Categories
Life Hacks

অতিরিক্ত ঘাম থেকে বাঁচার উপায় সমূহ

◽অতিরিক্ত ঘাম :

অনেকের অতিরিক্ত ঘাম হয়। ঘাম কমাতে অনেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কক্ষে আশ্রয় নেন। তবে এটি ঘাম কমানোর কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলেই এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। নিচে ঘাম কমানোর কিছু উপায় উল্লেখ করা হলো –

▫অতিরিক্ত ঘাম এড়ানোর জন্য প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই। কারণ ঘাম হলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এ জন্য পানি খাওয়া উচিত।

▫কফি পান কমাতে হবে। কেননা কফিপান শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ঘাম বাড়ে।

▫নাইলন ও প্লাস্টিক জাতীয় কাপড় পরিহার করুন। কেননা এ কাপড় আপনার দেহের সাথে লেগে থাকে। ফলে শরীর উত্তপ্ত হয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত ঘাম বের হয়।

▫দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপও অতিরিক্ত ঘামের জন্য দায়ী। তাই মনসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমান, দেখবেন অতিরিক্ত ঘাম কমে গেছে।

▫গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। এটা আপনার দেহ ও মনকে শীতল রাখতে সহায়ক।

▫গরমে কোনো ধরনের সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এতে এরোসোল থাকে, যা আপনার শরীরকে গরম রাখে। তাই অতিরিক্ত ঘাম হয়।

▫অতিরিক্ত ঘাম কমাতে টমেটোর জুস খেতে পারেন। টমেটোর জুসে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম আছে, যা অতিরিক্ত ঘাম রোধে সহায়ক।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

আদার নানা ধরনের উপকারিতা

◽আদার উপকারিতা :

রান্নাঘরের সহজলভ্য একটি উপাদান আদা । সুস্বাদু খাবারের মসলা হিসেবেও এর জুড়ি নেই । আদা প্রাকৃতিক ঔষধি গুণাগুণেও ভরপুর । অতি প্রাচীনকাল থেকেই এটি ভেষজ ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে । আদাতে আছে শক্তিশালী এন্টি – অক্সিডেন্ট , এন্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যালার্জি প্রতিরােধক উপাদান । রান্নায় আদা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা ছাড়াও আদার রস ও আদা চা খাওয়ার প্রচলন রয়েছে প্রায় সব ঘরেই । এবার আদা চা বা আদার রসে কী কী গুণাগুণ রয়েছে । তা একবার জেনে নিই চলুন ।

১. পেটে ব্যথা : — পেটে ব্যথা হলে আদা চা খেতে পারেন । আদাতে রয়েছে বেদনানাশক উপাদান যা সহজেই তাৎক্ষণিকভাবে পেটে ব্যথা কমায় ও আরাম দেয় ।

২. রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় : — আদার রস শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় । এতে রয়েছে ভিটামিন , মিনারেল ও অ্যামিনাে এসিড । প্রতিদিন আদার রস বা আদা চা খেলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ঠিক থাকে ও হৃদরােগ হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়

৩. ঋতুস্রাব : — যাদের ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে ব্যাথা হয় , তারা আদা সেদ্ধ পানিতে তােয়ালে ভিজিয়ে পেটে সেঁক দিতে পারেন । এসময় আদা চায়ে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন । এতে করে মাসিক চক্র ঠিক থাকবে ।

৪. বাতের ব্যথা : — জয়েন্টে বাতের ব্যথা কমাতে আদা খুব ভালাে কাজ করে । আদার প্রদাহ ও ব্যথানাশক উপাদান বাতের ব্যথা খুব সহজেই নিরাময় করে । এক্ষেত্রে নিয়মিত আদা চা খান , পানিতে আদা সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে স্নান সেরে নিন , আরাম পাবেন । এখন বাজারে আদার তেলও পাওয়া যায় । ব্যথাস্থানে সেই তেল ম্যাসাজ করলেও আরাম পাবেন

৫. হজম ও আলসার : — আদা হজমে সহায়তা করে । ভারি খাবার খাওয়ার পর খানিকটা আদা চিবিয়ে খান । দেখবেন পেটের অস্বস্তিভাব কেটে যাবে । আদার রস খাদ্যের ভেতরকার পুষ্টিকে শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে । এছাড়াও এটি পাকস্থলিতে এক প্রকার শ্লেষ্ম তৈরি করে যা আলসার হওয়ার সম্ভাবনা দূর করে ।

৬. বমিভাব : — দূরের যাত্রাপথে বমিভাব হলে আদা খেতে পারেন । ব্যাগে আদা ছােট ছােট করে কেটে রাখুন । পুদিনা পাতা ও খানিকটা আদা চিবিয়ে খান । বমিভাব কেটে যাবে । এছাড়াও বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মধু দিয়ে আদা চা খেয়ে বের হলে ভালাে অনুভব করবেন ।

৭. রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা : — আদা শরীরের জীবাণু ধ্বংস করে রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা বাড়ায় । প্রতিদিন খাওয়ার সময় দুই টুকরাে আদা খান । এতে বুকে জমা কফ বেরিয়ে আসবে ও অসুখ – বিসুখ হওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে অনেকাংশেই ।

৮. মুখ পরিষ্কার করে : — আদায় রয়েছে এন্টি – ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যা মুখের ভেতরে জীবাণুকে মেরে ফেলে ও দাঁতের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে ।

৯. সংক্রামণ রােগ : — আদাতে রয়েছে এন্টি – ফাংগাল ও এন্টি – ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা শরীরের বাইরের অংশের ঘা ও সংক্রামণ রােগের বিনাশ করে । আর নয় দুশ্চিন্তা আদা চা মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে । সারাদিন পর এক কাপ আদা চা আপনাকে দেবে প্রশান্তি ।

১০. ক্যান্সার নিরাময়ক : — এতে রয়েছে এন্টি – ক্যান্সার প্রপার্টিজ । আদার উচ্চমানের এন্টি – অক্সিডেন্ট শরীরে ক্যান্সারের সেল তৈরি হতে দেয় না । অনেক সময় শরীরে ক্যান্সারের সেল তৈরি হলেও তা ছড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা কর

১১. মাইগ্রেন : — আদার রস রক্তনালীর প্রদাহ দমন করে । মাইগ্রেনের কারণে মাথাব্যথা হলে আদা পেস্ট করে কপালে লাগাতে পারেন , ধীরে ধীরে ব্যথা কমে যাবে ।

১২. ঠাণ্ডা , কাশি ও ফ্ল : — অতি প্রাচীনকাল থেকেই ঠাণ্ডা , কাশি ও ফ্লু – র ঔষধ হিসেবে আদার রস ব্যবহৃত হয়ে আসছে । ঠাণ্ডা বা কাশির সমস্যা সমাধানে আদার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ১০ সেকেন্ড গরম করে খান , শিঘগিরই সেরে উঠবেন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

তেঁতুলের নানা ধরনের উপকারিতা সমূহ

◽তেঁতুলের উপকারিতা :

তেঁতুল আমাদের দেশের বসন্তকালের টকজাতীয় ফল হলেও সারা বছর পাওয়া যায় । অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয় । এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল । বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ ৷ তেঁতুল দেহে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরােগীদের জন্য খুব উপকারী । তেঁতুল দিয়ে কবিরাজি , আয়ুর্বেদীয় , হােমিও ও এলােপ্যাথিক ঔষধ তৈরি করা হয় । পাকা তেঁতুলে মােট খনিজ পদার্থ সব ফলের চেয়ে অনেক বেশি । তেঁতুলে খাদ্যশক্তির পরিমাণ নারিকেল ও খেজুর ছাড়া সব ফলের চেয়ে অনেক বেশি । তেঁতুলে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি আছে । অন্যান্য পুষ্টি উপাদান স্বাভাবিক পরিমাণে আছে , এ তেঁতুল যেসব রােগের জন্য উপকারী তা হলাে স্কার্ভি রােগ , কোষ্ঠবদ্ধতা , শরীর জ্বালা করা প্রভৃতি রােগে তেঁতুলের শরবত খুব উপকারী । তেঁতুল রক্তের কোলস্টেরল কমায় , মেদভুঁড়ি কমায় ও পেটে গ্যাস হলে তেঁতুলের শরবত খেলে ভালাে হয় । তেঁতুল খেলে কোনাে ক্ষতি হয় না । তবে বেশি খেলে রক্তের চাপ কমে যেতে পারে ।

নিচে প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযােগী তেঁতুলে বিদ্যমান পুষ্টিমান উল্লেখ করা হলাে । পুষ্টি উপাদানঃ- পাকা তেঁতুল , কাঁচা তেঁতুল ও বিলাতি তেঁতুল
১া জলীয় অংশ ( গ্রাম ) – ২০.৯ , ৮৩.৬ , ৭৯.২
২। মােট খনিজ পদার্থ ( গ্রাম ) – ২.৯ , ১.২ , ০.৭
৩। আঁশ ( গ্রাম ) -৫.৬-১.০
৪। খাদ্যশক্তি ( কিলােক্যালরি ) – ২৮৩ , ৬২ , ৭৮
৫া আমিষ ( গ্রাম ) – ৩.১ ১-১ ২.৭
৬া চর্বি ( গ্রাম ) – ০.১ ০ -২.০৪
৭। শর্করা ( গ্রাম ) – ৬৬ , ৪ ১৩ , ৯ ১৬
৮। ক্যালসিয়াম ( মিলিগ্রাম ) – ১৭০ , ২৪ , ১৪
৯ | আয়রন ( মিলিগ্রাম ) – ১০.৯ – ১.০
১০৷ ক্যারােটিন ( মাইক্রোগ্রাম ) – ৬০
১১। ভিটামিন বি ১ ( মিলিগ্রাম ) – ০.০১ – ০.২২
১২। ভিটামিন বি ২ ( মিলিগ্রাম ) – ০.০৭ , ০.০২ ,০.০৩
১৩। ভিটামিন সি ( মিলিগ্রাম ) – ৩ , ৬ , ১০৮

তথ্য থেকে দেখা যায় পাকা তেঁতুল সবচেয়ে বেশি পুষ্টিসমৃদ্ধ । তবে এই পুষ্টিমান তেঁতুলের উৎপাদনের স্থান , জাত ও জলবায়ুর পরিবর্তনের জন্য কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে । আরও রয়েছে

১. পাকা তেঁতুল কফ ও বায়ুনাশক , খিদে বাড়ায় ও উষ্ণবীর্য হয় । তেঁতুল গাছের ছাল , ফুল , পাতা , বিচি ও ফল সবই ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয় । তেঁতুল বীজের শাঁস পুরনাে পেটের অসুখে উপকারী । তেঁতুল পাতার রস কৃমিনাশক ও চোখ ওঠা সারায় । মুখে ঘা বা ক্ষত হলে পাকা তেঁতুল জলে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায় ।

২. বুক ধড়ফড় করা , মাথা ঘােরা ও রক্তের প্রকোপে তেঁতুল উপকারী । কাঁচা তেঁতুল বায়ুনাশক । কাঁচা তেঁতুল গরম করে আঘাত পাওয়া স্থানে প্রলেপ দিলে ব্যথা সারে । তেঁতুল গাছের শুকনাে বাকলের প্রলেপ ক্ষতস্থানে লাগালে তা ভালাে হয় । পুরনাে তেঁতুল খেলে আমাশয় , কোষ্ঠবদ্ধতা ও পেট গরমে উপকার পাওয়া যায় । পুরনাে তেঁতুল খেলে কাশি সারে পাশাপাশি তেঁতুলের শরবত কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

মেডিটেশনের নানা উপকারিতা সমূহ

◽মেডিটেশন :

মেডিটেশন হলো এমন এক অবস্থা যখন আমাদের মস্তিষ্ক অপ্রয়োজনীয় সবকিছু থেকে নিজেকে আলাদা করে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে নিমগ্ন হয় এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতাকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ও নিখুঁতভাবে ব্যবহার করতে শেখে। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের থেকে শুরু করে নোবেল বিজয়ী, বিজ্ঞানী বা লেখকদের অনেকের মধ্যেই একটি অভ্যাস খুবই কমন আর তা হলো মেডিটেশন।

১. IQ লেভেল বৃদ্ধিঃ 

আমরা সবাই কিন্তু নিজেকে একটু আধটু স্মার্ট ভাবতে পছন্দ করি। এখন যদি বলি এমন একটা জিনিস আছে যা আমাদের IQ লেভেল আসলেই বাড়িয়ে দিতে পারে তাহলে নিশ্চয়ই অবাক হবে! গবেষকদের মতে মেডিটেশন আসলেই আমাদের IQ লেভেল বাড়িয়ে দিতে পারে। ২০১১ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে করা এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৮ সপ্তাহ বা তার বেশি মেডিটেশনের ফলে আমাদের মস্তিষ্কের “LEFT HIPPOCAMPUS, “POSTERIOR CINGULATE CORTEX” এবং“TEMPORO PARIETAL JUNCTION” অংশ আয়তনে বৃদ্ধি লাভ করে। এতে আমাদের স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি ও নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়।

২. একাডেমিক পড়াশোনার ধকল থেকে মুক্তিঃ 

সারাদিন ক্লাস, প্রাইভেট আর হোমওয়ার্কের চাপে আমরা অনেকেই কিন্তু দিশেহারা হয়ে যাই। একাডেমিক পড়াশোনার এই ধকল দূর করার অনেক ভালো একটি উপায় হলো মেডিটেশন। মেডিটেশনের ফলে  আমাদের মস্তিষ্কের “AMYGDALA” অংশের cell volume হ্রাস পায় যার ফলে আমাদের ভয়, উদ্বেগ ও ধকল হ্রাস পায়। এছাড়াও মেডিটেশন আমাদের মস্তিষ্কে আলফা ওয়েভের নিঃসরণ বৃদ্ধি করে যা দুশ্চিন্তা, দুঃখ ও রাগের মত অনুভূতিগুলো কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

৩. মনোযোগ বৃদ্ধিঃ 

পড়ার টেবিলে মনযোগ স্থির রাখা আমাদের সবার জন্যই কিছুটা কঠিন। বিশেষত, পরীক্ষার দিনগুলোতে একটি বিষয়ের উপর দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখা সত্যিকার অর্থেই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তবে এই কষ্টসাধ্য ব্যাপারটাকে তোমার জন্য কিছুটা সহজ করে দিতে পারে মেডিটেশন। পরীক্ষার দিনগুলোতে দৈনিক কিছুক্ষণ মেডিটেশন তোমার মনোযোগ ৫০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে।মেডিটেশন তোমার চিন্তাশক্তিকে একটি বিষয়ে কেন্দ্রীভূত করতে শেখাবে।

৪. খারাপ অভ্যাসগুলো ত্যাগে সহায়কঃ 

ছাত্রজীবনের কিছু অভ্যাস আছে যেগুলো আমরা খারাপ জেনেও সহজে ত্যাগ করতে পারি না। এর কারণ যথেষ্ট ইচ্ছাশক্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অভাব; যার জন্য দায়ী মস্তিষ্কের সম্মুখ অংশের “DORSOLATERAL PREFRONTAL CORTEX (dlPFC)”। মেডিটেশন dlPFC কে প্রভাবিত করে যার ফলে আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পায় এবং বাজে অভ্যাসগুলো আমরা সহজে ত্যাগ করতে পারি।

৫. শারীরিক সুস্থতাঃ 

সঠিকভাবে জ্ঞান অর্জন ও পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো শারীরিক সুস্থতা। তুমি যতই ভালোভাবে প্রস্তুতি নাও না কেন, শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকলে তুমি কখনোই পরীক্ষায় তোমার ১০০% দিতে পারবে না। মেডিটেশন আমাদের মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি আমাদের শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতেও সাহায্য করে। মেডিটেশন আমাদের দেহে C-Reactive Protein এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে যার ফলে আমাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পায়।

৬. Depression কে বিদায়, এবার আনন্দের পালাঃ  

যুক্তরাষ্ট্রের Emory University এর করা এক জরিপে প্রতি ৩ জন শিক্ষার্থীর একজন ছাত্রজীবনে কোন না কোন সময় Depression বা বিষণ্ণতায় ভোগে। পড়াশোনায় চাপ, খারাপ রেজাল্ট বা বন্ধুদের সাথে দ্বন্দ্ব; যে কারণেই হোক না কেন- বিষণ্ণতা আমাদের দেহ ও মন উভয়ের জন্যই খুবই ক্ষতিকর। এমনকি প্রতিবছর ১০০০ এর বেশি ছাত্র শুধুমাত্র বিষণ্ণতার কারণেই আত্মহত্যা করে!

বিষণ্ণতা কাটিয়ে ওঠার অন্যতম সেরা উপায় হলো মেডিটেশন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির Professor Willem Kuyken এর মতে, একজন বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষের ক্ষেত্রে মেডিটেশন অনেকটা Anti-Depression ওষুধের মত কাজ করে। এছাড়াও মেডিটেশন একজন ছাত্রের বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩১% কমিয়ে দেয়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির উপায় সমূহ

◽আগ্রহ বৃদ্ধির উপায় :

১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী।

২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।

৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন। পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন।

৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন। কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে।

৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে। টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ।

৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।

৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন।

৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

পড়া ও মনোযোগ বৃদ্ধির ৫টি জরুরি টিপস

◽পড়া ও মনোযোগ বৃদ্ধি :

১. রুটিন কেবল দিনের মধ্যে সীমিত না রেখে একে সাপ্তাহিক এমনকি মাসিক কর্মসূচিতে পরিণত করুন। অর্থাৎ কাজের পরিধি বড় হলে যেমন (৩৫০ শব্দের রিপোর্ট) একে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে ফেলুন। শনিবার রিপোর্টের ভূমিকা, রবিবার ১ম অংশ .. এভাবে এক সপ্তাহে কাজটি শেষ করুন।

২. সময়কে ভাগ না করে কাজকে ভাগ করুন। ধরুন দুপুর ১১.০০টায় স্কুলের জন্যে রওনা হওয়ার আগে আপনাকে বেশ কয়েকটি কাজ করতে হবে। গোসল-নাস্তা-খাওয়া-পেপার পড়া এবং স্কুলের পড়া তৈরি করা। প্রত্যেকটির জন্য সময় ভাগ না করে রুটিনকে এভাবে সাজান। ৮.০০-৯.৩০ : মেডিটেশন-গোসল-খাওয়া-পেপার পড়া; ৯.৩০-১১.০০ : স্কুলের পড়া তৈরি ও স্কুলের জন্য তৈরি হওয়া।

৩. দিন শেষে অবশ্য রুটিনটি নিয়ে একবার বসুন। যেগুলো করতে পারলেন না সেগুলোর পাশে লাল ক্রসচিহ্ন দিন। সেইসাথে পরদিন ঐ না হওয়া কাজগুলো করার চেষ্টা করুন।

৪. নিজের প্রতি সদয় হোন। অনেকগুলো কাজ একদিনে করার মোট কতক্ষণ ব্যয় করছেন প্রতিদিন? খেয়াল রাখুন, আপনার পড়াশোনার সময় যেন এর চাইতে বেশি অন্তত কম না হয়।

৫. দিনে যদি দুটো মহা মহা গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকে, যা করতেই হবে, তবে এর একটি যেন হয় মেডিটেশন। দেখবেন বাকি দিন ঠিকমতো কাটবে।

▫কোয়ান্টা রিডিং- অল্প সময়ে বেশি পড়া

ভালো রেজাল্টের জন্যে একদিকে আপনাকে পড়তে হবে প্রচুর। আবার সময়ও আপনার কম। এজন্যে কোয়ান্টা রিডিং। এ পদ্ধতিতে পাঠ্যবইয়ের অপ্রয়োজনীয় শব্দগুলো বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় শব্দগুলোই আপনি পড়বেন এবং মনে রাখবেন। যেমন, নিচের প্যারাগ্রাফটি পড়ুন।

বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলের জনগণ নিজ নিজ অঞ্চলের ভাষায় কথা বলে। এগুলো আঞ্চলিক কথ্য ভাষা বা উপভাষা। পৃথিবীর সব ভাষায়ই উপভাষা আছে। এক অঞ্চলের জনগণের মুখের ভাষার সঙ্গে অপর অঞ্চলের জনগণের মুখের ভাষার যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। ফলে এমন হয় যে, এক অঞ্চলের ভাষা অন্য অঞ্চলের লোকের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাধারণের কথ্য ভাষা দিনাজপুর বা রংপুরের লোকদের কাছে খুব সহজবোধ্য নয়। এ ধরনের আঞ্চলিক ভাষাকে বলার ও লেখার ভাষা হিসেবে সার্বজনীন স্বীকৃতি দেয়া সুবিধাজনক নয়। কারণ তাতে বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষাভাষীদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদানে অন্তরায় দেখা দিতে পারে। সে কারণে দেশের শিক্ষিত ও পণ্ডিতসমাজ একটি আদর্শ ভাষা ব্যবহার করেন। বাংলা ভাষাভাষী শিক্ষিত জনগণ এ আদর্শ ভাষাতেই পারস্পরিক আলাপ আলোচনা ও ভাবের আদান-প্রদান করে থাকেন। বিভিন্ন অঞ্চলের কথ্যভাষার সমন্বয়ে শিষ্টজনের ব্যবহৃত এ ভাষাই আদর্শ চলিত ভাষা।

এবার পড়ুন নিচের প্যারাগ্রাফটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলের জনগণ নিজ অঞ্চলের ভাষায় কথা বলে। এগুলো আঞ্চলিক কথ্য ভাষা বা উপভাষা। পৃথিবীর সব ভাষায়ই উপভাষা আছে। বিভিন্ন অঞ্চলের মুখের ভাষার যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। অন্য অঞ্চলের লোকের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের কথ্য ভাষা দিনাজপুর বা রংপুরে সহজবোধ্য নয়। সার্বজনীন স্বাকৃতি দেয়া সুবিধাজনক নয়। ভাবের আদান-প্রদানে অন্তরায় দেখা দিতে পারে। দেশের শিক্ষিত ও পণ্ডিতসমাজ একটি আদর্শ ভাষা ব্যবহার করেন। এ ভাষাই আদর্শ চলিত ভাষা। প্রথম প্যারাগ্রাফের অপ্রয়োজনীয় শব্দগুলো যা প্রথমবার পড়ার পর আর আপনার পড়ার দরকার নেই সেগুলো বাদ দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে পরের প্যারাগ্রাফটি। খেয়াল করে দেখুন, প্রথম প্যারাগ্রাফ থেকে মনে রাখা দরকার এমন সব কথাগুলোই আছে পরের প্যারাগ্রাফে। কোয়ান্টা রিডিং-এ আপনার পড়ার গতি শুধু বাড়বে তাই নয়, বাড়বে মনোযোগ ও বোঝার ক্ষমতা।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর উপায়

◽শিশুদের স্মৃতিশক্তি :

স্মৃতিশক্তি শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। স্মৃতিশক্তি ভালো হলে সে স্কুলে কিংবা যেকোন জায়গায় ভালো করতে পারবে। 

▫অনেক শিশুই পড়াশোনা কিংবা কোনো বিষয় বুঝতে বা মনে রাখতে না পারলে অসহায় বোধ করে। শিশুদের স্মৃতিশক্তির বাড়ানোর বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। এ ব্যাপারে শিশুদের বাবা-মা তাদের সাহায্য করতে পারেন।শিশুদের প্রশ্ন করতে উৎসাহিত করুন। তারপর সেইসব প্রশ্নের উত্তর দিন। এতে তারা চিন্তা করার শক্তি বৃদ্ধি পাবে। 

▫যা তারা শিখছে তাই দিয়ে ছড়া, কবিতা কিংবা গান তৈরি করতে সাহায্য করুন। গান বা এই জাতীয় ছন্দ সহজেই মাথায় গেঁথে যায় । তাই এর ব্যবহার শিশুদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। 

▫পড়াশোনা আনন্দদায়ক করতে তাকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের বই কিংবা ভিডিও দেখাতে পারেন। এগুলো শিশুদের শেখার আগ্রহ তৈরিতে সাহায্য করে।

▫শিশুদের  মাঝে মধ্যে জাদুঘর কিংবা আর্ট গ্যালারিতে নিয়ে যেতে পারেন। নিজের পড়াশোনার সঙ্গে যদি এগুলোর কোনটি মিলে যায় তাহলে তা মনে রাখতে তার জন্য অনেক সহজ হবে। 

▫যেই পড়াটা সে বুঝতে পারছে না বা মনে রাখতে সমস্যা হচ্ছে সেটা নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলুন। সে কী ভাবছে তা জানতে চেষ্টা করুন। শিশুকে এমনভাবে পড়াতে হবে যাতে যা সে শিখছে তা যেন দেখতে পারছে এমন একটা অনুভূতি হয়। ছবি দেখিয়ে কিংবা গল্প করে সেটা বোঝাতে পারেন।

▫শিশুকে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার সুযোগ দিন। শিশু যা শিখছে তা তাকে ব্যাখা করতে দিন।শিশুর মনে আলাদা মানচিত্র তৈরি করতে সাহায্য করুন।

▫বিভিন্ন ভাবনার কথা তাকে বলুন যাতে একটার সঙ্গে সে আরেকটা সংযোগ করতে পারে। তার সঙ্গে শব্দের খেলা খেলতে পারেন। একটা শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে সে কতগুলো জিনিস কিংবা ভাবনার কথা বলতে পারে সেটা দেখতে পারেন। এতেও তার মস্তিষ্কের শক্তি বাড়বে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

বিশ্বের সফল ব্যক্তিরা কখন ঘুম থেকে ওঠে

◽বিশ্বের সফল ব্যক্তিরা :

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, ‘‘ওঠ, জাগো, নিজে জেগে অপরকে জাগাও!’’ আবার বাজার চলতি প্রবাদ আছে, ‘‘যে ঘুমাও, তাঁর ভাগ্যও ঘুমিয়ে থাকে৷’’ অর্থাৎ, জীবনে সফল হতে গেলে ঘুমের সঙ্গে আপস করতেই হবে৷ আবার নিজেকে কষ্ট দিয়েও নয়৷ সুস্থ মানুষের জন্য পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা ঘুমই যথেষ্ঠ৷ আর, দিনের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া ও ঘুম থেকে ওঠাটাও একটি দৈনন্দিন শৃঙ্খলা৷ দিন শুরুটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে হলেই, গোটা দিনটিও নিজের আয়ত্তে আনা সম্ভব হয়৷ আর, এটাকেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন পৃথিবীর একাধিক প্রতিষ্ঠা পাওয়া বহু মুখই৷ এই পৃথিবীর প্রতিটি সফল মানুষই সময়ের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন৷ ঘুমের মধ্যে সময় অপচয় না করেই তাঁরা আজ হয়ে উঠেছেন বিশ্ব নেতা৷ একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিশ্বে প্রতিটি সফল মানুষই অনেক ভোরেই ঘুম থেকে ওঠেন৷ ঘুম থেকে উঠে দিনের পরবর্তী কর্মসূচীগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন৷ ফলে, দিনের শুরুটাই হয় পরিকল্পিত৷ মার্কিন সমীক্ষায় উঠে এসেছে বিশ্বের একাধিক সফল ব্যক্তির নাম৷ যাঁদের মধ্যে প্রায় প্রত্যেকেই অনেক আগেই ঘুম থেকে ওঠেন৷ আনকেই আছেন, যাঁরা সূর্য ওঠার আগেই ঘুম থেকে উঠে দিন শুরুর প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেন৷ প্রায় ৯০ শতাংশ সফল ব্যক্তিই সকাল ৬টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠে হাল্কা ব্রেকফাস্ট করে নেন৷ পরে, দেখে নেন তাঁদের দিনের পরবর্তী কর্মসূচী কি কি আছে৷ আর প্রতিটি কাজই করেন ঘড়ি ধরে৷ দেখে নেওয়া যাক, কারা কখন ঘুম থেকে ওঠেন…

⏭ নরেন্দ্র মোদী, প্রধানমন্ত্রী: সকালে ঘুম থেকে ওঠেন পাঁচটায়৷ করেন প্রাণায়াম, সূর্য বন্দনা, যোগা৷

⏭ বারাক ওবামা: মার্কিন রাষ্ট্রপতি: নিয়োম করে সাড়ে ৬ টায় ঘুম থেকে ওঠেন৷ করেন জিম৷ সপরিবারে করেন ব্রেকফাস্ট৷

⏭ ডেভিড ক্যামরুন, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী: সকাল ছটায় তাঁর ওঠা চাইচাই৷ সকাল ৮টা পর্যন্ত দিনের সমস্ত সরকারি কর্মসূচী খতিয়ে দেখেন৷ করেন সপরিবারে ব্রেকফাস্ট৷

⏭ টিম কুক, অ্যাপেল কর্তা : নিয়ম মেনে ঘুম থেকে ওঠেন সাড়ে চারটে নাগাদ৷ পাঁচটা পর্যন্ত জিন করেন৷ সাড়ে পাঁচটায় ব্রেকফাস্ট৷ এরপর গোটার দিনের প্রস্তুতি নিয়ে নিজের দফতরে হাজির হন তিনি৷

⏭ জিফ বিজস, আমাজন কর্তা:গ্রাহক পরিষেবা দেওয়াই তাঁর ধ্যানজ্ঞান৷ ঘুম থেকে ওঠেন অনেক সকালে৷ ঘুম থেকে উঠে একটু ব্রেকফাস্ট মুখে দিয়েই পৌঁছে যান নিজের দফতরে৷

⏭ বিল গেটস, মাইক্রোসফট: সকাল ৫টায় উঠে ব্যায়ামের জন্য অন্তত এক ঘণ্টা সময় কাটান৷

⏭ মার্ক জুকারবার্গ, ফেসবুক কর্তা:ওঠেন ভোর ৬টায়৷ সকালেই পৌঁছে যান নিজের অফিসে৷

⏭ জ্যাক ডরসি, টুইট্যার: রোজ সকালে নিয়োম করে ঘুম থেকে ওঠেন সাড়ে পাঁচটায়৷ ধ্যান ও পরে পাঁচ মাইল হাঁটেন৷

⏭ রতন টাটা, টাটা সন্স: ঘুম থেকে ওঠেন ভোর ৪টায়৷ সকাল ৬টা থেকে দফতরের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন৷ আর সপ্তাহ শেষে লং ড্রাইভে যান৷

⏭ মুকেশ আম্বানি, রিলায়েন্স: রোজ সকালে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচটার মধ্যে উঠে পড়েন৷ এক ঘণ্টা জিম করেন৷ নিয়োম করে পড়েন সংবাদাপত্র৷

⏭ বিরাট কোহিলীও নিজে রোজ ছটায় উঠেন৷তখন থেকেই নেমে যান প্যাকটিসে৷

তাহলে, আর কী ভাবছেন? আগামী কাল থেকেই শুরু করেদিন৷ বদলে ফেলুন জীবন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

জীবনে সফল হওয়ার উপায় সমূহ

◽জীবনে সফলতার উপায় :

কোনো কিছু নিয়ে উল্টাপাল্টা ভাবনা থেকে শুরু করে অহেতুক দুশ্চিন্তা, হিংসা-বিদ্বেষ, অহঙ্কারের পাশাপাশি স্মৃতি রোমন্থন না করলে সহজেই সাফল্য ধরা দেবে। কয়েকটি বিষয় এড়িয়ে চলুন দুশ্চিন্তা নয়, সমাধানের চিন্তা । জীবনে সফল মানুষরা কখনো সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে না। তাই জেনে নিন সফল হওয়ার ১০টি উপায়

১। ঘুম থেকে ওঠা- এক ঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠুন- আমরা দেরি করে উঠি। তারপর সময় না পাওয়ার বাহানা খুঁজি সারা দিন। এ দিকে যে কোনও সফল মানুষকে আপনি দেখবেন তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে। আপনিও আদ থেকে এক ঘণ্টা এগিয়ে আনুন ঘুম থেকে ওঠার সময়। দেখবেন দিনটা অনেক বড় হয়ে যাবে। প্রথম দিকে একটু অসুবিধা হলেও ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যাবে।

২। ভিশুয়ালাইজ- নিজে জীবনে কী করতে চান সেই বিষয়ে যদি আপনার স্বচ্ছ ধারনা থাকে তবেই আপনি জীবনে সফল হতে পারবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজের পুরো দিনটা মনে মনে ছকে ফেলুন। সারা দিনে কী করতে চান, কোন কাজটা আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছতে সাহায্য করবে তা মনে মনে ভেবে নিন। নিজেকে সফল ভাবতে শিখুন।

৩। ব্রেকফাস্ট- সারা দিন আপনার মুড ভাল রাখতে, আপনার এনার্জি বাড়াতে কিন্তু সকালে ঠিক করে খাওয়া প্রয়োজন। এ দিকে রোজ সকালে দেরিতে ওঠার জন্য আপনি ব্রেকফাস্টের সময়ই পান না। ব্যস্ততার দোহাই দেবেন না। সফল মানুষরা কিন্তু কখনই ব্রেকফাস্ট বাদ দেন না। তাই রোজ উপভোগ করে ব্রেকফাস্ট করুন।

৪। চেক লিস্টে- গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে রাখবেন না। আমরা কাজ ফেলে রাখি যত ক্ষণ না সেটা আবশ্যিক হয়ে পড়ে। রোজ কী কী করবেন চেক-লিস্ট বানিয়ে ফেলুন। শুনতে জ্ঞানগর্ভ লাগলেও এটা অত্যন্ত ভাল অভ্যাস।

৫। নিজেক মোটিভেট করুন- আলস্য পেয়ে বসতে দেবেন না। সব সময় নিজের লক্ষ্য সামনে রাখুন। হাসির ছবি দেখুন, মন ভাল করে এমন কাজ করুন। রিল্যাক্স করুন। যাতে চাপ কমে এমন কাজ করুন। এই ভাবে নিজেকে মোটিভেট করুন। স্ট্রেস ধারে কাছে ঘেঁষতে দেবেন না।

৬। সক্রিয় থাকুন- ঘুম থেকে উঠেই কাজ শুরু করতে সমস্যা হয়। বাড়ি ফিরেও ক্লান্ত লাগে। হালকা শরীরচর্চা তাই আপনাকে সক্রিয় রাখতে জরুরি। রোজ ঘুম থেকে হালকা ব্যয়ামের রুটিন তৈরি করে ফেলুন। এতে পেশির শিথিলতা বাড়বে, রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়ে আপনার কর্মক্ষমতা বাড়বে।

৭। বাড়ির খাবার খান- অফিসে খাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে লাঞ্চ, স্ন্যাকস নিয়ে যান। সফল হতে গেলে সুস্থ থাকতে হবে। তাই বাইরের খাবার না খেয়ে বাড়ির রান্না স্বাস্থকর খাবার খান। এতে সময়ও বাঁচবে। কাজের ফাঁকেই খেয়ে নিতে পারবেন ফলে খাওয়ার সময়ই ঠিকঠাক থাকবে।

৮। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিন- আপনার ঘর কি অগোছালো? অফিসের ডেস্কে প্রচুর ফালতু কাগজ? অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দিন। বাজে কাগজ বেশি থাকলে কাজের জিনিস খুঁজে পাবেন না। অন্য দিকে ঘর অগাছালো থাকলে আপনার কাজের এনার্জিও কমবে।

৯। রাত জাগবেন না- তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যান। সুস্থ, সবল থাকতে রাতের ঘুম প্রয়োজনীয়। অকারণে তাই রাত জাগবেন না। ল্যাপটপ বা মোবাইলে গল্প করে সময় নষ্ট করবেন না রাতে। প্ল্যান করে কাজ করলে রাত জেগে আপনাকে ফেলে রাখা কাজও করতে হবে না।

১০। কথা কম বলুন- কথা কম কাজ বেশি। ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছেন এটা। আক্ষরিক অর্থেই সত্যি। সফল মানুষরা কথা কম বলেন। চুপচাপ থাকলে মনসংযোগ বাড়ে, নিজের সঙ্গে কথা বলুন। আপনার কাজের মান বাড়বে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

পড়া মনে রাখার বৈজ্ঞানিক উপায়!

◽পড়া মনে রাখা :

মানুষের মস্তিষ্কের দুটি দিক রয়েছে। একটি সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম, অন্যটি পেরিফেরাল নার্ভাস সিস্টেম। সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের আবার অনেক ভাগ। এর সঙ্গে রয়েছে নানা রকম কাজ। তার একটি হলো মেমোরি বা স্মৃতিশক্তি। পৃথিবীতে বেশি আইকিউ নিয়ে কেউ জন্মগ্রহণ করে না। তাদের ব্যবহারিক আচরণের ওপর নির্ভর করে বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ। যত চর্চা করা যাবে, আইকিউ ততই বাড়বে। সাধারণ আইকিউ ৯০ থেকে ১১০। তবে কারো কারো আইকিউ ১১০-এর ওপরে হতে পারে।

পৃথিবীতে অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির আইকিউ ১১০-এর ওপরে। এ আইকিউ বৃদ্ধির জন্য চর্চার বিকল্প নেই। চর্চার মাধ্যমেই একজন ছাত্র সাধারণ থেকে মেধাবী হতে পারে। মনে রাখতে না পারার ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে কিছু কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে। যেমন-

▫আত্মবিশ্বাসটাই প্রধান:

যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রধান ও প্রথম শর্ত হলো আত্মবিশ্বাস। নিজের মনকে বোঝাতে হবে যে, পড়াশোনা অনেক সহজ বিষয়। আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াও সহজ মনে হবে।

▫পড়তে হবে বুঝে-শুনে:

একবার পড়েই কোনো বিষয় মনে রাখা সহজ নয়। তাই যেকোনো বিষয় মুখস্ত করার আগে বিষয়টি কয়েকবার পড়ে বুঝে নিতে হবে। তাহলে সেটা মনে রাখা অনেক সহজ হবে। যেকোনো বিষয়ে ভয় ঢুকে গেলে তা মনে রাখা কঠিন। তাই ভয় না করে প্রথম থেকে বুঝে পড়ার চেষ্টা করলে মনে রাখা কঠিন হবে না। পড়ার পাশাপাশি লেখার অভ্যাস খুবই জরুরি। পড়াশোনার জন্য উপযুক্ত সময় বেছে নিতে হবে।

লেখাপড়ার জন্য কোন সময়টা বেছে নিতে হবে, তা একেকজনের কাছে একেক রকম। কেউ রাত জেগে পড়াশোনা করে, কেউ সকালটাকেই মুখ্য সময় হিসেবে বেছে নেয়। তবে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় ঘুমের পর ভোরবেলাই পড়াশোনার উপযুক্ত সময় হিসেবে মনে করা হয়।

▫কৌশল অবলম্বন:

পড়া মনে রাখা একটি কৌশল। কোনো একটি পড়া পড়ে নেয়ার পর সাতটি ভাগে ভাগ করতে হয় এবং প্রতিটি ভাগের জন্য এক লাইন করে সারমর্ম লিখতে হয়। ফলে পড়ার বিষয়টি সাতটি লাইনে সীমাবদ্ধ থাকে। এর প্রতিটি লাইন একটি পাতায় লিখে অধ্যায় অনুযায়ী একটি গাছ তৈরি করে গাছের নিচ থেকে ধারাবাহিকভাবে পাতার মতো করে সাজাতে হবে, যাতে এক দৃষ্টিতেই পড়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মনে পড়ে যায়। এ পাতাগুলোয় চোখ বোলালে লেখা সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যাবে। বাংলা, ভূগোল, সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এ কৌশল অধিক কার্যকর।

▫পড়তে হবে শব্দ করে:

পড়া মনে রাখার এটি একটি কার্যকর পন্থা। উচ্চঃস্বরে পড়লে শব্দগুলো কানে প্রতিফলন হয়ে তা মস্তিষ্কে সহজেই ধারণ করে। শব্দহীনভাবে পড়া হলে মনের মধ্যে অন্য চিন্তা ঢুকে পড়ে, পড়ার আগ্রহটা কমে যায়। ফলে পড়া মুখস্ত হয় না।

▫মনে রাখা:

সাধারণত মেধাবী ছাত্রদের দেখা যায়, কোনো একটি বিষয় সম্পর্কে তারা বিভিন্ন বই থেকে উপাদান সংগ্রহ করে নিজের মতো করে একটা নোট তৈরি করে। এটা খুবই ভালো পন্থা। এতে ওই বিষয় সম্পর্কে বারবার পড়ার কারণে তাদের নোট তৈরির সময়েই বিষয়টি সম্পর্কে অনেকটা ধারণা অর্জন করা সম্ভব হয়। পরে সেই বিষয়টি মনে রাখতে কোনো কষ্টই হয় না।

▫ইংরেজির অর্থ জেনে পড়া:

ইংরেজি পড়া মুখস্ত করার আগে শব্দের অর্থটা জেনে নিতে হবে। অর্থ না জানলে পুরো পড়াটাই বিফলে যাবে। আর সৃজনশীল পদ্ধতিতে পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকেই প্রশ্ন আসতে পারে। সেক্ষেত্রে অর্থ জানা থাকলে অবশ্যই উত্তর দেয়া যায়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

যে ১০টি খাদ্য কোনও দিন পচে না!!

◽অপচনশীল খাদ্য :

জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্য বাড়ন্ত পৃথিবীতে। তাতেও অপচয় কমছে কোথায়! যদি এমনটাই চলতে থাকে তবে অদূর ভবিষ্যতে খাদ্যের চূড়ান্ত আকাল পড়তে পারে, এমনটাই জানাচ্ছেন বৈজ্ঞানিকরা। তার সঙ্গে তাঁরা এও জানিয়েছেন,এমন ১০টি খাবার রয়েছে, যেটা দীর্ঘ দিন পর্যন্ত অবিকল থাকতে পারে। দেখে নিন তার তালিকা।

১) চাল:

বৈজ্ঞানিকরা পরখ করে দেখেছেন, সাদা চাল প্রায় ৩০ বছর পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। তবে সেটা এয়ার টাইট কৌটোয় ভরে রাখতে হবে। ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার নীচে যদি রাখা হয় তা হলে আরও ভালো। সাদা-র জায়গায় খয়েরি চাল হলে তা ৬ মাসের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাবে।

২) মধু:

নষ্ট হয় না বললেই চলে। তবে কৃতিত্বটা পুরোপুরি দাবি করতে পারে মৌমাছিরা। ফুলের মধ্যে লুকিয়ে থাকা মধু এমন অমর-অবিনশ্বর করে রাখার পেছনে ওরাই দায়ী। এখনও পর্যন্ত সব থেকে পুরনো মধু অবিকৃত অবস্থায় মিলেছে তা প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছরের পুরনো।

৩) লবন:

এ ছাড়া খাবারই পানশে। তবে পুরোটাই প্রকৃতির দান। নিজে তো নষ্ট হয়ই না, উল্টে অনেক জিনিসপত্র অবিকৃত রাখতে কয়েক হাজার বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে নুন। তবে যখনই এর সঙ্গে আয়োডিন মেশানো হয়, তখনই এর আয়ু কমে ৫ বছর হয়ে যায়।

৪) সয়া সস:

না খোলা বোতল প্রায় নষ্ট হয় না বললেই চলে। ফ্রিজে রাখলে আরও ভালো। তবে আসল না নকল সে দায় আপনাকেই নিতে হবে।

৫) চিনি:

নুনের মতো চিনিও দীর্ঘ দিন অবিকৃত থাকতে পারে। গুঁড়ো করে এয়ার টাইট বোতলে ভরে রাখলে সেটা আরও বেশি দিন অবিকৃত থাকে। তবে একবার নরম হয়ে গেলে সেটা বাঁচিয়ে রাখা খুব মুশকিল।

৬) শুকিয়ে রাখা বিনস:

চালের সঙ্গে বিনস নিয়েও গবেষণা করার সময় বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা করার সময় দেখেছেন প্রায় ৩০ বছর পরেও শুকিয়ে রাখা বিনসের গুণগত মান প্রায় একই রকম রয়েছে।

৭) খাঁটি ম্যাপেল সিরাপ:

মধুর মতো এও অবিনশ্বর। অনেক সময় বাতাসের জলীয় বাস্প ঢুকে সামান্য পরিবর্তন হয় ঠিকই। তবে সিরাপ খানিক ক্ষণ ফুটিয়ে উপরিভাগের ফ্যানা ফেলে দিয়ে ঠান্ডা করে ফের তা বোতলে ভরে ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘ দিন অবিকৃত থাকতে পারে।

৮) গুঁড়ো দুধ:

এমনি দুধ রাখা না গেলও গুঁড়ো দুধ কৌটোর মধ্যে ভরে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে।

৯) মদ:

ভাইন ইয়ার্ডে গিয়ে খোঁজ করলেই জানতে পারবেন, সেখানে প্রায় কয়েক শো বছরের পুরনো মদ থাকে। যত পুরনো হয়, তার দামও তত বেশি হয়। কোনও কিছু না মিশিয়ে বোতলে ভরে রাখলে কোনও দিনও নষ্ট হয় না মদ।

১০) পেমিক্যান:

নেটিভ আমেরিকান উপজাতিদের রেসিপি। একেবারে যাকে বলে মোক্ষম। এল্ক বা মোষে মাংস খুব পাতলা করে কেটে এক রকমের পাউডার এবং বিভিন্ন বেরির রসে ভিজিয়ে শুকিয়ে নেওয়া হয়। কাঁচা, সেঁকে বা ভেজে খাওয়া যেতে পারে পেমিক্যান। দীর্ঘ দিন বাদে ব্যবহার করলেও এর খাদ্যগুণ নষ্ট হয় না।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

খাঁটি মধু চেনার সহজ কিছু উপায়

◽খাঁটি মধু :

খাঁটি মধু চেনার সহজ কিছু উপায় খাঁটি মধু চেনার সহজ কিছু উপায় নিয়ে আজকের পােষ্ট । আমরা জানি মধু আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মধুকতটা দরকারী । মধুর উপকারীতা এবং কার্যকারীতা বলে শেষ করবার মত নয় । তবে মধু যদি আসল না হয়ে ভেজাল যুক্ত হয় , কিংবা নকল মধু হয় , তখন কিন্তু হিতে বিপরিত হতে পারে । আর সম্পূর্ণা যেহেতু তার পাঠকদের কথা চিন্তা করে , তাই আজকে আমরা আপনাদের সামনে সহজ কিছু মধু পরিক্ষার টিপস নিয়ে হাজির হচ্ছি ।

১. পানি পদ্ধতিঃ

এ পদ্ধতিতে আপনাকে এক গ্লাস পানির মধ্যে মাত্র এক চামচ মধু মিশাতে হবে । এক চামচ মধু নিয়ে এক গ্লাস পানির মধ্যে আস্তে আস্তে নাড়ুন । যদি দেখেন মধু পানির সাথে মিশে যাচ্ছে , তাহলে বুঝতে হবে এই মধুটি আসল মধু না । আর যদি মধু আসলই হয়ে থাকে , তাহলে মধু পানিতে মিশে যাবে না , বরং ছােট ছােট দলা আকারে পানির মধ্যে ছড়িয়ে যাবে । তবে এই পদ্ধতিতে আসল মধুর সাথে কিছুটা ভেজাল মেশালে তা সহজে বােঝা যাবে না ।

২. পিপড়া পদ্ধতিঃ

পিপড়া মিষ্টি জিনিষ পছন্দ করলেও মধু পছন্দ করে না । এর কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা থাকতে পারে , তবে আমরা সেদিক যাবাে না । এক টুকরা কাগজে কিছু মধু লাগিয়ে যেখানে পিপড়া আছে সেখানে রেখে দিন । যদি পিপড়ারা এই কাগজের দিকে আকৃষ্ট হয় , এবং এটিকে ঘিরে ধরে , তাহলেই বুঝতে হবে এই মধু আসল মধু না ! আর যদি পিপড়ারা পাত্তাই না দেয় , আপনিই বুঝবেন যে এটা আসলেই আসল মধু । ৩. কাপড়েহ কাপড়ে দাগ ফেলবে , যা আসল মধু করে না ।

৪. ডিপ ফ্রিজ পদ্ধতিঃ

মধু একটি কিছুতে নিয়ে ডিপ ফ্রিজে একদিন রেখে দিন । একদিন পর মধু বের করে দেখুন , যদি আসল মধু হয় , তাহলে এটির সামান্য তম অংশও জমবে না । যদি পুরােটা জমে যায় কিংবা কিছু অংশ জমে কিংবা নিজের অংশ জমে আসছে এমন হয় , তাহলে বুঝবেন যে এটিতে ভেজাল আছে । আসল মধু ঠান্ডায় জমে যায় না ।

৫. অগ্নি পরিক্ষাঃ

এ পরিক্ষার জন্য আপনাকে একটুকরা কটন উয়িক নিতে হবে । কটন উয়িক কি জিনিষ ? ডান পার্শ্বের ছবিতেই পাবেন । এর এক প্রান্তে একটু মধু লাগিয়ে নিন । এবার এখানে আগুন ধরিয়ে দিন । এখান থেকে তিনটি ফলাফল আসতে পারে । ক . আগুন জ্বলবে নাঃ এতে করে বুঝবেন যে মধুটি পুরাটাই নকল এবং এতে প্রচুর পরিমানে পানি আছে । ফলে আগুন জ্বলছে না । খ . আগুন জ্বলবে , কিন্তু পটপট শব্দ হবেঃ এতে বুঝবেন যে মধুটি আসলই , শুধু ভিতরে পানি মেশানাে আছে আরকি । শব্দ যত বেশী , পানি তত বেশী । গ . আগুন জ্বলবে , শব্দ হবে নাঃ আমার মনে হয় আর বলে দিতে হবে না যে এমনটা হলে আপনি বুঝবেন যে এই মধু আসল মধু এবং ভেজাল মুক্ত মধু ।

৬. মেথিলেটেড স্পিরিট পদ্ধতিঃ

এর জন্য প্রথমেই আপনাকে যে কোন সাইন্স ইকুইপমেন্ট স্টোর থেকে মেথিলেটেড স্পিরিট কিনে আনতে হবে । পরিক্ষাটি সতর্কভাবে করবেন এবং হাত দিয়ে সরাসরি ধরবেন না । সমান পরিমানে মেথিলেটেড স্পিরিট এবং মধু নিতে হবে এবং নাড়তে থাকতে হবে । যদি দেখেন মধু তলানী হিসাবে জমা হচ্ছে , তাহলে বুঝবেন মধু আসল । আর যদি স্পিরিটের রং সাদাটে হয়ে আসে , তাহলে বুঝবেন মধুটি নকল ।

৭. ব্লটিং পেপার পদ্ধতিঃ

এই পরিক্ষার জন্যও আপনাকে কোন সাইন্স স্টোর থেকে ব্লটিং পেপার কিনে আনতে হবে । ব্লটিং পেপারের উপরে কয়েক ফোটা মধু নিন । যদি মধু ব্লটিং পেপারের ভিতরে আস্তে আস্তে ঢুকে যায় বা মিশে যায় , বুঝবেন এটি আসল মধু নয় । কারণ আসল মধু ব্লটিং পেপারকে ভেজায় না ।

৮. চোখ পদ্ধতিঃ

প্রথমেই বলে নিচ্ছি , এটি না করাই ভালাে । চোখের মধ্যে এক ফোটা খাঁটি মধু নিলে চোখ প্রথমে জ্বালাপােড়া , এর পর চোখ থেকে পানি পড়বে এবং সর্ব শেষে চোখের মধ্যে ঠান্ডা অনুভূতি হবে । আর যদি খাঁটি মধু না হয় , তাহলে এমনটি হবে না । তবে হঁা ভেজাল হিসাবে এমন কিছু যদি দেওয়া হয় যা চোখের জ্বালা – পােড়ার কারণ , তাহলে শুধু জ্বালা – পােড়া এবং পানিই বের হবে ; কিন্তু চোখের মধ্যে ঠান্ডা অনুভূতি হবে না । শেষে আবারও অনুরােধ করবাে এই পরিক্ষাটি না করবার জন্য । ছােট – বড় , সুস্থ্য – অসুস্থ্য সবার জন্য মধু উপকারী । কিন্তু আসল মধু পাওয়া খুবই দুস্কর । তাই মধু পরীক্ষার পদ্ধতি জানা জরুরী ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

নারকেলের পানির নানা উপকারিতা

◽নারকেলের পানির উপকারিতা :

নারকেলের জল অনেক সুবিধাঋতুতে এখন হেমন্ত চলছে। শীতের আগমন হবে কিছুদিন পরেই। কিন্ত আজকাল আবহাওয়াটা ভিন্ন। খুব গরম পড়ছে কখনো, আবার হুট করে বৃষ্টিও হচ্ছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টায় মানুষ বিভিন্ন ধরণের অসুখে ভোগে, কারণ বাইরের খোলা খাবার ও কোমল পানীয়ের সাথে ঋতু পরিবর্তনের ব্যাপারটাও টের পায় শরীর।। কিন্তু আমরা এইসব বাইরের খাবার বর্জন করে যদি ঘরের খাবার খাই ও পানীয় হিসেবে ডাবের পানি পান করি তা কিন্তু আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারি। ডাবের পানির উপকারিতা অনেক, এটি সাহায্য করে অনেক রোগ নিরাময় করতে। জেনে নিন ডাবের পানির ব্যাবহার সম্পর্কে। এই ঋতুতে প্রতিদিন ডাবের পানি আপনাকে রাখতে পারে সুস্থ, সতেজ ও চনমনে।

১. গরমে হাইড্রেশনের সমস্যায় ডাবের পানি কার্যকারী ভূমিকা পালন করে।

২. ডাবের পানি কলেরা প্রতিরোধ বা উপশমে কাজ করে।

৩. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।

৪. ব্যায়ামের পর ডাবের পানি পান করলে শরীরের ফ্লুইডের ভারসাম্য বজায় থাকে।

৫. ঘামাচি, ত্বক পুড়ে গেলে বা র‍্যাশের সমস্যায় ডাবের পানি লাগালে আরাম পাবেন।

৬. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে।

৭. ব্লাড সার্কুলেশন ভালো করতে ডাবের পানি উপকারী।

৮. ডাবের পানি গ্রোথ বাড়াতে সাহায্য করে।

৯. বদহজম দূর করে।

১০. কোলাইটিস, গ্যাসট্রিক, আলসার, ডিসেন্ট্রি ও পাইলসের সমস্যায় কাজে দেয়।

১১. ঘন ঘন বমি হলে ডাবের পানি ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

১২. ডাবের পানিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। যা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী।

১৩. কিডনীতে পাথর সমস্যা দূর করতে ডাবের পানি ঔষুধ হিসেবে কাজ করে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

নাশপাতির উপকারিতা ও পুষ্টি গুণাগুণ

◽নাশপাতির উপকারিতা :

আমাদের খুব কাছের এবং অতি পরিচিত একটি ফল নাশপাতি। নাশপাতি আমরা অনেকেই খেতে ভালোবাসি। এর গুণাগুণ সম্পর্কে চলুন কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

চীনে ফুসফুসের চিকিৎসায় নাশপাতি ব্যবহৃত হয়। নাশপাতির জুস গলা পিচ্ছিল করে, কফ এবং ভাইরাল সংক্রমণ কমায়। অনেকেই মনে করেন, গ্রীষ্মে -প্রচণ্ড গরমে ফুসফুসে কফ জমে। ফলে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। নাশপাতিতে এ্যান্টিঅক্সিজেন গ্লোটাথায়ন থাকার কারণে এটি গলাকে পিচ্ছিল করে এ ধরণের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।এছাড়াও রাত জাগতে সাহায্য করে নাশপাতি ,পানীয় হিসেবে খেয়ে নিতে পারেন এক গ্লাস নাশপাতির জুস। সারা রাত না ঘুমালেও সকালে থাকবেন একেবারে চনমনে।

শুধু তাই নয়, নাশপাতিতে চর্বি এবং ক্যালোরির পরিমাণ অত্যন্ত কম এবং অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন, আঁশ, মিনারেল ও এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ৪ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে পৃথিবীতে নাশপাতি উৎপাদিত হলেও সম্প্রতি এর খাদ্যগুণ দৃষ্টি কেড়েছে সবার।

চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক নাশপাতি স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী-

▫রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা কমায় : 

নাশপাতি রক্তে অ্যালকোহলের পরিমাণ কমায়। চলতি মাসের একটি গবেষণায় জানা গেছে যারা নাশপাতির জুস খায় তাদের স্মরণশক্তি ভালো থাকে এবং আলো কিংবা শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা কমে আসে।

▫ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াই : 

চিকিৎসক ক্রিসটি বলেন, নাশপাতিতে বিদ্যমান পলিফেনল টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। পলিফেনল রক্তের শর্করার পরিমাণ কমায়। সপ্তাহে পাঁচবারের বেশি নাশপাতি খেলে ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ে। এটি চোখ, ত্বক এবং কিডনির সমস্যাও দূর করে।

▫গর্ভাবস্থায় উপকারী : 

নাশপাতিতে ফলিক এসিডসহ গর্ভাবস্থার জন্য অন্যান্য উপকারী পুষ্টিগুণ রয়েছে। প্রতিটি বড় নাশপাতিতে প্রায় ১৪ মাইক্রোগ্রাম ফোলেট রয়েছে, যা ১১ বছরের অধিক বয়সীদের খাদ্যতালিকার প্রয়োজনীয় উপাদানের ২০০ গ্রাম এবং গর্ভবতী মায়েদের খাদ্যতালিকার প্রয়োজনীয় উপাদানের ৭০০ গ্রাম পূরণ করে। চিকিৎসকদের মতে, গর্ভবতী নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় ফলিক এসিডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে নাশপাতিতে।মহিলাদের বিভিন্ন রোগ সহ মেনোপোজ পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতা কাটাতে নাশপাতির জুড়ি নেই।

▫অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণে : 

শিশুদের প্রায়ই প্রথম ফল হিসেবে নাশপাতি দেওয়া হয়। শুধু পুষ্টিগুণের জন্য নয়, এটি অ্যালার্জির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমায়। যারা প্রায়ই হালকা জ্বর এবং অ্যালার্জি সমস্যায় ভোগে তাদের জন্য নাশপাতি খুবই উপকারী।

▫হাড়ের ক্ষয়রোধ করে : 

উচ্চ মাত্রায় মিনারেল থাকার কারণে নাশপাতি দেহে ক্যালসিয়ামের যোগান দেয়। এটি হরমোন উৎপাদন এবং হাড়ের ক্ষয়রোধ করে। প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের ১০ শতাংশ নাশপাতিতে বিদ্যমান। এ ছাড়াও নাশপাতিতে আছে হাড়ের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ‘ভিটামিন কে’।

এছাড়াও দাঁতের মাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলে নাশপাতির রস ও অল্প ফিটকিরি মিশিয়ে রেখে সকালে খেলে মাড়ির ক্ষয় পূরণ হয়।খুশকি ও মাথার চুল পড়ে গেলে নাশপাতির রস ১০-১৫ দিন খেলে চুল পড়া ও খুশকি দূর হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য তাড়াতে নাশপাতির জুড়ি নেই। বিকেলে বা রাতে খাওয়ার পর নাশপাতি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

এতগুণের নাশপাতিকে তাহলে আর দূরে রাখা কেনো? আজই যুক্ত করে নিন আপনার খাদ্য তালিকায়। সুস্থ্য থাকুন, ভালো থাকুন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Life Hacks

কাঠবাদামের তেলের ভিন্ন রকম ব্যবহার

◽ কাঠবাদাম তেল :

প্রাচীনকাল থেকেই সৌন্দর্যচর্চার অন্যতম একটি উপাদান হলো কাঠবাদাম তেল। এটি এমন এক প্রকার খাদ্য বীজ, যার মধ্যে রয়েছে ঔষধি এবং ত্বক পরিচর্চার সব গুণই। শুধু ত্বকের যত্নেই নয়, স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও কাঠবাদামের উপকারিতা অপরিসীম। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার এবং মিনারেল রয়েছে। কাঠবাদাম হার্টকে সুস্থ রাখে, শরীরের কোলেস্টেরল কমায়, ক্যান্সার রোধ করে, শক্তি সঞ্চার করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল রাখে। কাজেই পুষ্টি ও শক্তি এ দুটো একসঙ্গে পেতে বেছে নিতে পারেন আমন্ড বা কাঠবাদাম তেল।

জেনে নিন ত্বক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাঠবাদাম তেলের ব্যবহার-

⏩ ত্বকের যত্নে কাঠবাদাম তেল :

▫উজ্জ্বলতা বাড়ায় :

কাঠবাদামে ভিটামিন-ই রয়েছে,যা ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এ তেল ম্যাসাজ করলে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। ফলে ত্বকও সুস্থ থাকে। এটি সূর্যের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে। যাদের ত্বকে সান বার্ন আছে, তারা এটি থেকে পরিত্রাণ পেতে কাঠবাদাম তেল ব্যবহার করতে পারেন।

▫ব্রণ দূর করে :

কাঠবাদাম তেল মুখের ব্ল্যাকহেডস ও ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। যাদের তৈলাক্ত ত্বক তাদের জন্যও উপকারী এ তেল।

▫ময়েশ্চারাইজ ধরে রাখে :

ত্বকের ময়েশ্চারাইজ ধরে রাখতে কাঠবাদামের বিকল্প নেই। এটি মুখের লোমগ্রন্থি বন্ধ করে না। তাই ব্রণ হওয়ার ভয় থাকে না।

▫চর্ম সমস্যা দূর করে :

স্কিনের যে কোন চর্ম সমস্যা দূর করে কাঠবাদাম তেল। এতে বিদ্যমান ফ্যাটি অ্যাসিড চর্ম সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে।

▫দাগ দূর করে :

কাঠবাদাম তেল চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে। নিয়মিত কাঠবাদামের পেষ্ট রাতে ঘুমানোর সময় চোখে দিয়ে ঘুমালে, চোখের নিচের কালো দাগ চলে যায়। এছাড়া চোখের বলিরেখা এবং ফুলা ভাবও কমাতে সাহায্য করে এটি।

▫বলিরেখা দূর করে :

কাঠবাদাম ত্বকের বলিরেখা দূর করে। প্রতিদিন কাঠবাদামের তেল দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করলে, বলিরেখা কমে। মধু, লেবু, কাঠবাদাম তেল মিশিয়ে মুখে মাস্ক হিসাবে ব্যবহার করলে ত্বক হয়ে উঠবে দীপ্তিময় এবং মুখের বয়সের ছাপ কমে যাবে।

▫মেকআপ তুলতে :

ভারি মেকাপ তুলতেও কাঠবাদাম তেল অনেক উপকারী। তুলায় সামান্য একটু নিয়ে পুরা মুখে লাগিয়ে মুছে নিন। পরে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মেকআপ একেবারেই চলে গেছে।

⏩ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাঠবাদাম তেল

▫কোলেস্টেরল কমায় :

কাঠবাদামে মনসেচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, যা শরীরে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন একটি করে কাঠবাদাম খান, তাদের কোলেস্টেরল শতকরা ৪.৮ ভাগ কমে এবং যারা প্রতিদিন দুটি করে খান তাদের কমে শতকরা ৯.৪ ভাগ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq