Categories
History

পশ্চিমবঙ্গ দিবস ।

তারিখ :২০শে জুন,

পশ্চিমবঙ্গ দিবস।১৯৪৭ সালের ২০ এ জুনে বঙ্গীয় আইনসভায় পূর্ব পাকিস্তান কে ভেঙ্গে বাঙালী হিন্দুদের পশ্চিমবঙ্গে র দাবিটি স্বীকৃত হয়।

১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্যগণ বাঙলা বিভক্তিকরণ প্রস্তাবের উপরে তিনটি আলাদা ভোট প্রদান করেন।

পরিষদের সকল সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ অধিবেশনে, যৌথ অধিবেশন বিভক্তিকরণের পক্ষে ১২৬ ভোট এবং বিদ্যমান সংবিধান পরিষদের যোগ দেওয়ার পক্ষে ৯০ ভোট (অর্থাৎ, ভারত) প্রণীত হয়।
তারপর একটি পৃথক অধিবেশনে বাংলার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় সদস্যগণ, বাংলার বিভক্তি এবং সম্পূর্ণ একটি নতুন গণপরিষদ (অর্থাৎ, পাকিস্তান ) এ যোগদান করার সপক্ষে ভোট প্রদান করেন; যেখানে নতুন রাষ্ট্রে যোগদানের সপক্ষে ১০৬ এবং বিপক্ষে ৩৫ টি ভোট প্রণীত হয়।
একই পদ্ধতি বাংলার মুসলিম অধ্যুসিত নয়, এমন স্থানগুলোতেও অনুসরণ করা হয়েছিল। সেখানে ৫৮ ভোট বিভক্তিকরণের পক্ষে এবং ২১ ভোট বিপক্ষে প্রণীত হয়।

মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যদি একটিও একক সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট বিভক্তিকরণের পক্ষে প্রণীত হয় তাহলে প্রদেশ বিভক্ত হবে । এই পরিকল্পনাকে তুলে ধরে, ২০ জুন পরিষদে ভোটাভুটির ফলফলের প্রেক্ষিতে পশ্চিম বাঙলা প্রদেশ ভারত এবং পূর্ব বাঙলা প্রদেশ পাকিস্তানের সাথে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।এছাড়াও, মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা অনুসারে,৭ জুলাই অনুষ্ঠিত একটি গণভোটে, সিলেটের নির্বাচকমণ্ডলী পূর্ব বাঙলা প্রদেশে যোগদানের সপক্ষে ভোট প্রদান করে।

পরবর্তীতে স্যার সাইরিল র‍্যাডক্লিফ এর নেতৃত্বে সীমানা কমিশন দুই নব নির্মিত প্রদেশের মধ্যে আঞ্চলিক সীমানা নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং ভারতীয় স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭ অনুসারে ১৪ আগষ্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগষ্ট ভারতকে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়।

কেমন লাগলো আজকের আলোচনা তা অবস্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক করুন এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। নিজে ইতিহাস জানুন, অপরকে জানতে উৎসাহিত করুন। কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My Personal Accounts :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Instagram :

https://www.instagram.com/p/CBHoB9MDzWi/?igshid=1t2ldlbklg5em

Twitter :

My Personal YouTube Channel :

https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ইতিহাসের কোনো তথ্য জানতে বা জানাতে উপরে দেওয়া ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারের লিংকে ক্লিক করে জানাতে পারেন। ইতিহাসের কথা সর্বদা থাকবে আপনার পাশে।

উপরে দেওয়া ইউটিউব লিংকে ক্লিক করে চ্যানেলটি ভিজিট করে আসতে পারেন। চ্যানেলটিতে বিভিন্ন লিভিং লিজেন্ডদের সফলতার ইতিহাস তুলে ধরা হয়।

ধন্যবাদন্তে
Nit মাহিম♡

Categories
History

শহীদ মিনার,স্মৃতির মিনার ।

শহীদ মিনার ঠিক কতো তারিখ স্থাপিত হয়েছিলো, তা নিয়ে অনেকের ভিতরেই মতবিরোধ থাকতে পারে। তবে আজকের আলোচনার পরে আপনার এই বিষয় নিয়ে ভিন্নমত থাকবে না আশা করি। তাই পুরোটা পড়ার অনুরোধ রইলো।

২২শে ফেব্রুয়ারী ঢাকা শহরে ব্যাপক হরতাল ও যানবাহন বন্ধই শুধু নয়, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদ বৈঠক ও সরকারের প্রতি নিন্দাসূচক বিবৃতি এবং রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন ছিল দিনটির বৈশিষ্ট্য। ফজলুল হক, মাওলানা ভাসানীর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। জনাব হাশিমের বিবৃতির তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল, “আন্দোলনের উপর সাম্প্রদায়িক ছাপ দেওয়ার জঘন্য চেষ্টা” র নিন্দা। আর ভাসানী চেয়েছেন “সরকারের প্রকাশ্য বিচার”। ২২শে ফেব্রুয়ারী শুধু ঢাকাতেই নয়, সারা দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও আন্দোলনের তীব্রতায় চিহ্নিত হয়ে আছে।

২৩শে ফেব্রুয়ারীও অবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। ঢাকায় সেদিনও পূর্ণ হরতাল। যানবাহন, দোকানপাট সব বন্ধ। ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে লোকজন দলে দলে রাস্তায় চলাচল করতে থাকে। মিছিলে স্লোগানে ঢাকা শহর সেদিনও তার উত্তেজনার বিন্দুটি ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

বাহান্নের ভাষা আন্দোলন জাতীয় ক্ষেত্রে যদি কোনো মহৎ অবদান রেখে থাকে, তবে তা সম্ভব হয়েছে দুটো কারণে।যেগুলো হলো-

● একুশে ফেব্রুয়ারী তারিখে ১৪৪ ধারা ভাঙার সঠিক সিদ্ধান্ত। এবং
●এই রক্তঝরা আন্দোলনের সাহসী স্মৃতি ধরে রাখার জন্য মেডিকেল ব্যারাকের ছাত্রদের শহীদ মিনার নির্মাণ।

এই শহীদ মিনার শুধু শহীদের স্মৃতিকেই অমরত্ব দেয়নি, প্রতিষ্ঠিত করেছে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য এক ঐতিহ্যবাহী উদ্দীপনার উৎস।

শহীদ মিনার ঠিক কোন তারিখে তৈরী হয়েছিল, তা নিয়ে একুশের লিখিয়েরা যে যার খুশিমতো লিখেছেন। এমন কি “কে.জি মোস্তফা”র মতো ব্যক্তিও। কেও ২২শে, কেও ২৩শে, কেও ২৪শে, যেমন যার ইচ্ছা লিখেছেন। এমন কি ব্যারাকের কোনো কোনো ছাত্রও বিস্মৃতির জন্য এ ধরণের ভুল করেছেন। সঠিক দিন আমার হিসাবে ২৩শে ফেব্রুয়ারী। শেষ হয় ২৩ তারিখ রাত শেষে, ২৪ তারিখ অতি ভোরে। সারা রাতের শ্রম ক্লান্ত ছাত্ররা সকালেই যার যার রুমে ঘুমাতে চলে যায়। কাগজে খবর পাঠানো হয় ঐ দিনই অর্থাৎ ২৪শে ফেব্রুয়ারী। অবশ্য তার আগেই পত্রিকার লোকজন এসে মিনার দেখে যায়।

বলা যায়, শহীদ মিনার মেডিকেল ব্যারাকের রাজনীতি-সচেতন ও সক্রিয় ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত, আকস্মিক চিন্তার ও যৌথ শ্রমের ফসল।

কেমন লাগলো আজকের আলোচনা কমেন্ট করে জানাবেন। আশা করি আপনার সব বিভ্রান্তি দূর হয়ে গিয়েছে। ভালো লাগলে লাইক করুন এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। নিজে জানুন, অন্যকে জানতে সহযোগিতা করুন। কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন। ধন্যবাদ♡

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My Personal Accounts :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Instagram :

https://www.instagram.com/p/CBHoB9MDzWi/?igshid=17qfsa545gq2q

Twitter :

https://twitter.com/Carry_ka_fan/status/1257646548323667969?s=20

Personal YouTube Channel :

https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে ইনস্টাগ্রাম অথবা টুইটারে যোগাযোগ করতে পারেন। লিঙ্ক উপরে দেওয়া আছে। ইতিহাসের কথা থাকবে আপনার পাশে।

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim

Categories
History

আফগানিস্তানের তালেবান।

কিছুদিন আগে যখন ইতিহাসের কথা যখন আপনাদেরকে বসনিয়া দেশটি সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলো আপনারা অনেকেই তখন ইতিহাসের কথাকে জানিয়েছিলেন যে আফগানিস্তান দেশটি সম্পর্কে যাতে কিছু  আলোচনা করি। তাই আপনার জন্য নিয়ে এসেছি আফগানিস্তান সম্পর্কে কিছু  গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।তথ্য তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

দেশের নাম : আফগানিস্থান

■রাষ্ট্রীয় নামঃ ইসলামিক রিপাবলিক অব আফগানিস্থান ।

■রাজনৈতিক পদ্ধতিঃ ইসলামি গনতন্ত্র।

■সরকার পদ্ধতিঃ ইসলামি প্রজাতন্ত্র ।

■আয়তনঃ ৬,৪৭,৫০০ কিঃ মিঃ
• গোটা বিশ্বে ৪১ তম।

■পার্লামেন্ট এর নাম : লয়া জিরগা।

■স্বাধীনতাঃ ১৯১৯ (ব্রিটেন হতে)

■ভাষাঃ পশতু।

■রাজধানীঃ কাবুল।

■মুদ্রাঃ আফগানি।

এবার আসা যাক দেশটির ইতিহাস নিয়ে ,

আফগানিস্থানে রাজতন্ত্রের পতন হলে ১৯ জুলাই, ১৯৭৩ সালে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। কান্দাহার, হেরাত, মাযার-ই-শরীফ আফগানিস্থানের বড় শহর। আফগানিস্থানের সবচেয়ে বড় জাতি হলো পশতুন।আফগানিস্থানের শেষ রাজা ছিলেন জহির শাহ।
তাকে ১৯৭৩ সালে ক্ষমতাচ্যুত করে ইতালিতে নির্বাসন দেয়া হয়। এরপর ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্থান দখল করেন।কিন্তু ১৯৮৮-৮৯ সালে তারা আফগানিস্থান ত্যাগ করেন।

আফগানিস্তানের তালেবান গোষ্ঠী :

আফগানিস্থানে তালেবানের আর্বিভাব হয় ১৯৯৪ সালে।
তারা ছিল ইসলামী ছাত্র সংঘঠনের মিলিশিয়া বাহিনী।
এরা ১৯৯৬ সালে রাজধানী কাবুল দখল করে এবং বোরহানউদ্দিন রাব্বানীকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসে। তালেবান বিরোধী সংগঠনের নাম নর্দান অ্যালয়েন্স।নর্দান অ্যালয়েন্স তালেবানদের থেকে প্রথম মাজার-ই-শরীফ শহর দখল করে।

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান :

২০০১ সালের ৭ ডিসেম্বর আফগানিস্থানে ইঙ্গ-মার্কিন অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডমের মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু করে ।
১৩ বছর পর ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর মার্কিন বাহিনীর আফগানিস্থান ত্যাগের মাধ্যমে এই যুদ্ধের সমাপ্তি হয়।

দেশটির কিছু নিদর্শন :

■পৃথিবীর সর্বোচ্চ বৌদ্ধ মন্দিরটি ছিল আফগানিস্থানের বামিয়ান শহরে।২০০১ সালে তালেবান বাহিনী এই মন্দিরটি ধ্বংস করে।

■‘বাগরাম’ কারাগার আফগানিস্থানের কাবুলে অবস্থিত।

■তোরাবোরা পাহাড় আফগানিস্থানে অবস্থিত।

দেশটির সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কে ২টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :

■জহির শাহ কে বিতাড়িত করে আফগানিস্থানকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষনা করনে দাউদ খাঁ।

■২০০৪ সালে আফগানিস্তানের সংবিধান নতুন করে লেখা হয় এবং একটি রাষ্ট্রপতি-ভিত্তিক গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা চালু হয়।

এই ছিল আজকের আলোচনা। কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক করুন এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। নিজে জানুন, অন্যকে জানান।কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।ধন্যবাদ♡

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My Personal Accounts :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Instagram :

https://www.instagram.com/p/CBHoB9MDzWi/?igshid=17qfsa545gq2q

Twitter :

https://twitter.com/Carry_ka_fan/status/1257646548323667969?s=20

Personal YouTube Channel :

https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে ইনস্টাগ্রাম অথবা টুইটারে যোগাযোগ করতে পারেন। ইতিহাসের কথা থাকবে আপনার পাশে।

আর আপনি যদি বসনিয়া সম্পর্কে জেনে না থাকেন, তাহলে ইতিহাসের কথার প্রোফাইলে গিয়ে সেটা জেনে আসতে পারেন।

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

বার্ধক্কেও অমিতাভ বচ্চনের নতুন কিছু করার ইচ্ছাশক্তি ।

আপনারা অনেকেই ইতিহাসের কথার কাছে আবেদন করেছিলেন অমিতাভ বচ্চনের সম্পর্কে কিছু জানাতে। তাই আজকের আলোচনা আপনাদের জন্যই। তো চলুন শুরু করা যাক।

নাম : অমিতাভ বচ্চন।

জন্ম ১৯৪২ সালের ১১ই অক্টোবর এলাহাবাদে। উনার বাবার নাম ছিল ড. হরিবংশ রায় বচ্চন। উনি দিল্লির কিরোড়ীমল কলেজ থেকে বিএসসি করার পর কলকাতায় “কোল ইন্ডিয়া” কোম্পানিতে সুপারভাইজারের পদে চাকরী করতে লাগেন। কিন্তু চাকরিতে উনার মন লাগেনি। এর পরে উনি ফিল্ম জগতে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করতে মুম্বাই এসে পৌঁছান। কারণ উনার ভেতরে ততোদিনে হিরো হওয়ার নেশা উৎপন্ন হয়ে পড়েছিলো।

মুম্বাই এসে উনি বেশ কয়েকটা রাত ফুটপাতে শুয়ে কাটিয়েছিলেন। তারপর কে.এ. আব্বাস উনাকে নিজের ফিল্ম “সাত হিন্দুস্তানী” তে সপ্তম হিন্দুস্তানীর রোল দেন, কিন্তু সেই ফিল্ম ফ্লপ হয়ে পরে। এর পরে মুক্তি পায় “রেশমা আউর শেরা” যাতে অমিতাভ বচ্চনের ভূমিকা হিরোর ছোট ভাইয়ের ছিল। কিন্তু এই ফিল্মটাও ফ্লপ হয়ে পরে।

তারপর ফ্লপের পালা প্রায় ৩ বছর পর্যন্ত চলতে থাকে। কিন্তু যখন রাকেশ মেহরা ( যার আলোচনা আমরা গত পরশুদিন করেছিলাম ) উনাকে ফিল্ম “জঞ্জির” তে অ্যাংরি ইয়ং ম্যান এর রোল করার সুযোগ দেন, তখন অমিতাভ বচ্চন সেই সুযোগ কে সফলতায় পরিবর্তন করে তোলেন আর ফিল্ম হিট হয়ে পড়ে।

এর পরে অমিতাভ বচ্চন কিছু সুপারহিট ফিল্ম দর্শকদের উপহার দেন আর বলিউডের সবথেকে বেশি পারিশ্রমিকের সুপারস্টার হয়ে পড়েন। সেই সিনেমাগুলো হলো –
•আনন্দ।
•দীউয়ার।
•ডন।
•অমর আকবর এন্থনি।
•শোলে।
•লাওয়ারিস।
•মুকদ্দর কা সিকান্দর।
•নসীব।
• বাগবান। ইত্যাদি ইত্যাদি।

সেই সময় অমিতাভ বচ্চন বলেছিলেন, “প্রতিভা সব ব্যক্তির ভেতরেই থাকে। কিন্তু সেটাকে বাহিরে বের করে আনার জন্য সংঘর্ষ করতে হয়, মেহনত করতে হয়। একমাত্র তখনই প্রতিভা নিজের কামাল দেখাতে পারে..”

বর্তমানে অমিতাভ বাচ্চাঁকে বিশ্বের সেই সব ব্যক্তিদের মধ্যে গণ্য করা হয়, যারা নিজেদের নিষ্ঠা আর মেহনত দ্বারা শুন্য থেকে শিখরে এসে পৌঁছেছেন আর যুব সমাজের আইকন হয়ে উঠেছেন।

কেমন লাগলো আজকের আলোচনা তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক করবেন আর অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন। কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

আরেকটি কথা : যারা ফিউটার্ড পোস্টগুলোতে ফলো এবং লাইক চাচ্ছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমাদের ফিউটার্ড পোস্টগুলো অনেকেই নিয়মিত পরে অনেক কিছু জানার চেষ্টা করে। আপনার এইসব কমেন্ট এর মাধ্যমে পোস্টগুলোর সৌন্দর্য নষ্ট হয়। তাই এইরকম কাজ থেকে বিরত থাকুন।ধন্যবাদ♡

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My Personal accounts :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Instagram :

https://www.instagram.com/p/CBHoB9MDzWi/?igshid=17qfsa545gq2q

Twitter :

https://twitter.com/Carry_ka_fan/status/1257646548323667969?s=20

My Personal YouTube Channel :

https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

My Personal Kotha account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো কিছু জানতে বা জানাতে ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারে যোগাযোগ করতে পারেন। লিংক উপরে দেয়া আছে। ইতিহাসের কথা সর্বদা থাকবে আপনার পাশে।

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

মিশরীয় সভ্যতার অনন্য নিদর্শন গিজার গ্রেট পিরামিড।

ইতিহাসের কথা আপনাদের এতোদিন বিভিন্ন লীভিং লিজেন্ডদের সফলতার বিভিন্ন ইতিহাস আপনাদের সামনে তুলে ধরেছে। তাই আপনাদের জন্য ভিন্ন কিছু ইতিহাস তুলে ধরবে ইতিহাসের কথা।

আপনাদের মধ্যে অনেকেই অমিতাভ বচ্চন এর সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ইতিহাসের কথা চেষ্টা করবে খুব শীঘ্রই অমিতাভ বচ্চন সম্পর্কে আপনাদের জানানোর।এখন মূল টপিকে আসা যাক।

মিশর নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে পিরামিডের ছবি। নীলনদের তীরে সুপ্রাচীনকালে গড়ে ওঠা মিশরীয় সভ্যতার অনেকগুলো অনন্য নিদর্শনের মধ্যে নিঃসন্দেহে পিরামিড সবচেয়ে বিস্ময়কর ও রহস্যময়। প্রায় ৫০০০ বছর ধরে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই পিরামিডকে ঘিরে। এমনকি আজকের আধুনিক বিজ্ঞানের যুগেও খুঁজে পাওয়া যায়নি পিরামিডের অনেক রহস্যের কূল কিনারা। তাই প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যের অন্যতম মিশরের পিরামিডের উপর সাজানো হয়েছে আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনটি।

মিশরের রাজধানী কায়রো থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত মৃত নগরী আল গিজা। এখানে দেখা পাওয়া যায় তিনটি বড় বড় পিরামিডের। এগুলো হল যথাক্রমে ফারাও খুফু, তাঁর ছেলে ফারাও খেফ্রে এবং খেফ্রের ছেলে মেনকাউরে এর পিরামিড। এঁরা সবাই ছিলেন মিশরের চতুর্থ রাজবংশের রাজা। তবে এই তিনটি তো বটেই মিশরের সবগুলো পিরামিডের মধ্যে ফারাও খুফুর পিরামিডটি হল সবচেয়ে উঁচু এবং আকারে সবচেয়ে বড়। একারণে ফারাও খুফুর পিরামিডটি গিজার গ্রেট পিরামিড নামেও বহুল পরিচিত। এমনকি খ্রিস্টপূর্ব ষড়বিংশ শতক থেকে, চতুদর্শ শতক পর্যন্ত প্রায় সুদীর্ঘ চার হাজার বছর এটিই ছিল মানব সৃষ্ট সবচেয়ে উঁচু স্থাপনা। তাই খুব সহজে অনুমেয় প্রযুক্তি ও প্রাচুর্যে প্রাচীনযুগে মিশরীয় সভ্যতা অন্য সভ্যতাগুলোর চেয়ে কত বেশি অগ্রসর ছিল।

গিজার গ্রেট পিরামিডটি নির্মাণ করতে ঠিক কতজন শ্রমিক লেগেছিল সেটা নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে জনসংখ্যা ও খাদ্য সরবরাহ পর্যালোচনা এবং ঐতিহাসিক বিভিন্ন সূত্রকে একত্রে করে মোটামুটি একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছান গেছে। ধারণা করা হয় প্রায় ৪০০০-৬০০০ পাথর খোদাইয়ে দক্ষ রাজমস্ত্রী একটানা প্রায় বিশ বছর সময় ধরে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছিল। তবে নীলনদের দান প্রাচীন মিশর বছরে তিনমাস ডুবে থাকত পানির নিচে। অনুমান করা হয় এই সময়গুলোতে লক্ষাধিক কৃষকও তাদের সাথে যোগ দিত।

এটি বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো রহস্যময় একটি ব্যাপার। অনেক কিছুই এখনো অজানা রয়েছে এই মিশরের পিরামিডকে নিয়ে।

কেমন লাগলো আজকের আলোচনা তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক করুন এবং অন্যান্য সোশ্যাল প্লাটফর্মে শেয়ার করুন। নিজে জানুন, অপরকে জানান। ধন্যবাদ♡

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে সংগৃহীত।

My Personal Account :

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Personal Youtube Channel :
https://www.youtube.com/channel/UCVJTRUlWGCohYLeqnxKK8aA

My Personal Kotha Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

আপনি যেকোনো কিছু ইতিহাসের কথাকে জানতে বা জানাতে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন।

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

সংঘর্ষের মধ্যেই সফলতার সন্ধানকারী।

বলিউড সিনেমা তো আমরা সকলেই দেখে থাকি। সবসময় না দেখলেও অন্তত একবার হলেও প্রত্যেকে দেখেছি। সিনেমা গুলো অন্যান্য সিনেমা থেকে একটু আলাদা হয়। আসলে এগুলো সম্ভব হয় সিনেমার ডিরেক্টরদের জন্য। তাহলে চলুন আজকে জেনে নেই এমনি এক সফল ডিরেক্টরের গল্প।

নাম : রাকেশ মেহরা।

জন্ম ১৯৬৩ সালের ০৭ই জুলাই ভারতের পুরোনো দিল্লিতে। চাঁদনী চকের সরু গলিগুলোয় বড় হয়ে উঠা রাকেশের শৈশবও অন্যান্য বাচ্চাদের মতোই কেটেছিল, যেটা দারিদ্রতার বোঝা বইতে বইতে আর যৌবনের আসার অপেক্ষাতেই কেটে যায়।

উনার পিতা হোটেলে চাকরি করতেন আর মাসে ৫০০ টাকা বেতন পেতেন। সেই বেতনে তিন সন্তানের পড়াশুনা আর পরিবারের খরচ অত্যন্ত মুশকিলে চলতো। এজন্য রাকেশ ক্লাস ৯ থেকেই চাকরি শুরু করে দিয়েছিলেন। উনি কখনো অ্যাড এজেন্সিতে, তো কখনো ট্যুরিস্ট ক্যাম্পে সামার জব করতেন। এর থেকে উনি মাসে প্রায় ১০০-১৫০ টাকা রোজগার করে নিতেন যাতে পিতার কিছুটা সহায়তা করতে পারেন।

তারপর পাশমার্কসের সাথে উনি শ্রীরাম কলেজ থেকে বি.এ পাশ করেন আর মাসে ৩৫২ টাকার সেলসম্যানের চাকরি করতে লাগলেন। উনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বিক্রি করতেন।

সেই সময় উনি এমনটা বলতেন,- “আমি সব কিছুই করতে পারি। কিন্তু আমি সেই কাজটাই করবো যেটা আমাকে বড় সফলতা প্রদান করবে, যাতে আগামী কয়েক প্রজন্ম আমার কথা মনে রাখে।”

সর্বদা হৃদয়ের কথা শুনতে থাকা রাকেশের মন সেই কাজে লাগলো না। আর কিছু ছোটোখাটো চাকরি করার পরে উনি অ্যাড এজেন্সিতে জয়েন করে নিলেন। সেখানে উনি Hero Honda -র জন্য প্রথম অ্যাড তৈরী করেন। সেই অ্যাড হিট হয়ে উঠেছিল।

সেই সময় এক বিজ্ঞাপনের জন্য অ্যাড গুরু প্রহনাদ কক্কর দিল্লী এসেছিলেন। উনি রাকেশের কাজ দেখে বলেন,- “তোমার তো মুম্বাই এসে যাওয়া উচিত।”

রাকেশ মুম্বাই চলে যান আর অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে অক্স ফিল্ম বানান। কিন্তু সফলতা উনি rang de basanti আর Delhi-6 ফিল্ম থেকে প্রাপ্ত হন।বর্তমানে উনাকে বলিউডের সফল নির্দেশকের শ্রেণীতে গণ্য করা হয়ে থাকে।

যেহুতু অমিতাভ বচ্চনের নামটি এসেই গেলো তাই আগামীকাল ইনশাল্লাহ অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে আলোচনা করবো।আজকের আলোচনাটি কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানান।ভালো লাগলে রেট করুন এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। কথাকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My Personal Account :.

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Instagram :

https://www.instagram.com/p/CBHoB9MDzWi/?igshid=17qfsa545gq2q

Twitter :

https://twitter.com/Carry_ka_fan/status/1257646548323667969?s=20

Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

চিন্তাশীল মানুষের আবির্ভাব।

একসময়ের মানুষেরা আমাদের মতোন চিন্তা করার ক্ষমতা ছিল না। কালের পরিক্রমায় এটি এসেছে। চলুন আজকে এই বিষয়ে ধারণা লাভ করা যাক।

২৫ লক্ষ বছর আগে কোন এক মানব প্রজাতি পাথরের টুকরোর আঁশ উঠিয়ে তাকে ফলকে পরিণত করে। তৈরি হয় প্রথম হাতিয়ার। সেই ফলক দিয়ে সে দ্রুত মৃত পশুর থেকে মাংস কেটে খেয়ে নিতে শেখে।

হ্যাঁ, প্রথমে ওরা মৃত পশুর মাংস খেত, ছিল উচ্ছিষ্টভোজী। পাথরের ফলক ও কুঠার আবিষ্কারের আগে খাদ্য শৃঙ্খলে মানব ছিল বুনো কুকুর ও হায়েনারও নীচে। ফলক তৈরি করার প্রযুক্তি আয়ত্ত হবার পরে উচ্ছিষ্ট মৃত পশুর থেকে বিভিন্ন মানব প্রজাতিগুলি দ্রুত ফালি ফালি করে মাংস কেটে নিত। এর ফলে খাদ্য শৃঙ্খলে হায়েনা ও কুকুরের উপরে উঠে এল মানব। সেই শুরু হল খাদ্য শৃঙ্খলের উপরে উঠবার জন্য ওদের লম্বা দৌড়।

মানব প্রজাতিগুলির দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে ১৭ লক্ষ বছর আগে। ওই সময়ে এসে গেছে হোমো ইরেক্টাস প্রজাতি। বরং আজকের মানুষের আদল কিছুটা পাওয়া যায় হোমো ইরেক্টাসের চেহারার সাথে। ওদের দেহের অনুপাত ছিল অনেকটা আধুনিক মানুষের মত। হোমো ইরেক্টাসের চেহারা ও মুখাবয়বের সাথে যেন আজকের আধুনিক মানুষের একটা মিল খুঁজে পাওয়া যায় । আর তৃতীয় বিপ্লব ঘটে যখন থেকে সে আগুনের ব্যবহার করতে শেখে। প্রমাণ আছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জাম্বিয়াতে অন্তত ৫ থেকে ১০ লক্ষ বছর আগে কোন মানব প্রজাতি আগুনের সাহায্যে মাংস পুড়িয়ে খেয়েছে। ওখানে ১৭টি প্রত্নস্থলে সামান্য পরিমাণে পোড়া হাড়ের টুকরো পাওয়া গিয়েছে। ওই সময় থেকে মানব প্রজাতিগুলি অনিয়মিতভাবে আগুনের ব্যবহার শিখেছে।

তবে বিজ্ঞানীরা মনে করেন তার অনেক আগে থেকেই মানব আগুনে পুড়িয়ে খাবার খেয়েছে।

আগুনের ব্যবহারের ফলে মানব প্রজাতিগুলি দিনের শেষেও কিছুটা সময় জেগে থাকতে পারল। শিম্পাঞ্জি, গরিলা ইত্যাদি অন্যান্য প্রাইমেটের দিন যেখানে ঊষাকালে আরম্ভ হয় এবং সূর্যাস্তের আশেপাশে শেষ হয়, সেখানে মানব প্রজাতিগুলি সন্ধ্যার প্রথম দিকেও সজাগ থাকতে শুরু করে।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা মনে করেন, অন্তত ৩ থেকে ৪ লক্ষ বছর আগে থেকে মানব নিজে আগুন জ্বালাতে শিখেছে। তার আগে সে দীর্ঘদিন ধরে প্রাকৃতিক আগুনকে সংগ্রহ করে সুবিধামত ব্যবহার করেছে; তবে প্রারম্ভিক আধুনিক মানুষ এবং নিয়েন্ডারথ্যাল উভয়ই জানত আগুন তৈরির প্রযুক্তি। পাইন গাছ থেকে নিঃসৃত আঠাল রজন ওরা লাঠিতে লাগিয়ে আগুন জ্বালাতো।

সন্ধ্যার সময়ে কয়েকটি অতিরিক্ত ঘন্টা জেগে থাকার ফলে ওরা বেশি করে গোষ্ঠীর মধ্যে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে উৎসাহিত হল।

এই প্রেক্ষাপটে ৩.৩৫ লক্ষ বছর আগে আধুনিক মানুষ উদ্ভূত হয় পৃথিবীতে। সেই মানুষ উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে আগুন ব্যবহারের জ্ঞান, পাথরের হাতিয়ার তৈরির প্রযুক্তি।আফ্রিকার কেপ টাউন থেকে ৩০০ কিমি পশ্চিমে সমুদ্র তীরে অপূর্ব প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত ব্লম্বস গুহায় আছে আধুনিক মানুষের আপাতত খুঁজে পাওয়া সবচাইতে পুরানো ষ্টুডিও।

অন্তত ৭৩ হাজার বছরের পুরানো দ্রব্যসামগ্রী ওই গুহায় পাওয়া গেছে। ওইখানে হদিস মিলেছে ৭৩ হাজার বছরের পুরানো গেরুয়া পাথরের। তাতে জ্যামিতিক নকশার মত সমান্তরাল ক্রসহ্যাচ খোদাই করা দাগ ছিল । এছাড়া পাওয়া গেছে ওই সময়ের ছিদ্রযুক্ত শেলের পুঁতি। পুঁতিগুলি সযত্নে ফুটো করা হয়েছে, কয়েকটি পুঁতি আবার পালিশ করা ছিল। সম্ভবত ওরা কোন গাছের লতা বা পশুর সরু চামড়াতে গেঁথে এই মালা পড়ত। আর পাওয়া গেছে লাল ও হলুদ রঞ্জক, চ্যাপ্টা চামচের মত হাড় রং রাখার জন্য এক ধরনের সামুদ্রিক শেল।তখনকার ওই মানুষ প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে ক্যালোরিযুক্ত খাবার না পেয়ে লড়াই করতে হয়েছে সিংহের সাথে, হায়েনার সাথে। এই পরিবর্তন চিন্তার জটিলতাকে ইঙ্গিত করে। ওরা আজকের মানুষের যথার্থ পূর্বসূরী।

চিন্তার জগতে ছবি আঁকা গুরুত্বপূর্ণ এক প্রক্রিয়া। ছবি আঁকতে অনেক সময়ে বিমূর্ত চিন্তা করতে হয়। চোখের সামনে যা নেই তাকে চিত্রিত করতে হয়। ব্লম্বস গুহায় প্রাপ্ত পাথরের উপরে ক্রসহ্যাচ আঁকা ছিল মানুষের প্রথম দিকের বিমূর্ত চিন্তার বাস্তবায়ন।

সেই সময় কি মানুষ কথা বলতে শিখেছে? মানুষ কখন কথা বলতে শুরু করে তা জানা সহজ নয়। একটা চিন্তাধারা আছে যে, ৭৫ হাজার বছর আগে মানুষ সম্ভবত অতি সরল বাক্য গঠন করতে সক্ষম ছিল। সে তখন তার নিজের চিন্তা অন্যকে জানাতে পারত। সাম্প্রতিককালে কিছু ভাষাবিদ প্রাগৈতিহাসিক ব্লম্বস গুহায় প্রাপ্ত শেলের মালা থেকে ভাষার উৎস ও বিবর্তন সম্পর্কে কিছু ধারনা করার চেষ্টা করছেন। তবে এই ধারনা সর্বজনস্বীকৃত, এমনটা বলার সময় আসে নি।

কেমন লাগলো আপনার মুল্যবান মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানান। ভালো লাগলে লাইক করুন এবং অন্যান্য সোশ্যাল প্লাটফর্মে শেয়ার করুন। আপনার পরিচিতদের কথা ব্যবহারে উৎসাহিত করুন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.

উপরোক্ত ইতিহাসের কিছু চিত্র আপনাদের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি।

ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My Personal Account :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim.♡

Categories
History

পড়াশুনায় জিরো থেকেও ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সুপারহিরো আমির খানের সফলতা।

বলিউড মুভি তো আমরা কমবেশি সকলেই দেখে থাকি।এই বলিউডের একজন কিংবদন্তির নাম হচ্ছে আমির খান। গোটা বিশ্বব্যাপী তার যশ-খ্যাতি রয়েছে।চলুন আজকে জেনে নেই তার এই সফলতার ইতিহাস।

নাম : আমির খান।

জন্ম ১৯৬৫ সালের ১৪ই মার্চ বান্দ্রা (বর্তমান মুম্বাই) এর হলি ফ্যামিলিত হাসপাতালে হুয়েছিলো। উনার পারিবারিক পৃষ্ঠভূমি ফিল্মি ছিল আর উনার পিত তাহির হুসেন প্রখ্যাত ফিল্ম নির্মাতা ছিলেন।

এমনটা শোনা যায় যে, জন্মের আগেই উনার পিতা উনার নাম আমির রেখে দিয়েছিলেন, উর্দু ভাষায় যার অর্থ ছিল নেতৃত্বকারী।

আমির ছোট বয়স থেকেই একটু বেশি বাঁচাল, দুস্টু আর প্রভাব বিস্তার করা ব্যক্তি ছিলেন। উনি যেমন-তেমনভাবে ক্লাস টুয়েল্ভ পর্যন্তই পড়াশুনা করতে পেরেছিলেন।সেই সময় উনার কমিকস পড়ার অত্যন্ত শখ ছিল।পরে ড্রামা আর স্পোর্টস উনার হবি হয়ে উঠে।

আমির খান ভালো টেনিস আর ক্রিকেট খেলোয়াড় ছিলেন। টেনিসে উনি মহারাষ্ট্র স্টেট চ্যাম্পিয়নও ছিলেন।কিন্তু উনি সিনেমার হিরো হতে চাইতেন।

উনি এমনটা বলতেন, – “লোকেদের এজন্য মনে রাখা হয় না যে, তাঁরা জীবনে কতবার বার্থ হয়েছেন, বরং তাঁদের অজ্ঞ স্মরণ করা হয় যে, তাঁরা জীবনে কতবার সফল হয়েছেন।”

প্রথম প্রথম উনার ফিল্মি ক্যরিয়ারে যথেষ্ট উঠানামা আসে, কিন্তু “হোলি” ফিল্ম মুক্তি পাওয়ার পরে উনি দর্শকের হৃদয় জয় করে নেন। এর পরে তার এর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

আজ থেকে কয়েক বছর আগে উনি Amir Khan Production এর স্থাপনা করেন। “লোগান” ফিল্মের নির্মান করেন আর এক সফল নির্মাতা হয়ে উঠেন। তারপর tere jamin par আর jane tu a jane na ও সুপারহিট হয়ে পরে। বর্তমানে আমির এক্টিং, ফিল্ম নির্মাণ আর নির্দেশনা ছাড়াও ফিল্মে গান গাইছেন এবং উনি “কয়ামত সে কয়ামত তক” আর “হাম হেয় রাহি পার কে” র স্ক্রিপ্ট লেখার কাজে সহকারীর ভূমিকাও পালন করছে।

কেমন লাগলো আপনার মূল্যবান কমেন্টের মাধ্যমে আপনার মতামত প্রকাশ করুন। ভালো লাগলে লাইক করুন এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।💚

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My Personal Account :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Twitter &Instagram :

https://twitter.com/Carry_ka_fan/status/1257646548323667969?s=20

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদান্তে Nit Mahim.♡

Categories
History

বসনিয়ায় মুসলিম নির্যাতন।

বসনিয়ার মুসলিমদের নির্যাতনের কারন ছিল তাদের গ্রেটার সার্ভিয়ার স্বপ্ন। তারা বলত, যেখানে যেখানে সার্ব সম্প্রদায় রয়েছে, সেসব জায়গা সার্বিয়ারই অংশ। সেসব এলাকায় একজন মুসলমানকেও জীবিত থাকতে দেওয়া হবে না। এরা আল্লাহ সর্বশক্তিমান আল্লাহ বড় বলে চিৎকার দিয়ে থাকে। আমরা এদেরকে সেই সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছেই পৌছিয়ে দিব।

আরও বলত, মুসলমান নারীরা অনেক সন্তান জন্মায়, এখন থেকে তারা সার্ব বাচ্চা প্রসব করবে।

বসনিয়ার মুসলিমরা স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামে লিপ্ত হয়। তাদেরকে কেউ সহযোগীতা করে নি। জাতিসংঘ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা জারি করে তাদেরকে কসাইদের হাতে তুলে দেয়।

মানবতার ধ্ববজাধারী জাতিসংঘের কাছে বসনিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রশ্ন ছিল, বসনিয়া স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও অন্য রাষ্ট্র থেকে অস্ত্র সংগ্রহে কেন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হল?

আজ পর্যন্ত কেউ এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে নি।

অন্যদিকে সার্বরা আগেই যুগোশ্লাভিয়ার সব অস্ত্র দখলে নিয়েছিল। রাশিয়া ছিল তাদের পাশে। ন্যাটো জোটের কমান্ডার ইন চিফ সদম্ভে ঘোষনা করল, ইউরোপের মাটিতে কোন মুসলিম রাষ্ট্র আমরা প্রতিষ্ঠিত হতে দিব না। ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জন মেজর হুশিয়ারী দিয়ে বলল, স্বাধীন মুসলিম বসনিয়া কোনভাবেই বরদাশাত করা হবে না।

কিন্তু বসনিয়ার মুসলিমরা সম্পুর্ন আল্লাহর উপর ভরসা করে যুদ্ধ চালিয়ে যায় এবং জয় লাভ করে। মুসলিম নামদারী কোন রাষ্ট্র সেদিন বসনিয়াকে সাহায্য করেনি। বরং বসনিয়ার সাহায্যের জন্য আসার খাদ্য ও ঔষধের জাহাজকে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো তাদের জলসীমা অতিক্রম করতে দেয় নি। এদিকে বসনিয়া মুসলিমদের অস্ত্রোপাচারের জন্য বেহুশ করার ঔষধ পর্যন্ত পাওয়া যেত না। ধিক্কার! ঐসব নামদারি মুসলিমদের প্রতি।

কিন্তু তবুও তারা হাল ছাড়েনি। আল্লাহর উপর ভরসা করেই তাদের সংগ্রাম চলেছে। তাদের হাতেও অস্ত্র এসেছে। এগুলো কেউ তাদের সাহায্য করে দেয় নি। নিজেদের জীবন কুরবানী দিয়ে তারা এই অস্ত্র পেয়েছে। একসময় তারা রনাঙ্গনে ক্রুসেডারদের রুখেও দিলেন। পাশ্চাত্যের মুসলিম বিদ্বেষী খ্রিস্টান সম্প্রদায় অবনত মস্তকে বসনিয়ার স্বাধীনতা মেনে নিল। কিন্তু ভাববার বিষয় হল, এজন্য তাদের কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, কতটা রক্তাক্ত হয়েছে বসনিয়া, কতো ক্ষতবিক্ষত ও পর্যুদস্ত হয়েছে। যার ফলে আজও ইউরুপের ধনী রাষ্ট্রগুলোতে বসনিয়ার মুসলিমদের ভিক্ষা করতে দেখা যায়।

বিশ্বমিডিয়া ইহুদীদের উপর নির্যাতন খুব ফলাও করে প্রচার করে। কিন্তু বসনিয়ার মুসলিমদের উপর যে নির্যাতন হয়েছে, অতীত ইতিহাসে এরকম নজির পাওয়া যাবে না। তাদেরকে নিজের পুরুষাঙ্গকে দাত দিয়ে কচকচ করে কাটতে বলা হত, যা ইহুদীদের কাউকে করতে হয় নি।

বর্তমান বিশ্বে এই করোনা পরিস্থিতিতে উন্নত দেশগুলোতে যেখানে প্রতিদিন গড়ে হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে, সেখানে বসনিয়া এবং আরেকটি মুসলিম দেশ আফগানিস্তানে আক্রান্তের খবর সবার শেষে পাওয়া গিয়েছে। এতেই বোঝা যায়, তাদের উপর সৃষ্টিকর্তার রহমত রয়েছে।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানান। ভালো লাগলে লাইক করুন আর অন্নান্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

My Personal Account :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Twitter & Instagram :

https://twitter.com/Carry_ka_fan/status/1257646548323667969?s=20

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Categories
History

ইস্তাম্বুলের ক্ষমতা ।

নেপোলিয়ন বলেছিলো, যদি কখনো সমগ্র পৃথিবী একটা দেশে পরিণত হয় তাহলে তার রাজধানী হবার যোগ্যতা রাখে একটি মাত্র শহর ইস্তামবুল। ইস্তামবুল বা কনস্টান্টিনোপল ছিল দিগ্বীজয়ী বার্জেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী। ২২ বা ২৪ স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা ছিল এই শহর।

আমাদের গ্রাম বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, “গল্পের গোরু গাছে উঠে।” কনটান্সিটনোপলের অভেদ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ঠিক তেমনি একটা প্রবাদ ছিল, যদি কখনো সমুদ্রের জাহাজ পাহাড়ে উঠে তাহলেই কেবল কনটান্সিটনোপলের জয় করা সম্ভব। এই রুপকথাই বাস্তব হয়ে যায়। সত্যি সত্যিই সমুদ্রের জাহাজ পাহাড়ে উঠে। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম ও শেষ ঘটনা যখন জাহাজ পাহাড়ে উঠেছিলো। এবং কনটান্সিটনোপলের পতন হয়।

এই কনটান্সিটনোপল নিয়ে রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এর ভবিষ্যৎবানী আছে…একদা রাসুল(সাঃ) বলেছিলেন,
“নিশ্চিতরুপে মুসলিমরা কুসতুনতিনিয়া জয় করবে সুতরাং তার শাসক কতই না উত্তম হবে এবং তার জয় লাভকারী সৈন্যরাও কতোই না উত্তম হবে” (মুসনাদে আহমদ)

২৯ মে ১৪৫৩ সালে ফাতেহ সুলতান মুহাম্মদ এই শহর জয় করেন। শহর জয়ের দিন, এই ২১ বছর বয়েসি সেনাপতি বলেন, আজ শহর নয়; আমার হৃদয় জয় করতে যাচ্ছি। তাই বিজয়ের পরে হয়নি কোন লুটপাট, ধ্বংসযজ্ঞ বা নারীদের অপমানের মচ্ছব। সুলতান মুহাম্মদের আগমনে শহরটিও যেন প্রাণ ফিরে পায়। আজও সুলতান ফাতেহ উদ্দিন মুহাম্মদ শহরের হৃদয়ে ঘুমিয়ে আছেন…

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।
তথ্য : উইকিপিডিয়া।

ভালো লাগলে লাইক করুন। শেয়ার করুন অন্যান্য সোশ্যাল প্লাটফর্মে। সকলকে কথা এপপ্সটি ইউস করতে উৎসাহী করুন। আপনাদের সহযোগিতার ফলেই কথা আজ এই পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছে। এইভাবেই আপনারা সর্বদা পাশে থাকবেন।♡

My Personal Account :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Twitter & Instagram :

https://twitter.com/Carry_ka_fan/status/1257646548323667969?s=20

Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Categories
History

দক্ষতার জোরে দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী ফ্যাশন ডিজাইনার হয়ে উঠা ।

আরমানি ব্র্যান্ডের নাম তো আমরা নিশ্চয়ই শুনে থাকবো। বিশেষ করে ঘড়ির জন্য। আমি এখনো আরমানি কোম্পানির ঘড়ি ব্যবহার করি।কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন যে এই কোম্পানির বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার কারণ কি! চলুন তাহলে আজকে জেনে আসা যাক এই কোম্পানির জাদুকরের ইতিহাস ;

নাম : জর্জিও আরমানী।

জন্ম ১৯৩৪ সালের ১১ই জুলাই ইতালির পিওসেন্জা শহরে হয়েছিল। উনার পিতা ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিতে খুব সাধারণ চাকরি করার সুবাদে উনার শৈশব খুব সমস্যায় কেটেছিল। তারপর উনি যখন বোরো হয়ে উঠলেন, উনি মেডিকেল, ফোটোগ্রাফি, আর্মি, মেন্সওয়ার স্টোরসহ বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করলেও সবগুলোই মাঝপথে ছেড়ে দেন।

উনার যখন ৪০ বছর বয়স, উনি সার্গিওর সাথে মাইল নিজের কোম্পানি শুরু করেন যেটা বর্তমানে ৭ বিলিয়ন ডলার (বা প্রায় ৩ লক্ষ ১৪ হাজার মিলিয়ন টাকা) র সম্পদে পরিবর্তিত হয়ে পড়েছে।উনি বর্তমানে এক বোরো জাপানি ভেঞ্চারের পার্টনার আর দুবাইয়ের “এম্মার গ্রুপ” এর সাথে ষ্টার হোটেল আর রিসোর্ট চানের মালিকও বটে। আরমানি হচ্ছে এমন এক সেলেব্রেটি শিল্পপতি যে উনার পার্টনার যেমনি হোক আর ভেঞ্চার যেমনি হোক, সেটাকে উনার বিশেষ “আরমানি ব্র্যান্ড নেম” দ্বারাই প্রমোট করা হয়ে থাকে।

তার কোম্পানিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে যেসব প্রোডাক্ট সেগুলো হলো –
•Sky Wear
•Casual Wear
•Underwear
•Swim Wear
•Kid’s Wear
•Jeans
•Sports Wear
•Accessories
•Watch
•Tie & Nectie
•Jewellery Frearence & Cosmetics
•Home Furnishing
•Sunglass & Eye protective Glass
•Shoe,Bag ……etc

আরমানি ব্র্যান্ড প্রোমোশনের জন্য টিভি স্পোর্ট এন্ড স্ট্রিট এডস ছাড়াও হাউস ম্যাগাজিনের সহায়তা গ্রহণ করেছে। এছাড়াও উনি খেলোয়াড় আর হলিউড তারকাদের সাথেও পেশাদার সম্পর্ক স্থাপিত করেছে।

উনি ১০০টিরও বেশি ফিল্মে কস্টিউম ডিসাইন করেছেন আর বহু আলোচিত ফিল্ম The Untouchable থেকে উনি ষ্টার ডিসাইন হয়ে উঠেছেন। উনি বিশ্বপ্রসিদ্ধ অভিনেতা Richard Gere কে ফ্যাশনেবল পোশাক পড়তে শিখিয়েছিলেন।

বর্তমানে আরমানিকে দুনিয়ায় সবথেকে ধনী ফ্যাশন ডিসাইনারদের মধ্যে গণ্য করা হয়ে থাকে।

কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক করুন আর বেশি বেশি অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

রিভিউয়ার এর সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে নিচের লিংকগুলোতে ক্লিক করুন।

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Twitter & Instagram :

https://twitter.com/Carry_ka_fan/status/1257646548323667969?s=20

Categories
History

Amul -কে “The Taste of INDIA” করে তোলা যাদুকর ।

ছোটবেলা থেকেই ইন্ডিয়ান চ্যানেলগুলো খুললেই দেখতে পেতাম আমূল, দা টেস্ট অফ ইন্ডিয়ার এর এডভার্টাইসমেন্ট। কিন্তু কখনো এই কোম্পানির সফলতা বা সফলকারী ব্যক্তির সম্পর্কে জেনে উঠা হয়নি। চলুন আজকে জেনে আসা যাক।

নাম : ভার্গিস কুরিয়ন।

জন্ম ১৯২১ সালের ২৬শে নভেম্বর কেরেলার কালিকট গ্রামে। উনার পিতা কোচ্চিতে সিভিল সার্জন ছিলেন, এজন্য উনি মাদ্রাজের লয়োলা কলেজ থেকে ফিজিক্স এ ডিগ্রিপ্রাপ্ত করেন। তারপর সরকারের পক্ষ থেকে উনাকে স্টাইপেন্ড প্রদান করা হয় আর উনি আমেরিকা চলে যান।সেখানে উনি “মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি” থেকে বিশেষ যোগ্যতার সাথে মাস্টার্স অফ সায়েন্সে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন।

উনি যখন ভারতে ফিরে আসেন, তখন উনি সরকারি রিসার্চ ক্রিমরিতে ডেইরি ইঞ্জিনিয়ার পদে নিযুক্ত হন। তারপর উনি “কায়রা ডিস্ট্রিক্ট কো-অপারেটিভ মিল্ক প্রোডাক্টস ইউনিয়ন”- এ আসেন। এটি বর্তমানে “আমূল” নামে পরিচিত। তারপর সেখান থেকে কুরিয়ন নিজের সফলতার পতাকা উড়াতে থাকেন।

সেই সময় উনি এমনটা মনে করতেন, – “সমৃদ্ধি মোটা বেতন দ্বারা প্রাপ্ত হয় না, বরং নিজের প্রতিভা সেই জায়গায় ব্যবহার করার মাধ্যমে আসে, যেখানে সেটার সব থেকে বেশি প্রয়োজন হয়।”

পরে উনি “ফাদার অফ হোয়াইট রেভোল্যুশন” আর “মিল্কম্যান অফ ইন্ডিয়া” র রূপে প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেন।

উনি নিজের প্রচেষ্টায় শ্বেত বিপ্লবের জন্ম দিয়েছেন। সেই সময় কুরিয়ন “Eye to had a Dream” নামে এক পুস্তকের রচনাও করেছেন, যেখানে উনার জীবনের সংঘর্ষ আর উপলব্ধির প্রদর্শন করা হয়েছে।

তিনি সর্বদাই এমনটা বলতেন, “সততা হচ্ছে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। আপনার নিজেদের কাজ দৃঢ়তার সাথে করুন আর নিজেদে প্রচেষ্টাকে থিম যেতে দিবেন না – এটাই হচ্ছে সফলতার মূল রহস্য। ”

কেমন এগুলো মিল্ক ম্যানের আয়োজন ? আপনার মূল্যবান কমেন্টের মাধ্যমে জানিয়ে দিন। ভালো লাগলে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন, কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

My Personal Account :

Facebook :

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

My Personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Categories
History

মেহনত আর নিষ্ঠার জোরে “দা বডি শপ “এর মালিক।

সাবান, লোশন এগুলো আমাদের নিত্যদিনকার প্রয়োজনীয় জিনিস। কিন্তু এগুলোকেই কেন্দ্র করেই একজন হয়েছিল ধনী শিল্পপতি। চলুন আজকে তার সম্পর্কে জেনে আসা যাক।

নাম : অনিতা রডিক।

জন্ম ১৯৪২ সালের ২৩শে অক্টোবর ইংল্যান্ডের লিটল হাম্পটন স্টেটে এক এংলো-ইন্ডিয়ান পরিবারে হয়েছিল।উনার যখন ৯ বছর, সেই সময় উনার মা ডিভোর্স দিয়ে ২য় বিবাহ করেছিলেন।

১৯৬২ সালে তিনি স্কলারশিপ নিয়ে ইসরাইল এ পড়াশুনা করতে যান, যেখানে উনার সাথে গর্ডন রোডিকের বিবাহ হয়। বিবাহের পর অনিতা “দি বার্কলে বডি শপ” দেখেন, যেটা ন্যাচারাল বাথ শপ আর লোশন তৈরী করতো।

উনিও ন্যাচারাল কসমেটিক বানাতে শুরু করে দেন আর ব্রাইটন, ইংল্যান্ডে প্রথম বডি শপ খোলেন। যখন উনার উৎপাদন চাহিদা বেড়ে গেলো, উনি ফ্রাঞ্চাইজি ফর্মুলা গ্রহণ করেন আর ১৯৮৪ সালে ১৩৮টি বডি শপ সিরিজের সাথে নিজের কোম্পানিকে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে রেজিস্টার করান।

সেই সময় অনিতা বলেছিলেন – “ভয় না পেয়ে মন যা চায়, সেটা করুন … সফলতা আপনার চরণ স্পর্শ করবে।”

২০০৬ সালে উনার কোম্পানি সফলতার শিখরে ছিল।এজন্য উনি নিজের কসমেটিক্স কোম্পানি “ল রিয়ল” লন্চ করেন আর কয়েক বছরের ভেতরে সেটাকে ৬৫২ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ৪৭৭২ কোটি টাকা) পর্যন্ত পৌঁছে দেন। ২০১২ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী উনাকে ইংল্যান্ডের সব থেকে ধনী মহিলা শিল্পপতি হিসেবে গণ্য করা হয়।

কোনো উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য মেহনত করাটা যতটা জরুরি হয়, তার থেকেও বেশি জরুরি হয় যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা।

কেমন লাগলো তা আপনার মূল্যবান কমেন্টের মাধ্যমে প্রকাশ করুন। ভালো লাগলে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My Personal Account :

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim.5

My Personal Kotha :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Categories
History

ফার্নিচার বেঁচে হয়েছিলেন গ্লোবাল কিং ।

আমাদের প্রত্যেকের ঘরেই কমবেশি নানারকম ফার্নিচার আছে। বাড়ির আশেপাশেও অনেক ফার্নিটারের দোকান চোখে পরে। যারা ফার্নিচারের দোকানে চাকরি করে তাদের বেশিরভাগই নিম্নমধ্যবিত্ত জীবনযাপন করে। কিন্তু আপনি কি ভাবতে পারেন , শুধু ফার্নিচার বেঁচেও কেও বিশ্বের ধনীদের তালিকায় নাম উঠাতে পারে! চলুন তাহলে আজকে এই বিষয়ে জেনে আসা যাক।

নাম : ইগবর কাম্প্রাদ।

জন্ম ১৯২৬ সালে সুইডেনে হয়েছিল। উনার পিতা একজন কৃষক ছিলেন। ছোটবেলায় উনাকে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে দেশলাই, মাছ আর পেন্সিল বিক্রি করতে হয়েছে।তারপর যখন উনি ভালো নম্বরের সাথে স্কুলের পরীক্ষা পাশ করলেন, তখন উনার পিতা উনাকে উপহারস্বরূপ ১০০ ডলার দিয়েছিলো, যাতে উনি নিজের জন্য কিছু করতে পারেন।

কিন্তু কাম্প্রাদ সেই পয়সা দিয়ে কাঠের ফার্নিচার বানানো শুরু করেন আর নাম দেন “আইকিয়া”। বর্তমানে সেই “আইকিয়া “- ই দুনিয়ার সবথেকে বড় ফার্নিচার রিটেলিং কোম্পানির রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। কাম্প্রাদ রেডি-টু-এসেম্বল ফার্নিচার ছাড়াও সেগুলোর অ্যাসেসরিজও বানান।

সুইডিশ মিডিয়া অনুসারে উনি হচ্ছেন দুনিয়ার সবথেকে ধনী ব্যক্তিদের অন্যতম। আর ফোবর্স ২০১১ সালের লিস্ট অনুযায়ী উনি দুনিয়ার ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ১৬২ তম স্থানে রয়েছেন। বর্তমানে উনি “ইঙ্গকা হোল্ডিংস” -কে আইকিয়া রিটেল ষ্টোর সিরিজের পেরেন্ট কোম্পানি বানিয়ে দিয়েছেন।

সেই কোম্পানির সম্পত্তি হচ্ছে ৪০ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ১৮ হাজার মিলিয়ন টাকা, যার আসল মালিক হচ্ছেন এই কাম্প্রাদ। ১৯৬৩ সালে কাম্প্রাদ নরওয়েতে প্রথম “আইকিয়া রিটেল স্টোর ” খুলেছিলেন।

বর্তমানে বিশ্বের ৫০টি দেশে ৩১৩টি আইকিয়া রিটেল স্টোর্স রয়েছে আর ৩৭টি আইকিয়া রেট স্টোর্স এর ফ্রাঞ্চাইজি সঞ্চালন চলছে। সুইডেন আর চীনের স্টোর ৫৫ হাজার বর্গমিটার জুড়ে বিস্তৃত।

কাম্প্রাদ স্টকহোমে বাড়ি-বাড়ি ঘুরে দেশলাইয়ের প্যাকেট বিক্রি করার সময় বাজারের এক অব্যর্থ মন্ত্র শিখেছিলেন।সেটি হলো –

“অধিকতম টার্নওভার … নুন্যতম মুনাফা আর নিজের প্রোডাকশন কষ্ট কমিয়ে এনে মুনাফা কামানো। ”

এই মন্ত্রের উপর ভিত্তি করে চলে উনি “আইকিয়া” উৎপাদনের ডিসাইনিং সেই সব দেশে তৈরী করাতেন, যেসব দেশে কাঁচামাল আর শ্রমের মূল্য কম হতো।

এই কারণেই কাম্প্রাদের “ইঙ্গকা ফাউন্ডেশন" এর সম্পদ “গেটস ফাউন্ডেশন”এর সম্পদের থেকে ৩৩ বিলিয়ন ডলার বেশি।

ইগবর কাম্প্রাদকে তাই বিশ্বের ফার্নিচার গ্লোবাল কিং বলা হয়।

কেমন লাগলো? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানান। ভালো লাগলে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।
লেখনীতে : মাহিম।
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My Personal Account:

Facebook :
https://www.facebook.com/nit.mahim.5

My Personal Kotha :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Categories
History

বিশ্বের প্রথম গাড়ি উদ্ভাবনকারী ব্যক্তি।

গাড়ি। শহরকেন্দ্রিক মানুষদের কাছে এটি একটি নিত্যদিনকার শব্দ। স্কুল-কলেজ , অফিস-আদালত এ যেতে হলে বেশিরভাগ শহুরে মানুষদেরকে গাড়ি ব্যবহার করতেই হয়। কিন্তু এই গাড়ি একসময় এভেইল্যাবল ছিল না।চলুন আজকে জেনে আসা যাক এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের আবিষ্কারকের সম্পর্কে।

নাম : হেনরি ফোর্ড।

জন্ম ৩০শে জুলাই, ১৮৬৩ সালে আমেরিকার গ্রীন ফিল্ড টাউন এ এক কৃষক পরিবারে হয়েছিল।ছোটবেলা থেকেই উনার মেশিনের প্রতি আগ্রহ ছিল। কিন্তু যখন উনি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষা শেষ করলেন , তখন উনার পিতা উনাকে চাষবাসের কাজে লাগিয়ে দেন।

কিন্তু সময় বার করে উনি নিজের বন্ধুদের ঘড়ির কলকব্জা খুলে সেগুলো আবার লাগিয়ে দিতেন। এই দেখে উনার পিতা প্রচন্ড রাগারাগি করতেন আর উনাকে শাস্তিও দিতেন। তারপর ১৬ বছর বয়সে উনি বাড়ি থেকে পালিয়ে ডেট্রয়েট পৌঁছে যান আর স্টিম ইঞ্জিনের মেরামত করার কোম্পানিতে কাজ করতে লাগেন।

সেই সময় উনি দিনরাত কাজ করে চলতেন। এর ফলে হেনরি এক বছরের মধ্যেই কোম্পানির চিফ ইঞ্জিনিয়ার হয়ে উঠেন। সেই সময় উনার বেতন ছিল ১২৫ ডলার , যার থেকে উনি ১০০ ডলার সঞ্চয় করে রাখতেন।এইভাবে উনার কাছে যখন ৫০০০ ডলার জমা হয়ে পড়লো যখন উনি এমন একটি গাড়ি বানানোর প্ল্যান করলেন, যেটা দামে সস্তা হবে আর সাধারণ লোকেদের বাজেটেও এসে পড়বে। তারপর ১ বছরের মধ্যেই উনার মডেলটি প্রস্তুত হয়ে পড়লো। সেটা রাস্তায় আসামাত্র হৈচৈ ফেলে দিলো। সেই গাড়ি দামে এতটাই সস্তা ছিল যে ,সাধারণ লোকেরাও সেটা কিনতে পারতেন। কালো রঙয়ের গাড়িটা লোকেদের খুবই পছন্দ হলো। গাড়ি বিক্রির অতিতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিলো। এক বছরে যতগুলি গাড়ি তৈরী হতো , তার চেয়ে অনেক বেশি গাড়ির চাহিদা সর্বোদাই থাকতো।

এভাবে হেনরি নিজের কোম্পানিকে সফলতার শিখরে পৌঁছে দিয়েছিলেন। বর্তমানে উনার পৌত্র আর প্রপৌত্ররা কোম্পানি চালাচ্ছেন।

একবার হেনরি লন্ডন গিয়েছিলেন। সেখানে উনি এয়ারপোর্টের এনকোয়ারি অফিসে গিয়ে সস্তা হোটেলএর ব্যাপারে তথ্য চাইলে এনকোয়ারি অফিসের কর্মচারী বলেন – আপনার পুত্ররা এখানে এলেই সর্বদা বিলাসবহুল হোটেল হোটেলে উঠেন এ আপনি সস্তা হোটেলের ব্যাপারে জানতে চাইছেন !
হেনরি ফোর্ড জবাবে বলেছিলেন – ” আমি এক গরিব বাপের ছেলে আর আমার পুত্ররা ধনী বাপের ছেলে। ”

নোট : আপনারা যখন অন্য কারোর মতো হবার চেষ্টা করেন, তখন আপনারা সর্বদা দ্বিতীয় স্থানেই থাকেন। এজন্য ভিড়ের অংশ হয়ে উঠবেন না।

রিভিউয়ার : Nit Mahim
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

কেমন মূল্যবান কম্মেন্ট এর মাধ্যমে আপনার মতামত জানান।ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

My Personal Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4