Categories
Life Hacks

আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে ৮ টি অভ্যাস

◽আত্মবিশ্বাসী করে তোলার অভ্যাসগুলো :

১. তুলনা হোক নিজের সাথেঃ

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটার মুখোমুখি হতে হয় তা হল অন্যের সাথে নিজের তুলনা। আমরা আশেপাশের কাউকে সফল হতে দেখলেই নিজের সাথে তার তুলনা করে বসি। এতে আমাদের নিজেদের সম্পর্কে অনেক ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়। নিজের উপর বিশ্বাস কমতে থাকে।

“Always be yourself and have faith in yourself. Do not go out and look for a successful personality and try to duplicate it.”– Bruce Lee

তুলনা করতে হলে নিজের সাথে করুন। নিজের সাথে প্রতিযোগিতায় নামুন। আজকে কোন কাজ ভাল না হলে পরের দিন সেটাকে ভাল করার চেষ্টা করুন। এভাবে নিজের স্কেলে নিজেকে মাপুন। দেখবেন আস্তে আস্তে আপনার কাজের প্রতি দক্ষতা এবং আগ্রহ বাড়ছে। এতে আপনার নিজের উপর বিশ্বাসটাও বাড়বে কয়েকগুণ।

২. নিজের ভুল স্বীকার করতে শিখুনঃ

ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, “To err is human.” যার অর্থ মানুষ মাত্রই ভুল করে। ভুল করা মোটেও দোষের কিছু না। কিন্তু সেটা স্বীকার না করা দোষের। বরং নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া মানুষের মহৎ গুণ।

“An apology is the superglue of life. It can repair just about anything.” ― Lynn Johnston

নিজের ভুল স্বীকার করতে শিখুন। তার জন্য ক্ষমা চান। মনে রাখবেন ক্ষমা চাওয়া কিংবা ভুল স্বীকার করা কোনটাই আপনাকে ছোট করবে না বরং আপনার ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলবে। আপনার উপর মানুষের বিশ্বাসটাকে বাড়িয়ে দেবে। মানুষকে তার কাজের জন্য ধন্যবাদ দেওয়া শিখুন তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে শিখুন এতেও আপনার প্রতি তার বিশ্বাস বাড়বে।

৩. কথা বলুন হাসিমুখেঃ

মানুষের কথাবার্তার মাঝেই ফুটে উঠে ব্যক্তিত্বের ছাপ। স্পষ্ট হয় তার শিক্ষা, শিষ্টাচার, রুচি , মন ও মানসিকতা। আমরা স্বভাবত হাসি খুশি মানুষদের বেশি পছন্দ করি। তার কথার উপর আলাদা মনযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি। হাসি মুখে যে কোন কথার গুরুত্ব অনেক বেশি। এছাড়াও অপরিচিত কারো সাথে হাসিমুখে কথা বলা উচিৎ এতে করে তার আপনার প্রতি আলাদা একটা ভাল লাগা কাজ করে। আপনার প্রতি ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়।

“A smile is a curve that sets everything straight.” – Phyllis Diller

হাসিমুখে কথা বললে আপনার গুরুত্ব অন্যদের কাছে বাড়বে। এছাড়াও অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিদের সাফল্যের অন্যতম হাতিয়ার ধরা হয় এই হাসিমুখে কথা বলা কে।

৪. মিথ্যা না বলাঃ

পৃথিবীতে যে কয়েকটি কাজ মানুষের মনুষ্যত্বকে বিঘ্নিত করে তার মধ্যে মিথ্যা অন্যতম। মিথ্যা মানুষকে শুধু ছোট করে না বিশ্বাসকেও করে তোলে নড়বড়ে। প্রায় সকল ধর্মেই মিথ্যাকে মহাপাপ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মিথ্যা আমাদের ব্যক্তি, সমাজ তথা রাষ্ট্রের জন্যও ক্ষতিকর। মিথ্যা এমন এক ব্যধি যার জন্য মানুষের ছোট খাট সমস্যা থেকে প্রাণ নাশকের কারণও হতে পারে। তাই মিথ্যা বলা থেকে দূরে থাকুন। এতে আপনি সবার বিশ্বাসের পাত্র হতে পারবেন। অন্যদিকে এই বিশ্বাস আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করতে সাহায্য করবে।

“Never to lie is to have no lock on your door, you are never wholly alone.” – Elizabeth Bowen

মিথ্যা আপনাকে একটি বদ্ধ-ঘোরের মাঝে রাখবে যা আপনার আত্মবিশ্বাসকে আস্তে আস্তে দূর্বল করে দিবে। গবেষণায় দেখা গেছে, মিথ্যা বলা এক ধরনের বদ অভ্যাস এবং মানসিক ব্যধির মত যা মানুষের মানসিক শক্তি নষ্ট করে।

৫. ছোট লক্ষ্য করে এগিয়ে যানঃ

“ছোট ছোট বালুকণা
বিন্দু বিন্দু জল,
গড়ে তোলে মহাদেশ
সাগর অতল।”

আমরা স্কুল কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন কোন কোর্স করি তখন আমাদের প্রতিদিন কোন না কোন টপিকে আস্তে আস্তে পড়ানো হত এবং পরীক্ষার আগে যে টপিকগুলো পড়ানো হয়েছে সেগুলো থেকে প্রশ্ন করা হত। যারা প্রতিদিন নিয়মিত পড়াশুনা করত তারা পরীক্ষায় ভাল করত। ঠিক এমনি কাজের ক্ষেত্রেও প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজই দিনশেষে অনেক বড় একটি কাজের রূপ নিতে পারে। আপনার কাজের অংশগুলোকে ভাগ করে নিন। প্রতিদিন লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং সে লক্ষ্য পূরণ করুন। দেখবেন একসময় খুব সহজে কাজটি শেষ করে ফেলেছেন। এতে আপনার উপর বাড়তি চাপ পড়বে না এবং স্বাচ্ছন্দ্যে কাজগুলো করে ফেলতে পারবেন। কাজের চাপ কম থাকলে মানসিকভাবেও শক্তি পাবেন এবং নিজের উপর আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

৬. ইতিবাচক চিন্তা করুনঃ

মানুষ যা কিছু করে তার আগে সে চিন্তা করে। মানুষের চিন্তার উপর কাজ অনেকটা নির্ভরশীল। মানুষ যেভাবে চিন্তা করে কাজও ঠিক সেভাবেই হয়। সফল মানুষদের অন্যতম হাতিয়ার ইতিবাচক চিন্তা। যদি থমাস আলভা এডিসন, আলেক্সজান্ডার গ্রাহাম্বেল কিংবা আইনস্টাইন তাদের আবিষ্কার সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা প্রকাশ না করতেন তবে হয়ত আমরা আজ পিছিয়ে থাকতাম কয়েক যুগ। ঠিক তেমনি প্রত্যেক সফল ব্যক্তিদের ধারণা ছিল ইতিবাচক।

“Keep your thoughts positive because your thoughts become your words. Keep your words positive because your words become your behavior. Keep your behavior positive because your behavior becomes your habits. Keep your habits positive because your habits become your values. Keep your values positive because your values become your destiny.” – Mahatma Gandhi

ইতিবাচক চিন্তা আমাদের ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে সাফল্যের কাতারে এবং আপনার আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে আপনার কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করে। তাই নিজের আত্মবিশ্বাসকে বাড়াতে ইতিবাচক চিন্তা করুন। সকল কাজে নিজের উপর ভরসা রাখুন।

৭. নিজের কাজে সন্তষ্ট থাকুনঃ

আমরা যখন নিজেকে নিয়ে ভাবি তখন চোখের সামনে সব কিছুর আগে নিজের ব্যর্থতাগুলো ভেসে উঠে। এতে নিজের উপর অসন্তষ্টি কাজ করে এবং আস্তে আস্তে হতাশা কাজ করবে।

“Success is peace of mind, which is a direct result of self-satisfaction in knowing you made the effort to become the best of which you are capable.” – John Wooden

নিজের ভাল কাজের কথা ভাবুন। নিজের সফলতার স্মৃতিচারণ করুন, এতে আপনার কাজের গতি বাড়বে, আপনার নিজের উপর বিশ্বাস অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাবে। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ যখন তার সফলতার কথা চিন্তা করে তখন তার মস্তিষ্কে উদ্দীপনা কাজ করে এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। আপনি যখন নিজের কাজের প্রতি পূর্ণ সন্তষ্টি লাভ করবেন তখন আপনার আত্মবিশ্বাসও বাড়বে এবং সে কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

৮. বই পড়ার অভ্যাসঃ

জ্ঞানের বাহক বই। একজন মানুষ বই পড়ে যে পরিমাণ জ্ঞান অর্জন করতে পারে অন্য কোথাও থেকে তা অর্জন করতে পারেনা। বই মানুষের একাকীত্বও দূর করতে সক্ষম। একজন পরিপূর্ণ জ্ঞানী ব্যক্তি হতে হলে অবশ্যই আপনাকে প্রচুর পরিমাণ বই পড়তে হবে।

“Never trust anyone who has not brought a book with them.” – Lemony Snicket

একজন মানুষের মানসিক বিকাশের জন্য বইয়ের বিকল্প কিছু হতে পারে না। আপনি যখন নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস করবেন তখন অনেক বিষয় সম্পর্কে আপনার ধারণা হবে। আপনি যখন কোন বিষয় সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করবেন তখন আপনার ভেতর থেকে কুসংস্কার, হিংসা-বিদ্বেষের মত যাবতীয় মানসিক ব্যধির বিলুপ্তি ঘটবে। এছাড়াও বই পাঠের মাধ্যমে আপনি নিজের সম্পর্কেও স্বচ্ছ ধারণা লাভ করতে পারবেন, যা আপনার আত্মবিশ্বাসকে দৃঢ় করবে।
একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষই পারে তার সর্বোচ্চ সফলতা ধরে রাখতে। একজন সফল ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হলে আপনার নিজের উপর বিশ্বাসটা গাঢ় করতে হবে। যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আপনার আত্মবিশ্বাসটাই আপনাকে সাহায্য করবে। যেকোন ধরনের প্রতিযোগিতায় কিংবা কর্মক্ষেত্রে একজন আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তির সফলতার হার অন্য যেকোন ব্যক্তির থেকে কয়েকগুণ বেশি।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“ বিষয়ক তথ্য পেতে ফলো করুন কথা লাইফ হ্যাকসকে এবং যুক্ত হতে পারেন কথা লাইফ হ্যাকস কমিউনিটিতে- https://community.kotha.app/app/community/preview/kothalifehacks

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

পঁচা ডিম পানিতে ভাসে কেন

◽ পঁচা ডিম পানিতে ভাসার কারন :

পঁচা ডিম পানিতে ভাসে কিন্তু ভালাে ডিম পানিতে ভাসে না তলিয়ে যায় । আসলে ভালাে ডিমের ভেতরে কোন গ্যাস থাকে না । কিন্তু পঁচা ডিমের ভেতর হাইড্রেজেন সালফাইড গ্যাস থাকে । ভালাে ডিমের গড় ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি । তাই ভালাে ডিম পানিতে ছেড়ে দিলে সে যতটুকু পানি অপসারণ করে তার ভর ডিমের ভরের চেয়ে কম । সুতরাং ভালাে ডিম পানিতে ডুবে যায় । অন্যদিকে পঁচা ডিমের ভেতর হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস ভেসে থাকা ডিমের ওপর উর্ধমুখী চাপ প্রয়ােগ করে । সাথে সাথে ডিমের গড় ঘনত্ব কমে যায় । এতটাই কমে যায় , পানির গড় ঘনত্বের চেয়ে কম হয়ে যায় । তাই পঁচা ডিম পানিতে ছেড়ে দিলে সে যে পরিমাণ পানি অপসারণ করে , তার পঁচা ডিমের ভরের চেয়ে বেশি । তাই পঁচা ডিম পানিতে ভাসে ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“ বিষয়ক তথ্য পেতে ফলো করুন কথা লাইফ হ্যাকসকে এবং যুক্ত হতে পারেন কথা লাইফ হ্যাকস কমিউনিটিতে- https://community.kotha.app/app/community/preview/kothalifehacks

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

কিভাবে CGPA নির্নয় করা যায় তার পদ্ধতি

◽CGPA নির্নয় করার পদ্ধতি :

▫️প্রথম নিয়মঃ

আপনার সকল বিষয় ৪ ক্রেডিট মানে ১০০ মার্ক হলে  টোটাল পয়েন্ট যোগ করে মোট বিষয় দিয়ে ভাগ দিলে হবে যেমনঃ
৩+৩.৫০+২.৫০+২.৫০+৩.২৫+৩.২৫=১২ এবার ৬ দিয়ে ভাগ করলে জিপিএ ৩ আসবে…

▫️দ্বিতীয় নিয়মঃ

১.ধরুন আপনার মোট বিষয় ৬ টি….যেমন: হিসাববিজ্ঞান,
ম্যানেজমেন্ট,
মার্কেটিং,
অর্থনীতি,
ফিন্যান্স
এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।

২.হিসাববিজ্ঞানের টোটাল মার্কস হলো ১০০ আর ক্রেডিট ৪।

__ম্যানেজমেন্ট এর মার্কস ১০০ আর ক্রেডিট ৪।
__মার্কেটিং এর টোটাল মার্কস১০০ ক্রেডিট ৪।
__অর্থনীতির টোটাল মার্কস ১০০ আর ক্রেডিট ৪।
__ফিন্যান্স এর টোটাল মার্কস ১০০ ক্রেডিট ৪।
__ইতিহাসের টোটাল মাকর্স ১০০ ক্রেডিট ৪।

__[তাহলে আপনার সর্বমোট ক্রেডিট হল ৪+৪+৪+৪+৪+৪=২৪]

৩. এখন, ধরুন আপনি,,,,
হিসাববিজ্ঞানে B+ (3.25)
ম্যানেজমেন্টে B (3.00)
মার্কেটিং এ B (3.00)
অর্থনীতিতে C (2.25)
ফিন্যান্স এ C+ (2.50)
ইতিহাসে B+ (3.25) পেলেন…..

৪.এখন আপনার কাজ হলো প্রত্যকটা বিষয়ের পয়েন্ট কে ঐ বিষয়ের ক্রেডিট দিয়ে গুন করা।
চলুন করা যাক….
হিসাববিজ্ঞান (৩.২৫ গুন ৪) =১৩
ম্যানেজমেন্ট (৩ গুন ৪) =১২
মার্কেটিং (৩ গুন ৪)=১২
অর্থনীতি (২.২৫ গুন ৪) =৯
ফিন্যান্স (২.৫০ গুন ৪)=১০
ইতিহাস (৩.২৫ গুন ৪)= ১৩

__ আপনার টোটাল পয়েন্ট হলো। (১৩+১২+১২+৯+১০+১৩)=৬৯

৫.এবার টোটাল পয়েন্ট কে, টোটাল ক্রেডিট দিয়ে ভাগ করি। (৬৯/২৪)=২.৮৭৫ বা ২.৮৮(প্রায়) ★★

__উক্ত ২.৮৮ ই হলো আপনার CGPA।

ব্রি : দ্র: যারা ইমপ্রুভ বা রিটেকের পর নতুন পয়েন্ট পেয়েছেন, তারা ঐ বিষয়ের অাগের পয়েন্ট বাদ দিয়ে নতুন টা দিয়ে হিসাব করে নিবেন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“ বিষয়ক তথ্য পেতে ফলো করুন কথা লাইফ হ্যাকসকে এবং যুক্ত হতে পারেন কথা লাইফ হ্যাকস কমিউনিটিতে- https://community.kotha.app/app/community/preview/kothalifehacks

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

কিভাবে GPA নির্নয় করা যায় তার পদ্ধতি

◽GPA নির্নয় করার পদ্ধতি :

★মোট বিষয় আছে ৭ টি। এর মধ্যে ৬ টি বিষয় আবশ্যিক আর ১ টি বিষয় অনাবশ্যিক/ঐচ্ছিক/optional/4th subject. তোমরা তোমাদের প্রতিটি বিষয়ের ফলাফলকে ৩ ভাবে প্রকাশ করতে পারো।
১. নম্বরের মাধ্যমে
২. Gradeএর মাধ্যমে
৩. GP(not GPA)এর মাধ্যমে
তাহলে এখন আমরা দেখে নেই মাধ্যম ৩ টির সম্পর্ক:
( কোনো বিষয়ের নৈর্ব্যক্তিক, সৃজনশীল ও
ব্যাবহারিক অংশে কেবল আলাদা আলদাভাবে পাশ
করলেই নিম্নোক্ত সম্পর্ক কার্যকর হবে)

যে সকল বিষয়ের ১ম ও ২য় পত্র রয়েছে তাদের
ক্ষেত্রে (বাংলা, ইংরেজী……..)

নম্বর-Grade-Gp
160-200A+5.00
140-159A4.00
120-139A-3.50
100-119B3.00
80-99C2.00
66-79D1.00
00-65F0.00

যে সকল বিষয়ের ১ম ও ২য় পত্র নেই তাদের
ক্ষেত্রে(ICT)

নম্বরGradeGp80-100A+5.0070-78A4.0060-69A-3.5050-59B3.0040-49C2.0033-39D1.0000-32F0.00

( কোনো বিষয়ের নৈর্ব্যক্তিক,সৃজনশীল,ব্যাবহারিক
অংশে আলাদা আলদাভাবে পাশ না করলে ঐ
বিষয়ে যে নম্বরই পাও না কেন Grade হবে F এবং
GP হবে 0.00)

▫️চতুর্থ (Optional)বিষয় ছাড়া GPA হিসাব

প্রথমে ৬ টি আবশ্যিক বিষয়ের GP যোগ করে ৬ দিয়ে ভাগ করলে অর্থাৎ গড় করলে পেয়ে যাবা তোমাদের GPA(যেহেতু এখানে আমরা 4th subject এর নম্বর যোগ করিনি তাই এটা হবে GPA without 4th subject)

▫️চতুর্থ (Optional)বিষয় সহ GPA হিসাব

এখন আমরা শিখব কিভাবে 4th subject সহ GPA হিসেব করতে হয়। তোমরা তোমাদের ৬ টি আবশ্যিক বিষয়ে মোট সর্বোচ্চ GP-30.00 পেতে পারো। কিন্তু তোমরা যদি ৬ টি আবশ্যিক বিষয়ে মোট GP-30.00 থেকে কম পাও তাহলে তোমাদের জন্য একটা সুযোগ আছে। সুযোগটা হচ্ছে তোমরা 4th subject থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ GP এখানে add করতে পারো। এখন তোমরা 4th subject থেকে কি পরিমাণ Gp add করতে পারবা সেটা নির্ভর করবে ২ টি বিষয়ের উপর-

১.তোমাদের ৬ টি আবশ্যিক বিষয়ের মোট GP এর
উপর
২.4th subject এর GP এর উপর
তোমরা তোমাদের GP-30.00 না হওয়া পর্যন্ত 4th subject থেকে GP add করতে পারবা। কিন্তু সর্বোচ্চ কি পরিমাণ GP add করতে পারবা তা আবার নির্ভর করবে তোমাদের 4th subject এ প্রাপ্ত GP এর উপর।

চতুর্থ (Optional) বিষয় থেকে যেভাবে GP add হবে

মোটযোগ হবে5.003.004.002.003.501.503.001.002.000.001.000.00

বি.দ্র: GP add করার পর (add করার প্রয়োজন হলে) মোট GP কে ৬ দিয়ে ভাগ করতে হবে (৭ দিয়ে নয়)। আর এই ভাগফলই হবে 4th subject সহ তোমাদের GPA.
★শুধু GPA বলতে 4th subject সহ GPA কে বোঝায়
★এখন আমরা একটি ফলাফলের GPA হিসেব করব:
১.বাংলা ১ম পত্র-৭৭,
২.বাংলা ২য় পত্র-৮০
৩.ইংরেজী ১ম পত্র-৭৫,
৪.ইংরেজী২য় পত্র-৮২
৫.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-৮৮
৬.পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র-৮৮,
৭.পদার্থ ২য় পত্র-৯০
৮.রসায়ন১ম পত্র-৮৩,
৯.রসায়ন ২য় পত্র-৮৫
১০.জীববিজ্ঞান ১ম পত্র-৭৭, ১১.জীববিজ্ঞান ২য় পত্র-৮০,
১২.উচ্চতর গণিত ১ম পত্র-৮৯
১৩.উচ্চতর গণিত ২য় পত্র-৮৬
(উচ্চতর গণিত 4th subject)
৬ টি বিষয়ে মোট GP=28.00
সুতরাং GPA without 4th subject =28÷6=4.67
এখন 4th subject (উচ্চতর গণিত) এ GP=5.00
তাহলএ আমরা সর্বোচ্চ GP-3.00 যোগ করতে পারব এবং সর্বমোট GP-30.00 করার জন্য আমাদের GP-2.00 প্রয়োজন।
4th subject থেকে GP-2.00 যোগ করার পর মোট GP=30.00
সুতরাং 4th subject সহ GPA=30÷6=5.00।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“ বিষয়ক তথ্য পেতে ফলো করুন কথা লাইফ হ্যাকসকে এবং যুক্ত হতে পারেন কথা লাইফ হ্যাকস কমিউনিটিতে- https://community.kotha.app/app/community/preview/kothalifehacks

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন কিভাবে

◽নতুনরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন :

১. ফ্রিল্যান্সিং এ আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সেট করুন।

২. মোটামুটি মানের একটি ল্যাপটপ অথবা ডেস্কটপ কম্পিউটার ক্রয় করুন।

৩. নিদিষ্ট একটি স্কিল বাছাই করে শেখা শুরু করুন। স্কিল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দক্ষদের সহায়তা নিন। আপনার কোন স্কিল শেখার আগ্রহ থাকলে সেটা শেখা শুরু করুন।

৪. কাজ শেখার পাশাপাশি পোর্টফোলিও তৈরি করুন।

৫. পোর্টফলিও শক্তপোক্ত হওয়ার পর, ফ্রিলেন্সিং সাইটগুলোতে আবেদন করা শুরু করুন। সাইটগুলোর নিয়ম অনুসারে আবেদন পক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।

৬. সোস্যাল সাইট গুলোতে নিজের কাজের মার্কেটিং করুন।

৭. নিজের স্কিল আপডেট করার চেষ্টা করুন।

৮. উক্ত স্কিলের সিনিয়রদের সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং সুসম্পর্ক তৈরি করুন। তাদের গাইডলাইনগুলো মেনে চলুন।

৯. হতাশ না হয়ে নিজের উপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে চলুন।

ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আপনার কোন প্রশ্ন অথবা মতামত থাকলে অবশ্যই জানাবেন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“ বিষয়ক তথ্য পেতে ফলো করুন কথা লাইফ হ্যাকসকে এবং যুক্ত হতে পারেন কথা লাইফ হ্যাকস কমিউনিটিতে- https://community.kotha.app/app/community/preview/kothalifehacks

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

আপনি কতটা ম্যাচিউর! বোঝার উপায়

◽আপনি কতটা ম্যাচিউর ৭ টি গুণ দ্বারা সনাক্ত :

বন্ধুদের চায়ের কাপের ঝড় থেকে পারিবারিক আড্ডা কিংবা অফিসের মিটিং, প্রায়ই আপনি আপনার কাজ দ্বারা ম্যাচুউর ইম্যাচুউরের কাঠগড়ায় নিজেকে দাঁড় করিয়ে দিবেন। ঠিক কি করে বুঝবেন আপনি এখনো ম্যাচুউর নাকি ইম্যাচুউর?? নিচের লেখাটির সাথে মিলিয়ে নিন তো আপনাকে!

১. অহেতুক তর্কে লিপ্ত না হওয়া:

একজন ম্যাচুউর আর ইম্যাচুর মানুষের তফাৎটা এখানেই। মানুষ সবসময় তর্কে জিততে চায়। কিন্তু তর্কে জিততে হলে সবসময় তর্ক করতে হয় না। বুদ্ধিমান মানুষ সবসময় অন্যকে জিততে দেয়।

“You can’t argue with stupidity” – – Jermaine Jackson

ধরুন, কেউ একজন ভুল কিছু নিয়ে তর্ক করছে, আপনি তাকে ভুলটা ধরিয়ে দিলেন। কিন্তু তিনি মানতে নারাজ। তিনি তার ধারনাতেই অটল থাকতে চান। এক্ষেত্রে একজন ইম্যাচুউর মানুষ তার সাথে তর্ক করতেই থাকবে, এবং একজন ম্যাচুউর মানুষ তাকে এড়ায় গিয়ে বলবে, “হ্যা ভাই, আমার জানার ভুল থাকতে পারে, বোধ হয় আপনিই ঠিক।”

২. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ:

মনে করুন, কেউ আপনার কোন উপকার করল। আপনি যদি তাকে বলেন, “আমার যে কি ভালো লাগল আপনি আমার জন্য এতটা করলেন!” কিংবা বললেন “আপনাকে কি বলে যে ধন্যবাদ জানাব!” দেখুন ব্যাপারটা আসলে কিছুই না, কিন্তু মুখের দুটো কথাই অনেক কিছু। আপনার সাহায্য কর্তা আপনাকে আবার পুনরায় সাহায্য করতে চাইবে।

“Feeling gratitude and not expressing it is like wrapping a present and not giving it” – William Arthur Ward

তারচেয়েও বড় কথা যখন আপনার কোন কাজের জন্য, আপনার প্রতি কেউ কৃতজ্ঞ থাকবে তখন আপনারো মনে হবে, আপনি সঠিক মানুষকেই সাহায্য করেছেন। এবং ম্যাচুউর মানুষজন এই গুনটি খুবই চমতকার ভাবে রপ্ত করেন।

৩. ক্ষমা করা:

ক্ষমা মহৎ এর লক্ষন একথা আমরা কমবেশি সবাই পড়ি, কিন্তু মানি কজন! একজন ম্যাচুউর মানুষ এটা কখনোই দেখে না, একটা মানুষ কেন ভুল করল। সে সবসময় এটা দেখতে সচেষ্ট থাকে যে, সেই মানুষটা এই ভুল কোন পরিস্থিতিতে করল।

আর একজন ইম্যাচুউর মানুষ কখনোই ক্ষমা করতে জানে না। সে সবসময় ভাবে যে ভুল করে সে ছোট হয়ে যায়, তাই তাকে আর কখনোই দ্বিতীয়বার সুযোগ দেয়া যাবে না।

“The weak can never forgive. Forgiveness is the attribute of the strong” – Mahatma Gandhi

সবসময় একজন বুদ্ধিমান মানুষের উচিত, অন্যের প্রতি সহানূভুতিশীল হওয়া তাকে বোঝা, এবং তাকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেয়া। নাহলে সে কোনদিন আরেকজন ম্যাচুউর মানুষে পরিণত হতে পারে না।

৪. অন্যের জন্য চিন্তা করা:

একজন ম্যাচুউর মানুষ সবসময় অন্যের জন্য চিন্তা করে। একটা কাজ করার আগে, সেই কাজটা তার আশেপাশের মানুষের মানুষের উপর কি প্রভাব পড়বে তাও চিন্তা করে।

একটু লক্ষ করলেই দেখবেন, একজন ম্যাচুউর মানুষ কখনোই পাবলিক প্লেসে সিগারেট ধরাবে না কারণ তা সেখানকার মানুষের জন্য হ্মতিকর হতে পারে। আর একজন ইম্যাচুউর মানুষ সবসময় নিজের চিন্তা করে, নিজের কাছে যেটা ভাল মনে হয় সেটাই করে। কিন্তু এটা আমাদের সবসময় বোঝা উচিত, আমার কাছে যা ভাল অন্য কারো জন্য তা ক্ষতিকর হলেও হতে পারে।

৫. পরিবর্তকে মেনে নেয়া:

আমেরিকায় যখন প্রথম রেললাইন বসানো হয়, তখন আমেরিকার একদল কৃষক বিদ্রোহ ঘোষনা করেন। তারা কর্তৃপক্ষকে বলেন, ট্রেনের বাঁশির শব্দে তাদের গরু গুলো ছোটাছুটি করে হাত পা ভেংগে ফেলছে। তাই তারা রেললাইন চায় না। আজ আমেরিকা বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে একটা অথচ চিন্তা করা যায়! একসময় তাদের দেশের জনগনই ট্রেন চাইত না। যদি এমন হতো তারা কোনদিনই ট্রেন মেনে নিতে পারছে না। তখন কখনোই আমেরিকার উন্নতি সম্ভব হতো না। ট্রেন থেকে মেট্রো, মেট্রো থেকে প্লেন এর সফর তারা মেনে নিয়েছে আর এভাবেই ক্রমান্বয়ে আজ আমেরিকা এত উন্নতির শীর্ষে। কাজেই উন্নত হওয়ার জন্য পরিবর্তন খুবই দরকার।

“Intelligence is the ability to adapt to change” – Stephen Hawking

একজন ম্যাচুউর মানুষ এটা জানে যে পরিবর্তন কতটা দরকার। তাই সে পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত থাকে। কিন্তু একটা ইম্যাচুউর মানুষ সবসময় পরিবর্তনে ভয় পায়।

৬. দায়িত্বশীল হওয়া:

যখন আপনি দেখবেন আপনি দায়িত্ব নিতে শিখবেন, তখন মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করতে চাইবে। মানুষের ভরসা অর্জনের জন্য দায়িত্বশীলতা অনেক বড় একটা গুন।

ধরা যাক, আপনার কোম্পানিতে প্রতিদন্ধী দুজন। তারা দুজনেই প্রোমোশনের জন্য যোগ্য । এখন আপনি কাকে প্রোমশন দিতে চাইবেন! অবশ্যই যে বেশি দায়িত্বশীল তাকে। দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে আপনি আপনার সাফল্যের দিকে কয়েক ধাপ এগিয়ে যান।

“The price of greatness is responsibility” – Winston Churchill

একজন ম্যাচুউর মানুষ এটা জানেন তাই তিনি সব সময় দায়িত্বশীল হন। যে কাজ শুরু করেন সেটী ঠিকভাবে শেষ করেন। তারপর অন্য কাজে হাত দেন। কিন্তু একজন ইম্যাচুউর মানুষ তার কাজের প্রতি একটা গুরুত্বশীল হন না, সে কাজ হেলায় ফেলে রাখে। পরিণামে সে তার লক্ষ্যের থেকে কয়েক ধাপ পিছিয়ে যান।

৭. গুরুত্ব দেওয়া:

একজন ম্যাচুউর মানুষ সবসময় একজন ভালো শ্রোতা হন। সে সব সময় সচেষ্ট থাকেন সামনের মানুষ কি বলে তা জানার জন্য। যখন আপনি কাউকে তার কাজ বা কথার গুরুত্ব দেন তখন সেই মানুষটাও আপনার কাজ বা কথার গুরুত্ব দিতে শুরু করে।

তাই গুরুত্ব পেতে হলে, গুরুত্ব দিতে হয় এটা একজন ম্যাচুউর মানুষ জানেন। কিন্তু একজন ইম্যাচুউর মানুষ সব সময় নিজের কথাটাই জাহির করতে চায়। নিজের কথাই সবসময় শুনায় এবং ভাবতে থাকে যে তার কথাই ঠিক। একজন মানুষ যে সবসময়ই ঠিক হতে পারে না এটা একজন ম্যাচুউর মানুষ জানেন।

নিজের কাঠগড়ায় নিজেকে দাঁড় করানোও কিন্তু এক ধরনের ম্যাচুউরিটির লক্ষণ!

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“ বিষয়ক তথ্য পেতে ফলো করুন কথা লাইফ হ্যাকসকে এবং যুক্ত হতে পারেন কথা লাইফ হ্যাকস কমিউনিটিতে- https://community.kotha.app/app/community/preview/kothalifehacks

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks Uncategorized

চুলের যত্নে ও বৃদ্ধি বাড়াতে পেয়ারা পাতা

◽চুলের বৃদ্ধি বাড়ায় পেয়ারা পাতা :

চুলায় পানি ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে মুঠো ভর্তি পেয়ারা পাতা দিয়ে ২০ মিনিট ফুটান। চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন। অপেক্ষা করুন ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত। শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে নিন। কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন না। প্রাকৃতিক বাতাসে চুল শুকান। প্রায় শুকিয়ে গেলে চুল ভাগ করে নিন। ছেঁকে রাখা পানি চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান। ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। গোড়ার পাশাপাশি চুলেও লাগান দ্রবণটি। ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। চাইলে তোয়ালে দিয়ে জড়িয়ে রাখেত পারেন চুল। কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।

▫️চুলের যত্নে পেয়ারা পাতা ব্যবহার করবেন কেন ?

** পেয়ারা পাতায় রয়েছে ভিটামিন সি যা চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়। চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করার জন্য সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন পেয়ারা পাতা ফোটানো পানি।

** পেয়ারা পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। চুলের রুক্ষতা দূর করতে সাহায্য করে এই উপাদান।

** সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে চুল রক্ষা করে এটি।

** চুলের গোড়ায় রক্ত চলাচল বাড়ে। ফলে চুল দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

** চুলের গোড়ায় জমে থাকা ময়লা, মরা চামড়া, তেল ও খুশকি দূর করে পেয়ারা পাতা ফোটানো পানি।

** চুল নরম ও ঝলমলে করে।

** চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

কোলস্টেরল কমানোর প্রাকৃতিক উপায়

◽প্রাকৃতিক উপায়ে কমিয়ে ফেলুন কোলস্টেরল :

কোলস্টেরলের সমস্যায় ভুগেন বেশিরভাগ মানুষ। অত্যাধুনিক জীবনযাত্রা এবং খাওয়ার অভ্যাস বাড়িয়ে দেয় এই রোগ। কোলস্টেরলের হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই ওষুধ খান। কিন্তু ওষুধ না খেয়েই শুধুমাত্র খাবার খেয়েই কমিয়ে ফেলা যায়। এবার দেখে নিন ঠিক কি কি ধরনের খাবার খেয়ে স্বাভাবিক রাখা যায় …

১. ওট খান

যে সমস্ত খাবারে ফাইবারের পরিমাণ খুব বেশি সেই সমস্ত খাবার খান। নিজের ব্রেকফাস্টে ওট খেতেই পারেন। এতে থাকা ফাইবার আপনার কোলস্টেরল স্বাভাবিক রাখে। যা শরীরের খারাপ কোলস্টেরলের আধিক্য কমিয়ে ভালো কোলস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। ওটের মধ্যে কলা মিশিয়ে খেতে পারনে। কলা কোলস্টেরলের জন্য খুবই উপকারি।

২. মাছ এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড

ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ভালো উৎস হল মাছ। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্ট অ্যাটাকের হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না।

৩. আখরোট এবং আলমন্ড খান

আখরোট এবং আমন্ড কোলস্টেরলের পক্ষে খুবই উপকারি। এগুলি খারাপ কোলস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এতে ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এছাড়া পিনাট, পাইন নাট ইত্যাদিও কোলস্টেরলের পক্ষে খুবই কার্যকরী।

৪. ওলিভ অয়েল

যে কোনও খাবারে ওলিভ ওয়েল মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্টকে সুস্থ রাখে। এতে ফ্যাটের পরিমাণ অনেক কম থাকে। যা কোলস্টেরলের জন্য খুবই ভালো।

৫. শাক

সবুজ জিনিস অথবা শাক শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। এছাড়া কমলা লেবু এবং টক দইও কোলস্টেরল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ভারী খাবার খাওয়ার পরে স্যালাডে খেয়ে নিতেই পারেন লেবু বা শসা।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

মানুষের মস্তিষ্ক সম্পর্কে কিছু তথ্য

◽ মানুষের মস্তিষ্ক :

আসুন মানুষের মস্তিষ্ক সম্পর্কে বিস্ময়কর কিছু তথ্য

🎯পুরুষদের মস্তিষ্ক নারীদের মস্তিষ্কের তুলনায় 10% বড়।

🎯ব্রেইন স্ক্যান দ্বারা দেখা গেছে কোনও ব্যক্তি প্রেমে পড়লে তার মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশ উদ্দীপিত হয়।[

🎯জ্ঞান হল হৃদযন্ত্র ও মন উভয়েরই একটি বিষয়। একটি নতুন গবেষণা অনুযায়ী, আপনার হার্টবিট এর ওঠানামা আপনার জ্ঞানকে প্রভাবিত করতে পারে।

🎯মানুষের আসলে দ্বিতীয় একটি মস্তিষ্ক আছে। অন্ত্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বিতীয় মস্তিষ্ক বা অন্ত্রের মস্তিষ্ক হিসাবে পরিচিত। কারণ এটি মস্তিষ্ক এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতে পারে। এই দ্বিতীয় মস্তিষ্কের কারণেই আপনার অন্ত্রের অনুভূতি আসে।[3]

🎯মস্তিষ্কে উপস্থিত সমস্ত রক্তনালীর দৈর্ঘ্য একসাথে 161,000 কিলোমিটার। যা পৃথিবীকে প্রায় ৪ বার পরিবেষ্টন করতে পারে।

🎯প্রাপ্তবয়স্ক মস্তিষ্কের কোষগুলি আহত হলে তারা ভ্রূণ অবস্থায় ফিরে আসে। তাদের সদ্য গৃহীত অপরিপক্ক অবস্থা কোষের সংযোগগুলিকে পুনরায় বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম হয়। যা সঠিক অবস্থায় এসে হারানো অংশগুলি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।

🎯এটি একা 20-25% শরীরের রক্ত এবং অক্সিজেন গ্রহণ করে। যদিও ওজনে শরীরের মাত্র 2%।

🎯আপনি যত বেশি কঠিন চিন্তা করেন তত বেশি পরিমাণে আপনার মস্তিষ্ক শক্তি এবং অক্সিজেন ব্যবহার করে, যা শরীরের 50% পর্যন্ত হতে পারে।

🎯নিউরন হল দেহের দীর্ঘতম এবং সবচাইতে দীর্ঘজীবী কোষ। এদের কিছু পুরো জীবনকাল বেঁচে থাকতে পারে।

🎯প্রাপ্তবয়স্ক মস্তিষ্কে প্রায় 86 বিলিয়ন নিউরন থাকে। প্রতিটি নিউরন আরও 10,000 টি নিউরনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।[5]

🎯মানব মস্তিষ্ক একটি সুপার কম্পিউটারের চাইতেও বেশি জটিল।

🎯মানব মস্তিষ্কের প্রায় 60% হল চর্বি, এটি মানবদেহের সবচেয়ে ফ্যাটযুক্ত অঙ্গ হিসাবে পরিচিত।

🎯জাগ্রত অবস্থায় মস্তিষ্ক 20 ওয়াট পর্যন্ত শক্তি উৎপন্ন করে, যা একটি ছোট বাল্ব জ্বালানোর পক্ষে যথেষ্ট।

🎯মানুষের conscious mind ঘুমালেও subconscious mind কখনও ঘুমায় না। ঘুমানোর সময় এই subconscious mind এর কার্যকলাপের কারণেই আপনি স্বপ্ন দেখেন।

🎯মানব মস্তিষ্ক 1000TB (1TB= 1024GB) পর্যন্ত ডাটা ধারণ করতে পারে!

🎯বেশিরভাগ মানুষ জাগার পর তাদের স্বপ্নের 5% প্রথম 5 মিনিটে এবং 90% স্বপ্ন 10 মিনিটের মধ্যে ভুলে যায়।
প্রায় 12% মানুষের স্বপ্নগুলি সাদা-কালো হয়।

🎯একজন মানুষের দিনে 70,000 টা চিন্তা থাকতে পারে! এই 70,000 এর মধ্যে অনেক চিন্তাভাবনা প্রকৃতপক্ষে বারবার লুপ করছে।

মস্তিষ্ক মানব দেহের সবচেয়ে জটিল এবং রহস্যময় অঙ্গ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

Happy New Year 2021 Everyone!!

Categories
Life Hacks

বড়দিন একটি বাৎসরিক খ্রিস্টীয় উৎসব।

◽বড়দিন বা ক্রিসমাস খ্রিস্টীয় উৎসব :

বড়দিন বা ক্রিসমাস একটিবাৎসরিক খ্রিস্টীয় উৎসব। ২৫ ডিসেম্বর তারিখে যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে এই উৎসব পালিত হয়। এই দিনটিই যিশুর প্রকৃত জন্মদিন কিনা তা জানা যায় না। আদিযুগীয় খ্রিস্টানদের বিশ্বাস অনুসারে, এই তারিখের ঠিক নয় মাস পূর্বে মেরির গর্ভে প্রবেশ করেন যিশু। সম্ভবত, এই হিসাব অনুসারেই ২৫ ডিসেম্বর তারিখটিকে যিশুর জন্মতারিখ ধরা হয়।[২] অন্যমতে একটি ঐতিহাসিক রোমান উৎসব [৩] অথবা উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ অয়নান্ত দিবসের অনুষঙ্গেই ২৫ ডিসেম্বর তারিখে যিশুর জন্মজয়ন্তী পালনের প্রথাটির সূত্রপাত হয়।[৪] বড়দিন বড়দিনের ছুটির কেন্দ্রীয় দিন এবং খ্রিষ্টধর্মে বারোদিনব্যাপী খ্রিষ্টমাসটাইড অনুষ্ঠানের সূচনাদিবস।[৫] প্রকৃতিগতভাবেএকটি খ্রিষ্টীয় ধর্মানুষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও, একাধিক অ-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ও মহাসমারোহে বড়দিন উৎসব পালন করে।[ ][৬] এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে উৎসবের আয়োজনে প্রাক-খ্রিষ্টীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়ভাবনার সমাবেশওদেখাযায়উপহারপ্রদান, সংগীত, বড়দিনেরকার্ড বিনিময়, গির্জায় ধর্মপাসনা,ভোজ,এবং বড়দিনেরবৃক্ষ, আলোকসজ্জা, মালা,মিসলটো, যিশুর জন্মদৃশ্য, এবং হলি সমন্বিত এক বিশেষ ধরনের সাজসজ্জার প্রদর্শনী আধুনিককালে বড়দিন উৎসব উদযাপনের অঙ্গ। কোনো কোনো দেশে ফাদার খ্রিষ্টমাস (উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্যান্ডে সান্টাক্লজ) কর্তৃক ছোটোদের জন্য বড়দিনে উপহার আনার উপকথাটি বেশ জনপ্রিয়।[৭]উপহারপ্রদানের রীতিটিসহ বড়দিন উৎসবের নানা অনুষঙ্গ খ্রিষ্টান ও অ-খ্রিষ্টানদের অর্থনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই উৎসব উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয়ের একটি বিশেষ মরসুম চলে। বিগত কয়েকটি শতাব্দীতে বিশ্বে বিভিন্ন অঞ্চলে বড়দিনের অর্থনৈতিক প্রভাবটি ধীরে ধীরে প্রসারিত হতে দেখে গেছে। ভারত ও বাংলাদেশে বড়দিন একটি রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

১৯৭১ এবং ২০২১ এর ক্যালেণ্ডার

◽১৯৭১ এবং ২০২১ এর ক্যালেণ্ডার হুবহু এক :

◽গাণিতিক ব্যাখ্যা :

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ ফিরে গেলাে তার জন্মবর্ষে ৷ এটার কারণ হলাে : লক্ষ্য করুণ , ১৯৭১ সালের প্রথম দিন শুক্রবার ১৯৭১ আর ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বছরের পার্থক্য । আর লীপ ইয়ার ১২ টা । তাহলে দিনের পার্থক্য = ৫০x৩৬৫ + ১২ + ১ = ১৮২৬৩ এই দিনের পার্থক্য ৭ দিয়ে বিভাজ্য ( সপ্তাহের ৭ দিন ) যার জন্য ১৮২৬২ দিন পরে , অর্থাৎ ১৮২৬৩ তম দিনে আবার ১ তারিখে শুক্রবার হবে ! তার মানে গােটা পঞ্জিকাই রিপিট করবে ৷

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস

◽ স্বাধীনতা শব্দটি যেভাবে আমাদের হলো :

১৬ই ডিসেম্বর কী? এই প্রশ্নটা শুনলে তুমি হয়তো চট করে উত্তর দিয়ে দেবে যে ১৬ই ডিসেম্বর হলো আমাদের বিজয় দিবস। তবে তোমার কি মনে হয় সবার উত্তর একটাই হবে? যদি ভেবে থাকো একই তো হবার কথা, তবে কিন্তু তুমি ভুল। কারণ মুক্তিযুদ্ধ যেমন একেকজনের কাছে একেকরকম, তেমনি বিজয়ের দিনটাও একেকজনকে একেকভাবে ছুঁয়ে গেছে। আমরা এই ব্লগে চেষ্টা করবো এমন কিছু উত্তর শোনার যা দিয়ে দিয়ে আমরা বিজয়কে বুঝতে পারবো তাদের চোখে। এবং মুক্তযুদ্ধকালীন সময়ে আমাদের মত কিশোর-কিশোরী দুজন মুক্তিযোদ্ধার বিজয়ের পেছনের কাহিনী শুনবো। তবে চলো শুরু করা যাক।

প্রথমেই আমি কয়েকজনের গল্প তোমাদের বলতে চাই। এই গল্পগুলো হয়তো অনেক বিখ্যাত না। বা এই গল্পগুলো দিয়ে হয়তো কোন বই কিংবা সিনেমা বানানো হয়নি। তবে এই গল্পগুলোও বিজয়ের পেছনের। হয়তো এই গল্পের মাধ্যমে তুমি তাদের চোখে ১৬ই ডিসেম্বর কিংবা বিজয় দিবস কেমন তা বুঝতে পারবে।

একজন কিশোর। সবে কলেজে উঠেছে মাত্র। অনেকে অনেক নামে তাকে চিনলেও ভালো নাম শাহজামান। পড়ছে গভর্নমেন্ট জিন্নাহ কলেজে (বর্তমান তিতুমীর কলেজ)। বাসা থেকে বের হতে দেয় না বলে সে ইকবাল হলে এসে আস্তানা গাড়লো। শাহজামানের পরিকল্পনা ছিলো দেশে যদি যুদ্ধ শুরু হয় তবে একদম প্রথমেই অংশ নেবে সে। কারণ? কারণ একটাই, প্রতিশোধ। চোখের সামনে একের পর এক অন্যায় আর নির্যাতন দেখেও কিছু করতে পারছিলো না সে। ইকবাল হলে থাকায় ৭ই মার্চ পল্টনের রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ভাষণের সময় উপস্থিত হতে তার বেগ পেতে হয়নি।

স্বশরীরে বজ্রকণ্ঠে আবারো পাক হানাদারদের নির্যাতনের কথা শুনল শাহজামান। যখন সেই হুংকার শুনল ‘আর যদি একটি গুলি চলে, আর যদি আমার লোকদের হত্যা করা হয়…’। কিশোর বয়সী সেই শাহজামানের মাথায় রক্ত উঠে গেলো। তরুণ মন আর ১৮ বছর বয়স শাহজামানকে ডাকছে প্রতিবাদের জন্য, তা খুব ভালোই টের পাচ্ছিলো সে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত সেই কবিতা ‘এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে” যেন জীবন্ত হয়ে উঠলো।

তার একজন সহপাঠী, যে কিনা যুদ্ধে যাবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলো, তার বাড়িতে গেলো ছেলেটি। কিন্তু যুদ্ধের কথা শুনতেই সিংহ মনোভাবের বন্ধু হঠাৎই বেড়াল হয়ে গেলো। শাহজামান রাগ করে সেখান থেকে বেরিয়ে বাড়ি এসে বললো, আমি যুদ্ধে যাবো। এরকম নির্যাতন আমার বসে বসে দেখা সম্ভব না। সেই কিশোর বীরের বেশে ঘর থেকে বেরোলেন নির্যাতনের প্রতিবাদ জানানোর জন্য।

শাহজামান ট্রেনিং-এর জন্য গেলেন। দুই দিন অভুক্ত থাকার পর ট্রেনিং ক্যাম্পে গিয়ে আক্ষরিক অর্থেই এক থালা ডাল-ভাত পেটে চালান করে দিয়ে তিনি যেন অমৃত স্বাদ পেলেন। সেই সাথে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো প্রতিবাদের আগুন।

বয়স কম হওয়ায় তাকে বড় অপারেশনে দেয়ার জন্য দ্বিধাবোধ করা হচ্ছিলো। কিন্তু তিনি কিশোর হলে কী হবে! তিনি ছিলেন অনবদ্য। সুকান্তের সেই ক’টা লাইন।

“আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ

র্স্পধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,

আঠারো বছর বয়সেই অহরহ

বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি”

শাহজামান নিজে একটি অপারেশনেই মাটির তলায় মাইন পুঁতে পাকিস্তানি পাঁচটি আর্মি ভ্যান ও বাস উড়িয়ে দেন। সম্মুখ যুদ্ধে নির্ভিকভাবে করেছেন সফল সব আক্রমন। অংশ নেন একাধিক অপারেশনে। ছোটবেলায় শিকারী বাবার কাছে শেখা শটগান চালানোটা যুদ্ধক্ষেত্রে হয়ে উঠলো ঐশ্বরিক বিদ্যা। বিস্ফোরণ দ্রব্যাদি সম্পর্কেও ছিলো সম্যক ধারণা। যুদ্ধে গিয়েছিলেন বীরের বেশে। ফিরেছেন একই ভাবে।ডিসেম্বর শুরু। একে একে খবর আসছে বিভিন্ন জায়গা থেকে হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হচ্ছে সব জায়গা। ঢাকায় তখনও সন্দেহের অবকাশ। হঠাৎই ১৫ তারিখ শোনা গেলো মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করবে পাকিস্তানীরা। কলেজে পড়ুয়া কিশোর শাহজামান মজুমদারের ঠোটে বীরের হাসি। তিনি আসলে বীরই বটে। এখনও তিনি ঢাকায় বীরের বেশে ঘুরে বেড়ান। তার সম্পর্কে আরো জানতে পারো এই ওয়েবসাইট থেকে। বুঝতেই পারছো যুদ্ধের চার দশক পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো কিং অব ঢাকা!

শাহজামান মজুমদার। বীর প্রতীক উপাধীতে ভূষিত হওয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁঁর কাছে ১৬ই ডিসেম্বর মানে প্রতিশোধ নেয়ার স্বাদ বারবার ফিরে পাওয়া।

এবার চলো আরেক টিনএজারের যুদ্ধে যাওয়ার গল্প শুনি। বয়স তার উনিশ তখন। সালটা ছিলো একাত্তর। জন্ম চট্টগ্রামে হলেও আট বছর বয়সেই ঢাকা চলে আসে পরিবারসহ। থাকা হতো রাজধানীর আজিমপুরে। এখনকার লালবাগ ও আজিমপুরের শেষ মাথায় ওয়েস্টার্ন হাইস্কুলে পড়েছেন মাধ্যমিক। উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য পরে ভর্তি হয়েছিলেন ঢাকা কলেজে। তবে ঠিক তখনই বেজে উঠলো স্বাধীনতা যুদ্ধের দামামা। ক্লাসের সুবোধ বালক দিলু কখনোই ছিলো না। অনবদ্য কিশোর দিলুর মনে শুধু আনচান। এরমধ্যে যদি যুদ্ধের ডাক পড়ে তবে কি আর তাকে ঘরে বেঁধে রাখা যাবে?

যখন বয়স আরো কম তখনও যেতেন নিয়মিত মিছিলে। ১৯৬৯ সনের ১১ দফা দাবী আন্দোলনের যেই মিছিলে আসাদ শহীদ হন, সেখানে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন দিলু। বয়স তখন মাত্র ষোলো। ভালো নাম মজিবুর রহমান হলেও সবাই ডাকে দিলু। কলেজে উঠতেই প্রায় প্রতিদিনই মারামারি করার অভিযোগ আসতো বাসায়। বাবা একসময় বিরক্ত হয়েই বলে ফেললেন, মারমারি করে কান্ড ঘটাও। কত ছেলেই তো যুদ্ধে যায়, তবে বিদ্যাটা সেখানে না হয় কাজে লাগাও। এই ছোট্ট কথাকেই সিরিয়াস ভেবে সাত বন্ধুর এক জোট করে রওনা হয় মজিবুর রহমান দিলু। বাচ্চাদের এই দলের গন্তব্য জানা নেই। তবে উদ্দেশ্য দেশ স্বাধীনে অংশ নেয়া।

কবিগুরু বলেছেন, ‘সহজ কথাও যায় না বলা সহজে’। যেখানে সহজ কথাই সহজে বলাই যায় না সেখানে কাজে কতটা কঠিন তা তো নিখাদ কল্পনাই করা যায়। এখানেও তাই ঘটলো। ঝোঁকের মাথায় যুদ্ধ যাত্রায় প্রথমেই ধাক্কা খেলো বড়সড় ভাবে। ট্রেনিং ক্যাম্পে যাবার জন্য টানা এক সপ্তাহ হাঁটতে হলো তাদের। তার উপর দিতে হবে সীমান্ত পাড়ি। চেনা নেই পথ। দলের কয়েকজন অসুস্থও হয়ে পড়লো। তাও এই দুর্বল দল নিয়েই দিলু গিয়ে পৌঁছুলেন কোলকাতায়। সেখান থেকে মেলাঘর পাড়ি দিয়ে দুই নম্বর সেক্টরের খালেদ মোশাররফের দলে যোগদান করলো।১৯৭১ সনের জুলাইয়ের দিকে ট্রেনিং শেষ করে সাভারে অস্ত্র লুকিয়ে বাড়িতে ফেরে দিলু। কিন্তু এ কী! বাড়িতে কেউ নেই। নেই কোন ঠিকানা। এ অবস্থায় প্রায় দিকভ্রান্ত হয়ে ঘুরতে থাকে বাউন্ডুলে দিলু। এজন ওজন মারফত পেয়ে যায় নতুন ঠিকানা। সারাক্ষণ মারামারি আর দুষ্টুমিতে লেগে থাকা কিশোরটি মাকে জড়িয়ে কাঁদলো অনেকক্ষণ। কান্না শেষে মাকে বললো, আমার মত দুষ্টু দিলু একজন না থাকলে কিছুই হবে না। বিদায়!

এই দুষ্টু ছেলেটিই দেশের জন্য যুদ্ধ করেছে ১৬ই ডিসেম্বরের দুপুর পর্যন্ত। ১৬ তারিখ ভোরে তিনি জানতে পারেন আজ নাকি পাকিস্তানীরা আত্মসমর্পন করবেন। তাই বেশ খুশি মনেই বেরিয়ে যান। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে এক কমান্ডারের সন্ধান পান। তাকে একাই আত্মসমপর্ণ করাতে বাধ্য করেন এই কিশোর বয়সী দিলু। বিজয়ের আনন্দ করার জন্য অনেকে মিলে একটি জিপে উঠে পড়েন। নীলক্ষেত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পার হয়ে যখন শাহবাগের দিকে এগুচ্ছিলো জীপ, ঠিক সেই মুহুর্তেই আর্মি কন্ট্রোলরুম থেকে বৃষ্টির মত গুলি বর্ষণ শুরু হয়। বর্তমানে যেটা শাহবাগের পুলিশ কন্ট্রোল রুম।

সেকেন্ডের মাঝেই জিপ ফাঁকা হয়ে যায়। স্টেনগান হাতে দিলু একা হতভম্ব হয়ে বসে আছেন। তবে কি বিজয়ের খবর মিথ্যে? ৭১ সাল পুরোটা যুদ্ধে বিসর্জন দেয়া দিলুর মনে বিজয়ের হাতছানি দিচ্ছিলো ঠিকই। কিন্তু তিনি বুঝতে পারলেন, তার সময় শেষ। হয়তো আজ দিনটা বেঁচে থাকলে দেশের স্বাধীনতা দেখে যেতে পারতেন তিনি। আর্মিদের হাতে মেশিনগান। গোটা বিশেক তো হবেই। আর একা দিলুর হাতে মামুলি স্টেনগান। পেছনে ফেরার পথ নেই। চোখ বুজে সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে বর্তমানে জাতীয় জাদুঘরের ওখান থেকে দিলেন দৌড়। পুরো ফাঁকা রাস্তায় একা দৌড়ে গেলেন পিজি হাসপাতালে। প্রতি মুহুর্তে মনে হচ্ছিলো একটা না; বরং হাজারো বুলেটে ঝাঁঝড়া হয়ে যাবেন তিনি।

কিন্তু তিনি বেঁচে ফিরেছেন। আজকের জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব সেই টগবগে কিশোর মজিবুর রহমান দিলু। ১৬ই ডিসেম্বর মানে যার কাছে একইভাবে এক ভয়াল স্মৃতি এবং বেঁচে থেকে বিজয় দেখার উদ্দীপনা।

সুতরাং আমরা দু’জন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখেই বুঝলাম ১৬ই ডিসেম্বর মানে হয়তো সবার কাছে এক নয়। কারো কাছে সেটা আনন্দের বিজয় আবার কাছে কষ্টের। তবে সবার কাছেই বীরত্বের এক বিজয়। মাথা তুলে দেখানোর দিবস।

ডিসেম্বর মাস মানেই বছর শেষ। বছর শেষ মানে পরীক্ষাও শেষ। আর পরীক্ষা শেষ মানেই ছুটি! এই ছুটির ফাঁকে তোমরা যেসব বই পড়বে আর সিনেমা দেখে নেবার কথা ভাবছো তার তালিকায় যুক্ত করতে পারো মুক্তিযুদ্ধের বেশ কিছু তথ্যনির্ভর বই ও চলচিত্র। যদিও অনেক অনেক ভালো বই ও সিনেমা রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে। তবে তোমাদেরকে হাতেগোনা দু’টো সিনেমার কথাই বলছি। এর পাশাপাশি অন্যসব দেখে ফেললেও মন্দ হবে না।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সিনেমা মানেই একঘেয়েমি ঘটনা নয় তার প্রমান রয়েছে বেশ কিছু সিনেমায়। তবে অনেকে সেগুলো দেখেছো আবার অনেকের চোখে হয়তো পড়েনি। তার মধ্যে বেশ অন্যরকম দু’টো সিনেমার কথা বলি সংক্ষেপে।

▫️মেঘমল্লার

তোমরা যারা কলেজে পড়ছো তারা হয়তো ইতিমধ্যেই তোমাদের বাংলা বইতে ‘রেইনকোট’ গল্পটি পড়ে ফেলেছো। গল্পটির কলেবর ছোট হলেও এর গভীরতা পাঠকের মন ছুঁয়ে যায় সহজেই।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের রচনা করা ছোটগল্প ‘রেইনকোট’ অবলম্বনেই মূলত তৈরি হয়েছে ‘মেঘমল্লার’ সিনেমাটি। বাংলাদেশ সরকারের জারীত চলচ্চিত্র অনুদানের সহায়তায় নির্মিত ছবিটি মুক্তি পায় ২০১৪ সালে। ঘটনায় দেখা যায়, মূল চরিত্র নুরুল হুদা মফস্বল একটি শহরের সরকারী কলেজের শিক্ষক। তাঁর শ্যালক কাউকে না জানিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলে বিপাকে পড়ে যান তিনি নিজে। জীবন সংকট অবস্থা। এদিকে একদিন বৃষ্টিমুখর এক সময়ে তার বাড়িতে থাকা রেইনকোটটি ভাইকে পড়িয়ে দেন নুরুল হুদার স্ত্রী আসমা। সেই দিনই তিনি পাক-হানাদার বাহিনীর হাতে পড়ে যান। এবং তারপর?

▫️হাঙর নদী গ্রেনেড

বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের লেখা একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাসের নাম হলো ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’। উপন্যাস হিসেবে বের হলেও এটি একটি বেদনাদায়ক সত্য গল্পের উপর রচিত উপন্যাস। একজন মায়ের দৃঢ়তা ও সাহসিকতার দৃশ্য ফুটে উঠেছে সিনেমাটিতে।

সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন প্রয়াত পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। মূলত লেখিকা সেলিনা হোসেন নিজের চোখে দেখা এক মায়ের গল্পই উপন্যাসে রূপ দিয়েছেন। এখানে এমন এক গল্প রয়েছে যাতে মায়ের গর্ভে জন্ম নেয়া এক শিশুর মুখে কখনোই মা ডাকটি শুনেনি মমতাময়ী মা। কারণ তার পুত্র রইস ছিলো জন্ম থেকেই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। যুদ্ধ শুরু হলে তার বড় ছেলে সলীন যুদ্ধে যোগ দেয় আর বাড়ি দেখভালের জন্য থেকে যান কলীম। এদিকে মুক্তিযোদ্ধা সলীমকে না পেয়ে কলীমকে নির্যাতন করে হত্যা করে মায়ের চোখের সামনেই। এদিকে মা প্রতিবন্ধী রইস নিয়ে জীবনের এক কঠিন সমীকরণের মুখে পড়ে যায় মা। সিনেমাটি দর্শকের মন খুব গভীরভাবে স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছে। চাইলে তুমি পুরো চলচিত্রটি দেখে নিতে পারো ইউটিউবেই।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

Center tapped transformer এর কয়েল

◽ কয়েলের অবস্থান ও সুবিধা :

◽পর্ব : ০৩

▫️প্রশ্নঃ এক কয়েল 0-12V এর উপর দ্বিগুন বা দুই কয়েলের 6V-0-6V সম পরিমান লোড চাপালে কি ঘটবে?

▫️উত্তরঃ

বিষয়টি একটু গভীর থেকে দেখি- (6V-0-6V) Transformer হওয়ার কারনে, ক্লক এবং এন্টি ক্লকওয়াইজ দুটি আলাদা কয়েল ৷ প্রতি কয়েলে আলাদা হাফ সাইকেল সুইচিং হচ্ছে বলে, আউটপুটের লোড ma, দুই কয়েলে সমান শেয়ারিং হচ্ছে। Transformer ডিজাইনে তারের গেজ এই হিসাবেই নির্বাচন করা হয়৷ যদি (0-12V) একটি কয়েলের উপর দুটি হাফ সাইকেলের কারেন্ট প্রবাহিত হয় তাহলে, ঐ কয়েলের উপর লোডের চাপটাও দ্বিগুন হয়৷ এতে ঐ তারের সর্বোচ্চ সহন ক্ষমতা অতিক্রম করবে, ফলে ট্রান্সফরমারটি গরম হবে এবং দীর্ঘক্ষন চললে পুড়ে নষ্ট হবে৷

তাই নির্দিষ্ট ma লোডের জন্য Center tap এবং Non center tap Transformer ডিজাইনে ক্ষেত্রে সেকেন্ডারী কয়েলের তার দুই রকম হয় ৷

প্রশ্নঃ Full cycle, Half cycle, Zero crossing, Rising edge,falling edge, peak Value বলতে কি বুঝি?

উত্তরঃ

ওয়ান সাইকেল (One cycle) বা ফুল সাইকেল (Full cycle):

Sine wave এর নিয়মানুযায়ী wave (তরঙ্গ) এর বিস্তার (Ampltude) 0॰ থেকে শুরু করে পজেটিভ অভিমুখে Peak value 90॰ পর্যন্ত উর্ধ্বমুখি(Rising) হয়ে আবার নিম্নমুখি হয়ে 180॰ অতিক্রম করে নেগেটিভ অভিমুখে Peak value 270॰ পর্যন্ত উর্ধ্বমুখি হয়ে আবার নিম্নমুখি (falling) হয়ে 360॰ তে এসে একটি সম্পূর্ন চক্রে আবর্তিত হয় ৷ এইভাবে 0॰ থেকে 360॰ পর্যন্ত এই সম্পূর্ন চক্রটিকে one cycle বা Full cycle বলা হয় ৷

রাইজিং এজ (Raising edge):

যে প্রান্ত হইতে তরঙ্গ(wave) পজেটিভ ও নেগেটিভ অভিমুখে উর্ধ্বমুখি হতে শুরু করে, শুরুর ঐ প্রান্তটিকে Rising edge বলে ৷ ( উদাহরন পজেটিভ Half cycle এ 0॰ এবং নেগেটিভ Half cycle180॰ ঐ প্রান্ত )

ফলিং এজ (Falling edge):

তরঙ্গ(wave) পজেটিভ ও নেগেটিভ অভিমুখে 90॰ থেকে নিম্মমুখি হয়ে যে প্রান্তে শেষ হয়, শেষের ঐ প্রান্তটি falling edge বলে ৷ (উদাহরন পজেটিভ Half cycle 180॰ এবং নেগেটিভ Half cycle 360॰ ঐ প্রান্ত )

হাফ সাইকেল (Half cycle):

পজেটিভ এবং নেগেটিভ অভিমুখে প্রতি 180॰ দুরত্ব অতিক্রম করাকে half cycle বলা হয় ৷ (উদাহরন 0॰ থেকে 180॰ এবং 180॰ থেকে 360॰ দুটি আলাদা Half cycle )

জিরো ক্রসিং (Zero crossing):

প্রতিটি Half cycle(180॰) আবর্তিত হয়ে যে বিন্দুতে প্রান্তবদল করে, অর্থাৎ পজেটিভ Direction থেকে নেগেটিভ Direction এ পরিবর্তিত হয় ঐ বিন্দুটিকে Zero crossing বলা হয় ৷

(উদাহরন 0॰, 180॰ ও 360॰ হল জিরো ক্রসিং)

পিক ভ্যালু (Peak value):

পজেটিভ ও নেগেটিভ Half cycle এ তরঙ্গ(wave) আনুভুমিক ভাবে শুরু থেকে উর্ধ্বমুখি(Rising) হয়ে 90॰ বিন্দুতে পৌঁছায়,এই 90॰ কে peak value বলা হয় ৷ উদাহরণঃ 90॰ এবং 270॰ peak value

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

Center tapped transformer এর কয়েল

◽ কয়েলের অবস্থান ও সুবিধা :

◽পর্ব : ০২

▫️প্রশ্নঃ একই transformer দিয়ে 6V-0-6V 600ma এবং 0V-12V এর বেলায় 300ma হয়? এই পার্থক্য কেন হয় ?

▫️উত্তরঃ

center tapped transformer 6V-0-6V এর বেলায় আলাদা দুটি কয়েল থাকে, প্রতি কয়েলে Half cycle(10ms) অন্তর সুইচিং (Current Flow) হয়। ফলে ঐ তারের Efficiency বা সক্ষমতা দ্বিগুন হয়। তাই দুই কয়েল একত্রে বেশী কারেন্ট দিতে পারে৷ ঐ একই transformer কে যদি Center tap বাদ দিয়ে 0-12V করা হয়,তখন একটি কয়েলে রুপান্তর হয়৷ ঐ একই size এর তারের উপর Full cycle বা দুটো Half cycle + Half cycle সুইচিং (current flow) হয়। ফলে তারের Efficiency বা সক্ষমতা, 6V-0-6V এর তুলনায় কম হয়, এবং তা অর্ধেক হয়ে যায়৷ তাই কারেন্ট রেটিংও কম হয়, অর্ধেক৷ এই জন্যই 6v-600ma আর 12V 300ma হয় ৷

প্রশ্নঃ Center tapped transformer (6V-0-6V) এর প্রতিটি কয়েল যদি প্রতি Half cycle এ 600ma দেওয়ার ক্ষমতা রাখে,তাহলে দুটি কয়েল একত্রে Full cycle এ 600ma ই দেয় কেন? (600ma+600ma) বা 1200ma হয় না কেন? এবং 1200ma লোড দিলে কি হবে?

উত্তরঃ

এই জন্য যে, এক প্রান্তে প্রতি Half cycle(10ms) বা 180॰ অন্তর অন্তর 600ma দিচ্ছে ৷ অন্যভাবে বলা যায় প্রতি Full cycle এ 180॰ বা Half cycle(10ms) missing হচ্ছে ৷ এই (10ms) missing সময়ে অন্য প্রান্ত আবার 600ma দিচ্ছে, তাহলে কি দাড়াল, Continuous current শর্ত অনুযায়ী দুই প্রান্ত মিলিয়ে 600ma ই পাচ্ছি ৷

1st Coil + 2nd Coil অনুযায়ী প্রতি Half cycle + Half cycle = Full cycle এ যে সমীকরন দাড়ায় তাহল…. 0+600ma = 600ma+0 = 600ma = Full cycle(10ms+10ms) = Maximum Current Rating.

একটু খেলার ছলে বুঝিঃ

আসুন এবার একটু খেলার ছলে বুঝতে চেষ্টা করি ৷ এখানে দুটি মানুষ আছে,মনে প্রতিটি মানুষের হাতে সর্বোচ্চ 10kg নেওয়ার ক্ষমতাই রাখে ৷ দুইজন মানুষ একজনের ডান হাত অন্যজনের বাম হাত ধরে পাশাপাশি দাড়িয়ে আছে, দুটি কয়েল সিরিজ সংযোগের মত ৷ খেলার শর্ত হল দুইজন মানুষের দুইপাশের দুটি হাতের মধ্যে, একজনের ডান হাতে ১টি 10kg ওজনের একটি বল দেওয়া হবে,ঠিক ঐ সময়ে অন্যজনের বাম হত খালি থাকবে ৷ আবার কিছু সময় পর একজনের ডান হাতের বলটি তুলে নেওয়া হবে, তখন অন্যজনের বাম হাতে 10kg ওজনের আরেকটি বল দেওয়া হবে, তখন ডান হাত খালি ৷ একসঙ্গে দুটি বল দেওয়া হবে না ৷ এভাবে পর্যায় ক্রমে চলতে থাকবে ৷ এখন যে কোন সময় আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় ঐ মানুষ দুটির হাতে কয়টি বল এবং ওজন কত ? নিশ্চয়ই এক বাক্যে বলবেন ১টি বল এবং ওজন 10kg ৷ নিশ্চয়ই বলবেন না 10kg+10kg=20kg কারন এক সাথে মানুষ দুটির হাতে দুইটি বল কখনই দেওয়া হয় নি।

যদি খেলার নিয়ম ভেঙ্গে 20kg ওজনের বল দেওয়া হয় তাহলে, কিছুক্ষন পর লোকদুটি কুঁজো হবে তারও কিছু সময় পর লোকদুটি ভার সইতে না পেরে বসে পড়বে ৷ কারন লোকদুটির হাতে সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা ছিল 10kg ৷

এখানে কিছু সময়ের জন্য 20kg ধরে রাখার ক্ষমতাকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা বলা যায় না ৷ এখানে প্রতি মানুষকে ট্রান্সফরমারের একটি কয়েল ভাবতে পারি ৷

দুইজনের দুই পাশের দুটি হাতকে ট্রান্সফরমারের দুটি কয়েলের দুই প্রান্ত এবং মিলিত(সংযোগকৃত) হাত দুটি একত্রে সেন্টার ট্যাপ ভাবতে পারি ৷ বল পরিবর্তন সময়কে Half cycle(10ms) ও সর্বোচ্চ ভার বহন(10kg) ক্ষমতাকে কারেন্ট রেটিং ভাবতে পারি ৷

প্রশ্ন ৫: 0-12V 300ma transformer এর দুই টার্মিনাল দিয়ে AC তরঙ্গ পজেটিভ Half cycle এবং নেগেটিভ Half cycle অর্থাৎ Full cycle কিভাবে প্রবাহিত হয়?

উত্তরঃ

0-12V transformer (এক কয়েল) এর বেলায় দুই টার্মিনালে Wave sequence অদলবদল বা interchange পদ্ধতিতে Full cycle প্রবাহিত হয়৷

একটু ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করি। মনে করি সেকেন্ডারী কয়েলের এক টার্মিনাল “A” এবং অন্য টার্মিনাল “B” ধরি৷ প্রথম পজেটিভ Half cycle(180॰) তে টার্মিনাল “A” Rising Edge দিয়ে (0V) অন্যদিকে “B” Falling edge দিয়ে (+V) প্রবাহিত হয় ৷ আবার Zero crossing পরবর্তি নেগেটিভ Half cycle (180॰) তে ঠিক উল্টোভাবে টার্মিনাল “B” Rising edge দিয়ে(0V) অন্যদিকে “A” falling edge দিয়ে (+V) প্রবাহিত হয়৷

এই ভাবে প্রতি Half cycle এ পর্যায়ক্রমে অদলবদল হতেই থাকে৷ এই পক্রিয়ায় সবসময় দুই টার্মিনালে Alternative Volt (AC) পাই ৷ এভাবে বলতে পারি টার্মিনাল A(+-) ও B(+-) volt প্রবাহিত হয় ৷

এখন দুটি টার্মিনালে একটা Brigde রেকটিফায়ার সংযোগ করলে DC তে আমরা একই দিকে (180॰ +180॰) Full Wave sap’s পাব, এবার ফিল্টারিং এর জন্য Capacitor লাগালেই Pure DC Volt পেয়ে যাব৷

Single coil = 300ma = Full Cycle(10ms+10ms) = Maximum current Rating.

আসুন আবারও খেলার ছলে বুঝতে চেষ্টা করি, এখানে খেলার শর্ত হল দুটি বল আছে, একটিতে লেখা আছে (0v) অন্যটিতে লেখা আছে (+v)৷

একটি মানুষের দুটি হাতের মধ্যে, ডান হাতে দেওয়া হবে (0v) বল আর বাম হাতে দেওয়া হবে (+v) লেখা বল ৷ দুই হাতে সর্বোচ্চ ওজন নেওয়ার ক্ষমতা 10Kg৷ ঐ মানুষটি কিছু সময় পর ডান হাতের বলটি বাম হাতে ছুড়ে দিবে আর বাম হাতের বলটি ডান হাতে ছুড়ে দিবে একই সঙ্গে৷ ডান হাতের বল বাম হাতে আবার বাম হাতের বল ডান হাতে৷ মানে অদলবদল বা interchange পদ্ধতি৷ অনেকটা সার্কাসের বল ছুড়ে খেলার মত৷ কিছু সময় পর পর এই অদলবদল পক্রিয়াটা পর্যায়ক্রমে চলতে থাকবে৷

এখন যেকোন সময় যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয় লোকটির দুই হাতে কি দেখছেন নিশ্চয়ই এক বাক্যে বলবেন দুটি বল একটিতে (0v) লেখা অন্যটিতে (+v) লেখা৷

নিশ্চয়ই বলবেন না, কিছু সময় দুই হাতে বল দেখছি, আবার কিছু সময় পর দুই হাত খালি বা শুন্য দেখছি৷ কারন পর্যায়ক্রমে এই হাতের বল ঐ হাতে এবং ঐ হাতের বল এই হাতে শুধু অদলবদল হচ্ছে, বল কিন্তু সবসময় হাতেই থাকছে ৷ এখানেও মানুষটিকে Transformer এর কয়েল ভাবতে পারি, দুই হাতকে সেকেন্ডারীর দুই টার্মিনাল, A ও B ধরতে পারি৷ বল অদলবদল হওয়ার সময়ের ব্যবধানকে প্রতি Half cycle(10ms) এবং বলের ওজনকে কারেন্ট রেটিং মনে করতে পারি৷

প্রশ্নঃ যে Center tapped Transformer (৩ টার্মিনালের) বেলায় প্রতি কয়েলে Half cycle(10ms) অন্তর সুইচিং হচ্ছে। অন্যদিকে Non center tapped Transformer (২ টার্মিনালের) এর বেলায় একটি কয়েলের উপর Half cycle + Half cycle বা Full cycle সুইচিং হয়, এই তারতম্য কেন? বা Non center tapped Transformer (দুই টার্মিনালের) ক্ষেত্রে প্রথম Half cycle এ Volt,amp পাব, দ্বিতীয় Half cycle এ কি Volt,amp পাওয়া যাবে না?

উত্তরঃ

বিষয় হল Sine wave নিয়ম অনুযায়ী Center tapped Transformer (তিন টার্মিনাল) এর বেলাতেও প্রতি কয়েলে একই নিয়মে Half cycle + Half cycle সুইচিং হচ্ছে, কিন্তু আমরা নিচ্ছি একটি Half cycle, অন্য Half cycle ব্লক করে রাখা হচ্ছে৷

যেমন Center tapped Transformer(৩ টার্মিনালের) বেলায় আমরা দুই পাশে দুটি Doide ব্যবহার করে Full Wave রেকটিফায়ার করে প্রতি কয়েল থেকে শুধুমাত্র একটি করে Half cycle নিচ্ছি, অন্য Half cycle টি নিচ্ছি না, বা ব্লক থাকছে৷

দুই পাশে দুটি Diode এর Anode প্রান্তটি TF ট্রার্মিনালে সংযুক্ত থাকায় Cathode প্রান্তদিয়ে DC পজেটিভ Volt (+V) টার্মিনালে প্রবাহিত হয়৷ Center Tap থেকে পাই (0V)৷

অন্যদিকে Non Center Tapped Transformer (এক কয়েল বা দুই টার্মিনালের) ক্ষেত্রে Doide এর Bridge circuit ব্যাবহার করে Full wave রেকটিফায়ার করা হয় ৷ দুটি Half cycle + Half cycle কাজে লাগছে৷ চার Doide এর Bridge cicuit টা ভাল করে লক্ষ্য করুন, বিষয়টা বুঝতে পারবেন৷ ১টি Doide এর Anode প্রান্ত ও অন্য ১টি Doide এর Cathode প্রান্ত একত্রে সংযুক্ত আছে Transformer এর টার্মিনালের দিকে, দুই টার্মিনালে একই ভাবে সংযুক্ত আছে৷

এতে প্রতি Half cycle এ Doide এর Cathode প্রান্ত দিয়ে DC পজেটিভ volt প্রবাহিত হচ্ছে পজেটিভের (+v) প্রান্তে, অন্যদিকে দিকে Doide এর Anode প্রান্ত দিয়ে নেগেটিভটা প্রবাহিত হচ্ছে (0V) প্রান্তের দিকে৷

প্রতিটি কয়েলে একই নিয়মে AC প্রবাহিত হয়, প্রয়োজন অনুযায়ী শুধুমাত্র রেকটিফায়ার Diode এর মাধ্যমে এই পক্রিয়ার ব্যাতিক্রম ঘটানো হয়৷

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil