Categories
Movies

#movie kotha

#ডাউনলোড লিঙ্ক পর্ব [১]™
Geetha Govinda (2018)

ভাষা= হিন্দি

IMDb Ratting……. : 7.7/10
Facebook Rattling :4.9/5

অনেকের অনেক অনুরোধের পর অবশেষে নিয়ে এলাম। আজ থেকে শুরু হচ্ছে মুভি ডাউনলোড লিঙ্ক এর পর্ব। আপনাদের কমেন্ট এর দ্বারা আমরা পরের ছবিটি বাছাই করে নিয়ে নতুন নতুন পর্ব নিয়ে হাজির হবো।

#বি.দ্রঃলিঙ্ক এর কোন ধরনের সমস্যা হোলে অবশ্যই কমেন্ট এ জানিয়ে দিবেন।

#ডাউনলোড এর নিয়ম =‌ ব্যাবহার করুন UC browser ধন্যবাদ।

লিঙ্ক= https://bit.ly/2xBKBQX

লিখনিতে আপনাদের ছোট্ট সদস্য ®sabbir2.1

আর পাশেই থাকুন ভালোবাসা দিতে থাকুন। জি শুধু আমাকে নয়😊 আমাদের এই অসাধারণ (কথা এপস্) টিকে। যার দ্বরুন আজ আমরা একত্রিত ।

ভালোবাসা সবার জন্য।
ধন্যবাদ।

Categories
Movies

@Movie kotha

#Movie_Review

A Taxi Driver
#হালকা_স্পয়লার
.
কোরিয়ান মুভির নাম বললে আমরা প্রায়শই থ্রিলার (Revenge) মুভি সাজেস্ট করে থাকি। যেমন, Old boy, no mercy, forgotten..। অথবা, কোন একটা চরিত্র এবং নির্দিষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা গল্পের বেদনাদায়ক সমাপ্তির কথা বললে চলে আসে Miracle in cell no 07 মুভির নাম।
*A Taxi Driver* মুভিটি এক্ষেত্রে কোরিয়ান অন্য সব মুভির থেকে আলাদা। একটা ঐতিহাসিক সত্য ঘটনার প্লট থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণীয় চরিত্রের অনবদ্য মুভি হচ্ছে A Taxi Driver.
কোরিয়ার একটি শহরের নাম Gwangju। ১৯৮০ সালে কোরিয়ায় সামরিক আইন জারি করা হলে এই শহরের বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের নেতৃত্বে গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন শুরু হয়। তারিখটি ঠিক আজকের তারিখ ‘মে ১৮’। ছাত্র জনতা এক হয়ে ওই আন্দোলন যখন বড় হতে থাকে তখন একে প্রতিহত করার জন্য শহরটি লকডাউন করা হয়। কারফিউ জারি করা হয় এবং এক পর্যায়ে চলে নির্মম হত্যাযজ্ঞ। সামরিক বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে সাংবাদিকদের পক্ষে সম্ভব ছিল না সত্য নিউজ প্রচার করার। তখন জাপানে অবস্থানরত একজন জার্মান সাংবাদিক কোরিয়া আসেন এবং সিদ্ধান্ত নেন Gwangju শহরে যাওয়ার। এর জন্য উনার প্রাইভেট ট্যাক্সির প্রয়োজন হয়। সেই ট্যাক্সি এবং ট্যাক্সি ড্রাইভার কিভাবে উনাকে সেই শহরে নিয়ে যেতে হেল্প করে, কেন করে এবং মা হারা সন্তানের জন্য পিতৃত্ববোধকে সংযত করে সেই ট্যাক্সি ড্রাইভার কি পারে শত ঝুঁকি মোকেবেলা করে সেই জার্মান সাংবাদিককে সংবাদ সংগ্রহে করতে সহায়তা করতে? সে কি পারে মৃত্যুর ঝুঁকি এড়িয়ে আবার নিজ সন্তানের কাছে ফিরে আসতে? এর পুরো ক্লাইম্যাক্স উপভোগ করতে পারবেন পুরো মুভিতে।
এই মুভিতে আপনার উপলব্ধি হবে বিপ্লবী মনোভাব কি জিনিস আর এর জন্য মানুষ কেন জীবন পর্যন্ত দিয়ে দেয়! আরও উপলব্ধি হবে সাংবাদিকতা পেশা সম্পর্কে। পেশাটি কতটুকু মহান হতে পারে এবং এই পেশা পালন করা কতটুকু ঝুঁকিপূর্ণ! উপলব্ধি করবেন জীবিকার তাগিদ সম্পর্কে। এটা কি বিবেকবোধ আর দায়িত্ব ভুলিয়ে দিতে যথেষ্ট?
সত্য ঘটনা অবলম্বনে মুভিটি বানানো হলেও চরিত্রের প্রয়োজনে কিছু কিছু ব্যাপার ফিকশনাল রাখা হয়েছে।
মুভিটি একবার দেখার পর এটা নিয়ে আরও অনেক কিছু জানার ইচ্ছে হবে। গুগল করে জেনে নিতে পারবেন 😊।।

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

@Movie kotha

🚫🔺This post may contain spoiler 🔺🚫

🎬 সিনেমা – Ala Vaikunthapurramuloo
🌐 জানরা – Action, Drama
🕰 রিলিজ – ২০২০

তেলেগু সুপারস্টার আল্লু আর্জুনের বিগত নেশ কয়েকটি সিনেমা বক্স অফিসে আশানুরূপ সাফল্য পায়নি তার উপর তেলেগুর আরেক সুপারস্টার মাহেশ বাবুর সিনেমার সাথে ক্লাশ। সিনেমা মুক্তির আগেও আল্লুর সিনেমার চেয়ে মাহেশের সিনেমা নিয়ে হাইপ ছিলো বেশি এবং মাহেশের বিগত সিনেমাগুলোও বক্স অফিসে পেয়েছিলো দারুন সাফল্য। এরকম অনেক কঠিন সমীকরণকে সামনে রেখেই মুক্তি দেয়া হয় Ala Vaikunthapurramuloo সিনেমাটি

এই সিনেমার প্লট হচ্ছে একজন হিংসাপরায়ণ কর্মচারি একই সময়ে জন্ম নেয়া তার বন্ধুর সন্তানের সঙ্গে নিজের সন্তানকে অদল বদল করে ফেলা নিয়ে। আর এই সূত্র ধরেই গল্পের কাহিনী এগিয়ে যেতে থাকে। তেলেগু সিনেমার সেইসব মাসালা কমেডি, এ্যাকশন আর নাচ এগুলা সব ছিলো একদম পরিপূর্ণ। আর যেখানে স্টাইলিশ স্টার আল্লু আর্জুন আছে সেখানে স্টাইল থাকবে না তা আবার হয় নাকি! এই সিনেমাতে এ্যাকশনও ছিলো দারুন স্টাইল মেরে। বান্টু চরিত্রে আল্লু আর্জুন ছাড়াও নায়িকা হিসেবে ছিলেন তেলেগু সিনেমা আর বলি পাড়াতে সমান জনপ্রিয় নায়িকা পূজা। অন্যতম গুরুত্বপূর্ন রোলে ছিলেন তেলেগু নামকরা অভিনেতা মুরালি শর্মা এবং বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাবু।

সিনেমায় বান্টু চরিত্রে আল্লু ছিলেন সবসময়ের মতোই নিজের সেই নান্দনিক স্টাইল আর ছন্দে। তাছাড়া তাবু এবং মুরালি শর্মার অভিনয়ও ছিলো তাদের চরিত্রানুযায়ী একদম পারফেক্ট। অন্যান্য তেলেগু সিনেমার মতোই এই সিনেমাতেও নায়িকা খুব বেশি হাইলাইট হয়নি তবে পূজা নিজের যায়গা থেকে বেশ গ্লামারাস ও মিষ্টি ছিলেন পুরো সিনেমা ধরে।

বেশিরভাগ তেলেগু সিনেমার মতোই এই সিনেমায়ও এ্যাকশনে নায়ক একাই ১৫-২০ জনকে মেরে শুইয়ে দিচ্ছে এরকম এ্যাকশন আছে তাই এসব দিকে লজিক খুঁজলে চলবে না কারন মনে রাখতে হবে সিনেমাটা একটা তেলেগু কোর মাসালা এ্যাকশন ফিল্ম।

এই চলচ্চিত্র মুক্তির পর বক্স অফিসে দারুন রাজত্ব করে তেলেগু ইন্ডাস্ট্রিতে সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার দিক থেকে তৃতীয়তে। সামনে শুধুমাত্র বাহুবালি ১ এবং বাহুবালি ২ যেগুলো কিনা মুক্তি পেয়েছিলো প্যান ইন্ডিয়ান আকারে। ভক্তরা সকলেই চাচ্ছিলো আল্লু আর্জুন আবার বক্স অফিসে পারফর্ম করুক কিন্তু কেউ হয়তো ভাবেওনি যে তিনি এরকম রাজকীয় কামব্যাক করবেন তাও সুপারস্টার মাহেশ বাবুর সিনেমার সাথে ক্লাসহ করে তাকে বিট করে। এই সিনেমার সাফল্যের পর বলিউডেও এই সিনেমার রিমেক করার প্রস্তুতি হয়ে গেছে এবং সব ঠিক ঠাকলে হিন্দি ভার্সনে মূল চরিত্রে থাকছেন তরুন উঠতি তারকা কার্তিক আরিয়ান।

এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারেরও অধিক মানুষের ভোটে এই সিনেমার আইএমডিবি স্কোর ১০ এর মধ্যে ৭.২ আর গুগল ইউজারদের মধ্যে শতকরা ৯১ ভাগ মানুষ এই সিনেমাকে পছন্দ করেছে যেখানে গুগল অডিয়েন্স রেটিং ৫ এর মধ্যে ৪.৪।

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

@Movie kotha

Movie: The dark knight
Genre: Action, Thriller
Imdb rate: 9/10
Personal rate: 💚/10

আমি আমার লাইফে কোনো ভিলেনকে এভাবে হিরোকে challenge করতে দেখি নাই যেটা জোকার করেছে৷ হিরো সুপার মুভির ইতিহাসে এটা অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুভিগুলার একটা। আর ভিলেন জোকারের জন্য মুভিটা আরও শক্তিশালী হয়েছে।Joker has played the best role…

**No spoiler**
মানুষের মনোজগতকে পরীক্ষা করার অসাধারণ সব পদ্ধতি ছিল জোকারের। জোকার মনে করতেন, এই সমাজের মানুষ সবাই হলো Schemer। যারা নিয়মের কারণে স্থির শান্ত হয়ে বসে থাকে। নিয়ম একবার বন্ধ করে দিলেই সবাই অস্থির হয়ে যাবে। খুন, জখমে লিপ্ত হয়ে বিশৃঙ্খল হয়ে যাবে। তার প্রধান পরিকল্পনা ছিল মানুষের এই আসল রুপটা বের করে আনা। মৃত্যুতে তার কোনো ভয় ছিল না।এজন্য সে ইচ্ছামতো মানুষকে challenge করতে পারতো।
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ক্যারেক্টার ছিল কমিশনার। সৎ এবং সাহসী। ক্রিমিনালদের ধরা তার প্রধান লক্ষ্য। অনেকেই তাকে ব্যাটম্যানের সাথে তুলনা দেয়। এই কমিশনারও পরে যে কী ভয়ংকর কান্ড ঘটায়, তা দেখলে অবাক হই।
এতো চরম মুভি খুব কমই পেয়েছি। একবার দেখলে বারবার দেখতে ইচ্ছা করে। মানুষকে নিয়ে এভাবে খেলতে কখনো দেখিনি, যেভাবে জোকার খেলেছে। ব্যাটম্যানও তার জায়গায় অসাধারণ ছিল। খুব উপভোগ্য একটা মুভি। আপনি যদি সাইকোলজিক্যাল মুভি পছন্দ করেন এটা অবশ্যই দেখবেন।খুব আনন্দ দেবে।সুপার হিরু best film..

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

@Movie kotha

মুভির নামঃ (Don’t Breathe)

থ্রিলার লাভারস যারা আছেন,
তাদের অবশ্যই এইটা দেখা উচিত,
মাস্টারপিস একটি মুভি।
প্লটঃ তিন বন্ধু মিলে ঠিক করে একজন অন্ধ সৈনিকের বাড়িতে ডাকাতি করার,
এবং রাতের সময়টাকে বেছে নেয়,
তারা আদৌ জানতোনা তাদের জন্য বাড়ির ভেতর কি কি অপেক্ষা করছে,এবং তারা কতবড় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে,না,মুভিটি হরর না,তবে মানুষ কতটা হরফায়িং হতে পারে তা অবশ্যই মুভিটিতে দেখানো হয়েছে,
মুভিটাতে টুইস্ট প্রচুর থাকার কারনে দেখে আনন্দ পেয়েছি,
মুভির শেষেও আপনি টুইস্ট পাবেন,কোনোরকম বোর লাগা ছাড়াই দেখে নিতে পারবেন এই মুভিটি।

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

@Movie kotha

মুভি রিভিও: সার্জিও

ডিরেক্টর : গ্রেগ বেকার

স্ক্রিপ্ট: সত্য ঘটনার উপর নির্মিত, সামান্থা পাওয়ার এর “চেজিং দ্যা ফ্লেম:ওয়ান মেন’স ফাইট টু সেভ দ্যা ওয়ার্ল্ড” এর উপরভিত্তি করে।

স্ক্রিন প্লে: গ্রেইগ বোরটান

কাষ্ট: ওগনার মৌড়া, আনা ডি আর্মস, ব্রায়ান ও’বের্নে গেরেট ডিলাহান্ট, ক্লেমেন্স সিচ্সক, উইল ডালটন

বায়োগ্রাফি সো স্পয়লারের বিষয় নাই

ব্রাজিলিয়ান ইউএন ডিপ্লোম্যাট সার্জিও ভিয়েরা ডি মেলো ২০০৩ ইরাকে স্পেশাল রিপ্রেন্টেটিভ হিসেবে এর মৃত্যু / আমার মতে আমেরিকা দ্বারা উনার হত্যা নিয়ে সিনেমা তৈরি।যদিও আমরিকা আল কায়দার আবু মুসায়েব কে দায়ী করসে সার্জিও কে বোমব্লাষ্ট এর মাধ্যমে হত্যার জন্য বাট একটু গুগল আর মুভিটা ভালো মতো দেখলেই টের পাওয়া যায় আসলে কে সার্জিও কে হত্যাকরসে। এই সার্জিও ভদ্রলোক ইউএন এর পিস মিশনের পারফেক্ট ব্যক্তি ছিলেন।বিভিন্ন দেশের গৃহযুদ্ধ অবসানে উনার রক্তপাতহীন ডিপ্লোম্যাটিক পদ্ধতি অনেক জীবন বাঁচিয়েছে।সুদান, সাইপ্রাস, জিম্বাবুয়ে, পেরু কম্বডিয়া, যুগস্লাভিয়া আরো অনেক দেশ, যেখানেই উনি গেসেন শান্তি বজার রাখার চেষ্টা করসেন।বাংলাদেশেও উনি এসেছিলেন, যদিও এর বিস্তারিত আমি পাইনি।

ইরাক এ আসার আগে পূর্ব তিমুরে ইউএন এর ইিউম্যান রাইটস এর হাই কমিশনার হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার গনহত্যার জন্য ক্ষমা চাওয়া আর তিমুরের স্বাধীনতার জন্য বিশাল অবদান রাখেন।

বুশের অনুরোধে (পড়ুন চাপে) সার্জিও ও তার টীম আমেরিকার ইরাক আক্রমণের কলংক কভার করার জন্য ইরাকে আসে তথাকথিত নির্বাচন 🤣,ইরাকী জনগনের স্বাধীনতা 😂, সকল বিদ্রোহী দলের কোলাবেরশনে একটা সুষ্ঠু সরকার ব্যাবস্থা গঠন করা 🤣 ব্লা ব্লা মুখস্ত বলি কপচানের জন্য বা আমেরিকার পাপেট হিসেবে।বাট সার্জিও অন্য ধাঁচের পাবলিক।উনি আসলেই ইরাকে নতুন করে গঠন আর শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য আসছিলেন।এসেই বুজতে পারেন উনার কাজ সহজ না।ইরাকে আমরিকার চীফ অফ স্টাফের সাথে দ্বিমত করেন। এরপর ইরাকে সত্যিই কি ঘটতেসে তা পুরা পৃথিবীকে জানানোর জন্য একটা প্রেসকনফারেন্স এর ব্যবস্থা করেন।

কিন্তু ঐ প্রেস কন্ফারেন্স আর হয় না।তার আগেই ইউএন এর বিল্ডিং এ বোমা হামলায় বিল্ডিং এর নিচে চাঁপা পরে মারা যান।

মাঝে উনার তিমুর এর কাহিনী সাথে শ্বাশত সুন্দর প্রেম-ভালোবাসা আর উনার প্রখর ব্যক্তিত্বের সুন্দর উপস্থাপন।

মুভি দেখলে বোঝা যায় ২০০০ পরবর্তী ইউএন কতটা কাঠের পুতুল হিসেবে ওঠাবসা করে।আদাতে এটা যে আমেরিকার কথায় ওঠে বসে তা সার্জিও এর মতো নিবেদিত প্রাণ ইউএন কর্মকর্তা হত্যার মধ্য দিয়ে প্রমাণ পায়।যদিও এই হত্যার দ্বায়ভার আলকায়দার উপর দিয়ে আমেরিকা ইরাক ইনভেনশন এর যৌক্তিকতা প্রামণ করে আর ইরাক একটা দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের দিকে চলে যায়।আর তা থামাতে সার্জিও এর মতো কেউ ছিলো না তখন।

মুভি সুপার স্লো।অনেক জায়গাতে খটকা লাগতে পারে কারণ ফ্যাশব্যাক আর প্রেজেন্ট মিলে ঘটনা টা দেখানো হইসে।

ডিরেক্টর বেকার ডকুমেন্টরি মেকার হিসেবে নামকরা যদিও এর আগে উনার কোনো কাজ দেখি নাই।

ক্যামেরা, ডায়ালগ, মিউজিকে কোনো খুঁত খুঁজে পাইনি।

সার্জিও চরিত্রে ওগনার তথা ডিপজল কাক্কুর ল্যাতিন আমেরিকান ভার্শন পাবালো ইস্কোবার ( নারকোস) দারুণ করসে, ক্যারোলিনা চরিত্রে নাইভস আউট ও নেক্সট বন্ড গার্ল আনা ডি আর্মস (শালার এর ল্যাটিন আমেরিকান অভিনেত্রী গুলা এতোসুন্দর হয় ক্যান 😑)পারফেক্ট অভিনয় করসে।

গিলি,ফ্রিকশন ক্যারেক্টার (শুধু ইরাকে সার্জিও এর সহকারী ছিলো) হিসেবে ব্রায়ান এফ ও’বের্নে ও দারুণ করসে।

দেখতে পারেন এই Quarantine এ

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

@Movie kotha

Movie:- ”MUCIZE”(2015)
Genre:-Drama,Romance,Comedy
IMDb:-7.6/10
★★স্পয়লার★★

কাহিনী সংক্ষেপঃ-
শহরের দূরের এক গ্রামে এক শিক্ষক যান পড়ানোর জন্য যেখানে কিইনা কোনো স্কুলই নেই।
নেই বিদ্যুৎ,নেই পানির সুবিধা,এমনকি নেই কোনো সহজলভ্য রাস্তাও।
সেখনকার মানুষ তাকে দেখে যারপরনাই খুশী হয়।
শিক্ষক কোনোভাবে সেখানে সব ব্যাবস্থা করে পড়ালেখা চালু করেন বাচ্চাদের মাঝে।
সেখানকার প্রধানের ছেলে আজিজ।
শারিরীক প্রতিবন্ধী, না চলতে পারে ঠিকমতো, না কথা বলতে পারে।
অনেক সময় হিতাহিত জ্ঞানও হারিয়ে ফেলে।
তাকে ঘিরে শুরু হয় আস্তে আস্তে কাহিনী।
শিক্ষক তাকে কিভাবে অনুপ্রাণিত করে, কিভাবে ভালোবাসার সাথে আদরের সাথে কাছে টেনে নেয় আস্তে আস্তে এভাবে এগিয়ে চলে গল্পের মোড়।
এরপরই কোনো এক ঘটনায় আজিজের বাবা আজিজকে বিয়ে করান।
এত সুন্দরী বউ পুরো গ্রামে কারোরই নেই।
এরপর কি হয়??
আস্তে আস্তে কিভাবে নেমে আসে আরো দুঃখ,কষ্ট,বেদনা।
শেষে কি হয়??
এভাবেই কি কাহিনী শেষ হবে নাকি নতুন মোড় নেবে কোনো কিছু?
জানতে হলে দেখতে থাকুন ছবিটি।
আর হ্যাঁ শেষ দৃশ্যে একটা বড় চমক রয়েছে।

“আজিজ”
চরিত্রটি পাগল মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও আপনি মুভিটি দেখার সময় ওর প্রতি অজানা একটা ভালোলাগা কাজ করবেই।
হয়তো আপনি ওর সাথে হাসবেন,হয়তো কিছু ক্ষেত্রে আপনি ওর জন্য কাঁদবেন,কিছু সময় আপনার একটা খারাপ লাগা তৈরি হবে ইশ এমন যদি না হতো।মোটকথা আপনি যদি খুব ইমোশনাল হোন চরিত্রটি আপনাকে জীবনের বিভিন্ন রুপ দেখাবে।
আর শিক্ষক চরিত্রটি সম্পর্কে বলার কিছু নেই।সত্যিই এমন শিক্ষকরা সেরা😍
বিনম্র শ্রদ্ধা এমন পিতৃতুল্য শিক্ষকদের প্রতি।🙏

এই প্রথম তুর্কি ছবি দেখা।
প্রথম দেখেই এত ভালো লেগেছে যা আসলে প্রকাশ করার বাইরে।
এত সহজ সরলভাবে এত সুন্দর করে কোনো গল্পকে এমন করে ফোঁটানো যায়, না দেখলে বিশ্বাসই হতো না।
এত কাহিনী উল্লেখ করলাম কিন্তু বিশ্বাস করেন, ছবিটি দেখার সময় মনে হবে কিছুই বলি নি যা দেখছেন সবই একদম অসাধারণ কিছু হচ্ছে।
আর হ্যাঁ,কোনো Adult Scene নেই।সব বয়সের অডিয়েন্সই দেখতে পারেন।

থ্রিলার মুভি দেখার ফাঁকে এমন মুভি দেখার চান্সই হয় না।
আজ দেখে প্রচন্ড অভিভূত।(ব্যাক্তিগত মতামত)
মনে হয় না এই ছবির কোনো হেটার্স থাকবে।কারণ ঘৃণা করার মতো সামান্য দৃশ্যও নেই এখানে।😍
তবুও সবার মতামত হয়তো এক নয়।

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

@Movie kotha

কয়েকটি সিরিজের short review। বিস্তারিত বললে একটু স্পইলার হয়েই যাই।সাথে কয়েকটি সিরিজের শুধু নাম বলবো।

আমি রিভিউ তেমন লেখতে পারিনা। আর রিভিউ দিতে ভয় ই লাগে কারন গ্রুপে ক্রিটিকস এর অভাব নেই। রিভিউ পেলেই ভুল ধরতে লেগে যায়।
২০১১ সাল থেকে ৩৬৫ দিন ই মুভি,টি ভি সিরিজ দেখি। তো সেই লিস্ট থেকে কয়েকটা সিরিজ আজ শেয়ার করার সাহসটা করেই ফেল্লাম।

ভূল হলে এরিয়ে যাবেন।কমেন্টে খারাপ মন্তব্য না করলে খুশি হবো। কারন সবার পছন্দ এক নয়।

১/Breathe(hindi):এই সিরিজ এ ৮ টি এপিসড আছে পত্যেকটির সাথে সম্পর্ক আছে।একজন বাবা তার সন্তানকে বাচানোর জন্য কি কি করতে পারে তা এখানে দেখানো হয়েছে।সবার চরিত্রে সবাই বেশ ভালো অভিনয় করেছেন।সিরিজের bgm ও বেশ ছিল।

২/Abhay(hindi):এই সিরিজে একজন পুলিশের কাহীনি তুলে ধরা হয়েছে। লেখা আছে based on true events কিন্তু কতটা সত্য তা জানা নাই।প্রত্যেক এপিসডে একটি করে খুনিদের ধরার রহস্য দেখানো হয়েছে।কাহীনিগুলো অনেক সুন্দর ছিল এবং শেষে দারুন twist আাছে।অনেক চেনা মুখ এই সিরিজে অভিনয় করেছেন।

৩/একেন বাবু(বাংলা)ঃবাংলা ডিটেকটিভ গল্প বলতে বোমকেশ আর ফেলুদা কে আমরা বেশি চিনি কিন্তু এই সিরিজ টি দেখলে একেন বাবুকে পছন্দ হয়ে যাবে। ৩ টি সিজন আাছে ৩ টি খুনের ঘটনা নিয়ে।৩ নং টি বাংলাদেশের সাথে মিলিত হয়ে করা হয়েছে।৩ নং টি বেস্ট।বাংলাদেশের সাথে মিলে করেছে জন্য প্রথমে আমি নিজে এটা দেখতে চাচ্ছিলাম না কিন্তু পরে এটাই বেশি ভালো লেগেছে।

৪/Typewriter (hindi): এটি একটি ভৌতিক কাহিনি। প্রত্যেকটা মৃত্যুর সময় মনে হবে যেন নিজের দম বন্ধ হয়ে আসছে।গল্পটা বেশ সাজিয়ে গুছিয় তুলে ধরা হয়েছে।

৫/The familyman(hindi):এই সিরিজটি দেখার অন্যতম কারন মনোজ বাজপাই এর অভিনয়।এক কথায় অসাধারণ একটি সিরিজ। একজন ব্যক্তি যিনি ক্রাইম দূর করেন এবং নিজের পরিবারকে বাচান।

৬/Dark(german/English) :অতীত, বর্তমান,ভবিষ্যৎ নিয়ে তেরি একটি অসাধারণ এবং মাস্ট ওয়াচ সরিজ।এই সিরিজ এর কোন সিন মিস করা যাবে না।এই সিরিজ শেষ করার পর ২/৩ দিন এর রেশ আপনার মদ্ধে থেকে যাবে।প্রত্যেকে অভিনয় দেখে মনে হবে যা দেখছি পাশে থেকে রিয়েল দেখছি।money heist,breaking bad এগুলোর সাথে তুলনা না করাই শ্রেয় কারন প্রত্যেকটির কাহিনি আালাদা এবং প্রত্যকটিই নিজের জায়গায় সুন্দর।

৭/paatal lok(hindi):2/3 দিন হলো রিলিজ পেয়েছে।বেশ ভাল ছিল।
সময় নষ্ট হবে না। দেখে নিতে পারেন।

৮/ special opps(hindi): ইন্ডিয়ান টিভি এবং ওয়েব সিরিজ এর লেভেল অনেক ওপরে এসে গেছে।খুব সুন্দর একটি সিরিজ নিঃসন্দেহে দেখে নিন।

এবার কয়েকটি শুধু নাম বলি
1/ The breaking bad
2/money heist
3/krypton
4/ kaali
5/hello
6/death note
7/halala
8/the final call
9/lucifer

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

@Movie kotha

Malang (2020) 🌺🌺🌿
জনরা -Romance/Thriller
ভাষা – Hindi
IMDb – 6. 7 / 10
ব্যক্তিগত – 7.4/ 10
★ Spoiler Alert ★

~ এই মুভিটার ভালো প্রিন্টের জন্য যে কত দিন ধরে অপেক্ষা করতেছি আমি যানি সুধু, সেদিন মুভিটার ভালো প্রিন্ট আসার সাথে সাথেই ৩জিবি সাইজের নামাইছি । মুভিটা প্রথমে ভাবছিলাম সেই Marjaavaan মুভির মত হতাস করবে একটু, কিন্তু না আমি ভুল ছিলাম।

~ মুভির গল্প – অদ্ভেত আর সারা একেবারে ফ্রি স্পিরিটেড দু’জন একি ধরনের মানুষ। গল্পের শুরু গোয়ার একটা রঙিন রাত দিয়ে যেখানে সারা আর আদ্ভেত দুজনের দেখা আর তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়ে যায় । নেশার জগতে প্রবেশ করে জীবন ক্রমশ বন্য হয়ে ওঠে তাদের, যার ফলে দুজন দুজনের কাছে চলে যায় আর এতে প্রেগনেন্ট হয়ে যায় সারা। অদ্ভেত প্রথমে দায়িত্ব নিতে রাজি না হলেও পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে ফিরে আসে সারার কাছে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে, তাঁদের জীবন নরক করে ফেলে কিছু পুলিশ অফিসার তাদের কুকর্ম ঢাকতে । সেই রাতেই সারাকে পুলিশ অফিসারেরা ড্রাগ অভার ডোজ দিয়ে ব্রিজের উপর থেকে ফেলে দেয়, আর অদ্ভেদ কে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে ঢুকায় পাঁচ বছরের জন্য।

~ তো জেল থেকে কি বের হয়ে প্রতিশোধ নিতে পারবে অদ্ভেত? 🤔
– ভালো লাগা খারাপ লাগা আমার –
~ মুভিতে আদিত্যর সিক্স প্যাক দেখার মত ছিলো । গল্পের প্রথম অর্ধ খুব ভালো ভাবে এগোচ্ছিলো,কিন্তু দ্বিতীয় অর্ধে গিয়ে তাল গোল পাকাই ফেলছেন আমার মনে হলো। আর রিভেন্জ নিওয়াটাও একটা কেমন যানি কি মাথার উপর দিয়া গেলো। গল্পের এন্ডিং আমি এভাবে চাইছিলাম না, ব্রিজ থেকে ফেলে দিছে তখন যে এন্ডিং টা হবে ভাবছিলাম সেটা হলে আর সাথে যদি আদিত্যও লাস্টে মারা যেতো খুব ভালোই হতো 😁

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

@Movie kotha

🎬Five Feet Apart (2019)
#No_Spoiler
Imdb: 7.2/10
Personal rating : 10/10
Romantic | | Heart-Breaking

🎬হলিউডে ক্যান্সার নিয়ে অনেক মুভি মেকিং করছে, কিন্তু এই রোমান্টিক মুভি টা ক্যান্সার কে কেন্দ্র করে তারা অসাধারণ ভাবে উপস্থাপন করেছে ;

এর আগেও পৃথিবীর অনেক গুলা ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন রোগের আবেগ সংমিশ্রণের রোমান্টিক ড্রামা দেখেছি বাট এটা পুরোদমে অন্যরকম ছিলো!
হলিউড ফিল্ম মেকার রা অলরাউন্ডার সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না❤

একটা হার্ট-ব্রেকিং স্টোরি ছিল যদিও অভিনেতা এবং অভিনেত্রীদের এর কাজ দুর্দান্ত অভিনয় গল্পটাকে একদম রিয়েল্যস্টিক করে তুলছে🔥

জীবন আবেগের চাদরে ঢেকে রাখা হলেও জীবন বড়ই বাস্তবমুখী। আর এই বাস্তব মেনে নিতে আমাদের অনেক সময় ভিতর ছিড়ে যায়। সেরকমই এক অসাধারণ গল্পের সিনেমা Five Feet Apart। নিঃসন্দেহে আপনার ভালো লাগবে এমন জীবনমূখী গল্প। তাই সময় থাকলে দেখে নিতে পারেন এই অসাধারণ মাস্টারপিস টি। এক মিনিটের জন্য বোর হবেন না গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি। আমার কাছে এটা কোন মুভি না এটা একটা ভালোবাসা। পছন্দের লিষ্টে আর একটা মুভি যোগ হলো।

আপনার দেখা সেরা একটা সিনেমা আমাকে কমেন্ট সাজেস্ট করুন। ধন্যবাদ

#EnjoyCinema
#EnjoyRomantic
#EnjoyFiveFeetApart

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

@.Movie_kotha .

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

#Concept art
#Marvel NOVA

Categories
Movies

# Capote 2005

May contain spoiler

1959 সালের এপ্রিল মাসে আমেরিকার কানসাস অঙ্গরাজ্যে খুবই মর্মান্তিক ভাবে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা করা হয়। এটা কোন স্পয়লার না। তাই কান গেলো কান গেলো বলে চিল্লাইয়েন না। কারণ এই মুভির গল্প শুরু হয় খুনের পর থেকে।

নিউইয়র্ক টাইমস এই খুনের সংবাদ পত্রিকার প্রথম পাতায় ছাপায়। ট্রুম্যান ক্যাপটে একজন লেখক এই গল্পটিকে ফলো করার চিন্তা করে। সে সাথে সাথে কানসাস এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। সেখানে বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করেন। এর মাঝে আসল খুনি ধরা পরে যায়।

যেহেতু ক্যাপটে একজন সাংবাদিক তাই তার এই খুনির সাথে দেখা করার সৌভাগ্য হয়। তিনি ভেবেছিলেন খুব হিংস্র কোন ব্যাক্তির সাথে তার দেখা হবে যে কিনা তাকে দেখেই হৈচৈ করবে গালাগাল দিবে, তেমন কিছুই না খুবই শান্ত ভাবে বসে আছে জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে, কেমন যেন একটা বিষন্নতা তার মাঝে। তার প্রথম প্রশ্ন ছিলো “তোমার কাছে এসপ্রিন আছে? আমার পা এ সমস্যা হচ্ছে” ক্যাপটে এই শান্ত ব্যাক্তিটির প্রতি কৌতূহল অনুভব করে ও চিন্তা করে এই ব্যক্তিকে নিয়ে সে বই লেখবে, বই লেখার এই উপসর্গ সে কি করে বের করে এই ঠাণ্ডা মাথার খুনির কাছ সেটা মুভি যত এগিয়ে যায় তার রহস্য গুলোও আস্তে আস্তে সামনে আসতে থাকে।

সম্পুর্ন সত্য ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি এই চলচ্চিত্র। ট্রুম্যান ক্যাপটে যে বইটি লেখেন ইন কোল্ড ব্ল্যাড নতুন এক ধারার জন্ম দেয়। একজন ভয়ানক খুনির মানসিক এবং মানবিক দিক গুলো এই বইতে তুলে ধরা হয়, এতে তখনকার কথিত সভ্য সমাজ বেশ হৈচৈ করে।

সিনেমার সবচেয়ে পজিটিভ দিক হলো এর অভিনয়। বিখ্যাত অভিনেতা ফিলিপ হফম্যান যেভাবে ট্রুম্যান ক্যাপটে কে পর্দায় উপস্থাপন করেছেন তা মেথড এক্টিং এর এক অনন্য উদাহরণ। হফম্যান তার এই অসাধারণ অভিনয়ের জন্য ২০০৬ এর গোল্ডেন গ্লোব, স্ক্রিন এক্টর জিল্ড, বাফটা ও অস্কার সবগুলোই অর্জন করতে সক্ষম হন।

**এই মুভি নিয়ে আরো অনেক কিছু লেখার ইচ্ছা ছিলো। চিত্রায়ন, পরিচালনা, চরিত্র গুলোর ব্যাখ্যা কত অসাধারণ ছিলো কিন্তু ছাতার মাথা এগুলো লেখে লাভ নাই, কেউ এই রিভিউ পরবেও না মুভি ও দেখবে না, এর চেয়ে কোন একটা ফালতু মুভিকে পচাইয়া পোস্ট দিলে লোকজন একটু আজাইরা মাতামাতি করতে পারে। তাও ভালো জিনিস নিয়ে লিখতে ভালো লাগে তাই কয়টা লাইন লেখালাম।**

@.Movie_kotha .

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

মুভির নাম লাল সবুজ

imdb rating: Rating: 7.1/10

Release Year: 2005

Genre: Crime, Mystery, Drama

No Spolier

ঢালিউডের আমার দেখা একটি চরম অ্যাকশন থ্রিলার মুভি লাল সবুজ । তবে ২০০৫ এ মুক্তি পাওয়া এই মুভির প্লট তৎকালীন অন্য যে কোন মুভির থেকে এগিয়ে ছিল।

মুভির নায়ক ছিলেন মাহফুজ আহমেদ । মুভিতে তার ক্যারেক্টারের নাম সবুজ। তার ছোট ভাই লাল । সবুজ লালকে প্রচণ্ড ভালবাসে, স্নেহ করে। লাল টিভি চ্যানেলে একজন ক্রাইম রিপোর্টার । জমশেদপুর নামের এক শহরে একের পর এক খুন হতে থাকে সাধারন মানুষ।সব খুনের পিছনে থাকে একজন সন্ত্রাসি রাঙা মামা । কিন্তু রাঙা মামাকে আজ পর্যন্ত কেউ দেখেনি। লাল জমশেদপুর যেতে চায় রাঙা মামার মুখোশ উন্মোচন করতে কিন্তু তার মা তার বিপদের কথা ভেবে তাকে যেতে দিতে চায়না। পরে সবুজের সুপারিশে তার মা রাজি হয়। ক্রাইম রিপোর্টার লাল সেখানে যায় এবং ঘটনার তদন্ত করতে করতে রাঙা মামার কাছাকাছি পৌঁছে যায় । ঠিক সেই সময় খুন হয় লাল, রাঙা মামার হাতে।

সবুজের বুকটা ভেঙ্গে যায়। লালের খুনের প্রতিশোধ নিতে কলেজের প্রফেসরের ছদ্মবেশে সবুজ এসে পৌছায় জমশেদপুরে।একে রাঙা মামা একজন ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী তার উপর তাকে কেউ চিনে না। সবুজকে এখন রাঙ্গাকে খুজে বের করতে হবে তারপর তাকে শেষ করতে হবে।

কাহিনির প্লট এইটুকুতেই কি গায়ে কাঁটা দেয়ার জন্য যথেষ্ট না? মুভির অ্যাকশন ভালো আর মুভির কাহিনি যেভাবে এগিয়ে যায় তাতে ডিরেক্টরের মুনশিয়ানার ছাপ পাওয়া যায়। আর পুরো মুভিতে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে তুলে ধরা হয়েছে খুব সুন্দর ভাবে।

এই মুভির দুটি উল্লেখযোগ্য জিনিসের মধ্যে একটি হচ্ছে আসিফের গাওয়া সবুজের বুকে লাল গানটি । গানটি খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। দ্বিতীয়ত হচ্ছে মাহফুজের অ্যাটিটিউঁড । একটি অ্যাকশন মুভিতে নায়কের ক্যারেক্টার যেমন হওয়া উচিৎ।

মুভির একদম শেষে একটা টুইস্ট আছে। বাংলা মুভিতে এরকম টুইস্ট আশা করা যায় না।

মুভিটা দেখে ফেলুন । ভালো লাগবে।

@Movie kotha .

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

মুভি নেম নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ( What is love) Imdb Rating 7.4 /10 ( 8356 people voted) Producer, Director, Screenplay: Ananta Jalil

**** হালকা স্পয়লার এলার্ট ****
নিঃস্বার্থ ভালোবাসা নিঃস্বার্থভাবে তৈরি একটি সিনেমা।
এই সিনেমার একদম শুরু তেই পাবেন বাংলা সিনেমার আইকনিক সং ” ঢাকার পোলা ভেরি ভেরি স্মার্ট ” এর সাথে অনন্ত জলীলের আইকনিক ড্যান্স।
এই সিনেমায় আছে বাংলা সিনেমার আইকনিক দৃশ্য কোনো রকম অপারেশন ছাড়াই হার্ট বের করে ভালোবাসা প্রদর্শন করার সেই বিখ্যাত নিদর্শন।
“মৃত লাশকে কি কখনও কথা বলতে দেখেছো?” – এই বিখ্যাত ডায়ালগটিও এই সিনেমার।
নাচে-গানে-একশনে ভরপুর এই সিনেমাটি না দেখে থাকলে এখনই দেখে নিন। ভালোবাসাকে যেনো নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এ সিনেমায়।
ইউটিউবে এভেলএভেল এ সিনেমাটি৷ দেরী না করে এখনই দেখে ফেলুন ☺

@Movie kotha .

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha

Categories
Movies

মুভির নাম পি মাক মুভির ধরনঃ হরর, কমেডি, রোমান্স আএমডিবি রেটিংঃ ৭.৩/১০ নিজস্ব রেটিংঃ ৮.৯/১০

অল্প স্পইলার থাকতে পারে,
আপনার জীবনে কি প্রচুর খারাপ সময় যাচ্ছে? কোনো কিছুতেই মজা পাচ্ছেন না? একটু হাসি প্রয়োজন? কিছু কিছু মুভি আছে যেগুলো আপনাকে হাসিয়ে ছাড়বেই, তার মধ্যে পি মাক মুভিটা অন্যতম আমার দেখা! এর আগে সাউথ ইন্ডিয়ান কাঞ্চানা-৩ ছবি দেখে হয়তো কিছুটা এমন হেসেছিলাম। মুভি চালু হউয়ার পর থেকেই হাসতে শুরু করতে হবে ইনস্টেড অফ ভয় পাওয়া!

কথা ছিলো ভয় পাবো, কিন্তু ঘটলো উল্টা হাসির চোটে মুভি পজ করে কিছুক্ষন হেসে আবার প্লে করতে হয়। থাই ভাষার মুভিটা বাংলা সাবটাইটেল এভেইলেবল, বাংলা সাব দিয়ে দেখতে দেখতে এতই মুভির ভিতরে ঢুকে যাবেন যে মনেই হবে না ওরা অন্য ভাষায় কথা বলতেসে!

মুভির কাহিনি সংক্ষেপে আসি,
মাক, আর তার ৪ বব্ধু যুদ্ধের ময়দান থেকে বেচে ফিরে আসে। মাক এর বাড়িতে তার স্ত্রী নাক একা একা থাকে, নদির উপারেই মাক এর দাদিমার ঘর যা ফাকাই পরে আছে, মাকের দাদি যেহেতু মারাই গিয়েছে তাই সেই ঘরটা ফাকা পরে আছে, সেখানে মাকের বন্ধুদের থাকতে বলে। তারা সানন্দে রাজি হয়ে যায়। এলাকার মানুষের আচরণ এবং কথাবার্তায় একটু সন্দেহ হয় মাকের বন্ধুদের যে মাকের স্ত্রী মৃত! এদিকে মাক তার সুন্দরী বউ এর প্রেমে এতই পাগল যে কারো কথাই তার বিশ্বাস হয় না।

অনেক জটলা পাকাতে থাকবে মাকের স্ত্রীকে নিয়ে, বাড়ির পাশে নাকের এর লাশ পাওয়া যাবে। প্রচুর কাহিনি ঘটতে থাকবে, মাকের স্ত্রী যে মৃত এটা মাককে বুঝাতে তাদের বন্ধুদের কাজকর্ম আপনাকে হাসানোর তালেই রাখবে।

৪ বন্ধুর চার রকম ক্যারেক্টার আপনাকে প্রতিটা ক্যারেক্টর আলাদা ভাবে মজা দিবে, বিশেষ করে হেয়ার স্টাইল নিয়ে কিছু বলার নাই! আর মুভির দৃশ্বপট অসাধারণ জায়গা, যা মুভির কাহিনির সাথে ভীষন ভাবে ম্যাচ করবে।

দিনশেষে রোমান্স ক্যাটাগরির জয় হবে, ভালোবাসা মৃত বা জীবিত দেখে না। হাল্কা ইমোশনাল হইতে যাবেন, তার মধ্যেও আবার কমেডি চলে আসবে৷

যাই হোক যেটা বলার, এই ঘরানার মুভি আরো সাজেস্ট পাবার বাসোনা নিয়ে রিভিউ টা দেয়া, কারো কাছে এমন হরর+কমেডি বা এমন টাইপের মুভি সাজেশনে থাকলে আমায় সাজেস্ট করুন। আর পি মাক না দেখা থাকলে এই কোয়ারান্টাইন এ দেখে ফেলুন। ধন্যবাদ।

@Movie kotha .

#Follow ous for More new Movies and webseris @Movie kotha