Categories
Sports

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল কে নিযুক্ত করেছে জাতিসংঘ।

করোনা ভাইরাসের এই সময়টাতে বিপদে পড়া বাংলাদেশের ক্রিকেটার হতে শুরু করে সাধারণ মানুষকেও সাহায্য করে যাচ্ছেন বাংলাদেশের বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল খান। নিজের সাধ্যমত করোনায় দুর্ভোগে পড়া মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে ইতিমধ্যে তামিম মন কড়েছেন অগণিত মানুষের। তার এই সাহায্যের খবর জাতিসংঘের কাছেও গোপনীয় নয়।
তাই জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক জাতিসংঘ থেকে পেলেন দারুণ একটি সুখবর। তাকে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিযুক্ত করেছে জাতিসংঘ।

এ বিষয়ে তামিম ইকবাল খান নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে এক ভিডিও বার্তায় জানান, 
“আজ আমি বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম) জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিযুক্ত হয়েছি। আমি জাতিসংঘের সংস্থা ডব্লিউএফপি এর জাতীয় গুডউইল অ্যাম্বা‌সাডর হিসেবে নিযুক্ত হতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি
এই সংস্থাটি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বকে ক্ষুধামুক্ত করার জন্য কাজ করে চলেছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় মাত্রায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। তবুও দারিদ্র্যের হার এখনও প্রকট, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলগুলোতে। চলমান কোভিড-১৯ মহামারী অনেকের জীবনকেই আরও বেশী সংকটময় করে তুলেছে। আমি সাধ্যমত চেষ্টা করার আশা রাখি যাতে ডব্লিউএফপি ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই করে সহযোগিতা প্রয়োজন এমনসব পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারে।”

অভিনন্দন তামিম ইকবাল খান।

Reviewer: Argha Majumder

Categories
Movies

[Movie kotha]

“”””চঞ্চল চৌধুরী””””
জন্ম : ১ জুন, ১৯৭৪”””””

চঞ্চল চৌধুরী তিনি যেন একের ভিতর সবকিছু।অসংখ্য গুণে গুণান্বিত এই মানুষটি একাধারে একজন অভিনেতা, মডেল, শিক্ষক ও গায়ক।

তিনি টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র দুই মাধ্যমেই অভিনয় করে সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
চলচ্চিত্রে অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থী চঞ্চল চৌধুরী বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানো, অভিনয়, গান, ছবি আঁকা এসব কিছুতেই সমান পারদর্শী। এছাড়াও তিনি কোডা, সোডা ও ইউডা কলেজের চারুকলার প্রভাষক।

চঞ্চল চৌধুরীর অভিনয় জীবন শুরু হয় চারুকলার ছাত্র থাকাকালীন আরণ্যক নাট্যদলের সাথে যুক্ত হয়ে। পরবর্তীতে অসংখ্য নাটক ও টিভি সিরিজে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেন চঞ্চল চৌধুরী। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র রূপকথার গল্প। এছাড়াও তিনি দর্শক নন্দিত আরো কিছু সিনেমায় অভিনয় করে ব্যপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত চলচ্চিত্র সমূহ হলো—
১/ রূপকথার গল্প (২০০৬)
২/ মনপুরা (২০০৯)
৩/ মনের মানুষ (২০১০)
৪/টেলিভিশন (২০১২)
৫/ আয়নাবাজি (২০১৬)
৬/ দেবী (২০১৮)

বাংলাদেশের অভিনয় জগতে যেসব অভিনেতা সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে ঠাই করে নিতে পেরেছে তাদের মাঝে চঞ্চল চৌধুরী নামটিও থাকবে বলে আমি মনে করি।

আজ এই অসংখ্য গুণে গুণান্বিত সকলের প্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর শুভ জন্মদিন।
জন্মদিনে তাকে জানাই অন্তরের অন্তস্তল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন “”””””

⭐⭐⭐কমেন্ট স্টার⭐⭐⭐🌟 : (Imran) https://link.kotha.app/app/user/preview/34bj18p8m

(লিখনিতে আপনাদের ছোট্ট সদস্য sabbir2.1)

আমাদের পাশেই থাকুন ✅

ডাউনলোড লিঙ্ক এর জন্য জয়েন করুন ⏬⏬⏬

⏩Telegram link……… : t.me/Moviekotha

⏩Facebook page link : https://bit.ly/3gEtYWH

⏩Instagram link……… : https://bit.ly/2ArZw1m

⏩YouTube link…….. : https://bit.ly/36GxyeC

⏩mobile Kotha……… : https://bit.ly/36PVcFt

⏩Instagram……………: instagram.com/moviekotha/

🔵ব্যক্তিগত🔵

✅Facebook……………. : www.facebook.com/sabbirhussainsuman

✅Instagram…………… instagram.com/sabbir_hussain_sumon/

✅Kotha profile……….. : https://bit.ly/36Gx4VQ

✅Youtube channel….. : https://bit.ly/36GxyeC

বাসা থাকুন
সুস্থ থাকুন

ধন্যবাদ ❤

Categories
Lifestyle

BREAKING Coronavirus updates in Bangladesh in last 24 hours (June 1, 2020)

Deaths: 22
Infected: 2,381
Recovered: 816
Tested: 11,439

Source: DGHS

Categories
History

রুইজ পিকাসোর “পাবলো পিকাসো ” হয়ে ওঠা ।

ছোটবেলা থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত পাবলো পিকাসোর নাম শুনেনি এরকম মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমিও অনেকবার শুনেছি। শিল্পজগতের লিজেন্ড। তার সম্পর্কে অনেক প্রশ্নই ছোটবেলা থেকেই মনের ভিতর তৈরী হতো।যেমন-

১। উনার নাম কি আসলেই পাবলো পিকাসো?

২। উনি এত ভালো ড্রয়িং কিভাবে করতেন ?

৩।পেইন্টিং তো অনেকেই করে। উনার এত সফলতার পেছনে কারণ কি ? ইত্যাদি ইত্যাদি।

●চলুন একনজরে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর জানা যাক-

পিকাসোর জন্ম ২৫শে অক্টোবর , ১৮৮১ স্পেন এ। স্পেন দেশের এক প্রথা অনুসারে বাচ্চার নামের সাথে বাচ্চার পিতা-মাতার নাম যুক্ত করা হয়। সেই পরম্পরা অনুসারে ওনার মাতা রুইজ আর পিতা পিকাসোর নাম যুক্ত করে উনার পুরো নাম পাবলো রুইজ পিকাসো রাখা হয়।

পিকাসোর ছোটবেলা থেকেই ড্রয়িং এর প্রতি আগ্রহ ছিল। এ জন্য ছোট বয়স থেকেই থেকেই লোকেরা উনাকে “পিজ-পিজ” বলে ডাকতে শুরু করে দিলেন। কারণ স্প্যানিশ ভাষায় পেন্সিল কে লোপিজ বলা হয় এ পিকাসো সর্বদা পেন্সিল হাতে নিয়ে ঘুরতেন। মাত্র ৭ বছর বয়সেই উনি ড্রয়িং করতে শুরু করেন।পিকাসোর মাতা-পিতা দুজনেই শিল্পী ছিলেন। উনার ভালো ড্রইং করার এটি অন্যতম কারণ।

পিকাসো অত্যন্ত মেহনতি ছিলেন। কারণ উনি এটা জানতেন যে – “মেহনতিই সামনের দিকে এগিয়ে চলার পথ দেখায় আর বিপত্তিকে ছোট হিসাবে মেনে নিলে বিজয়প্রাপ্ত হয় ! ”
এজন্য উনি দিনের বেলা ঘুমোতেন আর রাতে পেইন্টিং বানাতেন। পিকাসো নিজের পেইন্টিংয়ে চমকালো রঙের ব্যবহার করতেন। উনার এই আবিষ্কারকে ” কুবিষ্ট ” বলা হয়।

পিকাসো রিয়ালিস্টিক পেইন্টিংস বানাতেন। উনি ২য় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনার উপরে আধারিত পেইন্টিংসও বানিয়েছিলেন। পিকাসো চিত্রকরের সাথে সাথে এক মূর্তিকারও ছিলেন। উনি উনার জীবনে প্রায় ২৫০-এরও বেশি মূর্তি বানিয়েছে।

তার কাজের প্রতি ভালোবাসা তাকে সফলতার শিখরে পৌছিয়ে দিয়েছে। এজন্য বর্তমানে পিকাসো- কে বিশ্বের মহান শিল্পী হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে।

রিভিউয়ার : মাহিম।
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে সংগৃহিত।
তথ্যসূত্র : পাওয়ার অফ পসিটিভ থিংকিং।
বইটির লেখক: তরুণ ইঞ্জিনিয়ার।

My Presonal Accounts :

Mytwitter:

https://twitter.com/HermosoMahim/status/1257647044476493824?s=20

Facebook:

https://www.facebook.com/nit.mahim.5

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Movies

(Movie Kotha)

AVATAR নিউজ & রিভিউ

★মুভির নাম:Avatar♥
★ধরণ:science/fantasy
★মুক্তিসময়:10 December 2009
★দৈর্ঘ্য :১৬২ মিনিট।
★Imdb:7.8/10
★personal rating :9.99/10
★বাজেট:$237 millions

♦Review : মুভিলাভার,অথচ এই মুভি দেখে নাই,এরকম লোক পাওয়া তেমনটাই দুস্কর, যেমনটা রেফারেন্স ছাড়া চাকরি পাওয়া ব্যাক্তি।
ব্যাক্তিগতভাবে এটা আমার ২য় পছন্দের মুভি।
Avatar ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি
আমেরিকান সায়েন্স ফিকশান ছবি। প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক
জেমস ক্যামেরন ছবিটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন। এ ছবির মুখ্য চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন স্যাম ওয়ার্থিংটন, জো সালডানা, স্টিফেন লাং, মিশেল রড্রিগেজ, জোয়েল ডেভিড মুর, জিওভান্নি রিবিসি এবং সিগুর্নি উইভার৷ ছবির পটভূমি ২২শত শতাব্দীর মধ্যভাগ, যখন মানুষ আলফা সেনটাউরি তারকামন্ডলের একটি গ্যাসিয় গ্রহের মনুষ্যবসত উপযোগী উর্বর উপগ্রহ প্যানডোরায় আনঅবটেনিয়াম নামক একটি মূল্যবান খনিজ আহরণের জন্য খননকাজ শুরু করে ৷ খনিজ উপনিবেশ এলাকার ক্রমাগত সম্প্রসারণের ফলে এ উপগ্রহের স্থানীয় অধিবাসী নাভিদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে; প্যানডোরা উপগ্রহের আদিবাসী এই নাভিরা অনেকটা মানুষের মত দেখতে ৷ প্যানডোরার এই আদিবাসীদের সাথে যোগাযোগের জন্য একদল গবেষক জেনেটিক্যালি ইঞ্জিনিয়ারড নাভি ও মানুষের সংকর দেহ ব্যবহার করেন যা এই চলচ্চিত্রের নাম ৷

এই সিনেমাটি এখন পর্যন্ত ২য় সর্বোচ্চ অায় করা মুভি। জানেন কত আয় করেছে মুভিটা?
প্রথম শুনে থাকলে ছোটখাটো একটা শকও খেতে পারেন। আচ্ছা বলেই দেই,,এই মুভির আয় বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২৭০০০ কোটি টাকা।

বি:দ্র:💠 Avatar-2 মুক্তি পাওয়ার কথা 2021 সালের 16 ডিসেম্বর।
এর সাথে পর পর তিনটি সিকুয়েল রিলিজ হবে
Avatar – 3 , 2023 সালের 21 ডিসেম্বর,
Avatar – 4 , 2025 সালের 19 ডিসেম্বর এবং Avatar – 5 , 2027 সালের 17 ডিসেম্বর।
চারটি সিকুয়েলের জন্য 1 বিলিয়ন ডলার খরচ হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি সিকুয়েলে খরচ 250 মিলিয়ন পড়বে।
আশা করা যায় ভালো এবং বিস্ময়কর কিছু পেতে যাচ্ছে মুভি লাভারসরা।

⭐⭐⭐কমেন্ট স্টার⭐⭐⭐🌟 : (Imran) https://link.kotha.app/app/user/preview/34bj18p8m

(লিখনিতে আপনাদের ছোট্ট সদস্য sabbir2.1)

আমাদের পাশেই থাকুন ✅

ডাউনলোড লিঙ্ক এর জন্য জয়েন করুন ⏬⏬⏬

⏩Telegram link……… : t.me/Moviekotha

⏩Facebook page link : https://bit.ly/3gEtYWH

⏩Instagram link……… : https://bit.ly/2ArZw1m

⏩YouTube link…….. : https://bit.ly/36GxyeC

⏩mobile Kotha……… : https://bit.ly/36PVcFt

⏩Instagram……………: instagram.com/moviekotha/

🔵ব্যক্তিগত🔵

✅Facebook……………. : www.facebook.com/sabbirhussainsuman

✅Instagram…………… instagram.com/sabbir_hussain_sumon/

✅Kotha profile……….. : https://bit.ly/36Gx4VQ

✅Youtube channel….. : https://bit.ly/36GxyeC

বাসা থাকুন
সুস্থ থাকুন

ধন্যবাদ ❤

Categories
Mobile

স্যামসাং এর সেরা ৫টি ফোন ২০১৯ – কোনটি কিনবেন?

কিছুদিন আগেও স্যামসাং কোম্পানি লো, মিড ও হাই রেঞ্জ মোবাইলের বাজার দখল করে রেখেছিল। আর এখনও স্যামসাং তাদের কোয়ালিটি প্রোডাক্টের জন্য মিড ও হাই রেঞ্জে অন্যদের সাথে টক্কর দিচ্ছে। তবে,অ্যান্ড্রয়েড ফ্লাগশিপ কিলার বলতে গেলে স্যামসাংই একমাত্র কোম্পানি।

স্যামসাং এর বিভিন্ন স্মার্টফোনের মধ্যে গ্যালাক্সি সিরিজের ফোনগুলোই সম্ভবত সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এই সিরিজের ফোনগুলির একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এগুলো একটা আরেকটার কাছাকাছি, অনেকটা জোড়ায় জোড়ায় থাকা আর কি। যেমন, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৯ ও স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৯ প্লাস। এরকম কাছাকাছি হওয়ায় ক্রেতারা নিজেদের বাজেট আর ফোনের ফিচার দুইটার সমন্বয় করে পছন্দেরটি কিনে নিতে পারেন।

অন্যান্য স্মার্টফোন কোম্পানীর মতো প্রতি বছরই স্যামসাং বেশ কিছু স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে আসে। ২০১৯ সাল প্রায় সমাগত, আর এ বছর এ কোম্পানিটি যেসব স্মার্টফোন বাজারে এনেছে, সেগুলোর মাঝে সেরা ৫টি ফোন নিয়ে আমাদের আজকের স্মার্টফোন রিভিউ পোস্ট।

২০১৯ সালে স্যামসাং এর সেরা ফোন

১. Samsung Galaxy Fold

লাক্সারিয়াস বা বিলাসবহুল ফোন বলে যদি কিছু থাকে, সেটি হল স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোল্ড। ২০১৯ সালে মোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে সব থেকে বড় চমক স্যামসাং এর এই ফোল্ডেবল ফোন। প্রচুর ফিচার ও টেকনোলজিতে ভরপুর গ্যালাক্সি ফোল্ড ফোনটি। এটি মোবাইলকে একটি অন্য রুপ দিয়েছে, যা হতে পারে ভবিষ্যৎ মোবাইলের টেকনোলজি।

এতে দুইটি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। মোবাইলটি ফোল্ড করা অবস্থায় থাকবে একটি ডিসপ্লে এবং ফোল্ড খুললে আরও একটি বড় ডিসপ্লে থাকবে। ফলে আপনি একই সাথে মোবাইল ও ট্যাবের অনুভূতি পাবেন ফোনটি থেকে।

এছাড়াও, মোবাইলটিতে আপনি যে যে ফিচারগুলো পাবেন-

মেইন ডিসপ্লে: ৭.৩ ইঞ্চিস ডাইনামিক অ্যামোলেড (1536 x 2152 pixels)

কাভার ডিসপ্লে: ৪.৬ ইঞ্চিস সুপার অ্যামোলেড (720 x 1680 pixels)

প্রসেসর: স্নাপড্রাগন ৮৫৫

র‍্যাম/রোম: ১২জিবি/৫১২জিবি

ব্যাটারি: ৪৩৮০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার

ক্যামেরা:

ব্যাক-ক্যামেরা: 12 MP, f/1.5-2.4(মেইন) + 12 MP, f/2.4 (টেলিফটো) + 16 MP, f/2.2 (আলট্রাওয়াইড)
ফ্রন্ট-ক্যামেরা: 10 MP, f/1.9 + 8 MP, f/2.2
এই কিডনি ফোনটির দাম আনুমানিক ২,৩০,০০০টাকা। যাদের টাকা রাখার জায়গা নেই, তাদের জন্যই মূলত ফোনটি। সৌখিনতার অন্য একটি মাত্রা দিবে এটি।

২. Samsung Galaxy S10+

গ্যালাক্সি এস১০+ মোবাইলটি স্যামসাং এর সব থেকে ফিচারবহুল মোবাইল। এটিকে সবদিক থেকে বেস্ট মোবাইল বলা যায়। এতে রয়েছে শক্তিশালী প্রসেসর, ভাল ক্যামেরা, ভাল ডিসপ্লে, ওভারঅল বর্তমান বাজারের বেস্ট ফ্লাগশিপ মোবাইল।

চলুন একনজরে মোবাইলটির ফিচারগুলো দেখি-

ডিসপ্লে: ৬.৪ ইঞ্চিস ডাইনামিক অ্যামোলেড (1440 x 3040 pixels)

প্রসেসর: স্নাপড্রাগন ৮৫৫ অথবা এক্সিনস ৯৮20

র‍্যাম/রোম: ৮জিবি/১২৮জিবি, ৮জিবি/৫১২জিবি, ১২জিবি/১টিবি

ব্যাটারি: ৪১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার

ক্যামেরা:

ব্যাক-ক্যামেরা: 12 MP, f/1.5-2.4(মেইন) + 12 MP, f/2.4 (টেলিফটো) + 16 MP, f/2.2 (আলট্রাওয়াইড)
ফ্রন্ট-ক্যামেরা: 10 MP, f/1.9 + 8 MP, f/2.2
বাংলাদেশী বাজারে ফোনটির দাম ৬৩, ৯৯০ টাকার কাছাকাছি। ফ্লাগশিপ লাইনআপে আপনারও পছন্দের লিস্টে থাকতে পারে এই ফোনটি, যদি আপনার এই বাজেটে কোনও সমস্যা না থাকে।

৩. Samsung Galaxy Note 10+

গ্যালাক্সি নোট ১০+ এককথায় একটি প্রিমিয়াম ফোন। দাম না দেখলে নিঃসন্দেহে যে কানো প্রফেশনাল মানুষের পছন্দ হবে ফোনটি। প্রিমিয়াম ফোনের সকল স্বাদ দিবে গ্যালাক্সি নোট সিরিজের এই ফোনটি।

মোবাইলটির গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলো হল-

ডিসপ্লে: ৬.৮ ইঞ্চিস ডাইনামিক অ্যামোলেড (1440 x 3040 pixels)

প্রসেসর: স্নাপড্রাগন ৮৫৫ অথবা এক্সিনস ৯৮২৫

র‍্যাম/রোম: ১২জিবি/২৫৬জিবি, ১২জিবি/৫১২জিবি

ব্যাটারি: ৪৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার

ক্যামেরা:

ব্যাক-ক্যামেরা: 12 MP, f/1.5-2.4(মেইন) + 12 MP, f/2.1(টেলিফটো) + 16 MP, f/2.2(আলট্রাওয়াইড) + TOF 3D VGA
ফ্রন্ট-ক্যামেরা: 10 MP, f/2.2
আর মোবাইলটির সবথেকে মজার জিনিসটি হল এস পেন যা খুবই দরকারি একটি জিনিস। অনেকে এই পেনের জন্যই মোবাইলটি কিনে থাকেন। ফোনটির দাম বর্তমানে ৮০, ৯০০টাকা। যে কোন কর্পোরেট লাইফের সাথে মানিয়ে নেয়ার জন্য এটি যথেষ্ট।

৪. Samsung Galaxy A50s

স্যামসাং এর মিডরেঞ্জ ফোনগুলোর মধ্যে A50S কে নির্দ্বিধায় স্যামসাং এর সেরা ফোন বলতে পারেন। প্রিমিয়াম কিছু না দিলেও মিডরেঞ্জের অনন্যা ফোনগুলোকে টক্কর দেয়ার ক্ষমতা রাখে ফোনটি। দাম অনুযায়ী ভালো ডিসপ্লে, ক্যামেরা ও প্রসেসর অফার করছে ফোনটি।

Samsung Galaxy A50s এর প্রধান ফিচারগুলো হল-

ডিসপ্লে: ৬.৪ ইঞ্চিস সুপার অ্যামোলেড (1080 x 2340 pixels)

প্রসেসর: এক্সিনস ৯৬১১

র‍্যাম/রোম: ৪জিবি/৬৪জিবি, ৪জিবি/১২৮জিবি, ৬জিবি/১২৮জিবি

ব্যাটারি: ৪০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার

ক্যামেরা:

ব্যাক-ক্যামেরা: 48 MP, f/2.0(মেইন) + 5 MP, f/2.2(ডেফথ সেন্সর) + 8 MP, f/2.2(আলট্রাওয়াইড)
ফ্রন্ট-ক্যামেরা: 32 MP, f/2.0
বর্তমানে বাংলাদেশে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ২৬, ৫০০টাকায়। আপনি যদি স্যামসাং ফোন পছন্দ করেন আর বাজেট ২৫ হাজারের আশে-পাশে থাকে, তাহলে এটি হতে পারে আপনার জন্য স্যামসাং ফোনের সেরা পছন্দ।

৫. Samsung Galaxy A10s

স্যামসাং আর কম বাজেট দুইটা ঠিক মিলে না। তবে, A10s স্যামসাং এর এনট্রি লেভেল ইউজারদের জন্য। দাম কম হলেও ফোনটি মোটামুটি ভাল কিছুই দিচ্ছে।

ডিসপ্লে: ৬.২ ইঞ্চিস আইপিএস (720 x 1520 pixels)

প্রসেসর: মিডিয়াটেক হিলিও পি২২

র‍্যাম/রোম: ২জিবি/৩২জিবি, ৩জিবি/৩২জিবি

ব্যাটারি: ৪০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার

ক্যামেরা:

ব্যাক-ক্যামেরা: 13 MP, f/1.8(মেইন) + 2 MP, f/2.4(ডেফথ সেন্সর)
ফ্রন্ট-ক্যামেরা: 8 MP, f/2.0
১২, ০০০ টাকায় ফোনটি বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। লো-বাজেটের মধ্যে ফোনটি আপনাকে ভালো কিছুই অফার করছে যা আপনাকে মোটেই হতাশ করবেন না।

এছাড়া আরও কিছু প্রিমিয়াম মোবাইল আছে যা নিয়ে আলোচনা করা হয়নি।

Categories
Technology

টেকনোলজি সম্পর্কে জানতে চান? এখনই ফলো করুন Tech Kotha 😉

Categories
Lifestyle

Short Film

“Ekti Bhoyongkor Raat”

Categories
Lifestyle

Natok

“PROPOSE”

https://youtu.be/P3Chne0PXlY

Categories
Lifestyle

Natok

“Oh! My Darling”

Categories
Sports

স্টিফেন অ্যান্থনি বাকনর।

৩১ মে, ১৯৪৬ সালে জ্যামাইকার মন্টেগো বে এলাকার জন্মগ্রহণকারী সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ার। ক্রিকেট জগতে তিনি স্টিভ বাকনর নামেই সর্বাধিক পরিচিত। তিনি উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক থেকে ক্রীড়াজগতে কোচ হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফুটবল রেফারী এবং ক্রিকেট আম্পায়ার ছিলেন। ব্যাপকভাবে সম্মানিত এই আম্পায়ার ভয়ঙ্কর আঙুল উত্থাপনের আগে আলতোভাবে মাথা ঘোরানোর বৈশিষ্ট্য’র কারণে, “স্লো ডেথ বাকনর” নিকনেইম পেয়েছিলেন। তিনি ২০০২ সালে ডিকি বার্ডের ৬৬টেস্টে আম্পায়ারিংয়ের রেকর্ড ভাঙ্গার পর ২০০৫ সালে প্রথম আম্পায়ার হিসেবে ১০০ টেস্ট ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের রেকর্ডও নিজের করে করেন।

বাকনর আম্পায়ারিং ক্যারিয়ার শুরু করেন ১৯৭৮ সালে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে। ২২১টি লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারিং করার পর ১৯৮৮ সালে ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে আম্পায়ারিং শুরু করেন এবং এর একবছর পর স্টিভ বাকনরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক ঘটে ১৮ মার্চ, ১৯৮৯ সালে এন্টিগায় অনুষ্ঠিত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের মধ্যকার একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা পরিচালনার মাধ্যমে। এরপর ২৮ এপ্রিল-৩ মে, ১৯৮৯ সালে জ্যামাইকার কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে টেস্ট আম্পায়ারিংয়ে অভিষিক্ত হন । মাত্র ৪টেস্ট ও ১ ওয়ানডে ম্যাচে আম্পায়ারিং করার পরই অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আম্পায়াররূপে মনোনীত হন। তেমন অভিজ্ঞতা না থাকা স্বত্ত্বেও নিউজিল্যান্ডের ব্রায়ান অলড্রিজকে সাথে নিয়ে মূল ম্যাচে আম্পায়ারের গুরুদায়িত্ব পালন করেন।। এছাড়াও তিনি ১৯৯৬, ১৯৯৯, ২০০৩ এবং ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে আম্পায়ার ছিলেন। তন্মধ্যে ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিজ দেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সবকটি বিশ্বকাপের ফাইনালেই তিনি আম্পায়ারিং করেছিলেন।

২০১১ সাল অবধি অবসর নেওয়ার কথা না থাকায় তাঁর ক্যারিয়ার আরও বাড়ানো যেত, তবে তাঁর শেষ বছরগুলিতে শাস্তিযুক্ত কাজের চাপ তার অবসরের পদক্ষেপ নিতে শুরু করে এবং কয়েকটি বড় ধরনের ত্রুটির মাধ্যমে নিজের নির্দোষ খ্যাতিকে কলঙ্কিত করেছিল। ভুল ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা কম নয়, যার কারণে এপ্রিল ২০০৭ এ বিশ্বকাপের ফাইনালে আম্পায়ারিং করার পর তার ক্যারিয়ার শেষের পথে এসে দাঁড়ায় এবং সেপ্টেম্বরে টি-টোয়েন্টি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য তাকে স্থগিত করে দেয় আইসিসি । পরের মাসগুলিতে বিষয়গুলি ধীরে ধীরে খারাপ হতে থাকে, ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে সিডনিতে দ্বিতীয় টেস্টে ভারতকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পরে পার্থে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যকার তৃতীয় টেস্টে তাকে আইসিসি কর্তৃক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) নিশ্চিত করেন যে, মার্চ ২০০৯ থেকে স্টিভ বাকনর আম্পায়ার হিসেবে আর মাঠে উপস্থিত থাকবেন না অর্থাৎ খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর গ্রহণ করবেন। তার সর্বশেষ আম্পায়ারিং টেস্ট ম্যাচ ছিল কেপ টাউনে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ৩য় টেস্টটি। একদিনের আন্তর্জাতিকে তার সর্বশেষ পদচারণা ঘটেছে ২৯ মার্চ, ২০০৯ তারিখে বার্বাডোসে অনুষ্ঠিত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ৪র্থ ওডিআইয়ে। এর মাধ্যমেই তার বর্ণাঢ্য ২০ বছরের আম্পায়ারিং জীবনের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে। তার চূড়ান্ত আম্পায়ারিং টেস্ট খেলা শুরুর পূর্বে আইসিসি কতৃক পুরস্কার প্রদান করা হয়। খেলার শুরুতে সকল স্তরের দর্শক এবং খেলোয়াড়গণ দাঁড়িয়ে তার প্রতি সশ্রদ্ধ অভিনন্দন ও সম্মাননা প্রদান করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার সর্বশেষ আম্পায়ারিং ম্যাচে তার সুদীর্ঘ ২০ বছরের আম্পায়ারিং ক্যারিয়ারের স্মরণীকা বিশাল টেলিভিশনের পর্দায় উপস্থাপন করা হয়।

ক্যারিয়ারঃ 
বাকনর ১৯৮৯ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সর্বমোট ১২৮টি টেস্ট ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন। 
এই সময়ে তিনি সর্বমোট ১৮১টি ওয়ানডে ম্যাচেও আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৯২ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ৫টি ওয়ানডে বিশ্বকাপে সর্বমোট ৪৪টি ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই আম্পায়ার, যার মধ্যে রয়েছে ৫টি বিশ্বকাপ ফাইনালে আম্পায়ারিংয়ের বিরল রেকর্ড!
আন্তর্জাতিক আম্পায়ারিংয়ে অভিষেকের আগে ১৯৮৮ সাল থেকে মোট ১৭২টি ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন তিনি৷ 
এছাড়াও ১৯৭৮ সাল থেকে তিনি সর্বমোট ২২১টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন।

এর আগে ষাটের দশকে জ্যামাইকান পারিশ লীগে ফুটবল গোলকিপিং করতেন। এছাড়াও ১৯৮৮ সালে তিনি ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের একটি ম্যাচে মূল রেফারির দায়িত্ব পালন করেন।

অর্জনসমূহঃ
স্টিভ বাকনরের রয়েছে প্রথম আম্পায়ার হিসেবে ৫টি বিশ্বকাপে আম্পায়ারিংয়ের বিরল রেকর্ড, যার মধ্যে সবকটি বিশ্বকাপেরই ফাইনালে তিনি আম্পায়ার ছিলেন!
স্টিভ বাকনর প্রথম আম্পায়ার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে শত ম্যাচ আম্পায়ারিং করার রেকর্ড করেন।
আলীম দার নিজের করে নেয়ার আগে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আম্পায়ার হিসেবে সর্বোচ্চ টেস্ট ম্যাচে দায়িত্ব পালনের রেকর্ড তার দখলে ছিলো।
২০০২ সালে আইসিসির আম্পায়ারিং এলিট প্যানেলে জায়গা করে নেন এই আম্পায়ার। 
২০০৭ সালে, বছরের সেরা আম্পায়ার লিস্টে নাম মনোনীত হয়েছিলো বাকনরের।
১০০ ওয়ানডে ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের জন্য তিনি আইসিসির পক্ষ থেকে ‘ব্রোঞ্জ বেইলস এওয়ার্ড’ লাভ করেন।
এরপর ১০০টেস্ট ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের জন্য তিনি আইসিসির পক্ষ থেকে ‘গোল্ডেন বেইলস এওয়ার্ড ‘ লাভ করেন। 
এছাড়াও ২০০৭ সালের অক্টোবরে ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘কমান্ডার ক্লাসে’ ‘অর্ডার অফ জ্যামাইকা ‘ বা ‘ওজে’ পদকে ভূষিত হন।

৬ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার সাবেক সফল ও প্রশ্নবিদ্ধ আম্পায়ার আজ পা দিলেন ৭৪ বছরে।
৭৪তম জন্মদিনে রইলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।

শুভ জন্মদিন স্টিভ বাকনর।

Reviewer : Argha Majumder.

Categories
Photography

গোধূলি বেলার গল্প

ক্যাটেগরি : Silhouette

ক্যামেরা এবং লেন্স : Samsung Galaxy J1

ছবির বিষয়বস্তু : সন্ধ্যা বেলা যখন মানুষ ঘরে ফেরার সময় হয় তখন মানুষ নিজ নিজ ঘরে ফিরে যায়।তেমনিভাবে আমার খালাতো ভাই তার সাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিল তখন সময় তার সাথে আমার দেখা সাথে ছিল আমার বোন নিঝুম আমি ভাবলাম সন্ধ্যা বেলার এই সুন্দর মূহুুর্ত টা না হয় ক্যামেরা বন্দী করে রাখি।

স্থান : চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ, সিলেট

তারিখ : ৩০-০৫-২০২০

ফটোগ্রাফার : Rony Chowdhury

ফেইসবুক : https://www.facebook.com/chowdhury.sapuyan

ইমেইল : [email protected]

প্রদর্শনী ও পুরস্কার : Monochrome Canvas
Photo of the day
14-05-2020

Reviewer : Abdullah Bin Tamim

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bgaz298
Facebook :
https://www.facebook.com/anantamim04

Categories
Lifestyle

SSC Examinees can get the results from the education board website

http://www.educationboardresults.gov.bd/

Categories
Lifestyle

Natok “Mim Fashion & Beauty”

Categories
Lifestyle

BREAKING Coronavirus updates in Bangladesh in last 24 hours (May 31, 2020)

Deaths: 40
Infected: 2,545
Recovered: 406
Tested: 11,876

Source: DGHS