Categories
Career

শেফ কত ধরনের?

শেফ বলতে সাধারণত হোটেল-রেস্টুরেন্টে রান্নার দায়িত্বে থাকা কাউকে বোঝায়। কিন্তু চাকরির দিক থেকে চিন্তা করলে ব্যাপারটা অত সরল নয়। রান্নাঘরের কাজ অনুযায়ী শেফের দায়িত্বও বদলে যায়। সে দায়িত্বগুলো নিয়ে আগে থেকে হালকাপাতলা ধারণা রাখলে এ চাকরিতে আসার সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে আপনার। শেফ কত ধরনের হয়, সে সম্পর্কে এবারের লেখায় জেনে নিন।

দায়িত্বের দিক থেকে শেফ কত ধরনের হয়?

বড় হোটেল আর রেস্টুরেন্টগুলোতে পুরো রান্নাঘরের কাজ কয়েকজন শেফের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়। যেমনঃ

কমি শেফ

রান্নাবান্নার উপর প্রশিক্ষণ নিয়ে আপনি এন্ট্রি লেভেলের শেফ হিসাবে যোগদান করলে মূলত একজন কমি শেফ হিসাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে সিনিয়র কোন শেফের তত্ত্বাবধানে কাজ করতে হবে।

ডেমি শেফ ও সিনিয়র শেফ

আপনি যখন নির্দিষ্ট কোন ডিশ বানানোতে দক্ষ হবেন, তখন ডেমি শেফ হিসাবে নিয়োগ পাবেন। যেমন, আপনার দক্ষতা হয়তো মাছের ডিশ তৈরি করার উপর। এক্ষেত্রে মাছের ডিশ বানাতে কমি শেফদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন আপনি।

কাজ প্রায় এক হওয়া সত্ত্বেও বহু প্রতিষ্ঠানে ডেমি শেফ ও সিনিয়র শেফের পদ আলাদাভাবে রাখা হয়। এর কারণ হলো, সিনিয়র শেফ সাধারণত রান্নাঘরের কোন একটি অংশের পুরো দায়িত্ব পান। স্টেশন চিফ হিসাবেও পদটি পরিচিত। খাবারের মেন্যুর ভিত্তিতে এক রান্নাঘরে কয়েকজন সিনিয়র শেফ থাকতে পারেন।

সু শেফ বা অ্যাসিস্ট্যান্ট শেফ

রান্নাঘরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ এটি। এ পদে আপনার কাজ হবেঃ

বিভিন্ন ডিশ ঠিকভাবে তৈরি করা হচ্ছে কি না, তা তত্ত্বাবধান করা।

নতুন শেফ ও রাঁধুনিদের প্রশিক্ষণ দেয়া।

এক্সিকিউটিভ চিফের নির্দেশনা পালন করতে রান্নাঘরের কর্মীদের সাহায্য করা।

এক্সিকিউটিভ শেফ

একজন এক্সিকিউটিভ শেফ হোটেল-রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরের সামগ্রিক দায়িত্বে থাকেন। আপনার কাজের মধ্যে পড়বেঃ

মেন্যু ও খাবারের ডিশ নির্বাচন করা।

খাবার তৈরি করার জন্য শেফদের দরকারি নির্দেশনা দেয়া।

রান্নাঘরের যাবতীয় উপকরণ ও খরচের হিসাব রাখা।

রান্নাঘরের শেফ ও কর্মীদের দায়িত্ব নির্ধারণ করা।

নতুন রেসিপি নিয়ে পরীক্ষা চালানো।

ডিশ বানানোর দিক থেকে শেফ কত প্রকার?

একেক জন শেফ একেক ধরনের ডিশ বানানোর বেলায় দক্ষ। যেহেতু খাবারের বৈচিত্র্য নির্দিষ্ট সংখ্যায় আটকে নেই, সেহেতু প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের মেন্যুর ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞ শেফ নিয়োগ দেয়। তবে এতে উপরের তালিকায় থাকা পদবীগুলোর কোন হেরফের হয় না। তাই আপনার আগ্রহ আর প্রশিক্ষণের ভিত্তিতে স্পেশালাইজেশন নির্ধারিত হবে।

ভেজিটেবল শেফ

মূল দক্ষতাঃ শাকসবজির ডিশ। স্যুপ ও ডিমের ডিশ তৈরিতেও দক্ষতা থাকে অনেক সময়।

প্যান্ট্রি শেফ

মূল দক্ষতাঃ সালাদ জাতীয় ডিশ।

সস শেফ

মূল দক্ষতাঃ সস ও গ্রেভি।

পেস্ট্রি শেফ

মূল দক্ষতাঃ ডেজার্ট জাতীয় খাবার।

ফিশ শেফ

মূল দক্ষতাঃ মাছের ডিশ।

মিট শেফ

মূল দক্ষতাঃ রোস্ট ও হালকা ভাজি করে বানানো মাংসের ডিশ।

ফ্রাই শেফ

মূল দক্ষতাঃ ভাজি করে বানানো খাবার (মাছ-মাংস)।

গ্রিল শেফ

মূল দক্ষতাঃ সরাসরি তাপ দিয়ে পুড়ানো খাবার (মাছ-মাংস)।

বুচার শেফ

মূল দক্ষতাঃ মাংস কাটা। মূলত বড় আকারের হোটেল-রেস্টুরেন্টে এ পদ থাকে।

Categories
Career

প্রফেশনালিজম কী ও কীভাবে অর্জন করবেন?

ক্যারিয়ারে সাফল্য পাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো প্রফেশনালিজম। এটি একক কোন গুণ নয়। বরং বেশ কয়েকটি গুণের সমষ্টি। আপনি যে ধরনের পেশাতেই যান না কেন, আপনার কাছ থেকে নিয়োগদাতা ও সহকর্মীরা প্রফেশনালিজম প্রত্যাশা করবেন। নিয়মিত চেষ্টা করলে এটি আয়ত্ব করা সম্ভব।

প্রফেশনালিজম বলতে কী বোঝায়?

প্রফেশনালিজম হলো কর্মক্ষেত্রে আপনার সামগ্রিক আচরণ। আপনার অফিসে আসার সময় থেকে শুরু করে সহকর্মীদের সাথে কীভাবে কাজ করছেন – সবকিছু এর অন্তর্ভুক্ত। প্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি এক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে সবসময় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এটি নিয়ন্ত্রিত হয় না। বরং আপনার সচেতনতা এখানে বেশি জরুরি।

আপনার নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি, সহকর্মী ও কাস্টমার কিংবা ক্লায়েন্ট – সবার সামনে নিজেকে ঠিকভাবে উপস্থাপন করার জন্য প্রফেশনালিজমের গুরুত্ব রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকাশ পায় –

আপনি কাজের বেলায় কতটা দায়িত্বশীল ও নির্ভরযোগ্য;

আপনার আন্তরিকতা ও ভালো সম্পর্ক তৈরি করার সামর্থ্য;

আপনার কাজ ও প্রফেশনাল চিন্তাভাবনার ধরন।

প্রফেশনালিজম কীভাবে অর্জন করবেন?

প্রফেশনালিজমের জন্য সার্বজনীন কোন নিয়ম বা মানদণ্ড নেই। তবে বেশ কিছু কাজের মাধ্যমে আপনার প্রফেশনাল আচরণ প্রকাশ পায়।

ঠিক সময়ে কাজে উপস্থিত থাকুন।

আপনি অফিসে কাজ করুন বা বাসায় বসে ফ্রিল্যান্সিং করুন, কাজের জন্য একটি সময় নির্ধারিত থাকে। সে সময়ে আপনার উপস্থিতি নিশ্চিত করুন। এর অর্থ হলো, আপনি অন্যদের সময়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাই সময়ের কথা খেয়ালে রাখুন। প্রয়োজনে অ্যালার্ম ব্যবহার করুন।

ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করুন।

ইতিবাচক মনোভাবে আপনার কাজের পারফরম্যান্স ভালো করতে সাহায্য করে। তাই নিজের কাজ ও দায়িত্ব নিয়ে বিরক্ত না হয়ে যথাসম্ভব ধৈর্য সহকারে কাজ করুন। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে প্রয়োজনে ছোট বিরতি নিন।

কর্মক্ষেত্র ছাড়াও আপনার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন থাকে। সেখানে কোন সমস্যা দেখা দিলে তা যেন আপনার কাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। সম্ভব হলে ছুটি নেবার চেষ্টা করুন।

………………………………………….
বাকিটা জানতে ভিজিট করুন এখানে-

প্রফেশনালিজম কী ও কীভাবে অর্জন করবেন?

Categories
Career

বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি ইংরেজি

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়টির জন্য ৩৫ নম্বর বরাদ্দ থাকে। একটু কৌশলে প্রস্তুতি নিলে এ অংশে আপনি ভালো নম্বর নিশ্চিত করতে পারবেন। এ লেখা থেকে জেনে নিন ইংরেজি অংশের প্রস্তুতি কীভাবে নিতে পারেন।

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজি অংশকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:

ইংরেজি বিষয়ের ভাগবরাদ্দকৃত নম্বর

ইংরেজি গ্রামার ২০
ইংরেজি সাহিত্য ১৫

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ইংরেজি অংশের জন্য কী পড়তে হবে?

ইংরেজি গ্রামারের জন্য যেসব বিষয় পড়তে হবে, সেগুলো হলো:

ইংরেজি ভোকাবুলারি থেকে প্রশ্ন আসে। সাথে ইংরেজি শব্দের Synonyms, Antonyms, Spelling, Prefixes, Suffixes সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে;

Parts of Speech থেকে Noun, Pronoun, Adjective, Verb, Adverb, Preposition – এ বিষয়গুলোর উপর বেশি গুরুত্ব দিন;

Noun Clause, Adverbial Clause, Adjective Clause থেকে সাধারণত প্রশ্ন আসে;

Idioms and Phrases;

Correction and Transformation – এ দুইটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু প্রিলিমিনারি নয়, বরং লিখিত পরীক্ষার জন্যও। Tense, Subject Verb Agreement, Sentence Correction, Narration, Right Forms of Verbs, Voice ইত্যাদি অংশ থেকে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে;

Gender ও Number – এ অংশ থেকে ব্যতিক্রমী নিয়মের উপরে সাধারণত প্রশ্ন আসে;

ইংরেজি গ্রামারের বিভিন্ন বিষয়ের ব্যতিক্রমী নিয়মগুলোর উপর নজর রাখা উচিত।

ইংরেজি সাহিত্যের জন্য যেসব বিষয় পড়তে হবে:

বাংলাদেশে পরিচিত ইংরেজি সাহিত্যিকদের সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাঁদের বিখ্যাত উক্তি, আলোচিত সাহিত্যকর্ম,জীবনী, উপাধি ইত্যাদি;

ইংরেজি সাহিত্যের বিকাশকে কয়েকটি যুগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন, রেনেসাঁ পিরিয়ড, রোমান্টিক পিরিয়ড ইত্যাদি। এসব যুগের সাহিত্যকর্মের ধরন ও আলোচিত লেখক নিয়ে প্রশ্ন আসে;

সাহিত্যের নানা পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ও তাঁদের বই। যেমন, নোবেল সাহিত্য পুরস্কার কিংবা বুকার পুরস্কার ইত্যাদি;

বিভিন্ন দেশের জাতীয় কবি/লেখক;

ইংরেজি সাহিত্যের মহাকাব্য, শোককাব্য ইত্যদি;

সাহিত্য সংক্রান্ত বিশেষ কিছু শব্দ বা টার্ম নিয়ে জানতে হবে। যেমন, Metaphor, Allegory ইত্যাদি।

Categories
Career

গার্মেন্টস কোয়ালিটির ট্রেনিং কোথায় নেবেন?

বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশের কারণে কর্মসংস্থানের সুযোগ বেশ বড়। চাহিদা রয়েছে এমন চাকরিগুলোর একটি হলো গার্মেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোলারের কাজ। এ পেশায় আসতে হলে আপনার উচিত যথাযথ ট্রেনিং নেয়া। কোথায় গার্মেন্টস কোয়ালিটির ট্রেনিং নিতে পারেন, সে বিষয়ে জেনে নিন এখানে।

গার্মেন্টস কোয়ালিটির ট্রেনিং বলতে কী বোঝায়?

মার্চেন্ডাইজারের কাছ থেকে নেয়া পোশাক যেন অর্ডারের মানদণ্ড (যেমন, সঠিক মাপ ও আকার) অনুযায়ী তৈরি করা হয়, তার জন্য শ্রমিকের কাজ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করাকে গার্মেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল বলে। অর্থাৎ তৈরি পোশাকের সামগ্রিক মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত পুরো প্রক্রিয়াকে কোয়ালিটি কন্ট্রোল বলা হয়। এ ব্যাপারে দক্ষ হলে সফল কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসার হিসাবে কাজ করতে পারবেন।

তৈরি পোশাক খাতে গার্মেন্টস কোয়ালিটি –

পণ্যের মান নিশ্চিত করে।

সঠিক সময়ে ডেলিভারি নিশ্চিত করে।

কোম্পানির সম্পদের সঠিক ব্যবহারে সাহায্য করে।

উৎপাদন খরচ কমায়।

অপচয় রোধে সহায়তা করে।

ক্রেতার গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে সাহায্য করে।

যেখানে পাবেন গার্মেন্টস কোয়ালিটির ট্রেনিং

এ বিষয়ে সরাসরি ট্রেনিং নেবার সুযোগ তুলনামূলকভাবে সীমিত। তবে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বেশ কিছু শর্ট কোর্সে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আবার টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি নেবার সময় গার্মেন্টস কোয়ালিটি নিয়ে পড়ানো হয়।

শর্ট ট্রেনিং

টেক্সটাইল টুডে ট্রেনিংয়ে মূলত কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্টের উপর ট্রেনিং নিতে পারবেন। সদ্য গ্র্যাজুয়েট থেকে শুরু করে গার্মেন্টসের মালিক – এ ট্রেনিং সবার জন্য উন্মুক্ত। ফী হিসাবে দিতে হবে ৳৫,৯০০।

বিডিজবস কোয়ালিটি কন্ট্রোল নিয়ে ওয়ার্কশপ আয়োজন করে। এ খাতে কাজ করতে আগ্রহী যে কেউ অংশ নিতে পারবেন এতে। ফী সাধারণত নির্ভর করে ট্রেনিংদাতার উপর।

ডিপ্লোমা

সরকারি-বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি নেবার ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট। ৬ মাসব্যাপী এ কোর্সের ফী ৩০ হাজার টাকা। গ্রাজুয়েশন করা থাকলে আপনি কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন।

স্নাতক

বাংলাদেশের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সবচেয়ে পরিচিত প্রতিষ্ঠান বুটেক্স (BUTEX) থেকে ও এর অধীনে ঝিনাইদহ, নোয়াখালী, পাবনা, চট্রগ্রাম ও বরিশাল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি দেয়া হয়।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET), ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (DUET), মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ আছে।

বাংলাদেশে মোট ১৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা করা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (AUST), বিজেএমইএ ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বিটিএমএ দ্বারা পরিচালিত ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ (NITER) বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম টেক্সটাইল শিক্ষাবিষয়ক ইনস্টিটিউট।

ট্রেনিং বা কোর্সগুলোতে যা শিখতে পারবেন

কোয়ালিটি কন্ট্রোলের প্রক্রিয়া;

গার্মেন্টস ডিজাইন, ফিটিং ও মাপের গুরুত্ব;

পোশাক তৈরিতে বিভিন্ন ধরনের ভুল;

ফ্যাব্রিকের মান ও খুঁত নির্ণয়;

কাঁচামাল ও উপকরণের (যেমন, তুলা ও সুতা) মান;

ডায়িংয়ের গুণগত মান ঠিক রাখার উপায়;

কাটিংয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা;

প্রিন্টিং, অ্যামব্রয়ডারি, স্যাম্পলিং ও ওয়াশিংয়ের মান ঠিক রাখার উপায়।

তৈরি পোশাকের মান নিশ্চিত করা জটিল একটি কাজ। কিন্তু ট্রেনিং নেবার মাধ্যমে আপনি এ বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারেন, যা আপনাকে গার্মেন্টস কোম্পানিগুলোতে সহজে কাজ পেতে ভূমিকা রাখবে।

Categories
Career

ক্যাড (CAD)

ক্যাড হচ্ছে কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন (Computer-aided design)। এর মাধ্যমে ডিজাইনার বা টেকনিশিয়ানরা যে কোন যন্ত্র, স্থাপনা বা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাপ্লিকেশনের টু ডি বা থ্রি ডি ডিজাইন তৈরি করতে পারে। বর্তমান সময়ে যে কোন জিনিসের প্রোটোটাইপ তৈরি করা বেশ ব্যয়বহুল হতে পারে। আবার কাগজে করা নকশনা ভালোভাবে বোঝা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই আজকাল সকল ডিজাইনের ক্ষেত্রেই অটোক্যাড ব্যবহৃত হয়।

কোথায় ক্যাড প্রয়োজন হয়?

শিল্প-কারখানা, নানা ধরনের ম্যানুফ্যাকচারিং ফার্ম, ইন্টেরিয়র ফার্ম, কন্সট্রাকশন ফার্ম, আর্কিটেকচারাল ফার্ম, সার্ভেয়িং ফার্ম – সর্বত্রই এখন অটোক্যাড ডিজাইনারদের চাহিদা রয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব কাজ তারা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে করিয়ে নেয়।

ইউএস ব্যুরো অফ লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৪-২০২৪ সালের মধ্যে আর্কিটেকচারাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডের কাজের সুযোগ ৩ ভাগ কমলেও ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক খাতে সুযোগ শতকরা ৫ ভাগ বাড়বে।

ক্যাডে কেমন কাজ করতে হবে আপনাকে?

বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের কাজ ক্যাড দিয়ে করা যায়। যেমনঃ

রাস্তা-ব্রীজসহ বিভিন্ন কন্সট্রাকশন সাইটের ডিজাইন

কলকারখানার মেশিন ও যন্ত্রপাতির ডিজাইন

বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ভেতরের সার্কিট ডায়াগ্রামের ডিজাইন

গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশের ডিজাইন

বাড়ির নকশা বা ইন্টেরিয়র ডিজাইন

ক্যাডের কাজ কোথায় পাবেন?

ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সারসহ আরো বহু অনলাইন মার্কেটিং সাইট রয়েছে। এগুলোতে ক্লায়েন্টরা তাদের কাজের বর্ণনা দেন ও সে অনুযায়ী ডিজাইনার খোঁজেন। এছাড়া গ্র্যাবক্যাডসহ কিছু সাইটে ডিজাইনারেরা ব্যক্তিগত কাজের নমুনা প্রদর্শন করতে ও বিক্রি করতে পারেন।

ক্যাডে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কেমন আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে?

নিয়মিত কাজ করলে মাসে ৪০-৫০ হাজার টাকা উপার্জন করতে পারেন। তবে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে তা এক-দুই লাখ টাকাও হতে পারে। যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে প্রতিযোগিতা বেশি, সেহেতু ক্লায়েন্ট পেতে হলে আপনাকে হতে হবে দক্ষ ও সৃজনশীল। এছাড়া সব সময় চেষ্টা করবেন সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার।

ক্যাডের জন্য কোন সফটওয়্যার শিখবেন?

ক্যাডের জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার দরকার হয়। যেমনঃ

অটোক্যাড (AutoCAD)

অটোক্যাড ইনভেন্টর (AutoCAD Inventor)

সলিডওয়ার্ক্স (SolidWorks)

সলিড এজ (Solid Edge)

ফ্রিক্যাড (FreeCAD)

টার্বোক্যাড (TurboCAD)

কোথায় শিখবেন ক্যাডের কাজ?

ক্যাড নিয়ে কাজের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু আপনার যদি কোন প্রফেশনাল ডিগ্রি বা ট্রেনিং থাকে, তবে সেটা অবশ্যই ভালো।

যেহেতু ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরেই ক্যাডের ব্যবহার বেশি, কাজেই যন্ত্র প্রকৌশল কিংবা পুর প্রকৌশল ডিগ্রি থাকলে কাজ পেতে সুবিধা হবে। বাংলাদেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যন্ত্র ও পুর কৌশল বিভাগে অটোক্যাড বা সলিডওয়ার্ক্স শেখানো হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশে তেমন স্বনামধন্য ক্যাড প্রশিক্ষণ কেন্দ্র না থাকলেও ছোট ও মাঝারি আকারের বহু প্রতিষ্ঠান এর উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

Categories
Career

ওয়েব ডিজাইন

একজন ওয়েব ডিজাইনার ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য পরিকল্পনা, ডিজাইন ও কোডিং করে থাকেন। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে ওয়েব ডিজাইনের আন্তর্জাতিক মার্কেট যথেষ্ট বড়।

কোথায় ওয়েব ডিজাইন প্রয়োজন হয়?

ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশন দেখতে কীরকম হবে, তা একজন ওয়েব ডিজাইনার ঠিক করেন। আপনি ফেসবুকে ঢুকলে যে নীল-সাদা রঙের ইন্টারফেস দেখতে পান, তার পেছনে রয়েছে ওয়েব ডিজাইনের কাজ।

ওয়েব ডিজাইনে কেমন কাজ করতে হবে আপনাকে?

ওয়েব ডিজাইনে সাধারণত আপনাকে যেসব কাজ করতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে –

ওয়েবপেইজ/ওয়েবসাইট/অ্যাপ্লিকেশনের প্রাথমিক লেআউট তৈরি করা;

প্রয়োজনে প্রজেক্টের জন্য গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন কিংবা ডিজিটাল ফটোগ্রাফি ডিজাইন করা;

প্রয়োজনীয় কোড লেখা;

দরকার হলে কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নিয়ে কাজ করা;

প্রজেক্ট বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ওয়েবসাইট/অ্যাপ্লিকেশনের ডিজাইনের সামঞ্জস্য বজায় রাখা;

ওয়েবপেইজ/অ্যাপ্লিকেশনের বিভিন্ন কন্টেন্ট এডিট করা ও বারবার এর কার্যকারিতা যাচাই করা।

ওয়েব ডিজাইনের কাজ কোথায় পাবেন?

আপওয়ার্ক কিংবা গুরু ডট কমের মতো প্লাটফর্মগুলোতে কাজ খুঁজে নিতে পারেন আপনি।

ওয়েব ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কেমন আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে?

একজন স্বল্প অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার চাইলে নিয়মিত কাজ করে প্রতি মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা উপার্জন করতে পারেন। কিন্তু দক্ষ হলে লাখ টাকার উপরেও উপার্জন সম্ভব। এজন্য অবশ্যই একটি সুন্দর পোর্টফোলিও থাকা চাই।

ওয়েব ডিজাইনের জন্য কী কী টেকনিক্যাল স্কিল দরকার?

প্রজেক্টের উপর টেকনিক্যাল জ্ঞানের ধরন নির্ভর করে। এরপরও সাধারণ উদাহরণ হিসাবে নিচের স্কিলগুলোর কথা বলা যায় –

কোডিং: HTML, CSS, JavaScript, jQuery, Dreamweaver

ডিজাইন ও গ্রাফিক্স: Photoshop, Illustrator, InDesign

কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: WordPress, Drupal, Joomla

বহু ক্ষেত্রে অ্যাপ্লিকেশন তৈরির কোডিং (যেমনঃ PHP, Python) নিয়েও ধারণা থাকার দরকার হয়।

কোথায় শিখবেন ওয়েব ডিজাইনের কাজ?

ওয়েব ডিজাইনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার থেকে কাজের দক্ষতা ও জ্ঞান বেশি জরুরি। কিন্তু এরপরও কম্পিউটার সায়েন্স, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, মাল্টিমিডিয়া ডিজাইন, ডিজিটাল মিডিয়া প্রোডাকশন, ইনফরমেশন টেকনোলজি বা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং- এগুলোর কোন এক বিষয়ে ডিগ্রি থাকলে আপনার জন্য এ পথে আসা সহজ হবে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার থেকে সবচেয়ে বেশি জরুরি হলো কাজের পোর্টফোলিও থাকা।

Categories
Career

ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিং প্রথম পর্ব

ইন্টারনেটের যুগে প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির বাইরে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং করে থাকেন। এর সবচেয়ে ভালো দিক হলো, দক্ষতা থাকলে যে কেউ খুব ভালো আয় করতে পারেন। এছাড়া রয়েছে নিজের পছন্দের কাজ করার সুবিধা। এবারের লেখায় জেনে নিন ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিং করার প্রাথমিক কিছু তথ্য। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন ও ক্যাড নিয়ে আপনি যদি কাজ করতে চান, তাহলে এ লেখা থেকে উপকৃত হবেন। আজকের পর্বে থাকছে গ্রাফিক ডিজাইন।

গ্রাফিক ডিজাইন

প্রচার ও প্রসারের এ যুগে ভিজুয়াল কন্টেন্টের চাহিদা অনেক। ফ্রিল্যান্সিংয়ে তাই গ্রাফিক ডিজাইনারহিসাবে কাজের যথেষ্ট সুযোগ পাওয়া সম্ভব।

কোথায় গ্রাফিক ডিজাইন প্রয়োজন হয়?

ভিজিটিং কার্ড

ব্যানার

লিফলেট

বইয়ের প্রচ্ছদ

প্রোডাক্টের প্রাথমিক ডিজাইন

ওয়েবসাইটে ব্যবহারের ছবি

ডিজিটাল বিজ্ঞাপন

গ্রাফিক ডিজাইনে কেমন কাজ করতে হবে আপনাকে?

ক্লায়েন্টের জন্য ডিজাইনের প্রাথমিক লেআউট তৈরি করা;

গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন কিংবা ডিজিটাল ফটোগ্রাফি ডিজাইন করা;

প্রজেক্ট বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ডিজাইনের সামঞ্জস্য বজায় রাখা।

গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ কোথায় পাবেন?

গ্রাফিক্স ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি সাইট। যেমনঃ

নাইন্টি নাইন ডিজাইনস (99designs)

আপওয়ার্ক (Upwork);

ফাইভার (Fiverr)

গ্রাফিকরিভার ডট কমে চাইলে নিজের ডিজাইন বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া বিড করে কাজ পাবার যোগ রয়েছে ফ্রিল্যান্সার আর গুরু ডট কমে।

গ্রাফিক ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কেমন আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে?

অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আপনি একটি লোগো ডিজাইন করলে ৫০ থেকে শুরু করে ২ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় হতে পারে। তবে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে আয় আরো বেশি।

একটি ওয়েবসাইটটের প্রথম পেইজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন করে পাওয়া যায় ২০০ ডলার থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত।

ফ্রিল্যান্সার হিসাবে একজন ভালো মানের গ্রাফিক ডিজাইনার মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে আয় করতে পারেন এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা।

গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য কী কী টেকনিক্যাল স্কিল দরকার?

কাজের উপর টেকনিক্যাল জ্ঞানের ধরন নির্ভর করে। সাধারণত যেসব গ্রাফিকস সফটওয়্যারে দক্ষতা দরকার হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে –

Adobe Photoshop

Adobe Illustrator

Adobe InDesign

Adobe PageMaker

GIMP

Inkspace

CorelDRAW

QuarkXPress

QuarkXPress

কোথায় শিখবেন গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ?

গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য ইউটিউবে অনেক টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। তাই ঘরে বসেই এ কাজ শিখতে পারবেন। এছাড়া আছে লিন্ডা ডট কম বা টিউটস প্লাসের মতো কিছু সাইট।

ঢাকায় বিভিন্ন মেয়াদের কোর্স করার ব্যবস্থা আছে এ বিষয়ে। এছাড়া গ্রাফিক আর্টস ইন্সটিটিউট থেকে প্রিন্টিং টেকনোলজিতে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ডিগ্রি দেওয়া হয়।

Categories
Career

ইমেইল লেখা যে ৫টি বিষয়ে খেয়াল রাখবেন

পেশাগত প্রয়োজনে আমাদের প্রতিনিয়ত ইমেইল আদান-প্রদান করতে হয়। এক্ষেত্রে ছোটখাটো ভুল অনেক বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ভালোভাবে ইমেইল লেখা তাই সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কাজটা খুব একটা কঠিন নয়। ইমেইল লেখার প্রয়োজনীয় ৫টি বিষয় সম্পর্কে আজ জেনে নেয়া যাক।

১. পরিষ্কারভাবে ইমেইলের বিষয় লিখুন।

যথাসম্ভব সংক্ষেপে প্রাপককে ইমেইলের মূল বিষয় সম্পর্কে জানান। তাহলে তিনি ইমেইল না পড়েই তার গুরুত্ব ও বক্তব্য সম্পর্কে প্রাথমিক একটা ধারণা পাবেন। যেমন, আপনি কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানতে চাইছেন। এক্ষেত্রে ইমেইলের বিষয় হিসাবে “Request for Information about Career Opportunities” লিখতে পারেন।

অস্পষ্ট ও অগোছালো শব্দ বা বাক্য ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। যেমন, আপনি কারো কাছে একটি রিপোর্ট পাঠাচ্ছেন। বিষয় হিসাবে “Important Document” লিখলে ইমেল না পড়ে প্রাপকের পক্ষে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বোঝা কঠিন।

২. ইমেইলে আনুষ্ঠানিক সম্বোধন ব্যবহার করুন।

“Hey”, “Hi guys” বা “Yo” ইত্যাদি সম্বোধন খুবই অনানুষ্ঠানিক ও ঘরোয়া। এগুলো পেশাদার ইমেইলে কখনো ব্যবহার করবেন না। শুধু “Hello” বা “Hi”-এর মতো সাধারণ সম্বোধন দিয়েই ইমেইল শুরু করতে পারেন।

কারো ডাকনাম বা নামের সংক্ষিপ্ত আকার ব্যবহার করা অনুচিত। যেমন, “Hello Michael”-এর জায়গায় “Hello Mike” লেখা উচিত নয়। প্রাপক যদি পেশাদার ক্ষেত্রে এভাবে নিজের পরিচয় দেন, তবেই শুধু এমন সম্বোধন যথার্থ।

৩. ভাষা ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।

এমন ভাষা ব্যবহার করবেন না যাতে প্রাপক তা ভুলভাবে বোঝার সুযোগ পান। আপনার সোজাসুজি কোন বক্তব্যও প্রাপকের কাছে কর্কশ মনে হতে পারে।

লেখার সময় নেতিবাচক শব্দ এড়িয়ে যান। যেমন, ‘failure’, ‘wrong’, ‘rejected’, ‘delay’ ইত্যাদি। সুবিধানুযায়ী “please” শব্দটি ব্যবহার করুন। সাহায্য পেলে প্রাপককে ধন্যবাদ দিন।

যেসব শব্দ ব্যবহার করলে মনে হতে পারে আপনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী নন, সেগুলো উল্লেখ না করা শ্রেয়। যেমন, ‘Just’, ‘Actually’, ‘Kind of’, ‘Hopefully’ ইত্যাদি।

……………………………………..

এই আর্টিকেলের বাকিটা পড়তে ভিজিট করুন এখানে-

ইমেইল লেখা: যে ৫টি বিষয়ে খেয়াল রাখবেন

Categories
Career

বাংলাদেশে এসএমই লোন পাবার যোগ্যতা কী?

যেকোন ব্যবসার প্রয়োজনীয় পুঁজি সংগ্রহের যেসব মাধ্যম রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো ব্যাংক। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের ও আকারের ব্যবসার জন্য ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ পাওয়া সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার জন্য রয়েছে এসএমই (Small Medium Enterprise) লোন পাবার ব্যবস্থা। এক নজরে জেনে নিন বাংলাদেশে এ ধরনের লোন পাবার যোগ্যতাগুলো সম্পর্কে।

এসএমই লোন পাবার যোগ্যতা

আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।

আবেদনকারীকে একজন করদাতা হতে হবে।

বৈধ ব্যবসা হতে হবে। অর্থাৎ একক মালিকানা/পার্টনারশিপ/প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হতে হবে।

আবেদনকারীর বয়স ২১ – ৬৫ বছর হতে হবে। ব্যাংকভেদে বয়সের সীমা আলাদা হয়।

ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন অথবা ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার সনদের মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকতে হবে।

কমপক্ষে দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসম্বলিত উদ্যোগ বা ব্যবসা হতে হবে। ব্যাংক অনুযায়ী এ নীতি আলাদা হয়।

পর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মী থাকা জরুরি।

আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে পূর্ব সুনাম থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ মাসিক বিক্রি বা আয় থাকা দরকার।

উদ্যোগ সম্পর্কে উদ্যোক্তার সঠিক ও পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।

ব্যবসার নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সম্পদ থাকতে হয় অনেক সময়। সাধারণত ৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু হয় এর পরিমাণ।

তথ্যসূত্রঃ ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড

Categories
Career

পার্ট-টাইম চাকরির সুযোগ কোথায় থাকে?

সময়ের সাথে আমাদের দেশের চাকরির বাজারে বহু পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের কারণে নতুন ধরনের কাজের উদ্ভব ঘটেছে। পার্ট-টাইম চাকরির সুযোগ হলো এমন একটি ধারা। সাধারণত শিক্ষার্থী ও নির্দিষ্ট পেশায় ফুল-টাইম চাকরি না করা মানুষরা নিজেদের উপার্জন বাড়াতে কিছু সময় বরাদ্দ রাখেন এ চাকরিগুলোর জন্য। এমন কিছু কাজ নিয়ে জানুন এবারের লেখায়।

কল সেন্টার অ্যাসিস্ট্যান্ট

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাস্টমারদের সহায়তা দিয়ে থাকে কল সেন্টারগুলো। স্বাভাবিকভাবে বড় আকারের জনবল দরকার হয় তাদের। আপনার যদি যোগাযোগের দক্ষতা ও ধৈর্য থাকে, তাহলে পার্ট-টাইম চাকরি হিসাবে কল সেন্টার অ্যাসিস্ট্যান্টের কাজ নিতে পারেন।

সেলস অ্যাসিস্ট্যান্ট

সাধারণত ব্র্যান্ডের শোরুমগুলোতে এমন চাকরির সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের বিক্রি বাড়ানো এর মূল কাজ। এখানে ভালো করতে কথা দিয়ে কাস্টমারদের প্রভাবিত করায় দক্ষ হতে হবে আপনাকে।

ড্রাইভার ও ডিসপ্যাচ এজেন্ট

Uber আর Pathao-র মতো রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলোর সুবাদে পার্ট-টাইম ড্রাইভার হিসাবে কাজ করা আগের চেয়ে সহজ হয়েছে। এছাড়া, খাবার আর পার্সেল ডেলিভারিতেও কাজে আসবে আপনার গাড়ি চালানোর দক্ষতা।

ওয়েটার

রেস্টুরেন্ট ও কফি শপগুলোতে ওয়েটার হিসাবে খাবার পরিবেশনার কাজ করার জন্য মনোযোগ ও মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। এর কারণ হলো, আপনাকে একই সাথে দুই-তিন টেবিলের কাস্টমারদের স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

টিউটর

একটা সময় পর্যন্ত ভালো উপার্জনের সুপরিচিত একটি ক্ষেত্র ছিলো প্রাইভেট টিউটরিং। বর্তমানে বিভিন্ন কোচিং সেন্টার ও স্কুলে পার্ট-টাইম টিউটর হিসাবে যোগদান করা সম্ভব। আপনার অ্যাকাডেমিক সাফল্য এক্ষেত্রে বড় কাজে দেবে।

ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্সট্রাক্টর/ট্রেইনার

ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, জাপানিজ কিংবা চীনা – যে ভাষাতেই আপনি দক্ষ হোন না কেন, সে দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ভালো আয় করতে পারবেন। ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানিও এ চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে থাকে।

ট্যুর গাইড

ঘোরাঘুরি করতে কিংবা নতুন জায়গায় যেতে পছন্দ করলে সেটাকে পার্ট-টাইম চাকরিতে রূপ দিতে পারেন। ভালো ট্যুর গাইড হবার জন্য বিভিন্ন জায়গার খুঁটিনাটি তথ্য জানা থাকা দরকার।

কপিরাইটার

বিভিন্ন মার্কেটিং ও অ্যাডভার্টাইজিং এজেন্সি বর্তমানে জুনিয়র কপিরাইটার পদগুলোতে শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দিয়ে থাকে। এগুলোতে কাজ পেতে আপনাকে আকর্ষণীয় ভাষায় কোন কিছু উপস্থাপন করার কাজে দক্ষ হতে হবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট

মূলত সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর আধিপত্যের কারণে কোম্পানিগুলো সেখানে বড় আকারে নিজেদের মার্কেটিং করাতে চায়। এর জন্য নিয়মিত কন্টেন্ট ও পোস্ট শেয়ারিং করতে হয় তাদের। ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম বা ইউটিউবের বিভিন্ন ফিচার ব্যবহারে দক্ষ হয়ে থাকলে ও অভিনব উপায়ে প্রচারণা চালানোর দক্ষতা থাকলে আপনিও ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসাবে পার্ট-টাইম চাকরি করতে পারেন।

পার্ট-টাইম চাকরির সুযোগ খুঁজবেন কোথায়?

চাকরি খোঁজার ওয়েবসাইট ও অন্যান্য কিছু মাধ্যমে এমন কাজের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়ে থাকে। এগুলোতে নিয়মিত খোঁজ নিতে পারেন।

………………………………………………

ক্যারিয়ার জন্য দরকারি এমন আরো তথ্যবহুল লেখা পড়তে ভিজিট করুন এখানে-

https://www.careerki.com/category/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1/

Categories
Career

স্বল্প খরচে বিদেশে কাজ যা করবেন, যা করবেন না

কাজ করার উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের দেশ থেকে প্রতি বছর বহু মানুষ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে। এর জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া। কিন্তু ভুলবশত অনেকে প্রতারণার শিকার হন। তাই আপনি যদি স্বল্প খরচে বিদেশে কাজ করার সুযোগ খোঁজেন, তাহলে কিছু ব্যাপারে সতর্ক থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। জেনে নেয়া যাক এ ব্যাপারগুলো।

বিদেশে কাজের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কী করবেন?

– শুধুমাত্র সরকার নিবন্ধিত এজেন্ট বা সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিদেশে যাবার প্রক্রিয়া নিয়ে যেসব সংস্থা কাজ করে, তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

– কম খরচে পাসপোর্ট বানানোর জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি দিয়ে নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন।

– বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে আপনার কাজের ধরন, চুক্তি, সুবিধা, ছুটি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে ধারণা নিন।

– নির্দিষ্ট দেশে শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফি রয়েছে। তাই আপনার কাঙ্ক্ষিত দেশে যেতে সর্বনিম্ন কত খরচ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, তার খোঁজ রাখুন।

– জনশক্তি ও কর্মসংস্থান ব্যুরোতে নিজের নাম নিবন্ধন করে স্মার্ট কার্ড ও ছাড়পত্র সংগ্রহ করুন।

– চাকরিদাতা সংস্থা বা ব্যক্তির সাথে চুক্তিবদ্ধ হবার আগে চুক্তিনামা ভালোভাবে পড়ে বোঝার চেষ্টা করুন।

– ওয়ার্ক পার্মিট ছাড়া অবৈধভাবে বহু লোক প্রতি বছর বিদেশে কাজ করতে গিয়ে প্রতারিত হন। তাই চুক্তির আগে বা দেশ ছাড়ার আগে ওয়ার্ক পারমিট দেখে ও বুঝে নিন।

– ভিসার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দিতে বললে দূতাবাস নির্ধারিত ক্লিনিক থেকেই স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন সংগ্রহ করুন।

– ভিসা পাবার পর সে ভিসা যাচাই করুন। মনে রাখুন যে, শ্রমিক ভিসা ছাড়া অন্য ভিসায় কাজ করা অবৈধ। তাই নির্দিষ্ট দেশে ভিসার প্রকার ও কাজের ভিসার ব্যাপারে জানুন।

– নির্দিষ্ট দেশে ও শিল্পে কাজের সুযোগ পেতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন।

– যে দেশে যেতে ইচ্ছুক সে দেশের ভাষা রপ্ত করার চেষ্টা করুন।

……………………………………………..

বাকি অংশ “বিদেশে কাজের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কী করবেন না?” তা জানতে ভিজিট করুন এখানে-

স্বল্প খরচে বিদেশে কাজ: যা করবেন, যা করবেন না

Categories
Career

ব্যাংকিং খাতে চাকরি যেমন হয়

ভালো বেতন, সামাজিক সম্মান, চাকরির নিরাপত্তা আর দ্রুত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ – সব মিলিয়ে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাংকিং খাতে চাকরি এখন বেশ আকর্ষণীয়। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যাংকের সংখ্যা। এসব ব্যাংকে রয়েছে দক্ষ জনবলের প্রচুর চাহিদা। সদ্য স্নাতক পাশ করা যেকোন যোগ্য প্রার্থী ব্যাংকের চাকরিতে আসতে পারেন। জেনে নিন বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের এন্ট্রি লেভেলের নিয়োগ সম্পর্কে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এন্ট্রি লেভেলের চাকরি

বাংলাদেশ ব্যাংকে শুরুতেই সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ দেয়া হয়। ব্যাপক প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আপনাকে উত্তীর্ণ হতে হবে এ পদের জন্য।

যে কোন বিষয়ে ৪ বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারীরা এ পদের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে শিক্ষা জীবনের কোন পর্যায়ে ফলাফল তৃতীয় বিভাগে হয়ে থাকলে আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া, টেকনিক্যাল পদের জন্য আলাদা করে চাকরি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে মাসিক বেতন প্রায় ৪০ হাজার টাকা। আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সুবিধাপ্রাপ্তদের জন্য এ সীমা ৩২ বছর।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর এন্ট্রি লেভেলের চাকরি

বাংলাদেশের ১৪ টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে থাকে ব্যাংকারস’ সিলেকশন কমিটি (BSC)। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সাধারণত কয়েকটি ব্যাংকের শূন্য পদের জন্য সমন্বিত পরীক্ষা হয় ও মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া হয়।

ব্যাংকারস’ সিলেকশন কমিটির পরীক্ষায় স্নাতক ডিগ্রিধারী যে কেউ পরীক্ষা দিতে পারে। তবে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের পরীক্ষায় ন্যূনতম একটিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। উল্লেখ্য যে, কোন পর্যায়েই তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

সুপারভাইজার, অফিসার ও সিনিয়র পদেও নিয়োগ দেয়া হয় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে। এছাড়া আইটি স্পেশালিস্ট, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ও অ্যাকাউন্টিং শাখায় বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি থাকা আবশ্যক।

ব্যাংকারস’ সিলেকশন কমিটির সব নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর ও মুক্তিযোদ্ধা কোটা সুবিধাপ্রাপ্তদের জন্য ৩২ বছর।

…………………………………….

বেসরকারি ও বিদেশী ব্যাংকগুলোর এন্ট্রি লেভেলের চাকরি এবং ব্যাংকিং খাতের চাকরিতে সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আরো জানতে ভিজিট করুন এখানে-

ব্যাংকিং খাতে চাকরি যেমন হয়

Categories
Career

সমস্যা সমাধানের দক্ষতা কী ও কীভাবে অর্জন করবেন?

প্রতিটি সেক্টরের প্রায় সব পেশার কর্মীদের কাছে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা চান নিয়োগদাতারা। ক্যারিয়ারে সাফল্য নিশ্চিত করার জন্য এ দক্ষতা অর্জন করা আপনার জন্য অবশ্যই জরুরি।

সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বলতে কী বোঝায়?

কাজের ক্ষেত্রে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা সমস্যা ঠিকভাবে সামাল দেবার সামর্থ্যকে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বলা হয়। তবে এটি একক কোন দক্ষতা নয়। বরং বেশ কয়েকটি দক্ষতার সমন্বয়ে এ সামর্থ্য তৈরি হয় (এ কারণে ইংরেজিতে একে বলা হয় “Problem Solving Skills”)। যেমন:

সৃজনশীলভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা

মনোযোগ দিয়ে অন্যের বক্তব্য অনুধাবন করার সামর্থ্য

গবেষণার দক্ষতা

বিশ্লেষণী ক্ষমতা

যোগাযোগের দক্ষতা

সিদ্ধান্ত নেবার দক্ষতা

দলগত কাজে দক্ষতা

যেকোন ক্যারিয়ারের যেকোন পর্যায়ে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা কাজে আসে। সে কারণে আপনি যে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন, সে ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কিত জ্ঞান থাকা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, আপনি যদি একজন প্যাথলজিস্ট হয়ে থাকেন, তাহলে রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতির ব্যবহার আপনাকে জানতে হবে।

সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়া কী?

সমস্যার জটিলতার ভিত্তিতে সমাধান নির্ধারিত হয়। তবে সাধারণ কিছু ধাপ রয়েছে।

১. সমস্যার কারণ ও ধরন নির্ণয়

এ ধাপে মূলত আপনি সমস্যার অস্তিত্বকে স্বীকার করবেন। সমস্যাটি কতটা জটিল, এর ধরন ও প্রভাব চিহ্নিত করতে হবে আপনাকে। অর্থাৎ পুরো সমস্যার একটি পরিষ্কার ধারণা পেতে হবে। এর জন্য দরকার:

প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংগ্রহ করা;

সমস্যার সাথে পরিচিত মানুষদের সাথে কথা বলা;

সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করা।

২. সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান বের করা

এ ধাপে আপনাকে সমস্যার সম্ভাব্য কয়েকটি সমাধান দাঁড় করাতে হবে। আপনি যদি কোন দলের সাথে কাজ করেন, তাহলে তাদের মতামত বিবেচনায় আনা জরুরি। বিশেষ করে জটিল সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীদের অংশগ্রহণ আপনার প্রক্রিয়াকে সাহায্য করবে।

৩. সমাধান নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ

এ ধাপে আপনার গবেষণা ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সমাধান ঠিক করবেন। সময়, খরচ ও প্রয়োজনীয় জনবলসহ বিভিন্ন বিষয় মাথায় রাখতে হবে এর জন্য। এর ভিত্তিতে তৈরি করতে হবে পরিকল্পনা।

………………………………………………………
বাকিটা পড়তে ভিজিট করুন এখানে-

সমস্যা সমাধানের দক্ষতা কী ও কীভাবে অর্জন করবেন?

Categories
Career

এনজিও নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে

ব্র্যাক, আশা কিংবা প্রশিকার মতো সংস্থাগুলোর নাম আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। এ এনজিওগুলো দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। কাজের ক্ষেত্র বড় আর চ্যালেঞ্জিং হবার কারণে এ খাতে ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা থাকে অনেকের। কিন্তু এনজিও নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া সময়ের ব্যাপার। এ প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে এক নজরে দেখে নিই এবারের লেখায়।

এনজিওগুলোতে চাকরির ধরন কেমন হয়?

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এনজিওগুলোর কাজ করার ক্ষেত্র বিশাল। চাকরির ধরনও আলাদা হয়। যেমন, একটি এনজিও যদি মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে, তাহলে স্বাভাবিকভাবে তাদের প্রতিনিয়ত আইনি জটিলতার সমাধান করতে হয়। এ কারণে এসব এনজিওতে আইনজীবীর পদ থাকা প্রয়োজন। আমাদের দেশে এনজিওগুলো সাধারণত যে ক্ষেত্রগুলো নিয়ে কাজ করে, সেগুলো হলো:

শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা

বয়স্ক শিক্ষা

বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ

স্বাস্থ্য সেবা

পরিবার পরিকল্পনা

মা ও শিশুর টিকাদান

মাদকাসক্তি নিরাময়

শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতা

নারী উন্নয়ন

নারী নির্যাতন প্রতিরোধ

ক্ষুদ্র ঋণ ও দারিদ্র্য বিমোচন

গ্রামীণ উন্নয়ন

নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন

ত্রাণ ও পুনর্বাসন

শ্রম ও কর্মসংস্থান

কৃষি উন্নয়ন

সামাজিক বনায়ন

পরিবেশ রক্ষা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

কাজের ক্ষেত্রগুলোর ভিত্তিতে এনজিওগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন রকমের চাকরির সুযোগ। যেমন:

প্রোগ্রাম/প্রজেক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট

ট্রেনিং অ্যাসিস্ট্যান্ট

ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর

কমিউনিটি এনগেজমেন্ট অফিসার

কিছু ক্ষেত্রে স্পেশালাইজড পদে নিয়োগ দেয়া হয়। যেমন, স্বাস্থ্য সেবার উপর কাজ করা এনজিওগুলোতে ডাক্তার।

তাছাড়া এনজিওর চাকরিতে কোন ধরনের যোগ্যতা ও দক্ষতার দরকার হয় তা বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এখানে-

এনজিও নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে

Categories
Career

লেখালেখিতে ভালো করার উপায়

সফল ক্যারিয়ার গঠনে যোগাযোগের দক্ষতা বড় ভূমিকা রাখে। শুধু মুখের কথা দিয়ে নয়, আপনার কলমের জোরও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। লেখালেখিতে দক্ষ হলে আপনি অ্যাকাডেমিক বা প্রফেশনাল কাজে অনেকটাই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। তবে এমন দক্ষতা বাড়াতে চাইলে কয়েকটি বিষয়ের উপর জোর দিতে হবে আপনাকে। লেখালেখিতে ভালো করার উপায় নিয়ে সংক্ষেপে জেনে নিন এবারের লেখায়।

১. যত বেশি সম্ভব, পড়ুন।

লেখালেখিতে ভালো করার আগে আপনাকে একজন ভালো পাঠক হতে হবে। বিভিন্ন ধরনের লেখা পড়ার অভ্যাস থাকলে মানসম্মত লেখা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ। এছাড়া আপনি নতুনভাবে কোন কিছুকে দেখতে শিখবেন। এটি আপনার কল্পনাশক্তি আর সৃজনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

২. বিশ্লেষণী চিন্তাভাবনা গড়ে তুলুন।

যেকোন বিষয় সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করতে শিখুন। কোন কিছু পড়া বা শোনামাত্র বিশ্বাস না করে তার যথার্থতা যাচাই-বাছাই করে নিন। এতে করে নিজস্ব চিন্তাধারা তৈরি হবে আপনার, লেখালেখিতে যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

…………………………………………………….

বাকিটুকু পড়তে ভিজিট করুন এখানে-

লেখালেখিতে ভালো করার উপায়