Categories
History

বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় শো-ম্যান ।

ছোটবেলাতে মিকি মাউস , সিনড্রেলা দেখেনি এরকম মানুষ খুঁজে পাওয়া বড় দায়। আমি নিজেও মিকি মাউস এর পাগল ছিলাম। কিন্তু কখনো জেনে আসা হয়নি কার্টুন এর আবিষ্কর্তা কে ? চলুন আজকে জেনে নেয়া যাক।

নাম : ওয়াল্ট ডিজনি।

জন্ম ১৯০১ সালের ০৫ই ডিসেম্বর আমেরিকার শিকাগোয়। জন্মের কিছুদিন পরে উনার পিতা মার্সিলিনে শিফট হয়ে পড়ে। সেখানেই উনার ভেতরে কার্টুন বানানোর কলা জন্ম নেয়।

চার বছর মার্সিলিনে থাকার পরে ওয়াল্ট ১৯১০ সালে নিজের বোন রুথের সাথে Benton Grammar School – এ এডমিশন নেন। যেখানে ওয়াল্ট এর সাথে ফেফর নামের এক যুবকের পরিচয় হয়।

তারপর উনারা দুজনে মিলে কার্টুন বানানোর এক কোম্পানি শুরু করেন। কিন্তু উনাদের সেই কোম্পানি বেশিদিন চলেনি। তারপর ডিজনি নিজের কাকার গ্যারাজে প্রথম হলিউড কার্টুন ষ্টুডিও বানান। পরে সেটার নাম দেন ” ডিজনি ব্রাদার্স ষ্টুডিও ” রাখা হয়।

সেই সময় ওয়াল্ট প্রথম কার্টুন কমিক Alex Comedy বানান যেটা যথেষ্ট সফল হয়। তারপর উনি Mickey Mouse এর মতো অদ্ভুত চরিত্রের সৃষ্টি করেন আর গোটা বিশ্বে প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেন। পরে ওয়াল্ট ফুল লেন্থ ফীচার ফিল্ম Snow White & 7 Wonders বানান যেটা দর্শকেরা প্রচন্ড পছন্দও করেন।

সেই সময় ওয়াল্ট এমনটা বলতেন – ” আমাদের প্রত্যেকের ভেতরে অনেক শক্তি লুকিয়ে আছে রয়েছে যেটা আমাদের যোগ্যতাকে একত্রিত করে যাতে আমরা সব বাধা অতিক্রম করতে পারি ।”

এর পরে ওয়াল্ট যুগান্তকারী কিছু ফিল্ম বানান যার জন্য তিনি আন্তর্জাতিকভাবে পুরস্কারও লাভ করেন।
ফিল্ম গুলো হলো :
¤Cindrella ;
¤ Pinokiyo ;
¤Alis in Wonderland ;
¤Piter Pan ;
¤20,000 Leagues Under the Sea ;
¤Seal Island ;
¤The Living Desert ;
¤Man Against the Orcatic .etc

এর পর তো ওয়াল্ট গোটা দুনিয়ায় Disneyland আর Walt Disney এর মতো থিম পার্ক বানিয়ে ফেলেন। বর্তমানে আমেরিকা , জাপান , চীন , ফ্রান্স এর মতো অনেক দেশের বাচ্চারা এই সব থিম পার্কের মজা উপভোগ করছে।

এ থেকে বোঝা যায়, ইচ্ছাশক্তি যদি দৃঢ় হয় তাহলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। এজন্য দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির সাথে এগিয়ে চলুন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

রিভিউ টি কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন।ভালো লাগলে শেয়ার করুন।কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

Personal Account :
https://twitter.com/Hermoso_GuY/status/1257646548323667969?s=20

Categories
History

একসময়ের যৌন হয়রানির শিকার মেয়েটি আজ বিশ্বের সবথেকে বড় নিউজ এজেন্সির সংস্থাপক ।

বিশ্বের ধনীদের তালিকার কথা শুনলেই চোখে ভেসে উঠে বিল গেটস , স্টিভ জবস , জেফ বেজোস এর মতো নানা ব্যক্তিবর্গদের নাম। আমরা কমবেশি সবাই এদের জীবনকাহিনী সম্বন্ধে কিছুটা হলেও জানি।তাহলে চলুন আজ ভিন্ন কিছু জেনে আসি।

নাম : অপরা উইনফ্রে।

জন্ম হয়েছিল ০৭ই অক্টোবর , ১৯৫৫ আমেরিকার মিসিসিপিতে। উনার শৈশব ছিল অনেক কষ্টদায়ক।কারণ উনি যখন মাত্র ৬ বছরের ছিলেন , সেই সময় উনার পিতা-মাতা পরস্পরের থেকে আলাদা হয়ে পড়েছিলেন।

এর পরে উনি নিজের মায়ের সাথে থাকতে লাগলেন।তখন উনার আত্মীয়রা উনার উপর প্রচন্ড যৌন শোষণ করেন আর উনি সব কিছু মুখ বুজে সহ্য করে যাচ্ছিলেন।কিন্তু পরিস্থিতি যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলো , তখন উনি ১৪ বছর বয়সে নিজের পিতার কাছে চলে যান।

কিন্তু সমস্যা শেষ হলো না। কারণ সেখানেও উনার উপর যৌন শোষণ চলতে লাগলো।কিন্তু যখন স্কুলে পড়ার সময় ১৯৭১ সালে অপরাকে ” হোয়াইট হাউস কনফারেন্স ও ইয়ুথ ” এর জন্য বেছে নেয়া হলো। তখন উনি আবার একবার নিজের মায়ের কাছে ফিরে আসেন।তারপর সেখানে লোকাল রেডিও স্টেশন এ উনার ইন্টারভিউ নেয়া হয়।

পরে উনি রেডিও স্টেশনের এনাউন্সার হয়ে পড়েন আর সবার হৃদয়ে স্থান করে নেন। উনি প্রথম আফ্রো-আমেরিকান মহিলা ছিলেন যার কণ্ঠস্বর অনেক জোরদার ছিল। সেই সময় উনার বয়স ছিলো মাত্র ১৭ বছর।

এর পরে উনি মিডিয়া আর জার্নালিজম এর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে উঠেন।উনার বয়স যখন ১৯ বছর হয়ে পড়লো , উনি লোকাল টিভি স্টেশনে নিউজ এঙ্করের চাকরি পান। কিন্তু উনি সেই কাজে নিজেকে কখনোই সহজ অনুভব করতে পারেনি। উনি টক্ শো ” পিপল আর টকিং ” তে নিজেকে অনেক বেশি সহজ অনুভব করতেন আর বিশ্বের সংবেদনশীল বিষয়গুলোকে উনি সামনে নিয়ে আসতেন।

এর কিছু সময় পর উনি টিভি স্টেশনের চাকরি ছেড়ে দেন আর শিকাগোয় ” ডব্লিউ . এল . এস . টিভি ” তে সকালবেলায় প্রচারিত হওয়া টক্ শো ” এম শিকাগো ” হোস্ট করতে লাগলেন।সেই টক্ শো এক বছরের মধ্যে নম্বর ওয়ান টক্ শো হয়ে পরে।

পরে উনি নিজের প্রোডাকশন কোম্পানি ” হারপো ” স্থাপিত করে ” দা উইনফ্রে শো ” শুরু করেন। বর্তমানে সেই শো ভারত সমেত গোটা দুনিয়ার ১০০ টিরও বেশি দেশে প্রচারিত হয়।আমেরিকার ” ফোবর্স ম্যাগাজিন ” অপরাকে হলিউডের সব থেকে বেশি ধনী ব্যক্তিদের সূচিতে শামিল করেছেন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.

ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

কেমন লাগলো আপনার মূল্যবান কমেন্ট এর মাধ্যমে জানান।ভালো লাগলে শেয়ার করুন।করুন কথাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

Personal kotha Account :
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Categories
History

সফলতার জন্য বয়স শুধুমাত্র একটা সংখ্যামাত্র।

ছোটোবেলা থেকে ইন্ডিয়ান চ্যানেল গুলোতে প্রায়শই চোখে পড়তো BIG BAZAR , FOOD BAZAR এর এডভার্টাইসমেন্ট। কিন্তু কখনোই জানা হয় নি যে কোম্পানিগুলোর সফলতার পিছনে কারণ কি। চলুন আজ জেনে আসা যাক।

কিশোর বিয়ানী। জন্ম : ০৯ই আগস্ট ১৯৬১ ভারতের রাজস্থানে। কিন্তু উনি গ্রাজুয়েশন করেন মুম্বাইয়ের HR College of Commerce থেকে। উনার পিতা চেয়েছিলেন যে কিশোর পড়াশুনা করে নিজেদের পৈতৃক ব্যবসাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

কিন্তু কিশোর যে ভারতের রিটেল ব্যাবসার এত বোরো নাম হয়ে উঠবেন …. এটা হয়তো উনার পিত কোনোদিন কল্পনা করেননি।

রিটেলিং ব্যাবসাতে নিষ্ঠা আর ভারতীয় খরিদ্দারদের চিন্তাধারার উপরে ভালো দখল রাখা কিশোর আজ ১০০ কোটি ডলার মূল্যের ” ফিউচার গ্রুপ ” এর সিইও।

উনার প্রথম রিটেল প্রজেক্ট ছিল ” প্যান্টালুন “….যেটার সূত্রপাত হয় ১৯৯৭ সালে প্রথম আউটলেট স্থাপনার মাধ্যমে হয়েছিলো । তারপর আর কিশোর কখনো পেছন ফিরে দেখেনি আর উনি গোটা দেশে এক এক করে বেশ কিছু স্টোর্স খোলেন। যেগুলো হলো :
#Big Bazar
#Food Bazar
#brand Factory Central
#Home Town
#E-Zone.
এসবের মাধ্যমে তিনি বিজয়ের পতাকা উড়ান।

উনি নিজের ব্যাবসাতে ঝুঁকি উঠাতে একেবারেই ভয় পান না। উনি এক ইন্টারভিউতে বলেছিলেন , “ভারতে সুযোগের কোনো অভাব নেই। কিন্তু এইটা হচ্ছে ঠিক হিন্দি সিনেমার মতো … যেখানে কেও সফল হয় আর কেউ ব্যর্থ ! ”

এখন পর্যন্ত উনি দু ডজনেরও বেশি ব্যাবসায়িক ফরম্যাটস শুরু করেছেন …. যেগুলোর মধ্যে “মেলা “আর “ফ্যাশন স্টেশন ” ব্যর্থ হয়েছে। উনি তৎক্ষণাৎ সেই সব প্রজেক্ট বন্ধ করে দিয়েছেন ।

উনি এমনটা বলেন – ” ব্যর্থতার অর্থ এই নয় যে আপনি কোনো কাজের নন … বরং ব্যর্থতার অর্থ হচ্ছে এটা যে আপনার সফল হওয়া এখনো বাকি আছে। ”

অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে ব্যাবসার ক্ষেত্রে শিখরে কিভাবে পৌঁছানো যায় … সেটা কিশোর বিয়ানীর কাছে শেখা যেতে পারে।

[Collected]

কেমন লাগল কমেন্ট করে জানাবেন।আগামীতে কি বিষয় নিয়ে আলোচনা দেখতে চান কমেন্ট করে জানাবেন।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন।কথাকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।

Categories
History

নির্বাচনী ভোটপত্র।

নির্বাচন এবং ভোটপত্র যেন একে অপরের পরিপূরক।চলুন এই ভোটপত্র সম্পর্কে জেনে আসা যাক –

ভোটপত্রের প্রচলন প্রথম শুরু হয় ১৮৬৫ সালে।ব্যালট পেপার বা ভোটপত্রের মাধ্যমে প্রথম সংসদীয় নির্বাচন হয় অস্ট্রেলিয়ায় ১৮৫৬ সালে ভিক্টোরিয়ার উপনিবেশে।গোপন ভোটপত্রের মাধ্যমে ভিক্টোরিয়া আইন পরিষদের ওই নির্বাচন হয় ১৮৫৬ সালের ২৭শে আগস্ট।এই নির্বাচন হয় ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দের ১৯শে মার্চ বলবৎ নির্বাচন আইন অনুসারে।

গোপন ভোটপত্রের মাধ্যমে নির্বাচন করার প্রস্তাব কিন্তু এসেছিলো ৫ বছর আগে।সে সময় ঔপনিবেশিক সচিব ” ই ডিয়াস থমসন “প্রস্তাবটি বাতিল করে দিয়ে বলেন , ” ” ব্যালেটের মাধ্যমে নির্বাচন শুধু অসাংবিধানিক নয়, ব্রিটিশ রীতি বিরোধীয়। ”

কিন্তু  শেষ পর্যন্ত সেই তথাকথিত অসাংবিধানিক ব্যবস্থাকে সাংবিধানিক করেন উইলিয়াম নিকলসন । নিকলসন ছিলেন কুমারলান্ডের একজন মুদি। তিনি ১৮৪১ খ্রিস্টাব্দে ভিক্টোরিয়ায় চলে আসেন। তিনি ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে মেলবোর্নের মেয়র এবং ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে এই উপনিবেশের প্রধানমন্ত্রী হন।ব্যালেটের মাদফহোমে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তিনি যে প্রস্তাব আনেন সেটি ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দের ১৮ই ডিসেম্বর ৩৩-২৫ ভোটে গৃহীত হলে সরকার পদত্যাগ এ বাধ্য হয়। পরে আবার ক্ষমতায় ফিরে এলেও সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামত মানতে সরকার বাধ্য হয় এবং ব্যালেটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠানের রাস্তাটি পাকা করে দেন।

রিভিউ লেখনীতে : মাহিম।
তথ্যসূত্র : বিচিত্র তথ্য।

কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন। কি বিষয় নিয়ে আগামীতে জানতে চান তাও জানাতে পারেন।

Personal Account :

Facebook

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Twitter :

https://twitter.com/HermosoMahim/status/1257647044476493824?s=20

Categories
History

রুইজ পিকাসোর “পাবলো পিকাসো ” হয়ে ওঠা ।

ছোটবেলা থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত পাবলো পিকাসোর নাম শুনেনি এরকম মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমিও অনেকবার শুনেছি। শিল্পজগতের লিজেন্ড। তার সম্পর্কে অনেক প্রশ্নই ছোটবেলা থেকেই মনের ভিতর তৈরী হতো।যেমন-

১। উনার নাম কি আসলেই পাবলো পিকাসো?

২। উনি এত ভালো ড্রয়িং কিভাবে করতেন ?

৩।পেইন্টিং তো অনেকেই করে। উনার এত সফলতার পেছনে কারণ কি ? ইত্যাদি ইত্যাদি।

●চলুন একনজরে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর জানা যাক-

পিকাসোর জন্ম ২৫শে অক্টোবর , ১৮৮১ স্পেন এ। স্পেন দেশের এক প্রথা অনুসারে বাচ্চার নামের সাথে বাচ্চার পিতা-মাতার নাম যুক্ত করা হয়। সেই পরম্পরা অনুসারে ওনার মাতা রুইজ আর পিতা পিকাসোর নাম যুক্ত করে উনার পুরো নাম পাবলো রুইজ পিকাসো রাখা হয়।

পিকাসোর ছোটবেলা থেকেই ড্রয়িং এর প্রতি আগ্রহ ছিল। এ জন্য ছোট বয়স থেকেই থেকেই লোকেরা উনাকে “পিজ-পিজ” বলে ডাকতে শুরু করে দিলেন। কারণ স্প্যানিশ ভাষায় পেন্সিল কে লোপিজ বলা হয় এ পিকাসো সর্বদা পেন্সিল হাতে নিয়ে ঘুরতেন। মাত্র ৭ বছর বয়সেই উনি ড্রয়িং করতে শুরু করেন।পিকাসোর মাতা-পিতা দুজনেই শিল্পী ছিলেন। উনার ভালো ড্রইং করার এটি অন্যতম কারণ।

পিকাসো অত্যন্ত মেহনতি ছিলেন। কারণ উনি এটা জানতেন যে – “মেহনতিই সামনের দিকে এগিয়ে চলার পথ দেখায় আর বিপত্তিকে ছোট হিসাবে মেনে নিলে বিজয়প্রাপ্ত হয় ! ”
এজন্য উনি দিনের বেলা ঘুমোতেন আর রাতে পেইন্টিং বানাতেন। পিকাসো নিজের পেইন্টিংয়ে চমকালো রঙের ব্যবহার করতেন। উনার এই আবিষ্কারকে ” কুবিষ্ট ” বলা হয়।

পিকাসো রিয়ালিস্টিক পেইন্টিংস বানাতেন। উনি ২য় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনার উপরে আধারিত পেইন্টিংসও বানিয়েছিলেন। পিকাসো চিত্রকরের সাথে সাথে এক মূর্তিকারও ছিলেন। উনি উনার জীবনে প্রায় ২৫০-এরও বেশি মূর্তি বানিয়েছে।

তার কাজের প্রতি ভালোবাসা তাকে সফলতার শিখরে পৌছিয়ে দিয়েছে। এজন্য বর্তমানে পিকাসো- কে বিশ্বের মহান শিল্পী হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে।

রিভিউয়ার : মাহিম।
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে সংগৃহিত।
তথ্যসূত্র : পাওয়ার অফ পসিটিভ থিংকিং।
বইটির লেখক: তরুণ ইঞ্জিনিয়ার।

My Presonal Accounts :

Mytwitter:

https://twitter.com/HermosoMahim/status/1257647044476493824?s=20

Facebook:

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
History

স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মদাতা শেখ মুজিব ।

●দেশ হারিয়েছে প্রিয় নেতা মুজিবকে। কেও ব্যথিত ও শোকাহত। আবার কেও আনন্দিত ও সস্তিপ্রাপ্ত। কিন্তু মুজিব নিজে কি হারিয়েছে?

বড়, ছোট, ইতর, মহান, সব মানুষই মরণশীল, যা স্বাভাবিক এবং অনিবার্য। কথা উঠে অস্বাভাবিক মৃত্যুকে নিয়ে। কোন মহৎ কারণে কোনো জননেতার অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে তিনি আত্মত্যাগের মর্যাদা পেয়ে থাকেন। পরিণত সময়ে সাভাবিক মরণ হলে সে মর্যাদা মিলে না। শেষের দিকে মুজিবের সাধারণ জনপ্রিয়তা শুন্যের কোঠায় পৌঁছেছিল। কুচক্রী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থ, কুশাসন, দুর্নীতি ও অরাজকতা যে গতিতে তখন সমাজকে গ্রাস করে চলেছিল, ফলে যেভাবে প্রিয় জনগণ হতে শেখ মুজিব বিচ্ছিন্ন ও বিস্মৃতিতে তলিয়ে যাচ্ছিলেন সে প্রেক্ষাপটে মুজিব বেঁচে থাকলে পরিণতি কি হতো তা কল্পনা করা যায় না।

মুসোলিনির পরিণতির কথা মনে জাগে। তাই শেখ মুজিবের মরদেহ অকালে ভ্রান্ত হত্যাকারীর অস্ত্রে বিদীর্ণ হলেও তাঁর আত্মা পরিত্রান লাভ করেছে। মুজিবের আত্মৎসর্গ দেশ ও দেশবাসীর জন্য। এ অর্থেই মুজিব বাংলাদেশের জন্মদাতা।

ছবি: ২০১৭ সালে আমার আঁকা।

Personal Account:

Facebook : https://www.facebook.com/nit.mahim.5

Categories
History

বন্দিদশা হতে ফিরে শেখ মুজিবের অমূল্য ও চিরস্থায়ী অবদান ।

জাতির প্রতি শেখ মুজিবুর রহমানের সেরা অবদান হচ্ছে নবজাত রাষ্ট্রকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার রাহুগ্রাস ঠেকানো । কিন্তু কি করে তা করলেন?

বন্দিদশা হতে ফিরে এসেই প্রথমে তিনি যা যা করলেন তা হলো :

১।বাংলাদেশের মাটি হতে ভারতীয় সৈন্যের অপসারণ ;

২।পাকিস্তানিদের চলে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট শুন্য উচ্চ সরকারি পদসমূহ ভারতীয় কর্মকর্তা কর্তৃক পূরণ রহিতকরণ ;

৩।যুদ্ধে বিদ্ধস্ত এবং অবরুদ্ধ চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরদ্বয়কে পুনর্বাসন না করে কোলকাতা বন্দরের মাধ্যমে বহির্বাণিজ্য পরিচালনার ভারতীয় প্রস্তাব বাস্তবায়নে অস্বীকৃতি।

৪।৯৩ হাজার পাকিস্তানী যুদ্ধবন্দী সেনার মুক্তির বিনিময়ে পাকিস্তানে আটক ৩০ হাজার বাঙালি সশস্ত্র বাহিনী সদস্যসহ ৪ লক্ষ বাংলাদেশী নাগরিক ও কর্মকর্তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থাকরণ।

লেখনীতে : মাহিম।
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।