Categories
Life Hacks

কোলস্টেরল কমানোর প্রাকৃতিক উপায়

◽প্রাকৃতিক উপায়ে কমিয়ে ফেলুন কোলস্টেরল :

কোলস্টেরলের সমস্যায় ভুগেন বেশিরভাগ মানুষ। অত্যাধুনিক জীবনযাত্রা এবং খাওয়ার অভ্যাস বাড়িয়ে দেয় এই রোগ। কোলস্টেরলের হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই ওষুধ খান। কিন্তু ওষুধ না খেয়েই শুধুমাত্র খাবার খেয়েই কমিয়ে ফেলা যায়। এবার দেখে নিন ঠিক কি কি ধরনের খাবার খেয়ে স্বাভাবিক রাখা যায় …

১. ওট খান

যে সমস্ত খাবারে ফাইবারের পরিমাণ খুব বেশি সেই সমস্ত খাবার খান। নিজের ব্রেকফাস্টে ওট খেতেই পারেন। এতে থাকা ফাইবার আপনার কোলস্টেরল স্বাভাবিক রাখে। যা শরীরের খারাপ কোলস্টেরলের আধিক্য কমিয়ে ভালো কোলস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। ওটের মধ্যে কলা মিশিয়ে খেতে পারনে। কলা কোলস্টেরলের জন্য খুবই উপকারি।

২. মাছ এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড

ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ভালো উৎস হল মাছ। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্ট অ্যাটাকের হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না।

৩. আখরোট এবং আলমন্ড খান

আখরোট এবং আমন্ড কোলস্টেরলের পক্ষে খুবই উপকারি। এগুলি খারাপ কোলস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এতে ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এছাড়া পিনাট, পাইন নাট ইত্যাদিও কোলস্টেরলের পক্ষে খুবই কার্যকরী।

৪. ওলিভ অয়েল

যে কোনও খাবারে ওলিভ ওয়েল মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্টকে সুস্থ রাখে। এতে ফ্যাটের পরিমাণ অনেক কম থাকে। যা কোলস্টেরলের জন্য খুবই ভালো।

৫. শাক

সবুজ জিনিস অথবা শাক শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। এছাড়া কমলা লেবু এবং টক দইও কোলস্টেরল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ভারী খাবার খাওয়ার পরে স্যালাডে খেয়ে নিতেই পারেন লেবু বা শসা।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

মানুষের মস্তিষ্ক সম্পর্কে কিছু তথ্য

◽ মানুষের মস্তিষ্ক :

আসুন মানুষের মস্তিষ্ক সম্পর্কে বিস্ময়কর কিছু তথ্য

🎯পুরুষদের মস্তিষ্ক নারীদের মস্তিষ্কের তুলনায় 10% বড়।

🎯ব্রেইন স্ক্যান দ্বারা দেখা গেছে কোনও ব্যক্তি প্রেমে পড়লে তার মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশ উদ্দীপিত হয়।[

🎯জ্ঞান হল হৃদযন্ত্র ও মন উভয়েরই একটি বিষয়। একটি নতুন গবেষণা অনুযায়ী, আপনার হার্টবিট এর ওঠানামা আপনার জ্ঞানকে প্রভাবিত করতে পারে।

🎯মানুষের আসলে দ্বিতীয় একটি মস্তিষ্ক আছে। অন্ত্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বিতীয় মস্তিষ্ক বা অন্ত্রের মস্তিষ্ক হিসাবে পরিচিত। কারণ এটি মস্তিষ্ক এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতে পারে। এই দ্বিতীয় মস্তিষ্কের কারণেই আপনার অন্ত্রের অনুভূতি আসে।[3]

🎯মস্তিষ্কে উপস্থিত সমস্ত রক্তনালীর দৈর্ঘ্য একসাথে 161,000 কিলোমিটার। যা পৃথিবীকে প্রায় ৪ বার পরিবেষ্টন করতে পারে।

🎯প্রাপ্তবয়স্ক মস্তিষ্কের কোষগুলি আহত হলে তারা ভ্রূণ অবস্থায় ফিরে আসে। তাদের সদ্য গৃহীত অপরিপক্ক অবস্থা কোষের সংযোগগুলিকে পুনরায় বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম হয়। যা সঠিক অবস্থায় এসে হারানো অংশগুলি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।

🎯এটি একা 20-25% শরীরের রক্ত এবং অক্সিজেন গ্রহণ করে। যদিও ওজনে শরীরের মাত্র 2%।

🎯আপনি যত বেশি কঠিন চিন্তা করেন তত বেশি পরিমাণে আপনার মস্তিষ্ক শক্তি এবং অক্সিজেন ব্যবহার করে, যা শরীরের 50% পর্যন্ত হতে পারে।

🎯নিউরন হল দেহের দীর্ঘতম এবং সবচাইতে দীর্ঘজীবী কোষ। এদের কিছু পুরো জীবনকাল বেঁচে থাকতে পারে।

🎯প্রাপ্তবয়স্ক মস্তিষ্কে প্রায় 86 বিলিয়ন নিউরন থাকে। প্রতিটি নিউরন আরও 10,000 টি নিউরনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।[5]

🎯মানব মস্তিষ্ক একটি সুপার কম্পিউটারের চাইতেও বেশি জটিল।

🎯মানব মস্তিষ্কের প্রায় 60% হল চর্বি, এটি মানবদেহের সবচেয়ে ফ্যাটযুক্ত অঙ্গ হিসাবে পরিচিত।

🎯জাগ্রত অবস্থায় মস্তিষ্ক 20 ওয়াট পর্যন্ত শক্তি উৎপন্ন করে, যা একটি ছোট বাল্ব জ্বালানোর পক্ষে যথেষ্ট।

🎯মানুষের conscious mind ঘুমালেও subconscious mind কখনও ঘুমায় না। ঘুমানোর সময় এই subconscious mind এর কার্যকলাপের কারণেই আপনি স্বপ্ন দেখেন।

🎯মানব মস্তিষ্ক 1000TB (1TB= 1024GB) পর্যন্ত ডাটা ধারণ করতে পারে!

🎯বেশিরভাগ মানুষ জাগার পর তাদের স্বপ্নের 5% প্রথম 5 মিনিটে এবং 90% স্বপ্ন 10 মিনিটের মধ্যে ভুলে যায়।
প্রায় 12% মানুষের স্বপ্নগুলি সাদা-কালো হয়।

🎯একজন মানুষের দিনে 70,000 টা চিন্তা থাকতে পারে! এই 70,000 এর মধ্যে অনেক চিন্তাভাবনা প্রকৃতপক্ষে বারবার লুপ করছে।

মস্তিষ্ক মানব দেহের সবচেয়ে জটিল এবং রহস্যময় অঙ্গ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

Happy New Year 2021 Everyone!!

Categories
Life Hacks

বড়দিন একটি বাৎসরিক খ্রিস্টীয় উৎসব।

◽বড়দিন বা ক্রিসমাস খ্রিস্টীয় উৎসব :

বড়দিন বা ক্রিসমাস একটিবাৎসরিক খ্রিস্টীয় উৎসব। ২৫ ডিসেম্বর তারিখে যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে এই উৎসব পালিত হয়। এই দিনটিই যিশুর প্রকৃত জন্মদিন কিনা তা জানা যায় না। আদিযুগীয় খ্রিস্টানদের বিশ্বাস অনুসারে, এই তারিখের ঠিক নয় মাস পূর্বে মেরির গর্ভে প্রবেশ করেন যিশু। সম্ভবত, এই হিসাব অনুসারেই ২৫ ডিসেম্বর তারিখটিকে যিশুর জন্মতারিখ ধরা হয়।[২] অন্যমতে একটি ঐতিহাসিক রোমান উৎসব [৩] অথবা উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ অয়নান্ত দিবসের অনুষঙ্গেই ২৫ ডিসেম্বর তারিখে যিশুর জন্মজয়ন্তী পালনের প্রথাটির সূত্রপাত হয়।[৪] বড়দিন বড়দিনের ছুটির কেন্দ্রীয় দিন এবং খ্রিষ্টধর্মে বারোদিনব্যাপী খ্রিষ্টমাসটাইড অনুষ্ঠানের সূচনাদিবস।[৫] প্রকৃতিগতভাবেএকটি খ্রিষ্টীয় ধর্মানুষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও, একাধিক অ-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ও মহাসমারোহে বড়দিন উৎসব পালন করে।[ ][৬] এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে উৎসবের আয়োজনে প্রাক-খ্রিষ্টীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়ভাবনার সমাবেশওদেখাযায়উপহারপ্রদান, সংগীত, বড়দিনেরকার্ড বিনিময়, গির্জায় ধর্মপাসনা,ভোজ,এবং বড়দিনেরবৃক্ষ, আলোকসজ্জা, মালা,মিসলটো, যিশুর জন্মদৃশ্য, এবং হলি সমন্বিত এক বিশেষ ধরনের সাজসজ্জার প্রদর্শনী আধুনিককালে বড়দিন উৎসব উদযাপনের অঙ্গ। কোনো কোনো দেশে ফাদার খ্রিষ্টমাস (উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্যান্ডে সান্টাক্লজ) কর্তৃক ছোটোদের জন্য বড়দিনে উপহার আনার উপকথাটি বেশ জনপ্রিয়।[৭]উপহারপ্রদানের রীতিটিসহ বড়দিন উৎসবের নানা অনুষঙ্গ খ্রিষ্টান ও অ-খ্রিষ্টানদের অর্থনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই উৎসব উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয়ের একটি বিশেষ মরসুম চলে। বিগত কয়েকটি শতাব্দীতে বিশ্বে বিভিন্ন অঞ্চলে বড়দিনের অর্থনৈতিক প্রভাবটি ধীরে ধীরে প্রসারিত হতে দেখে গেছে। ভারত ও বাংলাদেশে বড়দিন একটি রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

১৯৭১ এবং ২০২১ এর ক্যালেণ্ডার

◽১৯৭১ এবং ২০২১ এর ক্যালেণ্ডার হুবহু এক :

◽গাণিতিক ব্যাখ্যা :

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ ফিরে গেলাে তার জন্মবর্ষে ৷ এটার কারণ হলাে : লক্ষ্য করুণ , ১৯৭১ সালের প্রথম দিন শুক্রবার ১৯৭১ আর ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বছরের পার্থক্য । আর লীপ ইয়ার ১২ টা । তাহলে দিনের পার্থক্য = ৫০x৩৬৫ + ১২ + ১ = ১৮২৬৩ এই দিনের পার্থক্য ৭ দিয়ে বিভাজ্য ( সপ্তাহের ৭ দিন ) যার জন্য ১৮২৬২ দিন পরে , অর্থাৎ ১৮২৬৩ তম দিনে আবার ১ তারিখে শুক্রবার হবে ! তার মানে গােটা পঞ্জিকাই রিপিট করবে ৷

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস

◽ স্বাধীনতা শব্দটি যেভাবে আমাদের হলো :

১৬ই ডিসেম্বর কী? এই প্রশ্নটা শুনলে তুমি হয়তো চট করে উত্তর দিয়ে দেবে যে ১৬ই ডিসেম্বর হলো আমাদের বিজয় দিবস। তবে তোমার কি মনে হয় সবার উত্তর একটাই হবে? যদি ভেবে থাকো একই তো হবার কথা, তবে কিন্তু তুমি ভুল। কারণ মুক্তিযুদ্ধ যেমন একেকজনের কাছে একেকরকম, তেমনি বিজয়ের দিনটাও একেকজনকে একেকভাবে ছুঁয়ে গেছে। আমরা এই ব্লগে চেষ্টা করবো এমন কিছু উত্তর শোনার যা দিয়ে দিয়ে আমরা বিজয়কে বুঝতে পারবো তাদের চোখে। এবং মুক্তযুদ্ধকালীন সময়ে আমাদের মত কিশোর-কিশোরী দুজন মুক্তিযোদ্ধার বিজয়ের পেছনের কাহিনী শুনবো। তবে চলো শুরু করা যাক।

প্রথমেই আমি কয়েকজনের গল্প তোমাদের বলতে চাই। এই গল্পগুলো হয়তো অনেক বিখ্যাত না। বা এই গল্পগুলো দিয়ে হয়তো কোন বই কিংবা সিনেমা বানানো হয়নি। তবে এই গল্পগুলোও বিজয়ের পেছনের। হয়তো এই গল্পের মাধ্যমে তুমি তাদের চোখে ১৬ই ডিসেম্বর কিংবা বিজয় দিবস কেমন তা বুঝতে পারবে।

একজন কিশোর। সবে কলেজে উঠেছে মাত্র। অনেকে অনেক নামে তাকে চিনলেও ভালো নাম শাহজামান। পড়ছে গভর্নমেন্ট জিন্নাহ কলেজে (বর্তমান তিতুমীর কলেজ)। বাসা থেকে বের হতে দেয় না বলে সে ইকবাল হলে এসে আস্তানা গাড়লো। শাহজামানের পরিকল্পনা ছিলো দেশে যদি যুদ্ধ শুরু হয় তবে একদম প্রথমেই অংশ নেবে সে। কারণ? কারণ একটাই, প্রতিশোধ। চোখের সামনে একের পর এক অন্যায় আর নির্যাতন দেখেও কিছু করতে পারছিলো না সে। ইকবাল হলে থাকায় ৭ই মার্চ পল্টনের রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ভাষণের সময় উপস্থিত হতে তার বেগ পেতে হয়নি।

স্বশরীরে বজ্রকণ্ঠে আবারো পাক হানাদারদের নির্যাতনের কথা শুনল শাহজামান। যখন সেই হুংকার শুনল ‘আর যদি একটি গুলি চলে, আর যদি আমার লোকদের হত্যা করা হয়…’। কিশোর বয়সী সেই শাহজামানের মাথায় রক্ত উঠে গেলো। তরুণ মন আর ১৮ বছর বয়স শাহজামানকে ডাকছে প্রতিবাদের জন্য, তা খুব ভালোই টের পাচ্ছিলো সে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত সেই কবিতা ‘এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে” যেন জীবন্ত হয়ে উঠলো।

তার একজন সহপাঠী, যে কিনা যুদ্ধে যাবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলো, তার বাড়িতে গেলো ছেলেটি। কিন্তু যুদ্ধের কথা শুনতেই সিংহ মনোভাবের বন্ধু হঠাৎই বেড়াল হয়ে গেলো। শাহজামান রাগ করে সেখান থেকে বেরিয়ে বাড়ি এসে বললো, আমি যুদ্ধে যাবো। এরকম নির্যাতন আমার বসে বসে দেখা সম্ভব না। সেই কিশোর বীরের বেশে ঘর থেকে বেরোলেন নির্যাতনের প্রতিবাদ জানানোর জন্য।

শাহজামান ট্রেনিং-এর জন্য গেলেন। দুই দিন অভুক্ত থাকার পর ট্রেনিং ক্যাম্পে গিয়ে আক্ষরিক অর্থেই এক থালা ডাল-ভাত পেটে চালান করে দিয়ে তিনি যেন অমৃত স্বাদ পেলেন। সেই সাথে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো প্রতিবাদের আগুন।

বয়স কম হওয়ায় তাকে বড় অপারেশনে দেয়ার জন্য দ্বিধাবোধ করা হচ্ছিলো। কিন্তু তিনি কিশোর হলে কী হবে! তিনি ছিলেন অনবদ্য। সুকান্তের সেই ক’টা লাইন।

“আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ

র্স্পধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,

আঠারো বছর বয়সেই অহরহ

বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি”

শাহজামান নিজে একটি অপারেশনেই মাটির তলায় মাইন পুঁতে পাকিস্তানি পাঁচটি আর্মি ভ্যান ও বাস উড়িয়ে দেন। সম্মুখ যুদ্ধে নির্ভিকভাবে করেছেন সফল সব আক্রমন। অংশ নেন একাধিক অপারেশনে। ছোটবেলায় শিকারী বাবার কাছে শেখা শটগান চালানোটা যুদ্ধক্ষেত্রে হয়ে উঠলো ঐশ্বরিক বিদ্যা। বিস্ফোরণ দ্রব্যাদি সম্পর্কেও ছিলো সম্যক ধারণা। যুদ্ধে গিয়েছিলেন বীরের বেশে। ফিরেছেন একই ভাবে।ডিসেম্বর শুরু। একে একে খবর আসছে বিভিন্ন জায়গা থেকে হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হচ্ছে সব জায়গা। ঢাকায় তখনও সন্দেহের অবকাশ। হঠাৎই ১৫ তারিখ শোনা গেলো মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করবে পাকিস্তানীরা। কলেজে পড়ুয়া কিশোর শাহজামান মজুমদারের ঠোটে বীরের হাসি। তিনি আসলে বীরই বটে। এখনও তিনি ঢাকায় বীরের বেশে ঘুরে বেড়ান। তার সম্পর্কে আরো জানতে পারো এই ওয়েবসাইট থেকে। বুঝতেই পারছো যুদ্ধের চার দশক পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো কিং অব ঢাকা!

শাহজামান মজুমদার। বীর প্রতীক উপাধীতে ভূষিত হওয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁঁর কাছে ১৬ই ডিসেম্বর মানে প্রতিশোধ নেয়ার স্বাদ বারবার ফিরে পাওয়া।

এবার চলো আরেক টিনএজারের যুদ্ধে যাওয়ার গল্প শুনি। বয়স তার উনিশ তখন। সালটা ছিলো একাত্তর। জন্ম চট্টগ্রামে হলেও আট বছর বয়সেই ঢাকা চলে আসে পরিবারসহ। থাকা হতো রাজধানীর আজিমপুরে। এখনকার লালবাগ ও আজিমপুরের শেষ মাথায় ওয়েস্টার্ন হাইস্কুলে পড়েছেন মাধ্যমিক। উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য পরে ভর্তি হয়েছিলেন ঢাকা কলেজে। তবে ঠিক তখনই বেজে উঠলো স্বাধীনতা যুদ্ধের দামামা। ক্লাসের সুবোধ বালক দিলু কখনোই ছিলো না। অনবদ্য কিশোর দিলুর মনে শুধু আনচান। এরমধ্যে যদি যুদ্ধের ডাক পড়ে তবে কি আর তাকে ঘরে বেঁধে রাখা যাবে?

যখন বয়স আরো কম তখনও যেতেন নিয়মিত মিছিলে। ১৯৬৯ সনের ১১ দফা দাবী আন্দোলনের যেই মিছিলে আসাদ শহীদ হন, সেখানে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন দিলু। বয়স তখন মাত্র ষোলো। ভালো নাম মজিবুর রহমান হলেও সবাই ডাকে দিলু। কলেজে উঠতেই প্রায় প্রতিদিনই মারামারি করার অভিযোগ আসতো বাসায়। বাবা একসময় বিরক্ত হয়েই বলে ফেললেন, মারমারি করে কান্ড ঘটাও। কত ছেলেই তো যুদ্ধে যায়, তবে বিদ্যাটা সেখানে না হয় কাজে লাগাও। এই ছোট্ট কথাকেই সিরিয়াস ভেবে সাত বন্ধুর এক জোট করে রওনা হয় মজিবুর রহমান দিলু। বাচ্চাদের এই দলের গন্তব্য জানা নেই। তবে উদ্দেশ্য দেশ স্বাধীনে অংশ নেয়া।

কবিগুরু বলেছেন, ‘সহজ কথাও যায় না বলা সহজে’। যেখানে সহজ কথাই সহজে বলাই যায় না সেখানে কাজে কতটা কঠিন তা তো নিখাদ কল্পনাই করা যায়। এখানেও তাই ঘটলো। ঝোঁকের মাথায় যুদ্ধ যাত্রায় প্রথমেই ধাক্কা খেলো বড়সড় ভাবে। ট্রেনিং ক্যাম্পে যাবার জন্য টানা এক সপ্তাহ হাঁটতে হলো তাদের। তার উপর দিতে হবে সীমান্ত পাড়ি। চেনা নেই পথ। দলের কয়েকজন অসুস্থও হয়ে পড়লো। তাও এই দুর্বল দল নিয়েই দিলু গিয়ে পৌঁছুলেন কোলকাতায়। সেখান থেকে মেলাঘর পাড়ি দিয়ে দুই নম্বর সেক্টরের খালেদ মোশাররফের দলে যোগদান করলো।১৯৭১ সনের জুলাইয়ের দিকে ট্রেনিং শেষ করে সাভারে অস্ত্র লুকিয়ে বাড়িতে ফেরে দিলু। কিন্তু এ কী! বাড়িতে কেউ নেই। নেই কোন ঠিকানা। এ অবস্থায় প্রায় দিকভ্রান্ত হয়ে ঘুরতে থাকে বাউন্ডুলে দিলু। এজন ওজন মারফত পেয়ে যায় নতুন ঠিকানা। সারাক্ষণ মারামারি আর দুষ্টুমিতে লেগে থাকা কিশোরটি মাকে জড়িয়ে কাঁদলো অনেকক্ষণ। কান্না শেষে মাকে বললো, আমার মত দুষ্টু দিলু একজন না থাকলে কিছুই হবে না। বিদায়!

এই দুষ্টু ছেলেটিই দেশের জন্য যুদ্ধ করেছে ১৬ই ডিসেম্বরের দুপুর পর্যন্ত। ১৬ তারিখ ভোরে তিনি জানতে পারেন আজ নাকি পাকিস্তানীরা আত্মসমর্পন করবেন। তাই বেশ খুশি মনেই বেরিয়ে যান। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে এক কমান্ডারের সন্ধান পান। তাকে একাই আত্মসমপর্ণ করাতে বাধ্য করেন এই কিশোর বয়সী দিলু। বিজয়ের আনন্দ করার জন্য অনেকে মিলে একটি জিপে উঠে পড়েন। নীলক্ষেত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পার হয়ে যখন শাহবাগের দিকে এগুচ্ছিলো জীপ, ঠিক সেই মুহুর্তেই আর্মি কন্ট্রোলরুম থেকে বৃষ্টির মত গুলি বর্ষণ শুরু হয়। বর্তমানে যেটা শাহবাগের পুলিশ কন্ট্রোল রুম।

সেকেন্ডের মাঝেই জিপ ফাঁকা হয়ে যায়। স্টেনগান হাতে দিলু একা হতভম্ব হয়ে বসে আছেন। তবে কি বিজয়ের খবর মিথ্যে? ৭১ সাল পুরোটা যুদ্ধে বিসর্জন দেয়া দিলুর মনে বিজয়ের হাতছানি দিচ্ছিলো ঠিকই। কিন্তু তিনি বুঝতে পারলেন, তার সময় শেষ। হয়তো আজ দিনটা বেঁচে থাকলে দেশের স্বাধীনতা দেখে যেতে পারতেন তিনি। আর্মিদের হাতে মেশিনগান। গোটা বিশেক তো হবেই। আর একা দিলুর হাতে মামুলি স্টেনগান। পেছনে ফেরার পথ নেই। চোখ বুজে সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে বর্তমানে জাতীয় জাদুঘরের ওখান থেকে দিলেন দৌড়। পুরো ফাঁকা রাস্তায় একা দৌড়ে গেলেন পিজি হাসপাতালে। প্রতি মুহুর্তে মনে হচ্ছিলো একটা না; বরং হাজারো বুলেটে ঝাঁঝড়া হয়ে যাবেন তিনি।

কিন্তু তিনি বেঁচে ফিরেছেন। আজকের জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব সেই টগবগে কিশোর মজিবুর রহমান দিলু। ১৬ই ডিসেম্বর মানে যার কাছে একইভাবে এক ভয়াল স্মৃতি এবং বেঁচে থেকে বিজয় দেখার উদ্দীপনা।

সুতরাং আমরা দু’জন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখেই বুঝলাম ১৬ই ডিসেম্বর মানে হয়তো সবার কাছে এক নয়। কারো কাছে সেটা আনন্দের বিজয় আবার কাছে কষ্টের। তবে সবার কাছেই বীরত্বের এক বিজয়। মাথা তুলে দেখানোর দিবস।

ডিসেম্বর মাস মানেই বছর শেষ। বছর শেষ মানে পরীক্ষাও শেষ। আর পরীক্ষা শেষ মানেই ছুটি! এই ছুটির ফাঁকে তোমরা যেসব বই পড়বে আর সিনেমা দেখে নেবার কথা ভাবছো তার তালিকায় যুক্ত করতে পারো মুক্তিযুদ্ধের বেশ কিছু তথ্যনির্ভর বই ও চলচিত্র। যদিও অনেক অনেক ভালো বই ও সিনেমা রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে। তবে তোমাদেরকে হাতেগোনা দু’টো সিনেমার কথাই বলছি। এর পাশাপাশি অন্যসব দেখে ফেললেও মন্দ হবে না।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সিনেমা মানেই একঘেয়েমি ঘটনা নয় তার প্রমান রয়েছে বেশ কিছু সিনেমায়। তবে অনেকে সেগুলো দেখেছো আবার অনেকের চোখে হয়তো পড়েনি। তার মধ্যে বেশ অন্যরকম দু’টো সিনেমার কথা বলি সংক্ষেপে।

▫️মেঘমল্লার

তোমরা যারা কলেজে পড়ছো তারা হয়তো ইতিমধ্যেই তোমাদের বাংলা বইতে ‘রেইনকোট’ গল্পটি পড়ে ফেলেছো। গল্পটির কলেবর ছোট হলেও এর গভীরতা পাঠকের মন ছুঁয়ে যায় সহজেই।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের রচনা করা ছোটগল্প ‘রেইনকোট’ অবলম্বনেই মূলত তৈরি হয়েছে ‘মেঘমল্লার’ সিনেমাটি। বাংলাদেশ সরকারের জারীত চলচ্চিত্র অনুদানের সহায়তায় নির্মিত ছবিটি মুক্তি পায় ২০১৪ সালে। ঘটনায় দেখা যায়, মূল চরিত্র নুরুল হুদা মফস্বল একটি শহরের সরকারী কলেজের শিক্ষক। তাঁর শ্যালক কাউকে না জানিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলে বিপাকে পড়ে যান তিনি নিজে। জীবন সংকট অবস্থা। এদিকে একদিন বৃষ্টিমুখর এক সময়ে তার বাড়িতে থাকা রেইনকোটটি ভাইকে পড়িয়ে দেন নুরুল হুদার স্ত্রী আসমা। সেই দিনই তিনি পাক-হানাদার বাহিনীর হাতে পড়ে যান। এবং তারপর?

▫️হাঙর নদী গ্রেনেড

বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের লেখা একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাসের নাম হলো ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’। উপন্যাস হিসেবে বের হলেও এটি একটি বেদনাদায়ক সত্য গল্পের উপর রচিত উপন্যাস। একজন মায়ের দৃঢ়তা ও সাহসিকতার দৃশ্য ফুটে উঠেছে সিনেমাটিতে।

সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন প্রয়াত পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। মূলত লেখিকা সেলিনা হোসেন নিজের চোখে দেখা এক মায়ের গল্পই উপন্যাসে রূপ দিয়েছেন। এখানে এমন এক গল্প রয়েছে যাতে মায়ের গর্ভে জন্ম নেয়া এক শিশুর মুখে কখনোই মা ডাকটি শুনেনি মমতাময়ী মা। কারণ তার পুত্র রইস ছিলো জন্ম থেকেই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। যুদ্ধ শুরু হলে তার বড় ছেলে সলীন যুদ্ধে যোগ দেয় আর বাড়ি দেখভালের জন্য থেকে যান কলীম। এদিকে মুক্তিযোদ্ধা সলীমকে না পেয়ে কলীমকে নির্যাতন করে হত্যা করে মায়ের চোখের সামনেই। এদিকে মা প্রতিবন্ধী রইস নিয়ে জীবনের এক কঠিন সমীকরণের মুখে পড়ে যায় মা। সিনেমাটি দর্শকের মন খুব গভীরভাবে স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছে। চাইলে তুমি পুরো চলচিত্রটি দেখে নিতে পারো ইউটিউবেই।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

Center tapped transformer এর কয়েল

◽ কয়েলের অবস্থান ও সুবিধা :

◽পর্ব : ০৩

▫️প্রশ্নঃ এক কয়েল 0-12V এর উপর দ্বিগুন বা দুই কয়েলের 6V-0-6V সম পরিমান লোড চাপালে কি ঘটবে?

▫️উত্তরঃ

বিষয়টি একটু গভীর থেকে দেখি- (6V-0-6V) Transformer হওয়ার কারনে, ক্লক এবং এন্টি ক্লকওয়াইজ দুটি আলাদা কয়েল ৷ প্রতি কয়েলে আলাদা হাফ সাইকেল সুইচিং হচ্ছে বলে, আউটপুটের লোড ma, দুই কয়েলে সমান শেয়ারিং হচ্ছে। Transformer ডিজাইনে তারের গেজ এই হিসাবেই নির্বাচন করা হয়৷ যদি (0-12V) একটি কয়েলের উপর দুটি হাফ সাইকেলের কারেন্ট প্রবাহিত হয় তাহলে, ঐ কয়েলের উপর লোডের চাপটাও দ্বিগুন হয়৷ এতে ঐ তারের সর্বোচ্চ সহন ক্ষমতা অতিক্রম করবে, ফলে ট্রান্সফরমারটি গরম হবে এবং দীর্ঘক্ষন চললে পুড়ে নষ্ট হবে৷

তাই নির্দিষ্ট ma লোডের জন্য Center tap এবং Non center tap Transformer ডিজাইনে ক্ষেত্রে সেকেন্ডারী কয়েলের তার দুই রকম হয় ৷

প্রশ্নঃ Full cycle, Half cycle, Zero crossing, Rising edge,falling edge, peak Value বলতে কি বুঝি?

উত্তরঃ

ওয়ান সাইকেল (One cycle) বা ফুল সাইকেল (Full cycle):

Sine wave এর নিয়মানুযায়ী wave (তরঙ্গ) এর বিস্তার (Ampltude) 0॰ থেকে শুরু করে পজেটিভ অভিমুখে Peak value 90॰ পর্যন্ত উর্ধ্বমুখি(Rising) হয়ে আবার নিম্নমুখি হয়ে 180॰ অতিক্রম করে নেগেটিভ অভিমুখে Peak value 270॰ পর্যন্ত উর্ধ্বমুখি হয়ে আবার নিম্নমুখি (falling) হয়ে 360॰ তে এসে একটি সম্পূর্ন চক্রে আবর্তিত হয় ৷ এইভাবে 0॰ থেকে 360॰ পর্যন্ত এই সম্পূর্ন চক্রটিকে one cycle বা Full cycle বলা হয় ৷

রাইজিং এজ (Raising edge):

যে প্রান্ত হইতে তরঙ্গ(wave) পজেটিভ ও নেগেটিভ অভিমুখে উর্ধ্বমুখি হতে শুরু করে, শুরুর ঐ প্রান্তটিকে Rising edge বলে ৷ ( উদাহরন পজেটিভ Half cycle এ 0॰ এবং নেগেটিভ Half cycle180॰ ঐ প্রান্ত )

ফলিং এজ (Falling edge):

তরঙ্গ(wave) পজেটিভ ও নেগেটিভ অভিমুখে 90॰ থেকে নিম্মমুখি হয়ে যে প্রান্তে শেষ হয়, শেষের ঐ প্রান্তটি falling edge বলে ৷ (উদাহরন পজেটিভ Half cycle 180॰ এবং নেগেটিভ Half cycle 360॰ ঐ প্রান্ত )

হাফ সাইকেল (Half cycle):

পজেটিভ এবং নেগেটিভ অভিমুখে প্রতি 180॰ দুরত্ব অতিক্রম করাকে half cycle বলা হয় ৷ (উদাহরন 0॰ থেকে 180॰ এবং 180॰ থেকে 360॰ দুটি আলাদা Half cycle )

জিরো ক্রসিং (Zero crossing):

প্রতিটি Half cycle(180॰) আবর্তিত হয়ে যে বিন্দুতে প্রান্তবদল করে, অর্থাৎ পজেটিভ Direction থেকে নেগেটিভ Direction এ পরিবর্তিত হয় ঐ বিন্দুটিকে Zero crossing বলা হয় ৷

(উদাহরন 0॰, 180॰ ও 360॰ হল জিরো ক্রসিং)

পিক ভ্যালু (Peak value):

পজেটিভ ও নেগেটিভ Half cycle এ তরঙ্গ(wave) আনুভুমিক ভাবে শুরু থেকে উর্ধ্বমুখি(Rising) হয়ে 90॰ বিন্দুতে পৌঁছায়,এই 90॰ কে peak value বলা হয় ৷ উদাহরণঃ 90॰ এবং 270॰ peak value

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

Center tapped transformer এর কয়েল

◽ কয়েলের অবস্থান ও সুবিধা :

◽পর্ব : ০২

▫️প্রশ্নঃ একই transformer দিয়ে 6V-0-6V 600ma এবং 0V-12V এর বেলায় 300ma হয়? এই পার্থক্য কেন হয় ?

▫️উত্তরঃ

center tapped transformer 6V-0-6V এর বেলায় আলাদা দুটি কয়েল থাকে, প্রতি কয়েলে Half cycle(10ms) অন্তর সুইচিং (Current Flow) হয়। ফলে ঐ তারের Efficiency বা সক্ষমতা দ্বিগুন হয়। তাই দুই কয়েল একত্রে বেশী কারেন্ট দিতে পারে৷ ঐ একই transformer কে যদি Center tap বাদ দিয়ে 0-12V করা হয়,তখন একটি কয়েলে রুপান্তর হয়৷ ঐ একই size এর তারের উপর Full cycle বা দুটো Half cycle + Half cycle সুইচিং (current flow) হয়। ফলে তারের Efficiency বা সক্ষমতা, 6V-0-6V এর তুলনায় কম হয়, এবং তা অর্ধেক হয়ে যায়৷ তাই কারেন্ট রেটিংও কম হয়, অর্ধেক৷ এই জন্যই 6v-600ma আর 12V 300ma হয় ৷

প্রশ্নঃ Center tapped transformer (6V-0-6V) এর প্রতিটি কয়েল যদি প্রতি Half cycle এ 600ma দেওয়ার ক্ষমতা রাখে,তাহলে দুটি কয়েল একত্রে Full cycle এ 600ma ই দেয় কেন? (600ma+600ma) বা 1200ma হয় না কেন? এবং 1200ma লোড দিলে কি হবে?

উত্তরঃ

এই জন্য যে, এক প্রান্তে প্রতি Half cycle(10ms) বা 180॰ অন্তর অন্তর 600ma দিচ্ছে ৷ অন্যভাবে বলা যায় প্রতি Full cycle এ 180॰ বা Half cycle(10ms) missing হচ্ছে ৷ এই (10ms) missing সময়ে অন্য প্রান্ত আবার 600ma দিচ্ছে, তাহলে কি দাড়াল, Continuous current শর্ত অনুযায়ী দুই প্রান্ত মিলিয়ে 600ma ই পাচ্ছি ৷

1st Coil + 2nd Coil অনুযায়ী প্রতি Half cycle + Half cycle = Full cycle এ যে সমীকরন দাড়ায় তাহল…. 0+600ma = 600ma+0 = 600ma = Full cycle(10ms+10ms) = Maximum Current Rating.

একটু খেলার ছলে বুঝিঃ

আসুন এবার একটু খেলার ছলে বুঝতে চেষ্টা করি ৷ এখানে দুটি মানুষ আছে,মনে প্রতিটি মানুষের হাতে সর্বোচ্চ 10kg নেওয়ার ক্ষমতাই রাখে ৷ দুইজন মানুষ একজনের ডান হাত অন্যজনের বাম হাত ধরে পাশাপাশি দাড়িয়ে আছে, দুটি কয়েল সিরিজ সংযোগের মত ৷ খেলার শর্ত হল দুইজন মানুষের দুইপাশের দুটি হাতের মধ্যে, একজনের ডান হাতে ১টি 10kg ওজনের একটি বল দেওয়া হবে,ঠিক ঐ সময়ে অন্যজনের বাম হত খালি থাকবে ৷ আবার কিছু সময় পর একজনের ডান হাতের বলটি তুলে নেওয়া হবে, তখন অন্যজনের বাম হাতে 10kg ওজনের আরেকটি বল দেওয়া হবে, তখন ডান হাত খালি ৷ একসঙ্গে দুটি বল দেওয়া হবে না ৷ এভাবে পর্যায় ক্রমে চলতে থাকবে ৷ এখন যে কোন সময় আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় ঐ মানুষ দুটির হাতে কয়টি বল এবং ওজন কত ? নিশ্চয়ই এক বাক্যে বলবেন ১টি বল এবং ওজন 10kg ৷ নিশ্চয়ই বলবেন না 10kg+10kg=20kg কারন এক সাথে মানুষ দুটির হাতে দুইটি বল কখনই দেওয়া হয় নি।

যদি খেলার নিয়ম ভেঙ্গে 20kg ওজনের বল দেওয়া হয় তাহলে, কিছুক্ষন পর লোকদুটি কুঁজো হবে তারও কিছু সময় পর লোকদুটি ভার সইতে না পেরে বসে পড়বে ৷ কারন লোকদুটির হাতে সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা ছিল 10kg ৷

এখানে কিছু সময়ের জন্য 20kg ধরে রাখার ক্ষমতাকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা বলা যায় না ৷ এখানে প্রতি মানুষকে ট্রান্সফরমারের একটি কয়েল ভাবতে পারি ৷

দুইজনের দুই পাশের দুটি হাতকে ট্রান্সফরমারের দুটি কয়েলের দুই প্রান্ত এবং মিলিত(সংযোগকৃত) হাত দুটি একত্রে সেন্টার ট্যাপ ভাবতে পারি ৷ বল পরিবর্তন সময়কে Half cycle(10ms) ও সর্বোচ্চ ভার বহন(10kg) ক্ষমতাকে কারেন্ট রেটিং ভাবতে পারি ৷

প্রশ্ন ৫: 0-12V 300ma transformer এর দুই টার্মিনাল দিয়ে AC তরঙ্গ পজেটিভ Half cycle এবং নেগেটিভ Half cycle অর্থাৎ Full cycle কিভাবে প্রবাহিত হয়?

উত্তরঃ

0-12V transformer (এক কয়েল) এর বেলায় দুই টার্মিনালে Wave sequence অদলবদল বা interchange পদ্ধতিতে Full cycle প্রবাহিত হয়৷

একটু ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করি। মনে করি সেকেন্ডারী কয়েলের এক টার্মিনাল “A” এবং অন্য টার্মিনাল “B” ধরি৷ প্রথম পজেটিভ Half cycle(180॰) তে টার্মিনাল “A” Rising Edge দিয়ে (0V) অন্যদিকে “B” Falling edge দিয়ে (+V) প্রবাহিত হয় ৷ আবার Zero crossing পরবর্তি নেগেটিভ Half cycle (180॰) তে ঠিক উল্টোভাবে টার্মিনাল “B” Rising edge দিয়ে(0V) অন্যদিকে “A” falling edge দিয়ে (+V) প্রবাহিত হয়৷

এই ভাবে প্রতি Half cycle এ পর্যায়ক্রমে অদলবদল হতেই থাকে৷ এই পক্রিয়ায় সবসময় দুই টার্মিনালে Alternative Volt (AC) পাই ৷ এভাবে বলতে পারি টার্মিনাল A(+-) ও B(+-) volt প্রবাহিত হয় ৷

এখন দুটি টার্মিনালে একটা Brigde রেকটিফায়ার সংযোগ করলে DC তে আমরা একই দিকে (180॰ +180॰) Full Wave sap’s পাব, এবার ফিল্টারিং এর জন্য Capacitor লাগালেই Pure DC Volt পেয়ে যাব৷

Single coil = 300ma = Full Cycle(10ms+10ms) = Maximum current Rating.

আসুন আবারও খেলার ছলে বুঝতে চেষ্টা করি, এখানে খেলার শর্ত হল দুটি বল আছে, একটিতে লেখা আছে (0v) অন্যটিতে লেখা আছে (+v)৷

একটি মানুষের দুটি হাতের মধ্যে, ডান হাতে দেওয়া হবে (0v) বল আর বাম হাতে দেওয়া হবে (+v) লেখা বল ৷ দুই হাতে সর্বোচ্চ ওজন নেওয়ার ক্ষমতা 10Kg৷ ঐ মানুষটি কিছু সময় পর ডান হাতের বলটি বাম হাতে ছুড়ে দিবে আর বাম হাতের বলটি ডান হাতে ছুড়ে দিবে একই সঙ্গে৷ ডান হাতের বল বাম হাতে আবার বাম হাতের বল ডান হাতে৷ মানে অদলবদল বা interchange পদ্ধতি৷ অনেকটা সার্কাসের বল ছুড়ে খেলার মত৷ কিছু সময় পর পর এই অদলবদল পক্রিয়াটা পর্যায়ক্রমে চলতে থাকবে৷

এখন যেকোন সময় যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয় লোকটির দুই হাতে কি দেখছেন নিশ্চয়ই এক বাক্যে বলবেন দুটি বল একটিতে (0v) লেখা অন্যটিতে (+v) লেখা৷

নিশ্চয়ই বলবেন না, কিছু সময় দুই হাতে বল দেখছি, আবার কিছু সময় পর দুই হাত খালি বা শুন্য দেখছি৷ কারন পর্যায়ক্রমে এই হাতের বল ঐ হাতে এবং ঐ হাতের বল এই হাতে শুধু অদলবদল হচ্ছে, বল কিন্তু সবসময় হাতেই থাকছে ৷ এখানেও মানুষটিকে Transformer এর কয়েল ভাবতে পারি, দুই হাতকে সেকেন্ডারীর দুই টার্মিনাল, A ও B ধরতে পারি৷ বল অদলবদল হওয়ার সময়ের ব্যবধানকে প্রতি Half cycle(10ms) এবং বলের ওজনকে কারেন্ট রেটিং মনে করতে পারি৷

প্রশ্নঃ যে Center tapped Transformer (৩ টার্মিনালের) বেলায় প্রতি কয়েলে Half cycle(10ms) অন্তর সুইচিং হচ্ছে। অন্যদিকে Non center tapped Transformer (২ টার্মিনালের) এর বেলায় একটি কয়েলের উপর Half cycle + Half cycle বা Full cycle সুইচিং হয়, এই তারতম্য কেন? বা Non center tapped Transformer (দুই টার্মিনালের) ক্ষেত্রে প্রথম Half cycle এ Volt,amp পাব, দ্বিতীয় Half cycle এ কি Volt,amp পাওয়া যাবে না?

উত্তরঃ

বিষয় হল Sine wave নিয়ম অনুযায়ী Center tapped Transformer (তিন টার্মিনাল) এর বেলাতেও প্রতি কয়েলে একই নিয়মে Half cycle + Half cycle সুইচিং হচ্ছে, কিন্তু আমরা নিচ্ছি একটি Half cycle, অন্য Half cycle ব্লক করে রাখা হচ্ছে৷

যেমন Center tapped Transformer(৩ টার্মিনালের) বেলায় আমরা দুই পাশে দুটি Doide ব্যবহার করে Full Wave রেকটিফায়ার করে প্রতি কয়েল থেকে শুধুমাত্র একটি করে Half cycle নিচ্ছি, অন্য Half cycle টি নিচ্ছি না, বা ব্লক থাকছে৷

দুই পাশে দুটি Diode এর Anode প্রান্তটি TF ট্রার্মিনালে সংযুক্ত থাকায় Cathode প্রান্তদিয়ে DC পজেটিভ Volt (+V) টার্মিনালে প্রবাহিত হয়৷ Center Tap থেকে পাই (0V)৷

অন্যদিকে Non Center Tapped Transformer (এক কয়েল বা দুই টার্মিনালের) ক্ষেত্রে Doide এর Bridge circuit ব্যাবহার করে Full wave রেকটিফায়ার করা হয় ৷ দুটি Half cycle + Half cycle কাজে লাগছে৷ চার Doide এর Bridge cicuit টা ভাল করে লক্ষ্য করুন, বিষয়টা বুঝতে পারবেন৷ ১টি Doide এর Anode প্রান্ত ও অন্য ১টি Doide এর Cathode প্রান্ত একত্রে সংযুক্ত আছে Transformer এর টার্মিনালের দিকে, দুই টার্মিনালে একই ভাবে সংযুক্ত আছে৷

এতে প্রতি Half cycle এ Doide এর Cathode প্রান্ত দিয়ে DC পজেটিভ volt প্রবাহিত হচ্ছে পজেটিভের (+v) প্রান্তে, অন্যদিকে দিকে Doide এর Anode প্রান্ত দিয়ে নেগেটিভটা প্রবাহিত হচ্ছে (0V) প্রান্তের দিকে৷

প্রতিটি কয়েলে একই নিয়মে AC প্রবাহিত হয়, প্রয়োজন অনুযায়ী শুধুমাত্র রেকটিফায়ার Diode এর মাধ্যমে এই পক্রিয়ার ব্যাতিক্রম ঘটানো হয়৷

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

Center tapped transformer এর দুটি কয়েল

◽ কয়েলের অবস্থান ও সুবিধা :

◽পর্ব : ০১

⏩ এই ধরনের transformer এ সেন্টার ট্যাপ থেকে একটি কয়েল Clockwise অন্যটি Anti Clockwise অবস্থায় সংযুক্ত থাকে ৷ এর কারন, প্রতিটি Half cycle এ সেন্টার ট্যাপকে (0V) ধরে অপর প্রান্ত দিয়ে রেকটিফায়ার দ্বারা DC (+V) অথবা (-V) প্রবাহিত করার জন্য এভাবে সংযোগ দেওয়া হয় ৷

সুবিধাঃ

প্রয়োজনে Ampere অর্ধেক ধরে দ্বিগুন Volt এর জন্য ব্যবহার করা যায় ৷

প্রয়োজনে Dual বা Split পাওয়ার সাপ্লাই হিসেবে ব্যবহার করা যায় ৷

Bridge রেকটিফায়ার এর তুলনায় Doide কম লাগে তাই জটিলতা কম হয় ৷

প্রশ্নঃ transformer (TF) এর সর্বোচ্চ Current Rating কি?

উত্তরঃ

আমরা সবাই জানি ইলেকট্রনিক্সে সময় (Time) হল গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়৷ Sine wave 50Hz এর ক্ষেত্রে One cycle = Half cycle (10ms) + Half cycle (10ms) = full cycle (20ms) বা (180+180=360 Degree) তে সম্পূর্ণ হয়৷ যেহেতু ট্রান্সফরমারের output AC, তাই ট্রান্সফরমারের ক্ষেত্রে Full cycle (20ms) বা 360 ডিগ্রীতে যে পরিমান কারেন্ট প্রবাহিত হয়, তাকে Continuous current বলা যায়৷ এটাই সর্বোচ্চ কারেন্ট রেটিং যা ট্রান্সফরমারের গায়ে লেখা থাকে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন

◽বদলাবে বই, কমবে পরীক্ষা :

✅ সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন

✅ ক্লাস টেনের আগে কোনো পাবলিক পরীক্ষা নেই

✅ ক্লাস 3 এর আগে কোনো পরীক্ষাই নেই

✅ এসএসসি তে মাত্র ৫ বিষয়ের পরীক্ষা। বাংলা, ইংলিশ, ম্যাথ, সায়েন্স ও সোশ্যাল সায়েন্স। কোনো পত্র নেই। মাত্র ৫ দিনেই শেষ

✅ সায়েন্স, আর্টস, কমার্স গ্রুপিং হবে ইন্টারমিডিয়েটে

✅ হাইস্কুল লেভেলে বিষয় থাকবে ১০ টি :

– বাংলা,
– ইংরেজি,
– গণিত,
– জীবন ও জীবিকা,
– বিজ্ঞান,
– সামাজিক বিজ্ঞান,
– ডিজিটাল প্রযুক্তি,
– ধর্মশিক্ষা,
– ভালো থাকা,
– শিল্প ও সংস্কৃতি।
.

📚 📚 📚
.

২০২৬ এর ইন্টারমিডিয়েট,
২০২৪ এর ক্লাস নাইন,
২০২৩ এর ক্লাস এইট ও
২০২২ এ নিচের অন্যান্য ক্লাসগুলো নতুন বই পাবে,,

✅ ইন্টারমিডিয়েটে সাবজেক্ট ৬টা। প্রত্যেকটার পত্র ৩ টা করে।

ফার্স্ট ইয়ারে সবগুলোর প্রথম পত্রের পাবলিক এক্সাম

সেকেন্ড ইয়ারে সেকেন্ড ও থার্ড পার্টের

তারপর ২ এক্সাম মিলিয়ে চূড়ান্ত এইচএসসির রেজাল্ট
.
.

◽ছবি ও কিছু তথ্য প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

সোল্ডারিং মাস্ক পিসিবি’র সুরক্ষা ব্যবস্থা

◽সোল্ডারিং মাস্ক :
◽ইলেকট্রনিক বেসিক পর্ব : ০১

সোল্ডারিং মাস্ক হচ্ছে পিসিবি’র এক প্রকার সুরক্ষা ব্যবস্থা। অনেকেই পিসিবি বানাতে পারেন কিন্তু সোল্ডার মাস্ক দিতে পারেন না। সাধারণত সিসিবি থেকে পিসিবি করলে পরে বাতাসের আদ্রতা উপরের কপার কে ধীরে ধীরে কালো করে দেয়। তা যেন না হয় তাই উপরে সোল্ডার মাস্ক (Solder Mask) ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও পিসিবি কে প্রোফেশনাল লুক আর সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ ও করে এই সোল্ডারিং মাস্ক। সোল্ডারিং মাস্ক কি

বাজারে প্রাপ্ত পিসিবি গুলোতে আমরা দেখে থাকি এক ধরনের সবুজ রঙের প্রলেপ দেয়া থাকে। তাকেই সোল্ডারিং মাস্ক বলা হয়। যদিও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই রঙ কে লাল, নীল ও দিতে দেখা যায় তবে সবুজ মাস্ক টিই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এই সবুজ সোল্ডারিং মাস্ক এর প্রচলিত নাম গ্রীন সোল্ডারিং মাস্ক বা গ্রীন কোট (Green Coat)

⏩ কেন সোল্ডারিং মাস্ক ব্যবহার করা হয় :

আমরা জানি সিসিবি (CCB) থেকে পিসিবি (PCB) করা হয়। আর কে না জানে যে এই পিসিবি’র উপরের পাতলা তারের মতন লাইন গুলো কপার বা তামার তৈরি হয়ে থাকে। এখন কপারের ধর্ম অনুযায়ী এই সোল্ডার করবার কপার গুলোর উপরে বাতাসের আদ্রতা, বিভিন্ন গ্যাসীয় অণুর কারনে কপার অক্সাইড জমা হয়। আর এটি মোটেও সুখপ্রদ কিছু নয়। এর কারণে কপারের কন্ডাক্টিভিটি কমে যায়। সোল্ডার বা রাং লাগতে চায়না, ড্রাই সোল্ডার হয়। ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার ঝামেলা এড়াতে সোল্ডারিং মাস্কের ব্যবহার চালু হয়েছে।

এছাড়াও সোল্ডারিং মাস্কের আরেকটি দারুন ব্যবহার আছে। এই সোল্ডারিং মাস্ক গুলো হীট রেজিস্টিভ বা তাপ নীরধি। অর্থাৎ, এটি অন্যান্য সাধারন পেইন্ট বা রং এর মতো গলে যায় না। ফলে যারা ইন্ডাস্ট্রিয়াল লেভেলে প্রচুর পিসিবি উৎপাদন করেন তারা এই মাস্ক ব্যবহার করে এক সাথে অনেক অনেক পিসিবি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ঝালাই করতে পারেন।

নতুন যারা পিসিবি বানাতে পারেন না তারা পিসিবি তৈরি করার সহজ উপায় -এই পোস্ট টি দেখতে পারেন। ভিডিও সহ পিসিবি বানানোর বিস্তারিত দেয়া আছে। এছাড়াও যারা সোল্ডারিং এ দূর্বল, রাং লাগাতে গিয়ে অনেক ঝামেলার সম্মুখীন হন তারা এই লেখাটি পড়ুন- নতুনদের জন্য সোল্ডারিং। একই সাথে সোল্ডারিং এর ধোঁয়া থেকে বাঁচতে পড়তে পারেন- সোল্ডারিং এর ধোঁয়া দূর করবার সহজ উপায়

⏩ সোল্ডার মাস্কের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ :

সোল্ডার মাস্ক করতে যা যা লাগবে…

১. UV Curable Solder Mask

২. PCB

৩. ল্যামিনেটেড শিট

৪. ট্রেসিং পেপার

৫. হ্যান্ড গ্লাভস (প্রয়োজন মনে করলে)

▫️প্রথম ধাপ – পিসিবি কম্পোনেন্টের পা গুলো প্রিন্ট করা

প্রথমেই ট্রেসিং পেপারে কম্পোনেন্ট এর পিন গুলো এভাবে প্রিন্ট করে নিতে হবে। এরফলে এই জায়গা গুলো মাস্ক হবেনা। পরবর্তি ধাপ গুলো পড়লেই বুঝতে পারবেন এর কারণ।

▫️দ্বিতীয় ধাপ – সোল্ডার মাস্ক দ্রবণ প্রয়োগ

অল্প পরিমাণে এইভাবে সোল্ডার মাস্ক ঢালুন। ফোঁটা ফোঁটা আকারে সমস্ত পিসিবি জুড়েই ঢালবেন।

▫️তৃতীয় ধাপ – ল্যামিনেটেড শীট কে মাস্কের উপরে স্থাপন

মাস্ক ঢালার পর তার উপরে একটি ল্যামিনেটেড শিট দিতে হবে। এটি দেয়া হচ্ছে যেন সোল্ডারিং এই মাস্ক টিকে চাপ দিয়ে সর্বত্র সমান ভাবে ছড়িয়ে দেয়া যায়। অবশ্যই এটি পানি নিরোধি হতে হবে।

▫️চতুর্থ ধাপ – মাস্ক কে সম্পূর্ণ পিসিবি তে ছড়িয়ে দেয়া

একটি কাগজের কার্ড দিয়ে ভালভাবে পুরো পিসিবি তেই মাস্ক ছড়িয়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখবেন যেন ল্যামিনেটেড পেপার টি ক্ষতিগ্রস্থ না হয়।

▫️পঞ্চম ধাপ – পূর্বে প্রিন্ট করা ট্রেসিং পেপার কে এর উপরে স্থাপন

ট্রেসিং পেপারে আগে প্রিন্ট করা কম্পোনেন্টে ঝালাই এর স্থানের লে- আউট টিকে খুব সাবধানে ল্যামিনেটেড শীট এর উপরে দিতে হবে যেন সঠিক জায়গা মত বসে।

▫️ষষ্ঠ ধাপ – ইউভি (UV) অথবা সূর্যের আলোতে কিছুক্ষণ রাখা

উপরে একটি কাঁচ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে যেন প্রিন্ট গুলো না নড়ে যায়। এরপর সূর্যের আলোতে অথবা ইউভি (UV – Ultra violet) লাইটের নিচে ২-৩ মিনিট রাখতে হবে। ঘড়ি ধরেই যে হিসাব করতে হবে তা নয়। আমি মনে মনে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত গুনি। তাতেই বেশ কাজ হয়।

▫️সপ্তম ধাপ – বোর্ড পরিষ্কার করা

২-৩ মিনিট পরে ট্রেসিং পেপার, ল্যামিনেটেড শিট তুলে নিতে হবে। একটি টিস্যু পেপারে কিছু পরিমাণ থিনার নিয়ে বোর্ড টি মুছে দিতে হবে।

▫️অষ্টম ধাপ – আরো কিছুক্ষন সূর্যের আলোতে বোর্ডকে রাখা

পরিষ্কার করা হয়ে গেলে আবার ৫-১০ মিনিট সূর্য অলোতে অথবা UV লাইটের নিছে রাখতে হবে। এরফলে গ্রীন কোটিং টি পিসিবি বোর্ডের সাথে ভালো মতো বসে যাবে। ব্যস কাজ শেষ।

◽কিছু জরুরী বিষয় যা না জানলেই নয়

⏩ কোথায় পাবো এই সোল্ডার মাস্ক :

এই UV Curable Solder Mask সাধারণত আমাদের দেশে পাওয়া যায় না। আমি এটি আলি এক্সপ্রেস থেকে আনিয়েছি। আমাদের দেশে যে মাস্ক গুলো পাওয়া যায় সেগুলো ব্যাবহার করা বেশ জটিল। কারণ সেগুলো ব্যবহার করতে হলে আগে স্কিন প্রিন্ট করে নিতে হয়, যা ১/২ টা পিসিবির জন্য অনেক বিরক্তিকর।

তবে আশাকরি আমাদের ইলেকট্রনিক্সের এই লেখা পড়ে হবিস্ট ও ইঞ্জিনিয়াররা এই ধরনের সহজে প্রয়োগ যোগ্য গ্রীন কোটিং বা সোল্ডার মাস্কের প্রতি আগ্রহী হলে দোকানদার রা এটি আনবেন।

⏩ সোল্ডারিং মাস্কের বিকল্প বুদ্ধি কি :

এই মাস্ক এর একটা সহজ বিকল্প হচ্ছে প্লাস্টিক পেইন্ট। প্লাস্টিক পেইন্ট কে থিনারে গুলিয়ে নিয়ে পিসিবি এর উপর প্রয়োগ করলে দেখতে সুন্দর লাগে। তবে এর একটি বড় রকমের অসুবিধা আছে। এই প্লাস্টিক পেইন্ট গুলো হীট রেজিস্ট্যান্ট নয়। ফলে সোল্ডারিং আয়রনের গরম অগ্রভাগের ছোঁয়ায় সহজেই উঠে যায়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

বুদ্ধি শানিত করুন ৫ টি উপায়ে

◽বুদ্ধি শানিত করুন :

▫নিয়মিত ব্যায়াম :

ব্যায়াম কি শুধু শরীরের ওজন কমানোর জন্য? নাহ, মোটেই নয়। ব্যায়াম করলে আপনার ওজন কমার পাশাপাশি ব্রেইনের কার্যক্ষমতা অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাবে। ব্যায়াম মস্তিস্কের রক্ত চলাচল বাড়ায় ও স্নায়ুগুলোকে সক্রিয় রাখে। ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় বুদ্ধিমত্তা তীক্ষ্ণ হয়।

▫বোকা বাক্সে বন্দি থাকবেন না :

সারা দিনে কয়েক ঘণ্টা টেলিভিশনের পর্দায় চোখ আটকে রাখেন না, এমন মানুষ হয়তো খুঁজেই পাওয়া যাবে না। আমরা আমাদের অনেকখানি মূল্যবান সময় এই টেলিভিশন দেখে নষ্ট করি। টেলিভিশনে আসক্তি পরিহার করে বরং সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। পরিবারের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা করুন, বন্ধুদের সাথে নতুন অভিজ্ঞতায় সামিল হন, এমন কিছু করুন যাতে চিন্তা করতে হয়। এতে আপনার বুদ্ধি শানিত হবে।

▫বই পড়ুন :

বুদ্ধিতে ধার দিতে বই পড়ার বিকল্প নেই। বই, পত্রিকা, ম্যাগাজিন, ফিকশন, নন-ফিকশন যে কোন কিছুই পড়তে পারেন। রাস্তায় জ্যামে সময় নষ্ট না করে বই পড়ুন। অথবা ঘুমাতে যাওয়ার আগেও কিছুক্ষণ করে বই পড়তে পারেন। নিয়মিত বইপত্র পড়লে আপনার বুদ্ধির বিকাশের পাশাপাশি দ্রুত পড়া ও বোঝার অভ্যাস হবে।

▫পাজল প্র্যাকটিস করুন :

দাবা, সুডোকু, ক্রস ওয়ার্ডস ও পাজল সমাধান করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে ও মস্তিষ্ক সচল থাকে। এইসব গেম আপনি চাইলে আপনার মোবাইলেই রাখতে পারেন। তাহলে অবসর সময়ে খেলার ছলে বুদ্ধিকে ধারালো করে নিতে পারবেন।

▫ঘুম :

রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাবেন ও ভোরে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে চেষ্টা করবেন। প্রতিদিন অন্তত ৭/৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন। এর কম ঘুম হলে ব্রেইন কাজ করতে চায় না। ঘুম সল্পতার কারণে সহজে কোনো কিছু বোঝার ক্ষমতা বা উপস্থিত বুদ্ধি কমে যায়। তাই পরিমিত ঘুমালে বুদ্ধি শানিত হয়। মানুষের বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ অবশ্যই উঁচু মানের বৈশিষ্ট্য। একটু চেষ্টা করলেই বুদ্ধিতে ধার দিয়ে নেয়া যায়। নিয়মিত ব্রেইন ওয়ার্ক ও ক্রিয়েটিভ কাজের সাথে যুক্ত থাকলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে ও স্নায়ু গুলো সচল থাকে। তাই গৎবাঁধা লাইফস্টাইল থেকে বের হয়ে নতুন নতুন সৃষ্টিশীল কাজ করে আপনার বুদ্ধিমত্তাকে আরেকটু ধারালো করে নিন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়ানোর ১০ উপায়

◽বিশ্লেষণী ক্ষমতা :

১. সবার আগে বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়ানো সত্যিকারের আগ্রহ থাকতে হবে। এই আগ্রহ থাকাটা একটা সাধারণ ব্যাপার মনে হতে পারে। কিন্তু এটাই সবচেয়ে জরুরি। যেকোনো কাজে আপনার যদি আগ্রহ থাকে, তাহলে কেউ আপনাকে নিবৃত্ত করতে পারবে না। আর যেদিন আগ্রহ মরে যাবে, সেদিন আপনার অগ্রযাত্রাও থেমে যাবে।

২. আপনি যা দেখছেন, যা শুনছেন সব কিছু নিয়ে ভাবার চেষ্টা করুন। কেন ঘটল, কী করে হলো, এতে কার উপকার হলো, কার ক্ষতি হলো ইত্যাদি প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করুন। এই চর্চা আপনার বিশ্লেষণী ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলবে। একসময় আপনাকে ইচ্ছে করে বিশ্লেষণ করতে হবে না। বিশ্ল্লেষণী ক্ষমতা হবে আপনার স্বভাবজাত বিষয়। নিমিষেই আপনি কারণ ও ফলাফল আঁচ করতে পারবেন।

৩. বিশ্লেষণ করেই কাজ শেষ নয়, আপনার বিশ্লেষণ সঠিক ছিল কি না সেটাও দেখে নেওয়া দরকার। সব সময় যে এটা পরখ করা যায় তা নয়, তবে আপনাকে অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে হবে। একটিই উদ্দেশ্য, আপনি সঠিক ছিলেন কি না। সঠিক না হলে এটিও জানতে হবে, আপনার বিশ্লেষণে ভুল ছিল কোথায়। পরবর্তী সময়ে বিশ্লেষণে এই ভুলগুলো আপনার করা চলবে না।

৪. আপনার প্রশিক্ষক বা বস বা মেনটরের সহায়তা নিন। হতে পারে আপনার ভালো কোনো সহকর্মী, তিনিও আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারেন। আলোচনা করুন। শেয়ার করুন। যত বেশি ভাববেন, যত বেশি দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখবেন, তত বেশি তথ্য-উপাত্ত পাবেন, যা আপনার বিশ্লেষণী ক্ষমতাকে বাড়াতেই থাকবে।

৫. কোন তথ্য প্রয়োজনীয় আর কোনটি প্রয়োজনীয় নয় সেটা বোঝাও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। একটি ঘটনার চারপাশে হাজারও তথ্য ছড়ানো থাকে। কোন কোনটি আপনার কাজে লাগবে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। অপ্রয়োজনীয় তথ্যের পেছনে ছুটবেন না, সময় ও শ্রম দুই-ই নষ্ট হবে। আপনি পথভ্রষ্ট হবেন।

৬. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে পাজল খেলুন, ছোট ছোট ধাঁধার উত্তর মেলান, গোয়েন্দা বই পড়ুন, গোয়েন্দা মুভি দেখুন। যেমন শার্লক হোমস, আগাথা ক্রিস্টির বই। তিন গোয়েন্দা বা মাসুদ রানা, ফেলুদা ইত্যাদি যেটা পছন্দ, পড়ুন। মস্তিষ্কেরও আছে ব্যায়ামের প্রয়োজনীয়তা। তাহলেই তো তার ধার বাড়বে।

৭. বিশেষ বিশেষ কেসস্টাডি নোট করুন। ঘটনাটি আগে লিখুন। তারপর লিখুন আপনার বিশ্লেষণ। এই নোটগুলো অসাধারণ ফল দেবে একদিন। যেদিন ফলাফল হাতে পাবেন, সেদিন নোট খাতাটার পাতা উল্টাতে উল্টাতে ভাবতে পারবেন, আপনি কী অনুমান করেছিলেন আর ফলাফল কী হলো! ভাবনাগুলো লেখা থাকায় আপনার পক্ষে মিলিয়ে দেখা অনেক সহজ হবে।

৮. নিয়মিত সাম্প্রতিক ঘটনাবলির সঙ্গে নিজেকে আপডেটেড রাখুন। তথ্যজ্ঞান বিশ্লেষণ দক্ষতা বাড়াতে অনেক জরুরি।

৯. মানুষ চিনতে চেষ্টা করুন। অফিস সহকর্মীদের মধ্যে কে ভালো, কে মন্দ, কে মাঝারি, কে কথা বেশি বলে, কে চুপচাপ থাকে কিন্তু তথ্য পাচার করে, কে সহজ-সরল, কে কৌশলী-এসব বোঝার চেষ্টা করুন। কার দ্বারা কী সম্ভব এটা অনেক সময়ই পূর্বানুমান করা দরকার হয়। আপনার যদি কমন সেন্স থাকে, আর আপনি সব সময় চোখ-কান খোলা রাখেন, তাহলে এটা কোনো কঠিন ব্যাপার না। আত্মবিশ্বাস রাখুন।

১০. যতটা সম্ভব একাকিত্ব এড়িয়ে চলবেন। সহকর্মীদের মধ্যে থাকুন। আড্ডায় অংশ নিন। মিটিংয়ে যথাসময় উপস্থিত থাকুন। যতটা সম্ভব আপনার পর্যবেক্ষণ বাড়ান, আর তথ্য সংগ্রহ করা চালিয়ে যেতে থাকুন। কার পড়াশোনা ভালো, কে গোঁড়া, কে আধুনিক, কার দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ইত্যাদি অনেক কিছু সম্পর্কে আপনার ধারণা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আপনি নিজেও আরো অনেক কৌশল নিজের জন্য বের করতে পারেন, যা আপনার বিশ্লেষণী ক্ষমতা আরো বাড়াতে সাহায্য করবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

ইন্টারভিউ বাের্ডে কথােপকথনের টিপস

◽ ইন্টারভিউ বাের্ডের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা :

Candidate : May I come in , sir ?
আমি কি ভেতরে আসতে পারি ?

Interviewer : Yes come in please have your
sit .
জ্বি আসুন , বসুন ।

Interviewer : What are your educational qualifications ?
আপনার শিক্ষাগত যােগ্যতা কি ?

Candidate : I’m an M com in Marketing Department .
আমি মার্কেটিং এ মাষ্টার্স ৷

Interviewer : Do you have any experience ? আপনার কোনাে অভিজ্ঞতা আছে ?

Candidate : Yes sir , I worked in a pharmaceutical company .
জ্বি স্যার , আমি একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীতে চাকরী করেছি ।

Interviewer : Why did you give up your previous job ?
পুরনাে চাকুরীটা ছাড়লেন কেন ?

Candidate : Actually , in order to expand my skill set and experience I left the previous job . আসলে , আমি আমার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে চাকরিটি পরিবর্তন করতে চাচ্ছি

Interviewer : Do you have any computer skill ? আপনার কোনাে কম্পিউটার দক্ষতা আছে ?

Candidate : Yes sir , I’m skilled in Microsoft office application .
জ্বি স্যার , আমি মাইক্রোসফট অফিস প্রােগ্রামে দক্ষ ।

Interviewer : what are your salary expectations ? আপনার প্রত্যাশিত বেতন কতাে ?

Candidate : Twenty five thousand taka , sir . ২৫ হাজার টাকা ।

Interviewer : How do you handle important decisions ? গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি কতােটা বিচক্ষণ ?

Candidate : Every time I give value to my commitment and believe in hard work . সবসময় আমি আমার প্রতিশ্রুতির মূল্যায়ন করি এবং কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি ।

Interviewer : So , Thank you for participating this interview . let us think about yourself . Wise you have a good day . Thank you . তাহলে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণ করার জন্য । আপনার সম্পর্কে আমরা চিন্তা ভাবনা করব আপনার দিনটি শুভ হউক , ধন্যবাদ

Candidate : Thank you very much too.I am fully ready to work with your company . আপনাকেও ধন্যবাদ । আমি আপনার কোম্পানিতে কাজ করতে পুরােপুরি তৈরী ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

ওয়েট সাইক্লিং ও ক্রাশ ডায়েট

◽পঞ্চম অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

ডায়েটে একটা ইয়ো-ইয়ো আছে যাকে ইয়ো-ইয়ো ডায়েটিং বা “ওয়েইট সাইকেলিং” বলে যার মাধ্যমে এমন একটি প্যাটার্ন বোঝায় যেখানে একবার ওজন কমানো হয় তারপর আবার বাড়ানো হয় তারপর আবার ওজন কমানোর জন্য চেষ্টা করা হয়। ঠিক ইয়ো-ইয়োর মত ওজন একবার ওপরে উঠে যায় আবার নিচে নেমে আসে তারপর আবার ওপরে উঠে যায়। পরিসংখ্যান বলছে পুরুষদের ১০% এবং মহিলাদের ৩০% এই ধরনের ডায়েট করে থাকেন। মূলত এটা ক্রাশ ডায়েট করে একবার হঠাৎ ওজন কমানো এবং কদিন পরই সে ওজন ফিরে আসার ঘটনার পুনরাবৃত্তিই বোঝায়।

⏩ ইয়ো-ইয়ো ডায়েট এর সমস্যাঃ

১. ওজন কমানোর জন্য ডায়েটে থাকা অবস্থায় ফ্যাট লসের কারনে শরীরে “লেপটিন” হরমোন এর লেভেল কমে যায় যেটি খাবার পর পেটভরা অনুভুতি তৈরি করে। সাধারন সময়ে শরীরের জমানো ফ্যাট লেপটিন নিঃসরণ করে রক্তে যা শরীরকে বলে দেয় যে শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি রয়েছে এবং আর খাওয়ার প্রয়োজন নেই। ওজন কমাতে গিয়ে শরীর থেকে ফ্যাট কমে যাবার পর স্বাভাবিক ভাবেই লেপটিনের নিঃসরণ কমে যায়। তারওপর আবার শরীর যেহেতু জমানো শক্তি হারিয়েছে তাই নতুন করে সে শক্তির ডিপোজিট করতে সে ক্ষুধার অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়। ফলশ্রুতিতে আবার রাক্ষুসে ক্ষুধা, নিয়ন্ত্রনহীন খাওয়া এবং অবধারিতভাবে আবার মোটা হয়ে যাওয়া।

২. ক্রাশ-ডায়েট বা শর্ট টার্ম ইনটেন্স ডেফিসিট ডায়েট প্ল্যানে শরীর দ্রুত ওজন হারায় এবং সে হারানো ওজনের বেশিরভাগই হয় মাসল মাস এবং ওয়াটার ওয়েট (গ্লাইকোজেন)। ডায়েট থেকে বের হবার পর প্রায় দ্রুতই ৩০-৬৫% ওজন ফিরে আসে। মাসল হারানোর কারনে শরীরের মেটাবোলিজমও কমে আসে এবং ইভেনচুয়ালি ওজন আগের চেয়েও বেশি হয়ে যায়।

৩. মাসল বানাতে হয় আর ফ্যাট শরীরে সুযোগ পেলেই জমে। ক্রাশ ডায়েট বা অন্য যেকোনও ডায়েটে ওজন কমানো বেশ সোজা কাজ হলেও একই সাথে মাসল বিল্ডআপ করা এবং ফ্যাট লস করা বেশ কঠিন। এজন্য ডায়েটপ্ল্যানে যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন রাখতে বলা হয় এবং রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং করতে বলা হয় যাতে মাসলও তৈরি হয় এবং ফ্যাটও লস হয়। হঠাৎ ওজন কমানোর পর যখন আবার ওজন বাড়ে তখন কিন্তু মাসল অত্যন্ত নগন্য পরিমান বাড়লেও ফ্যাট বাড়ে বেশি। ফলাফল হিসেবে শরীরে ফ্যাট% বেড়ে যায় এবং ওজন যতটা বাড়ে তারচেয়েও বেশি বাড়ে ইঞ্চিতে ফলে দেখতে মোটা লাগে।

৪. একটা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আছে ক্রাশ ডায়েটের। আপনি হয়তো ওজন নিয়ে অনেকদিন ধরেই চিন্তিত। অনেকবার ভেবেছেন একটা হেলদি লাইফস্টাইল অ্যাডপ্ট করবেন কিন্তু কেন যেন করি করি করেও করা হয়ে উঠছেনা। এমন সময় একটা ৭-১০ দিনের ক্রাশ ডায়েট প্রগ্রামে গিয়ে দ্রুত ৫/৬ কেজি কমিয়ে ফেললেন। তারপর কি আর আপনার মন চাইবে ক্যালরি মেপে খেতে? ইচ্ছে করবে সকাল বা বিকালে ১ ঘন্টা হাটতে? ইচ্ছে করবে দিনে ৩/৪ লিটার পানি জোরাজুরি করে খেতে? আপনি হয়তো একটা হেলদি লাইফস্টাইলে চলেই যেতেন কিন্তু এই নগদ নগদ পরিবর্তন দেখতে পেয়ে কষ্টসাধ্য কিন্তু জরুরী পদক্ষেপটা আর নেয়া হয় না। এভাবে একটু একটু করে পেছাতে পেছাতে একসময় আর হেলদি লাইফস্টাইল অ্যাডপ্ট করাই হয়না।

⏩ তাহলে কি করতে হবে?

উত্তর একটাই। ধানাইপানাই ছেড়ে সোজা রাস্তায় আসতে হবে। প্রপার ম্যাক্রো রেশিও তে প্রপার ক্যালরি লিমিটে থেকেই ওজন কমাতে হবে। এক্সারসাইজ করতে হবে এবং ধৈর্য রাখতে হবে। তাড়াহুড়ার কাজ ভালো হয়না

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil