর্শিতা থাকলে আপনি ভালো জায়গায় কাজ করার সুযোগ পাবেন, বিশেষ করে যেসব জায়গায় বিদেশী পর্যটকদের আনাগোনা রয়েছে।

যে জায়গায় কাজ করবেন সেখানকার আঞ্চলিক ভাষা জানা থাকলে কাজ করতে সুবিধা হবে আপনার।

ট্যুর গাইডের কাজ শিখবেন কোথায়?

ট্যুর গাইড হতে হলে সার্টিফিকেট কোর্সে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক নয়। তবে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট কোর্সগুলো আপনাকে কাজ পেতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি আপনার জানার পরিধিও বাড়াতে পারবেন এগুলোর মাধ্যমে।

একজন ট্যুর গাইডের মাসিক আয় কেমন?

সাধারণত কোন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করলে মাসে গড়ে ৳১৫,০০০ – ৳২০,০০০ আয় করা সম্ভব। অনেকে স্বাধীনভাবে ট্যুর গাইডের কাজ করেন। এক্ষেত্রে আপনি যত বেশি পর্যটকের সাথে কাজ করতে পারবেন, আয় তত বেশি হবে।

একজন ট্যুর গাইডের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

ট্যুর গাইডের পেশায় নির্দিষ্ট কোন পদোন্নতি নেই। হোটেল আর ট্রাভেল এজেন্সিগুলোতে কাজ করলে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে অন্য কোন পদে নিয়োগ পেতে পারেন। তবে এর কোন নিশ্চয়তা নেই।

Categories
Career

কাস্টমার কেয়ার অফিসার এর ক্যারিয়ার কেমন হয়?

প্রতিযোগিতামূলক বাজারে যেকোন ব্যবসার প্রসার ও সুনামের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো গ্রাহকদের সন্তুষ্টি। গ্রাহকের আস্থা অর্জনের জন্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় সব বড় প্রতিষ্ঠানে কাস্টমার সাপোর্ট বিভাগ চালু রয়েছে। একজন কাস্টমারকে সেবা প্রদান করার প্রধান কাজ করে থাকেন একজন কাস্টমার কেয়ার অফিসার বা কাস্টমার সাপোর্ট অফিসার। ফুল-টাইমের পাশাপাশি খণ্ডকালীন চাকরি করার বড় সুযোগ থাকায় তরুণদের মধ্যে এ পেশা বেশ জনপ্রিয়।

এক নজরে একজন কাস্টমার কেয়ার অফিসার

সাধারণ পদবী: কাস্টমার কেয়ার অফিসার, কাস্টমার সাপোর্ট অফিসার
বিভাগ: ব্যবসায়িক সেবা
প্রতিষ্ঠানের ধরন: সরকারি, বেসরকারি, প্রাইভেট ফার্ম/কোম্পানি
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম, পার্ট-টাইম
লেভেল: এন্ট্রি, মিড
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা সীমা: ১ – ২ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য গড় বেতন:৳১০,০০০ – ৳২০,০০০
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স: ২২ – ৩০ বছর
মূল স্কিল: যোগাযোগের দক্ষতা, সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরি করতে পারা, ধৈর্য, মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা
বিশেষ স্কিল: যথাসম্ভব কম সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ করতে পারা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা

একজন কাস্টমার কেয়ার অফিসার কোথায় কাজ করেন?

সরকারি প্রতিষ্ঠানে, যেমনঃ রাজস্ব বোর্ড তাদের হটলাইন নাম্বার ১৬৫৫৫-এর মাধ্যমে গ্রাহক সেবা দেয়;

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কল সেন্টারে;

মোবাইল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানিতে (যেমনঃ গ্রামীণফোন)।

একজন কাস্টমার কেয়ার অফিসার কী ধরনের কাজ করেন?

পণ্য বা সার্ভিসের ব্যাপারে ক্লায়েন্টের কোন জিজ্ঞাসা থাকলে তার উত্তর দেয়া;

ক্লায়েন্টের সমস্যার সমাধান করা;

ক্লায়েন্টের কোন অভিযোগ থাকলে তা রেকর্ড করা;

ক্লায়েন্টের সমস্যা বা অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধান করা না গেলে কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে সম্ভাব্য সমাধানের ব্যবস্থা নেয়া;

প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পণ্য, সার্ভিস বা অফার সম্পর্কে ক্লায়েন্টকে জানানো;

প্রতিষ্ঠান ও ক্লায়েন্টের মধ্যে সুসম্পর্ক যেন বজায় থাকে, সে ব্যাপারে মনোযোগ দেয়া;

প্রতিদিনের কাজের কল লগ সংরক্ষণ করা ও রিপোর্ট লেখা।

একজন কাস্টমার কেয়ার অফিসারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ দেশের যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যে কোন বিষয়ে স্নাতক (১ম ও ২য় বিভাগে পাশ) পাশদের সুযোগ রয়েছে এ সেক্টরে কাজ করার। তবে ব্যবসায় শিক্ষায় পড়াশোনা হলে অগ্রাধিকার পাওয়া যায় কিছু ক্ষেত্রে।

বয়সঃ প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষে বয়সের সীমা নির্ধারিত হয়। সাধারণত এ সীমা ২২ থেকে ৩০ বছর।

অভিজ্ঞতাঃ এ পেশায় অভিজ্ঞদের প্রাধান্য রয়েছে। সাধারণত ১-২ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে আসে।

বিশেষ শর্তঃ কিছু ক্ষেত্রে নারী বা পুরুষ প্রার্থীর কথা উল্লেখ করা থাকে।

একজন কাস্টমার কেয়ার অফিসারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষতা;

ক্লায়েন্টের সাথে দক্ষভাবে যোগাযোগ করার ক্ষমতা;

দ্রুত সমস্যা নির্ণয় ও তার সমাধান খুঁজে বের করতে পারা;

ধৈর্যের সাথে ক্লায়েন্টকে সেবা দেবার মানসিকতা;

মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা, যা নেতিবাচক পরিস্থিতিতে কাজে দেবে।

একজন কাস্টমার কেয়ার অফিসারের মাসিক আয় কেমন?

এ পদে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আপনি মাসে ৳১০,০০০ – ৳২০,০০০ পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কাজের ঘণ্টার ভিত্তিতে সম্মানী দেয়। বিশেষ করে খণ্ডকালীন চাকরিতে এ ব্যাপারটি লক্ষণীয়।

একজন কাস্টমার কেয়ার অফিসারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

এন্ট্রি লেভেলে কাস্টমার কেয়ার বা সাপোর্ট অফিসার হিসাবে আপনার ক্যারিয়ার শুরু হবে। গ্রাহককে মানসম্মত সেবা দিতে পারলে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তীতে কাস্টমার কেয়ার ম্যানেজার পদে উন্নীত হতে পারেন।

Categories
Career

বিসিএস পুলিশ সহকারী পুলিশ সুপার এর ক্যারিয়ার কেমন হয়?

আইন প্রয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো পুলিশ প্রশাসন। এ প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলের সর্বোচ্চ পদ হলো অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ। এ পদমর্যাদার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নিয়োগ হয় বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের মাধ্যমে। বিসিএস পরীক্ষার্থীদের প্রায় সবার পছন্দের তালিকায় উপরের দিকে থাকে এ ক্যাডার।

এক নজরে বিসিএস পুলিশ ক্যাডার

এন্ট্রি লেভেলে সাধারণ পদবী: সহকারী পুলিশ সুপার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (এএসপি)
বিভাগ: পাবলিক সার্ভিস
প্রতিষ্ঠানের ধরন: সরকারি
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা সীমা: ০ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য মূল বেতন:৳২২,০০০ (জাতীয় বেতন স্কেলের নবম গ্রেড)
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স: ২১ – ৩০ বছর
মূল স্কিল: আইন শৃঙ্খলা সম্পর্কিত জ্ঞান, নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা
বিশেষ স্কিল: মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা, যেকোন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেবার দক্ষতা

একজন সহকারী পুলিশ সুপার কোথায় কাজ করেন?

সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দেশের পুলিশ প্রশাসন বেশ কয়েকটি রেঞ্জে বিভক্ত। প্রতিটি রেঞ্জে রয়েছে কয়েকটি সার্কেল। বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা শুরুতে একটি সার্কেলে নিযুক্ত হন। এছাড়া পুলিশের বিভিন্ন সার্ভিসেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। যেমনঃ

বিভিন্ন রেঞ্জে ভাগ করা সাধারণ পুলিশ বিভাগ

মেট্রোপলিটন পুলিশ

ট্রাফিক বিভাগ

স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন

স্পেশাল ব্রাঞ্চ (SB)

ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (CID)

রেলওয়ে পুলিশ

হাইওয়ে পুলিশ

পুলিশ হেডকোয়ার্টার

পুলিশ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্র

ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ

পুলিশ ইন্টেলিজেন্স অপারেশন্স (PIO);

পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (PBI);

ট্যুরিস্ট পুলিশ

একজন সহকারী পুলিশ সুপার কী ধরনের কাজ করেন?

সহকারী পুলিশ সুপার হিসাবে আপনার কাজ হবে নির্দিষ্ট সার্কেলকেন্দ্রিক। যেমনঃ

একটি সার্কেলের আইন বাস্তবায়ন, অপরাধ দমন, অপরাধ প্রশমন ও আইনবহির্ভূত কাজ বন্ধ করার ব্যবস্থা নেয়া;

অধীনস্ত কন্সটেবল, ইন্সপেক্টর ও অন্যান্য কর্মচারীর কাজ তদারকি করা;

প্রশাসনিক প্রটোকলে নির্ধারিত কাজ করা।

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগ পাবার পদ্ধতি কী?

সহকারী পুলিশ সুপার হবার জন্য আপনাকে –

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় (২০০ নম্বরের পরীক্ষা) উত্তীর্ণ হতে হবে;

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার (৯০০ নম্বরের পরীক্ষা) জন্য বসতে হবে;

সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় (২০০ নম্বরের পরীক্ষা) ভালো ফলাফল করতে হবে।

উল্লেখ্য যে, মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফলে কোন প্রার্থী কোন ক্যাডার পেয়েছেন অথবা নন-ক্যাডার চাকরির জন্য বিবেচ্য হয়েছেন, তার উপরও এ ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া নির্ভর করে।

একজন সহকারী পুলিশ সুপারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ দেশের কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা স্বীকৃত বোর্ড থেকে এইচএসসি পাশের পর ৪ বছর মেয়াদি শিক্ষা সমাপনী ডিগ্রি অথবা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে আপনার।

আপনার শিক্ষা জীবনে একাধিক ৩য় বিভাগ/শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ থাকলে বিসিএস পরীক্ষার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

শারীরিক যোগ্যতাঃ ছেলেদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে হবে। মেয়েদের ক্ষেত্রে এটি ৫ ফুট।

বয়সঃ সাধারণ ও কোটাভুক্ত প্রার্থীদের বেলায় ২১ – ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যাদের ক্ষেত্রে ২১ – ৩২ বছর।

একজন সহকারী পুলিশ সুপারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জ্ঞান;

নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা;

ধৈর্য;

মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা;

যেকোন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেবার দক্ষতা।

একজন সহকারী পুলিশ সুপারের মাসিক আয় কেমন?

জাতীয় বেতন স্কেলের নবম গ্রেড অনুযায়ী মূল বেতন ৳২২,০০০। পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতাও পান। সার্কেলভিত্তিক অর্পিত দায়িত্ব অথবা কাজের উপর নির্ভর করে একজন সহকারী পুলিশ সুপারের কিছু পরিমাণ মাসিক সম্মানি বরাদ্দ থাকতে পারে।

একজন সহকারী পুলিশ সুপারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

পুলিশ প্রশাসনের জন্য সরকার নির্ধারিত পদবিন্যাস রয়েছে। আপনার ক্যারিয়ারের ধাপগুলো হচ্ছেঃ

সহকারী পুলিশ সুপার (Assistant Superintendent of Police)

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (Senior Assistant Superintendent of Police)

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (Additional Superintendent of Police)

পুলিশ সুপার (Superintendent of Police)

অতিরিক্ত বিভাগীয় মহাপরিদর্শক (Additional Deputy Inspector General of Police)

বিভাগীয় মহাপরিদর্শক (Deputy Inspector General of Police)

অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (Additional Inspector General of Police)

মহাপরিদর্শক (Inspector General of Police)

উল্লেখ্য যে, পদবিন্যাস ও পদের সংখ্যা অনুযায়ী আপনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিসের যেকোন বিভাগে নিযুক্ত হতে পারেন।

Categories
Career

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর ক্যারিয়ার কেমন হয়?

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সাহায্য করে থাকেন। কারিগরি দক্ষতা আর সৃজনশীলতা থাকলে এ পেশায় সফলতা অর্জন করা খুবই সহজ। আবাসন খাত, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহনশীল ও টেকসই শিল্পনির্ভর উন্নয়নের জন্য একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এক নজরে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার

সাধারণ পদবী:সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
বিভাগ: ইঞ্জিনিয়ারিং
প্রতিষ্ঠানের ধরন:সরকারি, বেসরকারি, প্রাইভেট ফার্ম/কোম্পানি
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম
লেভেল: এন্ট্রি, মিড, টপ
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা সীমা: ০ – ২ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য আয়: ৳২৫,০০০
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়সসীমা: ২২ বছর
মূল স্কিল: গাণিতিক জ্ঞান, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, কম্পিউটার মডেলিং সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা
বিশেষ স্কিল: সৃজনশীলতা, আঁকাআঁকির দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কোথায় কাজ করেন?

অবগকাঠামোগত নির্মাণের যেকোন কাজ ও প্রকল্পের সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা যুক্ত থাকেন। যেমন:

ব্যক্তিগত বাড়ি নির্মাণ

আবাসন প্রকল্প

অফিস নির্মাণ প্রকল্প

বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প

সড়ক-মহাসড়ক নির্মাণ ও মেরামত প্রকল্প

রেলপথ নির্মাণ ও মেরামত প্রকল্প

সেতু নির্মাণ প্রকল্প

বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প

কলকারখানা নির্মাণ প্রকল্প

বন্দর নির্মাণ প্রকল্প

আমাদের দেশে সরকারি বহু প্রতিষ্ঠানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পদ রয়েছে। যেমন:

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)

সড়ক ও জনপথ বিভাগ

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের মতো প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষও বিভিন্ন প্রকল্পে নিয়মিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দিয়ে থাকে। এছাড়া, সামরিক বাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

বর্তমানে বহু নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করতে পারবেন। বিশেষ করে আবাসন বা রিয়েল এস্টেট খাতে এ পেশাজীবীদের চাহিদা লক্ষণীয়।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কী ধরনের কাজ করেন?

অবকাঠামো নির্মাণের জন্য পরিচালিত জরিপের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করা;

সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রকল্প পরিকল্পনা তৈরি করা;

প্রকল্পের বাজেট, ঝুঁকি, পরিবেশের উপর প্রভাব ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় খতিয়ে দেখা;

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকারি অনুমোদনের দরকার হলে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া;

কম্পিউটার মডেল বানানো;

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাঁচামালের খরচ, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় কর্মীসংখ্যার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানানো;

প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করা;

প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রীর মান নিশ্চিত করা;

প্রকল্প চলার সময় নির্মাণ সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ডের তদারকি করা;

প্রকল্পে নিযুক্ত কর্মীদেরকে উপযুক্ত নির্দেশনা দেয়া;

প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত অবহিত করা;

প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে কর্তৃপক্ষকে কারিগরি পরামর্শ দেয়া।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আপনার অবশ্যই বিএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীরা উপ-সহকারী ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন।

বয়সঃ প্রকল্পভেদে বয়সের সীমা নির্ধারিত হয়। সাধারণত আপনার বয়স কমপক্ষে ২২ বছর হতে হবে।

অভিজ্ঞতাঃ এ পেশায় অভিজ্ঞদের প্রাধান্য রয়েছে। বিশেষ করে বড় প্রকল্পগুলোতে কাজ করার জন্য অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

এ পেশায় কাজ করতে হলে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে ভালো জ্ঞান থাকা আবশ্যক। পাশাপাশি নকশা ও মডেলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ হতে হবে আপনাকে। যেমন:

AutoCAD

AutoCAD Civil 3D

Revit

InfraWorks

SAP 2000

ETABS

কারিগরি জ্ঞানের পাশাপাশি আরো কিছু দক্ষতা দরকার হবে আপনার। যেমন:

চিন্তাভাবনায় সৃজনশীলতা থাকা;

আঁকাআঁকির দক্ষতা;

বিশ্লেষণী ক্ষমতা;

খুঁটিনাটি বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারা;

প্রকল্প ব্যবস্থাপনা;

কর্মী ব্যবস্থাপনা;

আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কারিগরি সমস্যা সমাধানের দক্ষতা;

জরুরি অবস্থায় মানসিক চাপ সামলে সিদ্ধান্ত নিতে পারা।

কোথায় পড়বেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং?

বাংলাদেশের প্রায় সব সরকারি-বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয়। পাশাপাশি ভোকেশনাল বা পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটগুলো থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি নেবার ব্যবস্থা রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট (IEB) অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়া শ্রেয়। এর কারণ হলো, কিছু কিছু জায়গায় আইইবির অনুমোদনহীন সার্টিফিকেটধারী ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ পেতে সমস্যা হয়।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় কেমন?

প্রতিষ্ঠান ও কাজ ভেদে এন্ট্রি লেভেলে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক আয় সাধারণত ৳২০,০০০ থেকে শুরু করে ৳৫০,০০০ পর্যন্ত হতে পারে। সরকারি খাতে জাতীয় বেতন স্কেল অনুসরণ করে সাধারণত ৯ম জাতীয় গ্রেডে ৳৩২,০০০ স্কেলে নিয়োগ দেয়া হয়, যা পরবর্তীতে পদোন্নতির সাথে সাথে বেড়ে যায়।

চাকরির পাশাপাশি অনেক সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করে মাসে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করে থাকেন। তবে এর জন্য কারিগরি কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

সরকারি-বেসরকারি প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে সহকারী ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে আপনার ক্যারিয়ার শুরু হবে। চাকরির ৩-৫ বছরের মধ্যে পদোন্নতি পাবেন। এ ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরকারি পদ হলো প্রধান প্রকৌশলী। প্রাইভেট ফার্ম বা কোম্পানির ক্ষেত্রে একজন ব্যবস্থাপনা নির্বাহী হিসাবে নিয়োগ পেতে পারেন।

বেসরকারি খাতে অনেকে কনসালট্যান্ট ফার্ম বা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান তৈরি করে স্বাধীনভাবে কাজ করেন।

Categories
Career

আর্মি অফিসার এর ক্যারিয়ার কেমন হয় বাংলাদেশে?

বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করলে প্রথম যে পদবী আপনি পাবেন, তা হলো লেফটেন্যান্ট। তবে কমিশন পাবার ব্যাপারটি অত্যন্ত কঠিন। একজন আর্মি অফিসার হবার জন্য ইন্টার সার্ভিসেস সিলেকশন বোর্ডের (ISSB) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে (BMA) প্রায় ৩ বছর ট্রেনিং গ্রহণের পর কমিশন লাভের মাধ্যমে আপনার পক্ষে সম্মানজনক লেফটেন্যান্ট র‍্যাঙ্ক অর্জন করা সম্ভব।

এক নজরে একজন আর্মি অফিসার

প্রথম র‍্যাঙ্ক: লেফটেন্যান্ট
বিভাগ: সামরিক
প্রতিষ্ঠানের ধরন: সরকারি
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা সীমা:প্রযোজ্য নয়
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য গড় বেতন:৳২৩,৫০০ (৮ম পে স্কেল অনুযায়ী)
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স: ১৭ – ২৩ বছর
মূল স্কিল: শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম করার সামর্থ্য
বিশেষ স্কিল: নেতৃত্বদানের দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা

একজন আর্মি অফিসার কোথায় কাজ করেন?

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে।

একজন আর্মি অফিসার কী ধরনের কাজ করেন?

একজন লেফটেন্যান্টের কাজ বিএমএতে থাকাকালীন পাওয়া শিক্ষা ও তার কোরের উপরে নির্ভর করে। এ কোরগুলো হলো –

আর্টিলারি;

ইনফ্যান্ট্রি;

আরমার্ড (ট্যাঙ্ক);

অর্ডন্যান্স (সমরাস্ত্র);

সিগন্যালস;

শিক্ষা;

ইঞ্জিনিয়ারিং;

ইএমই (Electrical and Mechanical Engineers – EME);

এএসসি (Army Services Corps – ASC);

এএমসি (Army Medical Corps – AMC) ও অন্যান্য।

একজন আর্মি অফিসারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

অফিসার হবার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্ধারিত যোগ্যতা হলো:

প্রথম শর্তঃ প্রার্থীকে জন্মসূত্রে বাংলাদেশি ও অবিবাহিত হতে হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ ন্যূনতম এইচএসসি পাশ হতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের যে কোন একটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫ এবং আরেকটিতে জিপিএ ৫ পাওয়া লাগবে।

উল্লেখ্য যে, ২০২০ সালের ৮৫তম লং কোর্সের নিয়োগে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আবেদন করার সুযোগ থাকছে না।

ইংরেজি মিডিয়ামে পড়াশোনা করে থাকলে ও লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ৩টিতে ন্যূনতম ‘এ’ গ্রেড এবং ৩টিতে ন্যূনতম ‘বি’ গ্রেড পাওয়া আবশ্যক। এ লেভেলে ২টি বিষয়ের মধ্যে ২টিতেই ন্যূনতম ‘বি’ গ্রেড থাকতে হবে।

বয়সঃ বিএমএ লং কোর্সের জন্য ০১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ১৭ – ২১ বছর। সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১৮ – ২৩ বছর।

উচ্চতাঃ ছেলেদের জন্য ন্যূনতম উচ্চতা ১.৬৩ মিটার বা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। মেয়েদের জন্য উচ্চতা ১.৫৭ মিটার বা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি।

ওজনঃ ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫৪ কেজি বা ১২০ পাউন্ড। মেয়েদের ক্ষেত্রে এটি ৪৭ কেজি বা ১০৪ পাউন্ড।

বুকঃ ছেলেদের বুক স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি হতে হবে। আর মেয়েদের ক্ষেত্রে তা ২৮ ইঞ্চি ও প্রসারিত অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি।

একজন আর্মি অফিসারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

উপস্থিত বুদ্ধি;

আত্মবিশ্বাস;

ইংরেজিতে দক্ষতা;

নেতৃত্বগুণ।

উল্লেখ্য যে, সেনাবাহিনীতে শারীরিক দক্ষতা, সুস্থতা ও সামর্থ্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপনার শারীরিক সামর্থ্য ভালো না হলে প্রশিক্ষণের সময় টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাবে।

একজন আর্মি অফিসার হবার ধাপ কী কী?

প্রিলিমিনারী লিখিত পরীক্ষা;

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ১৫-২০ মিনিটের একটি ছোট মৌখিক পরীক্ষা;

মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আইএসএসবির (ISSB) চূড়ান্ত পরীক্ষা;

আইএসএসবির (ISSB) চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে প্রায় ৩ বছরের প্রশিক্ষণ।

কষ্টসাধ্য ও দুঃসহ প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করতে পারলে ৩ বছরের মাথায় আপনি কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে একজন লেফটেন্যান্ট হবার গৌরব অর্জন করতে পারবেন।

একজন আর্মি অফিসারের মাসিক আয় কেমন?

৮ম পে স্কেল অনুসারে একজন লেফটেন্যান্টের মূল বেতন ৳২৩,৫০০। তবে এর মধ্যে থেকেই আপনার আর্মি মেসে থাকার খরচ চালাতে হয়। শুধু মূল বেতন ছাড়াও একজন লেফটেন্যান্ট কাজ ও পোস্টিং সাপেক্ষে ভাতা পেয়ে থাকেন।

একজন আর্মি অফিসারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

লেফটেন্যান্ট থেকে পরবর্তী পদবী ক্যাপ্টেন হবার জন্য ৩টি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। এক্ষেত্রে সময় লাগে প্রায় দুই থেকে আড়াই বছরের মতো। ক্যাপ্টেন থেকে মেজর পদে উন্নীত হতে সময় লাগে প্রায় ৩ বছরের মতো। এরপরের পদোন্নতিগুলোর নির্দিষ্ট কোন সময়কাল নেই। সেগুলো যোগ্যতা ও অবস্থাসাপেক্ষ হয়। পদগুলো হলো –

লেফটেন্যান্ট কর্নেল

কর্নেল

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল

মেজর জেনারেল

লেফটেন্যান্ট জেনারেল

জেনারেল

ফিল্ড মার্শাল

উল্লেখ্য যে, ফিল্ড মার্শাল যেকোন সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ হলেও আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত এ পদে কেউ নিয়োগ পাননি।

Categories
Career

গ্রাফিক ডিজাইনার

একজন গ্রাফিক ডিজাইনার গ্রাহকের চাহিদা ও প্রজেক্টের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ইমেজ, ডিজাইন বা ভিজুয়াল কন্টেন্ট তৈরির দায়িত্বে থাকেন। বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ম্যাগাজিন – বর্তমানে প্রায় সব ক্ষেত্রে এ পেশার চাহিদা রয়েছে।

এক নজরে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার

সাধারণ পদবী: গ্রাফিক ডিজাইনার
বিভাগ: ক্রিয়েটিভ ক্যারিয়ার
প্রতিষ্ঠানের ধরন: সরকারি, বেসরকারি, প্রাইভেট ফার্ম, কোম্পানি, ফ্রিল্যান্সিং
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম, পার্ট-টাইম, চুক্তিভিত্তিক
লেভেল: এন্ট্রি, মিড
এন্ট্রি লেভেলে অভিজ্ঞতা সীমা: ০ – ২ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য গড় বেতন:৳১৫,০০০ – ৳২০,০০০
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স সীমা: ২০ – ২৫ বছর
মূল স্কিল: সৃজনশীল চিন্তা করার ক্ষমতা, আঁকাআঁকির দক্ষতা, ডিজাইন সফটওয়্যার ব্যবহারে পারদর্শিতা
বিশেষ স্কিল: যোগাযোগের দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা

একজন গ্রাফিক ডিজাইনার কোথায় কাজ করেন?

সরকারি প্রজেক্টে, যেখানে মার্কেটিং বা ভিজুয়াল রিপোর্টিংয়ের কাজ রয়েছে;

বেসরকারি প্রজেক্টে;

প্রাইভেট ফার্ম বা কোম্পানিতে, যেমনঃ বিজ্ঞাপনী সংস্থা;

ফ্রিল্যান্সিং।

একজন গ্রাফিক ডিজাইনার কী ধরনের কাজ করেন?

ক্লায়েন্টের বা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেয়া ও পুরো কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে যোগাযোগ রাখা;

ডিজাইনের প্রাথমিক লেআউট তৈরি করা;

প্রজেক্টের জন্য গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন কিংবা ডিজিটাল ফটোগ্রাফি ডিজাইন করা;

ক্লায়েন্টের বা প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রাথমিক ডিজাইন উপস্থাপন করা;

প্রজেক্ট বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ডিজাইনের সামঞ্জস্য বজায় রাখা;

প্রয়োজন হলে ডিজাইন এডিট করা;

কাজ শেষ হবার পর ক্লায়েন্টের কাছে মূল ডিজাইন হস্তান্তর করা।

একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ গ্রাফিক ডিজাইনে প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতার চেয়ে কাজের দক্ষতার উপর বেশি জোর দেয়া হয়। তবে আমাদের দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এ বিষয়ের উপর ডিপ্লোমা ডিগ্রি ও সার্টিফিকেট কোর্স নিতে পারেন।

বয়সঃ কোন প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসাবে যোগ দিতে হলে কাজ ও প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষে বয়সের সীমা নির্ধারিত হয়। তবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন বয়স নেই।

অভিজ্ঞতা ও পোর্টফোলিও এ পেশায় অভিজ্ঞদের প্রাধান্য রয়েছে। সাধারণত ১-২ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে আসে। বড় কোন প্রজেক্টে কাজ করার জন্য পোর্টফোলিও থাকা অত্যন্ত জরুরি।

একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

প্রজেক্টের উপর টেকনিক্যাল জ্ঞানের ধরন নির্ভর করে। সাধারণত যেসব গ্রাফিকস সফটওয়্যারে দক্ষতা দরকার হয়ে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে –

Adobe Photoshop

Adobe Illustrator

Adobe InDesign

Adobe PageMaker

GIMP

Inkspace

CorelDRAW

QuarkXPress

QuarkXPress

টেকনিক্যাল জ্ঞানের পাশাপাশি আলাদা কিছু দক্ষতাও অর্জন করতে হবে আপনাকে। এর মধ্যে রয়েছেঃ

সৃজনশীল উপায়ে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা;

অস্পষ্ট কোন ধারণাকে ডিজাইনার মাধ্যমে পরিষ্কারভাবে ফুটিয়ে তোলা;

বিশ্লেষণী ক্ষমতা, যা খুঁটিনাটি বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে সাহায্য করতে পারে;

নিজে নিজে কাজ করার পাশাপাশি অন্যদের সাথেও কাজ করার মানসিকতা থাকা;

বিভিন্ন ধরনের কাজ একসাথে সামলানোর দক্ষতা।

কোথায় পড়বেন গ্রাফিক ডিজাইন?

আমাদের দেশে শুধু গ্রাফিক ডিজাইনের উপর সরাসরি স্নাতক ডিগ্রি লাভের সুযোগ সীমিত। তবে ফাইন আর্টস বা মাল্টিমিডিয়া সম্পর্কিত ডিগ্রিগুলোতে এ বিষয়ে পড়াশোনা করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তবে বিভিন্ন মেয়াদের ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্স করার মাধ্যমে আপনি গ্রাফিক ডিজাইনের টেকনিক্যাল জ্ঞান অর্জন করতে পারেন।

একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের মাসিক আয় কেমন?

কাজ ও প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের আয় বিভিন্ন অঙ্কের হতে পারে। এন্ট্রি লেভেলে এ পেশায় সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শুরু থেকেই ৳১৫,০০০ – ৳২০,০০০ আয়ের সুযোগ রয়েছে। আপনার কাজের পোর্টফোলিও যত ভালো হবে, আয় তত বেড়ে যাবে। বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক কাজের বাইরে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে রয়েছে ভালো অর্থ আয়ের সুযোগ।

একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

গ্রাফিক ডিজাইনে অভিজ্ঞতার সাথে আয় বাড়লেও অন্যান্য ক্যারিয়ারের মতো খুব বেশি পদ নেই। এন্ট্রি লেভেলে অ্যাসিস্ট্যান্ট গ্রাফিক ডিজাইনার হিসাবে ক্যারিয়ার শুরু হতে পারে। তবে মার্কেটিং সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকলে সিনিয়র পদে উন্নীত হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

অনেক গ্রাফিক ডিজাইনার ওয়েব ডিজাইনের কাজ শিখে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (UX) বা ইউজার ইন্টারফেস (UI) ডিজাইনার হিসাবেও কাজ করে থাকেন।

Categories
Career

চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট এর পেশা কেমন হয়?

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট একটি প্রতিষ্ঠানের সমস্ত আর্থিক লেনদেনের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন। এক্ষেত্রে তার কাজ শুধু লেনদেনের হিসাব রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং আর্থিক হিসাব বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাকে প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ মুনাফার সম্ভাবনা ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার উপর পরামর্শ দিতে হয়।

এক নজরে একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট

সাধারণ পদবী: চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট
বিভাগ: অ্যাকাউন্টেন্সি, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
প্রতিষ্ঠানের ধরন: প্রাইভেট ফার্ম, কোম্পানি
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম
লেভেল: এন্ট্রি, মিড
এন্ট্রি লেভেলে অভিজ্ঞতা সীমা: ৩ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য গড় বেতন:প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষ
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স সীমা:প্রযোজ্য নয়
মূল স্কিল: গণিত, হিসাববিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, ফিন্যান্স, ম্যানেজমেন্ট
বিশেষ স্কিল: নির্ভুল হিসাবের দক্ষতা, সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, এক নাগাড়ে কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা, ভুল সংশোধনের দক্ষতা

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট কোথায় কাজ করেন?

যেহেতু একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টের কাজ আর্থিক লেনদেনের বহুমুখী বিশ্লেষণ নিয়ে, সেহেতু বড় আকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ পদ পাওয়া যায়।

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট কী ধরনের কাজ করেন?

প্রতিষ্ঠানের বাজেট, আর্থিক লেনদেন ও লাভ-ক্ষতির বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা;

আর্থিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নিয়মিত প্রতিবেদন তৈরি করা;

প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরামর্শ দেয়া;

প্রতিষ্ঠানের বাজেট রক্ষার ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া;

প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্তৃপক্ষকে আর্থিক পরামর্শ দেয়া;

প্রতিষ্ঠানের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় সাহায্য করা;

প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন কীভাবে করা যায়, সে ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেয়া;

প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন কীভাবে করা যায়, সে ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেয়া।

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট হতে হলে আপনাকে অবশ্যই চার্টার্ড ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস বা সিমার (CIMA) কাছ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেতে হবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আন্তর্জাতিক মানের এ সম্মাননা অর্জন করা সম্ভব।

বয়সঃ প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষে বয়সের সীমা নির্ধারিত হয়।

অভিজ্ঞতাঃ এ পেশায় অভিজ্ঞদের প্রাধান্য রয়েছে। সাধারণত কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে আপনার।

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

নির্ভুলভাবে বড় আকারের ও জটিল প্রকৃতির হিসাব-নিকাশ করার দক্ষতা;

খুঁটিনাটি বিষয় বিশ্লেষণ করার দক্ষতা;

কোম্পানি ব্যবস্থাপনার উপর ভালো ধারণা;

সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা;

যোগাযোগের দক্ষতা;

মনোযোগের সাথে এক নাগাড়ে কাজ চালিয়ে যাবার সামর্থ্য।

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টের সামান্য ভুলের কারণে প্রতিষ্ঠানের বড় ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে। তাই এ পেশায় আপনাকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কাজ করতে হবে।

কোথায় পড়বেন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং?

বাংলাদেশে সিমার আঞ্চলিক শাখা থেকে এ বিষয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বিবিএ বা ফাইন্যান্স সংক্রান্ত বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকলে পড়াশোনার ক্ষেত্রে সুবিধা পাবেন।

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টের মাসিক আয় কেমন?

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টের মাসিক আয় নির্ভর করে প্রতিষ্ঠান ও অভিজ্ঞতার উপর। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে লক্ষ টাকা বেতন অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

একজন চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টের ক্যারিয়ার অনেকটা সুনিশ্চিত। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ডিগ্রি হবার কারণে তুলনামূলকভাবে কম সময়ে প্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করতে পারবেন।

Categories
Career

একজন সমাজকর্মীর পেশা কিরকম হয়?

সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করেন, এমন পেশাজীবীরা সাধারণত সমাজকর্মী হিসাবে পরিচিত। তবে “সমাজকর্মী” শব্দ দিয়ে সুস্পষ্টভাবে কাজ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। বরং কাজের ক্ষেত্রভেদে আপনার ক্যারিয়ার আলাদা হবে।

এক নজরে একজন সমাজকর্মী

সাধারণ পদবী: প্রতিষ্ঠান ও প্রজেক্টসাপেক্ষ
বিভাগ: এনজিও, সমাজকর্ম
প্রতিষ্ঠানের ধরন: সরকারি, বেসরকারি
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল টাইম, চুক্তিভিত্তিক
লেভেল: এন্ট্রি, মিড
এন্ট্রি লেভেলে অভিজ্ঞতা সীমা: ১ – ৪ বছর
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য গড় বেতন:৳১৫,০০০ – ৳৩০,০০০
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স সীমা: ২২ – ৩০ বছর
মূল স্কিল: বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা, ধৈর্য
বিশেষ স্কিল: বিশ্লেষণী ক্ষমতা, যোগাযোগের দক্ষতা, রিপোর্টিংয়ের দক্ষতা

একজন সমাজকর্মী কোথায় কাজ করেন?

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা

উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান

নাগরিক অধিকার ও আইন বিষয়ক সংস্থা

একজন সমাজকর্মী হিসাবে আপনাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন ইস্যু নিয়ে কাজ করতে হবে। যেমন – আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) শুধুমাত্র অভিবাসী ও শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে। অন্যদিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মূল কাজ মানবাধিকার নিয়ে।

একজন সমাজকর্মী কী ধরনের কাজ করেন?

আপনি যদি একজন সমাজকর্মী হন, সেক্ষেত্রে আপনার কাজের ধরন হবে আপনার প্রতিষ্ঠানভিত্তিক। কয়েকটি উদাহরণ দেয়া ব্যাপারটি বোঝানো যাক।

আপনি যদি অভিবাসনভিত্তিক কোন সংস্থায় কাজ করেন সেক্ষেত্রে আপনার অভিবাসী আইন, অভিবাসীদের অধিকার আর অভিবাসীদের সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি নিয়ে কাজ করা লাগবে।

আপনি যদি শিশুদের নিয়ে কাজ করে এমন কোন সংস্থায় কাজ করেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে শিশুদের অধিকার, শিশু আইন, সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও তাদের পুনর্বাসন এবং কিশোর অপরাধ প্রশমন ও দমনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে।

আপনি যদি উদ্বাস্তুদের নিয়ে কাজ করা সংস্থার সাথে যুক্ত হন, সেক্ষেত্রে আপনাকে আন্তর্জাতিক উদ্বাস্তু আইন ও নিয়মনীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে।

একজন সমাজকর্মীকে এক ইস্যুর উপর সব ধরনের কাজ করা লাগে না। বরং সংস্থার বিভিন্ন কর্মীর মধ্যে কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়। সাধারণত যে ধরনের কাজে সমাজকর্মী প্রয়োজন হয়, তার মধ্যে রয়েছে –

তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণা;

প্রতিবেদন তৈরি;

বাজেট প্রণয়ন;

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মাঠ পর্যায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা;

অধিকার আর আইন সংক্রান্ত কাজের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালার উপর গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা করা;

কাজের অগ্রগতির মূল্যায়ন।

একজন সমাজকর্মীর কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

যোগ্যতাঃ কাজের ক্ষেত্র সুবিশাল হলেও সমাজকর্মীর ক্ষেত্রে একটি ন্যূনতম যোগ্যতা নির্দিষ্ট করা আছে। আপনি যদি সমাজকর্মী হিসেবে কাজ করতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

সোশাল ওয়ার্ক বা সমাজকর্ম বিষয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রি আছে, এমন প্রার্থীরা সব ক্ষেত্রে প্রাধান্য পেয়ে থাকেন। এর কারণ হলো, অধিকার আদায়ে আন্দোলন, ত্রাণ সংগ্রহ ও বিতরণ ও পুনর্বাসন – এ ধরনের কাজে সমাজকর্ম নিয়ে পড়াশোনা করা লোকদের প্রাথমিক ধারণা অন্যদের চেয়ে ভালো থাকা স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত।

কিছু ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে ব্যাচেলর বা মাস্টার্স ডিগ্রি না থাকলে নিয়োগ দেয়া হয় না। যেমন – পরিবেশভিত্তিক কোন সংস্থায় নিয়োগের ক্ষেত্রে পরিবেশবিজ্ঞান বা পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিগ্রি থাকা জরুরি। আবার ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প কিংবা সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার জন্য অর্থনীতি বা উন্নয়ন অধ্যয়ন বিষয়ে ডিগ্রি আছে, এমন কাউকে নিয়োগ দেয়া হতে পারে।

অভিজ্ঞতাঃ সমাজকর্মী হিসেবে কাজ করতে চাইলে অভিজ্ঞতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিছু ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা না থাকলেও আপনাকে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে অথবা ১ বছরের অভিজ্ঞতার হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে বিষয়টি কাজ ও প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষ।

বয়সসীমাঃ এক্ষেত্রে সাধারণত কোন বয়সসীমা উল্লেখ করা থাকে না। স্পর্শকাতর বা কষ্টসাধ্য কাজের ক্ষেত্রে বয়স ২৮ বছরের ঊর্ধ্বে এমন কাউকে নিয়োগ দিতে চায় কিছু প্রতিষ্ঠান।

বিশেষ শর্তঃ বহু ক্ষেত্রে নারী অথবা পুরুষ প্রার্থীর কথা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকতে পারে।

একজন সমাজকর্মীর কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

একজন দক্ষ সমাজকর্মী হিসাবে কাজ করতে হলে আপনার প্রথমত প্রয়োজন বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান। যে ইস্যু নিয়ে কাজ করবেন, সে ইস্যু নিয়ে আপনার ভালো ধারণা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর বাইরে যে ধরনের দক্ষতা দরকার হবে, তার মধ্যে রয়েছে –

ধৈর্যের সাথে কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা

মানসিক চাপ সামলানোর দক্ষতা

ইতিবাচক মনোভাব থাকা

যেকোন পরিস্থিতিতে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেবার ক্ষমতা

বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে যোগাযোগ করার দক্ষতা

বর্তমানে সব প্রতিষ্ঠানে রিপোর্টিংয়ের কাজ থাকে বিধায় আপনাকে মাইক্রোসফট অফিস নিয়ে কাজ করা জানতে হবে। এছাড়া বাংলা ও ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকলে অগ্রাধিকার পাবেন।

সমাজকর্মী হবার জন্য কোথায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেবেন?

আপনি যে খাতের সমাজকর্মী হতে চান, সে খাতের উপর ন্যূনতম ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিচের বিষয়গুলোতে পড়াশোনা করতে পারেন –

সমাজকর্ম ও সমাজকল্যাণ

অর্থনীতি

আইন

শান্তি ও সংঘর্ষ

গণস্বাস্থ্য বা পাবলিক হেলথ

ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ

জেন্ডার স্টাডিজ

পরিবেশবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

একজন সমাজকর্মীর মাসিক আয় কেমন?

বিষয়টি কাজ ও প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষ। সাধারণত এন্ট্রি লেভেলে একজন সমাজকর্মীর মাসিক আয় ৳১৫,০০০ – ৳৩০,০০০ পর্যন্ত হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সমাজকর্মী হিসেবে আপনাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হবে।

৩ – ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে মাসিক আয়ের পরিমাণ ৳৫০,০০০ – ৳৮০,০০০ হতে পারে।

ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে একজন সমাজকর্মীর?

এখানে বিষয়টি প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষ। সাধারণত সমাজকর্মীর কাজের ক্ষেত্র দুই ধরনের হয় – চুক্তিভিত্তিক ও স্থায়ী। পরিবর্তনশীল সামাজিক সমস্যার ভিত্তিতে প্রজেক্ট তৈরি করা হয় বলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্থায়ী ভিত্তিতে সমাজকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় না। আবার রিসার্চ অফিসার বা প্রোগ্রাম অফিসার হিসেবে আপনাকে স্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হতে পারে কিছু প্রতিষ্ঠানে। প্রোগ্রাম অফিসার থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে আপনি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর হতে পারেন এক্ষেত্রে। প্রোগ্রাম ডিরেক্টর থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে অ্যাডমিন কোঅর্ডিনেটর এবং চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পাওয়া সম্ভব। এছাড়া সমাজকর্মী হিসেবে গবেষক বা সহগবেষক হিসেবে আপনি বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করতে পারেন।

Categories
Career

সেলস ম্যানেজার এর ক্যারিয়ার কেমন হয়?

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সার্ভিস বিক্রির জন্য বিভিন্ন শাখা বা ব্রাঞ্চ থাকে। এসব ব্রাঞ্চ যেন বিক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে, তার জন্য সেলস ম্যানেজার নিয়োগ করা হয়। এ পেশায় আপনার মূল দায়িত্ব হবে সেলস কর্মীদের কাজ তত্ত্বাবধান করা।

এক নজরে একজন সেলস ম্যানেজার

সাধারণ পদবী: সেলস ম্যানেজার
বিভাগ: সেলস, রিটেইল
প্রতিষ্ঠানের ধরন: প্রাইভেট ফার্ম/কোম্পানি
ক্যারিয়ারের ধরন: ফুল-টাইম
মিড লেভেলে সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা সীমা: ৪ – ৬ বছর
মিড লেভেলে সম্ভাব্য গড় বেতন:৳৪০,০০০- ৳৬০,০০০ টাকা (সাথে থাকে বিক্রির উপর কমিশন)
মিড লেভেলে সম্ভাব্য বয়স: ৩৫ – ৪০ বছর
মূল স্কিল: ব্যবসায়িক সমাধান দিতে পারা, মধ্যস্থতা করার ক্ষমতা, যোগাযোগের দক্ষতা, কর্মী ব্যবস্থাপনা
বিশেষ স্কিল: বিশ্লেষণী ক্ষমতা, মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা

সেলস ম্যানেজারের পেশা সম্পর্কিত প্রশ্ন

একজন সেলস ম্যানেজার কোথায় কাজ করেন?

সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সেলস ম্যানেজার নিয়োগ দেয়া হয়। সাধারণত আপনাকে একটি নির্দিষ্ট দল বা শাখাকে পরিচালনা করতে হবে।

একজন সেলস ম্যানেজার কী ধরনের কাজ করেন?

কোম্পানির পণ্য বা সার্ভিসের অর্ডারের সংখ্যা কীভাবে বাড়ানো যায়, সে ব্যাপারে বিস্তারিত পরিকল্পনা ও কর্মসূচি তৈরি;

পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য কর্মীদের দিকনির্দেশনা দেয়া;

পণ্য বা সার্ভিস বিক্রির জন্য ডিস্ট্রিবিউটর নিয়োগ দেয়া;

পণ্য বা সার্ভিস বিক্রির রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করা;

সেলস দলের সামগ্রিক কাজের তদারকি করা;

মার্কেটিং দলের সাথে কাজের সমন্বয় রাখা;

কীভাবে বাজারে কোম্পানির পণ্য বা সার্ভিসের প্রসার ঘটানো যায়, সে ব্যাপারে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা;

সেলস কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া;

নতুন কাস্টমারদের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি করা।

একজন সেলস ম্যানেজারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সার্ভিস ভেদে যোগ্যতার ধরন আলাদা হয়।

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ অধিকাংশ কোম্পানিতে এ পদের জন্য ব্যবসা সংক্রান্ত ন্যূনতম ব্যাচেলর ডিগ্রির দরকার হয়। তবে মাস্টার্স ডিগ্রির প্রাধান্য রয়েছে। অন্যদিকে শিল্পকারখানার ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির প্রয়োজন হতে পারে।

বয়সঃ প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষে বয়সের সীমা নির্ধারিত হয়। সাধারণত আপনার বয়স কমপক্ষে ৩৫ – ৪০ বছর হতে হবে।

অভিজ্ঞতাঃ এ পেশায় অভিজ্ঞদের প্রাধান্য রয়েছে। সাধারণত ৩ – ৪ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে আসে। বড় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৫ – ৮ বছরের অভিজ্ঞতাও চাওয়া হতে পারে।

একজন সেলস ম্যানেজারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা;

ব্যবসায়িক সুযোগ নির্ণয় করার ক্ষমতা;

খুঁটিনাটি বিষয় বিশ্লেষণ করার দক্ষতা;

বাংলা ও ইংরেজি – দুই ভাষাতেই ভালো যোগাযোগ করতে পারা;

আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মধ্যস্থতা করার দক্ষতা;

সমস্যা সমাধানের দক্ষতা;

কর্মী ও কাস্টমারদের সাথে ভালো ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষমতা।

এ পেশায় বিভিন্ন কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন জানা দরকারি। এছাড়া প্রোডাক্ট ডিস্ট্রিবিউশন সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা রাখতে হবে আপনাকে।

সেলস ম্যানেজার হিসাবে উন্নীত হবার জন্য সেলসের দক্ষতা থাকা আবশ্যক।

একজন সেলস ম্যানেজারের মাসিক আয় কেমন?

মাসিক আয় কাজ ও প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষ। গড়ে ৳৪০,০০০ – ৳৬০,০০০ বেতন পেতে পারেন। এছাড়া পণ্য বা সার্ভিস বিক্রির উপর লভ্যাংশ অর্জনের সুযোগ রয়েছে বহু প্রতিষ্ঠানে।

একজন সেলস ম্যানেজারের ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

সাধারণত সেলস বা মার্কেটিং বিভাগের এন্ট্রি লেভেলে (যেমন: সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ বা সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ হিসাবে) আপনার কাজ শুরু হবে। পারফরম্যান্স ভালো হলে ৪ – ৬ বছরের অভিজ্ঞতা অর্জনের উপর সেলস ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্ব পেতে পারেন।

ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সবচেয়ে উঁচু পদ পেতে পারেন সেলস বিভাগের প্রধান হিসাবে।

Categories
Career

অভিনেতা

নাটক, সিনেমা ও বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে একজন অভিনেতা অভিনয় করেন। গতানুগতিক মিডিয়ার পাশাপাশি বর্তমানে ইউটিউব বা ফেসবুকের জন্য তৈরি করা ভিডিওতে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এক নজরে একজন অভিনেতা

সাধারণ পদবী: প্রযোজ্য নয়
বিভাগ: ক্রিয়েটিভ ক্যারিয়ার
প্রতিষ্ঠানের ধরন: কাজসাপেক্ষ
ক্যারিয়ারের ধরন: পার্ট-টাইম, ফুল-টাইম, চুক্তিভিত্তিক
লেভেল: প্রযোজ্য নয়
সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা সীমা: কাজসাপেক্ষ
সম্ভাব্য গড় বেতন: কাজসাপেক্ষ
সম্ভাব্য বয়স সীমা: কাজসাপেক্ষ
মূল স্কিল: অভিনয়ে পারদর্শিতা
বিশেষ স্কিল: মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা

অভিনেতার পেশা সম্পর্কিত প্রশ্ন

একজন অভিনেতা কোথায় কাজ করেন?

একজন অভিনেতা কী ধরনের কাজ করেন?

একজন অভিনেতার কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

একজন অভিনেতার কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

অভিনয় কোথায় শিখবেন?

একজন অভিনেতার মাসিক আয় কেমন?

একজন অভিনেতার ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

একজন অভিনেতা কোথায় কাজ করেন?

বিনোদনভিত্তিক বিভিন্ন এজেন্সি, প্রোডাকশন হাউস ও থিয়েটারে যুক্ত হয়ে অভিনেতারা কাজ করেন। যেসব মাধ্যমে কাজ করা সম্ভব, সেগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ

টেলিভিশন নাটক

চলচ্চিত্র

মঞ্চ নাটক

বিজ্ঞাপন

একজন অভিনেতা কী ধরনের কাজ করেন?

একজন অভিনেতার মূল দায়িত্ব হলো অভিনয়ের মাধ্যমে কোন চরিত্রকে দর্শকের কাছে তুলে ধরা।

একজন অভিনেতার কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মুখ্য নয়। তবে একজন অভিনেতা কোন নাটকদল/গোষ্ঠীতে যোগ দিয়ে অভিনয় রপ্ত করতে পারেন। চাইলে তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতাও অর্জন করতে পারেন। যেমনঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজে ৪ বছর মেয়াদি একটি বি.এ. অনার্স কোর্স বা এম.এ কোর্স।

শারীরিক যোগ্যতাঃ কিছু চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নির্দিষ্ট শারীরিক বৈশিষ্ট্য চাওয়া হতে পারে।

একজন অভিনেতার কী ধরনের জ্ঞান ও দক্ষতা থাকতে হয়?

অভিনয়ের দক্ষতা

সংলাপের সঠিক ব্যবহার

এর বাইরে নাচ-গানের দক্ষতা থাকলে প্রাধান্য পাবেন।

চ্যালেঞ্জিং এ পেশায় ভালো করতে হলে আরো দরকারঃ

মানসিক চাপ সামলানোর দক্ষতা

নেটওয়ার্কিং করার দক্ষতা, যা নতুন কাজ পেতে সাহায্য করবে

অভিনয় কোথায় শিখবেন?

মঞ্চ নাটক দলের সাথে যুক্ত হয়ে অনেকে অভিনয় শেখেন। এর বাইরে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কিছু জায়গায় পড়াশোনা করা যায়। যেমনঃ

নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

একজন অভিনেতার মাসিক আয় কত?

টেলিভিশন নাটকের অভিনেতারা শিফট মেনে পারিশ্রমিক পান। জনপ্রিয়তা ভেদে এটি আলাদা হয়।

চলচ্চিত্রের অভিনেতারা পারিশ্রমিক ছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে লভ্যাংশ পেয়ে থাকেন।

বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে কাজের ভিত্তিতে আয় করা সম্ভব।

একজন অভিনেতার ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

অভিনয় গতানুগতিক কোন পেশা নয়। সফল অভিনেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাবার কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। ধৈর্যের সাথে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করতে পারলে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।

অভিনয় দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করে অনেকে পরে পরিচালনা বা প্রযোজনায় মনোনিবেশ করেন।

Categories
Career

কীভাবে দোকান খুলবেন?

ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো দোকান। এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের সংখ্যা কম নয়। কিন্তু ভালো ব্যবসায়িক জ্ঞান, পরিকল্পনা আর ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ঠিকভাবে পণ্য সরবরাহ করতে পারলে দোকান চালানোর মাধ্যমে আর্থিকভাবে আপনিও লাভবান হতে পারবেন। কীভাবে দোকান খুলবেন, সে ব্যাপারে জানুন এবারের লেখা থেকে।

১. প্রয়োজনীয় পুঁজি সংগ্রহ করুন।

আপনার দোকানে কী কী বিক্রি করবেন, তার একটা খসড়া তালিকা হয়তো ইতোমধ্যে আপনি তৈরি করে ফেলেছেন। নিজের জমানো টাকা, পারিবারিক সাহায্য আর ব্যাংক লোন – প্রয়োজন অনুযায়ী এক বা একাধিক মাধ্যম থেকে পুঁজি জোগাড় করতে পারেন। যেহেতু এটি এক ধরনের ঝুঁকি, সেহেতু সাবধানতা অবলম্বন করা শ্রেয়। ভবিষ্যতে ঋণ শোধ করার মতো সামর্থ্য আপনার আছে কি না, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন। অন্যথায় আইনি ও অর্থনৈতিক ঝামেলায় পড়তে পারেন।

২. রেজিস্ট্রেশন ও ট্রেড লাইসেন্স নিন।

নিজের দোকানের জন্য ভালো একটি নাম ঠিক করুন। নিজের নাম বা পছন্দের আত্মীয়স্বজনের নাম ব্যবহারেও সমস্যা নেই। উদ্ভট বা আক্রমণাত্মক নাম এড়িয়ে চলুন। এরপর দোকানের রেজিস্ট্রেশন করান ও সিটি কর্পোরেশনের কাছ থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করুন। সাধারণত দুই সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্স পাওয়ার কথা। তবে মাঝে মাঝে এর বেশি সময় লাগতে পারে।

৩. দোকানের জন্য ভালো জায়গা নির্বাচন করুন।

সহজে ক্রেতাদের চোখে পড়ে আর যাতায়াতে সমস্যা না হয়, এমন কোন জায়গা বেছে নিন নিজের দোকানের জন্য। পুঁজির পরিমাণ বড় হলে ভালো জায়গায় প্লট নিতে পারবেন।

৪. ক্রেতাদের চাহিদার দিকে নজর দিন।

আপনার দোকানে সাধারণত কোন ধরনের ক্রেতারা আসেন ও কী কেনাকাটা করেন, তার যথার্থ হিসাব রাখুন। এতে করে আপনি পণ্যের চাহিদা ও ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবেন। এ ধারণাকে নিজের ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় ব্যবহার করুন। এছাড়া আশেপাশের দোকানগুলোতে কোন দামের ও মানের একই পণ্য বিক্রি হয়, তার খোঁজ নিন। এতে করে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা নিয়ে সচেতন থাকতে পারবেন।

ক্রেতাদের আর্থিক সামর্থ্যের মধ্যে যদি আপনি মানসম্মত পণ্য সরবরাহ করতে পারেন, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে দোকানের লাভ নিশ্চিত করা সম্ভব। ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারলে আপনিও হয়ে উঠবেন সফল একজন উদ্যোক্তা।

………………………………………….

আরো প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে ভিজিট করুন এখানে-

কীভাবে দোকান খুলবেন?

Categories
Career

ফটোগ্রাফি কোর্স যেখানে করবেন

আমরা কমবেশি সবাই মোবাইল বা ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি তুলতে পারি। টুকটাক ছবি তুলতে তুলতে কেউ কেউ কাজটি বেশ পছন্দ করে ফেলেন। এখন দেশে তাই অনেকে ফটোগ্রাফিকে পেশা হিসাবে বেছে নিতে চান। কিন্তু এ পেশায় ভালো কিছু করতে হলে প্রয়োজন একজন শিল্পীর চোখ আর মনন। পাশাপাশি এ বিষয়ে কোর্স করা থাকলে তা বেশ কাজে দেয়। কোথায় ফটোগ্রাফি কোর্স করতে পারেন, সে ব্যাপারে জেনে নিন এ লেখায়।

বর্তমানে দেশে ৩টি প্রধান ফটোগ্রাফি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। এগুলো হচ্ছে পাঠশালা, কাউন্টার ফটো ও বেগার্ট। এসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের ও মেয়াদের কোর্স পরিচালনা করে থাকে।

পাঠশালা

১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইন্সটিটিউট বা পাঠশালা দক্ষিণ এশিয়াতে ফটোগ্রাফি স্কুলের পথিকৃৎ। এ প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ফটোগ্রাফি কোর্স অফার করা হয়। বর্তমানে পাঠশালার সাথে আন্তর্জাতিক কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু রয়েছে।

যারা মাত্র ফটোগ্রাফি শুরু করছেন, তাদের জন্য রয়েছে এক মাসের বেসিক কোর্স। এর খরচ ৫০০০ টাকা। আর যারা এর আগে কিছুটা কাজ শিখেছেন, তাদের জন্য ফাউন্ডেশন কোর্স ভালো হতে পারে। এর বর্তমান খরচ ৭১০০ – ৭৬০০ টাকা। এছাড়া, প্রফেশনাল কোর্স ও মাঝে মাঝে বিশেষ কিছু ওয়ার্কশপে অংশ নেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

কাউন্টার ফটো

ছবির মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘন আর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো কাউন্টার ফটো। প্রতিষ্ঠানটি ফটোগ্রাফি বিষয়ক বিভিন্ন কোর্স ও ওয়ার্কশপের আয়োজন করে।

একদম প্রাথমিক পর্যায়ের ফটোগ্রাফি শেখানোর জন্য কাউন্টার ফটোর রয়েছে এলিমেন্টারি কোর্স। ৫০০০ টাকা খরচ হয় এতে। এ কোর্স শেষে বা ফটোগ্রাফির খুঁটিনাটি নিয়ে মোটামুটি ধারণা থাকলে করতে পারেন অ্যাডভান্সড কোর্স। দুই মাসব্যাপী এ কোর্সের ভর্তি ফি ৭০০০ টাকা।

কাউন্টার ফটো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। চাইলে এখানে ফটোগ্রাফিতে প্রফেশনাল ডিপ্লোমা কোর্স বা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি নিতে পারেন। অন্যদিকে এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে বিভিন্ন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের কাছে কাজ শেখার সুযোগ। সার্ক দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য ৫০০ ইউএস ডলার, এশিয়ার অন্য দেশগুলোর নাগরিক হলে ১০০০ এবং অন্য দেশের নাগরিকদের জন্য ২০০০ ইউএস ডলার ফির বিনিময়ে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা যায়।

পাঠশালার মতো কাউন্টার ফটোতেও রয়েছে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম।

বেগার্ট ইন্সটিটিউট অফ ফটোগ্রাফি

১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম ফটোগ্রাফি শিক্ষা কেন্দ্র বেগার্ট। এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে বেসিক ও অ্যাডভান্সড কোর্সে ভর্তির ব্যবস্থা। এছাড়া এক বছরের ডিপ্লোমা কোর্সেও ভর্তি হতে পারেন।

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ

ফরাসি সংস্কৃতি কেন্দ্র আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ তাদের ধানমন্ডি, উত্তরা ও গুলশান শাখায় স্কুল অফ সিনেমার অধীনে ফটোগ্রাফি কোর্স করিয়ে থাকে। এতে রয়েছে এক মাসব্যাপী শর্ট কোর্স, যার কোর্স ফি ৩৭০০ টাকা। এছাড়া, ৬ মাসব্যাপী ডিপ্লোমা ইন ডিজিটাল ফটোগ্রাফি কোর্সের খরচ প্রতি মাসে ৭৪০০ টাকা।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হলেও এ সংগঠন সবার জন্য উন্মুক্ত প্রশিক্ষণ করিয়ে থাকে। প্রায় তিন মাসব্যাপী এ কর্মসূচির ফি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দুই হাজার টাকা আর বাকিদের জন্য তিন হাজার টাকা।

ফটোগ্রাফি কোর্স করার অন্যান্য জায়গা

উপরিউক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফি ক্লাবগুলো নিজেদের সদস্যদেরকে প্রাথমিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। অন্যদিকে বর্তমানে থ্রু দ্য লেন্সের মতোর বিভিন্ন সক্রিয় অনলাইন কমিউনিটির সাথে যুক্ত হবার ব্যবস্থা রয়েছে।

শখের বশে হোক বা পেশা হিসাবে ফটোগ্রাফি বেছে নেবার জন্য হোক, ভালো ফটোগ্রাফি কোর্স করার মাধ্যমে ছবি তোলার জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়িয়ে নিতে পারেন যেকোন সময়।

Categories
Career

পেশা যখন রান্নাবান্না বাবুর্চি হতে চাইলে

মজাদার খাবার খেতে কে না ভালোবাসে? কিন্তু সবাই কি পারে সুস্বাদু খাবার তৈরি করতে? এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ রাঁধুনি। দিনভর হরেক রকমের মুখরোচক খাবার তৈরি করা যেন অনেকের নেশা! এ নেশাকে পেশায় পরিণত করতে চাইলে একজন বাবুর্চি হতে পারেন।

কেন বেছে নেবেন বাবুর্চির পেশা?

অধিকাংশ মানুষ এ পেশাকে বেছে নেয় রান্নার প্রতি আবেগ ও ভালোবাসা থেকে। তবে বাবুর্চি হবার জন্য কিছু বিষয় বিবেচনা করতে পারেন।

কাজের সুযোগ: ছোট-বড় রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে পাঁচতারা হোটেল – বিভিন্ন জায়গায় এ পেশার চাহিদা সবসময় থাকে।

ভালো বেতন: একজন বাবুর্চি হিসাবে মাসিক ৳২০,০০০ – ৳২৫,০০০ আয় করতে পারবেন আপনি। বিয়ে বা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যার ভিত্তিতে ৳৪০,০০০ – ৳৬০,০০০ পর্যন্ত উপার্জন করা সম্ভব।

ক্যারিয়ার সম্ভাবনা: অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ থাকলে পরবর্তীতে শেফের কাজ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ভালো হোটেল চেইন ও রিসোর্টে চাকরি পাবার সম্ভাবনা বেশি।

একজন বাবুর্চির কাজ কী?

খাবারের মেন্যু ও কাঁচামাল ঠিক করা;

মেন্যু অনুযায়ী খাবার তৈরি করা;

খাবারের মান ও গুণ নিশ্চিত করা;

নতুন রেসিপি নিয়ে কাজ করা;

রান্নাঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা;

শেফ থাকলে তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা।

বাবুর্চি হতে কী কী দক্ষতা প্রয়োজন?

একজন ভালো বাবুর্চি হবার জন্য ভালো খাবার রান্না করার দক্ষতা থাকা আবশ্যক। এর বাইরে দরকার:

বিভিন্ন লোকাল খাবার ও সেগুলোর উপাদান সম্পর্কে ভালো জ্ঞান;

নতুন রেসিপি নিয়ে কাজ করার দক্ষতা,

খাবারের পুষ্টি নিয়ে ভালো জ্ঞান;

রান্নাঘর ও রান্নার সব উপকরণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দক্ষতা।

বাবুর্চি হবার প্রশিক্ষণ কোথায় নেবেন?

ছোট রেস্টুরেন্টে বাবুর্চি হিসাবে কাজ পাবার জন্য সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ থাকার প্রয়োজন হয় না। রান্নার দক্ষতা যাচাই করে নেবার পর অভিজ্ঞ বাবুর্চির কাছ থেকে কাজ শিখে নিতে হয়।

ভালো রেস্টুরেন্ট, রিসোর্ট আর হোটেলে কাজ পেতে হলে রান্নাবান্নার উপর প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দরকার। বিশেষ করে পরবর্তীতে শেফ হতে চাইলে এর বিকল্প নেই। এর জন্য নিজের বাজেট ও সুবিধা অনুযায়ী ডিপ্লোমা কোর্স করতে পারেন। যেমন:

ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের কালিনারি আর্টস অ্যান্ড ক্যাটারিং ম্যানেজমেন্ট ডিপ্লোমা কোর্স;

বাংলাদেশ হোটেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের ফুড প্রিপারেশন অ্যান্ড কালিনারি শেফ কোর্স।

দক্ষ বাবুর্চি কীভাবে হবেন?

ভালো বাবুর্চি হবার প্রধান শর্ত হলো রান্নার প্রতি আগ্রহ ও ভালোবাসা থাকা। তাই নিয়মিত খাবারের রেসিপির বই বা ব্লগ পড়ুন কিংবা ভিডিও দেখুন। এরপর নিজের চেষ্টায় সে খাবারগুলো বানিয়ে দেখুন। চাইলে রেসিপিতে পরিবর্তন আনুন। দক্ষ বাবুর্চি হতে চাইলে পরিশ্রম আর নতুন কিছু চিন্তা করার ক্ষমতা খুব প্রয়োজন।