Categories
History

চলো অ্যাসেম্বলি ভবন।

একুশে ফেব্রুয়ারী ; পর্ব – ৪ || আপনি চাইলে পূর্বের পোস্টটি এই লিংকে ক্লিক করে পড়ে আসতে পারেন।

লিংক :

https://link.kotha.app/app/feed/preview/5f3366cf33d50e0012c5a3b9

ধুলো, ঘাম, ধোঁয়া, চিৎকার, শ্লোগান আর বাতাসে ভাসা তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ এলাকার চেহারাই পাল্টে দিলো। শুরু হয়ে গেছে এক ধরণের অসম খণ্ডযুদ্ধ। ঢিল বনাম টিয়ার গ্যাস। বাইরে রাস্তায় সেই সঙ্গে লাঠিচার্জের অতিরিক্ত পাওনা। কিছুক্ষনের মধ্যেই আমতলা প্রায় শুন্য। মধুর ক্যান্টিনে তখনো দু চার জনকে দেখা যাচ্ছে। ওদিকে চেয়ে শেষ কয়েকজন ছাত্র দেয়াল টপকে ওপারে চলে গেলো। সেদিন আমতলা থেকে বেরিয়ে যাবার একই লক্ষ্য : চলো অ্যাসেম্বলি ভবন। আমতলা থেকে মেডিকেল ব্যারাক হয়ে বা না-হয়ে পরিষদ ভবনে পৌঁছানো, উদ্দেশ্য পরিষদ ভবন ঘেরাও।

কিন্তু কাজটি মোটেও সহজ ছিল না। প্রতি পদক্ষেপে বাধা। তাই খণ্ডযুদ্ধ বেশ জমজমাট হয়ে উঠলো যখন বিভিন্ন পথে ছাত্ররা ব্যারাক প্রাঙ্গনে এসে জমায়েত হতে শুরু করেছে, এসে পড়েছে ফুলার রোডের বুকে হাসপাতালের গেট বরাবর। পলিসি কিন্তু চুপচাপ কলাভবনের সামনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেনি। ওরাও দ্রুত এসে এদিকেই অবস্থান নিতে শুরু করেছে। অর্থাৎ সংঘর্ষ কলাভবনের সামনে থেকে মেডিকেল ব্যারাকের সামনের রাস্তা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে টিয়ার গ্যাসের অত্যাচার জবা ফুলের মত টকটকে লাল চোখের আবেদনে সাড়া দিতে গিয়ে সেবিকাদের হাত দিয়েই ইমার্জেন্সির “লিকুইড পারফিন” এর রিসার্ভ স্টক পর্যন্ত শেষ।

কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। :একুশে ফেব্রুয়ারী” র ৭ পর্বের আলোচনা জানতে আমাদের সাত থাকুন।

Reviewer : Nit Mahim
Photo : Collected from Pinterest.

Pinterest link : https://www.pinterest.com/its_me_nitmahim/

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে টেলিগ্রামে জয়েন হতে পারেন। আমরা সর্বদা আপনার পাশে থাকবো।

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha
Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

ওরাও প্রস্তুত।

একুশে ফেব্রুয়ারী ; পর্ব – ৩ || আপনি চাইলে পূর্বের পর্বটি এই লিংকে ক্লিক করে পড়ে আসতে পারেন।

লিংক : https://link.kotha.app/app/feed/preview/5f30c5e8c5e48a0012a96071

আমতলার সভা শেষে এবার বেরিয়ে যাবার পালা।পালা প্রাঙ্গনে সাজ সাজ রব। কে কার আগে বেরুবে সেই চিন্তা। শ্লোগানে শ্লোগানে আমপাতার ঠান্ডা মুখেও উত্তাপ।

বাইরে সুসজ্জিত পুলিশ অবস্থা সামলাতে পারছে না। এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাওয়া সবাইকে ধরতে না পারলেও অনেককেই তুলে নেয়া হচ্ছিলো অপেক্ষমান ট্রাকে।

এতক্ষন পর সত্যি শুরু হয়ে গেলো বিশৃঙ্খলা। একসঙ্গে অনেকে বেরুতে চাইছে, বেরিয়ে পড়ছে। ওরাও তাল সামলাতে না পেরে শুরু করেছে চিরাচরিত পুলিশি ব্যবস্থা লাঠিচার্জ। সেই সঙ্গে কাঁদানে গ্যাস। এদিক থেকে স্কুলের ছোট ছোট ছেলেরা পাল্টা জবাব দিচ্ছে একপাশে জমা করে রাখা খোয়ার স্তুপ থেকে ইট-পাটকেল বৃষ্টির সাহায্যে। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটছে। আরো দ্রুত। কলাভবন প্রাঙ্গন, আমতলা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। এতটা প্রতিরোধ আশা করেনি শান্তি রক্ষকের দল। তাই গ্যাসের পর গ্যাস শেল নামছে। চলছে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে মারার আর লাঠিচার্জের ধুমধাড়াক্কা। রেগেমেগে ক্রমাগত টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে ছুঁড়ে ওরা বাতাস বিষাক্ত করে ফেললো। ছেলেরা ছুতে নামছে বেলতলার ডোবায় রুমাল ভিজিয়ে নিতে। কেউ ছুটছে দক্ষিণ দিকে রেল লাইন ধরে। সামনে রাস্তার উপর থেকে অনেকেই সামনে এগুতে না পেরে তারের বেড়া ডিঙিয়ে একেবারে খেলার মাঠে। এরই মধ্যে বাতিব্যস্ত পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে ছোট্ট একটি দল মিছিলের মতই ছুটে চলেছে, বলা যায় ধেয়ে চলছে মেডিকেল কলেজ গেটের দিকে। মাথা ঠান্ডা কয়েকজন মধুর ক্যান্টিনের পাশ দিয়ে ভাঙা পাঁচিল ডিঙিয়ে একেবারে সটান হাসপাতাল প্রাঙ্গনে।

রিভিউতে : মাহিম।
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

কেমন লাগলো আশা করি কমেন্টে জানাবেন। ৭ পর্বের “একুশে ফেব্রুয়ারী” আলোচনাটি জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

পার্সোনাল কথা একাউন্ট :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

আমতলায় ছাত্রসভা।

২১শে ফেব্রুয়ারী ; পর্ব – ২ || আপনারা প্রথম পর্বটি এই লিঙ্কে ক্লিক করে পড়ে আসুন।

Link : https://link.kotha.app/app/feed/preview/5f2e21c133d50e0012c587dd

কলাভবনের সামনের রাস্তায় লাঠিহাতে সারিবদ্ধ পুলিশ। হয়তো সেই মুহূর্তে ঠিক কি করবে নির্দেশ না থাকায় ওরা ছাত্রছাত্রীদের ছোট ছোট দলগুলোকে তখন তাড়া করেনি। অবশ্য কিছুক্ষণের মধ্যেই ওদের প্রস্তুতি আরো জোরদার হয়। সহকর্মীদের পাশে অবস্থান নিতে থাকে কিছু সংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ।

ছাত্রদের অধিকাংশই রোদে দাঁড়িয়ে ছোট ছোট গ্রুপে কথাবার্তা চালাচ্ছে। কেও শান্ত গলায়, আবার কারো কণ্ঠে উত্তাপ। মধুর ক্যান্টিনে জটলা, তর্ক, চা, সিগারেট সবই চলছে। আলোচনার বিষয় একটিই, ১৪৪ ধারা ভাঙা কিংবা না ভাঙা। অধিকাংশই ভাঙার পক্ষে, মিছিলের পক্ষে।

হঠাৎ করে কে যেনো পিছন থেকে তাড়া দিলো সভার কাজ শুরু করে দেবার জন্য। অনর্থক শামসুল হক, নেওয়াজ খাঁন, কাজী গোলাম মাহবুবের সাথে তর্কে সময় নষ্ট না করে। শামসুল হক ফিরে তাকালেন। বুঝতে পারা গেলো না কে বা কারা কথাগুলো বলছে।

শুরু হয়ে গেলো আমতলার সভা। গাজিউল হক সভাপতি। আবারও শামসুল হক চেষ্টা করতে গেলে ছাত্রজনতার জন্যে ব্যর্থ হন। এরপর ছোট্ট অথচ তীব্র বক্তব্য রাখলেন মতিন সাহেব ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল নিয়ে পরিষদ ভবনে এগিয়ে যাবার পক্ষে। এবার সামাদ একই সুরে গাইলেন। ১৪৪ ধারার প্রস্তাব গৃহীত হলো। উপস্থিত ছাত্রদের অস্থিরতার কারণে পঞ্চাশ মিনিটে সভার কাজ দ্রুত শেষ করে সভাপতি গাজিউল হক তার অতি সংক্ষিপ্ত ভাষণ শেষে ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতেই সম্মিলিত কণ্ঠের উত্তেজিত ঘন্টার মতো শব্দগুলো বেজে উঠতে থাকলো : “ভাঙতে হবে”। সেই সঙ্গে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই”, “রাজবন্দীদের মুক্তি চাই” ইত্যাদি গগন-বিদারী হাঁক আমতলা-বেলতলা সরগরম করে তুললো।

কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন। ৭ পর্বের “২১শে ফেব্রুয়ারী” আলোচনাটি জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Reviewer : Nit Mahim.
Photo : collected from Pinterest.

ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো কিছু জানতে বা জানাতে নিম্নোক্ত লিংকে ক্লিক করে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সর্বদা থাকবো আপনার পাশে।

☆ 𝙤𝙛𝙛𝙞𝙘𝙞𝙖𝙡 :

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha

Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

Pinterest (𝒇𝒐𝒓 𝒉𝒊𝒔𝒕𝒐𝒓𝒚 𝒓𝒆𝒍𝒂𝒕𝒆𝒅 𝒑𝒊𝒏 & 𝒑𝒉𝒐𝒕𝒐) :
https://www.pinterest.com/its_me_nitmahim/

Gmail Account : [email protected]

☆ 𝙥𝙚𝙧𝙨𝙤𝙣𝙖𝙡 :

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim

Instagram :
www.instagram.com/_______badboy__

Twitter :
https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

☆ 𝙧𝙚𝙡𝙖𝙩𝙚𝙙 :

Related Facebook Page :
https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Related Youtube Channel : To know in a new way.

Personal kotha Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

সূর্য বিস্ফোরণের দিন।

নতুন পর্ব ; নাম – ২১শে ফেব্রুয়ারী। ৭ পর্বের আলোচনা জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

৮ই ফাল্গুন, ২১শে ফেব্রুয়ারী, বৃস্পতিবার। ফুলার রোড ও তার আশেপাশের ছাত্র এলাকা কুয়াশা-জাগা আবছা ভোরে স্তব্ধতায় ঢাকা। ছাত্রদের মনের গভীরে ঢেউ তোলা টেনশনের কোনো ইঙ্গিত সেখানে নেই। হরতালের সফল চেহারা সত্ত্বেও এই ছাত্র এলাকা দিয়েই যে দু-একটা রিক্সা যাতায়াত করছে না এমন নয়। ক্কচিৎ দু-একটা গাড়ি।

সেই আবছা ভোরেই মেডিকেল ব্যারাকের কয়েকজন ছাত্র পিকেটিং এর জন্য পথে নেমে এসেছে। আলী আজমল, নবাব হোসেনদের মতো একটু জঙ্গি চেহারার ছাত্র ছাড়াও শুকনো পাতলা আরো একজন রাস্তায় জমায়েত হয়েছে। উদ্দেশ্য, হরতালের চেহারাটা একটু দেখে নেয়া। সেদিন বাংলা-বিরোধী “মর্নিং হাউস” পত্রিকার “ভয়েস অফ ন্যাশন” লেখা “অস্টিন ভ্যান” গাড়িটাকে আজমল ও তার সঙ্গী ধাওয়া করেছিল ধরবে বলে। এমনকি ফুলবাড়ীয়া রেলস্টেশনগামী একটি রিক্সাকেও সে রেহাই দেয়নি।

রোদ উঠতেই ব্যারাকের দক্ষিণ-পশ্চিম গেট দিয়ে বকশীবাজারের দিক থেকে নবকুমার স্কুলের এবং জগন্নাথ কলেজের ছাত্র একে একে এসে জমায়েত হতে শুরু করেছে, কলাভবনে আমতলার সভায় যোগ দেবে বলে। পার্টিকর্মী মৃণাল বাড়রি এবং মেডিকেল কলেজের ছাত্র মঞ্জুর হোসেনের উচ্চকণ্ঠের হাসিও কেন জানি সেদিনকার জমাট অস্বস্তি ঝেড়ে ফেলতে পারেনি। সবার মুখেই ১৪৪ ধারা ভাঙ্গার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে।

বেলা বাড়তেই ছেলেরা নানা পথ ধরে কলাভবনের প্রাঙ্গনে হাজির হতে শুরু করেছে। কেও পেছনের রেল লাইন ধরে, কেও হাসপাতাল ও কলাভবনের মধ্যকার একটু ভাঙ্গা পাঁচিল ডিঙিয়ে। কেও কেও আবার মধুর ক্যান্টিনে পরিচিতদের সাথে আলাপ জমাচ্ছে। আমতলায় ভীড় জমাচ্ছে আস্তে আস্তে। স্কুল কলেজের ছেলেরা আসছে, মিছিল করে নয়, ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে।

রিভিউয়ার : মাহিম।
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে নেওয়া।

কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে আমাদের সাথেই থাকুন।

ইতিহাসের কথার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে নিম্নোক্ত সোশ্যাল মিডিয়ার লিঙ্কে ক্লিক করে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সর্বদা থাকবো আপনার পাশে।

☆ 𝙤𝙛𝙛𝙞𝙘𝙞𝙖𝙡 :

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha

Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

Pinterest ( For Some Historical Pin ) :
https://www.pinterest.com/its_me_nitmahim/

☆ 𝙥𝙚𝙧𝙨𝙤𝙣𝙖𝙡 :

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim

Imstagram :
www.instagram.com/_______badboy__

Twitter :
https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Related Fb Page :
https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Related Youtube Channel :
Search in Youtube “To know in a new way”

Personal Kotha Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

শুকনো বারুদে আগুনের ফুলকি ;

২৭শে জানুয়ারী, ১৯৫২ সাল। পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে তমিজুদ্দিনের সাথে খাজা নাজিমুদ্দিন, গলা মিলিয়ে উর্দু রাষ্ট্রভাষার পক্ষে বক্তৃতার পর আবার তিনি খবরের কাগজের শিরোনাম হয়ে উঠেন। অত্যন্ত আত্মপ্রত্যয়ের সাথে তিনি ঘোষণা করেন, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, অন্য কোনো ভাষা নয়। একাধিক রাষ্ট্রভাষা নিয়ে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না।”

এর অর্থ দাঁড়ায়, পূর্ববঙ্গে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চা এবং রাষ্ট্রভাষা বাংলার মাধ্যমে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ প্রাদেশিকতার নামান্তর। এখানেই থামেননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানালেন যে, “পূর্ববঙ্গে উর্দু হরফে বাংলা লেখা সফল হয়েছে।” কোথায় তিনি এই উদ্ভট তথ্য পেলেন আমরা জানি না, কিন্তু তার এই বক্তৃতার প্রতিক্রিয়া ঘটতে এতটুকু দেরি হয়নি। কারণ আটচল্লিশের সুবিধাজনক অবস্থান পাকিস্তানি শাসকদের পক্ষে এরই মধ্যে কিছুটা দুর্বল হয়ে এসেছিলো।

ঢাকায় তখন বেশ জমজমাট শীত। কিন্তু নাজিমুদ্দিনের পল্টনী বক্তৃতায় ছাত্র সমাজের বুক থেকে শীত উবে গেলো। ক্ষুব্ধ বারুদের স্তুপে যেন আগুনের ফুলকি এসে পড়লো। ৩০শে জানুয়ারী ঢাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতীক ধর্মঘট পালিত হয়, আর বিকালে কলাভবনের আমতলায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নাজিমুদ্দিনের বক্তৃতার নিন্দা ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে জোরালো বক্তব্যের পর ৪ঠা ফেব্রুয়ারী শহরব্যাপী স্কুল-কলেজে ধর্মঘটের আহব্বান জানানো হয়। সভাশেষে একটি মিছিল ছাত্র এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

কেমন লাগলো কমেন্টে জানাবেন।জানাবেন আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে নিম্নোক্ত লিংকে ক্লিক করে যোগাযোগ করতে পারবেন। আমরা সর্বদা আপনার পাশে থাকবো।

Reviewer : Nit Mahim.
Photo : Collected from Pinterest.

☆ 𝙤𝙛𝙛𝙞𝙘𝙞𝙖𝙡 :

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha

Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

Pinterest :

https://www.pinterest.com/its_me_nitmahim/

☆ 𝙥𝙚𝙧𝙨𝙤𝙣𝙖𝙡 :

Facebook account :

https://www.facebook.com/nit.mahim

Facebook Page :

https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Instagram :

www.instagram.com/_______badboy__

Twitter :

https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Yt Channel : To know in a new way.

Kotha :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

উর্দুই কি তবে রাষ্ট্রভাষা হবে !

১১ই মার্চের ভাষাবিক্ষোভ শেষ হতে না হতেই ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন এবং ২১শে মার্চ রেসকোর্সের বিশাল জনসমুদ্রে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন : উর্দু একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা, অন্য কোনো ভাষা নয়।

এ ব্যাপারে যেই আপনাদের বিভ্রান্ত করতে চাইবে সেই পাকিস্তানের দুশমন। এ সম্পর্কে তিনি রাষ্ট্রের দুশমন তথাকথিত বিদেশী এজেন্ট ও কম্যুনিস্টদের বিষয়ে হুশিয়ার করে দিয়ে বলেন যে, তাদের শক্ত হাতে দমন করা হবে।

সমবেত জনতার মধ্যে এ সম্পর্কে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নি ; কিন্তু ঠিকই দেখা গেছে ছাত্রদের মধ্যে। এর প্রমাণ মেলে যখন ২৪শে মার্চ কার্জন হলে সমাবর্তন উৎসবে তার একই ধরণের বক্তৃতার জবাবে না না ধ্বনি উঠে। এখানেও তিনি ছাত্রদের উপদেশ দেন মুসলিম লীগে যোগ দিয়ে পবিত্র আমানত পাকিস্তানের হেফাজত করার জন্য। পূর্ববঙ্গ সফর শেষে ফিরে যাবার পূর্বে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে দেয়া বেতার ভাষণেও জিন্নাহ সাহেব ভাষা, রাষ্ট্র, দেশের দুশমন সম্পর্কে গ্রেট ডিকটেটার এর মতো একই মনোভাব ব্যক্ত করেন। কিন্তু বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে বুঝতে পারেননি পাকিস্তানের কর্ণধার এই ধুরন্ধর রাজনীতিক।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : collected from pinterest.

কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। ভালো লাগলে শেয়ার করুন। আমাদেরকে কিছু জানানোর থাকলে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন।

Telegram channel : t.me/itihasherkotha
Telegram group : t.me/itihasherkothagroup

Personal⬇️

kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim

Facebook Page :

https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Instagram :

instagram.com/_______badboy__/

Twitter :

https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Related Yt Channel : To know in a new way.
Pinterest username :Nit Mahim.

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

সংস্কৃতির উদার চর্চা ; গণসংস্কৃতির প্রচেষ্টা :

১৯৪৮-৫২ এই সময়ের মধ্যে সংস্কৃতি অঙ্গনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ৩টি সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্মেলন অনুষ্ঠান।

■১ম টি অনুষ্ঠিত হয় সরকারি উদ্যেগে ঢাকায়, ১৯৪৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর থেকে পহেলা জানুয়ারী ১৯৪৯। নাম পূর্বপাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন। অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন সাস্থ্যমন্ত্রী হাবিবুল্লাহ বাহার। কিন্তু মূল বক্তা-সভাপতি ছিলেন ড. শহীদুল্লাহ, যিনি শুধু বাংলাভাষার পক্ষেই বক্তব্য রাখেননি, সেই সঙ্গে বক্তব্য রাখেন বাঙালি সংস্কৃতির নৃতাত্ত্বিক ও ঐতিহ্যিক বাস্তবতার পক্ষে, যা তিক্ত বিতর্কের সৃষ্টি করে। এ প্রসঙ্গে দৈনিক আজাদ পত্রিকার শহীদুল্লাহ-বিরোধী ভূমিকা ভুলে যাবার নয়।

■ দ্বিতীয় সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে, ১৯৫১ সালের ষোলো থেকে ঊনিশে মার্চ পর্যন্ত। অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবুল ফজল। সম্মেলনের মূল সভাপতি আব্দুল করিম। তিনি তার ভাষণে সমাজ সংস্কৃতি ঐতিহ্য সম্পর্কে এক আবেগময় মানবিক অসাম্প্রদায়িক চেতনার উদ্ভাস ঘটান। সবশেষে প্রস্তাব নেয়া হয় রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে।

■ তৃতীয় সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লায়, ১৯৫২ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারী। উদ্বোধন করেন ড. শহীদুল্লাহ। এই সম্মেলনেও বাঙালি সংস্কৃতি, ভাষা সাহিত্য ইত্যাদির পাশাপাশি প্রগতি সংস্কৃতির একটি বলিষ্ঠ প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে বলিষ্ঠ অভিমত তুলে ধরা হয়।

গণসঙ্গীত ও গণসংস্কৃতির গুরুত্ব বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয় পরিবেশিত সঙ্গীতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বন্ধুদেরসহ চেনা-অচেনা অসংখ্য ডেলিগেটদের দেখেছি তন্ময় হয়ে প্রতিটি অনুষ্ঠান উপভোগ করতে, আবেগে উদ্বেল হয়ে উঠতে, ঈশ্বর পাঠশালার প্রাঙ্গনে কিংবা টাউনহলের বিরাট হলঘরে ও ময়দানে।

রিভিউতে : মাহিম।
তথ্যসূত্র : একুশের ইতিহাস, আমাদের ইতিহাস।
লেখক : আহমদ রফিক।

পার্সোনাল কথা :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

হিব্রু সভ্যতার পটভূমি ;

● প্রাচীন সভ্যতা || পর্ব – ৯ ; আপনি চাইলে আগের পর্বসমূহ এই ভেরিফাইড একাউন্ট টি থেকে পড়ে আসতে পারেন।

হিব্রু সভ্যতার উৎস ভূমি মধ্যপ্রাচ্যে। এ সভ্যতা আজকের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চল কেন্দ্রিক গড়ে ওঠেছিল। জাতিগত ভাবে হিব্রুরা ছিল একটি মিশ্রিত জাতি। কুটনীতি, স্থাপত্য এবং চিত্রকলার দিক থেকে হিব্রুরা সভ্যতার ইতিহাসে খুব অল্পই ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু নৈতিকতা ও ধর্মীয়ক্ষেত্রে বিশ্বসভ্যতায় হিব্রুদের অবদান ছিল যুগান্তকারী।

হিব্রুদের মূল নামের উৎপত্তিগত শব্দ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। প্রচলিত একটি মতে, খাবিরু বা হাবিরু নাম থেকেই হিব্রু হয়েছে। হিব্রু অর্থ বিদেশী, নিম্নবংশীয় বা যাযাবর। অধিকাংশ পণ্ডিতের মতেই হিব্রুদের আদিবাস ছিল আরবভূমিতে। তাদের প্রথম বসতি গড়ে ওঠে উত্তর-পশ্চিম মেসোপটেমিয়াতে। সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে ইব্রাহীম (আ:) এর নেতৃত্বে হিব্রুদের একটি দল এখানে বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তীতে ইব্রাহীম (আ:) এর ছেলে ইসমাইল (আ:) এর নেতৃত্বে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়। এ সময় থেকে তারা ইসরাইলি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

■খ্রিস্টধর্মের পটভূমি তৈরিতে হিব্রুধর্মের ভূমিকাই ছিল বেশি। সৃষ্টিতত্ব, ঈশ্বরের একাত্ম, সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, আইনপ্রণেতা, ও পরম বিচারক হিসেবে ঈশ্বরের অবস্থান সম্পর্কিত বাইবেলের দুই তৃতীয়াংশে রয়েছে হিব্রু ধর্মের প্রভাব।
■আইন প্রণয়নেও হিব্রুদের অবদান রয়েছে। প্রাচীন কেনাইট ও ব্যাবিলনীয় আইনদ্বারা প্রভাবিত হয়ে হিব্রু আইন প্রণীত হয়েছিল।

ওল্ড টেস্টামেন্ট থেকে হিব্রু আইনের বিভিন্ন ধারা জানা যায়। হিব্রু সাহিত্য প্রাচ্যের যে কোন প্রাচীন সাহিত্যের চেয়ে উৎকৃষ্ট ছিল। তাদের সাহিত্যে ধর্মের প্রভাব ছিল প্রবল। ওল্ড টেস্টামেন্ট মূলত বিভিন্ন সাহিত্য কর্মের সংকলন। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে হিব্রুদের তেমন অবদান নেই। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তারা কিছু অবদান রেখেছে। বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে রোগ যন্ত্রনাকে ঈশ্বরের অভিশাপ বলা হয়েছে।

কেমন লাগলো আজকের আয়োজন তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অপরকে জানার সুযোগ কর দিন।

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সর্বদা থাকবো আপনাদের পাশে।

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha
Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

My Personal Accounts :

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim

Twitter :
https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Insatgram :
instagram.com/_______badboy__/

Related :

Facebook Page :
https://www.facebook.com/kothon.official.24/

YT Channel : To know in a new way.

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

অ্যাসেরীয় সভ্যতার পটভূমি ;

● ইতিহাসের কথা || পর্ব – ৮ ; আপনি চাইলে আগের ৭টি পর্ব এই ভেরিফাইড একাউন্ট থেকে পড়ে নিতে পারেন।

মেসোপটেমিয়ার উত্তরাংশে অ্যাসেরীয়রা প্রাধান্য বিস্তার করে। ক্যাসাইটদের আক্রমণে প্রাচীন ব্যাবিলন সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে তারা এই সভ্যতার উত্তরাধিকার লাভ করে। খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০ অব্দের মধ্যেই অ্যাসেরীয়রা সমগ্র উত্তর মেসোপটেমিয়া দখল করে নেয়।

অ্যাসেরীয়রা মূলত ব্যাবিলনীয় সভ্যতা দ্বারা প্রভাবিত হলেও সভ্যতার ইতিহাসে তাদের নিজস্ব অবদানও কম নয়। স্থাপত্য, ভাস্কর্য, চিত্রকলা, কারুশিল্প ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাদের মৌলিক উদ্ভাবনী ক্ষমতার ছাপ সুস্পষ্ট। অ্যাসেরীয়রা প্রথমদিকে ব্যাবিলনের কিউনিফর্ম লিপির ব্যাপক ব্যবহার করে। পরে তারা আর্মেনিয় ভাষাও বেশ ব্যবহার করে। অ্যাসেরীয় রাজারা প্রাচীন ঐতিহ্য সংরক্ষণেও সচেতন ছিলেন। রাজা সেনাচেরি তার রাজধানী নিনেভায় কাদার চাকতি সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি বিশাল গ্রন্থাগার গড়ে তোলেন। তবে রাজা আসুরবানিপাল প্রতিষ্ঠিত নিনেভায় গ্রন্থাগারকে এশিয়ার প্রথম গ্রন্থাগার বলা হয়। এখানে ২২,০০০ এর বেশি কাদার চাকতির পুস্তক ছিল। এগুলো অধিকাংশই ব্রিটিশ যাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

ধর্মীয় দিক থেকে অ্যাসেরীয়রা বহু দেব-দেবীর বিশ্বাস ও তাদের পূজা করত। তাদের প্রধান দেবতা ছিল আসুর। এরপর ছিল ইশতারের স্থান।

■অ্যাসেরীয়রাই প্রথম বৃত্তের ডিগ্রি নিরূপণ এবং অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করতে সক্ষম হয়।

■জ্যোতির্বিদ্যার ক্ষেত্রে তাদের অবদান অতুলনীয়। তারাই প্রথম পাঁচটি গ্রহ আবিষ্কার করে এগুলোর নামকরণ করেছিলেন।

■চিকিৎসা বিজ্ঞান, রোগ নির্ণয় ও প্রতিকার ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও তাদের অগ্রগতি ছিল উল্লেখযোগ্য।

অ্যাসেরীয়দের বলা হয় এশিয়ার রোমান। রোমানরা যেমন গ্রীক সভ্যতাকে পৃথিবী ব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছিল, অ্যাসেরীয়রাও একই ধরণের ভূমিকা পালন করেছিল ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে।

কেমন লাগলো অ্যাসেরীয় সভ্যতা সম্পর্কে জানতে পেরে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক যাবো শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অপরকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.

দুঃখিত। আজকে এই অ্যাসেরীয় সভ্যতা সম্পর্কিত কোনো ছবি পাইনি বিধায় একটি ছবি নিজে তৈরী করে দিলাম।

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সর্বদা থাকবো আপনার পাশে।

Telegram channel : t.me/itihasherkotha
Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

My Personal Accounts :

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim

Related Facebook Page :
https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Related YT Channel : To know in a new way.

My Instagram :
instagram.com/_______badboy__/

My Twitter :
https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Personal Kotha Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

চৈনিক সভ্যতার পটভূমি ;

● প্রাচীন সভ্যতা || পর্ব – ৭ ; আপনি চাইলে আগের ৬টি পর্ব এই ভেরিফাইড একাউন্ট টি থেকে পড়ে আসতে পারেন।

চীনা সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও নদীকেন্দ্রিক সমৃদ্ধ সভ্যতা। অনেকের মতে, এর উদ্ভব চীনের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের তারিম উপত্যকায়। কুয়েন্ডলুং পর্বত অতিক্রম করে হোয়াংহো নদীর তীর বরাবর গড়ে উঠেছিল এই সভ্যতা। উত্তর চীনে বর্তমানে যে জাতীয় মানুষের বসবাস, প্রস্তর যুগেও তাদের আকার আকৃতিবিশিষ্ট জনগোষ্ঠীর বসতি ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা ব্যবহার করত পাথরের তৈরী ছুরি, তীরের ফলা, কুঠার ও হাড়ের তৈরি নানাধরণের অস্ত্রশস্ত্র। কাপড় বোনা ও মাটির পাত্র নির্মাণ পদ্ধতিও তাদের আয়ত্তে ছিল।

চীনা সভ্যতা মূলত কৃষিভিত্তিক। এখানকার প্রাচীন জনগোষ্ঠী হোয়াংহো নদীর দু’পাশের উর্বর এলাকাজুড়ে চাষ করতো জব, গম, ধান ও নানা ধরনের শাকসবজি। পালন করতো বিভিন্ন জাতের পশু, তারা রেশমকীটের চাষাবাদ পদ্ধতিও জানত। এর সুতো দিয়ে তারা মজবুত ও সুন্দর বস্ত্রাদি বানাতো।

খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দ পর্যন্ত চীনে বহু খণ্ড-বিখণ্ড রাষ্ট্রের অস্তিত্ব বিদ্যমান ছিল। এরা বিভিন্ন রাজবংশ ও তাদের শাসনামল দ্বারা বিভক্ত। খ্রিস্টপূর্ব ২২১ অব্দে যুদ্ধমান রাজ্যসমূহের বিভক্তি ও বিচ্ছিন্ন অবস্থার অবসান ঘটে। যুদ্ধোদ্যমের সর্বাত্মক সাফল্যের জন্য দিগ্বিজয়ী বীর শিহুয়াংতিকে চীনের নেপোলিয়ন বলা হয়ে থাকে। তিনি দেশকে মঙ্গোলীয়দের পৌণঃপুনিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য গড়ে তোলেন চার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ প্রাচীর, যা চীনের মহাপ্রাচীর নামে খ্যাত এ প্রাচীর বিশ্বের প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম।

■চীনারা খ্রিষ্টীয় প্রথম শতকে আবিষ্কার করে কাগজ ও কম্পোজার।
■খ্রিষ্টের জন্মের আগেই চীনের মাটিতে বারুদ ও খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতকে মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার মানব সংস্কৃতি ও সভ্যতার বিকাশে প্রভূত অবদান রেখেছে।
■চীনে বহু বিশ্ব-বিশ্রুত মনীষী, ধর্মগুরু ও দার্শনিকের আবির্ভাব ঘটেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন -কনফুসিয়াস, লাও-তসু ও সিনাৎসিয়ান।
■চীনা লোক কাহিনী, লোকগীতি ও পুরানকথার অনেক কিছুই কালজয়ী সাহিত্য কর্মের মর্যাদা অর্জন করেছে। ■প্রাচীন চীনা চিকিৎসকগণ বিভিন্ন ব্যাধি ও ক্ষত নিরাময়ের ভেষজ ও শল্য চিকিৎসা জানতেন। চীনা আকুপাংচার পদ্ধতি এখনো প্রচলিত।

প্রাচীন চীনের ধর্ম ছিল অনেকটা অবিন্যস্ত ও অস্পষ্ট। নির্দিষ্ট ধর্মবিশ্বাস তাদের মধ্যে লক্ষ করা যায়নি। তাদের ধর্মীয় জগত স্বর্গীয়, প্রাকৃতিক ও আধ্যাত্মিক প্রভাবে প্রভাবিত ছিল।

কেমন লাগলো চৈনিক সভ্যতা সম্পর্কে জানতে পেরে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অন্যকে জানার সুযোগ কর দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : Collected from Google.

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যুক্ত হতে পারেন। আমরা সর্বদা থাকবো আপনার পাশে।

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha
Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

My Personal Accounts ;

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim

Instagram :
instagram.com/_______badboy__/

Twitter :
https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

My Personal Kotha Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Related Facebook page :
https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Related YT Channel : To know in a new way.

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

সুমেরীয় সভ্যতার পটভূমি ;

● প্রাচীন সভ্যতা || পর্ব – ৬ ; যারা আগের ৫টি পর্ব পড়েননি, তারা ইতিহাসের কথার এই ভেরিফাইড একাউন্টটি থেকে পড়ে আসতে পারেন।

মেসোপটেমিয়ার উত্তরাংশে আক্কাদ ও দক্ষিণাংশে সুমের। এ সুমেরকে কেন্দ্র করেই আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ নাগাদ মেসোপটেমিয়ায় এক উন্নত সভ্যতার উন্মেষ ঘটে। জাতিতে অসেমিটিক সুমেরবাসীই আদি মেসোপটেমিয়ার জনক। আনুমানিক ৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সেমিটিক জাতির একটি শাখা দজলা ফোরাত (বর্তমানে টাইগ্রিস-ইউফ্রেটিস) উপত্যকায় এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করে।

সমাজ ও সভ্যতার দিক দিয়ে অনগ্রসর এই সেমিটিক শাখাটিই স্থানীয় সুমেরীয়দের ঘরবাড়ি তৈরি, জলসেচ সর্বোপরি লিখন পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে। সুমেরীয়রা সুসভ্য জাতি হলেও সুসংহত রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি। বস্তুত সুমের অধ্যুষিত প্রাচীন বেষ্টিত এই সব নগর ছিল সম্পূর্ণ স্বাধীন। প্রত্যেক নগররাষ্ট্রে জাগতিক ও আধ্যাতিক উভয় ক্ষেত্রে রাজাই ছিল সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তবে কেন্দ্রীয় রাজশক্তির অভাবে প্রভুত্ব স্থাপনের জন্য রাজ্যগুলো পারস্পরিক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত থাকত। সুমেরীয়দের সমাজে অর্থনৈতিক কাঠামো জটিলতার বেড়াজালে আবদ্ধ ছিল না বরং সহজ-সরল ছিল। বাণিজ্য ছিল সুমেরীয়দের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক উৎস। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দু’ধরনের বাণিজ্যই চালু ছিল। বাণিজ্যে বেসরকারী উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হতো সমুদ্র ও স্থল পথে সুমেরীয়রা নীল কান্তমনি, লালপাথর ও অন্যান্য পাথর এবং কাঠ আমদানি করতো। বয়নজাত দ্রব্য, অলংকার, যুদ্ধের অস্ত্র, প্রভৃতি রপ্তানি করতো।

সুমেরীয়রা বহু দেব-দেবীতে বিশ্বাসী ছিল। তাদের প্রধান দেব-দেবী ছিল শামাস, এনলিল, ইশতার, নারগল ও এনকি।

■সুমেরীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অবদান লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দে সুমেরীয়রা পিকটোগ্রাফিক নামে লিখন পদ্ধতির সূত্রপাত ঘটায়।
■তারা বছরকে ১২ মাসে, দিন-রাত্রিকে ঘন্টায় এবং ঘণ্টাকে মিনিটে বিভক্ত করেছিল।
■দিন ও রাতের সময় নিরূপণের জন্য সুমেরীয়রা পানিঘড়ি ও স্বর্ণঘড়ি আবিষ্কার করে।
■তারাই প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ১দিন ও ৭ দিনে ১ সপ্তাহ নিয়ম প্রবর্তন করে।
■সুমেরীয়রা সূর্য ও চন্দ্রের আপেক্ষিক অবস্থিতি নির্ণয় করেছিল এবং গ্রহের সময় নিরূপণ করতে সক্ষম হয়েছিল।

কেমন লাগলো সুমেরীয় সভ্যতা সম্পর্কে জানতে পেরে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অপরকে জানার সুযোগ করে দিন।

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সর্বদা থাকবো আপনার পাশে।

টেলিগ্রাম চ্যানেল : t.me/itihasherkotha
টেলিগ্রাম গ্রুপ : t.me/itihasherkothagroup

My Personal Accounts ;

Facebook : https://www.facebook.com/nit.mahim

Twitter :
https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Related Facebook Page :
https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Related YouTube Channel :
To know in a new way.

Personal Kotha Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

সিন্ধু সভ্যতার পটভূমি ;

● প্রাচীন সভ্যতা || পর্ব -৫ ; আপনি চাইলে আগের ৪টি পর্ব এই ভেরিফাইড একাউন্ট থেকে পড়ে আসতে পারেন।

সিন্ধু সভ্যতা বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম। খ্রিস্টের জন্মের আনুমানিক চার থেকে পাঁচ হাজার অব্দে এর গোড়াপত্তন হয়। সিদ্ধু সভ্যতার দুটি প্রধান কেন্দ্র বর্তমান পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলার মহেঞ্জোদারো এবং পাঞ্জারের ইরাবতী নদীর তীরে হরপ্পা। সিন্ধু সভ্যতার উৎপত্তি সিন্ধু নদীর তীরে, পরে তা পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে বহুদূর বিস্তৃত হয়। বলা হয়, এটি ১৫ লক্ষ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত ছিল। এই সভ্যতার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় সুমেরীয় সভ্যতার।

কৃষিকর্মের উন্নতি সত্ত্বেও এটি ছিল নগর ও বাণিজ্যভিত্তিক সভ্যতা। অনেকের ধারণা, চীন, সুমেরীয় ও মিশরের প্রাচীন সভ্যতার তুলনায় সিন্ধু সভ্যতা ছিল বেশি অগ্রসর ও উন্নত। মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পাতে খনন কাজ চালিয়ে পাওয়া গেছে উন্নত পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থা ও পোতাশ্রয়ের সন্ধান। সুপরিকল্পিত রাস্তাঘাট, আগুনে পোড়ানো ইট, পাথরের মন্দির, সমাধিস্থান ও শিক্ষায়তনের নিদর্শন ও পাওয়া গেছে এখানে। সিন্ধু সভ্যতায় ছিল সুবিন্যস্ত শাসন ব্যবস্থা এবং ছিল নিজস্ব চিত্রলিপি ও লিখন প্রণালী। ওদের পোশাক পরিচ্ছদের অন্তর্ভুক্ত ছিল কার্পাস সুতোর বস্ত্র, চাদর ইত্যাদি। দেহের শোভাবর্ধন করার জন্য তারা সোনা, রূপা, শঙ্খ ও মূল্যবান পাথরের অলঙ্কার, পশুর হাড়, হাতির দাঁতের চিরুনি, আয়না, ক্ষুর ইত্যাদি ব্যবহার করতো।

সিন্ধু সভ্যতার গোড়াপত্তন কারা করেছিল এ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। নৃতাত্ত্বিক গবেষণায় এখানে প্রোটে অস্ট্রালয়েড মেডিটেরিনিয়ান, আলপাইন, ও মঙ্গোলয়েড জনগোষ্ঠীর কঙ্কাল পাওয়া গেছে। নৃতাত্ত্বিকদের ধারণা, মেডিটেরিনিয়ান বা দ্রাবিড় গোষ্ঠীই এ সভ্যতার প্রবর্তক। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দের কাছাকাছি সময়ে আর্যদের আক্রমণে এ সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায় বলে ধারণা করা হয়।

কেমন লাগলো সিন্ধু সভ্যতা সম্পর্কে জানতে পেরে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অপরকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : pinterest

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সর্বদা আপনার পাশে থাকবো।

টেলিগ্রাম চ্যানেল : t.me/itihasherkotha
টেলিগ্রাম গ্রুপ : t.me/itihasherkothagroup

My Personal Account :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim

Twitter :

https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Related Facebook Page Link :

https://www.facebook.com/kothon.official.24/

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Related Youtube Channel : To know in a new way

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

ব্যাবিলনীয় সভ্যতা ;

●প্রাচীন সভ্যতা || পর্ব – ৪ ; আপনি চাইলে আগের ৩টি পর্ব এই ভেরিফাইড একাউন্ট থেকে পরে আসতে পারেন।

প্রাচীন কালে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে যে সকল সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ব্যাবিলনীয় সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ২৪০০ অব্দে সুমের আক্কাদ বা প্রাচীন ব্যাবিলন সাম্রাজ্য স্থাপিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন প্রথম সারগন। রাজা হাম্বুরাবী ছিলেন সভ্যতার শ্রেষ্ঠ শাসক। হাম্মুরাবী দুর্ধর্ষ যোদ্ধা, সংগঠক, প্রশাসক, ও আইন সংকলক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত নগর রাষ্ট্রকে একত্রিত করেন। প্রায় ৪২ বছর (১৭৯২-১৮৫০ খ্রি:পূর্বাব্দ) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে তিনি সমগ্র মেসোপটেমিয়া ভূমধ্যসসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ও এশিয়ার উপর কর্তৃত্ব করে ‘সর্বাধিপতি’ উপাধি ধারণ করেন। তাঁর রাজত্বকালে শুধু বিজয়ই নয় বরং শক্তিশালী কেন্দ্রিয় শাসন, আইনসহ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য ব্যাবিলনের ইতিহাস ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে পরিচিত।

আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে তিনি অসাধারণ মেধার পরিচয় দেন। প্রাচীন ব্যাবিলনে ‘কিউনিফর্ম’ অর্থাৎ কীলক আকারের লিখন পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। এই পদ্ধতি প্রাচীন মিশনের ‘চিত্রলিখন’ পদ্ধতি অপেক্ষা উন্নত ছিল। ব্যাবিলনীয় ভাষা ছিল ৩০০ ধ্বনি চিহ্ন বিশিষ্ট। ব্যাবিলনীয়রা অসংখ্য দেব-দেবীর পূজা করত। সূর্যদেব মারদুক ছিল তাদের শ্রেষ্ঠ দেবতা।

■ব্যাবিলনের বিখ্যাত ‘শূন্য উদ্যান’ পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম।
■শিল্প ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ব্যাবিলনীয়রা উন্নত ছিল। ■কাঁচ শিল্পের উন্নতি সাধন ও প্রসারে তাদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে।
■চিত্রাঙ্কন বিদ্যা, জ্যোতিষ শাস্ত্র, অঙ্ক শাস্ত্র এবং আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তাদের অতুলনীয় পারদর্শিতা ছিল।
■গ্রহ-নক্ষত্রাদি সম্পর্কে তাদের জ্ঞানের সীমা বহুদূর পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছিল।
■সূর্য ও জলঘড়ির সাহায্যে তারা সময় নিরূপণ করত। ■চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ সম্পর্কেও তাদের ধারণা ছিল যথাযথ।
■সেই সুদুর প্রাচীনকালে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির গণনা ব্যাবিলন থেকেই প্রসার লাভ করে।

কেমন লাগলো এই প্রাচীন সভ্যতাটির সম্পর্কে জানতে পেরে তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অপরকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো কিছু জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে জয়েন হতে পারেন। আমরা সর্বদা আপনার পাশে থাকবো।

Telegram channel : t.me/itihasherkotha
Telegram group : t.me/itihasherkothagroup

My Personal Accounts :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim

Related Facebook Page :

https://www.facebook.com/kothonwithnit/

Twitter :

https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Personal kotha :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Related YouTube Channel : To know in a new way

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim ♡

Categories
History

গ্রিক সভ্যতার পটভূমি ;

● প্রাচীন সভ্যতা || পর্ব ৩ ; আপনি চাইলে প্রাচীন সভ্যতার পর্ব ১ ও ২ এই একাউন্টটি থেকে পরে আসতে পারেন।

গ্রিসের ইতিহাস বলতে বোঝায় গ্রিক জাতি এবং অতীতে তাদের দ্বারা বিজীত অঞ্চল তথা বর্তমান গ্রিস রাষ্ট্রের ইতিহাস সংক্রান্ত অধ্যয়ন।

ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে গ্রিস জাতি অধ্যুষিত ও শাসিত অঞ্চলের সীমারেখায় নানা পরিবর্তন এসেছে। এই কারণে গ্রিসের ইতিহাসেও বিভিন্ন প্রকার বহিরাগত উপাদান এসে মিশেছে। গ্রিসের ইতিহাসের প্রতিটি যুগের সুনির্দিষ্ট লিখিত বিবরণ বিদ্যমান।

প্রথম আদি গ্রিক উপজাতিটি মাইসেনিয়ান নামে পরিচিত। এরা খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় সহস্রাব্দের শেষ ভাগে এবং দ্বিতীয় সহস্রাব্দের প্রথমার্ধে গ্রিসে মূল ভূখণ্ডে বসতি স্থাপন করে। মাইসেনিয়ান উপজাতি যখন এই অঞ্চলে অনুপ্রবেশ করেছিল, তখন এখানে একাধিক অ-গ্রিকভাষী ও দেশীয় আদি-গ্রিক উপজাতিগুলি বাস করত। এরা খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম সহস্রাব্দ থেকে এই অঞ্চলে কৃষিকার্য করে আসছিল।

ভৌগোলিক বিস্তারের মধ্যগগনে গ্রিক সভ্যতা গ্রিস থেকে মিশর ও পাকিস্তানের হিন্দুকুশ পর্যন্ত প্রসারিত ছিল। এই সময় থেকেই গ্রিক সংখ্যালঘুরা পূর্বতন গ্রিক সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অংশে (যেমন: তুরস্ক, ইতালি, ও লিবিয়া, লেভ্যান্ট ইত্যাদি অঞ্চলে) বসবাস করছেন। বর্তমানে সারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রিক অভিনিবেশকারীদের সন্ধান পাওয়া যায়। বর্তমানে অধিকাংশ গ্রিকেরা ১৮২১ সালে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত গ্রিস দেশ ও সিরিয়ায় বসবাস করেন।

কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অপরকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : গুগল এবং পিন্টারেস্ট থেকে সংগৃহীত ।
তথ্যসূত্র : ROAR বাংলা ।

ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো কিছু জানতে বা জানাতে আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যুক্ত হতে পারেন।

টেলিগ্রাম চ্যানেল : t.me/itihasherkotha
টেলিগ্রাম গ্রুপ : t.me/itihasherkothagroup

My Personal Accounts :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim

Related Facebook Page :

https://www.facebook.com/kothonwithnit/

Twitter :

https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

YouTube Channel : To know in a new way…

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার পটভূমি ;

● প্রাচীন সভ্যতা || পর্ব 2 ; যারা যারা প্রথম পর্বটি পড়েননি, তারা এই প্রোফাইলটি ভিজিট করে পরে নিতে পারবেন।

পারস্য উপসাগরের উত্তরে বর্তমানে যে দেশটির নাম ইরাক সেটিই একসময় মেসােপটেমিয়া বলে ছিল ইতিহাসে বিখ্যাত। অবশ্য এটা সেই প্রাচীনকালের কথা।গ্রীকরাই দিয়েছিল এই নাম। এর অর্থ হল দুই নদীর মধ্যবর্তী দেশ। এক কথায় একে বলা চলে দোয়াব অঞ্চল। আসলে  মেসােপটেমিয়াকে ঘিরে বয়ে গিয়েছে দুটি নদী টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস। এই নদী দুটির জলে ধৌত ও পলিমাটিতে ভরা অঞ্চলটি ছিল খুবই উর্বর—চাষবাসের আদর্শ ভূমি।

আনুমানিক ছ’হাজার বছর আগে এই অঞ্চলে সভ্যতার প্রথম সােনালি আলাে দেখা যায়। এখানে অনেক ঢিপির মতাে ছােট ছােট পাহাড়ও রয়েছে। এগুলােকে বলে ‘টেল ‘। পরবর্তীকালে এসব ‘টেল’ খুঁড়ে মাটির বিভিন্ন স্তরে মেলে বসতির নানা চিহ্ন আর ধ্বংসাবশেষ। আর এসব ধ্বংসাবশেষই জানিয়ে দেয় এখানে সভ্যতা ছিল এবং তা ব্রোঞ্জ যুগেরই সাক্ষ্য বহন করছে।

আধুনিক ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীদ্বয়ের মধ্যবর্তী অঞ্চলে যে সভ্যতার আবির্ভাব ঘটেছিল সেটাই মূলত মেসোপটেমিয়া সভ্যতা নামে পরিচিত। তুরষ্কের আনাতোলিয়া (আর্মেনিয়া) পর্বতমালা হতে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস দক্ষিণ পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে পারস্য উপসাগরে পরেছে। প্রকৃতপক্ষে পলিসমৃদ্ধ নদীদুটির এই অঞ্চলে এরূপ সভ্যতার বিকাশ ঘটাতে সহযোগিতা করেছিল। মূলত এই উর্বরা অঞ্চলটি উত্তরে প্রলম্বিত হয়ে পশ্চিমে বাঁক নিয়ে আবার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে নেমে গিয়ে প্রায় ভূমধ্যসাগরে গিয়ে শেষ হয়। বাঁক বিশিষ্ট এই অঞ্চলটিকে “উর্বরা অর্ধচন্দ্রাকৃতিক” হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। ইতিহাস বিখ‍্যাত এই অঞ্চলটি উত্তর আর্মেনিয়ার পার্বত্য অঞ্চল, দক্ষিণ ও পশ্চিমে আরব মরুভূম ও পূর্বে জাগরাস পার্বত্য অঞ্চল দ্বারা পরিবেষ্টিত। অবস্থানগত এই বৈশিষ্ট ও আরবদের আদিম যাযাবর সংস্কৃতির মিথস্ক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মেসোপটেমিয়া একটি মিশ্র সভ্যতার ধারা নিয়ে গড়ে উঠেছিল। মেসোপটেমিয়া সভ্যতা ৫০০০ খৃষ্টপূর্বে সূচনা হয়ে পরিপূর্নতা লাভ করে প্রায় খৃষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে। ৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দে এসে বিভিন্ন জনগোষ্ঠির আন্তঃকলহের মধ্য দিয়ে পরষ্পরের ধ্বংস ডেকে আনে এবং ক্ষয়িষ্ণু চরিত্র স্থায়িত্ব লাভ করে।

কেমন লাগলো মেসোপটেমিয়া সভ্যতার পটভূমি জানতে পেরে, তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অপরকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : pinterest
তথ্যসূত্র : Wikipedia.

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো কিছু জানতে বা জানাতে টেলিগ্রাম লিঙ্কে যোগাযোগ করতে পারেন।

টেলেগ্রাম চ্যানেল : t.me/itihasherkotha
টেলিগ্রাম গ্রুপ : t.me/itihasherkothagroup

My Personal Accounts :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim

Twitter :

https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Related Facebook Page :

https://www.facebook.com/kothonwithnit/

Related YouTube Channel : To know in a new way

ধন্যবাদন্তে
নিট মাহিম♡