Categories
Health

  হার্ট অ্যাটাক হলে প্রাথমিক চিকিৎসা

◽ হার্ট অ্যাটাক হলে করনীয় :

⏩ প্রথমে জানা যাক,হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ কী কী ?

১. বুকে অতুলনীয় তীব্র ব্যথা,
২. বুকে চাপ/যন্ত্রণা/ভারী লাগা,
৩. বিষম খাওয়া,
৪. দম বন্ধ হওয়া/শ্বাস কষ্ট,
৫. প্রচুর ঘাম,
৬. বমি বা বমির ভাব,
৭. অনাগত মৃত্যুর ভয়।

◽হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা :

চিকিৎসার জন্য রোগীকে দ্রুত নিকটস্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যেতে হবে। সন্নিকটে হৃদরোগের চিকিৎসা সুবিধা সংবলিত হাসপাতাল থাকলে সেখানে যাওয়াই উত্তম। হাসপাতালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ধারাবাহিক চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
হাসপাতালে পৌঁছার পূর্বে বাসা/কর্মস্থল/রাস্তায় যা করতে হবে।

১. পর্যাপ্ত আলো বাতাস নিশ্চিতকরণ।
২. জিহ্বার নিচে দুই চাপ নাইট্রেট ¯স্প্রে বা একটি নাইট্রেট ট্যাবলেট দিতে হবে।
৩. দ্রুত হাসাপাতালে পৌঁছার ব্যবস্থা।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

  গলার স্বর বসে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা

◽ গলার স্বর বসে গেলে চিকিৎসা :

গলার স্বর বসে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের সবার কম বেশি হয়েছে। অনেক কারণে গলার স্বর বসে যেতে পারে। সাধারণ কারণ থেকে মারাত্মক যে কোনো কারণে গলার স্বর বসে যেতে পারে। আমরা সাধারণত যেসব গলার স্বর বসে যাওয়া রোগী দেখে থাকি তা সাধারণত সাধারণ সমস্যার জন্য হয়ে থাকে।

অল্প চিকিৎসাতে এ কারণগুলোর সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। খুব কম সময় মারাত্মক কোনো কারণের জন্য গলার স্বর বসে যায়।

আমাদের গলার স্বর যে যন্ত্রের দ্বারা তৈরি হয় তাকে আমরা স্বরযন্ত্র বলে থাকি। এটা আমাদের গলার মধ্যভাগে অবস্থিত। একে এদাম অ্যাপল বলা হয়। এর একটু নিচে স্বরযন্ত্র অবস্থিত। এদাম অ্যাপল হল গলার সম্মুখ ভাগে যে উঁচু অংশ থাকে সেটি এবং এটি ঢোক গেলার সঙ্গে ওঠানামা করে।

আমরা স্বরযন্ত্র দ্বারা গলার স্বরের পিচ এবং ফ্রিকোয়েন্সি নির্ধারণ করে থাকি। স্বরযন্ত্র বা ভোকাল কর্ড দুই দিকে দুটি থাকে যা কথা বলার সময় ভাইব্রেট করে থাকে। ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে এটা ১৫০ থেকে ২০০ বার এবং মেয়েদের ২০০ থেকে ২৫০ বার ভাইব্রেট করে থাকে। এ থেকে বোঝা যায়, এটা কত সূক্ষ্ম একটা যন্ত্র।

এ ভোকাল কর্ড দুটি কিছু মাংসপেশি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। আমাদের দেহে চোখের কিছু মাংসপেশি ছাড়া এত sophisticated কোনো মাংসপেশি শরীরে আর নেই। এ মাংসপেশিগুলোর কার্যকারিতার মাধ্যমে ভোকাল কর্ডের টেনশন এবং ভাইব্রেশন নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। যদি এ টেনশন ভাইব্রেশনের কোনো অসামঞ্জস্য হয় তা হলে দেখা যায়, ভোকাল কর্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। আগেই জানলাম এই যন্ত্র কতখানি সূক্ষ্ম এবং জটিল কাজ নিয়মিত করে যাচ্ছে।

আমরা কথা বলার সময় প্রতিনিয়ত এটা কাজ করছে। শ্বাস নেয়ার সময়ও প্রতি মুহূর্তে এর মুভমেন্ট হচ্ছে। কাশি দিচ্ছি বা গলা পরিষ্কার করছি তখনও এটা কাজ করছে। কথা বলার সময় গলার স্বরযন্ত্রের ওপর যে চাপ পড়ে গলা পরিষ্কার করার সময় বা কাশি দেয়ার সময় এটার ওপর অনেক বেশি চাপ পড়ে। আমরা এ কাজের ওপর সন্তুষ্ট না হয়ে গলার ওপর আরও অন্যান্য কারণে চাপ দিয়ে থাকি।

বিভিন্নভাবে কথা বলি কোনো সময় নিচু গলায় কোনো সময় উঁচু গলায়। কেউ গলা সাধনা করে গলার স্বরের পরিবর্তন ঘটাতে চেষ্টা করেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা গলার চর্চা চলে। কেউ উচ্চাঙ্গসঙ্গীত কেউ আধুনিক গান আবার কেউ ব্যান্ডসঙ্গীত চর্চা করে থাকেন।

এ রকম সূক্ষ্ম এবং জটিল যন্ত্র নিয়ে আমাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং কর্ম ব্যবস্থার অন্ত নেই। এ চোখের মাংসপেশি দিয়ে সাধারণ কাজের অতিরিক্ত কোনো কাজই আমরা করি না- দু-একটি ক্ষেত্রে নৃত্যশিল্পীদের চোখ নাচানো ছাড়া সাধারণ মানুষের অতিরিক্ত কোনো কাজ এ চোখের মাংসপেশি করে না। স্বরযন্ত্রের ক্ষেত্রে এটা সত্য নয়। সাধারণের অতিরিক্ত অনেক অসাধারণ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কাজই আমরা অনেক সময় এ স্বরযন্ত্রের মাধ্যমে করে থাকি।

স্বরযন্ত্রের আশপাশের কিছু অঙ্গের সমস্যার প্রভাবও এ স্বরযন্ত্রের ওপর পড়ে থাকে। আমাদের নাকের সর্দি বা শ্লেষ্মা নাকের পেছন দিয়ে গলার ভেতরে চলে যায়। পেটের এসিড অনেক সময় উল্টা পথে গলার মধ্যে চলে আসে। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ধুলাবালি, ধোঁয়া এবং পরিবেশের দূষণীয়তা অনেক সময় আমাদের স্বরযন্ত্রে ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। কেউ যদি নাক বন্ধ থাকার কারণে নাক দিয়ে শ্বাস না নিয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেন তাদের ক্ষেত্রে এ বিরূপ প্রভাব আরও বেশি হয়ে পড়ে।

সাধারণত যে কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গলার স্বর বসে যায় সেটা হল আমাদের গলার ওপর অতিমাত্রায় চাপ পড়া। সুস্থ গলা বেশকিছু চাপ সহ্য করে; কিন্তু অসুস্থ গলা পারে না। যেমনটি বলেছি যদি আমাদের নাকের প্রদাহ থাকে, নাক বন্ধ হয়ে থাকে, পেটের এসিড গলার ভেতরে চলে আসে, পরিবেশ দূষণীয় মাত্রা বেশি পরিমাণ থাকে, আমরা যদি ধুলাবালির মধ্যে কাজ করি, যদি সিগারেট খাই- এগুলোর অনেক কারণেই আমাদের গলা বা স্বরযন্ত্র তার স্বাভাবিক সুস্থতা হারায়।

এ অসুস্থ গলা বেশি মাত্রায় চাপ সহ্য করতে পারে না। অল্প কথা-বার্তাতেই এ অঙ্গ কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে যাকে আমরা সাধারণ কথায় গলার স্বর বসে যাওয়া বলে থাকি। যদি গলা সুস্থ থাকে; কিন্তু ইনফেকশন হয়, অতিমাত্রায় গলাবাজি করে থাকি বা অতিমাত্রায় গলা খাকারি দিয়ে গলার ওপর প্রেসার তৈরি করে থাকি তাহলেও সুস্থ গলা অনেক সময় এ বেশি মাত্রার চাপ নিতে পারে না।

ফলে গলা বা স্বরযন্ত্র তার কর্মক্ষমতা হারায় এবং আমাদের গলা বসে যায়। কদাচিৎ দেখা যায়, আমরা গলা বা স্বরযন্ত্র দ্বারা সুচারুরূপে কাজ করতে পারি না। এ ক্ষেত্রে নরমাল কথাবার্তা বললেও গলার ওপর অতিরিক্ত প্রেসার পড়ে যায়।

গলার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়লে কয়েকটাভাবে এটা আমাদের স্বরযন্ত্রকে আক্রান্ত করতে পারে। যারা বেশি চেঁচামেচি করেন বা উচ্চ গলায় কথা বলেন তাদের স্বরযন্ত্রের ভেতর রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। একে আমরা বলি ভোকাল কর্ড নডিউল। যদি গলায় বেশি মাত্রায় প্রদাহ হয় তাহলে অনেক সময় স্বরযন্ত্রের ত্বকের আবরণী মিউকোসা ফুলে যেতে পারে। একে আমরা ভোকাল কর্ড পলিপ বলি। যদি স্বরযন্ত্রের ওপর বেশি মাত্রায় টেনশন পড়ে তাহলে অনেক সময় পুরো স্বরযন্ত্রের ভেতরে পানি জমে যেতে পারে যাকে আমরা ভোকাল কর্ড ইডিমা বলি। স্বরযন্ত্রের ভেতর যক্ষ্মা বা সিফিলিস হয়েও গলার স্বর বসে যেতে পারে। আমাদের দেশে যক্ষ্মার সমস্যা প্রকট কিন্তু স্বরযন্ত্রের যক্ষ্মা খুব বেশি হয় না।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে গলার ভেতরে হঠাৎ ইনফেকশন হলেও গলার স্বর বসে যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটা ঠাণ্ডা লাগা যাকে মেডিকেল ভাষায় কমন কোল্ড বলা হয়ে থাকে।

একটা কথা অবশ্যই বলে রাখা দরকার অনেক সময় স্বরযন্ত্রের ক্যান্সার হলে গলার স্বর বসে যেতে পারে। মাথা ও গলায় ক্যান্সারের মধ্যে স্বরযন্ত্রের ক্যান্সার বিদেশে সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। আমাদের দেশে মুখ এবং জিহ্বার ক্যান্সার পান-সুপারিজাতীয় জিনিস খাওয়ার ফলে বেশি হয়ে থাকে। তবুও স্বরযন্ত্রের ক্যান্সারের মাত্রা নিতান্ত কম নয়। আমরা সচরাচর যে রকম গলার স্বর বসে যাওয়া দেখে থাকি এদের মধ্যে খুব কম লোকেরই গলাতে টিউমার বা ক্যান্সার আছে। গলায় যদি ক্যান্সার হয়ে থাকে তাহলে খুব প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করা বাঞ্ছনীয় এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করালে গলার ক্যান্সারও ৯৫ শতাংশের ওপরে নিরাময় হয়।

প্রশ্ন হল গলার স্বর বসে গেলে কী করব? আমাদের পরামর্শ হল এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। গলার স্বর বসে যাওয়া আমাদের শরীরের একটা প্রটেকটিভ রেসপন্ড টু ট্রমা অর্থাৎ আমাদের শরীর বলছে যে এটার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে যাচ্ছে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে গলার স্বর বসে গিয়ে। এ পর্যায়ে গলার বিশ্রাম দরকার। হাঁটতে গেলে পায়ে ব্যথা হলে আমরা যে রকম হাঁটা বন্ধ করে বসে পড়ি, ঠিক সে রকম কথা বলতে গিয়ে গলার স্বর বসে গেলে আমাদের উচিত কথা বন্ধ করে দেয়া। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্য, আমরা সাধারণত এর উল্টাটা করে থাকি। আমরা আরও জোরে জোরে প্রেসার দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করি। এটা ভুল। গলার স্বর বসে গেলে গলাকে সম্পূর্ণ বিশ্রাম দেয়া উচিত। জোরে জোরে কথা বলার চেষ্টা করা উচিত নয়। অনেকে আবার এ রকম অবস্থাতেই কথা না বলে ফিসফিস করে কথা বলে থাকেন- এটাও ঠিক নয়। ফিসফিস করে কথা বললে দেখা যায়, গলার ওপর আরও বেশি মাত্রায় চাপ পড়ে যায়। কথা বন্ধ মানে হচ্ছে কথা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা। যদি দু-একটা কথা বলতেই হয় তাহলে সাধারণভাবে কথা বলা উচিত। কথা বন্ধ রাখাটা ২ থেকে ১ দিন থেকে ২ থেকে ১ সপ্তাহ পর্যন্ত অসুখের প্রকারভেদে মেনে চলা উচিত। অনেক সময় গলায় ইনফেকশন থাকলে এন্টিবায়োটিক খাওয়া লাগতে পারে। যাদের গলায় পেট থেকে এসিড চলে আসে, যাকে আমরা রিফ্লাক্স ইসোফ্যাজাইটিস বলি, তাদের সাধারণ এসিডের ওষুধ খেলেই সমস্যার সমাধান হয়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ উপায়েই গলা বসা সমস্যার নিরাময় হয়ে থাকে। ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে গলার স্বর সম্পূর্ণ বা মোটামুটি ফেরত না এলে অবশ্যই গলার ভেতর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করে নেয়া উচিত। গলার ভেতর মারাত্মক কোনো সমস্যা তৈরি হচ্ছে কিনা। আগে আমরা আয়না দিয়ে গলার ভেতর পরীক্ষা করতাম, এখন এনডোস্কোপের সাহায্যে অতি সহজে গলার ভেতর পরীক্ষা করে দেখতে পারি। এতে রোগীর কোনো অসুবিধা হয় না, আমাদের দৃষ্টি খুব ভালো হয় এবং গলার ভেতর রোগীকেও স্ক্রিনের মাধ্যমে দেখা সম্ভব।

কী ধরনের চিকিৎসা প্রয়োজন তা নির্ভর করে আমরা গলার মধ্যে কী সমস্যা পাচ্ছি তার ওপর। গলার ভেতরে নডিউল পলিস ইডিমা হলে মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। গলার ভেতর যদি খারাপ কিছু দেখা যায় তাহলে আমরা অনেক সময় বায়োপসি করে দেখি এটা টিউমার বা ক্যান্সার কিনা। গলার ভেতরে ক্যান্সার হলে এবং তা প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ছ্যাঁক বা রেডিওথেরাপির মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে নিরাময় করা সম্ভব। গলার ক্যান্সার যদি দেরি করেও ধরা পড়ে তাহলে অপারেশনের মাধ্যমে এর অনেকটাই নিরাময় সম্ভব। অবশ্য বলে রাখা দরকার ক্যান্সারকে কোনো সময় অবহেলা করা উচিত নয়। যত প্রাথমিক পর্যায়ে এর চিকিৎসা শুরু করা যাবে ততই চিকিৎসা পদ্ধতি সহজ হবে এবং চিকিৎসা সাফল্যও বেশি হবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

 গলগন্ড রোগের লক্ষণ ও কারন

◽ গলগন্ড :
 
(ইংরেজি: Goitre; লাতিন: gutteria, struma) হল থাইরয়েড গ্রন্থির ফোলা যা ঘাড় বা স্বরযন্ত্রকে ফুলিয়ে দেয়। প্রকোপিত বায়ু, কফ ও মেদ গলায় অর্থাৎ গলদেশের বহির্ভাগে ছোট বা বড় যে স্থায়ী শোথ উৎপন্ন করে তাকে গলগন্ড বলে। এ শোথ আস্তে আস্তে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়ে অন্ডকোষের ঝুলতে থাকে। এ রোগে তেমন কোন বেদনা থাকে না।

⏩ গলগন্ড ৩ প্রকারের হয়ে থাকেঃ

১) বাতজ গলগন্ড, ২) কফজ গলগন্ড এবং ৩) মেদজ গলগন্ড।৷

গলগন্ড হওয়ার বিভিন্ন কারণে হতে পারে। আয়ুর্বেদ মতে, বায়ু কুপিত হয় এমন দ্রব্য বেশি খাওয়া, কফ কুপিত হয় এমন দ্রব্য বেশি খাওয়া এবং মেদ কুপিত হয় এমন দ্রব্য বেশি খাওয়া। এছাড়া বাতজ গলগন্ডের কারণে, অনিয়মিত আহার বিহার; মলমূত্রের বেগ ধারণ; অতি রাত্রি জাগা। কফজ গলগন্ডের কারণে, অতি নিদ্রা; অলসতা; অতি মিষ্টি দ্রব্য সেবন। মেদজ গলগন্ডের কারণে, অতি আহার; অতি মধুর যুক্ত দ্রব্য সেবন; অতি নিদ্রা জন্য হয়ে থাকে।

আধুনিক মতে, মূলত আয়োডিনের অভাবে হয়; বংশানুক্রমে হতে পারে; কোন কোন খাদ্য দ্রব্য যেমন বাঁধাকপি ব্যবহারের ফলে; যৌবনের শুরুতে স্ত্রীলোকের মধ্যে এ ব্যাধির আবির্ভাব হতে পারে
আয়ুর্বেদ মতে, গলগন্ড অরুণ বর্ণ, কৃষ্ণ বর্ণ, কারও দেহের স্বাভাবিক বর্ণ বিশিষ্ট ও শীতল এবং তা চুলকাতে ইচ্ছা হয়; ভারযুক্ত, দুর্গন্ধযুক্ত ও বেদনাযুক্ত হয়; মুখ খুব বিরস থাকে; তালু ও গলদেশ কফলিপ্ত থাকে; গলার স্বরের অল্পতা জন্মায়।

⏩ বাতজ গলগন্ডের লক্ষণঃ

অরুণ বর্ণ, কৃষ্ণ বর্ণ, সূচী বেধবদ বেদনাযুক্ত ও কৃষ্ণ শিরা সমূহে ব্যাপ্ত হয় এবং রোগ বেড়ে গেলে তালু, গলার শোষ ও মুখের বিরস ভাব হয়

⏩ কফজ গলগন্ডের লক্ষণঃ

ইহা কঠিন, যার যার দেহের রঙের মত, চুলকাতে ইচ্ছা হবে এবং রোগ বেড়ে গেলে মুখ মধুর আর তালু ও গলদেশ কফলিপ্ত থাকে।

⏩৷ মেদজ গলগন্ডের লক্ষণঃ

ইহা কঠিন, যার যার দেহের রঙের মত, চুলকাতে ইচ্ছা হবে; রোগ বেড়ে গেলে মুখ মধুর আর তালু ও গলদেশ কফলিপ্ত থাকে; দেহের ওজন কমলে ইহা কমে ও দেহের ওজন বাড়লে ইহা বাড়ে; রোগ বেড়ে গেলে গলায় শব্দ উৎপন্ন হয়।

▫️একক ভেষজসম্পাদনা

কাঞ্চন, বরুন, অপরাজিতা, তিতলাউ, মুন্ডিরী এবং আয়োডিন যুক্ত লবণ

▫️যৌগিক ভেষজসম্পাদনা

অমৃতাদ্য- ২/৩ বার গলায় মর্দন করতে হবে। সিন্দুরাদি তৈল- আক্রান্ত স্থানে ২/৩ বার মালিশ করতে হবে। শ্রী মহালক্ষী বিলাস- ২৫০ এমজি ২বার মধু ও পানের রস সেব্য। শ্লেষ্মা শৈলেন্দ্র রস- ১২৫ এমজি ২বার আদার রস সেব্য।

▫️পথ্যসম্পাদনা

লঘু দ্রব্য, নরম চাউলের ভাত, ডালের যূষ, রুটি, কটু ও রুক্ষ দ্রব্য।

▫️অপথ্যসম্পাদনা

গুরুপাক দ্রব্য, শীতলদ্রব্য, দুধ, দধি, ছানা, চিনি, পিঠা, অম্ল ও মধুর দ্রব্য।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

Happy New Year 2021 Everyone!!

Categories
Health

আক্কেল দাঁতের  ব্যাথা কমানাের পরামর্শ

◽আক্কেল দাঁতের ব্যথা :

মুখের পিছনের দিকে পেষক দাঁতগুলির একদম শেষে আক্কেল দাঁত প্রকাশ পায়। এগুলি সাধারণত কৈশরের শেষ ভাগে অথবা যৌবনের প্রথম ভাগে দেখা দেয়। মোট চারটি আক্কেল দাঁত হতে পারে, উপরের চোয়ালে দুটি এবং নীচের চোয়ালে দুটি, কিন্তু কিছু ব্যাক্তির ক্ষেত্রে কম, বা বেশি বা একটিও এই দাঁত হয় না কারণ নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের উপর আক্কেল দাঁত বেরোনোর ঘটনাটি নির্ভর করে। আক্কেল দাঁতের ব্যথা একাধিক কারণে ঘটতে পারে, খুব সাধারণ কারণ হল দাঁতগুলি অন্য সাধারণ দাঁতগুলির সাথে ঘন সন্নিবিষ্ট অবস্থানে থাকে ফলে সংঘর্ষ সৃষ্টি করে এবং অন্য কারণটি হল সংক্রমণ।

▫ প্রধান লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি কি কি ?

⏭ আক্কেল দাঁতের ব্যথার সাথে যুক্ত লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি হল:

সিস্টের কারণে ফোলাভাব।এই দাঁতটির নিকটের মাড়িতে প্রদাহ এবং লালচেভাব।মাড়ি থেকে পূঁয নির্গমণ।দাঁতের ক্ষয়।মুখে দুর্গন্ধ।জ্বর।খাবার গিলতে সমস্যা।চোয়ালের নীচে লাসিকা গ্রন্থিতে ঘা এবং ফোলাভাব।

▫প্রধান কারণগুলি কি কি?

⏭ আক্কেল দাঁতের ব্যথার প্রধান কারণগুলি নীচে উল্লেখ করা হল:

চোয়ালে অপর্যাপ্ত স্থান থাকার কারণে দাঁত সঠিকভাবে মাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে বাঁধা পায় এবং এই কারণে ব্যথা হতে পারে।অনুপযুক্তভাবে দাঁত বেরোনোর ফলে দাঁত ব্রাশ করতে সমস্যা হয়, দাঁতের মাঝে খাবার জমা হওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়, সংক্রমণ এবং ব্যথা হয়।

▫ কিভাবে নির্ণয় করা হয় এবং এর চিকিৎসা কি?

আক্কেল দাঁতে তীব্র ব্যথা হলে একজন দন্ত-চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। দন্ত চিকিৎসক আপনার দাঁত, মুখ এবং মাড়ির পরীক্ষা করবেন ব্যথার কারণ সনাক্ত করতে। পেষক দাঁতগুলির অবস্থা ভালোভাবে এবং পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্যে সাধারণত এক্স-রে করা হয়।

দাঁতে ব্যথার সঠিক চিকিৎসা কারণের উপর নির্ভর করে, কিন্তু দাঁতে ব্যথার জন্যে একজন দন্ত চিকিৎসক নীচে উল্লেখিত সাধারণ চিকিৎসা বিকল্পগুলির পরামর্শ দিতে পারেন :

সংক্রমণের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগ।সাধারণভাবে ব্যবহৃত ব্যথা কমানোর ওষুধ।অ্যান্টিসেপ্টিক মাউথওয়াশ বা মুখ ধোওয়ার তরল প্রতিষেধক।আক্কেল দাঁত অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয় যদি অন্যান্য চিকিৎসা বিকল্প কাজ না করে এবং ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয়।গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে, স্ফীত অংশ থেকে পূঁয নির্গমনও চিকিৎসা পরিকল্পনার একটি অংশের মধ্যে পড়ে।

দন্ত চিকিৎসকের সাথে অবিলম্বে পরামর্শ করা এবং আক্কেল দাঁতের ব্যথার জন্য শীঘ্র চিকিৎসা গ্রহণ করলে তা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি এবং পরবর্তীকালে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

দাঁতের ব্যাথা কমানাের ১০ পরামর্শ

◽দাঁতের ব্যাথা কমানাে :

⏭ দাঁত ব্যথা হলে ঘরেই আপনার ব্যথা কমিয়ে ফেলতে পারবেন । নিরাপদ প্রাকৃতিক ব্যথা নিরােধক দিয়ে দাঁত ব্যথা কিছুটা হলেও কমানাে সম্ভব । আসুন দেখে নেয়া যাক প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁত ব্যথা কমানাের উপায়গুলাে

১. গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে কুলি করতে থাকুন যতক্ষণ সম্ভব । দাঁত ব্যথা কমে যাবে ।

২. ভ্যানিলা ভিজিয়ে রাখা পানি তুলায় ভিজিয়ে দাঁতে ধরে রাখুন । দাঁত ব্যথা কমে আসবে ।

৩. আপেল সাইডার ভিনেগার তুলায় লাগিয়ে দাঁতের সাথে ধরে রাখলে ব্যথা কমে আসে ।

৪. আক্রান্ত দাঁত দিয়ে একটুকরাে আদা চিবিয়ে নিন । রসুন থেঁতাে করে লবণ দিয়ে দাঁতের গোড়ায় চেপে রাখুন । দাঁত ব্যাথায় আরাম পাবেন ।

৫. চিনি ও দুধ ছাড়া গরম চায়ের লিকার খান । দাঁত ব্যথায় সাময়িক আরাম পাবেন ।

৬. লবঙ্গের তেলের সাথে এক চিমটি গােলমরিচ গুড়াে মিশিয়ে ব্যথাযুক্ত দাঁতের গােড়ায় লাগাতে হয় । এতে বেশ ভালাে ফল পাওয়া যায় ।

৭. সরিষার তেলের সাথে এক চিমটি লবন মিশিয়ে আক্রান্ত দাঁতের গােড়ায় ডলে দিতে হয় । এতে দাঁত ব্যথা কমে যায় ।

৮. কয়েক ফোঁটা লেবুর রস আক্রান্ত দাঁতে দিলে দাঁতব্যথা কমানাে যায়

৯. এক টুকরা তাজা পেঁয়াজ আক্রান্ত মাড়ি বা পঁতে রেখে দাতব্যথা কমানাে সম্ভব ।

১০. প্রতিদিন রাতে ঘুমানাের আগে দাঁত ব্রাশ করে ঘুমাতে যান । সকালের নাস্তার পরে আবার দাঁত ব্রাশ করুন ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

মানবদেহ কবজি ব্যথার সহজ সমাধান

◽কারপাল টানেল সিনড্রোম :

হাতের কবজিতে ব্যথা নিয়ে রােগীএলেন । বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনীতে ব্যথাটা বেশি অনুভূত হয় । কখনাে কখনাে বৃদ্ধাঙ্গুলির পাশ ঘেঁষে খানিকটা ওপরের দিকেও ব্যথা হয় । পাশাপাশি রাতে হাত অবশ হয়ে আসে । অনেক সময় অস্থির অনুভূতির কারণে রাতে ঘুম ভেঙে যায় চিকিৎসক পরীক্ষা করে দেখলেন বৃদ্ধাঙ্গুল কিছুটা দুর্বল হয়ে গেছে এসব দেখেশুনে তিনি বললেন , এ রােগের নাম কারপাল টানেল সিনড্রোম ।

▫কেন এমন হয় :

হাইপােথাইরয়েডিজম , রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস , গাউট , নিয়মিত মদ্যপান , ওজন বাড়া , গর্ভধারণ করা প্রভৃতি কারণের জন্য এই কারপাল টানেল ছােট হয়ে যায় । আবার কোনাে নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াও হতে পারে । মধ্যবর্তী বয়সের মহিলারা বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন । কবজির হাড় ভেঙে সকভাবে মাে না লাগলে বা টানি পান

▫মাংসপেশী :

মানবদেহ সঠিকভাবে জোড়া না লাগলে বা দীর্ঘদিন প্লাস্টার করে রাখার ফলে কারপাল টানেলে চাপ পড়তে পারে ।

▫কী কী লক্ষণ দেখা যায় :

এ রােগের কারণে বুড়াে আঙুল থেকে মধ্যমা পর্যন্ত তিন আঙুলে শিরশির ও অবশ অনুভূতি , সঙ্গে ব্যথা থাকতে পারে । সাধারণত বুড়াে আঙুল ও মাঝের তিন আঙুল আক্রান্ত হলেও কনিষ্ঠ আঙুল কখনাে আক্রান্ত হয় না । রাতের বেলায় রক্ত সঞ্চালন কম হওয়ার কারণে ব্যথা বৃদ্ধি পায় । বুড়াে আঙুলের গােড়ার মাংসপেশি ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায় ও আঙুল দুর্বল হয়ে যায় , কাজ করলে ব্যথা বাড়ে । হাত মৃদু ঝাঁকালে বা ঝুলিয়ে রাখলে একটু আরাম অনুভব হয় । ব্যথা কবজি থেকে ওপরের দিকে উঠতে পারে ।

▫পরীক্ষা :

রােগ নির্ণয়ের জন্য নার্ভ কনডাকশন ভেলােসিটি বা নেসিভি পরীক্ষাটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ । নার্ভ অনেকটা ইলেকট্রিক তারের মতাে , এর ভেতর দিয়ে তথ্যগুলাে বৈদ্যুতিক তরঙ্গের মতাে প্রবাহিত হয়।ইলেকট্রিক মিস্ত্রিরা যন্ত্রপাতির বিদ্যুৎ চলাচলের গতি মাপতে যেমন মিটার ব্যবহার করেন , নার্ভ কনডাকশন টেস্টের মাধ্যমে নার্ভের ভেতরের বিদ্যুৎ চলাচলের গতি ও পরিমাণ নির্ণয় করা হয় । এরপর আসে ইএমজি বা ইলেকট্রোমায়ােগ্রাম পরীক্ষা , যার মাধ্যমে মাংসপেশির নার্ভ সাপ্লাই সম্পর্কে বােঝা যায় । কবজি ও নার্ভের গঠন বােঝার জন্য কবজির সিটি স্ক্যান বা এমআরআই পরীক্ষা করা যেতে পারে । এ ছাড়া সহায়ক পরীক্ষা হিসেবে আক্রান্ত হাতের এক্স – রে , ডায়াবেটিস পরীক্ষা , থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের পরীক্ষা অপরিহার্য ।

▫চিকিৎসা :

মৃদু ক্ষেত্রে প্রথম দিকে কবজির বিশ্রাম , যার জন্য কবজির ওপরে চাপ পড়ে এমন সব ধরনের কাজকর্ম পরিহার করা উচিত । যেমন : — কাপড় ধােয়া টিউবওয়েল চাপা একটানা লেখালেখি না করা দা , কোদাল বা কুড়াল দিয়ে কিছু কাটাকাটি করা ড্রিল মেশিন ব্যবহার করা মেশিন ব্যবহার করা হাতে ভারী ওজন বহন করা রাতে সিপ্রন্ট বেঁধে ঘুমানাে বেশ কার্যকরী । সঙ্গে ব্যথার ওষুধ এবং স্টেরয়েড ইনজেকশন সব মিলিয়ে কিছুটা সুফল দেয় । একটু বেশি ব্যথা হলে অনেকে সরাসরি অবশের ইনজেকশন দিয়ে থাকেন । এতে সাময়িক উপকার পাওয়া যেতে পারে , আবার ইনজেকশন নার্ভের মধ্যে ঢুকে গেলে হাত আরও অবশ হয়ে যেতে পারে । এসব চিকিৎসায় আশানুরূপ ফল পাওয়া না গেলে অপারেশন করা যায় । মূলত এ চিকিৎসায় অপারেশন কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং ফলাফল অত্যন্ত আশানুরূপ । অপারেশনের পরে ব্যথা সঙ্গে সঙ্গেই কমে যায় । অবশ ভাব কয়েক দিন পরে কমে আর মাংসপেশির সবলতা কয়েক সপ্তাহ পরে ফিরে আসে।আধুনিক সময়ে এন্ডােসকোপির মাধ্যমে কম কাটাছেড়া করে এ অপারেশন করা সম্ভব হচ্ছে । এ ক্ষেত্রে কবজির একটু নিচের দিকে ছােট ছিদ্র করেই অপারেশন করা হয় , যেখানে স্থানীয়ভাবে অবশ করে অপারেশন করা হয় , এমনকি রােগীকে ভর্তি রাখার প্রয়ােজন হয় না ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

মানবদেহ মুখের রােগ লিউকোপ্লাকিয়া

◽মুখের রােগ লিউকোপ্লাকিয়া :

লিউকোপ্লাকিয়া একটি ক্যান্সারপূর্ব রােগ , যা জিভের ওপর বা মুখের ভেতর দেখা যায় । অনবরত প্রদাহজনিত কারণে এটি হয়ে থাকে । লিউকোপ্লাকিয়া রােগে মুখের ভেতর বা গালের মিউকাস মেমব্রেনে সাদা দাগের সৃষ্টি হয় । মুখের ক্যান্ডিডিয়াসিস ও লাইকেন প্ল্যানাস রােগে মুখের ভেতর একই ধরনের দাগ দেখা যায় । তাই মুখের লিউকোপ্লাকিয়া রােগ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে লাইকেন প্ল্যানাস ও ক্যান্ডিডিয়াসিসও বিবেচনায় আনতে হবে । বয়স্কদের ক্ষেত্রে ক্যানডিডা এবং এইচআইভি সংক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে । একে হেয়ার লিউকোপ্লাকিয়া বা নােকা কেরাটোসিসও বলা হয় । সাধারণত খুব অল্পসংখ্যক লােক লিউকোপ্লাকিয়ায় আক্রান্ত হয় । এটি ৫০ থেকে ৭০ বছর বয়সে বেশি হয়ে থাকে । তবে এর মানে এই নয় যে কম বয়সীদের এ রােগ হয় না ।

▫কারণ :

লিউকোপ্লাকিয়ার কারণ এখনাে নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি । বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এটি ধূমপান , দীর্ঘমেয়াদি মুখের জ্বালাপােড়া বা প্রদাহের কারণে হয়ে থাকে । মুখের জ্বালাপােড়া বা প্রদাহ বিভিন্নভাবে হতে পারে , যেমন – মুখের ভেতর ধারালাে দাঁতের অংশবিশেষ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে ; কৃত্রিম দাঁতের অমসৃণ অংশ এবং ফিলিং বা ক্রাউনের অমসৃণ অংশ থাকলে এ রােগ হতে পারে । ধূমপান ও অন্যান্য তামাকের কারণেও এ রােগ হয় । সে ক্ষেত্রে একে নােকা কেরাটোসিস বলা হয় । দীর্ঘদিন পাইপ দিয়ে ধূমপান বা যেকোনাে ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য ও মাদক গ্রহণ করলে এবং ঠোঁটের ওপর ক্রমাগত সরাসরি সূর্যের আলাে পড়লেও এ রােগ হতে পারে ।
হেয়ারি লিউকোপ্লাকিয়া সাধারণত বেশি দেখা যায় না । এটি দেখা যায় এইচআইভি পজিটিভ হলে । এইচআইভি সংক্রমণের ক্ষেত্রে এটি একটি প্রাথমিক লক্ষণ । যাদের শরীরে রােগ প্রতিরােধব্যবস্থা ভালােভাবে কাজ করছে না , তাদের ক্ষেত্রেও হেয়ারি লিউকোপ্লাকিয়া দেখা যেতে পারে । এপস্টেন বার ভাইরাসের মাধ্যমেও এটি হতে পারে । তবে হেয়ারি লিউকোপ্লাকিয়ায় ক্যান্সারের কোনাে ঝুঁকি থাকে না ।

▫কোথায় হয় :

অধিকাংশ ক্ষেত্রে জিভের পাশে বা ওপরে হয়ে থাকে । তা ছাড়া মুখের ভেতর দুপাশে হতে পারে । মেয়েদের ক্ষেত্রে কখনাে কখনাে প্রজনন অঙ্গের বাইরের অংশে লিউকোপ্লাকিয়া দেখা যায় । তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনাে জানা যায়নি । সাধারণত লিউকোপ্লাকিয়ায় আক্রান্ত স্থানের রং সাদা অথবা ধূসর হয়ে থাকে । মাঝেমধ্যে তা লাল বর্ণেরও হতে পারে , তখন একে ইরাইথ্রোপ্লাকিয়া বলা হয়

▫বাহ্যিক অবস্থা :

লিউকোপ্লাকিয়ায় আক্রান্ত স্থান পুরু হয়ে থাকে । এর উপরিভাগ কিছুটা শক্ত হয়ে থাকে । আর হেয়ারি লিউকোপ্লাকিয়া সাধারণত ব্যথাযুক্ত হয়ে থাকে ।

▫জটিলতা :

আক্রান্ত স্থানে ক্রমাগত অস্বস্তিকর অবস্থা বিরাজ করে ধীরে ধীরে এটি আকারে বেড়ে যেতে পারে । কখনাে বা ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে ।

▫পরীক্ষা – নিরীক্ষা :

লিউকোপ্লাকিয়ায় সাদা দাগ আক্রান্ত স্থান বাড়তে এক সপ্তাহ থেকে এক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে । সংক্রমিত স্থান ক্রমশ অমসৃণ হয় এবং স্পর্শ করলে ব্যথা হতে পারে । মসলাযুক্ত খাবার বা ঝাল খাবার খেলে জ্বালাপােড়া হতে পারে । লিউকোপ্লাকিয়া কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য বায়ােপসি বা টিসু পরীক্ষা করতে হয় । মুখের ক্যান্সারও এতে নির্ণয় করা যায় ।

⏭ চিকিৎসা :

লিউকোপ্লাকিয়ার চিকিৎসা শুরুর আগে যেসব কারণে এ রােগ হতে পারে সেগুলাে বর্জন করতে হবে । ধূমপান , পান – সুপারি খাওয়া , অ্যালকোহল পানের অভ্যাস থাকলে তা অবশ্যই বর্জন করতে হবে । ক্রমাগত প্রদাহজনিত কোনাে কারণ যদি থাকে , যেমন – ধারালাে দাঁতের অংশবিশেষ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা করাতে হবে । সংক্রমিত স্থানে অপারেশন করা জরুরি হতে পারে । সাধারণত লােকাল অ্যানেসথেসিয়ার মাধ্যমে সংক্রমিত স্থান সার্জারির মাধ্যমে অপসারণ করা হয় । কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে , ভিটামিন ‘ এ ’ ও ভিটামিন ই লিউকোপ্লাকিয়ার
সংক্রমিত স্থানকে সংকুচিত করে । এ ক্ষেত্রে রােগীকে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকতে হয় । ভিটামিন এ ও ভিটামিন ‘ ই একটি সুনির্দিষ্ট মাত্রায় বিশেষ পদ্ধতিতে সেবন করতে হয় । হলে ভিটামিন দীর্ঘদিন সেবন করলেও তা কার্যকর হবে না । ভিটামিন প্রয়ােগের সঙ্গে সঙ্গে প্রচলিত মলমের বদলে কিছু ওষুধ বিশেষ পদ্ধতিতে প্রয়ােগ করলে ভালাে ফল পাওয়া যায় । একটা বিষয় বিশেষভাবে বলা দরকার , তা হলাে মুখস্থ বা প্রচলিত চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রেই লিউকোপ্লাকিয়ার চিকিৎসায় কোনাে অবদান রাখে না । যেহেতু লিউকোপ্লাকিয়ার শতকরা তিন ভাগ ক্যান্সারের দিকে মােড় নেয় , তাই এ রােগে আক্রান্ত রােগীর চিকিৎসায় সংশ্লিষ্ট সবার আরও বেশি সচেতন ও যত্নশীল হওয়া জরুরী ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

সাইনোসাইটিস (সাইনাস) কি

◽সাইনোসাইটিস

নাসাসংক্রান্ত গহ্বর এবং সেই সঙ্গে সাইনাসগুলির কারণে সাইনুসাইটিস রাইনোসাইনুসাইটিস হিসাবেও পরিচিত। বিশ্ব জুড়ে অতি ঘন ঘনভাবে সনাক্ত রোগগুলির এটা অন্যতম, যার মধ্যে ভারতীয় জনসংখ্যার প্রায় 12.83%-এর ক্রনিক (দীর্ঘস্থায়ী) সাইনুসাইটিস আছে বলে জানানো হয়েছে। সাইনুসাইটিসকে অ্যাকিউট (তীব্র কিন্তু অল্পস্থায়ী), রেকারেন্ট অ্যাকিউট (বারবার ঘটা তীব্র কিন্তু অল্পস্থায়ী), সাবঅ্যাকিউট (তীব্র কিন্তু অল্পস্থায়ী এবং দীর্ঘস্থায়ী অবস্থার মাঝামাঝি), এবং ক্রনিক (দীর্ঘস্থায়ী) ধরণগুলিতে শ্রেণীবিভক্ত করা যেতে পারে।    

⏩ সাইনোসাইটিস (সাইনাস) এর উপসর্গ – Symptoms of Sinusitis in Bengali

সমস্ত ধরণের সাইনুসাইটিস একই ধরণের লক্ষণ এবং উপসর্গ দেখায়। সিআরএস থাকা ব্যক্তিদের সাধারণতঃ অনেক কম তীব্রতার উপসর্গ থাকে কিন্তু মুখের পেশীগুলিতে ব্যথা, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, গন্ধের অনুভূতিতে গোলমাল, কাশি, এবং গলায় অনবরত জ্বলুনি থাকে।

সাইনুসাইটিস থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে ঘন ঘন দেখা উপসর্গগুলি হল নিম্নরূপঃ 

জ্বর।কাশি, যা রাতে আরও খারাপ হয়।সামনের দিকে (কপাল) মাথাব্যথা।দাঁতে ব্যথা।নাকের বন্ধ অবস্থা।নাক থেকে সাদা, হলুদ বা সবুজ ধারা বার হওয়া।স্বাদ এবং গন্ধের অনুভূতির হ্রাস।চোখ, নাক, গাল, এবং কপালের বিভিন্ন অংশে বেদনা এবং স্ফীতি (ফোলা)।নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ।

⏩ সাইনুসাইটিস-এর অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে আছেঃ

বমি বমি ভাব।অত্যধিক ক্লান্তি বা অবসাদের একটা অনুভূতি।বুকে মাঝারি থেকে গুরুতর অস্বস্তি। ক্ষুধায় হ্রাস বা ক্ষুধা না হওয়া।উপরের চোয়ালে ব্যথা। (আরও পড়তে থাকুন – চোয়াল ব্যথার কারণসমূহ এবং চিকিৎসা)কান ব্যথা।

সাইনুসাইটিসকে রাইনাইটিস-এর সঙ্গে প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, যা হচ্ছে একটা অবস্থা যাতে শুধুমাত্র নাসিকাগত পথগুলি জড়িত থাকে। এটা নাসিকাগত চুলকানি এবং প্রদাহ, সর্দি, অবসাদ, এবং নাসিকাগত বাধার মত উপসর্গগুলি ঘটায়। এটা অ্যালার্জি অথবা ঠাণ্ডার কারণেও ঘটতে পারে। 

⏩সাইনোসাইটিস (সাইনাস) এর চিকিৎসা – Treatment of Sinusitis in Bengali

একটা ভাল গুণমানসম্পন্ন জীবনযাপনের জন্য সাইনুসাইটিস-এর জন্য সঠিক চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ। সাইনুসাইটিস-এর জন্য চিকিৎসা পদ্ধতিগুলি হচ্ছে নিম্নরূপঃ 

▫অ্যান্টিহিস্টামিনিক ড্রাগস  

এগুলি অ্যালার্জিগত প্রতিক্রিয়ার উপসর্গগুলির চিকিৎসায় সাহায্য করে। এগুলি সাইনাসগুলির এবং নাসিকাগত গহ্বরের প্রদাহ প্রতিরোধ করে।

 ▫নেজাল ডিকঞ্জেস্ট্যান্ট স্প্রে  

এগুলি ফলদায়ক হতে পারে যদি তিন থেকে চার দিনের একটা অল্প সময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। সাইনাসগুলি থেকে জমা তরল পদার্থ নিষ্কাশিত (বার করা) করতে এগুলি সাহায্য করে। যাই হোক, এগুলির দীর্ঘ-মেয়াদী ব্যবহার নির্ভরতা সৃষ্টি করতে পারে যেক্ষেত্রে যদি ডিকঞ্জেস্ট্যান্ট (বাধা দূর করার ওষুধ) ব্যবহার না করা হয় নাসিকাগত পথগুলি ফোলা এবং শ্লেষ্মার কারণে বন্ধ হয়ে যাবে।

▫নেজাল স্যালাইন ইরিগেশনস  

আপনার নাসিকাগত পথগুলি বিশুদ্ধ অথবা লবণাক্ত জল ব্যবহার করে ধুইয়ে ফেলুন এবং ঘন শ্লেষ্মা ক্ষরণ সাফ করে ফেলুন।

▫টপিক্যাল নেজাল কর্টিকোস্টেরয়েডস  

এগুলো প্রদাহ চিকিৎসা করতে বিধান দেওয়া হয়। এই ওষুধগুলির স্বাভাবিক ডোজ একটা দীর্ঘস্থায়ী সময়ের জন্য কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা আসক্তি (অভ্যাসগ্রস্ত হওয়া) ছাড়া ব্যবহার করা যেতে পারে।

▫অ্যান্টিবায়োটিকস

এটা সাইনুসাইটিস-এর জন্য প্রচলিতভাবে ব্যবহৃত কোনও থেরাপি নয় কারণ অ্যাকিউট (তীব্র কিন্তু অল্পস্থায়ী) সাইনুসাইটিস-এর 98% সংক্রমণ হল ভাইরাস বা জীবাণুর কারণে। জীবাণুগত সাইনাস সংক্রমণের জন্য অ্যান্টিবায়োটিকগুলি হচ্ছে চিকিৎসার প্রাথমিক পদ্ধতি। এগুলি উপসর্গগুলি থেকে কোনও উপশম প্রদান করেনা, যার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসার সাথে অন্যান্য প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধগুলি অপরিহার্য হয়। যেহেতু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ বেড়ে গিয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিকগুলির সাধারণতঃ বিধান দেওয়া হয় যখন উপসর্গগুলি 7 থেকে 10 দিনের বেশি স্থায়ী হয়।  

▫অস্ত্রোপচার  

যখন সমস্ত ওষুধ প্রয়োগ ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে তখন এটা হচ্ছে চিকিৎসার সর্বশেষ বিকল্প। এটা সাধারণতঃ হাড়সংক্রান্ত খুঁতের কেসগুলিতে দরকার হয় এবং একজন ওটোল্যারিঙ্গোলজিস্ট (কান, নাক এবং গলার অসুখের বিশেষজ্ঞ) দ্বারা সম্পাদন করা হয়। নাকের ভিতরের পর্দাতে ত্রুটি সংশোধন, নাকের অস্বাভাবিক টিস্যু বৃদ্ধিগুলির অপসারণ, এবং বন্ধ পথগুলি খুলে দিতে অস্ত্রোপচার সাহায্য করতে পারে। অবস্থার উপরে ভিত্তি করে এটা স্থানীয় বা সাধারণ (সার্বিক) অ্যানেস্থেজিয়ার (সংবেদননাশক) অধীনে সম্পন্ন করা হতে পারে।        

▫জীবনধারা সামলানো

যদি আপনি থেরাপির আওতায়ও থাকেন, সাইনুসাইটিস সম্পূর্ণভাবে সারাবার জন্য স্ব-তত্ত্বাবধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্পূর্ণ নিরাময়ের জন্য আপনার রোজকার রুটিনে নীচের পদক্ষেপগুলি অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ

▫প্রচুর বিশ্রাম নিন

পর্যাপ্তভাবে বিশ্রাম নেওয়া দ্রুততর আরোগ্যলাভে এবং আপনার রোজকার স্বাভাবিক রুটিনে ফিরতে সাহায্য করবে।আপনার শরীর জলযুক্ত রাখুন
প্রচুর পরিমাণে তরল পান করুন, যা আপনার শ্লেষ্মা পাতলা রাখতে সাহায্য করবে।ধূমপান এড়িয়ে চলুন
ধূমপান থেকে দূরে থাকা নাসিকা-সংক্রান্ত এবং সাইনাসের আস্তরণের আরও বেশি চুলকানি এবং জলহীনতা প্রতিরোধ করবে এবং দ্রুতগতিতে আরোগ্যলাভ করতে সাহায্য করবে।  ভাপ (গরম জলের বাষ্প শ্বাস)  নিঃশ্বাসের সাথে টেনে নিন  
গরম জলের ধারাস্নানে একটা দীর্ঘ সময় ধরে থাকুন অথবা কোনও পাত্র থেকে বাষ্প ওঠা গরম জলের ভাপ নিঃশ্বাসে টেনে নিন। একটা চেয়ারে অথবা মাটিতে বসে থাকার সময় এবং পাত্রটা আপনার সামনে রেখে পাত্রটার উপরে ঝুঁকে পড়ুন। আপনার মাথাটা একটা পুরু কাপড় দিয়ে ঢেকে নিন বেশি ভাপ নিঃশ্বাসের সাথে টেনে নেওয়া এবং জলটার ঠাণ্ডা হওয়া রোধ করার জন্য।  নাসাপথগুলিতে জলসেচন (জল দিয়ে ধোয়া) করুন
আপনার নাসাপথগুলি একটা লবণজলের দ্রবণ দিয়ে পরিস্কার করুন।মাথা একটা উঁচু অবস্থানে রেখে ঘুমান
এটা শ্লেষ্মা জমা হওয়া রোধ করবে, যা সাধারণতঃ ঘটে যখন আপনি আপনার মাথা নীচু অবস্থানে রেখে ঘুমান।বেশি উচ্চতা এড়িয়ে চলুন
এর মধ্যে রয়েছে ফ্লাইট বা বিমানে ভ্রমণ করা। এটা এজন্য কারণ চাপের পরিবর্তনগুলির সাইনুসাইটিসের উপর একটা নেতিবাচক প্রভাব থাকে এবং আপনার অবস্থা আরও খারাপ করতে পারে। খাদ্যতালিকা 
কোন কোন খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং এড়িয়ে চলতে হবে সেগুলি নীচে দেওয়া হলঃ

খাবার যেগুলি প্রদাহ কমায় এবং রোধ করে

খাবার যেগুলি প্রদাহের বিপদ বাড়ায়

1.

মাছ যেগুলি ওমেগা-3-ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ, সার্ডিন, প্রাকৃতিক পরিবেশে ধরা স্যামন, কড। 

প্রক্রিয়াজাত চিনি যা প্রচলিতভাবে সুক্রোজ বা ফ্রাক্টোজ হিসাবে লেবেল এঁটে দেওয়া হয়

2.

অ্যাভোকাডো (মাখনফল) হল উচ্চ ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।

বেশি সম্পৃক্ত (তেল/মাখনে চোবানো) চর্বিযুক্ত বস্তু, যেমন পিৎজা, এবং চিজ সহ দুগ্ধজাত দ্রব্য

3.

ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ বিন যেমন কিডনি বিন (শিম), মুগ, পিন্টো (রাজমা ধরণের)।

মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট, যা সাধারণভাবে টিনে রক্ষিত এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারে উপস্থিত থাকে।

4.

সবুজ শাকসবজি এবং অঙ্কুরিত বিন ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, যেগুলি হিস্টামিনের বিরুদ্ধে কাজ করায় কার্যকর। আপনার শরীরে প্রদাহমূলক প্রতিক্রিয়ার জন্য হিস্টামিন দায়ী।

অতিরিক্ত ওমেগা-6-ফ্যাটি অ্যাসিড, যা কতগুলি তেলে পাওয়া যায়, যেমন ভুট্টার তেল, স্যাফ্লাওয়ার তেল (কুসুম ফুলের তেল), সূর্যমুখী তেল

5.

জলশূন্যতার কারণে ঘটা মাথাব্যথা কমানোতে গ্রিন টি এবং অন্যান্য তরল সাহায্য করতে পারে।

গ্লুটেন এবং কেসিন প্রোটিন যা রাই, গম, যব (বার্লি) এবং দুগ্ধজাত দ্রব্যগুলিতে পাওয়া যায়

6.

উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি-যুক্ত লেবুজাতীয় (সিট্রাস) এবং অন্যান্য ফল, উদাহরণস্বরূপ, টমেটো। আপেল এবং নাশপাতি হচ্ছে কোয়েরসেটিন নামে কথিত একটা প্রাকৃতিক অ্যান্টিহিস্টামিনে সমৃদ্ধ।  

মিহি বা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট, যেমন পেষা আলু এবং শস্যদানা

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

মানবদেহ ডায়াবেটিসে ত্বকের যত সমস্যা

◽ডায়াবেটিসে ত্বকের সমস্যা ও ত্বকের যত্ন :

ডায়াবেটিসজনিত জটিলতায় শরীরের যেকোনাে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আক্রান্ত হতে পারে , ত্বকও এর ব্যতিক্রম নয় । ডায়াবেটিস থাকলে ত্বকের সুস্থতা রক্ষায় বাড়তি সতর্কতা দরকার ।

⏩ ত্বকের সমস্যা :

১. চোখের পাতার প্রদাহ – ফোড়া , দেহের যেকোনাে জায়গায় ফোড়া – ফুসকুড়ি , ত্বক ও ত্বকের নিচে প্রদাহ , নখের গােড়ায় প্রদাহ — এসবই ডায়াবেটিসে বেশি আক্রমণ করে ।

২. ছত্রাকের আক্রমণে ত্বকের ভাঁজে , যেমন স্তনের নিচে , কুঁচকি ইত্যাদি স্থানে ফুসকুড়ি চুলকানি ইত্যাদি হয় ।

৩. রক্তের উচ্চ শর্করা ত্বককে পানিশূন্য করে দেয় । ফলে ডায়াবেটিক রােগীর ত্বক বেশি শুষ্ক , ত্বক ফেটে যায় ও চুলকানি হয় ।

৪. অ্যাকানথােসিস নেগ্রিকানস একধরনের কালাে খসখসে ত্বক আবরণ , যা ডায়াবেটিস ও স্থূল রােগীদের গলার পেছনে , ঘাড়ে , বাহুমূলে , কুঁচকিতে দেখা যায় ।

৫. পায়ের সামনের ত্বকে গােলাকৃতি কালাে – ছােপ দাগ থাকে ।

৬. ত্বকের গভীরতর স্তরে চর্বি ও অন্যান্য স্তর ক্ষয় হয়ে ত্বকে ঘা হতে পারে ।

৭. কারও কারও ইনসুলিন অ্যালার্জি , ইনসুলিন দেওয়ার জায়গায় ত্বক মােটা – উঁচু বা পাতলা হয়ে যায়

⏩ ডায়াবেটিসে ত্বকের যত্ন :

১. ত্বকে কাটা – ছেড়া , প্রদাহ , ফুসকুড়ি বা ঘা ইত্যাদি লক্ষ করলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ।

২. কাটলে বা আঘাত পেলে দ্রুত সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং অ্যালকোহল বা আয়ােডিনযুক্ত কিছু না লাগিয়ে বরং অ্যান্টিবায়ােটিক ক্রিম ব্যবহার করুন ।

৩. বছরে অন্তত দুবার চিকিৎসকের কাছে পা পরীক্ষা করিয়ে নিন । ডায়াবেটিক রােগীদের উপযােগী মােজা – জুতা – স্যান্ডেল ব্যবহার করুন , প্রতিদিন পায়ের যত্ন নিন ।

৪. নিজে ফুসকুড়ি বা ফোড়া ফাটানাের চেষ্টা করবেন না

৫. ত্বক ভেজা বা আর্দ্র রাখবেন না ।

৬. গােসল বা ত্বক ধােয়ার জন্য অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করবেন না । মৃদু ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন এবং গােসলের পর আর্দ্রতা রক্ষাকারী লােশন ব্যবহার করুন । আঙুলের ফাঁকে লােশন ব্যবহার করবেন না ।

৭. প্রচুর পানি পান করুন , পানিশূন্যতা এড়িয়ে চলুন । অ্যালকোহল বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পরিহার করুন ।

৮. সুষম খাবার গ্রহণ করুন ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

গলায় খাবার আটকে গেলে বা মাছের কাঁটা বিঁধলে প্রাথমিক চিকিৎসা

◽গলায় খাবার আটকে গেলে :

যার গলায় খাবার আটকে গেছে, তার পিঠের একদম মাঝ বরাবর উপরের দিকে ৫ বার জোরে আপনার হাতের তালু দিয়ে চাপড় দিন। এতে করে শ্বাসনালীতে বাতাসের চাপে আটকানো খাবার বাইরে বের হয়ে আসে। না বের হলে আবার এইভাবে চেষ্টা করুন। বের করতে না পারলে দ্রুত ডাক্তার এর সরনাপন্ন হন।

◽গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে :

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে তা নামানোর জন্য আমরা নানা পন্থা অবলম্বন করি। তার কোনোটি কাজ হয় আবার কোনটি বা হয় না। আপনি জানেন কি মাত্র একদিনের হোমিও ট্রিটমেন্টেই গলায় বিধা মাছের কাটা দূর হয়ে যায়। যাই হোক, আগে আপনাদের কিছু ঘরোয়া সমাধানের কথা বলি।

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে প্রথমেই খাওয়া হয় পানি, তারপর ভাতকে মুঠো করে খেয়ে ফেলা হয়। কিন্তু এতেও যদি কাঁটা না নামে, তাহলে কী করবেন? জেনে নিন ৭টি ভিন্নরকম কৌশল।

⏩⏩

• গলায় কাঁটা বিধলে পানি পান করেন? কেবল পানি পান করলে হবে না। হালকা গরম পানির সাথে অল্প লবণ গুলিয়ে পান করুন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।

• গলায় কাঁটা বিঁধলে ভাত খেয়ে নামাতে চান? তাহলে এক কাজ করুন, ভাতকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন। তারপর পানি দিয়ে গিলে ফেলুন। ভাতের গোলা চিবিয়ে খেলে কিন্তু কাঁটা নামবে না। পানি দিয়ে গিলে ফেলাই সেরা উপায়।

• ভাত খাবার চাইতেও সহজ একটি উপায় আছে। গলায় কাঁটা বিঁধলে খেয়ে ফেলুন একটি কলা। কলা খেতে খেতে দেখবেন কাঁটা নেমে গেছে আর আপনি টেরও পাননি।

• এক টুকরো লেবু নিন, তাতে একটু লবণ মাখিয়ে চুষে চুষে লেবুর রস খেয়ে ফেলুন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।

• পানির সাথে সামান্য ভিনেগার মিশিয়ে পান করলেও ঠিক লেবুর মতই কাজ হবে।

• গলায় বিঁধেছে কাঁটা? একটু অলিভ অয়েলও পান করতে পারেন। কাঁটা পিছলে নেমে যাবে।

উপরোক্ত কোনো প্রক্রিয়ায় যদি কাজ না করে তাহলেও চিন্তার কিছু নেই। মাত্র একদিনের হোমিও ট্রিটমেন্ট এর মাধ্যমেই গলায় বিধা মাছের কাটা বেড়িয়ে আসে। তাই সমস্যায় পড়লে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলতে ভুলবেন না যেন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

যক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা

◽যক্ষা :

যক্ষা একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা প্রাথমিকভাবে ফুসফুসকে আক্রান্ত করে।

যক্ষা হয়েছে কি করে বুঝবেন-লক্ষণ ও উপসর্গ

⏩ সাধারণত লক্ষণ –

▫অস্বাভাবিকভাবে ওজন হ্রাস পাওয়া

▫অবসাদ অনুভব করা

▫জ্বর

▫রাতে ঘাম হওয়া

▫কাপুনী

▫ক্ষুধা মন্দা

⏩ অন্যান্য লক্ষণ –

▫তিন সপ্তাহ বা এর অধিক সময় ধরে কাশি

কাশির সাথে রক্ত যাওয়া

▫বুকে ব্যথা অথবা শ্বাস নেয়ার সময় ও কাশির সময় ব্যথা হওয়া

⏩ কি করা উচিত ?

যদি আপনি যক্ষা রোগে আক্রান্ত হন সেক্ষেত্রে এটা খুবই জরুরী যে আপনি সঠিক ভাবে নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহন করবেন এবং ডাক্তারের পরামর্শ পুংখানুপুংখভাবে পালন করবেন।

⏩ যক্ষা রোগের জীবাণু কিভাবে ছড়ায় ?

বাতাসের মাধ্যমে যক্ষা রোগের জীবাণু ছড়ায়। যক্ষা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে রোগের জীবাণু বাতাসে গিয়ে মিশে এবং রোগের সংক্রমণ ঘটায়।

যক্ষার সংক্রমণ (TB Infection) এবং সক্রিয় যক্ষা (Active TB)

শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে যক্ষার জীবাণু প্রবেশ করলে নিচের যে কোনটি হতে পারে :

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে যক্ষার জীবাণু ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

জীবাণুগুলো ফুসফুসে স্থায়ীভাবে আরও দ্বিগুণ হয়ে থেকে যেতে পারে। এর ফলে যক্ষার সংক্রমণ হতে পারে তবে এর উপসর্গগুলো বোঝা যায় না এবং রোগ ছড়ায় না।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে যক্ষার জীবাণু ফুসফুসে এবং শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং তা রোগ প্রতিরোধী কোষগুলো ধ্বংস করে দিতে পারে।

বছরের পর বছর ধরে যক্ষার জীবাণু শরীরে থাকলে পরবর্তীতে এটি সক্রিয় যক্ষায় রূপ নিতে পারে। সাধারণত বয়স, ঔষধ সেবন, অপুষ্টি, কেমোথেরাপী, মদপান ইত্যাদির জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে সক্রিয় যক্ষা হতে পারে। সংক্রমণের প্রথম দুই বছরের মধ্যে যক্ষা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

⏩ যক্ষ্মা চিকিৎসায় চিকিৎসক ও রোগীর কর্তব্য

ডাক্তারকে মনে করতে হবে শুধু রোগের চিকিৎসাই যথেষ্ট নয়, রোগীর চিকিৎসাও অত্যন্ত জরুরি।

রোগ সম্পর্কে রোগীকে ভালো করে ধারণা দেয়া এবং নিয়মিত ওষুধ পূর্ণমাত্রায় খাওয়ার বর্ণনা ভালোভাবে দিন। রোগীকে বুঝাতে হবে রোগের ভালো-মন্দ নির্ভর করবে ওষুধ যথাযথভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে।

⏩ রোগীর কর্তব্যঃ

ঔষধ শুরুর কিছু দিনের মধ্যেই অনেক রোগী ভালো বোধ করেন এবং মনে হবেই না বরং আরো মারাত্মক আকারে যেমন; মাল্ট্রি ড্রাগ রেজিসেন্ট টিবি হতে পারে। এর ফলে রোগী নিজেরও ক্ষতি করবেন এবং সমাজে মারাত্মক আকারে যক্ষা রোগ ছড়াতে সাহায্য করবেন। ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে অবশ্যই তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। অনেকে টাকা-পয়সার অভাবে ওষুধ কিনতে পারেন না, তাতে অনিয়ম হয়। প্রয়োজনে নিকটবর্তী যক্ষা নিরাময় কেন্দ্রে যোগাযোগ করা যেতে পারে। রোগীকে বুঝতে হবে যেহেতু দীর্ঘ দিন ধরে অনেক ওষুধ খেতে হয়, তাই ধৈর্যসহকারে নিয়মিত ওষুধ সেবন অত্যন্ত জরুরি এবং রোগীকেও নিয়মিত ডাক্তারের কাছে গিয়ে ফলোআপ করাতে হবে।

যক্ষা নিরাময়যোগ্য ব্যাধি। অযথা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। রোগীকে পরিবার-পরিজন থেকে আলাদা করার দরকার নেই। স্পেশাল কোনো খাওয়া-দাওয়ার দরকার নেই। নিয়মিত, পরিমিত এবং পূর্ণমাত্রায় ও পূর্ণমেয়াদে ওষুধ সেবন করলে অবশ্যই যক্ষা সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

চিকেনপক্স বা জলবসন্ত হলে চিকিৎসা

◽চিকেনপক্স বা জলবসন্ত :

চিকেনপক্স বা জলবসন্ত ছোট-বড় সবাইকে আক্রমণ করে৷ এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় প্রায় একটানা এই অস্বস্তিকর অবস্থা থাকে ৷ প্রথমে সামান্য জ্বর হতে পারে, এর পর ফোস্কা পড়ে, চুলকানি হয় এবং অবশেষে ফোস্কা থেকে শুকনো মরা চামড়া উঠে আসে ৷ খুব কমক্ষেত্রেই জল বসন্ত মারাত্মক রোগ হিসাবে দেখা দিতে পারে৷ এই অস্বস্তিকর রোগের ব্যাপারে একটা সান্তনা রয়েছে,সেটাহলো-আপনার একবার জল বসন্ত হয়ে গেলে, সেটা সারা জীবনের জন্য বিদায় নেয়৷ কারো জলবসন্ত হলে আপনি নিচের ব্যবস্থা গুলো গ্রহণ করুন-

ব্যথা নাশক ওষুধ দিন যদি জ্বরের কারণে আপনি অস্বস্তিবোধ করেন, তাহলে প্যারাসিটামল খান৷ যদি আপনার শিশুর বয়স দু বছরের কম হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷

হালকা পোশাক পরুন । জলবসন্তে আক্রান্ত হবার পর রোগীর ত্বক যত বেশি ঠান্ডারাখতে পারবেন, রোগী তত কম অস্বস্তিবোধ করবে৷ রোগীকে এক গাদা কাপড় চোপড়ে না জড়িয়ে তাকে হালকা সুতির কাপড় কিংবা পায়জামা পরান৷ কারণ এটা ত্বকে কম জ্বালা পোড়া সৃষ্টি করে৷

রোগীর শরীর ঠান্ডা করুন রোগীর শরীরের তাপমাত্রা কমানোর জন্য একটা ঠান্ডা ভেজা কাপড় দিয়ে ত্বক মুছে দিতে পারেন কিংবা ঠান্ডা পানিতে গোসল করাতে পারেন৷ এতে রোগী আরাম বোধ করবে৷ তবে খেয়াল রাখবেন পানি যেন বেশি ঠান্ডা না হয়৷

রোগীকে সজীব এবং পরিষ্কার রাখুন জলবসন্তের রোগীকে প্রতিদিন গোসল করিয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে৷ এটা তার সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে৷ রাতে ঘুমানোর সময় রোগীর সারাদিন পরে থাকা জামা কাপড় পাল্টে তাকে পরিষ্কার কাপড় পরাতে হবে৷ পরিষ্কার পোশাক তাকে কেবল স্বস্তিই দেয়না, এটা তার সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে ও সাহায্য করে৷

চুলকানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন রোগীকে বুঝিয়ে বলুন সে যেন তার শরীর চুলকানোর চেষ্টা না করে,কারণ চুলকানোর ফলে তার সংক্রমণ হতে পারে এবং ত্বকে স্থায়ী দাগ পড়ে যেতে পারে৷ কিন্তু রোগী প্রবল চুলকানি কে সবসময় পুরোপুরি উপেক্ষা করতে পারবে না,তাই তাকে একটা ঠান্ডা, ভেজা নরম কাপড় দিন, যাতে সে এটা দিয়ে আস্তে আস্তে ঘষতে পারে৷ আর এটা তার ফোস্কা না ফাটিয়ে ত্বক অক্ষুন্ন রাখতে সাহায্য করবে৷

চুলকানি নিয়ন্ত্রণের জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন ব্যবহার করুন মুখে অ্যান্টিহিস্টামিন খাওয়ালে তা চুলকানি কমাতে সাহায্য করে৷কিন্তু যদি এতে চুলকানি না কমে, অন্তত এটা আপনার রোগীকে ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করবে, যার ফলে সে কিছুটা বিশ্রাম নিতে পারবে৷

নখ ছোট করে কেটে দিন আপনার শিশু জলবসন্তে আক্রান্ত হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তার আঙুলের নখ ছোট করে কেটে দিন৷ এমন কি অসুখ সেরে যাবার পরও কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত তার নখ প্রতি সপ্তাহে দুবার কেটে দেবেন৷ কারণ নখ বড় থাকলে সে নখ দিয়ে চুলকাবে এবং এতে চুলকানো স্থানে ব্যাকটেরিয়া জনিত সংক্রমণ হতে পারে এবং স্থায়ীভাবে দাগ পড়ে যেতে পারে৷

অ্যান্টিবায়োটিক সহকারে চিকিৎসা করুন যদি ত্বকে সংক্রমণের চিহ্ন দেখাদেয়, যেমন পক্সের চারপাশে লাল হওয়া কিংবা পক্সের মুখে পুঁজ হওয়া, তাহলে ওই স্থানে অ্যান্টিবায়োটিক মলম মেখে দিন৷ সংক্রমিত জলবসন্তের সংখ্যা যদি অনেক বেশি হয় তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন৷

রোগীকে সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন যার জলবসন্ত হয়েছে কিংবা সম্প্রতি জলবসন্ত থেকে সেরে উঠেছে এদের সবাইকে সূর্যালোকের ব্যাপারে অতিরিক্ত সতর্কতা নিতে হবে৷ একবার জলবসন্ত হবার পর ত্বক প্রায় একবছর পর্যন্ত অরক্ষিত থাকে, এবং সূর্যালোকে সহজে পুড়ে যায়৷ তাই সম্প্রতি জলবসন্ত থেকে সেরে উঠেছে এমন রোগী যখন ঘরের বাইরে সরাসরি রোদের মধ্যে যাবে তার সমস্ত শরীরে ভালকরে সানস্ক্রিন মেখে দিতে হবে৷

⏩ কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন ?

▫প্রথমিক পর্যায়ে

তীব্র এবং ঘনঘন কাপুনি দিয়ে জ্বর আসে এবং এমনিতেই সেরে যায়

লসিকা গ্রন্থিব্যথা, লাল এবং লসিকা নালী ফুলে যায়৷ কুচকির কাছের লসিকা গ্রন্থির নালী বেশি আক্রান্ত হয়

অন্ডকোষ ফুলেযায় এবং ব্যথা হয়

মারাত্মক পর্যায়ে শরীরের যে সকল জায়গা আক্রান্ত হয় সে সকল স্থান ফুলে যায় এবং মোটা হতে থাকে। আক্রান্ত জায়গা গুলো শক্ত হয়ে যায়, চাপ দিলে বসে যায়না। হাঁটুর নিচের অংশে বেশি দেখা যায়

লসিকাগ্রন্থি ফেটে যাওয়ার কারণে দুধের মতো সাদা লসিকা রস প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়৷

অন্ডকোষের মধ্যে পানি জমে যায়

অন্ডকোষে প্রদাহ হয়

⏩ চিকিৎসা :

লক্ষণগুলো দেখাদিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

⏩ প্রতিরোধ :

সবাইকে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে

বাড়ির আশপাশের যে সকল জায়গায় ময়লা পানি জমতে পারে সে সকল জায়গা ভরাট করে ফেলতে হবে

বাড়ির আশেপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করতে হবে যাতে মশা বসবাস করতে না পারে

নিয়মিত কীটনাশক ছড়িয়ে বাড়ির আশপাশ মশামুক্ত রাখতে হবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

মুখ বা নাক দিয়ে রক্ত পড়লে চিকিৎসা

◽মুখ বা নাক দিয়ে রক্ত পড়লে করণীয় :

রক্ত হলো এক প্রকার তরল পদার্থ। এর রং লাল। হিমোগ্লোবিন নামক লাল রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতিতে রক্তের রং লাল দেখায়। শরীরের কোনো স্থানে আঘাতের ফলে বা কেটে গেলে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়, এবং সেই ক্ষত হতে যে রক্ত বের হয়, তাকে রক্তক্ষরণ বা রক্তপাত বলে। বিভিন্নভাবে রক্তক্ষরণ হতে পারে যেমন-

১। মুখ দিয়ে রক্ত পড়া :
————–

মুখের ভিতরের যেকোনো অংশ থেকে রক্তপাত হলে বরফ চুষতে হবে। তাহলে রক্তপাত বন্ধ হবে। এরপর রোগীকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে।

২। নাক দিয়ে রক্ত পড়া :
—————

আঘাতজনিত বা অন্য কোনো কারণে কারো নাক দিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করলে তৎক্ষণাৎ তাকে চিত করে শোয়াতে হবে অথবা বসিয়ে মাথা পেছনের দিকে হেলিয়ে রাখতে হবে। কাপড়চোপড় ঢিলা করে দিতে হবে। নাকের সামনে ও ঘাড়ের পিছনে ঠাণ্ডা কমপ্রেস দিতে হবে। তখন মুখ দিয়ে শ্বাসকার্য চালাতে হবে। রক্তপাত বন্ধ হবার পরও কিছুক্ষণ নাকের ছিদ্রপথে তুলো দিয়ে রাখতে হবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Health

সর্দির কারন ও প্রাথমিক চিকিৎসা

◽সর্দির কারন :

⏩ কী কারণে সর্দি জ্বর হয়

সর্দি-জ্বর মানব দেহের ঊর্ধ্ব-শ্বাসনালীর ভাইরাসজনিত এক ধরনের সংক্রমণ। ইনফ্লুয়েনজা-এ, ইনফ্লয়েনজা, এডেনোভাইরাস প্রভৃতি এ রোগের জন্য দায়ী। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময় এ রোগ বেশি মাত্রায় দেখা যায়। একটানা বৃষ্টি, স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ, অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা এবং এক ঘরে অনেক লোক গাদাগাদি করে বসবাস করলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন লোকদেরও এ রোগের ঝুঁকি বেশি। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এ রোগ একজনের শরীর থেকে অন্য জনের শরীরে ছড়ায়।

⏩চিকিৎসা ও প্রতিকার

সর্দি-জ্বরের সময় বিশ্রামে থাকতে পারলে ভালো। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পানি, লেবুর রস, আনারস, পেয়ারা বা আমলকি জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার (আইসক্রিম, ফ্রিজের পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস) পরিহার করতে হবে। গরম চা বা কফি খাওয়া যেতে পারে। এ রোগের চিকিত্সায় সাধারণত এন্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না। জ্বর ও ব্যথানাশক প্যারাসিটামল এবং এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ কয়েকদিন খেলেই এ রোগ সেরে যায়। তবে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক সঠিক মাত্রায় পাঁচ থেকে সাত দিন খেতে হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে টনিসলের বা ফুসফুসের সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি থাকে বিধায় রেজিস্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শমত ওষুধ খাওয়ানো উচিত।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা হেল্থ টিপস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/KOTHAHEALTHTIPS/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil