Categories
Health

Piles বা অর্শ রোগে প্রাথমিক চিকিৎসা

◽Piles বা অর্শ রোগ :

অর্শ মলদ্বারের একটি জটিল রোগ। এ রোগে মলদ্বারের বাইরে বা ভেতরে, একপাশে বা চারপাশে, একটি বা একাধিক, গোলাকৃতি বা সুচাল গুটিকা দেখা দেয়। এ গুটিকাগুলোকে আমরা আঞ্চলিক ভাষায় ‘বলি’ বা ‘গেজ’ বলি। পায়খানা করার সময় এ বলিগুলো থেকে অভ্যন্তরীণ সমস্যার অনুপাতে কারো অধিক পরিমাণে, কারো স্বল্প পরিমাণে রক্ত যায়। আবার অনেকের রক্ত যায়ই না। অনেকের ব্যাথা থাকে অনেকের থাকেনা।

⏩ অর্শের কারণ :-

ক. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া।

খ. শরীরের অতিরিক্ত ওজন।

গ. মহিলাদের গর্ভাবস্থায় জরায়ুর ওপর চাপ পড়লে।

ঙ. লিভার সিরোসিস।

চ. মল ত্যাগে বেশী চাপ দেয়া.

ছ. শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া।।

জ. পরিবারে কারও পাইলস থাকা মানে বংশগত।

ঝ. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি কারনে হয়ে থাকে। তাছাড়া যাদের প্রায় চিকেন ফ্রাই, ড্রাই, ফাস্টফুড, সব ধরনের কাবাব যেমন- বাটি কাবাব, টিক্কা কাবাব, গ্রিল কাবাব, বিবিধ খাবারের অভ্যাস আছে।

⏩ লক্ষণসমূহ :-

• পায়খানা করার সময় অত্যধিক বা অল্প পরিমাণে রক্ত যেতে পারে।

• গুহ্য দ্বারে জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যায়।

• টাটানি ও যন্ত্রণা।

• কাঁটাবিদ্ধ অনুভূতি।

• মাথা ধরা ও মাথা ভার বোধ।

• উরুদেশ, বক্ষ, নাভির চারপাশে ব্যথা ও মলদ্বারে ভার বোধ। • কোমর ধরা ও কোষ্ঠবদ্ধতা।

⏩ অর্শ রোগে আক্রান্তদের করণীয় :-

১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা।

২. বেশী পরিমাণে শাকসবজী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি (প্রতিদিন ১২-১৮ গ্লাস) পান করা

৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা

৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো

৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা

৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা

৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা

৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন চিকিৎসা গ্রহণ না করা।

৯. মল ত্যাগে বেশী চাপ না দেয়া

১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।

১১. চিকিৎসকের পরামর্শমতো বিশ্রাম নেয়া।

১৩. পেটে হজম হতে চায় না এমন খাদ্য বর্জন করা।

১৪. হাতুরে ডাক্তার বা কবিরাজ দিয়েচিকিৎসা না করা।

১৫. অধিক মশলা জাতীয় খাদ্য পরিহার করা।

⏩ কি খাব?

শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি খাবারের কিছুটা অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি তাহলে কিছুটা প্রতিকার পেতে পারি। আর যাদের অর্শ হয়ে গেছে তারা এই খাবারগুলি অবশ্যই খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

⏩ কি খাবনা-?

গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, বিশেষ করে শুটকির ভুনা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল।

পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ

পরোটা, লুচি, পুরি, পিঁয়াজি, সিঙ্গারা, চিপস ইত্যাদি এই খাবার গুলি বর্জন করতে হবে। চিকেন ফ্রাই, ড্রাই, ফাস্টফুড, সব ধরনের কাবাব যেমন- বাটি কাবাব, টিক্কা কাবাব, গ্রিল কাবাব, অতিরিক্ত ঝাল, ভুনা খাবার, কাঁচা লবণ, দেশী বিদেশী হরেক রকমের বাহারি নামের অস্বাস্থ্যকর খাবার গুলি বর্জন করতে হবে।

⏩ অর্শ বা পাইলস রোগের চিকিৎসাঃ

এই অর্শ রোগীদের নিয়ে আছে অনেক কবিরাজি, হেকিমি, তাবিজ, মানে চিকিৎসা নামে অনেক অপচিকিৎসা। এই বিষয়ে একটু সচেতন হয়ে আমাদের চলতে হবে। বিজ্ঞান ও বাস্তব সম্মত চিকিৎসা বিধান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রয়েছে এর সুন্দর ও স্বাস্থ্য সম্মত চিকিৎসা। যা কোন অপারেশনের প্রয়োজন হয়না। আমার চিকিৎসা জীবনে দেখেছি অনেকেই অপারেশন করেছে কিন্তু কিছুদিন পর আবার দেখা দিয়েছে। আবার অনেকের দেখেছি জটিল আকার ধারণ করতে। তাই বলব একটু চোখ কান খোলা রেখে একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকবেন।

মনে রাখবেন, অর্শ এমন একটি রোগ যা বারবার অপারেশন করা যায়না। কিছু অভ্যাস পরিবর্তন ও কিছু নিয়ম পালন করলে অবশ্যই এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

এলার্জি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা

◽এলার্জি :

⏩ অ্যালার্জি জনিত রোগের লক্ষণ ও করণীয় :

এলার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি। এলার্জি হাঁচি থেকে শুরু করে খাদ্য ও ওষুধের ভীষণ প্রতিক্রিয়া ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারো ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ ও গরুর দুধ খেলেই শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলো হলে আপনার এলার্জি আছে ধরে নিতে হবে।

মানব জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা ভুক্তভোগী যে সেই জানে। উপশমের জন্য কতজন কত কি না করেন। এবার প্রায় বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। যা করতে হবে আপনাকে –

১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।

২) শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন।

৩) এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।

৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে

৬) কার্যকারীতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি সহ অন্যান্য খাবার খেতে পারবেন।

⏩ চিকিৎসা :-

তবে অনেক দিন যাবৎ চুলকানি এবং এলার্জির সমস্যায় ভুগতে থাকলে অভিজ্ঞ এবং নিবন্ধনকৃত হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ মত কিছুদিন প্রপার ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন, আশা করি আপনার এলার্জির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

এইডস AIDS ও প্রাথমিক চিকিৎসা

◽এইডস কি :

এইডস একটি সংক্রামক রোগ যা এইচআইভি (Human Immuno deficiency Virus) ভাইরাসের সংক্রমণের মাধ্যমে হয়। এটি মানুষের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। এইচআইভি সংক্রমণের ফলে অন্যান্য রোগ যেমন-নিউমোনিয়া, মেনিননজাইটিস এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে। এইচআইভি সংক্রমণের পরের ধাপকেই এইডস (Acquired Immunodeficiency Syndrome) বলা হয়।

⏩ এইডস এর লক্ষণ ও উপসর্গ –
সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত :

জ্বর

মাথা ব্যথা

গলা ভাঙ্গা

লসিকাগ্রন্থি ফুলে উঠা (Swollen lymph glands)

শরীরে লালচে দানা (Rash) ইত্যাদি লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়।

সংক্রমণের পরবর্তী সময় সাধারণত:

অস্থিসন্ধি ফুলে উঠা (Swollen lymph nodes)

ডায়রিয়া

শরীরের ওজন কমা

জ্বর

কাশি এবং শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়

সংক্রমণের শেষ পর্যায়ে সাধারণত:

রাতের বেলা খুব ঘাম হওয়া

কয়েক সপ্তাহ ধরে ১০০ ফারেনহাইট (৩৮ সে.) বা এর অধিক তাপমাত্রার জ্বর অথবা কাঁপুনি

শুকনা কাশি এবং শ্বাস কষ্ট

দীর্ঘদিন ধরে ডায়রিয়া

মুখ অথবা জিহ্বা বেঁকে যাওয়া অথবা সাদা দাগ পড়া

মাথা ব্যথা

সবকিছু অস্পষ্ট ও বিকৃত দেখা

তীব্র অবসাদ অনুভব

তিন মাসের অধিক সময় ধরে অস্থিসন্ধি ফুলে থাকা ইত্যাদি লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়

⏩ শিশুদের ক্ষেত্রে এইচআইভি’র লক্ষণ ?

ওজন বৃদ্ধি না পাওয়া

স্বাভাবিক বৃদ্ধি না হওয়া

হাঁটতে সমস্যা

মানসিক বৃদ্ধি দেরীতে হওয়া

কানের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া এবং টনসিলের মতো সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যার প্রকট আকার ধারণ করা

⏩ কিভাবে এইডস ছড়ায় ?

শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে

এইচআইভি সংক্রমিত রক্ত আদান-প্রদানের মাধ্যমে

কারো ব্যবহৃত সুচ এবং সিরিঞ্জ ব্যবহারে মাধ্যমে

সিরিঞ্জ এর মাধ্যমে দুর্ঘটনা জনিত কারণে

গর্ভবতী মা এইচআইভিতে আক্রান্ত হলে, ডেলিভারীর সময় এবং আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করলে শিশুর এই রোগ হতে পারে।

শরীরের কোন অঙ্গ বা কলা প্রতিস্থাপন করলে অথবা জীবাণুমুক্ত করা হয়নি এমন সরঞ্জাম দিয়ে দাঁতের চিকিৎসা বা অপারেশন করলে।

⏩ কি করলে এইডস ছড়ায় না ?

আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে খাওয়া দাওয়া করলে

আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পায়খান (toilet) ব্যবহার করলে

আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে হাত মিলালে

আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে খেলাধূলা, কোলাকুলি করলে

একই থালায় ভাত খেলে

⏩ কখন ডাক্তার দেখাবেন ?

রোগের প্রাথমিক ও পরবর্তী পর্যায়ের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দেয়ার সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

⏩এইচআইভি/ এইডস আক্রান্ত হলে জীবন-যাপন
পদ্ধতি :

শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন না করা

গর্ভধারণ না করা

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে দেখানো

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন ও নির্দেশনা মেনে চলা

প্রতিষেধক গ্রহণ

সুষম খাদ্য যেমন-তাজা শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি খাওয়া

যেসব খাবার খেলে সংক্রমণ হতে পারে যেমন-কাঁচা খাবার সেগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকা

বিশুদ্ধ পানি পান করা

নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করা

পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম

ধূমপান ও মদপান থেকে বিরত থাকা

হাত ভালোমত পরিষ্কার করা

এইডস কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় ?

নিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন

এইচআইভি আক্রান্ত কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা থেকে বিরত থাকা

অপরিষ্কার এবং কারো ব্যবহৃত সুচ ব্যবহার না করা

কারো থেকে রক্ত গ্রহণ করতে হলে সেটা এইচআইভি সংক্রমিত কিনা পরীক্ষা করে দেখা

নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা

এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির ব্লেড এবং টুথব্রাশ ব্যবহার না করা

গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে সঠিক যত্ন নেয়া

সতর্কতার সাথে নিজের শারীরিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তার প্রতি খেয়াল রাখা।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

পায়ের গোড়ালি মচকালে প্রাথমিক চিকিৎসা

◽পায়ের গোড়ালি :

*গোড়ালিকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।

*দুই-তিন দিন পায়ে ভর না দিয়ে ক্রাচে ভর দিয়ে হাঁটতে হবে।

*বরফের টুকরা টাওয়ালে বা ফ্রিজের ঠান্ডা পানি প্লাস্টিকের ব্যাগে নিয়ে লাগালে ব্যথা ও ফোলা কমে আসবে। প্রতি ঘণ্টায় ১০ মিনিট বা দুই ঘণ্টা পরপর ২০ মিনিট অনবরত লাগাতে হবে। তবে এটা সহ্যের মধ্যে রাখতে হবে। এ পদ্ধতি আঘাতের ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত চলবে।

*স্প্লিন্ট ব্যবহার করে পা উঁচু রাখলে ফোলা কম হবে।

*ইলাসটো কমপ্রেসন (ইলাসটিক সাপোর্ট বা অ্যাংলেট) ব্যবহারে ফোলা ও ব্যথা কম হবে।

*অ্যানালজেসিক বা ব্যথানাশক ওষুধ সেবন।

*আঘাতের ৪৮ ঘণ্টা পর কুসুম গরম পানির সেক বা ঠান্ডা সেক ব্যবহারে ব্যথা কম হবে।

*গোড়ালির স্বাভাবিক নড়াচড়া এবং পেশি শক্তিশালী হওয়ার ব্যায়াম করতে হবে।

*অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি ইনজুরির ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল থেরাপি এসডব্লিউডি ও ইউএসটি প্রয়োজন হতে পারে।

⏭ কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন ?

*অসহ্য ব্যথা বা ব্যথা কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে।

*আঘাতপ্রাপ্ত গোড়ালি কিছুতেই নাড়াতে না পারলে।

*ফোলা ছাড়াও গোড়ালি বা পা অস্বাভাবিক আকৃতি হলে।

*খুঁড়িয়ে চার কদমের বেশি হাঁটা না গেলে।

*গোড়ালির হাড়ে চাপ দিলে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হলে।

*পা ও আঙুলে অবশ ভাব লাগলে।

*গোড়ালির পেছনে ব্যথা হলে এবং ফুলে গেলে।

*পায়ের আঙুল নিচু করতে অসুবিধা হলে।

*পায়ের পেশিতে ব্যথা হলে বা ফুলে গেলে।

*চামড়া লাল হয়ে দ্রুত বিস্তৃত হলে।

*ইনজুরির তীব্রতা বুঝতে না পারলে বা করণীয় না জানলে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর লক্ষণ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় সমূহ

◽করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ :

করোনাভাইরাস, যার পোশাকি নাম কোভিড-১৯, সেই রোগটিকে এখন বিশ্ব মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এই ভাইরাস যা মানুষের ফুসফুসের মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে- যা পূর্বে বিজ্ঞানীদের অজানা ছিল- চীন থেকে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে।

◽ভাইরাসটা কী?

করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস – যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি।

এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী প্রাণহানি হয়েছে ছয় লাখের মত মানুষের। বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৪০ লাখে। (তথ্য আপডেট করা হয়েছে ১৮ই জুলাই ২০২০)

ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯ – এনসিওভি বা নভেল করোনাভাইরাস। এটি এক ধরণের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।

২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স (পুরো নাম সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪জনের মৃত্যু হয়েছিল আর ৮০৯৮জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করোনাভাইরাস।

নতুন এই রোগটিকে প্রথমদিকে নানা নামে ডাকা হচ্ছিল, যেমন: ‘চায়না ভাইরাস’, ‘করোনাভাইরাস’, ‘২০১৯ এনকভ’, ‘নতুন ভাইরাস’, ‘রহস্য ভাইরাস’ ইত্যাদি।

এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগটির আনুষ্ঠানিক নাম দেয় কোভিড-১৯ যা ‘করোনাভাইরাস ডিজিজ ২০১৯’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

করোনাভাইরাসে হওয়া রোগের নতুন নাম ‘কোভিড-১৯’

◽রোগের লক্ষণ কী:

রেসপিরেটরি লক্ষণ ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষণ।

এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে।

সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়।

সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচ দিন সময় নেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৪দিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। তবে কিছু কিছু গবেষকের মতে এর স্থায়িত্ব ২৪দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।

মানুষের মধ্যে যখন ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেবে তখন বেশি মানুষকে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকবে তাদের। তবে এমন ধারণাও করা হচ্ছে যে নিজেরা অসুস্থ না থাকার সময়ও সুস্থ মানুষের দেহে ভাইরাস সংক্রমিত করতে পারে মানুষ।

শুরুর দিকের উপসর্গ সাধারণ সর্দিজ্বর এবং ফ্লু’য়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্থ হওয়া স্বাভাবিক।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব অনেককে সার্স ভাইরাসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে যা ২০০০ সালের শুরুতে প্রধানত এশিয়ার অনেক দেশে ৭৭৪ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিলো ।

নতুন ভাইরাসটির জেনেটিক কোড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এটি অনেকটাই সার্স ভাইরাসের মতো।

“আমরা যখন নতুন কোনো করোনাভাইরাস দেখি, তখন আমরা জানতে চাই এর লক্ষ্মণগুলো কতটা মারাত্মক। এ ভাইরাসটি অনেকটা ফ্লুর মতো কিন্তু সার্স ভাইরাসের চেয়ে মারাত্মক নয়,” বলছিলেন এডিনবারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মার্ক উলহাউস।

◽ কোথায় যোগাযোগ করতে হবে
কোথায় চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে :

সর্বপ্রথমে মনে রাখতে হবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

সারা পৃথিবীতে যত মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে তাদের ৮০ শতাংশেরও বেশি বাসায় থেকে নানাভাবে উপশমের চেষ্টা করছেন।

বাসায় অবস্থান করে চিকিৎসা নেবার নেবার ক্ষেত্রে যেসব বিষয় মনে রাখতে হবে সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।

১. নিজেকে বিচ্ছিন্ন করুন

যদি সন্দেহ হয় যে আপনার মধ্যে কোভিড-১৯-এর এক বা একাধিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে নিজেকে পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন বা আইসোলেট করুন।

এতে করে অন্যদের মাঝে সংক্রমণের আশংকা কমে আসবে।

২. জ্বর আসলে কী করবেন

করোনাভাইরাস সংক্রমণ থামানোর যেহেতু কোন ঔষধ নেই সেজন্য সাধারণ সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে যে ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয় সেগুলো অনুসরণ করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

ঢাকার বক্ষব্যধি হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী সাইফুদ্দিন বেন্নুর বলেন, প্যারাসিটামল খাওয়া এবং গার্গল করা করা যেতে পারে।

জ্বর এলেই আতঙ্কিত না হাবার পরামর্শ দিচ্ছেন মি. বেন্নুর। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

৩. কফ থাকলে যা করবেন

যদি আপনার কফ জমে থাকে বসার সময় পিঠে ভর দিয়ে হেলান দিয়ে না বাসাই ভালো। মেরুদণ্ড সোজা করে বসুন। এতে কফ কিছুটা হালকা হয়ে আসতে পারে।

ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

সেখানে আরো বলা হয়েছে, কফ হালকা করার জন্য এক চামচ মধু খেতে পারেন। এতে উপকার হতে পারে। তবে বারো বছর বয়সের নিচে বাচ্চাদের মধু দেবেন না।

৪. টেস্ট সেন্টারের ফোন নম্বর রাখুন

বাংলাদেশে এখন ৪৫টির মেতো ল্যাবরেটরিতে করোনাভাইরাসের টেস্ট করানো হচ্ছে। আপনার নিকটস্থ টেস্ট সেন্টার কোথায় হতে পারে সে সংক্রান্ত খোঁজ রাখুন।

এখন কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাসায় গিয়ে নুমনা সংগ্রহ করছে। তাদের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে রাখতে পারেন।

৫. অক্সিজেন ভাড়া নিতে পারেন

শ্বাসকষ্ট হলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই সেটি সম্ভব হচ্ছে না।

এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটোছুটি করতে করতে রোগীর অবস্থা আরো অবনতি হয়।

রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে না পারলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় অক্সিজেন নিতে পারেন।

ঢাকার বক্ষব্যধি হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী সাইফুদ্দিন বেন্নুর বলেন, “অক্সিজেন বাসায় নেবার সিস্টেম আছে। আমরা যখন লং টাইম অক্সিজেন থেরাপি দেই, আমরা কখন অক্সিজেন বাসায় নিতে বলি রোগীদের।” তিনি বলেন, কোভিড১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে হাই ফ্লো অক্সিজেন দিতে হবে।

৬. টেলিমেডিসিন সম্পর্কে জেনে রাখুন

করোনা সংক্রমনের এই সময়টিতে অনেক চিকিৎসক রোগীদের সরাসরি দেখছেন না। অধিকাংশ ডাক্তারের চেম্বারও বন্ধ।

তবে গত দুইমাসে বহু ডাক্তার টেলিফোন এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।

বেশকিছু সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ডাক্তারদের মাধ্যমে টেলিফোনে অথবা ভিডিও কনফারেন্সের সাহায্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে।

যেসব প্রতিষ্ঠান এ ধরণের সুবিধা দিচ্ছে তাদের ফোন নম্বর হাতের কাছে রাখতে পারেন। টেলিফোন নম্বর জানা থাকলে প্রয়োজনের সময় দ্রুত কাজে লাগবে।

চিকিৎসক সাইফুদ্দিন বেন্নুর বলেন, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে তিনি ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সন্তুষ্ট হতে পারেন।

তিনি বলেন, বেশিরভাগে ক্ষেত্রে রোগীদের উদ্বেগ প্রশমনেও ভূমিকা রাখে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা।

◽প্রতিকার :

এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। তবে আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষের দিকে এই টিকা মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা যাবে। এই রোগ থেকে রক্ষার একমাত্র উপায় হলো অন্যদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ হতে না দেয়া।

ভাইরাস থেকে বাঁচতে যা যা করতে হবে: ১. আক্রান্ত ব্যক্তি হতে কমপক্ষে ২ হাত দূরে থাকতে হবে। ২. বারবার প্রয়োজনমতো সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে, বিশেষ করে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে কিংবা সংক্রমণস্থলে ভ্রমণ করলে। ৩. জীবিত অথবা মৃত গৃহপালিত/বন্যপ্রাণী থেকে দূরে থাকা। ৪. ভ্রমণকারীগণ আক্রান্ত হলে কাশি শিষ্টাচার অনুশীলন করতে হবে (আক্রান্ত ব্যক্তি হতে দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা, হাত ধোয়া, যেখানে-সেখানে কফ কাশি না ফেলা)। ৫. করমর্দন এবং কোলাকুলি না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়াও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রতিদিন বাড়ি-ঘর ভালো মতো পরিষ্কার করাও জরুরি। পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্য উপকরণ ঘরে রাখা জরুরি।

১. জীবাণুনাশক হ্যান্ডওয়াশ

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাসায় জীবাণু নাশক হ্যান্ডওয়াশ রাখা জরুরি। প্রতিবার খাবার রান্না বা তৈরি করার আগে ও পরে, খাবার খাওয়ার আগে ও পরে, বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে, বাইরে থেকে বাসায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই জীবাণু নাশক হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। 

২. জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে

রান্নাঘরের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখতে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার জরুরি। খাবার তৈরির আগে ও পরে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার করে রান্নাঘর পরিষ্কার করুন। যাতে কোনো রোগজীবাণু খাবারে ঢুকতে না পারে। রান্নাঘর ছাড়াও বাথরুম, লিভিং রুম, ডাইনিং রুম এবং বেডরুমও পরিষ্কার করুন জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে দিয়ে।

৩. রাবার গ্লাভস

হাড়ি-পাতিল ধোয়া, টয়লেট পরিষ্কার বা ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করা মতো গৃহস্থালি কাজের জন্য রাবার গ্লাভস ব্যবহার করুন।

৪. বক্সড টিস্যু

বাড়ির প্রতিটি ঘরে টিস্যু রাখুন। যাতে কাশি বা হাঁচির সময় হাত বাড়ালেই টিস্যু পাওয়া যায়।

৫. ভেজা টিস্যু, হান্ড স্যানিটাইজার এবং পকেট টিস্যু

জীবাণুনাশক ভেজা টিস্যু এবং স্যানিটাইজার ঘরে বা বাইরেও ব্যবহার করা যায়। যখন সাবান বা পানি পাওয়া যাবে না তখন এসব ব্যবহার করে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

বাতজ্বর ও প্রাথমিক চিকিৎসা

◽বাতজ্বর :

বাতজ্বরের ডায়াগনোসিস রোগীর মূখ্য ও গৌণ লক্ষনের মাধ্যমে করা যায়। এর মধ্যে যদি মূখ্য লক্ষণ ২টি ও গৌণ লক্ষন ১টি কিংবা গৌণ লক্ষণ ২টি ও মূখ্য লক্ষণ ১টি পাওয়া যায় তাহলে বাতজ্বরের ডায়াগনসিস নিশ্চিত করা সম্ভব হয় । সাথে অবশ্যই বিটা হিমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কাসের প্রদাহজনিত গলাব্যথার ইতিহাস থাকতে হবে । 

➡ মুখ্য লক্ষণ রয়েছে ৫টি । যেমনঃ

▫হৃৎপিণ্ডের প্রদাহ, যা হলে রোগীর জ্বর, বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফর করা, নাড়ীর গতি বেড়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি সমস্যা হয় ।

▫গিরায় ব্যথা, যা হলে মূলত বড় গিরায় যেমন হাঁটু, গোড়ালি, হাতের কবজি, কনুই ও কোমরে ব্যথা হয়, ফুলে যায় ও লালচে বর্ণ ধারণ করে। প্রথমে যেকোনো একটি গিরায় ব্যথা ও ফোলা থাকে, তার সেই গিরার ব্যথা ও ফোলা ২-৩ দিন পর কমে গিয়ে আরেকটি গিরাকে আক্রান্ত করে। এভাবে প্রদাহ এক গিরা থেকে অন্য গিরায় ছড়িয়ে পড়ে ।

▫ইরিথেমা মারজিনেটাম অর্থাৎ বুকে ও পিঠের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন আকৃতির লাল বর্ণের চাকা দেখা দেয়া, যেগুলোতে কোনো ব্যথাও হয় না, আবার চুলকায়ও না, তবে একটু ফুলে ওঠতে পারে এবং নিজে নিজেই ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যায় ।

▫সিডেনহ্যাম কোরিয়া, যা মস্তিষ্কের এক ধরনের সমস্যা। এর ফলে রোগীর মেজাজ খুব খিটখিটে হয়। হাত-পা বা শরীরের কোনো অংশ নিয়ন্ত্রণহীনভাবে অযথা কাঁপতে থাকে।

▫চামড়ার নিচে ছোট দানা, যেগুলো সিমের বীচির মতো আকৃতির, শক্ত ও ব্যথাযুক্ত। এগুলো সাধারণত কনুই, ঘাড়, কবজি বা পায়ের সামনের দিকে দেখা যায়

⏩ বাতজ্বরের চিকিৎসা নিন :

বাতজ্বরের আক্রমণের সংখ্যা যত বাড়বে, বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি হবে। তাই এব্যাপারে কোন অবহেলা করা যাবেনা। বাতজ্বরের চিকিৎসা সহজ ও সস্তা। কিন্তু এ চিকিৎসা ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদি। মোট পাঁচ বছর অথবা ২২ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত নিতে হবে। এর মধ্যে যেটি দীর্ঘতর হবে, সেটিই প্রযোজ্য হবে। যেমন যার বয়স ১০ তাকে নিতে হবে বার বছর, আর যার বয়স ২০, তাকে নিতে হবে পাচ বছর। যাদের হৃদযন্ত্র আক্রান্ত হয়েছে, তাদের কমপক্ষে ১০ বছর অথবা ৩০ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত নিতে হবে (এর মধ্যে যেটি দীর্ঘতর হয়)। অন্যদিকে যাদের বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ হয়েছে, এমনকি যারা ভাল্বের অস্ত্রোপচার করেছে, তাদের আজীবন নিতে হবে।

⏩ বাত জ্বর নিয়ে কিছু কথা জেনে রাখা জরুরী:

গিরাব্যথা ও জ্বর হলেই বাতজ্বর নয়ঃ গিরা ফোলা বা ব্যথাসহ জ্বর আরও বেশ কিছু রোগে হতে পারে। তাই গিরাব্যথা হলেই বাতজ্বর হয়েছে বলা যাবে না। তবে গিরা ফুলে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মনে রাখবেন, বাতজ্বরের গিরা ফোলা বা ব্যথা সহজেই ভালো হয়ে যায়। তাই চিকিৎসা নেওয়া সত্ত্বেও যদি কোনো রোগীর গিরাব্যথা ভালো না হয়, তাহলে রোগটি বাতজ্বর না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বাংলাদেশে যারা বাতজ্বরের চিকিৎসা নিচ্ছে, তাদের অধিকাংশই এ ধরনের রোগী।

⏭ রক্তের এএসও টাইটার বেশি মানেই বাতজ্বর নয়ঃ

 বাতজ্বর নির্ণয়ের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট রক্ত পরীক্ষা নেই। তাই বাতজ্বর সন্দেহ হলে চিকিৎসকেরা রক্তের অ্যান্টি-স্ট্রেপটোলাইসিন-ও (এএসও) পরীক্ষা করে থাকেন। এএসও বেশি হওয়ার অর্থই বাতজ্বর নয়। স্ট্রেপ দ্বারা গলদাহ হলেই রক্তে এএসওর মাত্রা বাড়বে। বাতজ্বর হলে অবশ্যই উপরোল্লিখিত মূখ্য ও গৌণ লক্ষণগুলো থাকতে হবে। লক্ষণ বা উপসর্গের অনুপস্থিতিতে এ ধরনের রক্ত পরীক্ষা মূল্যহীন।

⏭ বাতজ্বর হলেও গর্ভধারণ করা যায়ঃ 

মেয়েদের বাতজ্বর হলে বিয়ে বা সন্তান ধারণে অসুবিধা নেই। গর্ভধারণ করলেও পেনিসিলিন চালিয়ে যেতে হবে। এতে সন্তানের কোনো ক্ষতি হবে না। তবে বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ গুরুতর হলে সন্তান নেওয়া মায়ের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। তাই বাতজ্বরজনিত হৃদরোগীরা গর্ভধারণের আগে বাতজ্বরে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

⏭ উপসর্গ ভালো হলেই ওষুধ বন্ধ করা যাবে নাঃ

 উপসর্গ ভালো হয়ে গেলেই বাতজ্বরের প্রতিষেধক চিকিৎসা বন্ধ করা সঠিক নয়। বাতজ্বর একবার হলে বারবার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বাতজ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শমতে নিয়মিত ও ক্রমাগত পেনিসিলিন ব্যবহার করতে হবে, যাতে পুনরায় বাতজ্বর না হয়। মনে রাখবেন, এই পেনিসিলিন গ্রহণ বাতজ্বরের পূর্ববর্তী আক্রমণের জন্য নয়। এটি ভবিষ্যতে বাতজ্বর না হওয়ার জন্য স্বল্পমেয়াদি টিকা হিসেবে কাজ করে।

⏩ বাতজ্বর ছোঁয়াচে রোগ নয়ঃ

 বাতজ্বর ছোঁয়াচে রোগ নয়। বাতজ্বরের রোগীর সঙ্গে থাকলে, খেলে, ঘুমালে, এমনকি ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করলেও বাতজ্বর হওয়ার আশঙ্কা নেই। গর্ভাবস্থায় মা থেকে শিশুতেও সংক্রমণের আশঙ্কা নেই। কিন্তু স্ট্রেপ গলদাহের সময় কাছাকাছি থাকলে, কথা বললে অন্যের গলদাহ হতে পারে। তাই শিশুর গলাব্যথা হলে সেসময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

আলঝেইমার রোগে ঝুঁকি কমাতে যা খাবেন

◽আলঝেইমার রোগ :

আলঝেইমার রোগ মস্তিষ্কের একধরনের অস্বাভাবিকতা, যাতে সাধারণত স্মৃতিভ্রংশ হয়, রোগীর কগনিটিভ কার্যকারিতা বা পরিপার্শ্ব সম্পর্কে চেতনার ক্ষয় হতে থাকে। ৬৫ বছরের পরে এ রোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি। এই রোগের তেমন কোনো প্রতিকার নেই। রোগের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে রোগীর শারীরিক অবস্থারও অবনতি হতে থাকে, খাওয়াসহ অন্যান্য দৈনন্দিন কাজ নিজে করতে না পারার কারণে রোগী একেবারেই পরনির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য আমাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। এ জন্য ‘মাইন্ড ডায়েট’ খুবই উপকারী। মাইন্ড ডায়েট অনুসরণ করতে দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় নিচের খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন:

▫পূর্ণ শস্যযুক্ত খাবার :

দিনে খাবারের তালিকায় পূর্ণ শস্যযুক্ত খাবার রাখুন। লাল আটা, লাল চাল, ভুট্টা, গম, ওটস, হোল গ্রেইন পাস্তা, পপকর্ন—এগুলো পূর্ণ শস্যযুক্ত খাবার।

▫সামুদ্রিক মাছ :

ওমেগা-৩ যুক্ত মাছ যেমন স্যামন, টুনা, ম্যাকরেল ইত্যাদি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। সপ্তাহে অন্তত দুই দিন সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার চেষ্টা করুন।

▫শিম ও শিমের বিচি :

স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে এটা খুবই উপকারী। এতে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে।

▫শাকসবজি :

সবুজ শাক, বিশেষ করে পালংশাক, ব্রকলি, বাঁধাকপি, শালগম এবং আরও যে সবুজ রঙের শাকসবজি রয়েছে, সেগুলো খেতে হবে। এতে লুটেইন, ফলেট, ভিটামিন ই, বিটা ক্যারোটিন এবং পলিফেনলস রয়েছে।

⏩ সালাদ: দিনে একবার সালাদ খেলে তা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

⏩ বাদাম: স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাদামের জুড়ি নেই। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন অল্প বাদাম খান।

⏩ অলিভ অয়েল: রান্নার কাজে এবং সালাদ তৈরিতেও ড্রেসিং হিসেবে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

মাইন্ড ডায়েটের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:

রেড মিট, মিষ্টিজাতীয় খাবার যতটা সম্ভব কম খেতে হবে।

ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার সপ্তাহে একবারের বেশি খাওয়া ঠিক নয়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

পিত্তথলি পাথর সমস্যায় প্রাথমিক চিকিৎসা

◽পিত্তথলির পাথর :

ইদানীং কালের একটি সাধারণ রোগের নাম হল পিত্তথলিতে পাথর হওয়া। সাধারণত যারা দ্রুত তাদের শরীরের ওজন কমাতে চান তারা পিত্তথলিতে পাথর হওয়া রোগের সম্মুখীন বেশী হন। তাছাড়া জিনগত কারন ও খাদ্যাভ্যাসের ফলেও পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে।

পিত্তথলিতে পাথর কোনো ভয়ের বিষয় নয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটা সহজে ধরাই পড়ে না। কখনো দীর্ঘদিন ধরে রোগীর পেটের ওপরের অংশে ব্যথা হয়, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ চলতে থাকে, এমনকি খানিকটা ব্যথা কমেও তাতে। তাই পরীক্ষা করা হয় না। আবার কারও ক্ষেত্রে পোলাও, বিরিয়ানি বা ভাজাপোড়া বেশি তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ করেই শুরু হয়ে যায় তীব্র পেটব্যথা। এ ক্ষেত্রেও ব্যথা হয় পেটের ওপরের অংশে, মূলত ডান দিকে, ছড়িয়ে যেতে পারে পিঠের ওপরের দিকেও। বমি বমি ভাব থাকতে পারে, বমিও হতে পারে। হালকা জ্বর থাকতে পারে। প্রথম দিকে কিছু ওষুধ সেবনে ব্যথা ভালো হয়ে গেলেও পরে আর সেগুলোতে কাজ হচ্ছে না বলে মনে হয়।

খেয়াল রাখা দরকার, গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার মতো মনে হলেও পিত্তথলিতে পাথরের কারণে ব্যথার একটু ভিন্নতা আছে। এই ব্যথা সাধারণত অ্যাসিডিটি জনিত ব্যথার চেয়ে তীব্রতর। গ্যাসের ওষুধ সেবনে এ ব্যথা সম্পূর্ণ উপশম হয় না। কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এ ব্যথা। তারপর ভালো হয়ে গেলেও কিছুদিন পর আবার হয়। কোনো কোনো রোগীর আবার লক্ষণ থাকে না একদমই, হঠাৎ পরীক্ষা করাতে গিয়ে ধরা পড়ে পাথর।

পিত্তথলিতে পাথর হলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাথরসহ পিত্তথলিটি ফেলে দেওয়া উচিত। অস্ত্রোপচার না করে ওষুধের মাধ্যমে পাথর গলিয়ে ফেললেও পরে পাথর হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এভাবে পাথর গলিয়ে ফেলতে দু-তিন বছর সময় লাগে, এত দিন একটানা ওষুধগুলো খাওয়ার ফলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে। তাই অস্ত্রোপচারই ভালো সমাধান।

▫কাদের পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

ওজনাধিক্য বা স্থূলতা, রক্তে কোলেস্টেরল বা চর্বি বেশি থাকা, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি পিত্তথলিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে কোনো ঝুঁকি নেই—এমন ব্যক্তিরও পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে। আর পুরুষদের তুলনায় নারীদেরই এ সমস্যা বেশি হতে দেখা যায়।

⏩ প্রাকৃতিক উপায়ে কাটিয়ে উঠুন পিত্তথলির পাথরের সমস্যা—

আমরা চাইলে প্রাকৃতিকভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি। আর তাই ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা সমাধানের জন্য নিচের টিপস দেখতে পারেন।

বিটরুট ও গাজরের জুস পিত্তথলির পাথর প্রতিরোধে বিটরুট ও গাজরের জুসের তুলনা হয় না। বিটরুট গাছ থেকে বিটরুট ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস করুন, একইভাবে গাজর ও শশা থেকে জুস তৈরি করুন। এবার তিন রকম জুস সমপরিমাণ এক সাথে নিয়ে ভালোভাবে মিশান। দিনে দুইবার এই জুস খাওয়াতে আপনার সমস্যা দূর হবে।

আঁশযুক্ত খাবার আপনার পিত্তথলির পাথরের সমস্যা দূর করতে উচ্চ ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া জরুরী। আপনি আপনার খাবার তালিকা থেকে চিনি ও চর্বি যুক্ত খাবারগুলো বেছে বেছে বাদ দিয়ে সেখানে আপনার সকালে খাদ্যের মধ্যে প্রতিদিন উচ্চ ফাইবার খাদ্য শস্য যোগ করুন. এটি আপনার পিত্তশয়ের সমস্ত রোগ প্রতিরোধের সাথে সাথে পিত্তথলির পাথরের রোগ প্রতিরোধ করবে।

হলুদ পিত্তথলির পাথর রোধ করতে হলুদ একটি কার্যকরী উপাদান। হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান পিত্তথলির পাথর প্রতিরোধের একটি অন্যতম উপাদান। প্রতিদিন আধ টেবিল চামচ হলুদ গ্রহণ করাতে এ রোগের সম্ভাবনা ৮০ভাগ কমে যায়।

সবজি প্রতিদিনেরখাবার তালিকায় উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি যোগ করুন। আপনার অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত খাবারের থেকে এটি যেমন আপনাকে সুস্থ আর ফিট রাখবে ঠিক একইভাবে আপনার পিত্তথলির পাথর প্রতিরোধ করবে।

প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার এড়িয়ে চলুন এড়িয়ে চলুন বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাতকৃত ও কৃত্রিম ফ্লেভার-রংযুক্ত খাবার। যেমন, লাল মাংস, আইসক্রিম, সাদা ময়দাপণ্য, কৃত্রিম মিষ্টি জাত পণ্য।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

কিডনিতে পাথর হলে প্রাথমিক চিকিৎসা

◽কিডনিতে পাথর :

কিডনিতে পাথরের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে ঔষধে সেরে যায়, অনেক ক্ষেত্রে পাথর ভেঙে বের করতে হয়, আবার বড় পাথর বা অবস্থা গুরুতর হলে অপারেশনও করতে হয়। কিন্তু কিছু প্রাকৃতিক উপায়ে সেটা অনেকসময় সমাধান করা সম্ভব। তাই আজ সবাইকে জানাতে চাই কিডনিতে পাথর সমস্যা প্রতিকারের জন্য সত্যিকার ভাবে কার্যকরী ও ফলপ্রসূ একটি রাশিয়ান ভেষজ রেসিপি। এই রেসিপিটি কিডনিকে পরিষ্কারে সাহায্য করে, মিউকাস নিঃসরণে এবং বালি ও ছোট ছোট পাথর বের করে দিতে সাহায্য করবে মাত্র ১০-১৫ দিনে।

millet বা “বাজরা” হচ্ছে একপ্রকার সাশ্রয়ী খাদ্যশস্য যা কিডনিতে থাকা পাথর অপসারণের চিকিৎসায় এর ভূমিকা অসামান্য। অনেকেই হয়তো একে চেনেন না, অনেকে আবার পাখির খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করেন। এই বাজরা দিয়ে রুটিও তৈরি করা যায়। অনেকেই দাবি করে যে এই বাজরা কিডনির সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

গ্রাম্য ঔষধে এই বাজরা urolithiasis রোগের (প্রস্রাবের সাথে পাথর বের হয়ে ইউরিনারী সিস্টেমে সমস্যার সৃষ্টি করে যে রোগে) সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক সমাধান হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এটা কার্যকরী ভাবে কিডনিকে পরিস্কার করে, বালি ও বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়, কিডনি ও মুত্রাশয়ের ছোট ছোট পাথর বের করে দেয় এবং মহিলাদের cystitis রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করে। এছাড়া এই জোয়ার হচ্ছে উচ্চ পুষ্টিমান ও ঔষধিগুণ সম্পন্ন এক বিশেষ ধরনের খাদ্যশস্য।

▫কিডনিতে থাকা পাথর দূরীকরণের পদ্ধতি –

২০০ গ্রাম (১ কাপ) বাজরা নিয়ে কুসুম গরম পানিতে খুব ভালো ভাবে ধুয়ে রাখতে হবে। এটা করতে হবে রাতের বেলা তাহলে ভালভাবে ভিজবে। তারপর সেই ভেজানো বাজরাগুলো ৩ লিটার ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন একটি পাত্রে নিয়ে এর ২/৩ অংশে ফুটন্ত গরম পানি দিতে হবে এবং পাত্রটির মুখ খুব ভালো ভাবে বন্ধ করে একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে সারারাত রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে পাত্রটিতে একধরনের সাদা ঘোলাটে তরল পাওয়া যাবে। এটাই হচ্ছে সেই কাঙ্খিত ঔষধ। এখন এই পানিটি অন্য একটি পাত্র বা বোতলে নিয়ে নিন এবং সারাদিন যেকোনো সময় যেকোনো পরিমাণে পান করুন কোন বাধা নিষেধ ছাড়াই।

আর বাজরা গুলো ফেলে না দিয়ে পরিজ রান্না করে সকালের সকালের স্বাস্থ্য সম্মত নাস্তা হিসেবে খেতে পারেন। এক কাপ বাজরার সাথে ৩ কাপ পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ফুটালেই তৈরি হয়ে যাবে সকালের নাস্তা। প্রতিদিন রাতে আবার পরবর্তী দিনের জন্য নতুন করে বাজরার পানি তৈরি করে রাখুন একই প্রক্রিয়াতে। এভাবে প্রত্যাশিত ফলাফল পেতে ১০-১৫ দিন নিয়মিত এই পানীয়টি খেতে হবে। এই ১০-১৫ দিনের মাঝে কিডনি পরিস্কারের পাশাপাশি এতে থাকা পাথর নরম হয়ে গলে প্রসাবের সাথে বেড়িয়ে যাবে। তখন কিডনিতে থাকা বালি, মিউকাস বা পাথরই বলেন সব দূর হয়ে তখন তা ইতিহাস হয়ে যাবে। ফোলা কমে গিয়ে কিডনী ও মূত্রতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গগুলো সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিয়ে আসবে।

এই খাদ্যশস্যটি প্রতেকের জন্য প্রযোজ্য, সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য এবং এটি যদি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যুক্ত করা হয় তবে তা অবশ্যই কিডনির জন্য স্বাস্থ্যকর হবে। যেকোনো রোগের ক্ষেত্রেই প্রতিরোধ প্রয়োজন বিশেষ করে শরীরের সম্ভাব্য রোগ এড়ানোর জন্য এবং প্রাকৃতিক উপায়ে একে পরিষ্কার রাখার জন্য।

এছাড়া লেবু এবং জলপাই তেলের মিশ্রণ তৈরি করে খেলে তা পিত্তথলি এবং কিডনির পাথর গলাতে সাহায্য করে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

থাইরয়েড সমস্যা নিয়ন্ত্রণের উপায় সমূহ

◽থাইরয়েড সমস্যা :

আমাদের স্বরযন্ত্রের দু’পাশে থাকা গ্রন্থির নাম থাইরয়েড। থাইরয়েড হরমোনের উৎপাদন করাই হল এর কাজ। থাইরয়েড হরমোন আমাদের শরীরের পক্ষে অত্যাবশ্যকীয় হরমোন। শরীরের জন্য এই হরমোনের একটি নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। ওই নির্দিষ্ট মাত্রার থেকে কম বা বেশি থাইরয়েড হরমোন উৎপাদিত হলেই শরীরে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। মেয়েদের মধ্যে এই সমস্যা একটু বেশিই লক্ষ করা যায়। তবে কয়েকটি নিয়ম মানতে পারলে থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আসুন সেগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক…

১) থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য খুব জরুরি একটি উপাদান হল প্রোটিন। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার-দাবার রাখা জরুরি। পনির, চিজ, ডিম, মুরগির মাংস ইত্যাদি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার-দাবার পরিমিত পরিমাণে খেতে পারলে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড ঠিক মতো কাজ করতে পারবে।

২) আয়োডিন যুক্ত খাবার-দাবার থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী! আয়োডিন যুক্ত লবন ব্যবহার করে রান্না করা যেতে পারে। এ ছাড়া গাজর, কলা, দুধ, সামুদ্রিক মাছ, স্ট্রবেরি, শাকপাতা আর মৌসুমি সবজিতে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন রয়েছে। তাই পাতে রাখুন এই খাবারগুলি।

৩) থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে সঠিক ডায়েটের সঙ্গেই নিয়মিত শরীরচর্চার প্রয়োজন। সাঁতার বা সাইকেল চালানো থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে।

৪) থাইরয়েড গ্রন্থির ভালোভাবে কাজ করার জন্য রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম অত্যন্ত জরুরি! অনেকেই আজকাল কাজের চাপে রাতে জেগে থেকে দিনে বা ভোরের দিকে ঘুমোতে যান। যদি দিনের বেলাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম হয়, সে ক্ষেত্রে কোনও ক্ষতি নেই। তবে থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার!

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

হিটস্ট্রোকের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়

◽হিটস্ট্রোক :

স্বাভাবিক অবস্থায় রক্ত দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কোনো কারণে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে ত্বকের রক্তনালি প্রসারিত হয় এবং অতিরিক্ত তাপ পরিবেশে ছড়িয়ে দেয়। প্রয়োজনে ঘামের মাধ্যমেও শরীরের তাপ কমানো হয়। কিন্তু প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্র পরিবেশে অনেকক্ষণ থাকলে বা পরিশ্রম করলে তাপ নিয়ন্ত্রণ আর সম্ভব হয় না। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায় এবং হিটস্ট্রোক দেখা দেয়।

⏩ হিটস্ট্রোকের লক্ষণ : 

তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেহে নানা রকম প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। প্রাথমিকভাবে হিটস্ট্রোকের আগে অপেক্ষাকৃত কম মারাত্মক হিট ক্র্যাম্প অথবা হিট এক্সাসশন হতে পারে। হিট ক্র্যাম্পে শরীরের মাংসপেশি ব্যথা করে, দুর্বল লাগে এবং প্রচণ্ড পিপাসা লাগে। এর পরের ধাপে হিট এক্সাসশনে দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, মাথাব্যথা, ঝিমঝিম করা, বমিভাব, অসংলগ্ন আচরণ ইত্যাদি দেখা দেয়। এই দুই ক্ষেত্রেই শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ঠিক থাকে এবং শরীর প্রচণ্ড ঘামতে থাকে। এ অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হিটস্ট্রোক হতে পারে। এর লক্ষণগুলো হলো :

▫তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়। ঘাম বন্ধ হয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক ও লালাভ হয়ে যায়।

▫নিঃশ্বাস দ্রুত হয়। নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ ও দ্রুত হয়। রক্তচাপ কমে যায়। খিঁচুনি, মাথা ঝিমঝিম করা, অস্বাভাবিক ব্যবহার, হ্যালুসিনেশন, অসংলগ্নতা ইত্যাদি।

⏩ প্রতিরোধের উপায় : 

গরমের দিনে কিছু সতর্কতা মেনে চললে হিটস্ট্রোকের বিপদ থেকে বেঁচে থাকা যায়। এগুলো হলো : হালকা, ঢিলেঢালা কাপড় পরিধান করুন। কাপড় সাদা বা হালকা রঙের হতে হবে। সুতি কাপড় হলে ভালো। যথাসম্ভব ঘরের ভিতর বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন। বাইরে যেতে হলে চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি বা ছাতা ব্যবহার করুন। বাইরে যারা কাজকর্মে নিয়োজিত থাকেন, তারা ছাতা বা কাপড়জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে পারেন। প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল পান করুন। মনে রাখবেন, গরমে ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ বের হয়ে যায়। তাই পানির সঙ্গে সঙ্গে লবণযুক্ত পানীয় যেমন খাওয়ার স্যালাইন, ফলের রস, লাচ্ছি ইত্যাদি পান করতে হবে।

⏩ আক্রান্ত হলে করণীয় : 

দ্রুত শীতল কোনো স্থানে চলে যান। ফ্যান বা এসি ছেড়ে দিন। ভেজা কাপড়ে শরীর মুছে ফেলুন। সম্ভব হলে গোসল করুন। প্রচুর পানি ও খাওয়ার স্যালাইন পান করুন। চা বা কফি পান করবেন না। যদি হিটস্ট্রোক হয়েই যায়, রোগীকে অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে, ঘরে চিকিৎসা করার কোনো সুযোগ নেই।

🔸এক্ষেত্রে রোগীর আশপাশে যারা থাকবেন, তাদের
করণীয় হলো :

➡রোগীকে দ্রুত শীতল স্থানে নিয়ে যান। গায়ের কাপড় খুলে দিন।

➡শরীর পানিতে ভিজিয়ে দিয়ে বাতাস করুন। এভাবে তাপমাত্রা কমাতে থাকুন।

➡সম্ভব হলে কাঁধে, বগলে ও কুচকিতে বরফ দিন। রোগীর জ্ঞান থাকলে তাকে খাওয়ার স্যালাইন দিন। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

➡সবসময় খেয়াল রাখবেন, হিটস্ট্রোকে অজ্ঞান রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ও নাড়ি চলছে কিনা।

➡প্রয়োজন হলে কৃত্রিমভাবে নিঃশ্বাস ও নাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করতে হতে পারে। হিটস্ট্রোকে জীবন বিপদাপন্ন হতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন।

▫ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Health

হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের সম্পর্কে তথ্য

◽হেপাটাইটিস বি :

বিদেশে যাওয়ার জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বেছায় রক্তদান কিংবা গর্ভকালীন রক্ত পরীক্ষা করতে গিয়ে অনেকের হেপাটাইটিস বি এবং কখনো কখনো হেপাটাইটিস সি ধরা পড়ে। অনেকে একেবারে ভেঙে পড়েন বা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। কারণ অনেকের ধারণা, হেপাটাইটিস বি বা সি পজিটিভ মানেই হলো লিভার সিরোসিস, নিশ্চিত মৃত্যু।

▫হেপাটাইটিস বি পজিটিভ মানে কী?

কোনো ব্যক্তির হেপাটাইটিস বি পজিটিভ মানে নিচের যেকোনোটি হতে পারে: 

১. তিনি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের ইনকিউবেশন বা স্ফুরণপর্বে আছেন

২. বি ভাইরাস দিয়ে একিউট হেপাটাইটিস (স্বল্পমেয়াদি প্রদাহ) হয়েছে

৩. বি ভাইরাস সংক্রমণ হয়েছিল এবং তা থেকে আরোগ্য লাভ করেছেন

৪. উপসর্গ ছাড়াই ভাইরাসের এন্টিজেন বহন করছেন কিংবা

৫. তিনি হেপাটাইটিস বি জনিত দীর্ঘমেয়াদি রোগাক্রান্ত।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস ইনফেকশনের ইনকিউবেশন বা স্ফুরণপর্ব ৩০-১৮০ দিন পর্যন্ত হয়ে থাকতে পারে। সাধারণত এ সময় অবসাদগ্রস্ততা, পেটে অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। শারীরিক উপসর্গ বা জন্ডিস দেখা দেওয়ার বেশ কয়েক সপ্তাহ আগেই HBsAg পজিটিভ দেখা দেয়। এ সময় লিভার এনজাইমগুলোও বাড়তে পারে।

একিউট হেপাটাইটিস বি–এর ক্ষেত্রে সংক্রমণের এক থেকে চার মাস পর সাধারণত উপসর্গ দেখা দেয়। শতকরা দুজনের ক্ষেত্রে লিভার ফেইলিউর হতে পারে। বড়দের ক্ষেত্রে শতকরা ৯৫ জন শরীর থেকে সংক্রমণ দূর করতে সক্ষম হয়ে থাকেন। 

ক্রনিক (দীর্ঘমেয়াদি) হেপাটাইটিস বি–এর ক্ষেত্রে HBsAg সাধারণত ছয় মাসের বেশি সময় যাবৎ প্রদাহ উপস্থিত থাকে। নবজাতকের ইনফেকশনের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ, এক থেকে পাঁচ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে ২০-৫০ শতাংশ, বড়দের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশের কম লোক ক্রনিক হেপাটাইটিস বি–তে আক্রান্ত হতে পারেন। ক্রনিক ইনফেকশনের অবশ্য মাত্রাভেদ রয়েছে। কখনো খুব সক্রিয় আবার কখনো খুব নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে। 

 রক্ত পরীক্ষায় হেপাটাইটিস বি কিংবা সি ধরা পড়লে আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে চিকিৎসক, লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। নিশ্চিতকরণ পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসের উপস্থিতি ও সক্রিয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। অনেক ক্ষেত্রে ভাইরাস নিষ্ক্রিয় অবস্থায়ও দীর্ঘদিন থাকতে পারে। সঠিকভাবে চিকিৎসা নিলে ক্রনিক হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস নিয়েও ভালো থাকা যায়। ভাইরাস বহন করেও চাকরি, দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে কোনো বাধা নেই। ভেঙে পড়বেন না, সঠিক চিকিৎসা নিন।

▫ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Health

মানব দেহে জানা অজানা তথ্য

◽মানব দেহ :

বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত গবেষণা করছেন মানবদেহ নিয়ে এবং একেক সময় বেরিয়ে আসছে অজানা সব তথ্য যা পুরো বিশ্বকেই অবাক করে দেয়। মানবদেহ নিয়ে যেমন জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই তেমনি এই দেহ নিয়ে তথ্যেরও শেষ নেই। তাই চলুন আজ জেনে নেই এমনই ১৬ টি তথ্য যা হয়তো আপনি জানতেন না।

১। মানব দেহে রোগ প্রতিরোধকারী শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২৫০ কোটি এবং এরা মাত্র ১২ ঘন্টা বেঁচে থাকে।

২। একজন মানুষের দেহের রক্তের পরিমাণ তার দেহের মোট ওজনের ১৩ ভাগের ১ ভাগ।

৩। দেহে ও মনে যখন অনুভূতি আসে তখন তা মস্তিষ্কে পৌঁছতে ০.১ সেকেন্ড সময় লাগে।

৪। দেহে অক্সিজেন সরবরাহকারী লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ ২৫০০ কোটি এবং এরা ৪ মাস বাঁচে।

৫। যখন মানুষ কোন কারণে লজ্জা পায় তখন দেহের পাকস্থলীও লজ্জা পায়।

৬। একজন মানুষের স্নায়ুতন্ত্র এত লম্বা যে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৭ বার পেঁচানো যাবে।

৭। কোন অনুভূতি স্নায়ুতন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঘন্টায় ২০০ মাইল বেগে প্রবাহিত হয়।

৮। একজন শিশুর জন্মের সময় হাড় থাকে ৩৫০ টি।

৯। একজন মানুষ সারা জীবনে ৪০ হাজার লিটার মূত্র ত্যাগ করে।

১০। একজন মানুষের শরীরে চামড়ার পরিমাণ হচ্ছে ২০ বর্গফুট।

১১। একজন মানুষের চামড়ার ওপর রয়েছে ১ কোটি লোমকূপ।

১২। মানুষের শরীরে যে পরিমাণ চর্বি আছে তা দিয়ে ৭ টি বড় জাতের কেক
তৈরি সম্ভব।

১৩। মানুষের শরীরে ৬৫০ টি পেশী আছে। কোন কোন কাজে ২০০ টি পেশী সক্রিয় হয়। মুখমন্ডলে ৩০ টির বেশী পেশী আছে। হাসতে গেলে ১৫ টির বেশী পেশী সক্রিয় হয়।

১৪। একস্থান থেকে শুরু করে সমগ্র শরীর ঘুরে ঐ স্থানে ফিরে আসতে একটি রক্ত
কণিকা ১,০০,০০০ কিমি পথ অতিক্রম করে অর্থাৎ ২.৫ বার পৃথিবী অতিক্রম করতে পারে।

১৫। আমাদের মস্তিষ্ক প্রায় ১০,০০০ টি বিভিন্ন গন্ধ চিনতে ও মনে রাখতে পারে।

১৬। মানুষের মস্তিষ্ক প্রতি মিনিটে ১,০০০ শব্দ পর্যন্ত পড়তে পারেন।

▫ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Health

বয়স্কজনিত হাঁটু ব্যথা কারণ ও প্রতিকার

◽হাঁটু ব্যথা :

হাঁটু ব্যথা বা ফুলে যাওয়া বা হাঁটুর প্রদাহ মানেই কি আর্থ্রাইটিস? আসলে আর্থ্রাইটিস একক কোনো রোগ নয়। ২০১৩ ও ২০১৬ সালে আলাদাভাবে পরিচালিত দুটি গবেষণার ওপর ভিত্তি করে বর্তমানে আর্থ্রাইটিসের ১০০টিরও বেশি ধরন রয়েছে বলে দাবি করেন গবেষকরা।

 

জার্নাল অব দি আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী শুধু আমেরিকাতেই ১০ মিলিয়নের বেশি আর্থ্রাইটিসের রোগী রয়েছেন। জয়েন্টের ব্যথা আর তার ধরন অনুসারে আর্থ্রাইটিসের নামকরণ করা হয়ে থাকে, যেমন- অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমেটয়েড আর্থ্রাইটিস, গাউট, সংক্রমণজনিত আর্থ্রাইটিস, জুভেনাইল আর্থ্রাইটিস ইত্যাদি।

ন্যাশনাল হেলথ সোসাইটি আ্যানকাইলজিং স্পন্ডাইলাইটিস, সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস, ফিবরোমাইলজিয়ার মতো কন্ডিশনগুলোকেও আর্র্থ্রাইটিসের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছে। আমেরিকায় প্রতিবন্ধিতার অন্যতম একটি কারণ হিসেবে আর্থ্রাইটিসকে দায়ী করা হয়। শিশু, তরুণ ও বৃদ্ধ সবাই তাদের জীবদ্দশায় এ রোগের শিকার হতে পারেন; তবে পুরুষের চেয়ে নারীদের ক্ষেত্রে এ সম্ভাবনা চারগুণ বেশি।

▫রোগ, কারণ ও প্রতিকার :

১. স্বাভাবিক হাঁটু (Stage-I) : কোনো ব্যথা বা অন্যান্য সমস্যা হয় না। ২. সামান্য বাত (Stage-II or Minor osteoarthritis) : খুব সামান্য নতুন সুচালো হাড় গজায়, জয়েন্ট স্পেস (ফাঁকা জায়গা) কমতে থাকে এবং কার্টিলেজের পরিমাণ ১০ শতাংশ কমে যায়। এই স্টেজে হাঁটুতে কোনো ব্যথা হয় না।

▫চিকিৎসা :

ফিজিওথেরাপি এবং জীবনযাপনের ধরন পরিবর্তন করা (যেমন ওজন কমানো, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া ইত্যাদি), যাতে বাতজনিত পরিবর্তন দ্রুত খারাপের দিকে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ওষুধ বা ইঞ্জেকশনের কোনো প্রয়োজন নেই। মনে রাখতে হবে বারবার আঘাত থেকে জয়েন্টকে রক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি ফিজিওথেরাপি সেশন নিয়ে মোটামুটি ১০ শতাংশও যদি উপকার পাওয়া যায়, তবুও সেটা ধরে রাখার জন্য নিয়মিত ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যেতে হবে।

৩. মৃদু বাত (Stage-III or Mild osteoarthritis) : উপরের লক্ষণগুলো আরও একটু বেশি হবে, হাঁটুর মুভমেন্ট কমে যাবে (Joint stiffness), বিশেষ করে সকালে; অনেকক্ষণ হাঁটাহাঁটি করা, সিঁড়িতে ওঠানামা করে, ওজন বহন করা এবং হাঁটু ভাঁজ করে কাজ করতে গেলে ব্যথা অনুভব হবে। চিকিৎসা : ফিজিওথেরাপি এবং জীবনযাপনের ধরন পরিবর্তন করা। খুব বেশি ব্যথা বা প্রয়োজন না হলে ওষুধ বা ইঞ্জেকশনের দরকার নেই।

৪. মাঝারি রকমের বাত (Stage-iv or Moderate osteoarthritis) : উপরোক্ত সমস্যা আরও বাড়তে থাকে। ঘন ঘন ব্যথা হয় এবং ব্যথার তীব্রতা বাড়তে থাকে, সাইনোভিয়াল ফ্লুইড বা জয়েন্টের রস ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং জয়েন্ট ফুলে যেতে পারে। চিকিৎসা : উপরোক্ত চিকিৎসা। অনেক সময় অনেকে সার্জারির দিকে যান, কিন্ত এর দীর্ঘমেয়াদি কোনো উপকারিতা নেই, বরং এটা নানা উপসর্গ তৈরি করে।

৫. তীব্র রকমের বাত (Stage-v or Severe osteoarthritis) : উপরোক্ত লক্ষণগুলো আরও বাড়তে থাকে এবং জয়েন্টের কার্যক্ষমতা আরও অনেক কমে যায়। ৬০ শতাংশ বা তারও বেশি কার্টিলেজ নষ্ট হয়ে যায়। চিকিৎসা : উপরোক্ত নিয়ম অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা এবং ওষুধ বা ইঞ্জেকশন নিতে হবে। যদি একান্তই ব্যথা ও অন্যান্য সমস্যা কমানো না যায় তবে সার্জারির সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সার্জারির পরও সঠিক পুনর্বাসনের জন্য ফিজিওথেরাপি নিতে হবে।

হাঁটুর বয়স্কজনিত বাতের জন্য ফিজিওথেরাপি সব থেকে উন্নত ও উপকারী চিকিৎসা। এর কোনো পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই।

▫ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Health

রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ ও করনীয়

◽রক্তচাপ :

এটি নির্ভর করে মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম, শরীরের পজিশন, মানসিক অবস্থা ইত্যাদির ওপর। দিন-রাতের অবস্থাভেদেও রক্তচাপের পরিবর্তন হয়ে থাকে (গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকলে রক্তচাপ সাধারণত কম থাকে এবং সকালের দিকে রক্তচাপ বেশি থাকে)। এক মিনিট ব্যবধানে রক্তচাপ মাপলে রক্তচাপের বিভিন্নতা দেখা যায়। বিশ্রাম বা ব্যায়াম, চা, কফি, সিগারেট ইত্যাদি বিভিন্ন নিয়ামক রক্তচাপের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। 

 

কাজেই কোনো ব্যক্তির রক্তচাপ সম্বন্ধে ধারণা পেতে হলে- বসা অবস্থায়, রিলাক্স মুডে, দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় (যেমন- বিকেলের) রক্তচাপ মাপতে হবে। রক্তচাপ হলো শক্তি; অর্থাৎ যে শক্তিতে ধমনির মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়। দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপের কারণে ধমনি শক্ত হয়ে যেতে পারে, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

 

তবে একবার রক্তচাপ বেশি দেখলেই হাই ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী বলা যায় না। এ জন্য প্রয়োজন কিছুদিন পর পর বেশ কয়েকবার রক্তচাপ মেপে দেখা এবং তারিখ ও সময়সহ তা লিখে রাখা। আবার রক্তচাপ যদি অনেক বেড়েও যায়, তা আবার এক ধাক্কায় কমানো উচিত না। ধীরে ধীরে কমানো উচিত। অন্যথায় শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন মস্তিষ্ক, চোখ, হৃৎপিণ্ড, লিভার, কিডনি ইত্যাদি বিকল হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

 

 ক্ষণস্থায়ী রক্তচাপ বৃদ্ধি অনেক ক্ষেত্রেই পরে স্বাভাবিক হয়ে যায়। তার পরও একে অবহেলা করা উচিত নয়। আবার বেশ কিছুদিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়তি রক্তচাপ থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। হার্ভার্ড হেলথ পাবলিকেশনের মতে, রক্তচাপের এই হঠাৎ বেড়ে যাওয়া বেশ কিছু কারণে হতে পারে।

ব্যথার ওষুধ (অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রুফেন জাতীয়), গর্ভনিরোধক পিল, নেশাজাতীয় বস্তু যেমন- কোকেন, অ্যামফিটামিন ইত্যাদি গ্রহণ করা।হরমোনজনিত কিছু রোগ।কিডনি রোগ যেক্ষেত্রে কিডনিতে রক্ত প্রবাহ কমে যায়।গর্ভাবস্থায় গর্ভজনিত জটিলতা।ব্লাড প্রেশারের রোগী যিনি ব্লাড প্রেশারের বড়ি অনিয়মিতভাবে গ্রহণ করে থাকেন।রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার একটি প্রধান কারণ অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করা। যদিও অতিরিক্ত লবণ গ্রহণে সবার রক্তচাপ বাড়ে না; তার পরও খাদ্যাভ্যাস (ভাতের সঙ্গে পাতে অতিরিক্ত লবণ নেওয়া), ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য গ্রহণ- শরীরে অতিরিক্ত লবণ ঢুকে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তা ছাড়া ভূরিভোজন নাড়ির গতি ও রক্তচাপ বাড়ায়।মানসিক চাপের কারণে শরীরে হরমোন তৈরি হয়। হৃৎপিণ্ড দ্রুত কাজ করে। রক্তনালি সংকুচিত হয়ে ব্যাসার্ধ কমে চিকন হয়ে যায়। এভাবে রক্তচাপ বেড়ে যায়। আমেরিকান আয়াট্রোজেনিক অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ডাক্তারের কাছে গেলে ভয় ও মানসিক চাপে ২৫ ভাগ রোগীর রক্তচাপ এমনিতেই বেড়ে যায়। একে হোয়াইট কোট হাইপারটেনশন বলা হয়।২০০৭ সালে প্রকাশিত আমেরিকান জার্নাল অব হাইপারটেনশনে বলা হয়, মাত্র একটি সিগারেট গ্রহণ রক্তনালির ওপর নিকোটিনিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য যথেষ্ট। এতে রক্তনালি শক্ত হয়ে যায়। রক্তসংবহনতন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, নাড়ির স্পন্দন বেড়ে যায়, একই সঙ্গে রক্তচাপও বাড়ে।

▫উচ্চ রক্তচাপের উপসর্গ:

ক. রক্তচাপজনিত উপসর্গ :

মাথাব্যথা (সাধারণত মাথার পেছনের অংশে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর নিয়মিত মাথাব্যথা, যা কয়েক ঘণ্টা পর ভালো হয়ে যায়)মাথা ঝিমঝিম করাঅবসাদগ্রস্ততাবুক ধড়ফড় করাযৌন দুর্বলতা

খ. রক্তচাপজনিত রক্তনালির রোগ :

নাক দিয়ে রক্ত পড়াচোখে ঝাপসা দেখাবুকে ব্যথাশ্বাসকষ্ট (হৃদযন্ত্র বিকল হলে)

গ. অন্যান্য রোগজনিত রক্তচাপ বৃদ্ধি :

কিডনি রোগমাংসপেশির দুর্বলতাঅনিয়মিত ঘুম, নাকডাকা, দিনের বেলায় নিদ্রালুতাবুক ধড়ফড় করা এবং হঠাৎ ঘামথাইরয়েডের সমস্যানিষিদ্ধ ওষুধ গ্রহণ।

▫রক্তচাপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রোগ:

▫ঘন ঘন প্রস্রাবে ইনফেকশন বা
ক্রনিক পায়েলোনেফ্রাইটিস :

রাতের বেলা ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং অধিক পিপাসা বোধ হওয়া- মূত্রতন্ত্রের রোগ বা অনালগ্রন্থিতন্ত্র (এন্ডোক্রাইন) রোগ নির্দেশ করে।হঠাৎ মাথাব্যথা, বুক ধড়ফড় করা এবং শোয়া বা বসা থেকে উঠে দাঁড়ালে মাথা ঝিমঝিম করা- ফিওক্রোমোসাইটোমা।মানসিক দুর্বলতা, দীর্ঘদিন ধরে স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ উচ্চ মাত্রায় গ্রহণ করা (অ্যাজমার শ্বাসকষ্টে অ্যালার্জিতে এটি ব্যবহৃত হয়)।অন্যান্য রোগ যেমন : ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি, কায়িক পরিশ্রমের অভাব রক্তচাপ বাড়ানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

▫যা করতে হবে:

হঠাৎ রক্তচাপ বেড়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শে ঘুমের ওষুধ সেবন করা।ওজন কমানো। বডি ম্যাস ইনডেক্স বা বিএমআই ২৫-এর নিচে রাখালবণ কম খাওয়া।মদ্যপান বা নেশাদ্রব্য গ্রহণ না করা।প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট জোরে জোরে হাঁটা।চর্বিজাতীয় খাবার কম খাওয়া।প্রচুর ফল ও শাকসবজি খাওয়া।মাছ বেশি খাওয়া।ধূমপান পরিত্যাগ করা।ডায়াবেটিস, হাইপারলিপিডেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়া) নিয়ন্ত্রণে রাখা।ঘন ঘন রক্তচাপ পরিমাপ না করা।হাসিখুশি ও প্রফুল্ল থাকা। বন্ধু-পরিজনসহ সুখী জীবন-যাপনের চেষ্টা করা।মানসিক অবসাদগ্রস্ততা দূর করা।উচ্চমাত্রার ওষুধ গ্রহণ করে হঠাৎ রক্তচাপের অতিরিক্ত না কমিয়ে ফেলা।যথেষ্ট বিশ্রাম নেওয়া।

▫ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq