Categories
Sports

টেলিভিশনের পর্দায় আজ যেসব খেলা দেখবেন।

তারিখঃ ১৯/৮/২০ (বুধবার)

* ফুটবল

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

লিঁও ও বায়ার্ন মিউনিখ

সরাসরি, সনি টেন-২, রাত ১টা

লিপজিগ ও পিএসজি

পুনঃপ্রচার, সনি টেন-২, সকাল ১০টা ৩০

* ক্রিকেট

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ

জ্যামাইকা ও সেন্ট লুসিয়া

গায়ানা ও সেন্ট কিটস

সরাসরি, স্টার স্পোর্টস-১, রাত ৮টা ও ৩টা ৩০

* বাস্কেটবল

এনবিএ
সরাসরি, সনি সিক্স, সকাল ৭টা ও রাত ১১টা ৩০

Reviewer: Argha Majumder.

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf

Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx0

https://www.jugantor.com/m/sports/336313/%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF

Categories
Sports

আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জয়ের গল্প 💗

ক্রিকেটের অন্যতম সেরা একটি দলের নাম দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিন আফ্রিকা দল শক্তিমত্তার বিচারে আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে। বাংলাদেশ দল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ফর্মেটেই খেললেও এখনো শুধুমাত্র ওয়ানডেতে তাদের হারাতে পেরেছে। টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাদের এখনো হারানোর গৌরব অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ।

ওয়ানডে ক্রিকেটে দক্ষিন আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ এখনো পর্যন্ত মুখামুখি হয়েছে ২০বার। ওয়ানডেতে আফ্রিকার বিপক্ষে আমাদের জয় সংখ্যা ৪, হার ১৫, একটি ড্র। আফ্রিকার বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল।

ওয়ানডে ক্রিকেটে আফ্রিকার বিপক্ষে আমাদের সিরিজ জয় একটি। সেটা ২০১৫ সালে। হ্যাঁ ২০১৫ সালের আজকের এই দিনে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকাকে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ তে সিরিজ হারিয়েছিলাম।

১৫ জুলাই ২০১৫, চট্টগ্রাম।

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ১-১ সমতায় থেকে শেষ ওয়ানডে ম্যাচে জহুর আহমেদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দক্ষিন আফ্রিকান দলপতি হাসিম আমলা। বৃষ্টি কারণে ম্যাচটি ৪০ ওভারের আয়োজন করা হয়।

প্রথমে ব্যাটিং করতে আফ্রিকার পক্ষে ইনিংসের উদ্ভোদন করতে নামেন ক্যাপ্টেন হাসিম আমলা ও বাঁহাতি ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক। দলীয় ৮ রানে মুস্তাফিজের প্রথম শিকার হয়ে ফিরেন ডি কক।

এরপর ক্রিজে আসেন ফাফ ডু প্লেসিস, কিন্তু তিনিও টিকতে পারেন নি বেশীক্ষন! দলীয় ২১ রানে সাকিবের প্রথম শিকারে পরিণত হন প্লেসিস! ফাফের পর ক্রিজে আসেন রাইলি রুসো, ক্যাপ্টেন আমলার সাথে বড় পার্টনারশিপের আসা দেখালেও দলীয় ৪৫ রানে আমলা ফিরেন সাকিবের দ্বিতীয় শিকার হয়ে।

আমলার চলে যাওয়ার পর ক্রিজে আসেন ডেভিড মিলার! মিলার আসার সাথে সাথে রুসো ফিরেন রিয়াদের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে।

৫ম উইকেট জুটিতে ডেভিড মিলার ও জেপি ডুমিনি গড়েন ৬৩ রানের পার্টনারশিপ। দলীয় রান যখন ১১৩ ব্যাক্তিগত ৪৪ রানে তখন বাংলাদেশ দলপতি মাশরাফির শিকার হয়ে ফিরে যান ডেভিড মিলার!

মিলারের পর একেএকে ফারহান বিহারদিন, কাগিসো রাবাদা ও কাইল এ্যাবোট একে ফিরেন প্যাভিলিয়নে! বাংলাদেশের বোলারদের বোলিং তোপে টিকে থাকতে কষ্ট হচ্ছিলো আফ্রিকান ব্যাটসম্যানদের।

দলের সবার যাওয়া-আসার মধ্যেও অন্যপ্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ফিফটি তুলে নেন জেপি ডুমিনি। ব্যাক্তিগত ৫১ রানে ইনিংসের শেষ বলে রুবেলের বলে তিনি আউট হোন! ততক্ষণে আফ্রিকা নির্ধারিত ৪০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে মাত্র ১৬৮ রান।

সিরিজ জিততে টাইগারদের সামনে লক্ষ্যমাত্রা ১৬৯!

বাংলাদেশের পক্ষে ইনিংসের উদ্ভোদন করতে ক্রিজে আসেন আগের ম্যাচের হাফসেঞ্চুরিয়ান সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল। তামিম ইকবাল আগের ম্যাচে আগ্রাসী ব্যাটিং করলেও এই ম্যাচে তামিম ছিল বেশ ঠান্ডা মেজাজে। ব্যাক্তিগত ১৮ বলের সময় তামিম নিজের প্রথম বাউন্ডারি হাকান।

অন্যদিকে আগের ম্যাচের নায়ক সৌম্য সরকার তার দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিং দেখিয়ে মুগ্ধ করে যাচ্ছেন সবাইকে! চট্টগ্রামের বাইশগজে তখন সুভাস ছড়াচ্ছিল সৌম্যর দৃষ্টিনন্দন শটের।

ওপেনিং জুটিতে তামিম-সৌম্য মিলে গড়েন ১৫৪ রানের অনবদ্য একটি পার্টনারশিপ! দল যখন জয় থেকে ১৫ রান দূরে ব্যাক্তিগত ৯০ রানে ইমরান তাহিরের বলে শট কাভারে হাসিম আমলার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন সৌম্য! সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন সৌম্য।

সৌম্যর আউটের পর ক্রিজে আসেন লিটন দাস! অন্যদিকে ওপেনার তামিম ইকবাল তুলে নিয়েছেন অর্ধশতক। ৭টি চারের সাহায্যে ৭৭ বলে ৬১ রান করে অপরাজিত থাকেন তামিম!

ইমরান তাহিরের বলে মিড উইকেটের দিকে বাউন্ডারি হাকিয়ে জয়সূচক রান তুলে নেন লিটন দাস! তিনি অপরাজিত থাকেন ৫(৫) রানে! তার শটের সাথে সাথে বাংলাদেশ দক্ষিন আফ্রিকাকে ৯ উইকেট হারিয়ে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জিতে নেয়।♥♥

বাংলাদেশের পক্ষে ব্যাট হাতে ৭৫ বলে ১৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১২০ স্ট্রাইক রেটে ৯০ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হন সৌম্য সরকার।

পুরো সিরিজে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে প্লেয়ার অফ দ্যা সিরিজও নির্বাচিত হয়েছিলেন সৌম্য সরকার।

Reviewer: Argha Majumder.

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf

Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx0

Categories
Sports

ইংল্যান্ড vs ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম টেস্টে গাব্রিয়েলের তুলে নেয়া ৫ উইকেট।

করোনা ভাইরাসের মহামারী সময়েও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রিকেট মাঠে ফিরিয়েছে ইংল্যান্ড।। ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সাউদাম্পটনে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ চলছে পঞ্চম দিনের খেলা! প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২০৪ রানে অলআউট করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩১৩ রানে অলআউট করে ফেলছে হোল্ডারের ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

প্রথম ইনিংসে ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন জেসন হোল্ডার। তার বোলিং তান্ডবেই ২০৪ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল বেন স্টোকস এন্ড কোং।

দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ৩১৩ রানে অলআউট করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ! ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫টি উইকেট নিয়েছেন ডানহাতি ফাস্ট বোলার শানন গাব্রিয়েল।

গাব্রিয়েল মানেই গতির ঝড়! আজ সেটা সাউদাম্পটনে ভালো ভাবেই দেখলো বেন স্টোকসের ইংল্যান্ড! গতির ঝড় তুলে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের পাঁচ ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখিয়ে দিয়েছেন শানন গাব্রিয়েল।

এই ম্যাচের আগে টেস্ট ক্রিকেটে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন ৫বার! আজ ক্যারিয়ারের ৬ষ্ট বারের মতো ৫ উইকেট নিলেন শানন গাব্রিয়েল।

অভিনন্দন ।

Reviewer: Argha Majumder.

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf

Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx0

Categories
Sports

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের মতে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে ও টেস্ট একাদশ

ক্রিকেটে বাংলাদেশের নাম যতবার আসে, ততবারই সামনে চলে আসে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নাম। মিষ্টি হাসির সেই মানুষটি যেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রতিচ্ছবি। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল রাজস্বিকভাবে। আমিনুল ইসলাম বুলবুল ছিলেন এর কারিগর। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট অভিষেকের প্রথম ইনিংসে বুলবুল তুলে নিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। ৫৩৫ বলে ১৪৫ রান করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন বিশ্বকে। তবে মাত্র ১৩ টেস্ট ও ৩৯ টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেই ইতি টানেন ক্যারিয়ারের। 
সদা মিষ্টি হাসির মানুষটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের একটি জীবন্ত ইতিহাস। ক্রিকেটের পরাশক্তি হয়ে ওঠার অন্যতম কারিগর।

সম্প্রতি বিডিক্রিকটাইমের লাইভ আড্ডায় দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশের টেস্টের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে। বাংলাদেশের সর্বকালের টেস্ট এবং ওয়ানডে নির্বাচন করলে আপনি কাকে রাখবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বুলবুল সাজিয়ে ছিলেন বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা একাদশ।

বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে একাদশ ও বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা টেস্ট একাদশে বেছে সেখানে রাখেননি নিজেকে। দুই একাদশের অধিনায়ক হিসেবে বেছে নিয়েছেন ওয়ানডে তে মাশরাফি বিন মর্তুজা ও টেস্টে মুশফিকুর রহিমকে।

একনজরে বুলবুলের সর্বকালের সেরা একাদশ 👇

(ওয়ানডে) 
তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ আশরাফুল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আকরাম খান, খালেদ মাসুদ পাইলট (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ রফিক, হাসিবুল হোসেন শান্ত, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), রুবেল হোসেন।

(টেস্ট) 
তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ আশরাফুল, মোহাম্মদ রফিক, মেহেদী হাসান মিরাজ, খালেদ মাসুদ পাইলট, হাসিবুল হোসেন শান্ত, শাহাদাত হোসেন রাজীব।

Reviewer: Argha Majumder.

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf

Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx0

Categories
Sports

বিশ্বকাপ ইতিহাসে সেরা অলরাউন্ডারের কথা।

সাকিব নামটিই একটা ব্যান্ড। যেই নামটি লাল-সবুজের পতাকাটিকে চিনিয়েছেন বিশ্ব দরবারে। নিজের নামটি তুলেছেন রেকর্ড বুকে। সাকিব! সে তো থাকে কোটি ভক্তের হৃদয়ের মণিকোঠায়।

এই সাকিবের কত-শত রেকর্ড; কতো ইতিহাস রচিত হয়েছে নামটির পাশে। কিন্তু একটি রেকর্ড জায়গা করে নিয়েছে সবার উপরে। যেই রেকর্ড উঠেছে নতুন ইতিহাসের পাতায়। বিশ্বকাপ মঞ্চের এক আসরে রান এবং উইকেটের দিক দিয়ে সাকিব যে রয়েছে শীর্ষে।

আচ্ছা মনে পড়ে আজ থেকে ১ বছর আগের সেই ঘটনাটি? যেদিন সাকিব সেজেছিল নবাবী ভঙ্গিতে! হ্যাঁ, এমন দৃশ্য যে ভোলার নয়। তাইতো স্মৃতির পাতায় ভেসে আসে সেই পুরোনো দিনের সাফল্যের সেই দৃশ্যগুলো। ভেসে আসে একজন অলরাউন্ডারের ২২ গজে রূঢ়মূর্তির সেই মূহুর্তগুলো। ভেসে আসে সেঞ্চুরির পর সাদামাটা উদযাপন আর উইকেট পেলেই নবাবী ভঙ্গিতে উদযাপনের দৃশ্যগুলো।

আমাদের একজন সাকিব আছে। যেই সাকিব আমাদের দেশকে চিনিয়েছেন বিশ্ব দরবারে। নিজের নামটি নিয়েছেন নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডারের তালিকায়। দিনশেষে পাওনা না পাওয়ার হিসেবি যুগে সাকিব যা পেয়েছেন তা বিশ্বকাপ ইতিহাসে আর কেউই পারেনি। আচ্ছা কি সেই রেকর্ড? উত্তর খুঁজতে গেলে ঘাঁটতে হবে রেকর্ড বুক! তবে সেই রেকর্ড বুকে সবার উপরে যেই নামটি থাকবে সেখানে দেখা যাবে মিস্টার সাকিব আল হাসানের নাম। সেটি হলো বিশ্বকাপে ১০০০+ রান এবং ৩০+ উইকেট শিকারী একমাত্র ক্রিকেটার সাকিব! শুধু তাই নয়, এক বিশ্বকাপে ৬০০+ রান এবং ১০+ উইকেট শিকারী একমাত্র অলরাউন্ডার সাকিব!

▪বিশ্বকাপ ইতিহাসে ১০০০+ রান এবং ৩০+ উইকেট শিকারী বোলার:

১.সাকিব আল হাসান- ১১৪৬ রান এবং ৩৪ উইকেট।

▪বিশ্বকাপে ১০০০+ রান এবং ২০+ উইকেট শিকারী বোলার:

১.জয়াসুরিয়া- ১১৬৫ রান এবং ২৭ উইকেট।
২.জ্যাক ক্যালিস- ১১৪৮ রান এবং ২১ উইকেট।
৩.সাকিব আল হাসান- ১১৪৬ রান এবং ৩৪ উইকেট।
(বিঃদ্রঃ রানের হিসেবে এই তালিকায় সাকিব ৩ নাম্বারে এসেছে। উইকেটের তালিকায় শীর্ষে)
—-
এছাড়াও ২০১৯ সালের ৫ জুলাই সাকিব সেই আসরের শেষ ম্যাচ খেলেন। এবং সেই আসরে ব্যাট হাতে ৬০৬ রান এবং বল হাতে ১১ উইকেট শিকার করেন। যেটি ছিলো প্রথম কোনো ক্রিকেটার হিসেবে এক বিশ্বকাপ আসরে ৬০০+ রান এবং ১০+ উইকেট শিকারের রেকর্ড!

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বিশ্বকাপ খেলবেন সাকিব। দলকে দিবেন সামনে থেকে নেতৃত্ব! ব্যাট হাতে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে জয়াসুরিয়া এবং ক্যালিসকে! আর উইকেটের দিক দিয়ে নিজের অবস্থান করবেন আরো শক্তিশালী। ক্যারিয়ার শেষে সাকিব হবে বিশ্বকাপ আসরে সেরাদের সেরা অলরাউন্ডার।

Reviewer: Argha Majumder.

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf

Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx0

Categories
Sports

বিশ্বকাপের মঞ্চে মুস্তাফিজে প্রথম ৫ উইকেট।

২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলার কাটার মাষ্টার মুস্তাফিজুর রহমান। ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথম বারের মতো জাতীয় দলের জার্সি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি!

গত বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টে চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলার ছিলেন মুস্তাফিজ! পুরো টুর্নামেন্টে ২ বার ৫ উইকেট পেয়েছিলেন মুস্তাফিজ।

২ জুলাই ২০১৯, বার্মিংহাম।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের ৪০তম ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। বার্মিংহামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারত দলপতি বিরাট কোহলি।

প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভারতের ওপেনাররা বাংলাদেশের বোলারদের শাসন করা শুরু করে! ওপেনিং জুটিতে রোহিত শর্মা ও লুকেশ রাহুল মিলে গড়েছিলেন ১৮০ রানের পার্টনারশিপ। ভারতের দলীয় ১৮০ রানের মাথায় সেঞ্চুরি করা রোহিত শর্মাকে প্যাভিলিয়নে পাটিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম ব্রেক থ্রো এনে দেন মিডিয়াম পেস বোলিং অলরাউন্ডার সৌম্য সরকার।

সৌম্যর পর ভারত শিবিরে আঘাত আনেন রুবেল হুসাইন! তিনি আরেক ওপেনার লুকেশ রাহুলকে ব্যাক্তিগত ৭৭ রানে প্যাভিলিয়নে পাটান।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে বিরাট কোহলি ও রিশাব পান্থ নিলে গড়েছিলেন ৪৩ রানের পার্টনারশিপ! বিরাট প্যাভিলিয়নে পাটিয়ে তাদের পার্টনারশিপ ওখানেই ভেঙে দেন মুস্তাফিজ। বিরাটের চলে যাওয়ার পর ব্যাক্তিগত শূন্য রানে হার্ডিক পান্ডিয়াকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মুস্তাফিজ। ফিজের জোড়া আঘাতের পর রিশাব পান্থকে ব্যাক্তিগত ৪৮ রানে সাজঘরে পাটান সাকিব!

তারপর একেএকে দিনেশ কার্তিক, মাহিদ্রা সিং ধোনি ও মোহাম্মদ সামিকে সাজঘরে পাটিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজ!

ব্যাটিং ব্যার্থতায় শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ভারতের কাছে ২৮ রানে হেরে যায়! বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সাকিব আল হাসান ৬১ রান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন।

Reviewer: Argha Majumder.

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf

Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx0

Categories
Sports

“সনাৎ জয়সুরিয়া” ওয়ানডে ইতিহাসের বিধ্বংসী একজন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের নাম।

১৯৯৬ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পেছনে জয়সুরিয়ার অবদান ছিল অনবদ্য। টুর্নামেন্টে ২২১ রানের পাশাপাশি ৭ উইকেট নিয়ে “মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট প্লেয়ার অব দ্যা টুর্নামেন্ট” নির্বাচিত হয়েছিলেন জয়সুরিয়া।

১৯৮৯ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে অভিষেক হওয়া জয়সুরিয়া শ্রীলঙ্কার হয়ে ১১০ টেস্ট, ৪৪৫ ওয়ানডে এবং ৩১ টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলে সর্বমোট ২১,০৩১ রানের পাশাপাশি ৪৪০ উইকেট শিকার করেন। শুধুমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৩,৪৩০ রান করেন জয়সুরিয়া। ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে শচীন, সাঙ্গাকারা এবং পন্টিংয়ের পর চতুর্থ সর্বোচ্চ রান এটি। আমার দেখা একজন সেরা ফিল্ডার ছিলেন জয়সুরিয়া। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সর্বমোট ২০৫টি ক্যাচ নিয়েছেন এই লংকান কিংবদন্তি।

এছাড়া শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৫৬ ম্যাচে (৩৮ টেস্ট, ১১৮ ওয়ানডে) অধিনায়কত্বও করেছেন এই সাবেক অল-রাউন্ডার। তার ক্যাপ্টেন্সির আন্ডারে শ্রীলঙ্কার সেরা সাফল্য আসে ২০০২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য আইসিসির এই ইভেন্টে ভারতের সাথে যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয় শ্রীলঙ্কা।

জয়সুরিয়ার অনবদ্য কয়েকটি রেকর্ডঃ

★রোশন মহানামার সাথে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে টেস্টে সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপের রেকর্ডধারক হলেন সনাৎ জয়সুরিয়া। ১৯৯৭ সালের আগস্টে কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে রোশনের সাথে ৫৭৬ রানের এই জুটি গড়েন জয়সুরিয়া।

★শ্রীলঙ্কার হয়ে একদিনের ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও তার দখলে। ২০০০ সালের ২৯শে অক্টোবর শারজায় ভারতের বিপক্ষে ১৮৯ রানের এক ম্যারাথন ইনিংস খেলে এই রেকর্ড গড়েন জয়সুরিয়া।

★ওয়ানডে ইতিহাসে রোহিত, গেইল, গাপটিলরা ডাবল সেঞ্চুরি করলেও, পরপর দুই ইনিংসে ১৫০+ রানের রেকর্ড এখনও জয়সুরিয়ার দখলে। ২০০৬ সালের জুলাইয়ে লিডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯ বলে ১৫২ এবং আমস্টারডামে হল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৪ বলে ১৫৭ রানের ইনিংস দু’টি খেলে এই রেকর্ড গড়েন জয়সুরিয়া।

★জয়সুরিয়া চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে এক ওভারে ৬টি চারের মারের রেকর্ড গড়েন। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ক্যান্ডিতে ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংসে জিমি এ্যান্ডারসনের ওভারে এই রেকর্ড গড়েন জয়সুরিয়া।

★একদিনের ক্রিকেটে উদ্বোধনী জুটিতে চতুর্থ সর্বোচ্চ পার্টনারশিপের রেকর্ড রয়েছে জয়সুরিয়া এবং উপুল থারাঙ্গার। ২০০০ সালের ১লা জুলাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী উইকেটে ২৮৬ রানের জুটি গড়েন এই দু’জন।

★একদিনের ক্রিকেট ইতিহাসে ১০,০০০ রান এবং ৩০০ উইকেট নেয়া একমাত্র ক্রিকেটার জয়সুরিয়া।

★একদিনের ক্রিকেটে ৪ বার ১৫০+ রান এবং ৪ বার ৫ উইকেট শিকারীর তালিকায় একমাত্র ক্রিকেটার জয়সুরিয়া।

★একদিনের ক্রিকেটে ডি ভিলিয়ার্সের পর দ্রুততম অর্ধশত রান করেন শ্রীলঙ্কান এই সাবেক ওপেনার। সিঙ্গাপুরে ১৯৯৬ সালের ৭ই এপ্রিল, সিঙ্গার কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ১৭ বলে অর্ধশত করে রেকর্ড গড়েন জয়সুরিয়া। সেদিন মাত্র ২৮ বলে ৭১ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি।

★টেস্ট ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড জয়সুরিয়ার। ২০০১ সালে কলম্বোতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৮১ বলে সেঞ্চুরি করে এই রেকর্ড গড়েন জয়সুরিয়া।

★একদিনের ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার হয়ে দ্রুততম ১৫০ রানের রেকর্ডটিও তারই দখলে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লিডসে ৯৫ বলে ১৫০ রান পূর্ণ করেন তিনি।

সনাৎ জয়সুরিয়া ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও, ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত সাদা বলের ক্রিকেট খেলতে থাকেন। এরই মাঝে ২০১০ সালে মাতারার জন্য শ্রীলঙ্কার সংসদ সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হলে ভক্তদের কাছে কিছুটা সমালোচিত হন।

অবসরের পর ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে জয়সুরিয়া শ্রীলঙ্কা টিমের সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হন। তারই নির্বাচিত শ্রীলঙ্কান দল বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য ২০১৪ আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়।

৫১ বছর আগে আজকের এই দিনটিতে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-উপকূলের নিকটবর্তী শহর মাতারায় জন্মগ্রহন করেন বাঁহাতি অন্যতম সেরা এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান।

“হ্যাপি বার্থডে লিজেন্ড”

Categories
Sports

বাংলাদেশের টেস্ট অভিষেক ম্যাচ

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার দুই দশক মানে ২০ বছর পূর্ন হলো।
২০ বছর ধরে টেস্ট খেলা বাংলাদেশ দল এখন পর্যন্ত ১১৯টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে! যার মধ্যে জয় পেয়েছে ১৪টি টেস্ট ম্যাচে যার ৭টিই জিতেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে! ড্র হয়েছে ১৬টি, হেরেছে ৮৯টি ম্যাচে।

টেস্টে বাংলাদেশের বড় অর্জন যদি বলেন তাহলে বলবো ২০১৬ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয়, একই সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয়টি আমাদের বড় অর্জন টেস্ট ক্রিকেটে। ২০১৭ সালে নিজেদের শততম টেস্ট ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে জয় পেয়েছিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। টেস্ট এটাও আমাদের বড় প্রাপ্তি ছিল।

২৬ জুন ২০০০, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অভিষেক টেস্টে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ দলপতি নাইমুর রহমান দূর্জয়। অভিষেক টেস্টের এক্সাইটনেস থেকেই হয়তো এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ দলপতি। তবে তার এই সিদ্ধান্ত যে খারাপ ছিল না বরং দুর্দান্তই ছিল সেটা বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং দেখলেই বেশ বুঝা যায়।

বাংলাদেশের পক্ষে ইনিংসের উদ্ভোদন করতে নামেন শাহরিয়ার হুসাইন ও মেহরাব হুসাইন! তবে দুই ওপেনার ক্রিজে থাকতে পারেন নি বেশীক্ষন! ৫০ রানের আগে দুইজনই ডাগআউটে চলে যান! তারপর হাবিবুল বাশার সুমন ও আমিনুল ইসলাম মিলে গড়েন ৬৬ রানের পার্টনারশিপ! ব্যাক্তিগত ৭১ রানে জাহির খানের দ্বিতীয় শিকার হোন হাবিবুল বাশার! বাশার ওই ম্যাচে দুর্দান্তই খেলছিলেন!আরো কিছুক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারলে তিনিই হয়তো হতে পারতেন দেশের ক্রিকেটের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান।

বাশারের চলে যাওয়ার পর আকরাম খান! ব্যাক্তিগত ৩৫ রান করে আকরাম চলে যান প্যাভিলিয়নে! তারপর নতুন ব্যাটসম্যান আল শাহরিয়ার রুকনও টিকতে পারেন নি বেশীক্ষন ব্যাক্তিগত ১৫ রান করেই তিনি প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।

সুনিল জসির বলে একে একে প্যাভিলিয়নে ফিরেন ক্যাপ্টেন নাইমুর রহমান দূর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট, রনজন দাসরা! তবে উইকেটের একপ্রান্ত আগলে রাখেন আমিনুল ইসলাম! অজিত আগারকারের বলে আউট হওয়ার আগে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করে নেন আমিনুল ইসলাম। দেশের অভিষেক টেস্টেই তিনি হয়ে যান প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান! বাংলাদেশ দল প্রথম ইনিংসে ৪০০ রানে অলআউট হয়! আমিনুল ইসলাম করেন ১৪৫ রান।ভারতের সুনিল জুসি নেন ৫ উইকেট।।

ভারত নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৯ রান! ভারতের পক্ষে কোনো ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরির দেখা না পেলেও পঞ্চাশোর্ধ রান সৌরভ গাঙুলি, সুনিল জুসি ও সাদাগোপ্পান রামেশ! বাংলাদেশের পক্ষে ৬টি উইকেট নেন ক্যাপ্টেন নাইমুর রহমান দূর্জয়! মোহাম্মদ রফিক নিয়েছিলেন ৩টি উইকেট আর রনজন দাস ১টি উইকেট নেন।

বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে জাভাগাল শ্রীনাথ, সুনিল জুসি ও অজিত আগারকারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশ! বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৯১ রানে অলআউট হয়ে যায়! দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেছিলেন হাবিবুল বাশার সুমন। ভারতের শ্রীনাথ আর জসি নিয়েছিলেন ৩টি করে উইকেট! অজিত আগারকার ২ উইকেট ও জাহির খান নিয়েছিলেন ১টি উইকেট।

জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল মাত্র ৬৩ রান! দলীয় ১১ রানের মাথায় হাসিবুল ইসলাম শান্ত ভারতের প্রথম উইকেট নিলেও আর কোনো উইকেট নিতে পারেনি বাংলাদেশ৷ রাহুল দ্রাবিড় ৪১(৪৯)* রান ও শিব সংকর দাস ২২(৩৮) রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।

বাংলাদেশ তাদের অভিষেক টেস্ট ম্যাচটি ৯ উইকেটের বিশাল ব্যাবধানে হেরেছিল! অভিষেক টেস্টে দলের প্রাপ্তি ছিল আমিনুল ইসলামের সেঞ্চুরি ও ক্যাপ্টেন নাইমুর রহমান দূর্জয়ের ৬ উইকেট।

ভারতের পক্ষে দুই ইনিংসে বল হাতে ৮ উইকেট ব্যাট হাতে ৯২ রান করে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছিলেন সুনিল জুসি।

অভিষেক টেস্টে বাংলাদেশ একাদশঃ- শাহরিয়ার হুসাইন বিদ্যুৎ, মেহরাব হুসাইন, হাবিবুল বাশার সুমন, আমিনুল ইসলাম, আল শাহরিয়ার রুকন, আকরাম খান, খালেদ মাসুদ পাইলট, নাইমুর রহমান দূর্জয়(ক্যাপ্টেন), মোহাম্মদ রফিক, হাসিবুল ইসলাম শান্ত ও রনজন দাস। 

Reviewer: Argha Majumder.

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf

Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx0

Categories
Sports

স্টিভ টিকালো

কেনিয়ার আকাশের সবচেয়ে বড় ফুল বললেও একেবারে ভূল হবেনা! কেনিয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় সুপারস্টারের পুরো নাম স্টিফেন ওগোঞ্জি টিকোলো।তিনি ক্রিকেটিয় পরিবার থেকে উঠে আসা ক্রিকেটার! তার বড় ভাই টম কেনিয়া দলে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলেছেন।

১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালে কেনিয়া তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচটি খেলে! কেনিয়ার প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের ১১তম সদস্য হিসেবে অভিষেক হয়েছিল স্টিভ টিকালোর!

কেনিয়ার ক্রিকেটে তার অবদান বেশ লক্ষ্যনীয়! কেনিয়ার জার্সি গায়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার স্টিভ টিকালো, কেনিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশী রানও টিকালোর! কেনিয়ার পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটের মালিকও স্টিভ টিকালো।

২০০২ সালে টিকালো কেনিয়ার পক্ষে নেতৃত্বের দায়িত্ব পান! চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে তার অধিনায়কত্বের সময় তিনি ৯৩ ও ৬৯ রানের দুইটি ইনিংস খেলে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তারপর ২০০৩ সালে তিনি ক্রিকেট বিশ্বকাপে অধিনায়কত্ব করে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে যান! পরে ২০০৪ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খারাপ পারফর্ম ও রাজনৈতিক কারনে দলের নেতৃত্ব হারান।

স্টিভ টিকালো আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করেছেন তিনটি! তারমধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি। ওয়ানডে ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ১১১ বারমুডার বিপক্ষে! বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছিলেন ১০৬ রানের অপরাজিত একটি ইনিংস! আরো একটি সেঞ্চুরি করেছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, সেই ম্যাচে তিনি ১০২ রানে আউট হন। ওয়ানডে ক্রিকেটে তার ৯০ রানের ইনিংসও রয়েছে ৩টি।

কেনিয়ার জার্সি গায়ে টিকালো ১৩৫টি ওয়ানডে ম্যাচে ২৯.০৫ গড়ে ৩৪২৮ রান করেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ১১১! বল হাতে মিডিয়াম পেস বোলিং করে ৯৪টি উইকেট নিয়েছেন, ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার ৪/৪১!

স্টিভ টিকালো কেনিয়ার পক্ষে ১৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ২৮.৭৫ গড়ে ৩৪৫ রান করেছেন! ফিফটি করেছেন ২টি, সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ৫৬*! টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তিনি ১২টি উইকেট নিয়েছেন, ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার ৪/২!

কেনিয়ার পক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলার অনেক স্বপ্ন ছিল স্টিভ টিকালোর। ক্রিকেট থেকে যেইদিন বিদায় নেন সেদিন খুব আক্ষেপ নিয়ে বলেছিলেন ১টি বা ২টি টেস্ট আমিও খেলতে পারতাম।

কেনিয়া ক্রিকেটের এই নক্ষত্র ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে নাইরোবিতে জন্মগ্রহণ করেন! আজকে এই তারকার ৪৯তম জন্মদিন! জন্মদিনে রইল অনেক অনেক শুভকামনা। ♥

Reviewer: Argha Majumder.
Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf
Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx0

Categories
Sports

বাংলাদেশ টেস্ট দলের উইকেটকিপার ছিলেন ও আছেন যাঁরা…

ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি থেকে টেস্ট তথা বড় দৈঘ্যের ম্যাচে একজন উইকেটকিপারের গুরুত্ব বেশী। এই জন্য শর্টার ফরমেটে যখন একজন কিপারের কিপিং এর সাথে ব্যাটিং এবিলিটি বড় করে দেখা হয় সেখানে টেস্টে ব্যাটিংয়ের থেকে কিপিংয়ে পারদর্শিতা বেশী দরকারি। কারণ এখানে কিপিং করতে হয় লম্বা সময় ধরে। তাই কিপিংয়ে ভুল হলেই ম্যাচের ফলাফল পাল্টে যেতে পারে।

বাংলাদেশ এই পর্যন্ত ১০০ টির বেশী টেস্ট খেলেছে। বাংলাদেশ দলে উইকেটকিপারের দায়িত্ব পালন করা সকল উইকেটকিপারদের কিছু তর্থ্য দেওয়া হল

–>খালেদ মাসুদ পাইলট 
একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশ দলের স্কোয়াড ঘোষণা হলে খালেদ মাসুদ পাইলটের নাম সবার আগে থাকত। আর কিপার হিসেবে বাংলাদেশ দলের আরেক নামই ছিল তার। ২০০৭ সালে মুশফিককে সুযোগ করে দিতে তিনি সেচ্ছায় দল থেকে সরে যান। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সব প্রথমের সাথে জড়িয়ে থাকা পাইলট ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম টেস্টের কিপারও। তারপর থেকে ২০০৭ পর্যন্ত ৬১ ইনিংস কিপিং করে করেন মোট ৮৭ টি ডিসমিসাল। যেখানে ৭৮ ক্যাচের পাশাপাশি রয়েছে ৯ টি স্টাম্পিং।

–>মুশফিকুর রহিম
৯৯ ইনিংসে ৯৮ ক্যাচ এবং ১৫ টি স্টাম্পিং। মোট ১১৩ টি ডিসমিসাল। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশের সফল উইকেটকিপার বলা যায় মুশফিকুর রহিমকে। কিন্তু পরিসংখ্যান সব সময় সঠিক উত্তর দেয় না। এখানেও তাই ঘটেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী মুশফিক সেরা উইকেটকিপার হলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সুযোগ মিস, সহজ ক্যাচ ধরতে না পার এসব কিছুর জন্য সে দর্শক কিংবা সমালোচকদের কাছে সে কখনোই সেরা ছিল না। তাই বলা যায় তাকে এক প্রকার বাধ্য হয়েই কিপিং থেকে সরানো হয়েছে। কিপিংয়ে অনেক মিস করলেও কিপিং করার সময় একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি বেশ সফল। একমাত্র উইকেটকিপার হিসেবে তার দখলে রয়েছে দুইটি টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি।

–>লিটন দাস
বর্তমানে বাংলাদেশ টেস্ট দলের রেগুলার কিপার হলেন লিটন দাস। কিপিংয়ের সাথে ব্যাটিং সার্মথ্য র কারণে তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ দলের অপরিহার্য সদস্যে পরিণত হন। কিপিংয়ের সময় ব্যাটসম্যানদের পজিশন দেখে দ্রুত তার অবস্থান ঠিক করা তার কিপিংয়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক। ১৮ ইনিংস কিপিং করে ২৫ টি ক্যাচ ও ২ টি স্টাম্পিং এর মাধ্যমে মোট ২৭ টি ডিসমিসাল করেন লিটন দাস।

–> নুরুল হাসান সোহান
বর্তমানে বাংলাদেশের সেরা কিপার বলা হয় তাকে। তবুও ব্যাটিং সার্মথ্যে এগিয়ে থাকায় লিটন এখন বাংলাদেশ টেস্ট দলের উইকেট কিপার। মোট ৫ ইনিংস কিপিং করে তিনি মোট ৮ টি ডিসমিসাল করেন। যেখানে ৩ স্টাম্পিংয়ের সাথে আছে ৫ টি ক্যাচ।

–>মোহাম্মদ সেলিম
২ টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ৪ টি স্টাম্পিং করা সাবেক এই ক্রিকেটার বর্তমানে একজন ইন্জিনিয়ার। ২০০৩ বিশ্বকাপে ব্যাপক ভরাডুবির পর তৎকালীন অধিনায়ক খালেদ মাসুদের পরিবর্তে তিনি দলে ঢোকেন। তারপর ২ টেস্ট খেলার পর বাদ পরেন খুলনার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা এই ক্রিকেটার।

বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে প্রথম স্টাম্পিং করেন শাহরিয়ার হোসেন বিদুৎ। তিনি ছাড়াও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদেরও ১টি স্টাম্পিং করেছেন। তারা কেউই রেগুলার কিপার না হলেও রেগুলার কিপারের হঠাৎ ইনজুরির কারণে তাদের আপদকালীন দায়িত্ব পালন করতে হয়। এই তালিকায় ইমরুল কায়েস, রাজিন সালেহ, মোহাম্মদ মিঠুন, সাব্বির রহমান এবং সাকিব আল হাসানদের নাম রয়েছে। এদের মধ্যে ইমরুল কায়েস বদলী বা স্টান্ডিং কিপার হিসেবে এক ইনিংসে ৫ টি ডিসমিসাল করেন। যা বাংলাদেশি স্টান্ডিং কিপারদের মধ্যে সর্বোচ্চ।

Reviewer: Argha Majumder.
Kotha account: https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf
Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx04

Categories
Sports

ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পক্ষে এক ইনিংসে ব্যক্তিগত ৪০ বা তার বেশি রান।

১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ১৯৯৯ বিশ্বকাপ খেলার যোগ্য হয়। তারপর ১৯৯৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত টানা ৬ টি বিশ্বকাপ খেলে। এর মধ্যে ৪০ বা তার বেশী রানের ইনিংস নিয়ে সাজানো আজকের পর্ব। এখানে ৫০ রানের বদলে ৪০ করার কারণ হল বেশী প্লেয়ারের নাম আসবে। আবার ৪০ এর কমও ইনিংস আছে যেগুলো বিশ্বকাপে ম্যাচ জিতাতে সাহায্য করেছে।

#১৯৯৯ বিশ্বকাপ

**মে ২১ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ

★মেহেরাব হোসেন ৬৪রান(১২৯বল)৪চার/১ছয়

★নাইমুর রহমান ৪৫রান(৭২বল)৪চার/০ছয়

**মে ২৪ বনাম স্কটল্যান্ড

★মিনহাজুল আবেদিন ৬৮রান(১১৬বল)৬চার/০ছয়**

**মে ২৭ বনাম অস্ট্রেলিয়া

★মেহেরাব হোসেন ৪২রান(৭৫বল)৭চার/০ছয়

★মিনহাজুল আবেদিন ৫৩রান(৯৯বল)৬চার/০ছয়

**মে ৩১ বনাম পাকিস্তান

★আকরাম খান ৪২রান(৬৬বল)৬চার/০ছয়

★এক্সট ৪০ রান

#২০০৩ বিশ্বকাপ

**ফেব্রুয়ারী ২৬ বনাম নিউজিল্যান্ড

★মোহাম্মদ আশরাফুল ৫৬রান(৮২বল)৬চার/১ছয়

★মোহাম্মদ রফিক ৪১রান(৪২বল)৩চার/২ছয় **

**মার্চ ১ বনাম কেনিয়া

★তুষার ইমরান ৪৮চার(৮১বল)৩চার/১ছয়

★আকরাম খান ৪৪রান(৬০বল)৩চার/০ছয়

#২০০৭ বিশ্বকাপ

**মার্চ ১৭ বনাম ভারত

★তামিম ইকবাল ৫১রান(৫৩বল)৭চার/২ছয়

★মুশফিকুর রহিম ৫৬রান (১০৭বল)৩চার/২ছয়**

★সাকিব আল হাসান ৫৩রান(৮৬বল)৫চার/১ছয়

**মার্চ ২১ বনাম শ্রীলঙ্কা

★মোহাম্মদ আশরাফুল ৪৫রান(৬৩বল)৬চার/০ছয়

**এপ্রিল ৭ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা

★মোহাম্মদ আশরাফুল ৮৭বল(৮৩রান)১২চার/০ছয়

**এপ্রিল ১১ বনাম ইংল্যান্ড

★সাকিব আল হাসান ৫৭রান(৮৫বল)৬চার/১ছয়

#২০১১ বিশ্বকাপ

**ফেব্রুয়ারী ১৯ বনাম ভারত

★তামিম ইকবাল ৭০রান(৮৬বল)৩চার/১ছয়

★সাকিব আল হাসান ৫৫রান(৮৫বল)৫চার/০ছয়

**ফেব্রুয়ারী ২৫ বনাম আয়ারল্যান্ড

★তামিম ইকবাল ৪৪রান(৪৩বল)৭চার/০ছয়

**মার্চ ১১ বনাম ইংল্যান্ড

★ইমরুল কায়েস ৬০রান(১০০বল)৫চার/০ছয়

**মার্চ ১৪ বনাম নেদারল্যান্ডস

★ইমরুল কায়েস ৭৩রান(১১৩বল)৬চার/০ছয়

#২০১৫ বিশ্বকাপ

**ফেব্রুয়ারী ১৮ বনাম আফগানিস্তান

★সাকিব আল হাসান ৬৩রান(৫১বল)৬ চার /১ ছয়

★মুশফিকুর রহিম ৭১রান(৫৬বল)৬চার/১ছয়

**ফেব্রুয়ারী ২৬ বনাম শ্রীলঙ্কা

★সাকিব আল হাসান ৪৬রান(৫৯বল)৪চার/১ছয়

★সাব্বির রহমান ৫৩রান(৬২বল)৭চার/০ছয়

**মার্চ ৫ বনাম স্কটল্যান্ড

★তামিম ইকবাল ৯৫রান(১০০বল)৯চার/১ছয়

★মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৬২রান(৬২বল)৬চার/১ছয়

★মুশফিকুর রহিম ৬০রান(৪২বল)৬চার/২ছয়

★সাকিব আল হাসান ৫২রান(৪১বল)৫চার /১ছয়**

★সাব্বির রহমান ৪২রান(৪০বল)৪চার/২ছয়**

**মার্চ ৯ বনাম ইংল্যান্ড

★সৌম্য সরকার ৪০রান(৫২বল)৫চার/১ ছয়

★মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১০৩রান(১৩৮বল)৭চার/২ছয়

★মুশফিকুর রহিম ৮৯রান(৭৭বল)৮চার/১ছয়

**মার্চ ১৩ বনাম নিউজিল্যান্ড

★সৌম্য সরকার ৫১রান(৫৮বল)৭চার/০ছয়

★মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১২৮রান(১২৩বল)১২/৪ ৩ছয়**

★সাব্বির রহমান ৪০রান(২৩বল)৫চার/২ছয়

#২০১৯ বিশ্বকাপ

**জুন ২ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা

★সৌম্য সরকার ৪২রান(৩০বল)৯চার/০ছয়

★সাকিব আল হাসান ৭৫রান(৮৪বল)৮চার/১ছয়

★মুশফিকুর রহিম ৭৮রান(৮০বল)৮চার/০ছয়

★মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪৬রান(৩৩বল)৩চার/১ছয়**

**জুন ৫ বনাম নিউজিল্যান্ড

★সাকিব আল হাসান ৬৪রান(৬৮বল)৭চার/০ছয়

**জুন ৮ বনাম ইংল্যান্ড

★সাকিব আল হাসান ১২১রান(১১৯বল)১২চার/১ছয়

★মুশফিকুর রহিম ৪৪রান(৫০বল)২চার/০ছয়

**জুন ১৭ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ

★তামিম ইকবাল ৪৮রান(৫৩বল)৬চার/০ছয়

★সাকিব আল হাসান ১২৪রান(৯৯বল)১৬চার/০ছয়**

★লিটন দাস ৯৪রান(৬৯বল)৮চার/৪ছয়**

**জুন ২০ বনাম অস্ট্রেলিয়া

★তামিম ইকবাল ৬২রান(৭৪বল)৬চার/০ছয়

★সাকিব আল হাসান ৪১রান(৪১বল)৪চার/০ছয়

★মুশফিকুর রহিম ১০২রান(৯৭বল)৯চার/১ছয়**

★মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৬৯রান(৫০বল)৫ চার/৩ ছয়

**জুন ২৪ বনাম আফগানিস্তান

★সাকিব আল হাসান ৫১রান(৬৯বল)১চার /০ ছয়

★মুশফিকুর রহিম ৮৩(৮৭বল)৪চার/১ছয়

**জুলাই ২ বনাম ভারত

★সাকিব আল হাসান ৬৬রান(৭৪বল)৬চার/০ছয়

★সাইফুদ্দিন ৫১রান(৩৮বল)৯চার/০ছয়

**জুলাই ৭ বনাম পাকিস্তান

★সাকিব আল হাসান ৬৪রান(৭৭বল)৬চার/০ছয়

***ডান পাশে দুই ** দ্বারা অপরাজিত নির্দেশ করা হয়েছে।

Reviewer: Argha Majumder.

Corona Virus:

নাফিস ইকবাল, মাশরাফি বিন মর্তুজার পর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের বা-হাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু ভাই।উনার অসুস্থ বাবা-মা দুইজনই তার সাথে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
ক্রিকেটে করোনা ভাইরাসের থাবা পড়তে শুরু করেছে। আশা করি এই টাইগার রা মাঠে যেভাবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়েছেন, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধেও ঠিক সেভাবে লড়ে বিজয়ী হবেন।

Categories
Sports

Sad news

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মাশরাফি।

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। জ্বর থাকায় ১৮ জুন করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন তিনি। গতকাল রিপোর্ট জানানো হয়। রিপোর্টে পজেটিভ হন মাশরাফি ।

শনিবার তার করোনা আক্রান্তের খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বন্ধু বাবুল ও মাশরাফির মামা।

মাশরাফির মামা জানান, কদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন মাশরাফি। করোনা টেস্ট করান নড়াইল এক্সপ্রেস। বর্তমানে নিজ বাসায় আইসোলেশনে আছেন।

এর আগে মাশরাফির শাশুড়ি ও স্ত্রী সুমনা হক সুমির বড় বোন রিক্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর প্রকাশ হয় গণমাধ্যমে।

https://www.prothomalo.com/sports/article/1663917/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0

Categories
Sports

তারিখ ২০-৬-২০২০ (শনিবার)

টেলিভিশনের পর্দায় আজ যেসব খেলা দেখবেন:

১) ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ

ক)দল: ওয়াটফোর্ড–লেস্টার

সময়: বিকেল ৫–৩০ মি.

খ)দল: ব্রাইটন–আর্সেনাল

সময়: রাত ৮টা

গ)দল: ওয়েস্ট হাম–উলভস

সময়: রাত ১০–৩০ মি.

ঘ)দল: বোর্নমাউথ–প্যালেস
সময়: রাত ১২–৪৫মি.

সরাসরি সম্প্রচার: স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

২) লা লিগা

ক) দল: এসপানিওল–লেভান্তে

সময়: সন্ধ্যা ৬টা

খ)দল: বিলবাও–বেতিস

সময়: রাত ৯টা

গ)দল: গেতাফে–এইবার

সময়: রাত ১১–৩০ মি.

ঘ)দল: অ্যাটলেটিকো–ভায়াদোলিদ

সময়: রাত ২টা

সরাসরি সম্প্রচার: ফেসবুক লাইভ

৩) বুন্দেসলিগা

দল: লাইপজিগ–ডর্টমুন্ড

সময়: সন্ধ্যা ৭–৩০ মি

সরাসরি সম্প্রচার:স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২

৪) সিরি আ

ক)দল: তুরিনো–পার্মা

সময়: রাত ১১–৩০ মি.

খ)দল: হেল্লাস–কালিয়ারি

সময়: রাত ১–৪৫ মি

সম্প্রচার: সনি টেন ২

৫) টি–টোয়েন্টি হাইলাইটস

দল: বাংলাদেশ–ভারত

সময়: সকাল ১০টা

পুনঃপ্রচার: স্টার স্পোর্টস ১, ২, ৩

৬) ২০১৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

দল: বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া

সময়: সকাল ১০–৩০ মি. , রাত ১০–৩০মি.

পুনঃপ্রচার: স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২

Reviewer: Argha Majumder

https://www.prothomalo.com/sports/article/1663834/

Categories
Sports

কার্ডিফে দুরন্ত এক তরুণের ব্যাটিং তান্ডবের স্মৃতি।

ক্রিকেট ইতিহাসে রয়েছে রেকর্ডের ফুলঝুরি। কত-শত রেকর্ড হলো ক্রিকেট পাড়ায়; কত-শত মহাকাব্য রচিত হলো ২২ গজে। এইসব রেকর্ড আমরা ক’জনই বা মনে রাখি? দিনশেষে স্মৃতির পাতা উল্টালে দেখা মিলে বহু আগের পুরনো স্মৃতি। যেই স্মৃতি গুলো যেনো একেকটি ইতিহাস; একেকটি মহাকাব্য।

সোফিয়া গার্ডেন, কার্ডিফে ২০০৫ সালের ১৮-ই জুনের স্মৃতিতে ফিরে গেলাম। এবার যা দেখলাম সেটা যে স্বপ্নের মতো মনে হলো। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া দলকে যেনো একা হাতে দমন করছেন এক কিশোর; দুরন্ত কিশোর।

সেদিন অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৫০ রানের লক্ষ্যটিও লাল-সবুজের দেশের সামনে যেনো মামুলি টার্গেট! আর হবেই না বা কেন? ২২ গজে তখন বাংলাদেশের হয়ে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী বোলিং লাইনআপের সেই দেওয়ালটিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিচ্ছিলো এক কিশোর! যিনি হারের বৃত্তে থাকা দলটাকে দেখিয়েছিলেন আশার আলো। কিশোরটির নাম মোহাম্মদ আশরাফুল।

আশরাফুল; তখন ২০ বছর বয়সী এক দুরন্ত কিশোর। অপরিচিত কন্ডিশন; আর বিপক্ষের বাঘা বাঘা পেসারদের সামনে ক্রিকেটের ২২ গজে যখন নামলেন তখন বাংলাদেশের ২ সেট ব্যাটসম্যান সাজঘরে। ম্যাচ বাঁচানোর গুরুদায়িত্ব নিজের কাঁধেই যেনো তুলে নিলেন ২০ বছর বয়সী সেই বালকটি। কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনের ২২ গজে যখন লম্বা লাইনআপ নিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটে আসে গ্লেন ম্যাকগ্রা, জেসন গিলেস্পি, মাইকেল কাসপ্রোভিচরা তখন ব্যাট হাতে সাবলীল ভঙ্গিতে একের পর এক দৃষ্টি নন্দিত শটে গ্যালারি মাতিয়ে তোলেন আশরাফুল! ব্র্যাড হগের স্পিন ঘূর্ণিটিও খেললেন দারুণ ভাবে। দূর থেকে রিকি পন্টিং একটু অবাক চোখে চেয়ে দেখলেন; আর মনে মনে বললেন বয়সটা ২০ হলে কি আসে যায়? ছেলেটির শটগুলো যে চোখের শান্তি!

ম্যাচে গিলেস্পি, ম্যাকগ্রাদের বিপক্ষে যখন ১১ বাউন্ডারিতে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে আকাশ পানে ব্যাট উঁচিয়ে সেঞ্চুরি উদযাপন করলেন তখন দূরে দাঁড়িয়ে অজি কাপ্তান রিকি পন্টিং সেই মজার দৃশ্য উপভোগ করলেন! তখন দূরে দাঁড়িয়ে থেকে হাততালি দেওয়া ছাড়া যে পন্টিংয়ের কিছুই করার ছিলো না!

সেই কার্ডিফের ঐতিহাসিক ম্যাচে ব্যাট হাতে ১০১ বলে ১১ বাউন্ডারিতে দলের মোট রানের ৪০% রান অথাৎ ১০০ রান এসেছিলো কিশোর অ্যাশের ব্যাটে। আশরাফুলের সাথে বাশার-আফতাবের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম বারের মতো হারানোর স্বাদ গ্রহন করে টাইগাররা।

আজ সময় পেরিয়েছে; বাংলাদেশ ক্রিকেট খেলায় এগিয়েছে। পরিণত হয়েছে বিশ্বের উদীয়মান শক্তিশালী দলের একটিতে। কিন্তু সেই ২০০৫ সালের ১৮-ই জুন বাংলাদেশ দলে ছিলো না এতো তারকা ক্রিকেটার; তবে ছিলো একজন আশরাফুল। যিনি সেদিন সব আলো কেড়ে নিয়েছিলেন নিজের দিকে। ব্যাট হাতে তান্ডব চালিয়েছিলেন ২২ গজে; করেছিলেন সেঞ্চুরি, লিখেছিলেন ইতিহাস।

Reviewer: Argha Majumder

Categories
Sports

তারিখ ১৯-৬-২০২০ (শুক্রবার)

টেলিভিশনের পর্দায় আজ যেসব খেলা দেখবেন:

১) ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ

ক) দল: নরউইচ–সাউদাম্পটন 

সময়: রাত ১১টা

খ) দল: টটেনহাম–ম্যান ইউনাইটেড

সময়: রাত ১–১৫ মি.

সরাসরি সম্প্রচার: স্টার স্পোর্টস ১, সিলেক্ট ১

২) লা লিগা 

ক) দল: গ্রানাডা–ভিয়ারিয়াল

সময়: রাত ১১–৩০ মি

খ) দল: মায়োর্কা–লেগানেস

সময়:রাত ১১–৩০ মি.

গ) দল: সেভিয়া–বার্সেলোনা

সময়: রাত ২টা

সরাসরি সম্প্রচার: ফেসবুক লাইভ

৩) ঘোড়দৌড়

দল: রয়্যাল অ্যাসকট

সময়: ৬–৩০ মি.

সম্প্রচার: ইউরোস্পোর্ট

৪) ওয়ানডে সিরিজ

দল: বাংলাদেশ–দ. আফ্রিকা (২০১৫) 

সময়: বেলা ৩টা

পুনঃপ্রচার: গাজী টিভি

৫) টি–টোয়েন্টি হাইলাইটস 

দল: বাংলাদেশ–ভারত 

সময়: রাত ৮টা, ১০টা

পুনঃপ্রচার: স্টার স্পোর্টস ১, ২, ৩

Reviewer: Argha Majumder

https://www.prothomalo.com/sports/article/1663603/