Categories
Movies

ব্রেকিং!!

অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড অস্কার ২০২১-এর জন্যে ইন্ডিয়া থেকে সিলেক্ট হয়েছে লিজো জোস-এর মাস্টারপিস মালায়ালাম সিনেমা ‘Jallikattu’!

বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ক্যাটাগরিতে একমাত্র ইন্ডিয়ান সিনেমা হিসেবে লড়বে এটি 🔥💥

Categories
Movies

নিউজ আপডেট

দিন-The Day এর অ্যাকশন সিকোয়েন্স এর শুটিংয়ে অনন্ত জলিল।

শেষ লটের শুটিং চলছে বর্তমানে তুরকীতে।

Categories
Movies

Irina

🔰Drama:Irina
🔰Director:Vicky Zahed
🔰Cast : Mehazabien Chowdhury,Afran Nisho, Sallha khanam Nadia and others

⚠️হালকা স্পয়লার⚠️

🔰চরিত্র:

আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরী বরাবরের মতই ছোট পর্দায় জনপ্রিয়। তাদের নাটক মানেই অন্যরকম কিছু এবং এই নাটকে ও কিন্তু তারা তাদের নিজেদের অবস্থান ভালোই বজায় রেখেছেন। নাটকে মেহজাবিন চৌধুরী ও আফরান নিশো এন্যরকম একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন যার কারণে নাটকটি আপনার মনে ভালোলাগার জায়গা তৈরি করে নিতে পারে।

🔰কি লাভ হবে?

Thriller পাগলদের জন্য এটি একটি‌ ভাল package বলে আমি মনে করি। কেননা একটি মুভি দেখতে আপনার প্রায় ২ থেকে ২.৫ ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয়! সেক্ষেত্রে আপনি ৩৯ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে সেই feel পাবেন। আর মূল বিষয় বাংলাদেশে এমন একটি Thriller short film তৈরি করা সম্ভব? একথায় আমারচিন্তার বাইরে ছিল।

🔰কাহিনী সংক্ষেপে:

হয়ত সৃষ্টিকর্তা স্বার্থপর মানুষ কে শিক্ষা দেওয়ার জন্য ইরিনাকে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছন।
কারণ মানুষের স্বার্থপরতা আজ হিংস্র পশুর চেয়ে‌ ও চরমে পৌঁছেছে। নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য মানুষ অপরের ক্ষতি এমনকি অপরের মৃত্যু কামনা করতেও পিছুপা হয় না। মানুষ ভুলেই গিয়েছে যে, সে সংঘবদ্ধ জীব, সে অন্যের খারাপ চিন্তা করলে সেটার প্রতিক্রিয়া কোনো না কোনো ভাবে নিজের উপরে এসে পড়বে।

বি:দ্র:যার কথা না বললেই নয় নাটকটির পরিচালক *ভিকি জাহেদ* এটি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে চাইলে ৪০ মিনিট এর মধ্যে ও এমন অসাধারণ Thriller drama তৈরি করা যায়। যার ফলে তিনি ছোট পর্দায় পরিচালক হিসেবে ভাল একটি জায়গা তৈরি করে নিবেন আমি মনে করি।

⚜️৩ দিন এর মধ্যে নাটকটি ১.১মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে। আমার‌ মতে ২০২০ সালের সেরা ৫ এর তালিকায় থাকবে ইরিনা।

YouTube link:

Categories
Movies

দামাল 💥

:: #দামাল ! a film by Raihan Rafi !!

Categories
Movies

আপডেট ভিডিও মুভিকথা 💥

Categories
Movies

Ludo “Breathe” আর “Ludo” দেখার পর অভিষেক বচ্চনকে নিয়ে আবার নতুন করে একটা হাইপ উঠেছে দেখে ভাবলাম এই মানুষটাকে একটু নিজের মনের ভাব শেয়ার করি :)

অভিষেক কে নিয়ে বর্তমান বাজারে সবচে প্রচলিত এবং মুখস্ত অপিনিয়ন হচ্ছে “অভিষেক ওর বাবা অমিতাভ বচ্চন এর সাথে কম্পেয়ারড হওয়া বা ওর বাবার লিগ্যাসী ছুঁয়ার এক্সপেক্টেশনের চাপে শেষ হয়ে গেছে।”… এই থিওরিটা সত্যিকার অর্থে কবে এবং কিভাবে জন্ম হইল আমি জানিনা, কিন্তু আমার কাছে কেন যেন এই থিওরিটা একেবারেই ভিত্তিহীন আর আজিব মনে হয়! :3

আমার হিন্দি সিনেমা দেখে বেড়ে উঠার সময়টা হচ্ছে আর্লি ২০০০ এর ঐ “ক্ল্যাসিক” সময়টা। অভিষেক বচনেরও বলিউডে গ্রোথ পিরিয়ড ওইসময়ই এবং বিলিভ মি, এগেইন, বিলিভ মি… ওইসময় যদি কাউকে বলা হইত যে “অভিষেক আসলে তার বাপ অমিতাভ বচ্চনের স্টারডমের চাপ নিতে পারতেছে না…” সে আপনার মুখের উপর হো হো করে হাসত শিওর! :p অভিষেক কে যে আসলে ওর বাপের “লীগ্যাসী” ছুইতে বা টপকাইতে হবে- এই আশাটা বা এই থিওরিটা তৎকালীন কারো মাথাতেই আসে নাই! কারণ অমিতাভ বচ্চনের লীগ্যাসী শাহরুখ আমির রাই ছুঁয়ার সাহস করেনা, আর তো অভিষেক! কোত্থেকে এই “স্টারডমের চাপ” থিওরি আসল আমি জানিনা!

বরং আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করেন… আমার শৈশব কৈশোরে আমি অভিষেক বচ্চনকে বলিউডে একেবারেই তার নিজের আলাদা একটা “ব্র্যান্ড” গড়ে তুলতে ও প্রতিষ্ঠা করতে দেখেছি! একদম নিজস্ব স্বকীয়তা, নিজের স্টাইল… তার বাপ অমিতাভ তো দূরে থাক, এমনকি তিন খান বা কনটেম্পোরারি কুমার রোশনদের চেয়েও অভিষেকের ফর্মুলা ছিল একদম আলাদা!! <3

তখন বলিউডে হিরো বলতে ছিল হয় "রোম্যান্টিক" নাহলে "একশন"! আমার মনে হয় অভিষেক বচ্চনই সেই ঘরানায় সর্বপ্রথম একটা নতুনত্ব এনেছিলেন! তিনি বিভিন্ন প্রকার এক্সপেরিমেন্টিং রোলে অভিনয় করতেন! তার সিনেমায় রোমান্স বা একশন থাকলেও তা হত প্রচলিত বলিউডি ফর্মুলার বাইরে! তখন আরো একটা চল ছিল যে রোমান্স করুক বা মারপিট- হিরো মানে হচ্ছে ক্লিনশেভ চকলেট বয়… অভিষেক সেই ধারাতেও এনেছিলেন পরিবর্তন! নতুনত্ব! "SWAG" শব্দটা বলি না আমরা? "পৌরুষ" বলি না?? অভিষেকই কনটেম্পোরারি নায়কদের মধ্যে প্রথম দেখিয়েছিলেন পৌরুষদীপ্ত ঘন দাঁড়ি, ভরাট কণ্ঠস্বর, সানগ্লাস আর স্টাইলিশ ড্রেস পরে "Swag" দেখানো কাকে বলে! ম্যানলিনেস, হ্যান্ডসামনেস কাকে বলে!
ইভেন এখনো যদি আপনি অভিষেকের পুরনো গান গুলো ইউটিউবে দেখেন, ৭-৮ বছর আগের কমেন্ট গুলো দেখবেন, তখন অভিষেককেই বলা হইত "Swag" আর "Manliness" এর এপিটোম! এটা কি একদম স্বতন্ত্র একটা ব্র্যান্ড ইমেজ নয়? তা কিন্তু অভিষেক নিজের যোগ্যতায় ক্রিয়েট করেছিলেন! তার বাবার যোগ্যতায় নয়! 🙂

এবং তার এই নিজস্ব ব্র্যান্ড আর ভিন্নধারার মুভি দিয়েই ২০০৪-২০০৯ অভিষেক বচ্চন বলিউডে আলাদা একটা ক্রেইজ তৈরি করতে সফল ছিলেন! তার ধারাবাহিকতা ছিল ঈর্ষণীয়! ২০০৪ এ একে একে আসে "Run", "Yuva", আর অভিষেক তথা ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইতিহাসেই ল্যান্ডমার্ক একশন মুভি "Dhoom"! তিন মুভিতে তিন রকম রোলেই অভিষেক ক্রিটিক্যালি কমার্শিয়ালি সুপারহিট! Rakth মুভির সেই "One love" গানে অভিষেকের ঐ স্টাইল কোন ৯০'জ কিড ভুলতে পারবে? Yuva তো মণি রত্নমের মাস্টারপীস যেইখানে চারচাঁদ লাগিয়েছিল অভিষেক আর রাণীর কেমিস্ট্রি! আর Dhoom তো Dhoom! শুধু খাকি পোশাক না বরং জ্যাকেট পরে বাইক নিয়ে স্টাইল মেরেও পুলিশ সাজা যায়… জন এব্রাহাম এর পাশে অভিষেক এর সেই অভিনব চরিত্রটা কি কম আলো কেড়েছিল? এখন এসে অনেক কিছুই বলা যায়… তখন হিসাব অন্য ছিল 🙂

২০০৫… অভিষেক এর সাফল্যের ঝুলি আরও পরিপূর্ণ! বান্টি অউর বাবলি সুপারহিট, "সরকার" তার বাপের মুভি হইলেও সেখানে আলো কাড়েন এরপর আসে মুভি "DUS"! "Dus Bahane Karke Le Gaye Dil"… এই গানটার যে ওইসময় উপমহাদেশের প্রতিটা পাড়ায় মহল্লায় কি ক্রেজ ছিল সেইটা এখনকার জেনারেশন যারা টাইগার শ্রফের রিমেকটা দেখছে তারা কোনদিন বুঝতেও পারবে না ভাই! :p বছর শেষ করেন Bluffmaster দিয়ে যেটা আমার মনে হয় বলিউড ইতিহাসের অন্যতম আন্ডাররেটেড সিনেম্যাটিক ব্রিলিয়ান্স গুলার মধ্যে একটা!!! মুভিটার ডায়লগস, টুইস্টস, অভিষেক নানা পাটেকর বোমান ইরানির অভিনয় আর শেষে ঐ "Right here right now" গানে অভিষেক এর Swaaag! 🔥🔥
২০০৬ এ "ধুম টু" তে লিগ্যাসী কন্টিনিউ করা, "কাভি আলভিদা না কেহনা" তে শাহরুখের পাশে নিজের দ্যুতি ছড়ান, ০৭ এ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবসাসফল ছবি "গুরু"তে ইন্ডিয়া কাঁপিয়ে দেওয়া, ০৮ এ দোস্তানাতে একদম নিজের খোলস ভেঙ্গে সমকামী চরিত্রে অভিনয় করা, "রাবণ" এ দুর্দান্ত নেগেটিভ রোল… "দিল্লী ৬" এর রোশান হিসাবে সমালোচকদের মন জিতে নেওয়া! ❤️ ০৯ এ "পা" তে নিজের বাবার "বাবা" সাজা… অভিষেক প্রতিটা মুভিতে নতুন কিছু দিতে চেয়েছেন এবং পেরেছেন ও!

******

অনেকের মনে এতক্ষনে অবশ্যই প্রশ্ন জাগছে "আচ্ছা এত সাফল্য বলছেন আপনি, তাও অভিষেকের নাম কেন বলিউডের এলিট লেভেলটায় উচ্চারণ হয়না? কেন এতবছর পর নতুন জেনারেশনের কাছে তিনি ব্যর্থ নায়ক?" উত্তরে আবারো বলি, এর কারণ "ও অমিতাভের ছেলে" তা কোনমতেই মনে হয়না আমার! :3 অভিষেক এর ব্যর্থতার পেছনে দুটি মূল কারণ আমার যা মনে হয়-

১/ অভিষেক এর "সোলো হিট" খুবই কম! উপমহাদেশের দর্শকরা আজীবন সোলো হিরো দের জয়জয়কার করেছে! এতদিনে এসেও ইন জেনারেল মানসিকতা খুব একটা চেঞ্জ হইছে বলে মনে হয়না! সেই জায়গায় অভিষেক একক নায়ক হিসেবে হিট দিয়েছেন অনেক কম! হ্যাঁ গুরু ব্লকবাস্টার, বান্টি অউর বাবলি সুপারহিট, রান হিট… কিন্তু আর?? এরপর? নাই! গোরুখোঁজা দিতে হবে! প্রায় ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে মাত্র ৩টা মেমরেবল একক হিট দিতে পারা নায়ক উপমহাদেশে কদর পাবেন না বলাই বাহুল্য!

২/ ২০১০-২০১৮ এই ৯ বছর একের পর এক আবর্জনা মার্কা সিনেমা সাইন করা! বোল বাচান, হ্যাপি নিউ ইয়ার হাউজফুল ৩ এ অহেতুক সস্তা ভাঁড়ামি যা তার ক্যারিয়ারের ১ম স্পেলের ঐ Swag ওয়ালা Manly ইমেজের অভিষেক এর সাথে একেবারেই বেমানান এমনকি এখনকার জেনারেশন যে চোখ কপালে তুলে যে "অভিষেক ও Manly ছিল কখনো?" তার এইটাই কারণ! এবং বিগত ৯ বছরে লেলফা ফাতরা সিনেমা চয়েজ করে করে নিজের নাম নিজেই ডুবানোর ডিসক্রেডিট অভিষেক কেই নিতে হবে এটা নিঃসন্দেহে! -_-

********

আমার শৈশব কৈশোরের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতাতে এই ছিল অভিষেক বচ্চন! যে অভিষেক বচ্চন হারিয়ে যেতে বসেছিল… যাকে নিয়ে খোলাখুলি উচ্ছ্বাস কারো সাথে কথা বলা যাইত না! এতদিন পর Breathe: Into the Shadows দিয়ে অভিষেক বলিউড কে একটা জোরালো ধাক্কা দিয়েছেন! এরপর পর ই এলো "লুডো" যা নিয়ে কিছু বলাই বাহুল্য… এই দুটাও Solo Hit নয়, কিন্তু উপমহাদেশের দর্শক এখন মাল্টিস্টারার মুভিতেও ইন্ডিভিজুয়ালি ক্যারেক্টারদের এক্টিং কে দাম দিতে শিখেছে বলে এখন অভিষেক বচ্চন এর জয়জয়কার আবারো নতুন করে শুরু হয়েছে! মানুষ বুঝতে পেরেছে যে সে কি মাপের একজন অভিনেতা! এই মাপের অভিনেতার আসলে তার বাবার লিগ্যাসী ছুঁতে হয় না… এই মাপের অভিনেতা রা নিজেদের ব্র্যান্ড তৈরি করেন! অনেক তারকার পাশে নিজেরা জ্বলজ্বল করতে পারেন! <3

Categories
Movies

Tom and Jerry official Trailer

Categories
Movies

NEWS UPDATE ( TheAdamProject)

ZoeSaldana and JenniferGarner have joined RyanReynolds in Netflix’s time travel adventure movie, TheAdamProject.

This marks the 2nd collaboration between Reynolds and FreeGuy director ShawnLevy.

Categories
Movies

ক্যানশেল হয়ে গেলো #Netflix এর #THEORDER

#THEORDER has been canceled by #Netflix after 2 seasons.

Categories
Movies

চলে গেলেন ফেলুদা 😔

©® প্রথমআলো

চলে গেলেন সত্যজিৎ রায়ের ‘অপু’, অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

আজ ভারতীয় সময় ১২টা ১৫ মিনিটে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে অভিনেতা, আবৃত্তিকার, কবি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। ১২টা ১৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হয়। শেষ হাসপাতালের ৪১ দিনের যুদ্ধ। হাসপাতাল সূত্র বলছে, কোভিড এনসেফ্যালোপ্যাথির কারণেই সব রকম চিকিত্‍সার উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।

প্রথমত তিনি ছিলেন অভিনেতা। কবিতাচর্চা, রবীন্দ্রপাঠ, সম্পাদনা, নাট্যসংগঠন তাঁর বিপুল বৈচিত্র্যের একেকটি দিক। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সবকিছু নিয়েই অনন্য। তিনি এমনই এক শিল্পী, যাঁর মূল্যায়ন নিয়ে কোনো পণ্ডিতি-তর্ক তোলার অবকাশ রাখে না। বলা হতো সময়ের ধুলা তাঁর আভিজাত্যের সৌন্দর্য স্পর্শ করতে পারে না। সেই সৌমিত্রর সময় আজ চিরতরে থেমে গেল, ৮৬-তে এসে থামলেন তিনি। চলে গেলেন সত্যজিৎ রায়ের ‘অপু’, অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

আজ ভারতীয় সময় ১২টা ১৫ মিনিটে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে অভিনেতা, আবৃত্তিকার, কবি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। ১২টা ১৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হয়। শেষ হাসপাতালের ৪১ দিনের যুদ্ধ। হাসপাতাল সূত্র বলছে, কোভিড এনসেফ্যালোপ্যাথির কারণেই সব রকম চিকিত্‍সার উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।

গত ১ অক্টোবর থেকে বাড়িতে থাকাকালীন তাঁর শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না। প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন। তবে করোনার কোনো উপসর্গ পাওয়া যায়নি। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৫ অক্টোবর তাঁর কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট আসে। ৬ অক্টোবর তাঁকে ভর্তি করানো হয় বেলভিউ নার্সিং হোমে। এখানে সর্বশেষ ১৪ অক্টোবর তাঁর করোনার নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। এরপরই সৌমিত্র সুস্থ হতে থাকেন। চিকিৎসা চলছিল

২৪ অক্টোবর রাত থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার মূলত অবনতি হতে থাকে। এরপর ধীরে ধীরে তিনি চেতনাহীন হয়ে পড়েন। তাঁকে সুস্থ করার জন্য গত বৃহস্পতিবার প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয়। এর আগে বুধবার কিডনির ডায়ালাইসিস করা হয়। শুক্রবার বিকেলে তাঁর হৃদস্পন্দন হঠাৎ করে বেড়ে যায়, রাতে চেতনা স্তর ৫-এ নেমে যায়। সৌমিত্রর চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ১৬ সদস্যের চিকিৎসা দলের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ফুসফুসে আরও বেশি করে অক্সিজেন পৌঁছানোর জন্য গতকাল বাড়ানো হয়েছিল অক্সিজেনের মাত্রা। এ সময় তাঁর চিকিৎসা দলের প্রধান ক্রিটিক্যাল বিশেষজ্ঞ অরিন্দম কর জানিয়েছিলেন, এই চেতনা স্তর ৩-এ নেমে গেলে চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্রেন ডেথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁকে বিভিন্ন ধরনের লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। অরিন্দম করের ভাষায়, ‘মনে হচ্ছে, তাঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য আমাদের ৪১ দিনের লড়াই যথেষ্ট নয়। আপাতত আমাদের নতুন কিছু বলার নেই। তিনি যাতে ভালো হয়ে ওঠেন, সবাইকে সেই প্রার্থনা করতে হবে।’ চিকিৎসকেরা প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছিলেন অরিন্দম কর। অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকে।

আজ রোববার তাঁকে দেওয়া হয়েছিল শতভাগ ভেন্টিলেশন সাপোর্ট। রক্তচাপ, হার্টবিট, হার্ট রেট স্বাভাবিক করার জন্য যা যা ওষুধ দরকার, সব দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুতেই চিকিৎসায় তিনি সাড়া দেননি। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়, তিনি বিদায় নেন প্রকৃতির নিয়মে।

১৯৩৫-এর ১৯ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় জন্ম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বাবা ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী। জীবনের প্রথম ১০টা বছর সৌমিত্র কাটিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরে। তাঁর দাদার নাটকের দল ছিল। বাড়িতে নাট্যচর্চার পরিবেশ ছিল। ছোটবেলা থেকেই নাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি। কলকাতার সিটি কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে সৌমিত্র ভর্তি হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করেন। কলেজের ফাইনাল ইয়ারে হঠাৎ একদিন মঞ্চে শিশির ভাদুড়ীর নাটক দেখার সুযোগ হয় তাঁর। সেদিনই জীবনের মোড় ঘুরে যায় তাঁর। তিনি পুরোদস্তুর নাটকে মনোনিবেশ করেন।

শিশির ভাদুড়ীকে গুরু মানতেন সৌমিত্র। নিজেই বলেছেন, অদ্ভুত এক বন্ধুত্ব ছিল তাঁদের। সব রকম আলোচনা হতো দুজনের। বাংলা সিনেমাজগতের আরেক কিংবদন্তি ছবি বিশ্বাসের সঙ্গে সৌমিত্রকে পরিচয় করিয়ে দেন সত্যজিৎ নিজেই। সিনেমার জগতে হাতেখড়ি হয় সৌমিত্রর সে সময়। ‘অপুর সংসার’-এ অপু হন তিনি। প্রথম ছবিতেই আলোচনায় এসেছিলেন। জানা যায়, সে ছবির শুটিংয়ে প্রথম দিনের ফার্স্ট শটেই সিন ওকে। ছবিতে ‘খাওয়ার পর একটা করে, কথা দিয়েছ’, তাঁর আর শর্মিলা ঠাকুরের সেই সংলাপ, রসায়ন এখনো বাঙালি মননে অমলিন। পরে একে একে ‘ক্ষুধিত পাষাণ’, ‘দেবী’, ‘ঝিন্দের বন্দী’, ‘চারুলতা’, ‘কিনু গোয়ালার গলি’সহ বহু ছবি করেছেন তিনি। সত্যজিতের প্রায় ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন সৌমিত্র। সত্যজিতের সৃষ্টি ‘ফেলুদা’কে বড় পর্দায় জীবন্ত করেছিলেন তিনিই। ফেলুদা পরে বহুবার হয়েছে ছোট ও বড় পর্দায়। কিন্তু যেকোনো বাঙালি একবাক্যে স্বীকার করবেন যে সৌমিত্রর মতো ফেলুদা আর কেউ নন।

সৌমিত্রর উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘অশনিসংকেত’, ‘সোনার কেল্লা’, ‘দেবদাস’, ‘নৌকাডুবি’, ‘গণদেবতা’, ‘হীরক রাজার দেশে’, ‘আতঙ্ক’, ‘গণশত্রু’, ‘সাত পাকে বাঁধা’, ‘ক্ষুধিত পাষাণ’, ‘তিন কন্যা’, ‘আগুন’, ‘শাস্তি’, ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’প্রভৃতি।

অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন সৌমিত্র। ২০০৪ সালে তাঁকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় পুরস্কার, দাদাসাহেব ফালকেসহ অনেক পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি আবৃত্তি, রবীন্দ্রপাঠ, সম্পাদনা, নাট্যসংগঠন করেছেন তিনি। ১৯৬০ সালে সৌমিত্র বিয়ে করেন দীপা চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ে পৌলমী চট্টোপাধ্যায় সংস্কৃতি চর্চা করেন।

Categories
Movies

Movie Daruchini Dip (2007) Country : Bangladesh Genre : Comedy | Drama | Romance Director : Taukir Ahmed IMDb : 7.8/10

❎ No spoilers …

” মন চায় মন চায়
যেখানে চোখ যায়
সেখানে যাব হারিয়ে ” .. 😍

মনে আছে গান টা ? নিশ্চয়ই মনে আছে । আগে কোন টুরে গেলে এই গান ছাড়া যেন টুরই জমতো না । যেমনি সুন্দর গানের কথা , তেমনি সুন্দর ভোকাল । হ্যা , ঠিক ধরেছেন , দারুচিনি দ্বীপ মুভির অসাধারণ গানটির কথাই বলছি । এই গানটার মতোই মুভিটাও এক কথায় অসাধারণ । নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি মুভি এটি।যেমন ইউনিক গল্প , তেমনি অসাধারণ অভিনয়। তবে গল্পটা ঠিক যেন চেনা একটা গল্প , আমাদের আশেপাশের ই গল্প যেন বড় পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন নির্মাতা তৌকির আহমেদ । মুভি দেখতে দেখতে কখনো হাসবেন , কখনো খুব রাগ হবে , কখনো খুব করে ভালোবাসতে ইচ্ছে করবে , তো কখনো চোখ ভিজে আসবে । এক কথায় হৃদয় ছোঁয়া ।

শুভ্র (রিয়াজ) আর তার বন্ধুরা ঠিক করে তারা একসাথে দূরে কোথাও ঘুরতে যাবে । একেক জন একেক জায়গার কথা বলে । সব শেষে ঠিক হয় তারা দারুচিনি দ্বীপ মানে সেইন্ট মার্টিন যাবে । তারা মোটামুটি খরচ থেকে শুরু করে যাওয়ার সব পরিকল্পনা করে ফেলে , এমনকি টুরের থিম সং ও ঠিক হয়ে যায় । তো এর পরেই একে একে ঝামেলার শুরু । কোন বন্ধুর টাকার সমস্যা , তো কারো ফ্যামিলি একা ছাড়বে না , তো কারো বিয়ে ঠিক হয়ে আছে । সব মিলিয়ে অনিশ্চিত এক টুর । শেষ পর্যন্ত কি তারা যেতে পেরেছিল স্বপ্নের দারুচিনি দ্বীপে ? জানতে হলে দেখতেই হবে অসাধারণ মুভিটি ।

অভিনয়ের কথায় আসলে বলতে হয় , সবাই অসাধারণ অভিনয় করেছে । এই মুভিতে রয়েছে এক ঝাঁক তারকার উপস্থিতি । লাক্স তারকা থেকে শুরু করে কে নেই । রিয়াজ , ইমন , মোশাররফ করিম , চ্যালেঞ্জার , মম , বিন্দু সবাই আছে মুভিতে । সব মিলিয়ে জমজমাট এক মুভি । তৌকির আহমেদ ডিরেক্টর হিসেবে মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন । সব মিলিয়ে ২ ঘন্টা ১০ মিনিটের উপভোগ্য এক মুভি ।

💢 হ্যাপি ওয়াচিং ♥️

সবশেষে আজ ১৩ ই নভেম্বর । নন্দিত কথাসাহিত্যিক , নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন । জন্মদিনে তার প্রতি রইলো শুভেচ্ছা ও প্রার্থনা । ♥️

Categories
Movies

লুডো

মুভি – লুডো,
পারফরমেন্স রিভিউ।

রেটিং- ৮:৮/১০।

ধরুন, একটা মানুষ খারাপ কাজ করলো। আপনি কি নিশ্চিত, সে তার শাস্তি এই পৃথিবীতে পাবে? কিংবা যারা কষ্ট পায়, তারা কি খারাপ মানুষ?
আর যারা ভাল থাকে, তারা কি তাদের ভাল কাজের পুরস্কার হিসেবেই এই ফল ভোগ করে?
কোনো একটা কাজ আপনার চোখে খারাপ হতে পারে, কিন্তু সেটা অন্য কারো জন্য ভাল হতে পারে। তবে এত কিছুর পরেও যেটা সত্য তা হলো মৃত্যু।
লুডু খেলায় যেমন কাটা খেয়ে, ছক্কা তুলে, গুটি নিজের ঘরে চলে যায়, তেমনি জীবনে মানুষকে কষ্ট পেয়ে কিংবা সুখ লাভ করে, মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে হয়। তবে পরিচালক অনুরাগ বসু তার নতুন মুভি “লুডো” তে আমাদের দেখিয়ে দিলেন, ভালবাসার অনেক রং আছে।

অনুরাগের এই নতুন মুভিতে ভাল অভিনেতার ছড়াছড়ি – পংকজ ত্রিপাঠী, রাজকুমার রাও, অভিষেক বচ্চন, আদিত্য রয় কাপুর, সানিয়া মালহোত্রা, ফাতিমা সানা শেখ, রোহান সারাফ সহ অনেকেই।
তবে আমার কাছে সেরা ছিলেন “মিনি” চরিত্রে অভিনয় করা ইনায়েত ভারমা নামের মেয়েটি। “মেরি তুম হো” গানে অভিষেকের সাথে মেয়েটির পারফরমেন্স দেখেই ছবির ব্যাপারে আগ্রহ বেড়ে যায়। এরপর পরিচালক মেয়েটির মুখে এমন সব সংলাপ দিয়ে দিয়েছেন, ইনায়েত কে ভাল না বেসে পারা যায় না। এই মুভির গান, সিনেমাটোগ্রাফি, গল্পের পাশাপাশি সারপ্রাইজ ছিল ইনায়েত।

তার মা, বাবা তার ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে গিয়ে বর্তমান কে গুরুত্ব দেয় না। তাই অভিমানে মেয়েটি বাড়ি ছাড়ে। আর অভিষেকের সাথে দেখা হবার এমন সব কান্ড করে, আপনি হাসবেন, কাঁদবেন আবার তাকে ভালবাসবেন।

Categories
Movies

আত্মহত্যা!

আবার একটা মর্মান্তিক আত্মহত্যা বলিউডে। জনপ্রিয় অভিনেতা আসিফ বাসরার মৃত্যু হল ধর্মশালার বাড়িতে।

Categories
Movies

𝙂𝙖𝙢𝙚 𝙤𝙛 𝙏𝙝𝙧𝙤𝙣𝙚𝙨(2011-2019) 𝙄𝙈𝘿𝙗:9.3

গেম অফ থ্রোন্স দেখা শেষ করলাম অনেকদিন হয়ে গেছে।এই সিরিজটা একদম নেশার মতো হয়ে গেছিলো।মনে হয় ২০-২২ দিনের মধ্যেই পুরা সিরিজ মানে ৮ টা সিজন টোটাল ৭৩ টা এপিসোড শেষ করেছি।আগে ব্রেকিং ব্যাড আমার দেখা সেরা সিরিজ ছিল।কিন্তু এখন আনডাউটেডলি গেম অফ থ্রোন্স।

#স্পয়লার_আছে#
এই সিরিজটা একদম একটা কমপ্লিট প্যাকেজ।প্রেম-ভালোবাসা,ঘৃণা,ক্ষোভ,ক্ষমতা,হিংসা-বিদ্বেস সব কিছুর সমষ্টি হচ্ছে GOT। এতো বড় সিরিজ তাই এর কাহিনি আসলে বলে বুজানো যাবে না।তাও হাল্কা বলি।”Winter is coming”দিয়ে শুরু হয় সিরিজটি।পুরো কাহিনি শুরু হয় একটি মহাদেশকে কেন্দ্র করে যার নাম ওয়েস্টেরস। এখানে সাতটি রাজবংশ বসবাস করে যাদের নাম টারগেরিয়ান,ব্যারাথিওন,স্টার্ক,ল্যানিনস্টার,গ্রেজয়,মার্টেল,টাইরেল। এই সাতটি গোত্রের মধ্যে প্রথম চারটিকেই বেশি দেখা যায়।

কিংস ল্যান্ডিং নামক এক যায়গা থাকে আর সেখানে থাকে আয়রন থ্রোন, যা কিনা সিংহাসন। যে এই সিংহাসনে বসবে সেই হবে পুরো সাম্রাজ্যের অর্থাৎ সেভেন কিংডম এর রাজা। মূলত এই আয়রন থ্রোনকে কেন্দ্র করে সব যুদ্ধ শুরু হয় ।

ওয়েস্টেরসের উত্তর দিকে আছে এক বিশাল ওয়াল যেটাকে পাহারা দেয়ার জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট সৈন্য, এদেরকে বলা হয় নাইট ওয়াচ। তারা কখনো বিয়ে করেন না আর তাদের উদ্দেশ্য শুধু একটাই এই ওয়ালটিকে রক্ষা করা।

বিশাল এর ওয়ালটির উত্তরের দিকে জঙ্গলে বাস করে এক বিশেষ ধরনের আদিবাসী যাদের এক অদ্ভুদ শক্তি থাকে , এরা সহজে মৃত্যুবরণ করেনা। এই আদিবাসীরা যাদেরই আক্রমণ করে তাদেরকেই নিজেদের মতো হোয়াইট ওয়াকার বানিয়ে ফেলে। এদের হাত থেকে ওয়েস্টেরসকে রক্ষা করার জন্য এই বিশাল ওয়াল বানানো হয়েছে।আর শীত আসলেই তারা উত্তর থেকে উঠে আসে।
এছাড়াও আছে ডেনেরিস টাইগেরিয়ান এর ৩ টা ড্রাগন।যাদের নাম রেগাল,ভিসেরিয়ন আর ড্রোগন।

এই সিরিজের শেষ সিজনটা নিয়ে প্রায় সবার ই অভিযোগ আছে।প্রায় সব মানুষ ই বলে গেম অফ থ্রোন্স এর এন্ডিং বাজে তবে আমি দেখার সময় সব কিছু ঠিক ই লাগছিল।যদিও আগের সিজন গুলার মতো লাগে নাই।কিন্তু শেষ দুই এপিসোড আমার কাছে ভালো লাগে নাই।আমি যেইরকম এন্ডিং এক্সপেক্ট করছিলাম।অইটা হয় নাই।আর এইখানেই ব্রেকিং ব্যাড অনেক আগাই আছে।ব্রেকিং ব্যাড এর এন্ডিং হচ্ছে একদম পারফেক্ট।যাই হোক ব্রেকিং ব্যাড অন্য একটা জনরা তাই অইটার সাথে এটারে না মিলানোই ভালো।

এই সিরিজের এক্টিং এর ব্যাপারে কিছু না বলাই ভালো।সবার এক্টিং ই বেস্ট ছিল।আলাদা করে কারো কথা বলতে গেলে এখন অনেকের কথা বলতে হবে।জন স্নো,আরিয়া স্টার্ক,সানসা স্টার্ক,ব্রাড স্টার্ক,টিরিয়ান ল্যানিস্টার,জেইমি ল্যানিস্টার,জোরাহ মরম্যান্ট,স্যামুয়েল টার্লি,স্যার ডাবোস,গ্রেগর ক্লিগেন,লর্ড ভ্যারিস,লর্ড বেইলিশ(শালা একটা মিচকে শয়তান ছিল যদিও ওর এক্টিং আমার ভালো লাগতো ইভেন ওরে পিকি ব্লাইন্ডারস এও আমার ভালো লেগেছিল কিন্তু হালায় মরাতে আমি প্রচুর খুশি হইছিলাম),ব্রোন,মারগেরি টাইরেল(ওর উপর আমি ক্রাশ খাইছিলাম,সিরিজ কিছুদূর যাবার পর সানসার উপর ও ক্রাশ খাইছিলাম),নেড স্টার্ক(মাত্র ১ সিজনে যে ইম্প্যাক্ট রেখে গেছে তা ভুলার মতো না),দেনেরিস টারগেরিয়াল (লিডিং ক্যারেক্টার দের একজন কিন্তু ওরে আমার ভালো লাগতো না)আরো অনেকে আছে সবার কথা আর বলতে পারছি না।কিন্তু আমার কাছে কেন জানি আরিয়া স্টার্ক,জন স্নো আর টিরিয়ান ল্যানিস্টার এর এক্টিং বেশি ভালো লাগতো।এর বিজিএম,ভিএফএক্স সবকিছুই সেরা ছিল।

এই সিরিজটা পুরাই টুইস্ট দিয়া ভরপুর।বিশেষ করে জন স্নো এর টুইস্ট টা একদম মাথা নষ্ট করা ছিল।
সবশেষে গেম অফ থ্রোন্স হচ্ছে একটা ভালোবাসার নাম।সেরা টিভি সিরিজ অফ অল টাইম।
ভালার মরগুলিস ☺️

Categories
Movies

শুভ জন্মদিন বিদ্যা সিনহা সাহা মিম

লাক্স তারকা বিদ্যা সিনহা সাহা মিম। একযুগ আগে সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তার মাথায় ওঠে লাক্স সুন্দরীর মুকুট। সেই সুবাদে সুযোগ হয় প্রয়াত কথাসাহিত্যিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ‘আমার আছে জল’ সিনেমাতে অভিনয়ের। সিনেমাতে অনবদ্য অভিনয়ের সুবাদে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। নজরকাড়া সৌন্দর্য আর অভিনয়-নৈপুণ্যে দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। সেই মিমের আজ জন্মদিন।

১৯৯২ সালের ১০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কিছুদিন আগে মুক্তি পায় তার ‘সাপলুডু’ সিনেমা। যাতে জুটি বেঁধেছিলেন আরিফিন শুভর সঙ্গে।

খালিদ মাহমুদ মিঠু পরিচালিত ‘জোনাকীর আলো’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ২০১৬ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে।এই সিনেমায় আমার বিপরীতে ছিলেন মামনুন হাসান ইমন।’

উল্লেখ্য, লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার খেতাব জেতার পর থেকে চলচ্চিত্র, নাটক, বিজ্ঞাপন সবখানেই প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন এই অভিনেত্রী।

মিম ‘জোনাকীর আলো’ সিনেমায় অভিনয় করে জিতেছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে আছে, আমার আছে জল, আমার প্রাণের প্রিয়া, জোনাকীর আলো, সুলতান, সুইট হার্ট, ব্ল্যাক, পদ্ম পাতার জল, পাষান, আমি নেতা হবো, সাপলুডু।

আগামীতে তাকে পরাণ ও ইওেফাক ছবিতে দেখা যাবে।