Categories
Life Hacks

ওয়েট সাইক্লিং ও ক্রাশ ডায়েট

◽পঞ্চম অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

ডায়েটে একটা ইয়ো-ইয়ো আছে যাকে ইয়ো-ইয়ো ডায়েটিং বা “ওয়েইট সাইকেলিং” বলে যার মাধ্যমে এমন একটি প্যাটার্ন বোঝায় যেখানে একবার ওজন কমানো হয় তারপর আবার বাড়ানো হয় তারপর আবার ওজন কমানোর জন্য চেষ্টা করা হয়। ঠিক ইয়ো-ইয়োর মত ওজন একবার ওপরে উঠে যায় আবার নিচে নেমে আসে তারপর আবার ওপরে উঠে যায়। পরিসংখ্যান বলছে পুরুষদের ১০% এবং মহিলাদের ৩০% এই ধরনের ডায়েট করে থাকেন। মূলত এটা ক্রাশ ডায়েট করে একবার হঠাৎ ওজন কমানো এবং কদিন পরই সে ওজন ফিরে আসার ঘটনার পুনরাবৃত্তিই বোঝায়।

⏩ ইয়ো-ইয়ো ডায়েট এর সমস্যাঃ

১. ওজন কমানোর জন্য ডায়েটে থাকা অবস্থায় ফ্যাট লসের কারনে শরীরে “লেপটিন” হরমোন এর লেভেল কমে যায় যেটি খাবার পর পেটভরা অনুভুতি তৈরি করে। সাধারন সময়ে শরীরের জমানো ফ্যাট লেপটিন নিঃসরণ করে রক্তে যা শরীরকে বলে দেয় যে শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি রয়েছে এবং আর খাওয়ার প্রয়োজন নেই। ওজন কমাতে গিয়ে শরীর থেকে ফ্যাট কমে যাবার পর স্বাভাবিক ভাবেই লেপটিনের নিঃসরণ কমে যায়। তারওপর আবার শরীর যেহেতু জমানো শক্তি হারিয়েছে তাই নতুন করে সে শক্তির ডিপোজিট করতে সে ক্ষুধার অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়। ফলশ্রুতিতে আবার রাক্ষুসে ক্ষুধা, নিয়ন্ত্রনহীন খাওয়া এবং অবধারিতভাবে আবার মোটা হয়ে যাওয়া।

২. ক্রাশ-ডায়েট বা শর্ট টার্ম ইনটেন্স ডেফিসিট ডায়েট প্ল্যানে শরীর দ্রুত ওজন হারায় এবং সে হারানো ওজনের বেশিরভাগই হয় মাসল মাস এবং ওয়াটার ওয়েট (গ্লাইকোজেন)। ডায়েট থেকে বের হবার পর প্রায় দ্রুতই ৩০-৬৫% ওজন ফিরে আসে। মাসল হারানোর কারনে শরীরের মেটাবোলিজমও কমে আসে এবং ইভেনচুয়ালি ওজন আগের চেয়েও বেশি হয়ে যায়।

৩. মাসল বানাতে হয় আর ফ্যাট শরীরে সুযোগ পেলেই জমে। ক্রাশ ডায়েট বা অন্য যেকোনও ডায়েটে ওজন কমানো বেশ সোজা কাজ হলেও একই সাথে মাসল বিল্ডআপ করা এবং ফ্যাট লস করা বেশ কঠিন। এজন্য ডায়েটপ্ল্যানে যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন রাখতে বলা হয় এবং রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং করতে বলা হয় যাতে মাসলও তৈরি হয় এবং ফ্যাটও লস হয়। হঠাৎ ওজন কমানোর পর যখন আবার ওজন বাড়ে তখন কিন্তু মাসল অত্যন্ত নগন্য পরিমান বাড়লেও ফ্যাট বাড়ে বেশি। ফলাফল হিসেবে শরীরে ফ্যাট% বেড়ে যায় এবং ওজন যতটা বাড়ে তারচেয়েও বেশি বাড়ে ইঞ্চিতে ফলে দেখতে মোটা লাগে।

৪. একটা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আছে ক্রাশ ডায়েটের। আপনি হয়তো ওজন নিয়ে অনেকদিন ধরেই চিন্তিত। অনেকবার ভেবেছেন একটা হেলদি লাইফস্টাইল অ্যাডপ্ট করবেন কিন্তু কেন যেন করি করি করেও করা হয়ে উঠছেনা। এমন সময় একটা ৭-১০ দিনের ক্রাশ ডায়েট প্রগ্রামে গিয়ে দ্রুত ৫/৬ কেজি কমিয়ে ফেললেন। তারপর কি আর আপনার মন চাইবে ক্যালরি মেপে খেতে? ইচ্ছে করবে সকাল বা বিকালে ১ ঘন্টা হাটতে? ইচ্ছে করবে দিনে ৩/৪ লিটার পানি জোরাজুরি করে খেতে? আপনি হয়তো একটা হেলদি লাইফস্টাইলে চলেই যেতেন কিন্তু এই নগদ নগদ পরিবর্তন দেখতে পেয়ে কষ্টসাধ্য কিন্তু জরুরী পদক্ষেপটা আর নেয়া হয় না। এভাবে একটু একটু করে পেছাতে পেছাতে একসময় আর হেলদি লাইফস্টাইল অ্যাডপ্ট করাই হয়না।

⏩ তাহলে কি করতে হবে?

উত্তর একটাই। ধানাইপানাই ছেড়ে সোজা রাস্তায় আসতে হবে। প্রপার ম্যাক্রো রেশিও তে প্রপার ক্যালরি লিমিটে থেকেই ওজন কমাতে হবে। এক্সারসাইজ করতে হবে এবং ধৈর্য রাখতে হবে। তাড়াহুড়ার কাজ ভালো হয়না

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

ডায়েট চার্ট বানানোর নিয়ম

◽চতুর্থ অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

▫ডায়েট চার্ট :

প্রথমে আপনার BMR বের করবেন।
যদি আপনার BMR হয় ১৮০০ তাহলে BMR থেকে ৫০০ ক্যালরি বাদ দিবেন। তাহলে হলো ১৩০০ ।

সুতরাং ১৩০০ ক্যালরির চার্ট বানাতে হবে এবং সেই অনুযায়ী খাবার নির্ধারন করে খেতে হবে।

⏩ দুই ধরনের চার্টঃ

১. লো-কার্ব
২. হাই কার্ব

⏩ ম্যাক্রোর রেশিও বা পুষ্টির অনুপাতঃ

*লো-কার্বের ম্যাক্রো রেশিওঃ (২৫% কার্ব (শর্করা), ২৫% প্রোটিন এবং ৫০% ফ্যাট)
**হাই-কার্বের ম্যাক্রো রেশিওঃ (৫০% কার্ব, ২৫% প্রোটিন এবং ২৫% ফ্যাট)

⏩ খাদ্য উপাদান থেকে প্রাপ্ত শক্তিঃ

১ গ্রাম কার্ব = ৪ ক্যালরি
১ গ্রাম প্রোটিন = ৪ ক্যালরি
১ গ্রাম ফ্যাট = ৯ ক্যালরি

ম্যাক্রো হিসাবঃ BMR থেকে চার্ট বানাতে হবে এই তিন ম্যাক্রো রেশিও দিয়ে।
যেমন ১৩০০ ক্যালরির লো-কার্ব চার্ট হবেঃ
১৩০০ ক্যালরির ২৫% কার্ব = ১৩০০ গুন ০.২৫ = ৩২৫ ক্যালরির কার্ব যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৩২৫/৪ = ৮১.২৫ বা প্রায় ৮১ ।
তাহলে সারাদিনে ৮১ গ্রাম কার্ব(কার্বোহাইড্রেট) খেতে হবে।

১৩০০ ক্যালরির ২৫% প্রোটিন (আমিষ) = ১৩০০ গুন ০.২৫ = ৩২৫ ক্যালরির কার্ব যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতেহবে।
৩২৫/৪ = ৮১.২৫ বা প্রায় ৮১
তাহলে সারাদিনে ৮১ গ্রাম প্রোটিন খেতে হবে।

১৩০০ ক্যালরির ৫০% ফ্যাট = ১৩০০ গুন ০.৫০ = ৬৫০ ক্যালরির ফ্যাট যাকে ৯ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৬৫০/৯ = ৭২.২২ বা প্রায় ৭২
তাহলে সারাদিনে ৭২ গ্রাম ফ্যাট খেতে হবে।

আবার, ১৩০০ ক্যালরির হাই-কার্ব চার্ট হবেঃ

১৩০০ ক্যালরির ৫০% কার্ব = ১৩০০ গুন ০.৫০ = ৬৫০ ক্যালরির কার্ব যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৬৫০/৪ = ১৬২.৫ বা ১৬২ ।
তাহলে সারাদিনে ১৬২ গ্রাম কার্ব খেতে হবে।

১৩০০ ক্যালরির ২৫% প্রোটিন = ১৩০০ গুন ০.২৫ = ৩২৫ ক্যালরির কার্ব যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৩২৫/৪ = ৮১.২৫ বা ৮১ ।
তাহলে সারাদিনে ৮১ গ্রাম প্রোটিন খেতে হবে।

১৩০০ ক্যালরির ২৫% ফ্যাট = ১৩০০ গুন ০.২৫ = ৩২৫ ক্যালরির ফ্যাট যাকে ৯ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাবে কত গ্রাম খেতে হবে।
৩২৫/৯ = ৩৬.৯৯ বা ৩৭ ।
তাহলে সারাদিনে ৩৭ গ্রাম ফ্যাট খেতে হবে।

⏩ প্রধান প্রধান খাবারে প্রোটিন ও ফ্যাটের উৎসঃ

*কার্বঃ – ভাত, চাল, রুটি, ওটস, মসুর ডাল, মুগ ডাল, ছোলা, আলু, কলা, কমলা, মাল্টা, আপেল, মুড়ি, পপকর্ন, ডাবের পানি, চিনি,মধু, রাজমা।
**প্রোটিনঃ – মাছ, মুরগী, ডিম, দুধ, টক দই, পনির, সয়া নাগেট, মসূর ডাল, মূগ ডাল, ছোলা, বাদাম।
***ফ্যাটঃ – ঘি, বাটার, অলিভ তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল, চিনা বাদাম, কাঠ বাদাম, পনির।

বি.দ্রঃ ডায়েট অনেক ধর্যের একটা ব্যপার। আপনাকে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমাতে অনেক ধর্য্য ধরে ডায়েট করতে হবে। আবার ডায়েটে আপনার শরীরের চাহিদার থেকে কম খাবার খেতে হয়। আর এইজন্য লো-কার্ব অথবা হাই-কার্ব এ যেভাবে বলা আছে ঠিক সেই অনুপাতে খাবারে সঠিক প্রোটিন (যেমন পর্যাপ্ত ডিম, মাছ) রাখতে হবে এবং প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে। দিনে (৩-৪) লিটার অথবা আপনার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বেশী। অন্যথায় কম খাবার খাওয়ার ফলে শরীরে দূর্বলতা আসতে পারে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

বি.এম.আই (BMI) ও বি.এম.আর (BMR)

◽তৃতীয় অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

⏩ বি.এম.আই কী?

শরীরের ওজন কে উচ্চতার বর্গ দিয়ে ভাগ করে বডি ম্যাস ইনডেক্স (বিএমআই) হিসাব করা হয়। এটা আমাদের শরীর ঠিক আছে নাকি বোঝার জন্য খুব ভালো প্রক্রিয়া। কারন এর দ্বারা বোঝা যায় যে আপনার উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন ঠিক আছে কি নাই এবং আপনার স্বাভাবিক ওজনের পাল্লা কত সেইটাও বিএমআই এর মাধ্যমে জানা যায়।

⏩ বি.এম.আর কি?

বেসাল মেটাবোলিক রেট বা বিএমআর দ্বারা আপনার শরীর সম্পূর্ণ বিশ্রাম অবস্থায় দৈনিক প্রয়োজনীয় ক্যালরির চাহিদা কত সেটি জানা যায়।

Categories
Life Hacks

সুস্থ্য জীবনের জন্য ১০ টি টিপস

◽দ্বিতীয় অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

১.  আপনি মোটা বা চিকন যেমনি হন না কেন প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷ শরীর সুস্থ থাকলে ছুটির দিনেও হাঁটার অভ্যাস টি বাদ দিবেন না।

২. সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন এবং সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে প্লানিং করুন।

৩. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাবেন।

৪. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। 

৫. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয় করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয় করুন।

৬. রাত ১০ টার মধ্যেই ঘুমানোর আর ফজরের নামাজের সময় ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। দেখা গেছে পৃথিবীর বেশীরভাগ স্বাস্থ্যবান, রোগমুক্ত ও সফল মানুষ এই রুটিনেই ঘুমান এবং ঘুম থেকে ওঠেন।

৭. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন। আজকে আপনি অনেক মোটা বা চিকন। কিন্তু আপনি চেষ্টা করলে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওজনের ও স্বাস্থ্যের লক্ষ্যে অবশ্যই পৌছাতে পারবেন। তাই ধৈর্য্য হারাবেন না। সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা রাখুন।

৮. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন। মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ হোক তা বদলাবেই।

৯. সব সময় চেষ্টা করুন যাতে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কোন কাজে আপনার কোনো রকম অলসতা না করে। মোটা মানুষের মোটা হওয়ার অনেকটাই কারণ তারা অলস।

১০. প্রতিদিন একই সময়ে সেই সময়ের খাদ্য গ্রহন করুন। যেমন সকালের খাবার ৮ টায় খেলে প্রতিদিন ৮ টাতেই খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। একদিনের ডায়েটের খাবারকে ৪/৫ ভাগে ভেঙে প্রয়োজন মত গ্যাপ রেখে খাবার তালিকা বানান। তাহলে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগবেনা।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

লো-কার্ব ডায়েট কি? কেন করে?

◽প্রথম অংশ :

◽ডায়েট তথ্য ও নির্দেশনা :

ডায়েট রাজ্যে লো-কার্ব খুবই জনপ্রিয় ও কার্যকরী একটি পদ্ধতি ।

⏩ লো-কার্ব ডায়েট কিঃ 

এই ডায়েটে কার্ব (কার্বহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার) খুবই সীমিত থাকে। অন্যদিকে প্রোটিন, ফ্যাট ও শাকসবজিতে প্রাধান্য অনেক বেশী থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে লো-কার্ব ডায়েট স্বাস্থ্যসম্মত এবং ওজন কমাতে খুবই কার্যকরী।অন্যান্য ডায়েটের তুলনায় লো-কার্ব দুই থেকে তিন গুণ বেশি কার্যকরী।এর তেমন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।যে কোন সুস্থ মানুষ লো-কার্ব করতে পারবে। এমনকি অনেক ঝুঁকি পূর্ণ রোগের থাকলেও লো-কার্ব ডায়েট করা যায়। যেমনঃ পিসিওএস, থাইরয়েড, ডায়াবেটস এর রোগীরা এই ডায়েট করতে পারেন।

⏩ লো-কার্ব যেভাবে কাজ করেঃ

প্রধানত দুই ভাবে এই ডায়েট করে ওজন কমে।

১. আমাদের শরীরে ইনসুলিন নামক একটি হরমোন আছে  যার কাজ হচ্ছে শরীরে রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা । কার্ব কম খাওয়ার কারণে ইনসুলিন মাত্রা কমে যায়। ফলে কিডনি শরীরের অতিরিক্ত সোডিয়াম স্খলন করে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২. আমাদের শরীর গ্লাইকোজেন আকারে কার্ব জমিয়ে শরীরের  মাসল ও লিভারের পানি বেধে রাখে। লো-কার্ব ডায়েট যখন আমরা কার্ব কম খাই তখন গ্লাইকোজেন কমে যায় তাই পানিও কমে যায় এবং ওয়াটার ওয়েট হ্রাস পায়।

এই ডায়েটে খেতে হবেঃ মাছ, মাংস, ডিম, শাক সবজি,  বাদাম, ফল,হাই-ফ্যাট দুগ্ধজাতীয় খাবার যেমন চীজ,বাটার। অলিভ ওয়েল,ঘি,কোকনাট ওয়েল।

যেগুলো খাওয়া যাবেনাঃ চিনি, হাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্সড ফুড, প্রোসেসড ফুডস (যেমন সফট-ড্রিঙ্কস বা কোমল পানীয়)।

টোটাল ফ্যাট % যেন মিল প্ল্যানের ৪৫-৫০% থেকে বেশি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

▫ম্যাক্রো রেশিও বা পুষ্টির অনুপাতঃ

কার্বঃ 25% 
প্রোটিনঃ 25%
ফ্যাটঃ 50%

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

বিভিন্ন জব এক্সাম ও গুরুত্বপূর্ণ অক্ষর

◽গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরের পূর্ণরূপ :

১। J.S.C – এর পূর্নরূপ — Junior School Certificate.

২। J.D.C – এর পূর্নরূপ — Junior Dakhil Certificate.

৩। S.S.C – এর পূর্নরূপ — Secondary School Certificate.

৪। H.S.C – এর পূর্নরূপ — Higher Secondary Certificate.

৫। A.M – এর পূর্নরূপ — Ante meridiam.

৬। P.M – এর পূর্নরূপ — Post meridiam.

৭। B. A – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Arts.

৮। B.B.S – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Business Studies.

৯। B.S.S – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Social Science.

১০। B.B.A – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Business Administration

১১। M.B.A – এর পূর্নরূপ — এর পূর্নরূপ — Masters of Business Administration. আউটসাইড নলেজ

১২। B.C.S – এর পূর্নরূপ — Bangladesh Civil Service.

১৩। M.A. – এর পূর্নরূপ — Master of Arts. Outside Knowledge

১৪। B.Sc. – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Science.

১৫। M.Sc. – এর পূর্নরূপ — Master of Science.

১৬। B.Sc. Ag. – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Science in Agriculture . আউটসাইড নলেজ

১৭। M.Sc.Ag.- এর পূর্নরূপ — Master of Science in Agriculture.

১৮। M.B.B.S. – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Medicine and Bachelor of Surgery.

১৯। M.D. – এর পূর্নরূপ — Doctor of Medicine./ Managing director.

২০। M.S. – এর পূর্নরূপ — Master of Surgery.

২১। Ph.D./ D.Phil. – এর পূর্নরূপ — Doctor of Philosophy (Arts & Science)

২২। D.Litt./Lit. – এর পূর্নরূপ — Doctor of Literature/ Doctor of Letters. আউটসাইড নলেজ

২৩। D.Sc. – এর পূর্নরূপ — Doctor of Science.

২৪। B.com – এর পূর্নরূপ — Bachelor of Commerce.

২৫। M.com. – এর পূর্নরূপ — Master of Commerce.

২৬। B.ed – এর পূর্নরূপ — Bachelor of education.

২৭। Dr. – এর পূর্নরূপ — Doctor.

২৮। Mr. – এর পূর্নরূপ — Mister.

২৯। Mrs. – এর পূর্নরূপ — Mistress.

৩০। Miss – এর পূর্নরূপ — used before unmarried girls.

৩১। M.P. – এর পূর্নরূপ — Member of Parliament.

৩২। M.L.A. – এর পূর্নরূপ — Member of Legislative Assembly.

৩৩। M.L.C – এর পূর্নরূপ — Member of Legislative Council.

৩৪। P.M. – এর পূর্নরূপ — Prime Minister. Outside Knowledge

৩৫। V.P – এর পূর্নরূপ — Vice President./ Vice Principal.

৩৬। V.C- এর পূর্নরূপ — Vice Chancellor.

৩৭। D.C- এর পূর্নরূপ — District Commissioner/ Deputy Commissioner.

৩৮। S.P- এর পূর্নরূপ — Police Super.

৩৯। S.I – এর পূর্নরূপ — Sub Inspector Police

৪০। GPA – এর পূর্নরূপ কি? – Grade Point Average

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

সেন্স ও কান্ডজ্ঞান

◽সেন্স :

মূলত, সেন্স মানে বোঝার ক্ষমতা। বিষয়ের মধ্যে যেসব উপাদান-উপকরণ বা বৈশিষ্ট্য থাকে সেসবের মধ্যে কার্য-কারণ সূত্র আবিষ্কার ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটা পূর্ণ ধারণা তৈরি করার ক্ষমতা।
ক্ষেত্রবিশেষে সেন্স মানে অনুভব বা উপলব্ধি। অনুভব বা উপলব্ধি করার ক্ষমতা অবচেতন মনে প্রায় নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকতে পারে আবার তা সক্রিয় হয়ে সচেতন মনে হাজির হতে পারে।

◽কাণ্ডজ্ঞান :

কাণ্ডজ্ঞান মানে কাণ্ড সংক্রান্ত জ্ঞান। কাণ্ড মানে ঘটনা। তাহলে ঘটনা সংক্রান্ত জ্ঞান। কাণ্ডজ্ঞান শব্দটা যদি যথার্থে ব্যবহৃত হয় তাহলে তা মূলত ওই কমন সেন্সের মতই।
কাণ্ডজ্ঞান বা কমন সেন্স যথার্থে উচ্চারণ করলেই স্মরণীয়: একটি ঘটনা বা বিষয় আছেই এবং সেখানে একটি তুলনাও আছে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

সহজ ভাষায় কমন সেন্স

◽কমন সেন্স :

আপনি যখন ইংরেজি এই শব্দযুগল ব্যবহার করেন তখন আসলে কী বোঝান? আপনি চিন্তা করতে লেগে গেছেন।
অমুকের কমন সেন্স নেই, তমুকের কমন সেন্স ভাল—এসব কথা আপনারা প্রায়ই বলাবলি করেন। এবার দেখুন ত ‘কমন’ বলতে ঠিক কী বোঝান? 
একটা ধারণা আপনার চেতনায় কাজ করছে, তাই না? সেখানে কী দেখতে পাচ্ছেন? নিচে দেখুন :

যে অর্থে কমন সেন্স শব্দযুগল ব্যবহৃত হয় সে অর্থে কমন মানে হল কমপক্ষে দুটি ক্ষেত্রে বা সব ক্ষেত্রে থাকা। কী থাকে? বৈশিষ্ট্য থাকে। ধরুন পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন পড়ার বিষয়টা। টিচার যেসব প্রশ্ন সাজেস্ট করেছেন তাদের মধ্যে যেগুলো পরীক্ষায় পাচ্ছেন সেগুলোকেই বলছেন কমন পড়েছে, তাই না? তাহলে কী দাঁড়াচ্ছে? দুটি ক্ষেত্রে থাকলে তবেই বলা হচ্ছে কমন আছে বা কমন পড়েছে।
সুতরাং কমন বৈশিষ্ট্য উপলব্ধি করার ক্ষমতাই হল কমন সেন্স।
আপনি যখন বলেন, এটা ত খুব কমন বিষয়, তখনও কিন্তু ওই বিষয়টির বৈশিষ্ট্যগুলোই আপনার চেতনায় সক্রিয় হয়।

আপনি জানেন, একটি বিষয়ের কমপক্ষে একটি বৈশিষ্ট্য থাকে। একাধিক থাকতে পারে। দু ধরনের দুটি বিষয়ের কমপক্ষে দুটি বৈশিষ্ট্য থাকে। ততোধিক থাকতে পারে। অনুরূপ, তিন বা তারচেয়ে বেশি ধরনের বিষয়ের কমপক্ষে তিনটি বা তারচেয়ে বেশি বৈশিষ্ট্য থাকে। আবার একই ধরনের একাধিক বিষয়ের মাত্র একটাই বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে।

▫ধরুন, একটি বিষয় হল গরু। গরুর কয়েকটা বৈশিষ্ট্য :
গরু একটি প্রাণী। এর চারটি পা আছে। ঘাস ও কিছু খাদ্যশস্য খায়।

▫আরেকটি বিষয় ধরুন বাঘ। বাঘের কয়েকটা বৈশিষ্ট্য :
বাঘ একটি প্রাণী। এর চারটি পা আছে। এরা শুধু মাংস খায়।

▫আবার ধরুন পাখি। পাখির কয়েকটা বৈশিষ্ট্য :
পাখি একটি প্রাণী। দুটি পা ও দুটি পাখা আছে। এরা ফলমূল, শস্যদানা, পোকামাকড়, মাছ প্রভৃতি খায়।

▫মানুষের কয়েকটা বৈশিষ্ট্য : মানুষ একটি প্রাণী। দুটি পা, দুটি হাত ও বুদ্ধি আছে। প্রায় সব খায়।
এবার দেখুন, কোনো একটি বৈশিষ্ট্য দুই বা সব ধরনের বিষয়ের মধ্যে থাকতে পারে। দুই বা সব ধরনের বিষয়ের মধ্যে থাকা বৈশিষ্ট্যই হল কমন বৈশিষ্ট্য। উপরের চারটি বিষয়ের মধ্যেই কোন বৈশিষ্ট্যটি দেখছেন?
ওরা সবাই প্রাণী। সবার প্রাণ আছে।
কমন বৈশিষ্ট্য এক বা একাধিক হতে পারে। উপরে গরু ও বাঘের দুটি কমন বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে। ১. উভয়ই প্রাণী, ২. উভয়েরই চারটি করে পা আছে।

চারটি বিষয়ের চারটি কমন বৈশিষ্ট্য দেখুন:
বাস, ট্রেন, প্লেন, জাহাজ।
১. মানুষ ও মাল বহন করে।
২. জীবাশ্ম জ্বালানি চালিত।
৩. মূল কাঠামো লোহার তৈরি।
৪. বিকট শব্দ করে চলে।

এবার এদের আন-কমন বৈশিষ্ট্যগুলো দেখুন।

▫বাস : লোহা ও রবারের চাকা আছে। রাস্তায় চলে।
▫ট্রেন : লোহার চাকা আছে। লোহার স্লিপারের ওপর দিয়ে চলে।
▫প্লেন : লোহা ও রবারের চাকা এবং পাখা আছে। আকাশে ওড়ে।
▫জাহাজ : প্রপেলার আছে। পানিতে চলে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

পোকামাকড় দূর করার উপায় সমূহ

◽পোকামাকড় দূর করা :

⏩ পর্ব -১ :

একেতাে প্রচন্ড গরম তার ওপর ঘরের ভেতর পােকামাকড়ের উপদ্রবে এক বিরক্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয় । মাঝে মাঝে এই উপদ্রব কষ্টের কারণ হয়েও দাঁড়ায় । বিশেষ করে এই সময় ঘরে তেলাপােকার আনাগােনা বেড়ে যায় আশঙ্কাজনক হারে । তাই জেনে নিন কীভাবে ঘরকে রাখবেন পােকামাকড় মুক্ত ।

▫নিমপাতা প্রকৃতির এক আশ্চর্য দান । এই পাতায় আছে পােকামাকড় দূর করার অনন্য ক্ষমতা । ঘরের কোণায় , আলমারিতে , তােশকের নিচে শুকনাে নিমপাতা দিয়ে রাখুন । ঘরে কোনাে পােকামাকড়ই আসবে না ।

▫একই কথা কালােজিরার বেলায়ও । কালােজিরাও পােকামাকড় দূর করার ক্ষমতা রাখে । ঘরের যেখানে পােকামাকড়ের উপদ্রব বেশি সেখানে কালােজিরা ছিটিয়ে রাখতে পারেন । পােকার উপদ্রব কমে যাবে । কিছুদিন পর পর কালােজিরা পাল্টে দিন ।

▫ ঘরে অনেক সময় লাইন দিয়ে পিঁপড়া চলাফেরা করা শুরু করে । এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে লেবুর রসের সাহায্য নিতে পারেন । পিঁপড়া লেবুর রস একদমই সহ্য করতে পারে না । তাই ঘরের যেখানে পিঁপড়ার উপদ্রব সেখানে লেবুর রস ছিটিয়ে দিন ।

▫তেলাপােকা তাড়াতে দারচিনি ও লবঙ্গের তুলনা নেই । ঘরের বিভিন্ন স্থানে দারচিনি ও লবঙ্গ ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়ে রাখুন । তেলাপােকা দৌড়ে পালাবে । এছাড়া ঘরের মধ্যেও থাকবে দারচিনি – লবঙ্গের সুঘ্রাণ

▫সব পদ্ধতি ব্যর্থ হলে ভিনেগারের প্রতি আস্থা রাখতে পারেন ৷ ঘরের মেঝে মােছার সময় পানিতে দুই টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে দিন । ঘর থেকে পিঁপড়া , আরশােলা , তেলাপােকা সব দূর হবে ।

⏩ পর্ব- ২ :

নানা কারণে ঘর বাড়িতে পােকামাকড়ের উপদ্রব হয় । আর একবার কোন পােকা ঘরে বসবাস শুরু করলে তা আর সহজে যেতে চায় না । বিশেষ করে মশা , তেলাপােকা , ছারপােকা ইত্যাদি । আর বেশীরভাগ বাড়িতেই তাে একেবারে ঘাঁটি গেড়ে বসে আ পরিমাণে ইঁদুর এবং টিকটিকি । কিছু উপায় ত মাধ্যমে খুব সহজে এবং ঘরােয়া উপায় এদের দূর করা সম্ভব । আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক এসব উপদ্রব থেকে রক্ষার কিছু উপায় ।

১. ইঁদুর :

ঘর বাড়ির খুব সাধারণ একটি সমস্যা হল ইঁদুর । এই ইদুর দূর করবে পেপারমেন্ট । ইঁদুর পেপারমেণ্টের গন্ধ সহ্য করতে পারে না । একটি তুলাের বলে পেপারমেন্ট অয়েল ডুবিয়ে নিন । এবার তুলাের বলটি ইদুরের বাসার কাছে রেখে দিন । পেপারমেণ্টের গন্ধ শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করে তাদের নিঃশ্বাস নেওয়া বন্ধ করে দিবে এবং তারা মারা যাবে ।

২. তেলাপােকা :

তেলাপােকা নেই এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া ভার ! রান্নার মশলা দিয়ে দূর করুন এই তেলাপােকা । কিভাবে ? গােলমরিচ গুঁড়া , পেঁয়াজ , রসূন এবং পানি দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন । পেষ্ট কিছুটা তরল করে তৈরি করবেন । এবার এটি স্প্রের বােতলে ভরে রাখুন । যেখানে তেলাপােকা দেখবেন সেখানে স্প্রে করুন । দেখবেন তেলাপােকা পালিয়ে গেছে । শুধু তেলাপােকা না অন্যান্য পােকা মাকড়ের হাত থেকে আপনার ঘরকে রক্ষা করবে ।

৩. মাছি :

মাছি তাড়ানাের অনেক উপায় আছে । কিন্তু সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হল তুলসী পাতা বারান্দায় বা জানলার কাছে একটি তুলসী গাছ রাখুন । দেখবেন মাছি আপনার বাসায় আসছে না । এছাড়া বিভিন্ন
এ্যাসেন্সিয়াল অয়েল যেমন ল্যাভেন্ডার এবং
ইউক্যালিপ্টাস অয়েল মাছি তাড়াতে অনেক বেশি
কার্যকর ।

৪. টিকটিকি :

ঘরের আরেকটি উপদ্রব হল টিকটিকি । এই টিকটিকি হাত থেকে বাঁচার জন্য ঘরে কোণে বিশেষ করে ভেন্টিলেটরের কাছে ডিমের খালি খােসা ঝুলিয়ে রাখুন । ডিমের গন্ধ টিকটিকিকে দূরে রাখবে । তবে সেদ্ধ নয় , অবশ্যই কাঁচা ডিমের খােসা ঝােলাবেন । এছাড়াও ঘরে ময়ূরের পালক রাখতে পারেন । টিকটিকি ঘরের ত্রিসীমানায় ঘেঁষবে না ।

৫. ছারপােকা :

ছারপােকা দূর করতে পেঁয়াজের রস অনেক বেশি কার্যকরী । একটি স্প্রে বােতলে পেঁয়াজের রস ভরে নিন । তারপর এটি স্প্রে করে দিন বিছানা , সােফার চারপাশে যেখানে ছারপােকা রয়েছে ।

৬. মশা :

মশা তাড়ানাের জন্য কত রকমের স্প্রে ব্যবহার করা হয় । কিন্তু মশা তাড়ানাের সবচেয়ে সহজ আর কার্যকরী উপায় হল নিমের তেলের ব্যবহার । প্রতিদিন শরীরে নিমের তেল ব্যবহার করুন । এটি আপনাকে মশা দূরে রাখবে এবং তার সাথে সাথে ত্বকও সুস্থ ও ভালাে রাখবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

পড়াশুনার পরিবেশ তৈরি করার কিছু উপায়

◽পড়াশুনার পরিবেশ :

১. পড়ার টেবিলটাকে রাখুন দেয়ালমুখো। ছবি, শো-পিস ইত্যাদি সবরকম জিনিস যা মনোযোগ বিক্ষিপ্ত করতে পারে সেগুলোকে চোখের সামনে থেকে সরিয়ে রাখুন।

২. চেষ্টা করুন একই জায়গায় সবসময় পড়ার জন্যে। আর পড়ার টেবিলটাকে অন্য আর কোনো কাজে ব্যবহার করবেন না। একইভাবে বিছানায় শুয়ে বা বসে পড়ার অভ্যাস করবেন না।

৩. মোবাইল বন্ধ করে রাখুন। সাইলেন্স বা ভাইব্রেশনে রাখলে একবারে পড়া শেষ করে মোবাইল খুলুন।

৪. টিভি’র সামনে বসবেন না। একবারে শব্দহীন পরিবেশ যদি অস্বস্তিকর হয়, তাহলে দ্রুতলয়ের কোনো মিউজিক খুব কম ভলিউমে দিয়ে রাখতে পারেন। তবে সেটাও ডিস্টার্বিং মনে হলে বন্ধ করে দিন।

৫. পড়ার জায়গায় পর্যাপ্ত আলো যেন থাকে। আলো পড়ার মনোযোগ বাড়ায়।

৬. পড়ার কাজে যে জিনিসগুলো লাগবে তার সবগুলোই নিয়ে বসুন। যাতে বারবার উঠতে গিয়ে মনোযোগ বিক্ষিপ্ত করতে না হয়।

৭. বন্ধু রুমমেট বা বাসার কেউ আপনার মনোযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে কিনা খেয়াল করুন। তাকে এড়াবার জন্যে কৌশল অবলম্বন করুন।

৮. পড়ার জন্যে লাইব্রেরি, সেমিনার রুম, রিডিং হল ইত্যাদি যেখানে আরো অনেকেই পড়ছে এবং পুরো পরিবেশটাই পড়ার জন্যে অনুকূল সেগুলোকে বেছে নিতে পারেন। আপনি মনোযোগী হতে পারবেন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

মুখে দুর্গন্ধ জনিত সমস্যা দূরীকরণের উপায়

◽মুখে দুর্গন্ধ জনিত সমস্যা :

মুখের দুর্গন্ধ কি আপনাকে লজ্জায় ফেলে দেয়? কারও কাছাকাছি যাওয়ার আগে এর জন্য হীনমন্যতায় ভোগেন। কিছু বদঅভ্যাস বা শারীরিক কিছু গোলমালের জন্য মুখে দুর্গন্ধ হয়ে থাকে। জেনে নিন মুখের দুর্গন্ধ দূর করার কিছু ঘরোয়া টোটকা।

১। মৌরি-

মুখশুদ্ধি হিসেবে খুব ভাল কাজ করে মৌরি। খাওয়ার পর এক চামচ মৌরি রাখুন মুখে। এতে মুখে দুর্গন্ধও হবে না, হজমও ভাল হবে। যদি আপনার মুখে বাজে গন্ধ হওয়ার প্রবণতা থাকে তবে এক কাপ গরম জলে এক চামচ মৌরি দিয়ে পাঁচ-১০ মিনিট রেখে এই জল দিনে দু’বার খান।

২। দারচিনি-

দারচিনির মধ্যে সিনামিক অ্যালডিহাইড থাকে। এই এসেনশিয়াল অয়েল মুখের ব্যাকটেরিয়া কমিয়ে বাজে গন্ধ রুখতে সাহায্য করে। এক কাপ জলের মধ্যে এক চামচ দারচিনি গুঁড়ো ফুটিয় সেই জল দিনে দু’বার মুখে ধুয়ে নিন। এই জলে তেজপাতাও মেশাতে পারেন।

৩। মেথি-

মুখের যে কোনও ইনফেকশন সারাতে অব্যর্থ মেথি। এক কাপ জলে এক চা চামচ মেথি দিয়ে ফুটিয়ে ছেঁতে নিয়ে এই চা দিনে এক বার খেলে মুখের গন্ধ দূর হবে।

৪। লবঙ্গ-

মুখের মধ্য কয়েকটা লবঙ্গ ফেলে রাখুন। চিবোতে থাকলে লবঙ্গের রস মুখের দুর্গন্ধ দূর করবে। এক কাপ জলে এক চা চামচ লবঙ্গ দিয়ে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। দিনে দু’বার এই লবঙ্গ চা খান।

৫। পার্সলে-

ক্লোরোফিল নিশ্বাসের দুর্গন্ধ রুখতে পারে। একটা-দুটো পার্সলে পাতা চিবিয়ে খান। ভিনিগারে ডুবিয়ে রেখেও পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। এই পাতার রস করে খেলেও দুর্গন্ধ কমবে, হজমও ভাল হবে।

৬। লেবুর রস-

এক কাপ জলে এক টেবিল চামচ লেবুর রস, নুন মিশিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। মুখ শুকিয়ে যাবে না, দুর্গন্ধও দূর হবে।

৭। অ্যাপল সিডার ভিনিগার-

খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস জলে এক টেবিল চামচ ভিনিগার মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেয়ে নিন। এতে হজম ভাল হবে, দুর্গন্ধও কাটবে। এই জল দিয়ে গার্গলও করুন।

৮। বেকিং সোডা-

এক গ্লাসে গরম জলে আধ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ভাল করে কুলকুচি করে মুখ ধুয়ে নিন। বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত মাজলেও উপকার পাবেন।

৯। টি ট্রি অয়েল-

টি ট্রি অয়েল যুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজুন। দাঁত মাজার সময় যে কোনও টুথপেস্টের সঙ্গে টি ট্রি অয়েল, পেপারমিন্ট অয়েল বা লেমন অয়েল মিশিয়ে নিলেও উপকার পাবেন।

১০। চা-

খুব ভাল অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের কাজ করে চা। দুধ ছাড়া চা বা হার্বাল টি খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

চিরতার নানা ধরনের গুনাগুন পরিচিতি

◽চিরতার পরিচিতি :

চিরতা বীরু জাতীয় গাছ । এর স্বাদ তেতাে । নানা ধরনের রােগ প্রতিরােধে চিরতা কার্যকর ।

▫উপকারিতা :

চিরতা বর্ষজীবি উদ্ভিদ । গাছটির গড় উচ্চতা প্রায় দেড় মিটার । প্রাচীনকাল থেকে চিরতা ভারতবর্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে । চিরকালের তিতা গাছ বলে হয়তাে বাংলায় এর নাম । দেয়া হয়েছে চিরতা ।

▫ ডায়রিয়া ও লিভারের বিভিন্ন রােগ প্রতিরােধে চিরতার পানি ব্যবহৃত হয়।আজকাল অনেকেই লিভারের সমস্যায় ভােগেন এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে চিরতার জল উপকারি।চিরতা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে । চিরতার জল লিভারকে পরিষ্কার রাখে । এছাড়া লিভারের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ফ্যাটি লিভার ও আরও অন্যান্য সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে ।

▫ ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে ৫ থেকে ১০ গ্রাম চিরতা চার কাপ পানিতে সিদ্ধ করে দুই কাপ করুন । এরপর ওই পানি ঘেঁকে সকালে অর্ধেক এবং বিকেলে অর্ধেক করে খেতে দিন । জ্বর ভালাে হয়ে যাবে ।

▫ অ্যালার্জিতে শরীর ফুলে উঠলে চিরতার পানি খেলে উপকার পাবেন । রাতে পাঁচ গ্রাম চিরতা ২৫০ মিলিলিটার গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে ওই পানি দু – তিনবারে খান ; অ্যালার্জি কমবে । গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে বমিভাব হলে এক গ্রাম চিরতা গুঁড়া করে চিনির পানিতে মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়ে যাবে । এ ছাড়া ঘন ঘন বা জ্বরের কারণে বারবার বমি হয়ে পেটে কিছুই থাকে না । সে ক্ষেত্রে দুই কাপ গরম পানিতে পাঁচ গ্রাম চিরতা একটু ঘেঁতাে করে ভিজিয়ে রাখুন । দু – তিন ঘণ্টা পর হেঁকে পানিটা অল্প অল্প করে খান ; সমস্যা থাকবে না ।

▫হাঁপানির প্রকোপ বেশি হলে আধা গ্রাম চিরতা গুঁড়া তিন ঘণ্টা পর পর মধু মিশিয়ে দুই থেকে তিনবার অল্প অল্প করে চেটে খান ; হাঁপানির প্রকোপ কমবে । চিরতা অ্যালার্জির সমস্যা – অনেকেরই মারাত্মক অ্যালার্জির সমস্যা থাকে । অ্যালার্জির জন্য শরীর ফুলে যায় , চোখ ফুলে যায় ও আরও সমস্যা হয় । চিরতা এক্ষেত্রে উপকারি । রােজ সকালে চিরতার জল খান উপকার পাবেন । এছাড়াও ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও নিয়ন্ত্রণ করে চিরতার জল । হৃদরােগের ঝুঁকি কমায় – চিরতার মধ্যে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে । এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার ও হৃদরােগে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায় ।

▫কৃমির উপদ্রব হলে ৫০০ মিলিগ্রাম চিরতা অল্প মধু মিশিয়ে খান কৃমি কমবে । এ ছাড়া কৃমির কারণে যদি পেটে ব্যথা হয় , তাও সেরে যাবে ।

▫ যেকোনাে ধরনের চুলকানিতে 30 গ্রাম চিরতা অল্প পানি দিয়ে গরম করে হেঁকে অল্প অল্প করে নিয়ে চুলকানিতে ঘষে ঘষে লাগান । তিন দিনের মধ্যে চুলকানি কমে যাবে ।

▫ চুল পড়ে যাওয়ায় তিন গ্রাম চিরতা এক কাপ গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সেই পানি ঘেঁকে মাথা ধুয়ে ফেলুন । চুল পড়ে যাওয়া কমবে । তবে এক দিন পর পর চার দিন চুল ধুতে হবে । এ ছাড়া ২৫ গ্রাম চিরতা ফুল ২০০ গ্রাম নারিকেল তেলে ভেজে ওই তেল মাথায় ব্যবহার করুন । খুশকি বা স্কাল্পে কোপনাে সমস্যা থাকলে সেরে যাবে ।

▫ চিরতা ডায়াবেটিস রােগীদের জন্য বেশ উপকারি- চিরতা ডায়াবেটিস রােগীদের জন্য বেশ উপকারি । কারণ চিরতা রক্তে চিনির পরিমাণ কমায় । ব্লাডে সুগার লেবেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখে । এছাড়াও চিরতার জল রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম কবে ।

▫ জ্বরে – জ্বরের ক্ষেত্রেও চিরতা উপকারি । জ্বরের ফলে শরীরে এনার্জি না লাগা , জ্বর ভাব এগুলি দূর করতে চিরতা উপকারি ।

▫তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে – রক্তকে পরিষ্কার করে । রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।ফলে তারুণ্য ধরে রাখে ।

▫ শরীরের রােগ – প্রতিরােধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তােলে ।

▫পচা ঘা সারে – এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই জল ঘেঁকে পচা ঘা ধুয়ে দিলে ২-৪ দিনের মধ্যে ঘায়ের পচানি চলে যাবে ও দ্রুত শুকাবে ।

▫হৃদরােগে – চিরতার মধ্যে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে । এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার ও হৃদরােগে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায় ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে মস্তিষ্কের ৫ ব্যায়াম

◽মস্তিষ্কের ৫ ব্যায়াম :

স্মৃতিশক্তির জন্যই মানুষ হিসেবে আমাদের পরিচয়। স্মৃতি ক্ষমতা আমাদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য এবং জীবনীশক্তির উপর নির্ভর করে। অনেক সময় দুর্বল স্মৃতিশক্তির জন্য আমরা নানা সমস্যায় পড়ে যাই। ছোটোখাটো জিনিস কোথায় রেখেছি তা হুট করেই ভুলে যাই কিংবা মাত্র ৫ মিনিট আগের বলা কথার স্মৃতিও হারিয়ে যায় মস্তিষ্ক থেকে। তবে এই দুর্বল স্মৃতিশক্তি থেকে মুক্তির উপায় আছে। মস্তিষ্কের কিছু ব্যায়াম বাড়িয়ে দেবে আপনার স্মৃতিশক্তি।

১. পাজল বা ওয়ার্ড গেম ধরণের খেলা খেলুন

২. নিজে নিজে কথা বলুন

৩. বই পড়া

৪. মেলোথেরাপি

৫. নতুন ভাষা শেখা

◽পাজল বা ওয়ার্ড গেম ধরণের খেলা খেলুন

গবেষণায় দেখা যায় যাদের নিয়মিত পাজল সমাধান, স্ক্রাবল, সুডোকো মেলানোর অভ্যাস রয়েছে তাদের মস্তিষ্ক অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। এছাড়াও তাদের স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা জনিত সমস্যাও হয় না। তাই সময় পেলেই এইধরনের খেলা খেলে নিন।

যখন আপনি অবসর সময় কাটাবেন, ব্রেইনকে কাজে না লাগানোর ফলে আপনি সহজেই যে কোনো কিছু ভুলে যাবেন। গেম খেলা আপনার মস্তিষ্কের ব্যায়ামের জন্য অনেক কার্যকরী হতে পারে। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য অনেক ব্রেইন প্রশিক্ষণের গেম রয়েছে। তাই বুদ্ধি বাড়াতে খেলুন এই ব্রেইন গেমসগুলো যা আপনার মস্তিষ্কের কার্যকরিতা বাড়াতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

◽নিজে নিজে কথা বলুন

নিজে নিজে কথা বলা বা আপনমনে কথা বলার কাজটি পাগলামি মনে হলেও এটি অনেক বেশি কার্যকরী। গবেষণায় দেখা যায়, যারা আপনমনে কথা বলেন তাদের স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা অন্যান্যদের বেশ কম। এমনকি নিজেকেই নিজে গল্প শোনানোর বিষয়টি স্মৃতিভ্রষ্টের সমস্যা দূর করে।

◽বই পড়া

বই পড়া হচ্ছে মস্তিষ্কের সবচাইতে ভালো ব্যায়াম। যেধরণের বইই হোক না কেন বই পড়ার বিষয়টি মস্তিষ্কের নার্ভ সচল রাখতে সহায়তা করে। এমনকি খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন যাই হোক না কেন অবসর সময়ে তা পড়ে নিলে মস্তিষ্কের বেশ ভালো ব্যায়াম হয়। এতে করে স্মৃতিশক্তিও উন্নত হয়।

◽মেলোথেরাপি

মিউসিক থেরাপিকে সাধারণত মেলোথেরাপি বলা হয়। এই মেলোথেরাপির মাধ্যমে একদিকে মনোযোগ নির্দিষ্ট হওয়ার ক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় দেখে গেছে, ক্লাসিক ধরণের গান মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বাড়ায় শিশু কিশোরদের মধ্যে। এছাড়া এটি স্মৃতিশক্তি দুর্বলতাও কমিয়ে দেয় একেবারেই।

◽নতুন ভাষা শেখা

নতুন একটি ভাষা শেখা এবং লেখার মাধ্যমে নিজের আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়ে তেমনই কমে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা। নতুন একটি ভাষা শেখা, বোঝা এবং প্রয়োগ করার মাধ্যমে মস্তিষ্কের কর্মদক্ষতা বাড়ে যা স্মৃতিশক্তিকে দুর্বল হতে বাঁধা দেয়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

হলুদের নানা ধরনের উপকারিতা

◽হলুদের উপকারিতা :

বাংলাদেশীয় খাবারে যেসব মশলার উপকরণ ব্যবহার করা হয় , হলুদ তার মধ্যে একটি । রান্নার উপকরণের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভালাে রাখতেও হলুদের জুড়ি নেই ।

১. মুখে জ্বালা – পােড়া করলে গরম পানির মধ্যে হলুদের পাউডার মিশিয়ে কুলকুচি করলে জ্বালা – পােড়া কমে যায় ।

২. শরীররে কোনাে অংশ পুড়ে গলে পানির মধ্যে হলুদরে পাউডার মিশিয়ে লাগালে উপকার পাওয়া যায়

৩. আয়ূরবেদিক এর মতে হলুদ নাকি রক্ত শুদ্ধ করে , তাই হলুদের পেস্ট লাগালে চর্ম রােগ দূর হয় ।

৪. হলুদ চেহারার সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে , হলুদের সঙ্গে চন্দন মিশিয়ে মুখে লাগালে ত্বক উজ্জ্বল হয় ।

৫. গা ব্যথা হলে দুধের মধ্যে হলুদ মিশিয়ে খেলে ব্যথা উপশম হয় । শরীরের কোন জয়েন্টে ব্যথা হলে হলুদের পেস্ট তৈরি করে প্রলেপ দিলে উপকার পাওয়া যায়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Life Hacks

SQ3R পড়ার কৌশল সমূহ আলোচনা

◽SQ3R পড়ার কৌশল :

⏩ S= survey। পড়তে বসার আগে যা পড়বেন তাতে কোয়ান্টা রিডিং পদ্ধতিতে দ্রুত একবার চোখ বুলানোই সার্ভে। এক্ষেত্রে যে অধ্যায়টি পড়বেন তার শিরোনাম, উপশিরোনাম, ছবি, ক্যাপশন, গ্রাফ, ডায়াগ্রামগুলোতে চোখ বুলান। সার্ভের মধ্য দিয়ে আপনি বুঝতে পারবেন কী পড়তে যাচ্ছেন।

⏩ Q=Question। চ্যাপ্টারের শিরোনামগুলোকে প্রশ্নে রূপান্তরিত করুন। কী, কে, কেন, কীভাবে, কখন, অথবা তুলনা কর, পার্থক্য কর, বর্ণনা কর, তালিকা কর ইত্যাদি পরিভাষায় এই প্রশ্ন করা যেতে পারে। যেমন, বইয়ের শিরোনাম হলো উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসান। প্রশ্নে রূপান্তরিত করলে এটি হবে, উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন অবসানের প্রেক্ষাপট বর্ণনা কর। প্রশ্ন করার ফলে আপনি সচেতন হয়ে উঠবেন যে কী পড়তে যাচ্ছেন আপনি। আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর পাবার জন্যে এবার পড়া শুরু করুন। যেমন, অধ্যায়ের নাম- আমাদের শরীরের কথা, উপশিরোনাম রক্ত এবং SQ3R প্রশ্ন হলো, রক্ত কী? রক্তের উপাদানগুলো কি কি? এদের কাজ কী? বইয়ে এই প্রশ্নটির উত্তর হিসেবে দেয়া আছে নিচের প্যারাগ্রাফটি : রক্ত না থাকলে মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব হতো না। সে চেষ্টা হতো তেল ছাড়া গাড়ি চালানোর মতো। রক্তের কাজ হচ্ছে শরীরের সর্বত্র প্রয়োজনীয় বস্তু সরবরাহ করা। সেই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় বস্তু বের করে দেয়া। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে ৫ লিটারের মতো রক্ত থাকে।

▫দু’রকম কণিকা রক্তে থাকে:

⏩ R= Read লোহিত কণিকা ও শ্বেত কণিকা। বেশিরভাগ লোহিত কণিকা তৈরি হয় হাড়ের মজ্জায়। শ্বেতকণিকার ভূমিকা হচ্ছে শরীরকে রক্ষা করা। তারা জীবাণুদের সঙ্গে লড়াই করে আর এন্টিবডি নামে রাসায়নিক বস্তু সৃষ্টি করে যার কাজ হচ্ছে আততায়ী জীবাণু ধ্বংস করা। রক্তে প্রতি ঘন মিলিমিটারে ৪০ থেকে ৬০ লক্ষ লোহিতকণিকা থাকে। এরাই প্রয়োজনীয় অক্সিজেন আর কার্বন ডাই অক্সাইডের ব্যবস্থা করে।

⏩ R= Recite যা পড়েছেন সেগুলোকে জোরে জোরে আওড়ানোই রিসাইট। পড়া নিজেকে শোনান। ঠিকমতো কি হচ্ছে? না হলে আবার পড়ুন। এতে মনে রাখা সহজ হবে।

⏩ R= Revise এতক্ষণ যা পড়লেন তা বার বার ঝালাই করাই হলো রিভাইস। নিয়মিত বিরতিতে এই রিভিশন দিতে হবে।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil