Categories
Life Hacks

শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন

◽বদলাবে বই, কমবে পরীক্ষা :

✅ সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন

✅ ক্লাস টেনের আগে কোনো পাবলিক পরীক্ষা নেই

✅ ক্লাস 3 এর আগে কোনো পরীক্ষাই নেই

✅ এসএসসি তে মাত্র ৫ বিষয়ের পরীক্ষা। বাংলা, ইংলিশ, ম্যাথ, সায়েন্স ও সোশ্যাল সায়েন্স। কোনো পত্র নেই। মাত্র ৫ দিনেই শেষ

✅ সায়েন্স, আর্টস, কমার্স গ্রুপিং হবে ইন্টারমিডিয়েটে

✅ হাইস্কুল লেভেলে বিষয় থাকবে ১০ টি :

– বাংলা,
– ইংরেজি,
– গণিত,
– জীবন ও জীবিকা,
– বিজ্ঞান,
– সামাজিক বিজ্ঞান,
– ডিজিটাল প্রযুক্তি,
– ধর্মশিক্ষা,
– ভালো থাকা,
– শিল্প ও সংস্কৃতি।
.

📚 📚 📚
.

২০২৬ এর ইন্টারমিডিয়েট,
২০২৪ এর ক্লাস নাইন,
২০২৩ এর ক্লাস এইট ও
২০২২ এ নিচের অন্যান্য ক্লাসগুলো নতুন বই পাবে,,

✅ ইন্টারমিডিয়েটে সাবজেক্ট ৬টা। প্রত্যেকটার পত্র ৩ টা করে।

ফার্স্ট ইয়ারে সবগুলোর প্রথম পত্রের পাবলিক এক্সাম

সেকেন্ড ইয়ারে সেকেন্ড ও থার্ড পার্টের

তারপর ২ এক্সাম মিলিয়ে চূড়ান্ত এইচএসসির রেজাল্ট
.
.

◽ছবি ও কিছু তথ্য প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

সোল্ডারিং মাস্ক পিসিবি’র সুরক্ষা ব্যবস্থা

◽সোল্ডারিং মাস্ক :
◽ইলেকট্রনিক বেসিক পর্ব : ০১

সোল্ডারিং মাস্ক হচ্ছে পিসিবি’র এক প্রকার সুরক্ষা ব্যবস্থা। অনেকেই পিসিবি বানাতে পারেন কিন্তু সোল্ডার মাস্ক দিতে পারেন না। সাধারণত সিসিবি থেকে পিসিবি করলে পরে বাতাসের আদ্রতা উপরের কপার কে ধীরে ধীরে কালো করে দেয়। তা যেন না হয় তাই উপরে সোল্ডার মাস্ক (Solder Mask) ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও পিসিবি কে প্রোফেশনাল লুক আর সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ ও করে এই সোল্ডারিং মাস্ক। সোল্ডারিং মাস্ক কি

বাজারে প্রাপ্ত পিসিবি গুলোতে আমরা দেখে থাকি এক ধরনের সবুজ রঙের প্রলেপ দেয়া থাকে। তাকেই সোল্ডারিং মাস্ক বলা হয়। যদিও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই রঙ কে লাল, নীল ও দিতে দেখা যায় তবে সবুজ মাস্ক টিই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এই সবুজ সোল্ডারিং মাস্ক এর প্রচলিত নাম গ্রীন সোল্ডারিং মাস্ক বা গ্রীন কোট (Green Coat)

⏩ কেন সোল্ডারিং মাস্ক ব্যবহার করা হয় :

আমরা জানি সিসিবি (CCB) থেকে পিসিবি (PCB) করা হয়। আর কে না জানে যে এই পিসিবি’র উপরের পাতলা তারের মতন লাইন গুলো কপার বা তামার তৈরি হয়ে থাকে। এখন কপারের ধর্ম অনুযায়ী এই সোল্ডার করবার কপার গুলোর উপরে বাতাসের আদ্রতা, বিভিন্ন গ্যাসীয় অণুর কারনে কপার অক্সাইড জমা হয়। আর এটি মোটেও সুখপ্রদ কিছু নয়। এর কারণে কপারের কন্ডাক্টিভিটি কমে যায়। সোল্ডার বা রাং লাগতে চায়না, ড্রাই সোল্ডার হয়। ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার ঝামেলা এড়াতে সোল্ডারিং মাস্কের ব্যবহার চালু হয়েছে।

এছাড়াও সোল্ডারিং মাস্কের আরেকটি দারুন ব্যবহার আছে। এই সোল্ডারিং মাস্ক গুলো হীট রেজিস্টিভ বা তাপ নীরধি। অর্থাৎ, এটি অন্যান্য সাধারন পেইন্ট বা রং এর মতো গলে যায় না। ফলে যারা ইন্ডাস্ট্রিয়াল লেভেলে প্রচুর পিসিবি উৎপাদন করেন তারা এই মাস্ক ব্যবহার করে এক সাথে অনেক অনেক পিসিবি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ঝালাই করতে পারেন।

নতুন যারা পিসিবি বানাতে পারেন না তারা পিসিবি তৈরি করার সহজ উপায় -এই পোস্ট টি দেখতে পারেন। ভিডিও সহ পিসিবি বানানোর বিস্তারিত দেয়া আছে। এছাড়াও যারা সোল্ডারিং এ দূর্বল, রাং লাগাতে গিয়ে অনেক ঝামেলার সম্মুখীন হন তারা এই লেখাটি পড়ুন- নতুনদের জন্য সোল্ডারিং। একই সাথে সোল্ডারিং এর ধোঁয়া থেকে বাঁচতে পড়তে পারেন- সোল্ডারিং এর ধোঁয়া দূর করবার সহজ উপায়

⏩ সোল্ডার মাস্কের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ :

সোল্ডার মাস্ক করতে যা যা লাগবে…

১. UV Curable Solder Mask

২. PCB

৩. ল্যামিনেটেড শিট

৪. ট্রেসিং পেপার

৫. হ্যান্ড গ্লাভস (প্রয়োজন মনে করলে)

▫️প্রথম ধাপ – পিসিবি কম্পোনেন্টের পা গুলো প্রিন্ট করা

প্রথমেই ট্রেসিং পেপারে কম্পোনেন্ট এর পিন গুলো এভাবে প্রিন্ট করে নিতে হবে। এরফলে এই জায়গা গুলো মাস্ক হবেনা। পরবর্তি ধাপ গুলো পড়লেই বুঝতে পারবেন এর কারণ।

▫️দ্বিতীয় ধাপ – সোল্ডার মাস্ক দ্রবণ প্রয়োগ

অল্প পরিমাণে এইভাবে সোল্ডার মাস্ক ঢালুন। ফোঁটা ফোঁটা আকারে সমস্ত পিসিবি জুড়েই ঢালবেন।

▫️তৃতীয় ধাপ – ল্যামিনেটেড শীট কে মাস্কের উপরে স্থাপন

মাস্ক ঢালার পর তার উপরে একটি ল্যামিনেটেড শিট দিতে হবে। এটি দেয়া হচ্ছে যেন সোল্ডারিং এই মাস্ক টিকে চাপ দিয়ে সর্বত্র সমান ভাবে ছড়িয়ে দেয়া যায়। অবশ্যই এটি পানি নিরোধি হতে হবে।

▫️চতুর্থ ধাপ – মাস্ক কে সম্পূর্ণ পিসিবি তে ছড়িয়ে দেয়া

একটি কাগজের কার্ড দিয়ে ভালভাবে পুরো পিসিবি তেই মাস্ক ছড়িয়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখবেন যেন ল্যামিনেটেড পেপার টি ক্ষতিগ্রস্থ না হয়।

▫️পঞ্চম ধাপ – পূর্বে প্রিন্ট করা ট্রেসিং পেপার কে এর উপরে স্থাপন

ট্রেসিং পেপারে আগে প্রিন্ট করা কম্পোনেন্টে ঝালাই এর স্থানের লে- আউট টিকে খুব সাবধানে ল্যামিনেটেড শীট এর উপরে দিতে হবে যেন সঠিক জায়গা মত বসে।

▫️ষষ্ঠ ধাপ – ইউভি (UV) অথবা সূর্যের আলোতে কিছুক্ষণ রাখা

উপরে একটি কাঁচ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে যেন প্রিন্ট গুলো না নড়ে যায়। এরপর সূর্যের আলোতে অথবা ইউভি (UV – Ultra violet) লাইটের নিচে ২-৩ মিনিট রাখতে হবে। ঘড়ি ধরেই যে হিসাব করতে হবে তা নয়। আমি মনে মনে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত গুনি। তাতেই বেশ কাজ হয়।

▫️সপ্তম ধাপ – বোর্ড পরিষ্কার করা

২-৩ মিনিট পরে ট্রেসিং পেপার, ল্যামিনেটেড শিট তুলে নিতে হবে। একটি টিস্যু পেপারে কিছু পরিমাণ থিনার নিয়ে বোর্ড টি মুছে দিতে হবে।

▫️অষ্টম ধাপ – আরো কিছুক্ষন সূর্যের আলোতে বোর্ডকে রাখা

পরিষ্কার করা হয়ে গেলে আবার ৫-১০ মিনিট সূর্য অলোতে অথবা UV লাইটের নিছে রাখতে হবে। এরফলে গ্রীন কোটিং টি পিসিবি বোর্ডের সাথে ভালো মতো বসে যাবে। ব্যস কাজ শেষ।

◽কিছু জরুরী বিষয় যা না জানলেই নয়

⏩ কোথায় পাবো এই সোল্ডার মাস্ক :

এই UV Curable Solder Mask সাধারণত আমাদের দেশে পাওয়া যায় না। আমি এটি আলি এক্সপ্রেস থেকে আনিয়েছি। আমাদের দেশে যে মাস্ক গুলো পাওয়া যায় সেগুলো ব্যাবহার করা বেশ জটিল। কারণ সেগুলো ব্যবহার করতে হলে আগে স্কিন প্রিন্ট করে নিতে হয়, যা ১/২ টা পিসিবির জন্য অনেক বিরক্তিকর।

তবে আশাকরি আমাদের ইলেকট্রনিক্সের এই লেখা পড়ে হবিস্ট ও ইঞ্জিনিয়াররা এই ধরনের সহজে প্রয়োগ যোগ্য গ্রীন কোটিং বা সোল্ডার মাস্কের প্রতি আগ্রহী হলে দোকানদার রা এটি আনবেন।

⏩ সোল্ডারিং মাস্কের বিকল্প বুদ্ধি কি :

এই মাস্ক এর একটা সহজ বিকল্প হচ্ছে প্লাস্টিক পেইন্ট। প্লাস্টিক পেইন্ট কে থিনারে গুলিয়ে নিয়ে পিসিবি এর উপর প্রয়োগ করলে দেখতে সুন্দর লাগে। তবে এর একটি বড় রকমের অসুবিধা আছে। এই প্লাস্টিক পেইন্ট গুলো হীট রেজিস্ট্যান্ট নয়। ফলে সোল্ডারিং আয়রনের গরম অগ্রভাগের ছোঁয়ায় সহজেই উঠে যায়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

বুদ্ধি শানিত করুন ৫ টি উপায়ে

◽বুদ্ধি শানিত করুন :

▫নিয়মিত ব্যায়াম :

ব্যায়াম কি শুধু শরীরের ওজন কমানোর জন্য? নাহ, মোটেই নয়। ব্যায়াম করলে আপনার ওজন কমার পাশাপাশি ব্রেইনের কার্যক্ষমতা অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাবে। ব্যায়াম মস্তিস্কের রক্ত চলাচল বাড়ায় ও স্নায়ুগুলোকে সক্রিয় রাখে। ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় বুদ্ধিমত্তা তীক্ষ্ণ হয়।

▫বোকা বাক্সে বন্দি থাকবেন না :

সারা দিনে কয়েক ঘণ্টা টেলিভিশনের পর্দায় চোখ আটকে রাখেন না, এমন মানুষ হয়তো খুঁজেই পাওয়া যাবে না। আমরা আমাদের অনেকখানি মূল্যবান সময় এই টেলিভিশন দেখে নষ্ট করি। টেলিভিশনে আসক্তি পরিহার করে বরং সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। পরিবারের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা করুন, বন্ধুদের সাথে নতুন অভিজ্ঞতায় সামিল হন, এমন কিছু করুন যাতে চিন্তা করতে হয়। এতে আপনার বুদ্ধি শানিত হবে।

▫বই পড়ুন :

বুদ্ধিতে ধার দিতে বই পড়ার বিকল্প নেই। বই, পত্রিকা, ম্যাগাজিন, ফিকশন, নন-ফিকশন যে কোন কিছুই পড়তে পারেন। রাস্তায় জ্যামে সময় নষ্ট না করে বই পড়ুন। অথবা ঘুমাতে যাওয়ার আগেও কিছুক্ষণ করে বই পড়তে পারেন। নিয়মিত বইপত্র পড়লে আপনার বুদ্ধির বিকাশের পাশাপাশি দ্রুত পড়া ও বোঝার অভ্যাস হবে।

▫পাজল প্র্যাকটিস করুন :

দাবা, সুডোকু, ক্রস ওয়ার্ডস ও পাজল সমাধান করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে ও মস্তিষ্ক সচল থাকে। এইসব গেম আপনি চাইলে আপনার মোবাইলেই রাখতে পারেন। তাহলে অবসর সময়ে খেলার ছলে বুদ্ধিকে ধারালো করে নিতে পারবেন।

▫ঘুম :

রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাবেন ও ভোরে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে চেষ্টা করবেন। প্রতিদিন অন্তত ৭/৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন। এর কম ঘুম হলে ব্রেইন কাজ করতে চায় না। ঘুম সল্পতার কারণে সহজে কোনো কিছু বোঝার ক্ষমতা বা উপস্থিত বুদ্ধি কমে যায়। তাই পরিমিত ঘুমালে বুদ্ধি শানিত হয়। মানুষের বুদ্ধিমত্তা বা আইকিউ অবশ্যই উঁচু মানের বৈশিষ্ট্য। একটু চেষ্টা করলেই বুদ্ধিতে ধার দিয়ে নেয়া যায়। নিয়মিত ব্রেইন ওয়ার্ক ও ক্রিয়েটিভ কাজের সাথে যুক্ত থাকলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে ও স্নায়ু গুলো সচল থাকে। তাই গৎবাঁধা লাইফস্টাইল থেকে বের হয়ে নতুন নতুন সৃষ্টিশীল কাজ করে আপনার বুদ্ধিমত্তাকে আরেকটু ধারালো করে নিন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়ানোর ১০ উপায়

◽বিশ্লেষণী ক্ষমতা :

১. সবার আগে বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়ানো সত্যিকারের আগ্রহ থাকতে হবে। এই আগ্রহ থাকাটা একটা সাধারণ ব্যাপার মনে হতে পারে। কিন্তু এটাই সবচেয়ে জরুরি। যেকোনো কাজে আপনার যদি আগ্রহ থাকে, তাহলে কেউ আপনাকে নিবৃত্ত করতে পারবে না। আর যেদিন আগ্রহ মরে যাবে, সেদিন আপনার অগ্রযাত্রাও থেমে যাবে।

২. আপনি যা দেখছেন, যা শুনছেন সব কিছু নিয়ে ভাবার চেষ্টা করুন। কেন ঘটল, কী করে হলো, এতে কার উপকার হলো, কার ক্ষতি হলো ইত্যাদি প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করুন। এই চর্চা আপনার বিশ্লেষণী ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলবে। একসময় আপনাকে ইচ্ছে করে বিশ্লেষণ করতে হবে না। বিশ্ল্লেষণী ক্ষমতা হবে আপনার স্বভাবজাত বিষয়। নিমিষেই আপনি কারণ ও ফলাফল আঁচ করতে পারবেন।

৩. বিশ্লেষণ করেই কাজ শেষ নয়, আপনার বিশ্লেষণ সঠিক ছিল কি না সেটাও দেখে নেওয়া দরকার। সব সময় যে এটা পরখ করা যায় তা নয়, তবে আপনাকে অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে হবে। একটিই উদ্দেশ্য, আপনি সঠিক ছিলেন কি না। সঠিক না হলে এটিও জানতে হবে, আপনার বিশ্লেষণে ভুল ছিল কোথায়। পরবর্তী সময়ে বিশ্লেষণে এই ভুলগুলো আপনার করা চলবে না।

৪. আপনার প্রশিক্ষক বা বস বা মেনটরের সহায়তা নিন। হতে পারে আপনার ভালো কোনো সহকর্মী, তিনিও আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারেন। আলোচনা করুন। শেয়ার করুন। যত বেশি ভাববেন, যত বেশি দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখবেন, তত বেশি তথ্য-উপাত্ত পাবেন, যা আপনার বিশ্লেষণী ক্ষমতাকে বাড়াতেই থাকবে।

৫. কোন তথ্য প্রয়োজনীয় আর কোনটি প্রয়োজনীয় নয় সেটা বোঝাও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। একটি ঘটনার চারপাশে হাজারও তথ্য ছড়ানো থাকে। কোন কোনটি আপনার কাজে লাগবে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। অপ্রয়োজনীয় তথ্যের পেছনে ছুটবেন না, সময় ও শ্রম দুই-ই নষ্ট হবে। আপনি পথভ্রষ্ট হবেন।

৬. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে পাজল খেলুন, ছোট ছোট ধাঁধার উত্তর মেলান, গোয়েন্দা বই পড়ুন, গোয়েন্দা মুভি দেখুন। যেমন শার্লক হোমস, আগাথা ক্রিস্টির বই। তিন গোয়েন্দা বা মাসুদ রানা, ফেলুদা ইত্যাদি যেটা পছন্দ, পড়ুন। মস্তিষ্কেরও আছে ব্যায়ামের প্রয়োজনীয়তা। তাহলেই তো তার ধার বাড়বে।

৭. বিশেষ বিশেষ কেসস্টাডি নোট করুন। ঘটনাটি আগে লিখুন। তারপর লিখুন আপনার বিশ্লেষণ। এই নোটগুলো অসাধারণ ফল দেবে একদিন। যেদিন ফলাফল হাতে পাবেন, সেদিন নোট খাতাটার পাতা উল্টাতে উল্টাতে ভাবতে পারবেন, আপনি কী অনুমান করেছিলেন আর ফলাফল কী হলো! ভাবনাগুলো লেখা থাকায় আপনার পক্ষে মিলিয়ে দেখা অনেক সহজ হবে।

৮. নিয়মিত সাম্প্রতিক ঘটনাবলির সঙ্গে নিজেকে আপডেটেড রাখুন। তথ্যজ্ঞান বিশ্লেষণ দক্ষতা বাড়াতে অনেক জরুরি।

৯. মানুষ চিনতে চেষ্টা করুন। অফিস সহকর্মীদের মধ্যে কে ভালো, কে মন্দ, কে মাঝারি, কে কথা বেশি বলে, কে চুপচাপ থাকে কিন্তু তথ্য পাচার করে, কে সহজ-সরল, কে কৌশলী-এসব বোঝার চেষ্টা করুন। কার দ্বারা কী সম্ভব এটা অনেক সময়ই পূর্বানুমান করা দরকার হয়। আপনার যদি কমন সেন্স থাকে, আর আপনি সব সময় চোখ-কান খোলা রাখেন, তাহলে এটা কোনো কঠিন ব্যাপার না। আত্মবিশ্বাস রাখুন।

১০. যতটা সম্ভব একাকিত্ব এড়িয়ে চলবেন। সহকর্মীদের মধ্যে থাকুন। আড্ডায় অংশ নিন। মিটিংয়ে যথাসময় উপস্থিত থাকুন। যতটা সম্ভব আপনার পর্যবেক্ষণ বাড়ান, আর তথ্য সংগ্রহ করা চালিয়ে যেতে থাকুন। কার পড়াশোনা ভালো, কে গোঁড়া, কে আধুনিক, কার দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ইত্যাদি অনেক কিছু সম্পর্কে আপনার ধারণা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আপনি নিজেও আরো অনেক কৌশল নিজের জন্য বের করতে পারেন, যা আপনার বিশ্লেষণী ক্ষমতা আরো বাড়াতে সাহায্য করবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

ইন্টারভিউ বাের্ডে কথােপকথনের টিপস

◽ ইন্টারভিউ বাের্ডের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা :

Candidate : May I come in , sir ?
আমি কি ভেতরে আসতে পারি ?

Interviewer : Yes come in please have your
sit .
জ্বি আসুন , বসুন ।

Interviewer : What are your educational qualifications ?
আপনার শিক্ষাগত যােগ্যতা কি ?

Candidate : I’m an M com in Marketing Department .
আমি মার্কেটিং এ মাষ্টার্স ৷

Interviewer : Do you have any experience ? আপনার কোনাে অভিজ্ঞতা আছে ?

Candidate : Yes sir , I worked in a pharmaceutical company .
জ্বি স্যার , আমি একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীতে চাকরী করেছি ।

Interviewer : Why did you give up your previous job ?
পুরনাে চাকুরীটা ছাড়লেন কেন ?

Candidate : Actually , in order to expand my skill set and experience I left the previous job . আসলে , আমি আমার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে চাকরিটি পরিবর্তন করতে চাচ্ছি

Interviewer : Do you have any computer skill ? আপনার কোনাে কম্পিউটার দক্ষতা আছে ?

Candidate : Yes sir , I’m skilled in Microsoft office application .
জ্বি স্যার , আমি মাইক্রোসফট অফিস প্রােগ্রামে দক্ষ ।

Interviewer : what are your salary expectations ? আপনার প্রত্যাশিত বেতন কতাে ?

Candidate : Twenty five thousand taka , sir . ২৫ হাজার টাকা ।

Interviewer : How do you handle important decisions ? গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি কতােটা বিচক্ষণ ?

Candidate : Every time I give value to my commitment and believe in hard work . সবসময় আমি আমার প্রতিশ্রুতির মূল্যায়ন করি এবং কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি ।

Interviewer : So , Thank you for participating this interview . let us think about yourself . Wise you have a good day . Thank you . তাহলে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণ করার জন্য । আপনার সম্পর্কে আমরা চিন্তা ভাবনা করব আপনার দিনটি শুভ হউক , ধন্যবাদ

Candidate : Thank you very much too.I am fully ready to work with your company . আপনাকেও ধন্যবাদ । আমি আপনার কোম্পানিতে কাজ করতে পুরােপুরি তৈরী ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

ওয়েট সাইক্লিং ও ক্রাশ ডায়েট

◽পঞ্চম অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

ডায়েটে একটা ইয়ো-ইয়ো আছে যাকে ইয়ো-ইয়ো ডায়েটিং বা “ওয়েইট সাইকেলিং” বলে যার মাধ্যমে এমন একটি প্যাটার্ন বোঝায় যেখানে একবার ওজন কমানো হয় তারপর আবার বাড়ানো হয় তারপর আবার ওজন কমানোর জন্য চেষ্টা করা হয়। ঠিক ইয়ো-ইয়োর মত ওজন একবার ওপরে উঠে যায় আবার নিচে নেমে আসে তারপর আবার ওপরে উঠে যায়। পরিসংখ্যান বলছে পুরুষদের ১০% এবং মহিলাদের ৩০% এই ধরনের ডায়েট করে থাকেন। মূলত এটা ক্রাশ ডায়েট করে একবার হঠাৎ ওজন কমানো এবং কদিন পরই সে ওজন ফিরে আসার ঘটনার পুনরাবৃত্তিই বোঝায়।

⏩ ইয়ো-ইয়ো ডায়েট এর সমস্যাঃ

১. ওজন কমানোর জন্য ডায়েটে থাকা অবস্থায় ফ্যাট লসের কারনে শরীরে “লেপটিন” হরমোন এর লেভেল কমে যায় যেটি খাবার পর পেটভরা অনুভুতি তৈরি করে। সাধারন সময়ে শরীরের জমানো ফ্যাট লেপটিন নিঃসরণ করে রক্তে যা শরীরকে বলে দেয় যে শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি রয়েছে এবং আর খাওয়ার প্রয়োজন নেই। ওজন কমাতে গিয়ে শরীর থেকে ফ্যাট কমে যাবার পর স্বাভাবিক ভাবেই লেপটিনের নিঃসরণ কমে যায়। তারওপর আবার শরীর যেহেতু জমানো শক্তি হারিয়েছে তাই নতুন করে সে শক্তির ডিপোজিট করতে সে ক্ষুধার অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়। ফলশ্রুতিতে আবার রাক্ষুসে ক্ষুধা, নিয়ন্ত্রনহীন খাওয়া এবং অবধারিতভাবে আবার মোটা হয়ে যাওয়া।

২. ক্রাশ-ডায়েট বা শর্ট টার্ম ইনটেন্স ডেফিসিট ডায়েট প্ল্যানে শরীর দ্রুত ওজন হারায় এবং সে হারানো ওজনের বেশিরভাগই হয় মাসল মাস এবং ওয়াটার ওয়েট (গ্লাইকোজেন)। ডায়েট থেকে বের হবার পর প্রায় দ্রুতই ৩০-৬৫% ওজন ফিরে আসে। মাসল হারানোর কারনে শরীরের মেটাবোলিজমও কমে আসে এবং ইভেনচুয়ালি ওজন আগের চেয়েও বেশি হয়ে যায়।

৩. মাসল বানাতে হয় আর ফ্যাট শরীরে সুযোগ পেলেই জমে। ক্রাশ ডায়েট বা অন্য যেকোনও ডায়েটে ওজন কমানো বেশ সোজা কাজ হলেও একই সাথে মাসল বিল্ডআপ করা এবং ফ্যাট লস করা বেশ কঠিন। এজন্য ডায়েটপ্ল্যানে যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন রাখতে বলা হয় এবং রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং করতে বলা হয় যাতে মাসলও তৈরি হয় এবং ফ্যাটও লস হয়। হঠাৎ ওজন কমানোর পর যখন আবার ওজন বাড়ে তখন কিন্তু মাসল অত্যন্ত নগন্য পরিমান বাড়লেও ফ্যাট বাড়ে বেশি। ফলাফল হিসেবে শরীরে ফ্যাট% বেড়ে যায় এবং ওজন যতটা বাড়ে তারচেয়েও বেশি বাড়ে ইঞ্চিতে ফলে দেখতে মোটা লাগে।

৪. একটা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আছে ক্রাশ ডায়েটের। আপনি হয়তো ওজন নিয়ে অনেকদিন ধরেই চিন্তিত। অনেকবার ভেবেছেন একটা হেলদি লাইফস্টাইল অ্যাডপ্ট করবেন কিন্তু কেন যেন করি করি করেও করা হয়ে উঠছেনা। এমন সময় একটা ৭-১০ দিনের ক্রাশ ডায়েট প্রগ্রামে গিয়ে দ্রুত ৫/৬ কেজি কমিয়ে ফেললেন। তারপর কি আর আপনার মন চাইবে ক্যালরি মেপে খেতে? ইচ্ছে করবে সকাল বা বিকালে ১ ঘন্টা হাটতে? ইচ্ছে করবে দিনে ৩/৪ লিটার পানি জোরাজুরি করে খেতে? আপনি হয়তো একটা হেলদি লাইফস্টাইলে চলেই যেতেন কিন্তু এই নগদ নগদ পরিবর্তন দেখতে পেয়ে কষ্টসাধ্য কিন্তু জরুরী পদক্ষেপটা আর নেয়া হয় না। এভাবে একটু একটু করে পেছাতে পেছাতে একসময় আর হেলদি লাইফস্টাইল অ্যাডপ্ট করাই হয়না।

⏩ তাহলে কি করতে হবে?

উত্তর একটাই। ধানাইপানাই ছেড়ে সোজা রাস্তায় আসতে হবে। প্রপার ম্যাক্রো রেশিও তে প্রপার ক্যালরি লিমিটে থেকেই ওজন কমাতে হবে। এক্সারসাইজ করতে হবে এবং ধৈর্য রাখতে হবে। তাড়াহুড়ার কাজ ভালো হয়না

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

ডায়েট চার্ট বানানোর নিয়ম

◽চতুর্থ অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

▫ডায়েট চার্ট :

প্রথমে আপনার BMR বের করবেন।
যদি আপনার BMR হয় ১৮০০ তাহলে BMR থেকে ৫০০ ক্যালরি বাদ দিবেন। তাহলে হলো ১৩০০ ।

সুতরাং ১৩০০ ক্যালরির চার্ট বানাতে হবে এবং সেই অনুযায়ী খাবার নির্ধারন করে খেতে হবে।

⏩ দুই ধরনের চার্টঃ

১. লো-কার্ব
২. হাই কার্ব

⏩ ম্যাক্রোর রেশিও বা পুষ্টির অনুপাতঃ

*লো-কার্বের ম্যাক্রো রেশিওঃ (২৫% কার্ব (শর্করা), ২৫% প্রোটিন এবং ৫০% ফ্যাট)
**হাই-কার্বের ম্যাক্রো রেশিওঃ (৫০% কার্ব, ২৫% প্রোটিন এবং ২৫% ফ্যাট)

⏩ খাদ্য উপাদান থেকে প্রাপ্ত শক্তিঃ

১ গ্রাম কার্ব = ৪ ক্যালরি
১ গ্রাম প্রোটিন = ৪ ক্যালরি
১ গ্রাম ফ্যাট = ৯ ক্যালরি

ম্যাক্রো হিসাবঃ BMR থেকে চার্ট বানাতে হবে এই তিন ম্যাক্রো রেশিও দিয়ে।
যেমন ১৩০০ ক্যালরির লো-কার্ব চার্ট হবেঃ
১৩০০ ক্যালরির ২৫% কার্ব = ১৩০০ গুন ০.২৫ = ৩২৫ ক্যালরির কার্ব যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৩২৫/৪ = ৮১.২৫ বা প্রায় ৮১ ।
তাহলে সারাদিনে ৮১ গ্রাম কার্ব(কার্বোহাইড্রেট) খেতে হবে।

১৩০০ ক্যালরির ২৫% প্রোটিন (আমিষ) = ১৩০০ গুন ০.২৫ = ৩২৫ ক্যালরির কার্ব যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতেহবে।
৩২৫/৪ = ৮১.২৫ বা প্রায় ৮১
তাহলে সারাদিনে ৮১ গ্রাম প্রোটিন খেতে হবে।

১৩০০ ক্যালরির ৫০% ফ্যাট = ১৩০০ গুন ০.৫০ = ৬৫০ ক্যালরির ফ্যাট যাকে ৯ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৬৫০/৯ = ৭২.২২ বা প্রায় ৭২
তাহলে সারাদিনে ৭২ গ্রাম ফ্যাট খেতে হবে।

আবার, ১৩০০ ক্যালরির হাই-কার্ব চার্ট হবেঃ

১৩০০ ক্যালরির ৫০% কার্ব = ১৩০০ গুন ০.৫০ = ৬৫০ ক্যালরির কার্ব যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৬৫০/৪ = ১৬২.৫ বা ১৬২ ।
তাহলে সারাদিনে ১৬২ গ্রাম কার্ব খেতে হবে।

১৩০০ ক্যালরির ২৫% প্রোটিন = ১৩০০ গুন ০.২৫ = ৩২৫ ক্যালরির কার্ব যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৩২৫/৪ = ৮১.২৫ বা ৮১ ।
তাহলে সারাদিনে ৮১ গ্রাম প্রোটিন খেতে হবে।

১৩০০ ক্যালরির ২৫% ফ্যাট = ১৩০০ গুন ০.২৫ = ৩২৫ ক্যালরির ফ্যাট যাকে ৯ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৩২৫/৯ = ৩৬.৯৯ বা ৩৭ ।
তাহলে সারাদিনে ৩৭ গ্রাম ফ্যাট খেতে হবে।

⏩ প্রধান প্রধান খাবারে প্রোটিন ও ফ্যাটের উৎসঃ

*কার্বঃ – ভাত, চাল, রুটি, ওটস, মসুর ডাল, মুগ ডাল, ছোলা, আলু, কলা, কমলা, মাল্টা, আপেল, মুড়ি, পপকর্ন, ডাবের পানি, চিনি,মধু, রাজমা।
**প্রোটিনঃ – মাছ, মুরগী, ডিম, দুধ, টক দই, পনির, সয়া নাগেট, মসূর ডাল, মূগ ডাল, ছোলা, বাদাম।
***ফ্যাটঃ – ঘি, বাটার, অলিভ তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল, চিনা বাদাম, কাঠ বাদাম, পনির।

বি.দ্রঃ ডায়েট অনেক ধর্যের একটা ব্যপার। আপনাকে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমাতে অনেক ধর্য্য ধরে ডায়েট করতে হবে। আবার ডায়েটে আপনার শরীরের চাহিদার থেকে কম খাবার খেতে হয়। আর এইজন্য লো-কার্ব অথবা হাই-কার্ব এ যেভাবে বলা আছে ঠিক সেই অনুপাতে খাবারে সঠিক প্রোটিন (যেমন পর্যাপ্ত ডিম, মাছ) রাখতে হবে এবং প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে। দিনে (৩-৪) লিটার অথবা আপনার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বেশী। অন্যথায় কম খাবার খাওয়ার ফলে শরীরে দূর্বলতা আসতে পারে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

বি.এম.আই (BMI) ও বি.এম.আর (BMR)

◽তৃতীয় অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

⏩ বি.এম.আই কী?

শরীরের ওজন কে উচ্চতার বর্গ দিয়ে ভাগ করে বডি ম্যাস ইনডেক্স (বিএমআই) হিসাব করা হয়। এটা আমাদের শরীর ঠিক আছে নাকি বোঝার জন্য খুব ভালো প্রক্রিয়া। কারন এর দ্বারা বোঝা যায় যে আপনার উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন ঠিক আছে কি নাই এবং আপনার স্বাভাবিক ওজনের পাল্লা কত সেইটাও বিএমআই এর মাধ্যমে জানা যায়।

⏩ বি.এম.আর কি?

বেসাল মেটাবোলিক রেট বা বিএমআর দ্বারা আপনার শরীর সম্পূর্ণ বিশ্রাম অবস্থায় দৈনিক প্রয়োজনীয় ক্যালরির চাহিদা কত সেটি জানা যায়।

Categories
Life Hacks

সুস্থ্য জীবনের জন্য ১০ টি টিপস

◽দ্বিতীয় অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

১.  আপনি মোটা বা চিকন যেমনি হন না কেন প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷ শরীর সুস্থ থাকলে ছুটির দিনেও হাঁটার অভ্যাস টি বাদ দিবেন না।

২. সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন এবং সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে প্লানিং করুন।

৩. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাবেন।

৪. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। 

৫. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয় করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয় করুন।

৬. রাত ১০ টার মধ্যেই ঘুমানোর আর ফজরের নামাজের সময় ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। দেখা গেছে পৃথিবীর বেশীরভাগ স্বাস্থ্যবান, রোগমুক্ত ও সফল মানুষ এই রুটিনেই ঘুমান এবং ঘুম থেকে ওঠেন।

৭. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন। আজকে আপনি অনেক মোটা বা চিকন। কিন্তু আপনি চেষ্টা করলে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওজনের ও স্বাস্থ্যের লক্ষ্যে অবশ্যই পৌছাতে পারবেন। তাই ধৈর্য্য হারাবেন না। সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা রাখুন।

৮. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন। মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ হোক তা বদলাবেই।

৯. সব সময় চেষ্টা করুন যাতে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কোন কাজে আপনার কোনো রকম অলসতা না করে। মোটা মানুষের মোটা হওয়ার অনেকটাই কারণ তারা অলস।

১০. প্রতিদিন একই সময়ে সেই সময়ের খাদ্য গ্রহন করুন। যেমন সকালের খাবার ৮ টায় খেলে প্রতিদিন ৮ টাতেই খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। একদিনের ডায়েটের খাবারকে ৪/৫ ভাগে ভেঙে প্রয়োজন মত গ্যাপ রেখে খাবার তালিকা বানান। তাহলে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগবেনা।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

লো-কার্ব ডায়েট কি? কেন করে?

◽প্রথম অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

ডায়েট রাজ্যে লো-কার্ব খুবই জনপ্রিয় ও কার্যকরী একটি পদ্ধতি ।

⏩ লো-কার্ব ডায়েট কিঃ 

এই ডায়েটে কার্ব (কার্বহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার) খুবই সীমিত থাকে। অন্যদিকে প্রোটিন, ফ্যাট ও শাকসবজিতে প্রাধান্য অনেক বেশী থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে লো-কার্ব ডায়েট স্বাস্থ্যসম্মত এবং ওজন কমাতে খুবই কার্যকরী।অন্যান্য ডায়েটের তুলনায় লো-কার্ব দুই থেকে তিন গুণ বেশি কার্যকরী।এর তেমন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।যে কোন সুস্থ মানুষ লো-কার্ব করতে পারবে। এমনকি অনেক ঝুঁকি পূর্ণ রোগের থাকলেও লো-কার্ব ডায়েট করা যায়। যেমনঃ পিসিওএস, থাইরয়েড, ডায়াবেটস এর রোগীরা এই ডায়েট করতে পারেন।

⏩ লো-কার্ব যেভাবে কাজ করেঃ

প্রধানত দুই ভাবে এই ডায়েট করে ওজন কমে।

১. আমাদের শরীরে ইনসুলিন নামক একটি হরমোন আছে  যার কাজ হচ্ছে শরীরে রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা । কার্ব কম খাওয়ার কারণে ইনসুলিন মাত্রা কমে যায়। ফলে কিডনি শরীরের অতিরিক্ত সোডিয়াম স্খলন করে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২. আমাদের শরীর গ্লাইকোজেন আকারে কার্ব জমিয়ে শরীরের  মাসল ও লিভারের পানি বেধে রাখে। লো-কার্ব ডায়েট যখন আমরা কার্ব কম খাই তখন গ্লাইকোজেন কমে যায় তাই পানিও কমে যায় এবং ওয়াটার ওয়েট হ্রাস পায়।

এই ডায়েটে খেতে হবেঃ মাছ, মাংস, ডিম, শাক সবজি,  বাদাম, ফল,হাই-ফ্যাট দুগ্ধজাতীয় খাবার যেমন চীজ,বাটার। অলিভ ওয়েল,ঘি,কোকনাট ওয়েল।

যেগুলো খাওয়া যাবেনাঃ চিনি, হাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্সড ফুড, প্রোসেসড ফুডস (যেমন সফট-ড্রিঙ্কস বা কোমল পানীয়)।

টোটাল ফ্যাট % যেন মিল প্ল্যানের ৪৫-৫০% থেকে বেশি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

▫ম্যাক্রো রেশিও বা পুষ্টির অনুপাতঃ

কার্বঃ 25% 
প্রোটিনঃ 25%
ফ্যাটঃ 50%

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

বিভিন্ন জব এক্সাম ও গুরুত্বপূর্ণ অক্ষর

◽গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরের পূর্ণরূপ :

১। J.S.C – এর পূর্নরূপ — Junior School Certificate.

২। J.D.C – এর পূর্নরূপ — Junior Dakhil Certificate.

৩। S.S.C – এর পূর্নরূপ — Secondary School Certificate.

৪। H.S.C – এর পূর্নরূপ — Higher Secondary Certificate.

৫। A.M – এর পূর্নরূপ — Ante meridiam.

৬। P.M – এর পূর্নরূপ — Post meridiam.

৭। B. A – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Arts.

৮। B.B.S – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Business Studies.

৯। B.S.S – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Social Science.

১০। B.B.A – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Business Administration

১১। M.B.A – এর পূর্নরূপ — এর পূর্নরূপ — Masters of Business Administration. আউটসাইড নলেজ

১২। B.C.S – এর পূর্নরূপ — Bangladesh Civil Service.

১৩। M.A. – এর পূর্নরূপ — Master of Arts. Outside Knowledge

১৪। B.Sc. – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Science.

১৫। M.Sc. – এর পূর্নরূপ — Master of Science.

১৬। B.Sc. Ag. – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Science in Agriculture . আউটসাইড নলেজ

১৭। M.Sc.Ag.- এর পূর্নরূপ — Master of Science in Agriculture.

১৮। M.B.B.S. – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Medicine and Bachelor of Surgery.

১৯। M.D. – এর পূর্নরূপ — Doctor of Medicine./ Managing director.

২০। M.S. – এর পূর্নরূপ — Master of Surgery.

২১। Ph.D./ D.Phil. – এর পূর্নরূপ — Doctor of Philosophy (Arts & Science)

২২। D.Litt./Lit. – এর পূর্নরূপ — Doctor of Literature/ Doctor of Letters. আউটসাইড নলেজ

২৩। D.Sc. – এর পূর্নরূপ — Doctor of Science.

২৪। B.com – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Commerce.

২৫। M.com. – এর পূর্নরূপ — Master of Commerce.

২৬। B.ed – এর পূর্নরূপ — Bachelor of education.

২৭। Dr. – এর পূর্নরূপ — Doctor.

২৮। Mr. – এর পূর্নরূপ — Mister.

২৯। Mrs. – এর পূর্নরূপ — Mistress.

৩০। Miss – এর পূর্নরূপ — used before unmarried girls.

৩১। M.P. – এর পূর্নরূপ — Member of Parliament.

৩২। M.L.A. – এর পূর্নরূপ — Member of Legislative Assembly.

৩৩। M.L.C – এর পূর্নরূপ — Member of Legislative Council.

৩৪। P.M. – এর পূর্নরূপ — Prime Minister. Outside Knowledge

৩৫। V.P – এর পূর্নরূপ — Vice President./ Vice Principal.

৩৬। V.C- এর পূর্নরূপ — Vice Chancellor.

৩৭। D.C- এর পূর্নরূপ — District Commissioner/ Deputy Commissioner.

৩৮। S.P- এর পূর্নরূপ — Police Super.

৩৯। S.I – এর পূর্নরূপ — Sub Inspector Police

৪০। GPA – এর পূর্নরূপ কি? – Grade Point Average

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

সেন্স ও কান্ডজ্ঞান

◽সেন্স :

মূলত, সেন্স মানে বোঝার ক্ষমতা। বিষয়ের মধ্যে যেসব উপাদান-উপকরণ বা বৈশিষ্ট্য থাকে সেসবের মধ্যে কার্য-কারণ সূত্র আবিষ্কার ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটা পূর্ণ ধারণা তৈরি করার ক্ষমতা।
ক্ষেত্রবিশেষে সেন্স মানে অনুভব বা উপলব্ধি। অনুভব বা উপলব্ধি করার ক্ষমতা অবচেতন মনে প্রায় নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকতে পারে আবার তা সক্রিয় হয়ে সচেতন মনে হাজির হতে পারে।

◽কাণ্ডজ্ঞান :

কাণ্ডজ্ঞান মানে কাণ্ড সংক্রান্ত জ্ঞান। কাণ্ড মানে ঘটনা। তাহলে ঘটনা সংক্রান্ত জ্ঞান। কাণ্ডজ্ঞান শব্দটা যদি যথার্থে ব্যবহৃত হয় তাহলে তা মূলত ওই কমন সেন্সের মতই।
কাণ্ডজ্ঞান বা কমন সেন্স যথার্থে উচ্চারণ করলেই স্মরণীয়: একটি ঘটনা বা বিষয় আছেই এবং সেখানে একটি তুলনাও আছে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

সহজ ভাষায় কমন সেন্স

◽কমন সেন্স :

আপনি যখন ইংরেজি এই শব্দযুগল ব্যবহার করেন তখন আসলে কী বোঝান? আপনি চিন্তা করতে লেগে গেছেন।
অমুকের কমন সেন্স নেই, তমুকের কমন সেন্স ভাল—এসব কথা আপনারা প্রায়ই বলাবলি করেন। এবার দেখুন ত ‘কমন’ বলতে ঠিক কী বোঝান? 
একটা ধারণা আপনার চেতনায় কাজ করছে, তাই না? সেখানে কী দেখতে পাচ্ছেন? নিচে দেখুন :

যে অর্থে কমন সেন্স শব্দযুগল ব্যবহৃত হয় সে অর্থে কমন মানে হল কমপক্ষে দুটি ক্ষেত্রে বা সব ক্ষেত্রে থাকা। কী থাকে? বৈশিষ্ট্য থাকে। ধরুন পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন পড়ার বিষয়টা। টিচার যেসব প্রশ্ন সাজেস্ট করেছেন তাদের মধ্যে যেগুলো পরীক্ষায় পাচ্ছেন সেগুলোকেই বলছেন কমন পড়েছে, তাই না? তাহলে কী দাঁড়াচ্ছে? দুটি ক্ষেত্রে থাকলে তবেই বলা হচ্ছে কমন আছে বা কমন পড়েছে।
সুতরাং কমন বৈশিষ্ট্য উপলব্ধি করার ক্ষমতাই হল কমন সেন্স।
আপনি যখন বলেন, এটা ত খুব কমন বিষয়, তখনও কিন্তু ওই বিষয়টির বৈশিষ্ট্যগুলোই আপনার চেতনায় সক্রিয় হয়।

আপনি জানেন, একটি বিষয়ের কমপক্ষে একটি বৈশিষ্ট্য থাকে। একাধিক থাকতে পারে। দু ধরনের দুটি বিষয়ের কমপক্ষে দুটি বৈশিষ্ট্য থাকে। ততোধিক থাকতে পারে। অনুরূপ, তিন বা তারচেয়ে বেশি ধরনের বিষয়ের কমপক্ষে তিনটি বা তারচেয়ে বেশি বৈশিষ্ট্য থাকে। আবার একই ধরনের একাধিক বিষয়ের মাত্র একটাই বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে।

▫ধরুন, একটি বিষয় হল গরু। গরুর কয়েকটা বৈশিষ্ট্য :
গরু একটি প্রাণী। এর চারটি পা আছে। ঘাস ও কিছু খাদ্যশস্য খায়।

▫আরেকটি বিষয় ধরুন বাঘ। বাঘের কয়েকটা বৈশিষ্ট্য :
বাঘ একটি প্রাণী। এর চারটি পা আছে। এরা শুধু মাংস খায়।

▫আবার ধরুন পাখি। পাখির কয়েকটা বৈশিষ্ট্য :
পাখি একটি প্রাণী। দুটি পা ও দুটি পাখা আছে। এরা ফলমূল, শস্যদানা, পোকামাকড়, মাছ প্রভৃতি খায়।

▫মানুষের কয়েকটা বৈশিষ্ট্য : মানুষ একটি প্রাণী। দুটি পা, দুটি হাত ও বুদ্ধি আছে। প্রায় সব খায়।
এবার দেখুন, কোনো একটি বৈশিষ্ট্য দুই বা সব ধরনের বিষয়ের মধ্যে থাকতে পারে। দুই বা সব ধরনের বিষয়ের মধ্যে থাকা বৈশিষ্ট্যই হল কমন বৈশিষ্ট্য। উপরের চারটি বিষয়ের মধ্যেই কোন বৈশিষ্ট্যটি দেখছেন?
ওরা সবাই প্রাণী। সবার প্রাণ আছে।
কমন বৈশিষ্ট্য এক বা একাধিক হতে পারে। উপরে গরু ও বাঘের দুটি কমন বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে। ১. উভয়ই প্রাণী, ২. উভয়েরই চারটি করে পা আছে।

চারটি বিষয়ের চারটি কমন বৈশিষ্ট্য দেখুন:
বাস, ট্রেন, প্লেন, জাহাজ।
১. মানুষ ও মাল বহন করে।
২. জীবাশ্ম জ্বালানি চালিত।
৩. মূল কাঠামো লোহার তৈরি।
৪. বিকট শব্দ করে চলে।

এবার এদের আন-কমন বৈশিষ্ট্যগুলো দেখুন।

▫বাস : লোহা ও রবারের চাকা আছে। রাস্তায় চলে।
▫ট্রেন : লোহার চাকা আছে। লোহার স্লিপারের ওপর দিয়ে চলে।
▫প্লেন : লোহা ও রবারের চাকা এবং পাখা আছে। আকাশে ওড়ে।
▫জাহাজ : প্রপেলার আছে। পানিতে চলে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

পোকামাকড় দূর করার উপায় সমূহ

◽পোকামাকড় দূর করা :

⏩ পর্ব -১ :

একেতাে প্রচন্ড গরম তার ওপর ঘরের ভেতর পােকামাকড়ের উপদ্রবে এক বিরক্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয় । মাঝে মাঝে এই উপদ্রব কষ্টের কারণ হয়েও দাঁড়ায় । বিশেষ করে এই সময় ঘরে তেলাপােকার আনাগােনা বেড়ে যায় আশঙ্কাজনক হারে । তাই জেনে নিন কীভাবে ঘরকে রাখবেন পােকামাকড় মুক্ত ।

▫নিমপাতা প্রকৃতির এক আশ্চর্য দান । এই পাতায় আছে পােকামাকড় দূর করার অনন্য ক্ষমতা । ঘরের কোণায় , আলমারিতে , তােশকের নিচে শুকনাে নিমপাতা দিয়ে রাখুন । ঘরে কোনাে পােকামাকড়ই আসবে না ।

▫একই কথা কালােজিরার বেলায়ও । কালােজিরাও পােকামাকড় দূর করার ক্ষমতা রাখে । ঘরের যেখানে পােকামাকড়ের উপদ্রব বেশি সেখানে কালােজিরা ছিটিয়ে রাখতে পারেন । পােকার উপদ্রব কমে যাবে । কিছুদিন পর পর কালােজিরা পাল্টে দিন ।

▫ ঘরে অনেক সময় লাইন দিয়ে পিঁপড়া চলাফেরা করা শুরু করে । এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে লেবুর রসের সাহায্য নিতে পারেন । পিঁপড়া লেবুর রস একদমই সহ্য করতে পারে না । তাই ঘরের যেখানে পিঁপড়ার উপদ্রব সেখানে লেবুর রস ছিটিয়ে দিন ।

▫তেলাপােকা তাড়াতে দারচিনি ও লবঙ্গের তুলনা নেই । ঘরের বিভিন্ন স্থানে দারচিনি ও লবঙ্গ ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়ে রাখুন । তেলাপােকা দৌড়ে পালাবে । এছাড়া ঘরের মধ্যেও থাকবে দারচিনি – লবঙ্গের সুঘ্রাণ

▫সব পদ্ধতি ব্যর্থ হলে ভিনেগারের প্রতি আস্থা রাখতে পারেন ৷ ঘরের মেঝে মােছার সময় পানিতে দুই টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে দিন । ঘর থেকে পিঁপড়া , আরশােলা , তেলাপােকা সব দূর হবে ।

⏩ পর্ব- ২ :

নানা কারণে ঘর বাড়িতে পােকামাকড়ের উপদ্রব হয় । আর একবার কোন পােকা ঘরে বসবাস শুরু করলে তা আর সহজে যেতে চায় না । বিশেষ করে মশা , তেলাপােকা , ছারপােকা ইত্যাদি । আর বেশীরভাগ বাড়িতেই তাে একেবারে ঘাঁটি গেড়ে বসে আ পরিমাণে ইঁদুর এবং টিকটিকি । কিছু উপায় ত মাধ্যমে খুব সহজে এবং ঘরােয়া উপায় এদের দূর করা সম্ভব । আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক এসব উপদ্রব থেকে রক্ষার কিছু উপায় ।

১. ইঁদুর :

ঘর বাড়ির খুব সাধারণ একটি সমস্যা হল ইঁদুর । এই ইদুর দূর করবে পেপারমেন্ট । ইঁদুর পেপারমেণ্টের গন্ধ সহ্য করতে পারে না । একটি তুলাের বলে পেপারমেন্ট অয়েল ডুবিয়ে নিন । এবার তুলাের বলটি ইদুরের বাসার কাছে রেখে দিন । পেপারমেণ্টের গন্ধ শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করে তাদের নিঃশ্বাস নেওয়া বন্ধ করে দিবে এবং তারা মারা যাবে ।

২. তেলাপােকা :

তেলাপােকা নেই এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া ভার ! রান্নার মশলা দিয়ে দূর করুন এই তেলাপােকা । কিভাবে ? গােলমরিচ গুঁড়া , পেঁয়াজ , রসূন এবং পানি দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন । পেষ্ট কিছুটা তরল করে তৈরি করবেন । এবার এটি স্প্রের বােতলে ভরে রাখুন । যেখানে তেলাপােকা দেখবেন সেখানে স্প্রে করুন । দেখবেন তেলাপােকা পালিয়ে গেছে । শুধু তেলাপােকা না অন্যান্য পােকা মাকড়ের হাত থেকে আপনার ঘরকে রক্ষা করবে ।

৩. মাছি :

মাছি তাড়ানাের অনেক উপায় আছে । কিন্তু সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হল তুলসী পাতা বারান্দায় বা জানলার কাছে একটি তুলসী গাছ রাখুন । দেখবেন মাছি আপনার বাসায় আসছে না । এছাড়া বিভিন্ন
এ্যাসেন্সিয়াল অয়েল যেমন ল্যাভেন্ডার এবং
ইউক্যালিপ্টাস অয়েল মাছি তাড়াতে অনেক বেশি
কার্যকর ।

৪. টিকটিকি :

ঘরের আরেকটি উপদ্রব হল টিকটিকি । এই টিকটিকি হাত থেকে বাঁচার জন্য ঘরে কোণে বিশেষ করে ভেন্টিলেটরের কাছে ডিমের খালি খােসা ঝুলিয়ে রাখুন । ডিমের গন্ধ টিকটিকিকে দূরে রাখবে । তবে সেদ্ধ নয় , অবশ্যই কাঁচা ডিমের খােসা ঝােলাবেন । এছাড়াও ঘরে ময়ূরের পালক রাখতে পারেন । টিকটিকি ঘরের ত্রিসীমানায় ঘেঁষবে না ।

৫. ছারপােকা :

ছারপােকা দূর করতে পেঁয়াজের রস অনেক বেশি কার্যকরী । একটি স্প্রে বােতলে পেঁয়াজের রস ভরে নিন । তারপর এটি স্প্রে করে দিন বিছানা , সােফার চারপাশে যেখানে ছারপােকা রয়েছে ।

৬. মশা :

মশা তাড়ানাের জন্য কত রকমের স্প্রে ব্যবহার করা হয় । কিন্তু মশা তাড়ানাের সবচেয়ে সহজ আর কার্যকরী উপায় হল নিমের তেলের ব্যবহার । প্রতিদিন শরীরে নিমের তেল ব্যবহার করুন । এটি আপনাকে মশা দূরে রাখবে এবং তার সাথে সাথে ত্বকও সুস্থ ও ভালাে রাখবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

পড়াশুনার পরিবেশ তৈরি করার কিছু উপায়

◽পড়াশুনার পরিবেশ :

১. পড়ার টেবিলটাকে রাখুন দেয়ালমুখো। ছবি, শো-পিস ইত্যাদি সবরকম জিনিস যা মনোযোগ বিক্ষিপ্ত করতে পারে সেগুলোকে চোখের সামনে থেকে সরিয়ে রাখুন।

২. চেষ্টা করুন একই জায়গায় সবসময় পড়ার জন্যে। আর পড়ার টেবিলটাকে অন্য আর কোনো কাজে ব্যবহার করবেন না। একইভাবে বিছানায় শুয়ে বা বসে পড়ার অভ্যাস করবেন না।

৩. মোবাইল বন্ধ করে রাখুন। সাইলেন্স বা ভাইব্রেশনে রাখলে একবারে পড়া শেষ করে মোবাইল খুলুন।

৪. টিভি’র সামনে বসবেন না। একবারে শব্দহীন পরিবেশ যদি অস্বস্তিকর হয়, তাহলে দ্রুতলয়ের কোনো মিউজিক খুব কম ভলিউমে দিয়ে রাখতে পারেন। তবে সেটাও ডিস্টার্বিং মনে হলে বন্ধ করে দিন।

৫. পড়ার জায়গায় পর্যাপ্ত আলো যেন থাকে। আলো পড়ার মনোযোগ বাড়ায়।

৬. পড়ার কাজে যে জিনিসগুলো লাগবে তার সবগুলোই নিয়ে বসুন। যাতে বারবার উঠতে গিয়ে মনোযোগ বিক্ষিপ্ত করতে না হয়।

৭. বন্ধু রুমমেট বা বাসার কেউ আপনার মনোযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে কিনা খেয়াল করুন। তাকে এড়াবার জন্যে কৌশল অবলম্বন করুন।

৮. পড়ার জন্যে লাইব্রেরি, সেমিনার রুম, রিডিং হল ইত্যাদি যেখানে আরো অনেকেই পড়ছে এবং পুরো পরিবেশটাই পড়ার জন্যে অনুকূল সেগুলোকে বেছে নিতে পারেন। আপনি মনোযোগী হতে পারবেন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil