Categories
Puzzle

আজীবিক ধর্ম।

খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে ভারতে বৈদিক ধর্মের বিরুদ্ধে নানা প্রতিবাদ দেখা যায় এবং বহু নতুন নতুন ধর্মের উদ্ভব হয়। এই ধর্মমত গুলির মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন ও জনপ্রিয় ছিল “আজীবিক ধর্মমত”। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গোশাল। সামান্য একটি পরিবারে জন্ম গোশাল প্রথম জীবনে মহাবীরের বন্ধু ছিলেন। গৌতম বুদ্ধের সমসাময়িক এই গোশালের মৃত্যু হয় সম্ভবত খ্রি:পূ: ৪৮৪ অব্দে।

প্রথমে আজীবিকদের প্রধান কর্মস্থান অঙ্গ ও অবন্তীর মধ্যবর্তী অঞ্চল ছিল। মৌর্য সম্রাট অশোক ও পরে দশরথ এই ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। অশোক তাঁর শিলালিপিতে আজীবকদের প্রতি সৎ আচারনের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া আজীবিকদের উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায় মিলিন্দ পনহো গ্রন্থেও।

আজীবিকদের নিজস্ব কোন ধর্মীয় গ্রন্থ ছিল না। এরা বিশ্বাস করত, নিয়তি মানুষের ভবিষ্যতকে ঘিরে রেখেছে। এদের বিশ্বাস ছিল, মানুষ সৎভাবে কয়েকটি জন্ম কাটালে মানুষ নিয়তি বা কর্মফলের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে।

এই আজীবিকরা সন্নাস ও তপস্যার উপর জোর দিতেন। এদের ধর্মমত ছিল, হতাশা থেকে জাত ও নেতিবাচক। এতে নিয়তিবাদ বড়োই প্রবল ছিল। মানুষের উদম ও কর্ম এতে শিথিল হয়ে যেত। গোশাল এবং আজীবিক সন্নাসীরা যে ধর্মমত প্রচার করতেন, তা নিয়তিবাদ নামেও পরিচিত।

এই আজীবিকরা পাএ নিয়ে ভিক্ষায় বের হতেন এবং দু’হাতে ভিক্ষা গ্রহন করতেন। আজীবিকরা স্বহস্তে চুল উপড়ে ফেলা এবং উত্তপ্ত ধাতু পিন্ডকে হাতে ধারন করার মতো কঠিন কাজ করে আজীবিক ধর্মমতের দিক্ষা গ্রহন করতেন। অনেক সময় এরা উপবাসের মধ্যে দিয়ে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরন করতেন। আজীবিকদের হাতে বাঁশের লাঠি থাকত, তাই এদের একদন্ডিও বলা হত। কিছু কিছু বনিক এবং মহিলারাও এই ধর্মমতের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন।

জাতিভেদ ও শ্রেণীভেদের সমালোচনা করায় শূদ্র ও অস্পৃশ্যরা এই ধর্মমতের প্রতি আনুগত্য হয়ে পড়েন।আজীবিকরা মানুষের কর্মফল ও জন্মান্তর সমস্যা সমাধানের পথ নির্দেশ না করায় এর জনপ্রিয়তা কমে যায় এবং পরে বৌদ্ধ ও জৈন ধর্ম এই ধর্মমতের বিরোধীতা করায় এই ধর্মের অবলুপ্তি ঘটে।

কেমন লাগলো আজীবিকদের কাহিনী তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অপরকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত।
তথ্যসূত্র : প্রাচীন ভারতের ইতিহাস।
লেখক : সুনীল চট্টোপাধ্যায়।

ইতিহাসের কথাকে কোনো কিছু জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন।

টেলিগ্রাম চ্যানেল লিঙ্ক : t.me/itihasherkotha
টেলিগ্রাম গ্রুপ লিঙ্ক : t.me/itihasherkothagroup

Youtube channel :

https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Personal Twitter :

https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Puzzle

আত্মজীবনীর ইতিকথা।

●ইতিহাসের যা কিছু সর্বপ্রথম, পর্ব – ৪ ;

“ইতিহাসের যা কিছু সর্বপ্রথম” এর ১, ২ ও ৩ পর্বগুলো যারা দেখেননি, তারা এই প্রোফাইলটি ভিজিট করে দেখে আসতে পারেন।

আজকে আমরা আলোচনা করবো প্রথম কবে, আত্মজীবনী লেখা হয়েছিল এবং আত্মজীবনী সম্পর্কে আরো কিছু জানবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

◇ সর্বপ্রথম আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ১৬৯২ খ্রিস্টাব্দে।

সম্ভবত প্রথম আত্মজীবনীটি লেখা হয় ১৩৭৬ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজি ভাষায়। তবে ওই আত্মজীবনীটি প্রকাশিত হয়নি। শুধু তাই নয়, ১৯৫৫ সালের আগে সেটির সন্ধানও কেও জানতেন না। এলিজাবেথীয় যুগের সঙ্গীত পরিচালক টমাস হোয়াইর্থন এর লেখা ওই আত্মজীবনীটি পাণ্ডুলিপি আকারে পড়েছিলো এতদিন। জেমস অসবর্ন নামক এক ব্যক্তি পাণ্ডুলিপিটির সন্ধান পেয়ে সেটি উদ্ধার করেন এবং ১৯৫৫ সালে সেটি নিলামে তোলা হয়। বর্তমানে সেটি “অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি” র বদলেইন লাইব্রেরির সম্পত্তি।

বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের কবি বৃন্দাবন দাস, কৃত্তিবাস ইত্যাদি কেও কেও তাদের কাব্যের ভনিতায় যে আত্মকথা প্রকাশ করেছেন তাকে ঠিক আত্মজীবনী বলা যাবে না। ইউরোপীয় ধারায় ভারতীয়দের প্রথম লেখা আত্মজীবনী গুলো ইংরেজিতে রচিত। এর মধ্যে শশীচন্দ্র দত্তের Romenisenses of a kerani’s life এবং লালবিহারিদ এর Riqaleksons of Alexander Duf অবশ্যই উল্লেখযোগ্য।

বাংলা ভাষায় প্রথম আত্মজীবনীটি সদ্ভাব শতকের কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের ( ১৮৩৮ – ১৯০৬ ) রাশ নামে লেখা রাঃ সঃ র ইতিবৃত্ত। প্রায় একই সময়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাদের আত্মজীবনী গুলো প্রকাশ করেন। বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীটির নাম ছিলো বিদ্যাসাগর রচিত এবং প্রকাশিত হয়েছিলো ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দে আর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনীটির নাম ছিলো আত্মজীবনী। সেটির নাম ছিলো আত্মজীবনী আর এটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে।

কেমন লাগলো আজকের এই আয়োজন তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Twitter : https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন।

টেলিগ্রাম গ্রুপ লিংক : t.me/itihasherkothagroup
টেলিগ্রাম চ্যানেল লিংক : t.me/itihasherkotha

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Puzzle

অর্ধনমিত পতাকা।

●ইতিহাসে যা কিছু সর্বপ্রথম। পর্ব – ৩ ;

ইতিহাসের যা কিছু সর্বপ্রথম , পর্ব ১ ও ২ যারা দেখেননি তারা এই প্রোফাইলটি ভিজিট করে দেখে নিতে পারেন।

আজকে ইতিহাসের কথা আপনাদের সাথে আলোচনা করবে সর্বপ্রথম অর্ধনমিত পতাকা কবে রাখা হয়েছিল এবং তার পিছনে কী কারণ ছিল। তাহলে চলুন শুরু করা যাক ;

●সর্বপ্রথম পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে গ্রিনল্যান্ডে।

বর্তমানে জাতীয় বা রাষ্ট্রীয় শোক ছাড়াও এখন দলীয় বা সংগঠনের কেও মারা গেলেও শ্রদ্ধা জানাতে পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। শোক শ্রদ্ধা প্রকাশের জন্য পতাকা অর্ধনমনের প্রথম ঘটনা কিন্তু আকস্মিকভাবেই এক শোকাবহ দুর্ঘটনার মধ্যে দিয়ে সূচিত হয়।

ক্যাপ্টেন জেমস হল হাটসিজ ও পেসেন্স নামে দুটি জাহাজ নিয়ে অভিযানে বেরিয়ে ছিলেন উত্তর-পশ্চিম জলপথের সন্ধানে। সেটা ছিল ১৬১২ সালের ঘটনা। র তার সেই অভিযান কিন্তু শেষ পর্যন্ত শুভ হয়নি। জুলাই মাসে গ্রীনল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে তার হাটসিজ জাহাজ পৌঁছলো। কিন্তু এখানেই এস্কিমোদের হাতে খুন হলেন ক্যাপ্টেন জেমস হল। দলনেতার এই শোচনীয় মৃত্যুর পর হাটসিজ জাহাজের ক্রুরা নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাহাজের পতাকা অর্ধেকটা নামিয়ে রাখে। আর সেটাই ছিল পতাকা অর্ধনমিত রাখার প্রথম ঘটনা।

কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

তথ্যসূত্র : জ্ঞান-বিজ্ঞান।
লেখক : শামীম আহমেদ।

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো কিছু জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন।

টেলিগ্রাম চ্যানেল লিংক : t.me//itihasherkotha

টেলিগ্রাম গ্রুপ লিংক : t.me//itihasherkothagroup

My Personal Kotha Accounts :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Puzzle

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস।

● ইতিহাসে যা কিছু সর্বপ্রথম। পর্ব ২ ;

“ইতিহাসের যা কিছু প্রথম – পর্ব-১” যারা দেখেননি তারা এই প্রোফাইল টি ভিজিট করে দেখে নিতে পারেন।

আজকে আমরা আলোচনা করবো যে ইতিহাসের সর্বপ্রথম ধর্মঘট কবে, কোথায় এবং কেনো হয়েছিল। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

◇ সর্বপ্রথম ধর্মঘট হয় ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতের কলকাতায়।

ঠিক কবে কোথায় বিশ্বের প্রথম ধর্মঘট হয়েছিল সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার গৃহনির্মাণ শিল্পে নিযুক্ত শ্রমিকরা দশ ঘন্টা কাজের দাবিতে যে ধর্মঘট করেন সেটিকেই বিশ্বের অন্যতম প্রথম সংগঠিত ধর্মঘট বলা হয়ে থাকে। তবে ওই বছরেই কলকাতায় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পালকি বাহকরা যে ধর্মঘট করেন, তাকেই প্রথম ধর্মঘট বলে চিহ্নিত করা হয়।

১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১লা মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৮ ঘন্টা কাজের দাবিতে যে শ্রমিক ধর্মঘট হয় তা পৃথিবীর শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তাই পহেলা মে সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে ছুটি পালিত হয়।

কেমন লাগলো আজকের আলোচনা তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন, অন্যকে জানান।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

তথ্য : জ্ঞান-বিজ্ঞান।
লেখক : শামীম আহমেদ।

টেলিগ্রাম এ যেকোন বিষয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

টেলিগ্রাম লিঙ্ক : t.me//itihasherkothagroup

My Personal kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Puzzle

অনশন ধর্মঘট।

● ইতিহাসে যা কিছু সর্বপ্রথম। পর্ব ১ ;

আজ থেকে ইতিহাসের কথা ইতিহাসে যা কিছু সর্বপ্রথম এপিসোড শুরু করছে। এতে করে আপনারা অনেক কিছু প্রথমবারের মতো কবে, কোথায়, কিভাবে হয়েছিলো তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আজকের আলোচনায় আপনারা জানতে পারবেন সর্বপ্রথম অনশন ধর্মঘটের ইতিহাস। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

অনশন ধর্মঘট সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে।

অনাদি সেই অতীত থেকেই মানুষ ধর্মীয় আচার হিসেবে অনশন পালন করে আসছে। বিশ্বের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যেই সবরকম ভোগ ত্যাগ করে উপবাসে দিন কাটানোর বিধি আছে। হিন্দুদের মধ্যে যেমন একাদশী, অমাবস্যা, পূর্ণিমা অথবা বিশেষ দিনে উপবাস করার নিয়ম আছে, তেমনি মুসলমানরা রমজান মাসে একমাস রোজা রেখে উপবাস করেন। অন্যদিকে জৈন ও বৌদ্ধদের মধ্যেও রয়েছে অনশন বিধি। ইহুদিদের মধ্যে মোজেসই প্রথম পাপস্খালনের জন্য অনশন পালনের নির্দেশ দেন এবং যিশুখ্রিষ্ট পরবর্তীকালে খ্রিস্টানদের মধ্যেও মোসেজ প্রবর্তিত এই অনশন চালু করেন। তা এখন ভক্তিযোগ হিসেবে পরিচিত। এমনিভাবে মানবজাতির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে প্রায় প্রতিটি জাতি, গোষ্ঠী না বা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যেই কোনো না কোনোভাবে অনশন পালনের ব্যবস্থা থাকে।

কিন্তু অনশনকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বা দাবি আদায়ের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের প্রথম নজিরটি পাওয়া যায় রাশিয়ায়। সেটা ঘটেছিলো ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে। রাশিয়ার সিংহাসনে রয়েছেন তখন জার আলেকজান্ডার (১৮৮১-১৮৯৪)। সেই সময় কারাজেলে আটক মহিলা বন্দিরা অনশন পালন করলে তাদের জোর করে খাইয়ে দেয়া হয় বলে নজির আছে।

কেমন লাগলো আজকের এই আয়োজন তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো কিছু জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন।

Telegram channel Link : t.me//itihasherkotha
Telegram Group link : t.me//itihasherkothagroup

Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Puzzle

বিপ্লবী ১৫২৬ – ২০০৩

কিছুদিন ধরে ইতিহাসের কথা অফিসিয়াল একাউন্টে যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করেছি। তাই ভাবলাম আপনাদের সবগুলো যুদ্ধের সালসমূহ জানিয়ে দিই। তথ্যসমূহ একটি ভেরিফাইড ফেসবুক একাউন্ট থেকে কালেক্টেড। কোনো ভুল হলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

→পানিপথের ১ম যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
__১৫২৬ সালে।
পানি পথের ২য় যুদ্ধ সংঘটিত হয়.?
→১৫৫৬ সালে।
পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়.?
→১৭৫৭ সালে।
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়.?
→১৭৬৪ সালে।
ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়.?
→১৭৮৯ সালে।
ওয়াটার লু যুদ্ধ সংঘটিত হয.?
→১৮১৫ সালে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়.?
→১৯১৪ সালে।
রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়.?
→১৯১৭ সালে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়.?
→১৯৩৯ সালে।
চীনের বিপ্লব সংঘটিত হয়.?
→১৯৪৯ সালে।
আফগানিস্তানের ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়.?
→১৯৭৩ সালে।
ইরানের ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়.?
→১৯৭৯ সালে।
ইরাক-মার্কিন যুদ্ধ শুরু হয়.?
→২০০৩ সালে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : আপনি যদি প্রথম পানিপথের যুদ্ধ এবং আফগানিস্তানের ইসলামী বিপ্লব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে আমাদের প্রোফাইল ভিজিট করে আসতে পারেন। পূর্ববর্তী পোস্টে আলোচনা করা হয়েছে।

আশা করি ভালো লেগেছে। শেয়ার করে সকলকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো কিছু জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন।

Telegram Group & Channel : ইতিহাসের কথা।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ভিজিট করে আসতে পারেন। এ বিভিন্ন লিভিংলিজেন্ডদের সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। আশা করি ভালো লাগবে।

ইউটিউব লিংক :
https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

My Personal kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Puzzle

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ ।

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের পানিপথ শহরটি ইতিহাসে বিখ্যাত দুটি কারণে।

●মহাভারতে বলা হয়েছে প্রাচীন এই নগরটির প্রতিষ্ঠা হয়েছে পঞ্চপাণ্ডবদের দ্বারা।

●এই উন্মুক্ত প্রান্তরেই ইতিহাসের সাড়া জাগানো তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। 1526 সালে বাবুরের বিরুদ্ধে দিল্লি সালতানাতের সুলতান ইব্রাহিম লোদী যুদ্ধে নামেন। এছাড়াও এই পানিপথ সাক্ষী রয়েছে আরও দুই যুদ্ধের,যা সংঘটিত হয় যথাক্রমে 1556 এবং 1761 সালে। এই দুই যুদ্ধ ইতিহাসে পানিপথের দ্বিতীয় এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত।

‘পানিপথের প্রথম যুদ্ধ’এ দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে বাবুর প্রথমবারের মতো ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

তবে পানিপথের প্রথম যুদ্ধ স্মরণীয় হয়ে আছে ভারতে প্রথমবারের মতো কোনো যুদ্ধে কামান ও গোলাবারুদ ব্যবহারের উচ্চভিলাষী পরিকল্পনার জন্য এবং সেটি করেছিলেন ‘জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর’।

লোদীর বাহিনীর মোকাবিলা করার আগে বাবর বেশকিছু পরীক্ষামূলক ছোট ছোট অভিযান করে বাবর এবার চূড়ান্ত অভিযানের জন্য তার সেনাবাহিনী প্রস্তুত করতে লাগলেন। ইতিমধ্যে ইব্রাহিম লোদীও তার লক্ষাধিক সৈন্য নিয়ে চোখ রাঙ্গাছিলেন। মোঙ্গল,তুর্কি এবং ভারতীয় সৈনিকদের সমন্বয়ে গড়া বাবরের বাহিনী ছিল সুপ্রশিক্ষিত এবং আত্মবিশ্বাসী। অন্যদিকে লোদীর সৈন্য ছিল অপেশাদার। দিল্লি সুলতানকে গুঁড়িয়ে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের পানিপথ শহরের নিকটে 1526 সালের 21শে এপ্রিল বাবর এই যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। চতুর বাবর লোদীর বিশাল বাহিনীকে মোকাবিলা করার জন্য ডানদিকে পরিখা খনন করে বামদিকে তার সৈন্যদের ডান,বাম ও মধ্য ধাপে ভাগ করে পুরো দিল্লি বাহিনীকে ঘিরে ফেলেন চতুর্দিক থেকে। বাবরের 15 হাজার সৈন্যের যুদ্ধসাজে ভীত হয়ে দিল্লির সুলতান প্রায় 1 লক্ষ সৈন্য ও শ-খানেক যুদ্ধবাজ হাতি নিয়ে পানিপথের দিকে অগ্রসর হন।

লোদীর বিশাল বাহিনীকে মোকাবিলা করতে বাবর চমৎকার কৌশল গ্রহণ করেন। ময়দানের কৌশলগত স্থানে তিনি পরিখা খনন করেন এবং সেই পরিখাগুলোর বাঁকে বাঁকে প্রায় শ-পাঁচেক গরুর গাড়ি বেঁধে রাখেন। দুইটি গরুর গাড়ির অন্তর ম্যাচলকম্যানদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।এই যুদ্ধে বাবর অটোমানদের বিখ্যাত ‘তুঘলুমা’ যুদ্ধকৌশল অবলম্বন করেন। এই কৌশল দ্বারা পদাতিক সৈন্যদের ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা যায় ,যার ফলে বড়ো দলকে সাহায্য করার জন্য প্রয়োজনীয় সাহায্য লাভ করা যায়। প্রথমেই লোদী তার হস্তীবাহিনী লেলিয়ে দেয় বাবরের সৈন্যদের উপর। কিন্তু তখনও অবধি লোদী বুঝতে পারেননি যে কি আকাল তার জন্য অপেক্ষা করছে। ইব্রাহিম লোদীর হস্তীবাহিনীর উপর উপমহাদেশে এই প্রথম কামান ব্যবহার করা হয়। বাবরের গোলন্দাজবাহিনীর আক্রমণে দিশেহারা হয়ে যায় দিল্লি সালতানাতের দল। কামানের শব্দে হাতিগুলি দিগ্বিদিক ছুটতে থাকে এবং দেখা যায় তাদের হাতির আঘাতেই পিষ্ট হয়ে মারা যাচ্ছে লোদীর সৈন্যদের বিশাল এক অংশ। ইব্রাহিম লোদীর অপরিপক্ক সেনাদল,যার অধিকাংশই ছিল ভাড়া করা এবং যথাযথ পরিচর্যাহীন এবং খুব স্বাভাবিকভাবেই তারা পরাজিত হয় অসম সাহসীকতাপূর্ণ মুঘল বাহিনীর হাতে। যুদ্ধের এক পর্যায়ে সুলতান ইব্রাহিম লোদী নিহত হয়ে গেলে চূড়ান্তভাবে মুঘলদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে ঐতিহাসিক পানিপথের প্রান্তর। এতো সংখ্যক সৈন্য নিয়েও শুধুমাত্র বাবরের কৌশলের কাছে হার মানতে হয় ইব্রাহিম লোদীকে। আর এরই সাথে ভারতের ইতিহাস নতুন বাঁক নেয়।বাবর হয়ে যান বাদশাহ বাবর। উপমহাদেশে শুরু হয় গর্বিত মুঘল সাম্রাজ্য। এক ভাগ্যহারা সাধারণ সৈনিকের হাতে রচিত হয় ভারতের সোনালি অধ্যায়।

কেমন লাগলো ১ম পানিপথের যুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পেরে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। সকলকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।
তথ্যসূত্র :- উইকিপিডিয়া।

আমার পার্সোনাল ইউটিউব চ্যানেলটি ভিজিট করে আসতে পারেন। সেখানে বিভিন্ন লিভিংলিজেন্ডদের সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। আশা করি ভালো লাগবে।

Youtube Channel Link :

https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো কিছু জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে জয়েন হতে পারেন।

Telegram Channel & Group : ইতিহাসের কথা।

My Personal kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Puzzle

পরিবেশের ক্রমাবনতি জন্যে আসলে মানুষই কি দায়ী?

পৃথিবীর পরিবেশ যে এক গভীর সংকটের সম্মুখীন, এবং এর জন্য মানবজাতির যে প্রধানত দায়ী, এবিষয়ে সন্দেহ নেই। তথাকথিত সভ্যতার প্রয়োজন মেটাতে আমরা প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় করে চলেছি, দূষণের মাত্রা উত্তরোত্তর বাড়িয়ে চলেছি, জীববৈচিত্র্যের ক্রমাবনতি ঘটিয়ে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্যকে পদে পদে বিঘ্নিত করে আমরা নিজেদের ভবিষ্যৎকেই অনিশ্চিত করে তুলছি।

কিন্তু এটা কি শুধু একটা সাম্প্রতিক ঘটনা? আসলে মানবসভ্যতার উন্মেষ থেকেই মানুষ প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে এসেছে। অবশ্য, শুরুতে তার ঊদ্দেশ্য ছিল প্রতিকুল পরিস্থিতিকে অনুকুল করা। কিন্তু এই প্রচেষ্টার ফলে, ইচ্ছাকৃত ভাবে না হলেও, সে পরিবেশের পরিবর্তন ঘটিয়েছে। আজকের মূল্যায়নে সেই পরিবর্তন প্রায়শই অশুভ।

এক সময় পৃথিবীতে ছিল অতিকায় ডাইনোসরদের রাজত্ব। প্রায় ছয় কোটি ষাট লক্ষ বছর আগে ভারা হঠাৎ বিলুপ্ত হয়ে যায়। উত্তরসূরী হিসেবে রেখে যায় নানা প্রজাতির পাখি। ডাইনোসরদের সঙ্গে আরও অনেক প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতিও পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

এই বিপর্যয়ের কারণ নিয়ে বিজ্ঞানীরা গত পঞ্চাশ বছর ধরে চিন্তা করছেন। এখনও ঐকমত্যে পৌছনো সম্ভব না হলেও একটি গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সঙ্ঘাতের ঘটনা অন্যতম কারণ হিসাবে উঠে আসছে। কারণ যা-ই হোক, মানুষের এ ব্যাপারে কোনও ভূমিকা নেই — কারণ মানুষের আবির্ভাব তখনও সুদূর ভবিষ্যতের গর্ভে।

ইতিহাসের কথার এই অফিসিয়াল ভেরিফাইড একাউন্টটিতে এর আগেও আদি মানুষের আবির্ভাব ও ক্রমবিকাশ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। তাও সংক্ষেপে কিছু বলি,

দু’লক্ষ বছর আগে পূর্ব আফ্রিকায় হোমো সাপিয়েন্সের উদ্ভব হয়। সত্তর হাজার বছর আগে তারা ইউরেশিয় ভূখণ্ডে পদার্পণ করে এবং সম্মুখীন হয় মানুষের অন্য প্রজাতি নিয়নডার্থালদের, যাদের উদ্ভব পাঁচ লক্ষ বছর আগে। কারিগরি কুশলতায় উন্নততর হওয়ায় হোমো সাপিয়েন্সরাই প্রাধান্য লাভ করে। ঠিক কী ঘটেছিল জানা না থাকলেও অন্তিম পরিণতি হল এই যে নিয়নডার্থালদের পৃথক অস্তিত্ব রইল না, এবং আজ দুই গোলার্ধে ছয় মহাদেপে হোমো সাপিয়েন্সই মানুষের একমাত্র প্রজাতি। যদিও জিনগত কারণে তাদের বিস্তর বৈচিত্র্য বর্তমান।

এজন্য আমরা এরপর ‘মানুষ’ বলতে হোমো সাপিয়েন্সকেই বোঝাব। আফ্রিকা তথা এশিয়া ও ইউরোপের দক্ষিণাংশে ছড়িয়ে পড়ার সময় মানুষ প্রকৃতি ও পরিবেশে তেমন পরিবর্তন ঘটায় নি, বরং চেষ্টা করেছে নিজেকে প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে। এজন্য সে চেষ্টা চালিয়ে গেছে নিজের প্রকৌশলকে উন্নততর করতে। প্রকৃতি ও পরিবেশও শিখেছে এই নবতম অতিথিটির সঙ্গে বোঝাপড়া করে নিতে।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
তথ্যসূত্র : ইউভাল নোয়া হারারি।
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

আজকের আলোচনা কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করে সকলকে জানার সুযোগ করে দিবেন।

আপনি চাইলে আমার পার্সোনাল ইউটিউব চ্যানেলটি ঘুরে আসতে পারেন। নিত্যনতুন কিছু জানতে পারবেন।আশা করি ভালো লাগবে।

Youtube Channel link :

https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

ইতিহাসের কথার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন।

Telegram Channel & Group : ইতিহাসের কথা।

Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Puzzle

নিজেই নিজের সফলতার আকাশ তৈরী করেছেন কুমার মঙ্গলম বিড়লা ।

আপনি যদি এই ইতিহাসটি ভিডিও আকারে দেখতে চান তাহলে নিচে দেয়া ইউটিউব লিঙ্কে ক্লিক করুন।

নাম : কুমার মঙ্গলম বিড়লা।

জন্ম ১৯৬৭ সালের ১৪ই জুন। বর্তমানে উনার বয়স ৫৩ বছরের কাছাকাছি। সুযোগকে সফলতায় পরিবর্তিত করার শক্তি কুমার মঙ্গলম বিড়লাকে সবার থেকে আলাদা করে। উনি এখন নিজের এই দক্ষতা নিজের ৩ সন্তানকে শেখাচ্ছেন ঠিক সেই ভাবে, যেভাবে দাবার বোর্ডে চক্রব্যুহ রচনা করা হয়।

উনি বলেন, আপনারা যদি নিজেদের দৌলত বাড়িয়ে তুলতে চান, তাহলে সুযোগকে সফলতায় পরিবর্তিত করার পদ্ধতি শিখুন। এই সিদ্ধান্তে উনি সেই সময় শিখেছিলেন, যখন উনার পিতা আদিত্য বিক্রম বিড়লার নিধন হয়ে পড়েছিল আর পারিবারিক ব্যাবসার সকল দায়িত্ব উনার কাঁধে এসে পড়েছিল। এখন কোনো কোম্পানির অধিগ্রহণ করা হোক বা বিজনেস বাড়ানো- সব কিছু কুমার মঙ্গলম বিড়লা নিজে সামলান।

এজন্য উনার সাথে কাজ করতে থাকা লোকেরা এমনটা মনে করেন যে, উনি যথেষ্ট স্থির প্রবৃত্তির ব্যক্তি এবং উনাকে সাধারণ লোকের মতোই দেখতে লাগে।

কিন্তু এতো কম বয়সে কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট সামলানো প্রচন্ড মুশকিলের কাজ হয়। তার পরেও কুমার মাঙ্গালাম বিড়লা নিজের ব্যবসাকে আন্তর্জাতিক স্তরে বিস্তার প্রদান করেছে। বর্তমানে উনার কোম্পানির টার্নওভার 1.7 আমেরিকান ডলার। যখন কি London Busniess School থেকে বার হওয়া যুবাদের সর্বদাই আগুনের উপর দিয়ে হাটতে হয়। কুমার ও সেই পথেই চলেছিলেন, যে পথকে উনার ৩ প্রজন্মের পূর্বপুরুষ-
• ঘনশ্যাম দাশ বিড়লা।
•বসন্ত কুমার বিড়লা।
•আদিত্য বিক্রম বিড়লা; রা বেছে নিয়েছিলেন।

কিছু লোকেদের এই ব্যাপারে সন্দেহ ছিলো যে, কুমার মাঙ্গালাম বিড়লা নিজের পূর্বপুরুষদের উত্তরাধিকার সামলাতে পারবেন কি না? কিন্তু উনি সেটা সামলে দেখিয়েছিলেন।

কারণ কুমার মঙ্গলম বিড়লা এমনটা মনে করতেন, সফলতা আর ধন-দৌলত আমাকে বদলাতে পারবে না।আমি নিজের পিতা আর বংশের সকল ভালো গুন্ উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত করেছি।

কেমন লাগলো আজকের আয়োজন! তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক ক এবং শেয়ার করুন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

কাহিনীটি ইউটিউব এ ভিডিও আকারে দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।

https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো কিছু জানতে বা জানাতে আমাদের টেলিগ্রামে জয়েন হতে পারেন।

Telegram Group & Channel : ইতিহাসের কথা।

Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Puzzle

শুন্য থেকে শিখরে কিভাবে সফর করলেন বিনোদ খোসলা ?

ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিজের কাছে চাকরি দেওয়াটা সকল ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয় না। কিন্তু ভারতের মিলিয়নার ব্যাবসায়ী বিনোদ খোসলা এটা করে দেখিয়েছে। আমেরিকার সিলিকন ভ্যালির বিখ্যাত ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম খোসলা ভেঞ্চার্স টোনি ব্ল্যায়ের কে নিজের এডভাইসর হিসেবে নিযুক্ত করেছে।

এ সম্বন্ধে টোনি ব্লেয়ারের বক্তব্য হচ্ছে, “গ্রীন টেকনোলজিতে অনেক বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। তা হোক সেটা লন্ডন হোক বা ক্যালিফর্নিয়া, চীন হোক বা ইন্ডিয়া।”

বিনোদ খোসলার জন্ম ২৮শে জানুয়ারী, ১৯৫৫ পুনেতে হয়েছিল। উনার বাবা একজন আর্মি ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই উনার টেকনোলজির প্রতি আগ্রহ ছিল। এজন্য উনি আই আই টি তে পড়াশুনা করেন আর তারপর “কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটি” থেকে বায়ো-মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডিগ্রি প্রাপ্ত করেন আর “স্ট্যানফোর্ড গ্রাজুয়েট স্কুল অফ বিজনেস” থেকে এম বি এ করেন।

শুরুতে উনি ৪০০ ছোট ছোট কোম্পানিতে চাকরির জন্য বায়োডাটা পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো জায়গা থেকেই কল আসেনি। তারপর সত্তরের দশকে উনি ৫০০০ টাকা নিবেশ করে ভারতে হাইটেক কোম্পানি শুরু করলে উনার সামনে বেশ কিছু সমস্যা এসেছিলো।

পরে উনি আমেরিকা চলে যান সেখানে উনি পার্টনারশিপে সান মাইক্রোসিস্টেম্স এর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন, যেটা কয়েক বছরের ভিতরেই বিশ্বের টপ আইটি কোম্পানির সূচিতে শামিল হয়ে পড়েন।

বিনোদ খোসলা বলেন, “আপনারা মার্কেটে ফলোয়ার বাড়াতে পারেন না। যে জিনিস বিক্রি হচ্ছে সেটাকে ফলো করে কোনো লাভ নেই। বড় সফলতা প্রাপ্ত করার জন্য রিস্ক নিতেই হয়।”

উনি আপডেট হয়ে থাকার জন্য প্রচুর পড়াশুনা করেন আর সময়ের ভালো ব্যবহার করেন। উনি নিজের ব্যবসাকে নিজের পরিবারের সমান মনে করেন। উনি বলেন, “সিঁড়ির কোনো পদক্ষেপ বিশ্রাম করার জন্য বানানো হয় না, বরং সেগুলো উপরে উঠার এক একটি মাধ্যম হয়।”

কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক করুন। শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : উইকিপেডিয়া থেকে কালেক্টেড।

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Telegram Group & Channel : ইতিহাসের কথা ।

My Personal YouTube Channel :

https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো কিছু জানতে এ জানাতে টেলিগ্রামে যুক্ত হতে পারেন। ইতিহাসের কথা থাকবে আপনার পাশে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে নিয়মিত বিভিন্ন লিভিংলিজেন্ডদের নিয়ে আলোচনা করা হয়। আশা করি চ্যানেলটি ভিজিট করবেন।

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡