Categories
Mobile

বাংলাদেশে তৈরী ভিডিও গেম

গেম এর নাম : Zero Hour.

Best wishes From cyber 71 Family

Categories
Health

তুলসি পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা

◽তুলসি পাতার উপকারিতা :

তুলসী একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। সুগন্ধিযুক্ত, কটু তিক্তরস, রুচিকর। এটি সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বিশেষ করে কফের প্রাধান্যে যে সব রোগ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে তুলসী বেশ ফলদায়ক। মানুষ একসময় প্রকৃতি থেকেই তাঁর অসুখ বিশুখের পথ্য আহরন করতো। বিভিন্ন গাছ , লতা , পাতা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হতো। এসবে কোন পার্স প্রতিক্রিয়া নেই। মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে, এসবকে পরিত্যাগ করছে। তবে চীন এবং ভারতে এই ভেষজ চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক গবেষণা হচ্ছে।

১। নিরাময় ক্ষমতা

তুলসী পাতার অনেক ঔষধি গুনাগুণ আছে। তুলসি পাতা নার্ভ টনিক ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি কারী। এটা শ্বাস নালী থেকে সর্দি–কাশী দূর করে। তুলসীর ক্ষত সারানোর ক্ষমতা আছে। তুলসী পাকস্থলীর শক্তি বৃদ্ধি করে ও অনেক বেশি ঘাম নিঃসৃত হতে সাহায্য করে।

২। জ্বর ভালো করে

তুলসীর জীবাণু নাশক, ছত্রাক নাশক ও ব্যাক্টেরিয়া নাশক ক্ষমতা আছে। তাই এটা জ্বর ভালো করতে পারে। সাধারণ জ্বর থেকে ম্যালেরিয়ার জ্বর পর্যন্ত ভালো করতে পারে তুলসী পাতা।

– আধা লিটার পানিতে কিছু তুলসী পাতা ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে ফুটিয়ে নিন
– এক্ষেত্রে তুলসী ও এলাচ গুঁড়ার অনুপাত হবে ১:০.৩
– জ্বাল দিতে দিতে মিশ্রণটিকে অর্ধেক করে ফেলুন
– মিশ্রণটির সাথে চিনি ও দুধ মিশিয়ে ২-৩ ঘণ্টা পর পর পান করুন
– এই মিশ্রণটি শিশুদের জন্য অনেক কার্যকরী।

বিভিন্ন প্রকার জ্বরে তুলসীপাতার রসের ব্যবহার অনেকটা শাস্ত্রীয় বিষয় হিসেবে পরিচিত। বিশেষত ঋতু পরিবর্তন হেতু যে জ্বর, ম্যালেরিয়া জ্বর এবং ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসায় এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে সমাজে। এর জন্য কচি তুলসীপাতা চায়ের সাথে সেদ্ধ করে পান করলে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ হয়ে থাকে।

▫একিউট জ্বরে তুলসীপাতার সেদ্ধ রসের সাথে এলাচিগুঁড়া এবং চিনি ও দুধ মিশিয়ে পান করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। গলক্ষতের জন্য তুলসীপাতা সেদ্ধ পানি পান করলে এবং গারগল করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

তুলসী পাতার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে ফুসফুসীয় সমস্যায়। ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাজমা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কাশি এবং ঠাণ্ডাজনিত রোগে তুলসী পাতার রস, মধু ও আদা মিশিয়ে পান করলে উপশম পাওয়া যায়। ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে তুলসী পাতার রস, লবণ ও লবঙ্গ মিশিয়ে পান করলে ফল পাওয়া যায়। এ ধরনের রোগের ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতা আধা লিটার পানিতে সেদ্ধ করতে হয় ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষন তা অর্ধেকে পরিণত হয়।

৩। ডায়াবেটিস নিরাময় করে

তুলসী পাতায় প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও এসেনশিয়াল অয়েল আছে যা ইউজেনল, মিথাইল ইউজেনল ও ক্যারিওফাইলিন উৎপন্ন করে। এই উপাদান গুলো অগ্নাশয়ের বিটা সেলকে কাজ করতে সাহায্য করে( বিটা সেল ইনসুলিন জমা রাখে ও নিঃসৃত করে)। যার ফলে ইনসুলিন এর সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। এতে ব্লাড সুগার কমে এবং ডায়াবেটিস ভালো হয়।

৪। কিডনি পাথর দূর করে

রক্তের ইউরিক এসিড-এর লেভেলকে কমতে সাহায্য করে কিডনিকে পরিষ্কার করে তুলসী পাতা। তুলসীর অ্যাসেটিক এসিড এবং এসেনশিয়াল অয়েল এর উপাদান গুলো কিডনির পাথর ভাঙতে সাহায্য করে ও ব্যাথা কমায়। কিডনির পাথর দূর করার জন্য প্রতিদিন তুলসী পাতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এভাবে নিয়মিত ৬ মাস খেলে কিডনি পাথর দূর হবে।

৫। ক্যান্সার নিরাময় করে

তুলসীর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি কারসেনোজেনিক উপাদান ব্রেস্ট ক্যান্সার ও ওরাল ক্যান্সার এর বৃদ্ধিকে বন্ধ করতে পারে। কারণ এর উপাদানগুলো টিউমারের মধ্যে রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। উপকার পেতে প্রতিদিন তুলসীর রস খান।

৬। তুলসীপাতার রস শিশুদের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষত শিশুদের ঠাণ্ডা লাগা, জ্বর হওয়া, কাশি লাগা, ডায়রিয়া ও বমির জন্য তুলসীপাতার রস ভালো কাজ করে। জলবসন্তের পুঁজ শুকাতেও তুলসীপাতা ব্যবহৃত হয়।

৭। মানসিক চাপ কমায়: মানসিক চাপে অ্যান্টিস্ট্রেস এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিক অবসাদ প্রশমনে এমনকি প্রতিরোধে তুলসী চমৎকার কাজ করে। কোনো সুস্থ ব্যক্তি যদি প্রতিদিন অন্তত ১২টি তুলসীপাতা দিনে দু’বার নিয়মিত চিবাতে পারেন তাহলে সেই ব্যক্তি কখনো মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হবেন না বলে গবেষকরা জানিয়েছেন। কর্টিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে মানসিক চাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে তুলসি পাতা। স্নায়ু শিথিল করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, যা মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী ফ্রি রেডিকলকে নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত অবসাদ এবং মানসিক চাপ অনুভূত হলে ১০ থেকে ১২টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন, উপকৃত হবেন।তুলসীর স্ট্রেস কমানোর ক্ষমতা আছে। সুস্থ মানুষও প্রতিদিন ১২ টি তুলসী পাতা চিবালে স্ট্রেস মুক্ত থাকতে পারবেন।

৮। মুখের ঘা দূর করতেঃ তুলসী পাতা মুখের আলসার ভালো করতে পারে। মুখের ঘা শুকাতেও তুলসীপাতা ভালো কাজ করে। মুখের ইনফেকশন দূর করতে তুলসীপাতা অতুলনীয়। প্রতিদিন কিছু পাতা (দিনে দুবার) নিয়মিত চিবালে মুখের সংক্রমণ রোধ করা যেতে পারে। চর্মরোগে তুলসীপাতার রস উপকারী। দাউদ এবং অন্যান্য চুলকানিতে তুলসীপাতার রস মালিশ করলে ফল পাওয়া যায়। ন্যাচার অ্যাথিতে শ্বেতীরোগের চিকিৎসায় তুলসীপাতার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

৯। মাথা ব্যথা ভালো করতে পারে।এর জন্য চন্দনের পেস্ট এর সাথে তুলসী পাতা বাটা মিশিয়ে কপালে লাগালে মাথাব্যথা ভালো হবে।

১২। তুলসী পাতা রক্ত পরিষ্কার করে, কোলেস্টেরল কমায় ।

১৩। পোকায় কামড় দিলে তুলসীর রস ব্যবহার করলে ব্যথা দূর হয়।

১৪। ডায়রিয়া হলে ১০ থেকে বারোটি পাতা পিষে রস খেয়ে ফেলুন।

১৫। তুলসীর বীজ গায়ের চামড়াকে মসৃণ রাখে। বীজ সেবনে প্রস্রাবের মাত্রা বেড়ে থাকে।

১৬। চোখের ক্ষতে এবং রাতকানা রোগে নিয়মিত তুলসীপাতার রস ড্রপ হিসেবে ব্যবহারে ফল পাওয়া যায়। দাঁতের সুরক্ষায় তুলসীপাতা শুকিয়ে গুঁড়া করে দাঁত মাজলে দাঁত ভালো থাকে। এ ছাড়া সরিষার তেলের সাথে তুলসীপাতার গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে দাঁত মাজলেও দাঁত শক্ত থাকে। মুখের দুর্গন্ধ রোধে তুলসীপাতার মাজন ভালো ফল দিয়ে থাকে।

১৭। তুলসীর বীজ পানিতে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই পানিতে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকার হয়। এছাড়াও তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ।

১৮। মুখে বসন্তের কাল দাগে তুলসীর রস মাখলে ঐ দাগ মিলিয়ে যায়। হামের পর যে সব শিশুর শরীরে কালো দাগ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে তুলসী পাতার রস মাখলে গায়ে স্বাভাবিক রং ফিরে আসে।

১৯। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চেবান ৷

২০। ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান ৷

২১। কোন কারনে রক্ত দূষিত হলে কাল তুলসিপাতার রস কিছুদিন খেলে উপকার পাওয়া যায়। শ্লেষ্মার জন্য নাক বন্ধ হয়ে কোনো গন্ধ পাওয়া না গেলে সে সময় শুষ্ক পাতা চূর্ণের নস্যি নিলে সেরে যায়। পাতাচূর্ণ দুই আঙ্গুলের চিমটি দিয়ে ধরে নাক দিয়ে টানতে হয়, সেটাই নস্যি।

২২। তুলসি পাতার রসে লবন মিশিয়ে দাদে লাগালে উপশম হয়।

২৩। যদি কখনও বমি কিংবা মাথা ঘোরা শুরু করে, তাহলে তুলসী রসের মধ্যে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

২৪। সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে রস পান করলে খাবার রুচী বাড়ে।

২৫। ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে ৷

২৬। তুলসী মূল শুক্র গাঢ় কারক। তুলসী পাতার ক্বাথ, এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরী পান করলে ধাতুপুষ্টি সাধিত হয় যতদিন সম্ভব খাওয়া যায়। এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে যৌনদূর্বলতা রোগ সেরে যায়।

২৭। চোখের সমস্যা দূর করতে রাতে কয়েকটি তুলসী পাতা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ওই পানি দিয়ে সকালে চোখ ধুয়ে ফেলুন।

২৮। শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালাপোড়া কমে যাবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে এবং পোড়া দাগ ওঠে যাবে।

২৯। চর্মরোগে তুলসী পাতা দূর্বাঘাসের ডগার সংগে বেটে মাখলে ভালো হয়ে যায়।

৩০। পেট খারাপ হলে তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য জিরের সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খান ৷ হাগু একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে!!! মানে পায়খানার ওই সমস্যাটা আর কি!

৩১। মানবদেহের যেকোনো ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে তুলসীর পাতা অবদান অপরিসীম।

▫ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Movies

See (2019-)(s01)

© Rakib ভলেন্টিয়ার Movie kotha

IMDb : 7.6
এক্যুয়ামেন (baba) অভিনয় করছে । হা, এটাই দেখলাম সিরিজে ।
কাহিনী : এমন একটা ভবিষ্যৎ সময় যেখানে অজানা কারনে সব মানুষ অন্ধ থাকে এবং এতটাই ভবিষ্যৎ যে, মানুষ অন্ধ হবে এটাই স্বাভাবিক, কখনো চোখে দেখতে পেত সেটা ভুলে গেছে। বৈজ্ঞানিকভাবেই বলা আছে মানুষ পঞ্চইন্দ্রীয় এর কোন একটা কাজ না করলে বাকি চারটা অস্বাভাবিক অসাধারন কাজ দেয়, সেই কারনে বলতে পারেন পুরা ডেয়ারডেভিলদের বংশে ভরা এই পৃথিবীটি। অসংখ্য ছোট ছোট tribe এর একটিতে নায়ক থাকে তার গর্ভবতী স্ত্রী নিয়ে তাও গর্ভের সন্তান অন্য একজনের। এই সন্তান খুজতে ও জব্দ করতে তৎকালীন রানী(kane) তার সেনা(witchfinder) পাঠায় কারন সারা দুনিয়াতে কেবল এই সন্তানদের(জমজ) আছে power of light ,মানে দৃষ্টিশক্তি । আর baba তার দলবলসহ বাচ্চাদুটো পালন করতে অনিশ্চিত পরীক্ষার দিকে পা বাড়ায়।
.
.
……….. ……
SPOILER :
……….. ……
.
.
মূলত survival ধরনের সিরিজ । এই জমজদের আসল বাপ (জিরলাম্রেল ) একজন পাকা playboy। সে দৈবক্রমে জন্মথেকেই দৃস্টি লাভ করায় এর সুবিধা নিছে, সে নানা tribe এ ঘুরে ঘুরে এরম বাচ্চা রেখে আইছে আর সবাইরে (মা দের) গোপনে বলে দিছে বাচ্চারা ১২ বছর পর তার দেয়া ক্লু ধরে দূরবর্তী একস্থানে দেখা করবে। এদিকে ১২বছরপর, witchfinder এর দাবরানি খায়ে জিরলাম্রেল এর বলা রাস্তায় ‘বাত্তিরবাসা'(house of enlightenment) র দিকে যেতে থাকে baba তার বউ পোলাপান কোফুন ,হানিওয়া নিয়া এবং গিয়ে অনেক দৃষ্টিধারী ছেলে মেয়ে ায় জা জির এরই সন্তান । জির আপতপক্ষে army of sighted বানাচ্ছে যেহেতু শত শত বছর পর সে ই প্রথম দৃষ্টি পাইছে, তাই নিজেকে choosen one ভাবছে , দুনিয়া বদলাবে। তার লক্ষন খুব সুবিধার না তা বুঝতে পারছে যখন হানিওয়াকে এক জেনারেল এর কাছে বেচে দেয় জির। সিজন শেষে জির কে বাবা অন্ধ করে হানি কে উদ্ধার করতে যায় কোফুনকে নিয়ে । পোস্ট বড় না হয় তাই কিছু গুরুত্বপূর্ন চরিত্রের নাম ও ঘটনা এড়িয়ে গেছি ।
…..
অতিরিক্ত কথা :
…..
১. ডেয়ারডেভিল না দেখলে এই সিরিজ মেমরীকার্ড এ ভরে পানিতে ফেলে দিতাম
২. এই sighted পৃথিবীতে মানুষ যতটা না শালীন , surprisingly , এই unsighted পৃথিবীতে প্রচন্ড শালীন ( dont take it otherwise 😒)
৩. যারা বই কি তাই চেনে না, নৌকা কি বুঝে না , তারা দিব্বি রেশম মথ দিয়া চরকা কাইটা সুতা কাপড় বানাচ্ছে বিষয়টা ভৌতিক
৪. জেনারেল যে আধুনিক জুতা পরছে তাতে ভাবতেছি জুতা কারখানায় sighted কেউ আছে কিনা

YouTube video Moviekotha ⏩

আমাদের পাশেই থাকুন ✅

ডাউনলোড লিঙ্ক এর জন্য জয়েন করুন ⏬⏬⏬

⏩Telegram link……… : t.me/Moviekotha

⏩YouTube link…….. : https://bit.ly/36GxyeC

⏩Instagram……………: instagram.com/moviekotha/

📌মুভি লাভারদের মত কেউ মোবাইল লাভার হন এখনি ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল Mobile kotha account থেকে 🔜👇👇👇 ⏩mobile Kotha……… : https://bit.ly/36PVcFt

IMDB Rating: 8.5

Categories
Mobile

করোনায় সাধ ও সাধ্যের সমন্বয়ে দৃষ্টি স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোর

বর্তমান ঘরবন্দি জীবনে ক্রেতারা ভিডিও এবং ফটোগ্রাফির পাশাপাশি ভালো পারফরমেন্সের ফোন কিনতে চান। বেশি দামের ফোনে তা পাওয়া সম্ভব হলেও- এখন অনেকের পক্ষেই সেগুলো কেনা কঠিন। কেননা, করোনাকালে স্মার্টফোনের উপর মানুষের নির্ভরতা বাড়লেও- কমেছে ক্রয়ক্ষমতা।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনাকালীন সময়ে, মধ্য ক্রয়সীমার ফোন বেচাকেনা বেড়েছে। তাই স্মার্টফোন ব্রান্ডগুলোর নজরও এখন মিডরেঞ্জ ফোনের দিকে। পাশাপাশি, ফোনের ব্যাটারির মান ও গতির দিকেও খেয়াল রাখছেন তারা।

বাজারে এ সময়ে আসা মিডরেঞ্জ ফোনগুলোর মধ্যে- পারফরমেন্স, দাম ও বৈচিত্র্য বিবেচনায় ভিভোর ওয়াই৫০ এগিয়ে রয়েছে। আর সংখ্যা বিবেচনায় শাওমি সবচেয়ে বেশি মিডরেঞ্জের ফোন বাজারে এনেছে। এক সময়ের ফিচার ফোনের শীর্ষ দুই ব্র্যান্ড নকিয়া এবং এলজি নতুন ফোন বাজারে আনেনি।

করোনাকালীন বাজারে আসা স্মার্টফোনগুলো হলো- স্যামসাং এম৩১, ভিভো ওয়াই ৫০, হুয়াওয়ে ওয়াই সেভেনপি, অপো এ৩১, রিয়েলমি সিক্স আই এবং রেডমি নোট ৯ প্রো, রেডমি নোট ৯ এস ও রেডমি নোট ৯।

স্যামসাং এম৩১: স্যামসাং এম৩১ ফোনের র্যাম ৪ জিবি এবং রম ৬৪ জিবি। ফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৪ ইঞ্চির অ্যামোলোয়েড ডিসপ্লে। রয়েছে ৬০০০ এমএএইচ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি। স্যামসাং এম৩১ এর মূল্য ২৩,৯৯৯ টাকা।
হুয়াওয়ে ওয়াই সেভেনপি: ফোনটির র্যাম ৪ জিবি ও রম ৬৪ জিবি। ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারির সাথে ফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৩৯ ইঞ্চির ডিসপ্লে। হুয়াওয়ে ওয়াই সেভেনপি’র মূল্য ১৮ হাজার ৯৯৯ টাকা।

ভিভো ওয়াই৫০: ভিভো ওয়াই৫০ ফোনের র্যাম ৮ জিবি ও রম ১২৮ জিবি। ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারির সাথে ফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৫৩ ইঞ্চির বিশাল আইভিউ ডিসপ্লে। এ বৈশিষ্ট্যের ফোন ও মিডরেঞ্জের ফোনগুলোর মধ্যে ভিভো ওয়াই ৫০ এর মূল্য সবচেয়ে কম। ফোনটির মূল্য ২২,৯৯০ টাকা।

অপো এ৩১: রিয়েলমি সিক্স আইয়ের সাথে একই সময়ে একই ক্রয়সীমার মধ্যে বাজারে আসে অপো’র এ৩১। ফোনটির র্যাম ৪ জিবি ও রম ১২৮ জিবি। দাম ১৬,৯৯০। ৪২৩০ এমএএইচ ব্যাটারি। ৬ দশমিক ৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে। ফোনটির মূল্য ১৬,৯৯০ টাকা।

রিয়েলমি সিক্স আই: মিডিয়াটেকের হেলিও জি ৮০ চিপসেটসহ রিয়েলমি সিক্স আই ফোনটি বাজারে আনে অপোর সাব-ব্রান্ড রিয়েলমি। ফোনটির র্যাম ৪ জিবি ও রম ১২৮ জিবি। ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারির এই ফোনের ডিসপ্লেটি ৬ দশমিক ৫ ইঞ্চির। ফোনটির দাম ১৬ হাজার ৯৯০ টাকা। ব্যাটারির ক্ষমতার পার্থক্য ছাড়া অপো এ৩১’র সঙ্গে এর তেমন কোনো পার্থক্য নেই।

এছাড়াও রেডমি নোট ৯ প্রো, রেডমি নোট ৯ এস ও রেডমি নোট ৯: চলতি মাসে একসঙ্গে নোট সিরিজের তিনটি ফোন উন্মোচন করে শাওমি। এর মধ্যে রেডমি নোট ৯ প্রো এবং রেডমি নোট ৯ এস-দুটি আলাদা ভেরিয়েন্টে বাজারে এসেছে। ৬ জিবি র্যাম ও ৬৪ জিবি রমের রেডমি নোট ৯ প্রো’র মূল্য ২৬,৯৯৯ টাকা। অন্যদিকে ৬ জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি রম সংস্করণটির মূল্য ২৮,৯৯৯ টাকা।

রেডমি নোট ৯ এসও দুটি সংস্করণে বাজারে এসেছে একটির র্যাম ও রম ৪ ও ৬৪ জিবি। এবং অন্যটির র্যাম ও রম ৬ ও ১২৮ জিবির। দুটি সংস্করণের মূল্য ২২,৯৯৯ ও ২৫,৯৯৯ টাকা। এই সিরিজের আরেকটি ফোন রেডমি নোট ৯। এই ফোনের র্যাম ৪ জিবি ও রম ১২৮ জিবি। ফোনটির মূল্য ১৯,৯৯৯ টাকা।

Update YouTube video :

⏩⏩ https://youtu.be/-qVvPK9S-p0

⏩⏩ https://youtu.be/FtEaFXyXP9k

মোবাইল এর পাশাপাশি যদি আপনি মুভি লাভার হন তবে এখনি আমাদের পাশেই থাকুন ✅ মুভি ডাউনলোড লিঙ্ক এবং নিউজ এর জন্য জয়েন করুন ⏬⏬⏬

⏩Telegram link……… : t.me/Moviekotha

⏩Facebook page link : https://bit.ly/3gEtYWH

⏩Instagram link……… : https://bit.ly/2ArZw1m

⏩YouTube link…….. : https://bit.ly/36GxyeC

⏩mobile Kotha……… : https://bit.ly/36PVcFt

⏩Instagram……………: instagram.com/moviekotha/

🔵
বাসা থাকুন
সুস্থ থাকুন

ধন্যবাদ ❤

Categories
Life Hacks

কালোজিরার নানা ধরনের গুণাগুণ

◽কালোজিরার গুণাগুণ :

১৫-১৬ টি কালোজিরা ছোট ১ টি পিয়াজ ও ২ চামচ মধু সহ বিকালে বা রাতে খেলে চির যৌবন রক্ষা হয়। সকালে খালি পেটে ১২-১৩ ফোটা কালোজিরার তেল ও ১৫-১৬ ফোঁটা মধু খেলে ডায়াবেটিসের উপকার হয়। ১০/১২ ফোঁটা কালোজিরার তেল গরম পানিতে মিশিয় খেলে বাত রোগের উপকার হয়।

▫জেনে নেয়া যাক আরো কিছু গুণাগুণ:

১। হজমের সমস্যায় ১-২ চা-চামচ কালোজিরা বেটে পানির সঙ্গে খেতে থাকুন। এভাবে প্রতিদিন দু-তিন বার খেলে এক মাসের মধ্যে হজম শক্তি বেড়ে যাবে। পাশাপাশি পেট ফাপা ভাবও দূর হবে।

২। জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশিতে ১ চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও ২ চা-চামচ তুলসি পাতার রস মিশিয়ে প্রতিদিন একবার সেবন করুন। কালোজিরা বেটে কপালে প্রলেপ দিন যদি সর্দি বসে যায়। একই সঙ্গে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালোজিরা বেধে শুকতে থাকুন, শ্লেষ্মা তরল হয়ে ঝরে যাবে। তাড়াতাড়ি ভালো ফল পেতে বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করুন।

৩। মায়েদের বুকের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে প্রতিদিন রাত্রে শোবার আগে ৫-১০ গ্রাম কালোজিরা মিহি করে দুধের সঙ্গে খেতে থাকুন। ইনশাল্লাহ মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালোজিরার ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন।

৪। কপালের দুই পাশ এবং কানের পাশে দিনে ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুন মাথা ব্যথা ভালো হয়ে যাবে।

৫। নিয়মিত কালোজিরা খান। এটি মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়। যার দরুন স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। এর সঙ্গে এটি প্রাণশক্তি বাড়ায় ও ক্লান্তি দুর করে।

৬। কালোজিরা লিভার ক্যান্সারের জন্য দায়ী আফলাটক্সিন নামক বিষ ধ্বংস করে। তাই যারা লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত তারা আজ থেকে খেতে শুরু করে দিন।

৭। চুল পড়া রোধে কালোজিরা নিয়মিত ভাবে খান এতে আপনার চুল পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে। ফলে চুল পড়া বন্ধ হবে। আর ভালো ফল পেতে চুলের গোড়ায় এর তেল মালিশ করতে থাকুন।

৮। ডায়াবেটিকস রোগিরা এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে একসময় ডায়াবেটিকস কমে যাবে।

৯। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কালোজিরার তেল ব্যবহার করুন। শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি দূর করে। হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করে।

১০। পক্ষাঘাত (প্যারালাইসীস ও কম্পন) রোগে কালোজিরার তেল মালিশ করলে আশ্চর্যজনক ফল পেতে পারেন।

১১। কালোজিরা যৌন ব্যাধি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্যও অতি উৎকৃষ্ট ঔষুধ।

১২। শুলবেদনা ও প্রসুতি রোগে কালোজিরা অত্যধিক উপকারী। ব্রুনের জন্যও এটি উত্তম ঔষধ।

১৩। মূত্রথলির পাথর ও জন্ডিস থেকে আরোগ্য লাভ করতে কালোজিরা খান নিয়মিত যতবার পারেন।

১৪। অধিক ঋতুস্রাব, মাত্রাতিরিক্ত পেশাব প্রতিরোধ করতে কালোজিরার উপকারিতা অপরিসীম। এটি কৃমি নাশক।

১৫। কালোজিরা রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

১৬। নিয়মিত কালোজিরা সেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করে।

১৭। ভাত, তরকারী ইত্যদির সাথে কালোজিরা মিশিয়ে খান রোগ শোক থেকে দূরে থাকুন।

▫বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কালোজিরার আর কিছু স্বাস্থ্য
উপকারিতা:

কালোজিরাকে সব রোগের ঔষধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অন্যান্য সব ভেষজের মতো কালোজিরা নিয়েও গবেষণা কম হয়নি। ১৯৬০ সালে মিশরের গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, কালোজিরায় বিদ্যমান নাইজেলনের কারণে হাঁপানি উপশম হয়।

জার্মানি গবেষকরা বলেন, কালোজিরার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইকেটিক প্রভাব রয়েছে। এটি বোনম্যারো ও প্রতিরক্ষা কোষগুলোকে উত্তেজিত করে এবং ইন্টারফেরন তৈরি বাড়িয়ে দেয়। আমেরিকার গবেষকরা প্রথম কালোজিরার টিউমার বিরোধী প্রভাব সম্পর্কে মতামত দেন। শরীরে ক্যান্সার উৎপাদন ফ্রি-রেডিকেল অপসারিত করতে পারে কালোজিরা। মোটকথা, কালোজিরা সব ধরনের রোগের বিরুদ্ধে তুলনাহীন। আসুন জেনে নেই কালোজিরার এমন কিছু ব্যবহার, যেগুলো একেবারেই অপ্রচলিত।

১।স্মরণশক্তি বৃদ্ধিতে: 

কালোজিরা মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। প্রতিদিন নিয়ম করে আধা চা-চামচ কাঁচা কালোজিরা অথবা এক চা-চামচ কালোজিরার তেল খান।

২।চুল পড়া রোধে: 

কালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌছে দিয়ে চুল পড়া রোধ করে ও চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ২ টেবিল চামচ অলিভ ওয়েল ও এক চা- চামচ কালোজিরার তেল এক সাথে মিশিয়ে গরম করে নিন। চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট মাসাজ করুন। এক ঘন্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

৩। ব্যথা কমাতে:

যেকোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কালোজিরার জুড়ি নেই। কালোজিরার তেল হালকা গরম করে নিয়ে ব্যথার জায়গায় মালিশ করুন, ব্যথা সেরে যাবে। বিশেষ করে বাতের ব্যথায় বেশ ভালো উপকার পাওয়া যায়।

৪। ফোঁড়া সারাতে: 

ব্যথাযুক্ত ফোঁড়া সারাতে কালোজিরা সাহায্য করে। তিলের তেলের সাথে কালোজিরা বাটা বা কালোজিরার তেল মিশিয়ে ফোঁড়াতে লাগালে ব্যথা উপশম হয় ও ফোঁড়া সেরে যায়।

৫। মেদ কমাতে: 

চায়ের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে পান করলে তা বাড়তি মেদ ঝরে যেতে সাহায্য করে। একটি পাত্রে পানি নিয়ে চুলার উপরে দিন। পানি ফুটে গেলে চাপাতা ও সমপরিমাণ কালোজিরা পানিতে দিন। চায়ের রঙ হয়ে এলে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে সাধারণ চায়ের মতো পান করুন।

৬। দাঁতের ব্যথায়: 

দাঁত ব্যথা হলে, মাঢ়ি ফুলে গেলে বা রক্ত পড়লে কালোজিরা তা উপশম করতে পারে। পানিতে কালোজিরা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এই পানির তাপমাত্রা কমে উষ্ণ অবস্থায় এলে তা দিয়ে কুলি করুন। এতে দাঁত ব্যথা কমে যাবে, মাঢ়ির ফোলা বা রক্ত পড়া বন্ধ হবে। এছাড়া জিহ্বা, তালু ও মুখের জীবাণু ধ্বংস হবে।

৭।মাথা ব্যথায়: 

ঠাণ্ডাজনিত মাথাব্যথা দুর করতে কালোজিরা সাহায্য করে। একটি সুতি কাপড়ের টুকরায় খানিকটা কালোজিরা নিয়ে পুটলি তৈরি করুন। এই পুটলি নাকের কাছে নিয়ে শ্বাস টানতে থাকুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাথা ব্যথা সেরে যাবে।

▫ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Music

টইটেল বলতে বলতে চলতে চলতে

গায়ক: ইমরান
সুর ও সংগীত: ইমরান
লিরিক্স: শফিক তুহিন
মডেল: ইমরান ও তানজিন তিশা
লেবেল: সংগীতা
গানটি ইউটিউবে গায়ক ইমরান তার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেন ৫ ই এপ্রিল ২০১৫ সালে কিন্তু এটি ১৪ জুলাই ২০১৫ সালে সংগীতা মিউজিকের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা হয়েছিল।এটি পছন্দ করেছেন ১৬১ হাজার মানুষ এবং অপছন্দ করেছেন ১৪ হাজার মানুষ কেবলমাএ।গানটি দেখেছেন ৪০ মিলিয়ন মানুষ।গুগলের মতে তাদের ৮৪% ইউজার গানটি পছন্দ করেছেন।
ইউটিউব লিংকঃ- https://youtu.be/296Gi_nnbho
অডিও ডাউনলোড লিংকঃ- https://m.sumirbd.mobi/fileDownload/60500/bolte_bolte_cholte_cholte_by_imran.html
লিখেছেন@Mohammad [email protected]👇
https://link.kotha.app/app/user/preview/34beu172c

Categories
Sports

ইংল্যান্ড vs ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম টেস্টে গাব্রিয়েলের তুলে নেয়া ৫ উইকেট।

করোনা ভাইরাসের মহামারী সময়েও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রিকেট মাঠে ফিরিয়েছে ইংল্যান্ড।। ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সাউদাম্পটনে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ চলছে পঞ্চম দিনের খেলা! প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২০৪ রানে অলআউট করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩১৩ রানে অলআউট করে ফেলছে হোল্ডারের ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

প্রথম ইনিংসে ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন জেসন হোল্ডার। তার বোলিং তান্ডবেই ২০৪ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল বেন স্টোকস এন্ড কোং।

দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ৩১৩ রানে অলআউট করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ! ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫টি উইকেট নিয়েছেন ডানহাতি ফাস্ট বোলার শানন গাব্রিয়েল।

গাব্রিয়েল মানেই গতির ঝড়! আজ সেটা সাউদাম্পটনে ভালো ভাবেই দেখলো বেন স্টোকসের ইংল্যান্ড! গতির ঝড় তুলে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের পাঁচ ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখিয়ে দিয়েছেন শানন গাব্রিয়েল।

এই ম্যাচের আগে টেস্ট ক্রিকেটে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন ৫বার! আজ ক্যারিয়ারের ৬ষ্ট বারের মতো ৫ উইকেট নিলেন শানন গাব্রিয়েল।

অভিনন্দন ।

Reviewer: Argha Majumder.

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bh5smnf

Instagram: https://instagram.com/argha_majumder_?igshid=wdz8tvrovx0

Categories
Movies

JOKER (EXPLAINED) [সাকিব]

*Spoiler Alert*

আজকে ২০১৯ এর খুব সম্ভবত সবথেকে জনপ্রিয় মুভিটা নিয়ে কথা বলব। আমরা সবাই জোকার দেখেছি… কিন্তু সবাই কী এর লুকিয়ে থাকা ব্যাপারগুলো ধরতে পেরেছি? চলুন জেনে নেয়া যাক!

মুভির অনেকটাই Self Explanatory!

Arthur Fleck হচ্ছে এই সিনেমার মূল চরিত্র। যে মানসিক ভাবে অসুস্থ এবং যার “সিউডোবালবার ইফেক্ট” নামে একটা রোগ থাকে। অর্থাৎ নিজের হাসির উপর কোন নিয়ন্ত্রণ নেই আর্থারের। যখন তখন, যে কোন মুহূর্তে না চাইতেও হেসে ফেলে সে।
এই মানসিক রোগের পাশাপাশি “মরার উপর খাড়ার ঘা” হিসেবে থাকে তার দরিদ্রতা। বাসায় একটা অসুস্থ মা(Penny Fleck), যার দেখভাল সে নিজেই করে।

রাস্তায় রাস্তায় “ক্লাউন” সেজে মানুষকে Entertain করা আর হাসপাতালের অসুস্থ বাচ্চাদের নাচ দেখিয়েই সে অল্প পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতো। তাই দিয়ে চলতো ছোট্ট সংসার।

সে স্বপ্ন দেখত Stand up comedian হবার। তার আদর্শ ছিল Murray Franklin নামে একজন। এই মহাশয়ের একটা পপুলার টিভি টক-শো ছিল। নাম ছিল Murray Franklin Show। বলতে গেলে, সেসময় Murray Franklin ছিলেন কমিডিয়ানদের আইকন।

মুভিটা শুরু হয় আর্থারের জীবনের সবথেকে কঠিন অধ্যায়কে কেন্দ্র করে। হুট করে রাস্তায় আক্রমণের স্বীকার হয় সে। আর আক্রমণকারীরা তার কাছ থেকে একটা সাইনবোর্ড কেড়ে সেটা ভেঙে ফেলে।
এই সাইনবোর্ড হারিয়ে ফেলার দায়ে আর্থারকে জরিমানা করা হয় এবং চাকরি হারানোর হুমকিও দেয়া হয়।

এরই মধ্যে Arthur এর এক সহকর্মী তাকে আত্মরক্ষার জন্য পিস্তল দেয়। যাতে ভবিষ্যতে এরকম আক্রমণের হাত থেকে সে বাঁচতে পারে।

এরপর আরেকটা খারাপ ঘটনা। হাসপাতালে বাচ্চাদের নাচ দেখাতে গিয়ে সেই পিস্তল ভুল করে বাচ্চাদের সামনে পড়ে যায়। আর বাচ্চাদের সামনে পিস্তল বের করার জন্য হাসপাতালের চাকরিটাও হারিয়ে ফেলে সে।

চাকরি হারিয়ে মর্মাহত ছিল আর্থার। কাঁদতে কাঁদতে Subway ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিল সে। হঠাৎ কিছু ধনী ব্যবসায়ীদের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে সে। তারা আর্থার কে মারধোর শুরু করে। কিন্তু এবার আর্থার আর চুপ করে থাকেনি। বন্দুক দিয়ে গুলি করে তিনজনকে হত্যা করে পালিয়ে যায় সে। যেহেতু সে ক্লাউন মেক আপ এ ছিল, তাই পুলিশও তাকে খুঁজে বের করতে পারেনাই। আর্থারও নির্দ্বিধায় পালিয়ে যেতে পারে।

এই হত্যাকান্ড আর্থারের জীবনের জন্য একটা বিশাল টার্নিং পয়েন্ট। মুভির এই পর্যায় থেকে আর্থারের মধ্যে অনেকটা প্রতিবাদী ভাব গড়ে ওঠে। যেন সে আর মুখ বুজে কিচ্ছু সহ্য করতে রাজি না। যারাই তাকে ছোট করে দেখবে তাদেরকে মেরে ফেলতেও দ্বিধাবোধ করবে না সে।

এরই মধ্যে শহরে আরেকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। Thomas Wayne (ব্যাটম্যানের বাবা) Gotham এর মেয়র হওয়ার প্রচারণার জন্য ক্যাম্পেইন শুরু করে। এক টিভি ইন্টারভিউতে সে Gotham শহরের গরীব/অধিকারবঞ্চিত মানুষদেরকে “Clown” হিসেবে অভিহিত করে।

এটাতেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরী হয়ে যায়।
একদিকে তো Thomas Wayne দরিদ্র মানুষদের অপমান করে “ক্লাউন” বলেছে, অপরদিকে ক্লাউন Make Up এর একজন সাবওয়ে তে তিনজন ধনী ব্যক্তিকে খুন করেছে।

ফলে সব অধিকার বঞ্চিত মানুষই এই খুনকে সমর্থন দেয়া শুরু করে এবং সবাই ক্লাউন মাস্ক পরে “Kill the rich”.. “Kill The rich” বলে স্লোগান দিয়ে যেন একটা আন্দোলন শুরু করে দেয়।

আর্থার না চাইতেই একটা আন্দোলনের জন্ম দিয়ে ফেলেছে এবং মনে মনে এটা ভেবে সে অনেক গর্ববোধ করে। আর বোঝা শুরু করে যে সে CHAOS(বিশৃঙ্খলা) ভালোবাসে।

এবার কিছুটা পজিটিভ জিনিস ঘটে আর্থারের জীবনে..

পাশের এপার্টমেন্টের সোফি নামে একটা মেয়ের সাথে তার সম্পর্ক হয়। কয়েকদিন তারা Date করে।

আবার কয়েকদিন পর আর্থার একটা ক্লাবে স্ট্যান্ড আপ কমিডি করার জন্য ডাক পায়। সেখানে সে সোফিকেও ইনভাইট করে।

তবে এবার আবার পতন।

সেই স্ট্যান্ড আপ কমিডি শো তে কেউ আর্থারের জোক শুনে হাসে না।
মানুষকে জোক শুনাতে গিয়ে সে যেন নিজেই একটা “জোক”
হয়ে যায়।

এটাতেই ঘটনা থেমে থাকেনা। আর্থারের বাজে স্ট্যান্ড আপ কমিডির ভিডিও পুরোপুরি ভাইরাল হয়ে যায়। তার পছন্দের Murray Franklin Show তেও আর্থারের পারফর্মেন্সের ভিডিও দেখিয়ে তাকে নিয়ে মজা নেয়া হয়।

আগুনে আরও ঘি ঢালা হয় যখন আর্থার নিজে Murray Franklin Show তে ইনভিটেশন পায়। অর্থাৎ শুধু ভিডিও ক্লিপ দেখিয়েই Murray Franklin ক্ষান্ত হননি। এখন তিনি আর্থারকে সামনাসামনি ডেকে তাকে নিয়ে ঠাট্টা করতে চান।

আর্থার খুব হতাশ হয়ে যায়। তার Hero তাকে নিয়ে মজা করছে? তার মনে হয়, এই Life এর চাইতে তার Death বেশি Meaningful হবে।
তাই সে সিদ্ধান্ত নেয় যে কিছুদিন পর যখন সে Murray Franklin শো তে যাবে.. সেখানে সে নিজেই নিজেকে গুলি মেরে সুইসাইড করবে।

তবে এখানেই আর্থারের জীবনে ট্রাজেডির শেষ হয় না।

সে তার মায়ের জিনিসপত্র থেকে একটা চিঠি খুঁজে পায়। সেই চিঠি পড়ে সে জানতে পারে সে আসলে Thomas Wayne এর অবৈধ সন্তান। তার মা(Penny Fleck) Wayne ফ্যামিলিতে কাজ করত আর সেইসময়ই Thomas আর তার মায়ের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই অবৈধ সম্পর্কের ফলই হচ্ছে আর্থার।

এটা দেখে আর্থার তার বাবার সাথে দেখা করার জন্য পাগল হয়ে যায়। একটা সিনেমার প্রেমিয়ারে সে Thomas কে Follow করে আর সেটার Wash Room এ Thomas আর Arthur মুখোমুখি হয়।

কিন্তু এখানেই আসে Double Twist! Thomas Wayne, তার আর Penny এর সম্পর্ককে পুরোপুরি অস্বীকার করে। উল্টো সে দাবি করে যে আর্থার হচ্ছে Adopted! আর তার মাও মানসিক ভাবে অসুস্থ। আর অসুস্থতর কারণে Arkham Asylum এও ভর্তি ছিল পেনি ফ্লেক।

আর্থারের জীবনে হতাশা নেমে আসে! সে তার আসল পরিচয় উদ্ধার করতে Arkham Asylum এ যায় এবং তার মায়ের ফাইল চুরি করে।

এবার আসে আর্থারের জীবনের সবথেকে বড় ট্র‍্যাজেডি।
সেই ফাইল পড়ে আর্থার জানতে পারে Penny Fleck শুধু থাকে এডপ্ট ই করে নি, বরং শৈশবে তার ওপর শারীরিক নির্যাতনও চালিয়েছে। আর্থারের বর্তমান মানসিক অবস্থা, তার ভঙ্গুর শরীর, শরীরভর্তি আঘাতের চিহ্ন.. সবকিছুর জন্য তার মা দায়ী।

এগুলোর কিছু NewsPaper Cutting ও পায় আর্থার।

তার কাছে নিজেকে অস্তিত্বহীন মনে হয়। সে Arthur Felck ও না, আবার Arthur Wayne ও না! যেন একটা ক্লিন স্লেট!
আর তার জীবন যেন “ট্র‍্যাজেডি” ও না..
এটা যেন COMEDY!

এবার আর্থার চূড়ান্ত বিকারগ্রস্ত হয়ে যায়। তার মা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। সেই মা কে হাসপাতালে যেয়ে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করে আর্থার। যেন নিজের শৈশবকালের নির্যাতন গুলোর প্রতিশোধ নেয়।

আর্থার সিদ্ধান্ত নেয়, তার জীবনকে যারাই “Comedy” বানিয়েছে.. যারাই হাসি ঠাট্টা করে, Bullying করে আর্থারকে আরও ছোট করেছে… সবাইকে খুন করবে সে। Eventually তার মায়ের হত্যা করার পর তার এক সহকর্মীকেও সে খুন করে। যে কিনা আর্থারকে নিয়ে একসময় হাসি ঠাট্টা করেছিল।

এরপর আর্থার যেন উন্মাদ হয়ে যায়! বদ্ধ উন্মাদ নয়… মুক্ত উন্মাদ!

এবার আর আর্থারকে ক্লাউন বলা যাবে না। এখন সে “JOKER”। মুভির প্রথমে যে আক্রমণকারীদের মার খেয়েছিল, সেই আর্থার ছিল অসহায় Clown!
আর মুভির এই পর্যায়ে যেই আর্থার সিঁড়িতে নেচে বেড়ায়, সেই আর্থার হচ্ছে আপন জগতের রাজা… JOKER!!! তার কোন পিছুটান নেই। সে মুক্ত বিহঙ্গ!

এই মানসিকতা নিয়ে, Joker Make-Up এর সাথে সে Murray Franklin শো তে যায়!

টক শো তে সে স্বীকার করে যে সে-ই Subway তে তিনজন মানুষকে হত্যা করেছিল! সে আরও বলে, সমাজের মানুষেরা পদে পদে তার মতো অসহায়কে পিষে ফেলতে মজা পায়। সমাজের বিত্তবানদের কাছে, অধিকারবঞ্চিত রা যেন “Joke” এর মতো।

কিন্তু না.. এরপর সে সুইসাইড করে না। সে আর আগের আর্থার নেই।
সে উল্টো Murray Franklin কে খুন করে বসে। যে কিনা আর্থারকে নিয়ে “জোক” করতেই এই শো তে ইনভাইট করেছিল তাকে।

আর এইসময়ই মুভির সবথেকে ফেমাস ডায়লগ থ্রো করে সে,

“What do you get when you cross a mentally ill loaner with a society that abandons him and treats him like trash?! You get what you fu**ing deserve!!”

এরপর আর্থারকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়।
সারা Gotham শহরে আরও জোরদার হয় আন্দোলন।

এই আন্দোলনের এক পর্যায়ে ক্লাউন মাস্ক পরে থাকা এক আন্দোলনকারী(Arthur না) Thomas Wayne আর তার স্ত্রীকে খুন করে।

অর্থাৎ জোকারের মুখোশ পরে থাকা একজনই ব্যাটম্যানের বাবা মায়ের খুনী। আবার
এজন্যই বলা হয়, Batman আর Joker সবসময়ের জন্য কানেক্টেড! তারা একজন আরেকজনকে ছাড়া অসম্পূর্ণ।

এরই মধ্যে যখন Murray Franklin Show এর Set থেকে আর্থারকে যেই গাড়িতে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ,
রাস্তায় আন্দোলনকারীরা সেই গাড়িতে আক্রমণ করে আর্থারকে উদ্ধার করে।

Arthur সেই ভাঙা গাড়ির উপরে উঠে, রক্ত দিয়ে মুখে হাসি আঁকে..
আর পুরো জনতার সামনে হাত ছড়িয়ে তাদের অভিবাদন জানায়!
যেন সে বলতে চায়, “Look who is laughing now!”

এই সিনটা পুরো মুভিরই সবথেকে Iconic সিন বোধহয়!

এরপর মুভির শেষের দিক চলে আসে। Arkham Asylum এর কিছু শট দিয়ে মুভি শেষ হয়। বোঝা যায় সেই খুনের পর তার মানসিক ভারসাম্যহীনতার জন্য Arthur পাগলাগারদে ভর্তি হয় আর সেখানেই তার জীবন শেষ হয়।
The End!

কাহিনী তো এখানেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। না বোঝার মতো তো কিছু নেই! হিডেন মিনিং ও তো নেই মনে হচ্ছে। তাহলে আমি আবার এতো বড় সড় পোস্ট লিখছি কেন?
কারণ আছে! কারণ আছে!

যদি আমি আপনাকে বলি উপরের এই ঘটনাগুলোর ম্যাক্সিমামই বাস্তবে ঘটেনি। এগুলো বেশিরভাগই ছিল আর্থারে কল্পনা.. অবাক হবেন?

ডিরেক্টর টড ফিলিপস আমাদেরকে মুভির বিভিন্ন জায়গায়ই হিন্টস দিয়েছেন যে, আর্থার কল্পনার জগতে বাস করতে ভালোবাসে।

Psychiatrist এর সাথে তার যেই দুইটা মিটিং দেখানো হয় সেখানে তার জার্নালে বিভিন্ন মনগড়ানো লেখা আর তার মেডিকেশনের দিকে নজর দেয়া জরুরী।

মুভির প্রথমেই যখন সে তার মায়ের সাথে টিভিতে Murray Franklin Show দেখছিল..
হঠাৎ সে কল্পনায় সেই Show এর ভেতরে চলে যায়। যেখানে Murray তার ব্যাপারে অনেক ভালো ভালো কথা বলে, এমনকি আর্থারের মতো সন্তানের প্রত্যাশাও করে। নিশ্চয়ই এটা বাস্তবে কখনও ঘটেনি। এগুলো ছিল কল্পনা।

আসলে আর্থার সবসময় এতো বেশি Bullying এর স্বীকার হয়েছে যে, সে সবসময় এটাই কল্পনা করতো যে মানুষ তাকে ভালোবাসে, তাকে পছন্দ করে, তাকে দেখে মুগ্ধ হয়!

JOKER মুভিটার স্পেশালিটি এখানেই।
এখানে আর্থারের জীবনের Hallucination, Delusion, Fantasy আর Reality কে একসাথে দেখানো হয়েছে। আর ডিরেক্টর কখনও স্পষ্ট করে এটাও বুঝতে দেননি যে কখন Reality দেখানো হচ্ছে আর কখন Fantasy। এদের মধ্যে Margin খুবই ছোট। এতোটাই ছোট যে আপনি পার্থক্য করতে পারবেন না যে কোনটা আসলেই ঘটেছে.. আর কোনটা ঘটেনি। যেন প্রত্যেক দর্শক এক একজন Arthur Fleck!

আসুন আরেকটু ক্লিয়ার করি।
সোফি নামের মেয়েটার কথা মনে আছে?
ওই যে আর্থারের সাথে যার সম্পর্ক গড়ে ওঠে? Date করে?

কিন্তু মুভিতেই এক পর্যায়ে সোফি সেই আর্থারকে চিনতে পারে না। আর্থারকে রাতের বেলা নিজের এপার্টমেন্টে দেখে চিৎকার করে ওঠে, ভয় পায়।

কারণ জানেন কি? আর্থার নিজের মনে মনেই সোফির সাথে নিজের একটা সম্পর্ক তৈরী করেছিল। যেখানে সোফি তার প্রতি ইম্প্রেসড। তাকে দেখে হাসে। তার সাথে রোম্যান্স করে।

তবে আসলে সেটা কখনই হয়নি। সোফি কখনই আর্থারকে ডেট করেনি। এটা ছিল আর্থারের ফ্যান্টাসি!

তাহলে বুঝছেন? আর্থার-সোফির ব্যাপারটা যদি মিথ্যা হয়.. এই সিনেমায় যে কোন কিছু মিথ্যা হতে পারে!

আর্থারের বাজে স্ট্যান্ড আপ কমিডি শো এর কথা মনে করতে পারেন? সেখানে কোন অডিয়েন্স তার কথায় প্রথমে হাসেনি। উল্টো তাকে দুয়ো দিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে সেখানে সোফি চলে আসে, আর তার পরের Joke এ অডিয়েন্স ও অনেক উৎসাহ নিয়ে হাসাহাসি করতে থাকে।

তার মানে.. আর্থারের জোক শুনে কেউ না হাসাটা Arthur এর জীবনের Reality..
কিন্তু তার জোক শুনে সবার হাসাটা একটা Fantasy!

এখন সবথেকে বড় কিছু প্রশ্ন..

# সে কী আসলেই সাবওয়ে তে তিনজনকে খুন করেছিল?

# সে কী আসলেই Murray Franklin শো তে গিয়ে Murray কে খুন করেছিল?

# পুরো শহরের আন্দোলনকারী জনগণ কী তাকে আসলেই উদ্ধার করেছিল??

# Thomas Wayne কী আসলে আর্থারের কারণেই খুন হয়েছিলেন?

আসলে এগুলোর উত্তর হ্যাঁ/না যে কোনটাই হতে পারে।

মুভির বিভিন্ন জায়গা এনালাইসিস করে বোঝা যায় যে, সাবওয়ে তে তিনজনের হত্যা, বালিশ চাপা দিয়ে নিজের মা কে হত্যা..
এগুলো খুব সম্ভবত বাস্তব ঘটনা।

কারণ এখান থেকেই আর্থার নিজের আসল পরিচয় জানতে পারে। আর ব্যাটম্যান-জোকারও এভাবেই কানেক্টেড হয়ে যায়।

তবে বাকি একটাও সত্য না। সে কখনও Murray Franklin শো তে যেয়ে Murray কে হত্যা করেনি আর পুরো শহরের জনগণও আর্থারকে বাঁচায়নি। আর্থারকে Idol ও মানে নি!

আর্থার সারাজীবনই এতো বেশি অপমানের স্বীকার হয়েছে যে, তার হ্যালুসিনেশনে সবসময় এটাই ছিল যে..
*মানুষ তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
*তাকে কেন্দ্র করে শহরে আন্দোলন শুরু হইছে।
*সে সাধারণ জনগণের হিরো।

অথবা কে জানে?
এগুলো সত্য হতেও পারে।

আসলে সিনেমা হিসেবে “Joker” এ কারণেই অনবদ্য। সেরা ক্রিটিকরা এমনি এমনি দাঁড়িয়ে স্ট্যান্ডিং অভেশন দেয়নি!

আমাদের সমাজ সর্বদাই বঞ্চিতদের নিয়ে ছেলেখেলা করে গেছে। দুর্বল মানুষরা যেন সমাজের কাছে একটা “Joke” এর মতো!

“Arthur Fleck” সেই দুর্বল মানুষদের প্রতীক। আর মুভির শেষের দিকের JOKER Arthur হচ্ছে সেই মানুষদের চাপা ক্ষোভের প্রতীক।

আর্থারের সেই চিন্তাগুলো হ্যালুসিনেশন বা ফ্যান্টাসি যা-ই হোক না কেন.. সেটা সমাজের একটা Oppressed গোষ্ঠীর বাস্তবতা তুলে ধরেছে।

এই সিনেমার প্রত্যেকটা ডায়লগ নিয়ে এক এক টা রচনা লেখা সম্ভব!
আমার সবথেকে প্রিয়, “Is it just me? or is it getting crazier out there?”

আরও অনেক দিক তুলে ধরা সম্ভব এই সিনেমার। আজ এখানেই ক্ষান্ত দেই!

YouTube video Moviekotha ⏩

আমাদের পাশেই থাকুন ✅

ডাউনলোড লিঙ্ক এর জন্য জয়েন করুন ⏬⏬⏬

⏩Telegram link……… : t.me/Moviekotha

⏩YouTube link…….. : https://bit.ly/36GxyeC

⏩Instagram……………: instagram.com/moviekotha/

📌মুভি লাভারদের মত কেউ মোবাইল লাভার হন এখনি ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল Mobile kotha account থেকে 🔜👇👇👇 ⏩mobile Kotha……… : https://bit.ly/36PVcFt

IMDB Rating: 8.5

Categories
Movies

সেরা ১০টি এনিমেশন মুভি যাদের সব গুলোকে ছাপিয়ে দেশিও এনিমেশন এর হাতছানি ।

Categories
Health

চিরতার স্বাস্থ্য ও গুনাগুন পরিচিতি

◽চিরতার পরিচিতি :

চিরতা বীরু জাতীয় গাছ । এর স্বাদ তেতাে । নানা ধরনের রােগ প্রতিরােধে চিরতা কার্যকর ।

▫উপকারিতা :

চিরতা বর্ষজীবি উদ্ভিদ । গাছটির গড় উচ্চতা প্রায় দেড় মিটার । প্রাচীনকাল থেকে চিরতা ভারতবর্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে । চিরকালের তিতা গাছ বলে হয়তাে বাংলায় এর নাম । দেয়া হয়েছে চিরতা ।

▫ ডায়রিয়া ও লিভারের বিভিন্ন রােগ প্রতিরােধে চিরতার পানি ব্যবহৃত হয়।আজকাল অনেকেই লিভারের সমস্যায় ভােগেন এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে চিরতার জল উপকারি।চিরতা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে । চিরতার জল লিভারকে পরিষ্কার রাখে । এছাড়া লিভারের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ফ্যাটি লিভার ও আরও অন্যান্য সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে ।

▫ ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে ৫ থেকে ১০ গ্রাম চিরতা চার কাপ পানিতে সিদ্ধ করে দুই কাপ করুন । এরপর ওই পানি ঘেঁকে সকালে অর্ধেক এবং বিকেলে অর্ধেক করে খেতে দিন । জ্বর ভালাে হয়ে যাবে ।

▫ অ্যালার্জিতে শরীর ফুলে উঠলে চিরতার পানি খেলে উপকার পাবেন । রাতে পাঁচ গ্রাম চিরতা ২৫০ মিলিলিটার গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে ওই পানি দু – তিনবারে খান ; অ্যালার্জি কমবে । গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে বমিভাব হলে এক গ্রাম চিরতা গুঁড়া করে চিনির পানিতে মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়ে যাবে । এ ছাড়া ঘন ঘন বা জ্বরের কারণে বারবার বমি হয়ে পেটে কিছুই থাকে না । সে ক্ষেত্রে দুই কাপ গরম পানিতে পাঁচ গ্রাম চিরতা একটু ঘেঁতাে করে ভিজিয়ে রাখুন । দু – তিন ঘণ্টা পর হেঁকে পানিটা অল্প অল্প করে খান ; সমস্যা থাকবে না ।

▫হাঁপানির প্রকোপ বেশি হলে আধা গ্রাম চিরতা গুঁড়া তিন ঘণ্টা পর পর মধু মিশিয়ে দুই থেকে তিনবার অল্প অল্প করে চেটে খান ; হাঁপানির প্রকোপ কমবে । চিরতা অ্যালার্জির সমস্যা – অনেকেরই মারাত্মক অ্যালার্জির সমস্যা থাকে । অ্যালার্জির জন্য শরীর ফুলে যায় , চোখ ফুলে যায় ও আরও সমস্যা হয় । চিরতা এক্ষেত্রে উপকারি । রােজ সকালে চিরতার জল খান উপকার পাবেন । এছাড়াও ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও নিয়ন্ত্রণ করে চিরতার জল । হৃদরােগের ঝুঁকি কমায় – চিরতার মধ্যে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে । এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার ও হৃদরােগে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায় ।

▫কৃমির উপদ্রব হলে ৫০০ মিলিগ্রাম চিরতা অল্প মধু মিশিয়ে খান কৃমি কমবে । এ ছাড়া কৃমির কারণে যদি পেটে ব্যথা হয় , তাও সেরে যাবে ।

▫ যেকোনাে ধরনের চুলকানিতে 30 গ্রাম চিরতা অল্প পানি দিয়ে গরম করে হেঁকে অল্প অল্প করে নিয়ে চুলকানিতে ঘষে ঘষে লাগান । তিন দিনের মধ্যে চুলকানি কমে যাবে ।

▫ চুল পড়ে যাওয়ায় তিন গ্রাম চিরতা এক কাপ গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সেই পানি ঘেঁকে মাথা ধুয়ে ফেলুন । চুল পড়ে যাওয়া কমবে । তবে এক দিন পর পর চার দিন চুল ধুতে হবে । এ ছাড়া ২৫ গ্রাম চিরতা ফুল ২০০ গ্রাম নারিকেল তেলে ভেজে ওই তেল মাথায় ব্যবহার করুন । খুশকি বা স্কাল্পে কোপনাে সমস্যা থাকলে সেরে যাবে ।

▫ চিরতা ডায়াবেটিস রােগীদের জন্য বেশ উপকারি- চিরতা ডায়াবেটিস রােগীদের জন্য বেশ উপকারি । কারণ চিরতা রক্তে চিনির পরিমাণ কমায় । ব্লাডে সুগার লেবেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখে । এছাড়াও চিরতার জল রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম কবে ।

▫ জ্বরে – জ্বরের ক্ষেত্রেও চিরতা উপকারি । জ্বরের ফলে শরীরে এনার্জি না লাগা , জ্বর ভাব এগুলি দূর করতে চিরতা উপকারি ।

▫তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে – রক্তকে পরিষ্কার করে । রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।ফলে তারুণ্য ধরে রাখে ।

▫ শরীরের রােগ – প্রতিরােধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তােলে ।

▫পচা ঘা সারে – এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই জল ঘেঁকে পচা ঘা ধুয়ে দিলে ২-৪ দিনের মধ্যে ঘায়ের পচানি চলে যাবে ও দ্রুত শুকাবে ।

▫হৃদরােগে – চিরতার মধ্যে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে । এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার ও হৃদরােগে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায় ।

▫ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Puzzle

আত্মজীবনীর ইতিকথা।

●ইতিহাসের যা কিছু সর্বপ্রথম, পর্ব – ৪ ;

“ইতিহাসের যা কিছু সর্বপ্রথম” এর ১, ২ ও ৩ পর্বগুলো যারা দেখেননি, তারা এই প্রোফাইলটি ভিজিট করে দেখে আসতে পারেন।

আজকে আমরা আলোচনা করবো প্রথম কবে, আত্মজীবনী লেখা হয়েছিল এবং আত্মজীবনী সম্পর্কে আরো কিছু জানবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

◇ সর্বপ্রথম আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ১৬৯২ খ্রিস্টাব্দে।

সম্ভবত প্রথম আত্মজীবনীটি লেখা হয় ১৩৭৬ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজি ভাষায়। তবে ওই আত্মজীবনীটি প্রকাশিত হয়নি। শুধু তাই নয়, ১৯৫৫ সালের আগে সেটির সন্ধানও কেও জানতেন না। এলিজাবেথীয় যুগের সঙ্গীত পরিচালক টমাস হোয়াইর্থন এর লেখা ওই আত্মজীবনীটি পাণ্ডুলিপি আকারে পড়েছিলো এতদিন। জেমস অসবর্ন নামক এক ব্যক্তি পাণ্ডুলিপিটির সন্ধান পেয়ে সেটি উদ্ধার করেন এবং ১৯৫৫ সালে সেটি নিলামে তোলা হয়। বর্তমানে সেটি “অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি” র বদলেইন লাইব্রেরির সম্পত্তি।

বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের কবি বৃন্দাবন দাস, কৃত্তিবাস ইত্যাদি কেও কেও তাদের কাব্যের ভনিতায় যে আত্মকথা প্রকাশ করেছেন তাকে ঠিক আত্মজীবনী বলা যাবে না। ইউরোপীয় ধারায় ভারতীয়দের প্রথম লেখা আত্মজীবনী গুলো ইংরেজিতে রচিত। এর মধ্যে শশীচন্দ্র দত্তের Romenisenses of a kerani’s life এবং লালবিহারিদ এর Riqaleksons of Alexander Duf অবশ্যই উল্লেখযোগ্য।

বাংলা ভাষায় প্রথম আত্মজীবনীটি সদ্ভাব শতকের কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের ( ১৮৩৮ – ১৯০৬ ) রাশ নামে লেখা রাঃ সঃ র ইতিবৃত্ত। প্রায় একই সময়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাদের আত্মজীবনী গুলো প্রকাশ করেন। বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীটির নাম ছিলো বিদ্যাসাগর রচিত এবং প্রকাশিত হয়েছিলো ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দে আর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনীটির নাম ছিলো আত্মজীবনী। সেটির নাম ছিলো আত্মজীবনী আর এটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে।

কেমন লাগলো আজকের এই আয়োজন তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। নিজে জানুন এবং অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

রিভিউয়ার : Nit Mahim.
ছবি : পিন্টারেস্ট থেকে কালেক্টেড।

My personal Kotha Account :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

Twitter : https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

ইতিহাস সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে বা জানাতে আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন।

টেলিগ্রাম গ্রুপ লিংক : t.me/itihasherkothagroup
টেলিগ্রাম চ্যানেল লিংক : t.me/itihasherkotha

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Life Hacks

মাশরুমের নানা ধরনের উপকারিতা

◽মাশরুমের উপকারিতা :

মাশরুম যে এক ধরনের ছত্রাক এটা মােটামুটি সকলেরই জানা । আর এর সুস্বাদ সম্পর্কে হয়তাে সকলের জানা নেই । তাই বলবাে সুস্বাদু খাবারের আরেক নামই হচ্ছে মাশরুম । ছত্রাক হলেও অধিকাংশ মাশরুমই ব্যাসিডিওমাইকোটা এবং কিছু অ্যাসকোমাইকোটার অন্তর্ভুক্ত । অন্যান্য উদ্ভিদের ন্যায় মাশরুমের সালােকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য তৈরির জন্য সূর্য থেকে আলাের প্রয়ােজন পড়ে না । অন্ধকার আর স্যাঁতসেঁতে জায়গাতেই বরং ভালাে জন্মায় মাশরুম । পৃথিবীতে এ পর্যন্ত প্রায় চৌদ্দ হাজার প্রজাতির মাশরুমের কথা জানা যায় । তবে সেগুলাের মাঝে বেশির ভাগই খাওয়ার অযােগ্য । কিছু কিছু প্রজাতি মারাত্মক বিষাক্ত । অনেক প্রজাতির মাশরুম এক রাতের মধ্যেই উৎপাদিত হতে দেখা যায় । তবে অধিকাংশই ধীরে ধীরে বড় হয় । প্রাকৃতিক মাশরুমের চাইতে আবাদকৃত মাশরুম আকারে ক্ষুদ্রাকৃতির হয়ে থাকে ।

১। খাবার উপযােগী অংশটি অল্প কিছুদিন সতেজ থাকে । বিশ্বের অধিকাংশ মাশরুমেই একটি দ- এবং ছাতার ন্যায় একটি টুপি থাকে ।

২। দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস দমনে মাশরুমের জুড়ি নেই ।

৩। এতে রয়েছে- প্রােটিন , ভিটামিন , মিনারেল , অ্যামিনাে অ্যাসিড , অ্যান্টি বায়ােটিক ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট । কাঁচা অবস্থায় এতে ভিটামিন বি খাদ্যপ্রাণ থাকে যাতে রিবােফ্লোবিন , নায়াসিন এবং প্যান্টোথেনিক এসিড থাকে ।

৪। এছাড়াও , প্রয়ােজনীয় খনিজ উপাদান যথা সেলেনিয়াম , কপার এবং পটাসিয়াম থাকে । ভিটামিন বি খাদ্যকে গ্লুকোজে রূপান্তরিত করে । আর গ্লুকোজ থেকেই তৈরি হয় আমাদের দেহের শক্তি । তাছাড়া ভিটামিন বি খাদ্য বিপাক প্রক্রিয়াকেও সক্রিয় করে । সেলেনিয়াম উপাদানটি শুধু মাছেই পাওয়া যায় । যারা পুরােপুরি নিরামিষভােজী তারা মাশরুমের মাধ্যমে এই উপকারী উপাদানটি গ্রহণ করতে পারেন ।

৫৷ মাশরুম কোলেস্টোরল শূন্য । এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও খুবই সামান্য । এতে যে এনজাইম ও ফাইবার আছে তা দেহে উপস্থিত বাকি ব্যাড কোলেস্টোরলের বসতিও উজাড় করে দেয় ।

৬ | মাশরুম একমাত্র সবজি ও দ্বিতীয় খাদ্য উপাদান ( প্রথম কডলিভার ওয়েল ) যাতে ভিটামিন ডি ভােজ্য আকারে পাওয়া যায় । অন্য কোনাে খাদ্য উপাদানে ভােজ্য আকারে ভিটামিন ডি পাওয়া যায় না ।

৭ মাশরুমকে চিকিৎসকেরা এক সময় প্রাকৃতিক ইনসুলিন , আবার আরেক সময় প্রাকৃতিক অ্যান্টি বায়ােটিক হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন ।

৮। দেহের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ ও দেহের বিভিন্ন ধরনের ইনফেকশন দূর করতে ভালাে কাজ করে মাশরুম ।

৯ | মাশরুমে আরাে রয়েছে- এরগােথিওনেইন নামে এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টি – অক্সিডেন্ট , যা মানবদেহের জন্য ঢালের মতাে কাজ করে এবং রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতার কার্যকারিতা বাড়ানাের পাশাপাশি অনেক ব্যাকটেরিয়াও দমন করে ।

১০। নিরামিষভােজী বিশ্বে মাশরুম মাংস হিসেবে পরিচিত ।

১১। খাবার উপযােগী মাশরুম সাধারণত- চীনা , কোরিয়ান , ইউরােপীয়ান এবং জাপানিজ রান্নায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয় । বাংলাদেশেও দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে এ খাবার ( মাশরুম ) । আজকাল বেশ অল্প মূল্যেই মিলছে এ মাশরুম।

▫ছবি ও তথ্য উইকিপিডিয়া ও বই থেকে সংগ্রীহিত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Music

ইন্দুবালা

গায়ক: ফজলুর রহমান বাবু
লিরিক্স: দেলোয়ার আরজুদা শারাফ
টিউন: প্লাবন
লেবেল: সংগীতা
গানটি ইউটিউবে সংগীতা মিউজিক নামের চ্যানেলে আপলোড করা হয় ১৩ই মার্চ ২০১৮ সালে কিন্তু এটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৬ সালে।এটি পছন্দ করেছেন ৫৮ হাজার মানুষ এবং অপছন্দ করেছেন ৪.৮ হাজার মানুষ কেবলমাএ।গানটি দেখেছেন ১৩ মিলিয়ন মানুষ।

ইউটিউব লিংকঃ- https://youtu.be/kpDQtJdOWUU
অডিও ডাউনলোড লিংকঃ- https://m.sumirbd.mobi/fileDownload/21223/indubala.html
লিখেছেন@Mohammad [email protected]👇
https://link.kotha.app/app/user/preview/34beu172c

Categories
Photography

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস

ফটোগ্রাফার : Md Akhlas Uddin

ফেইসবুক : https://www.facebook.com/akhlasphotographer

Do not leave the house without much need. Please Stay at home…Save yourself, save others.

Reviewer : Abdullah Bin Tamim

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bgaz298
Facebook :
https://www.facebook.com/anantamim04

Categories
Bangla Tradition

বাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাট গম্বুজ মসজিদের কথা

▪ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোকিটার দুরে খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের উত্তর পাসে ষাটগুম্বজ বাস স্টপেজ লাগোয়া সুন্দরঘোনা গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটি কে কোন সময় নির্মাণ নির্মাণ করা হয়েছিলো সে সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান ই জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্পর্কে কারো কোনো সন্দেহ নেই। ধারণা করা হয় তিনি ১৫শত শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেছিলেন। এই মসজিদটি বহু বছর ধরে এবং বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো। এর পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে। এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মধ্যে একটি। মসজিদটি উত্তর দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট এবং ভিতরের
দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা আর পূর্ব পশ্চিমে বাইরের
দিকে প্রায় ১০৪ ফুট এবং ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেওয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রাচীন এ মসজিদটিকে ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage Sites) হিসাবে মর্যাদা দেয়। মসজিদটি বাগেরহাট শহরকে
বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী শহরের মধ্যে স্থান করে দিয়েছে।

▪মসজিদটির পূর্ব দিকে দেওয়ালে ১১টি বিরাট আকারের খিলানযুক্ত দরজা আছে। মাঝের দরজাটি অন্যগুলোর তুলনায় বেশ বড়। উত্তর এবং দক্ষিণ দেওয়ালে আছে ৭টি করে দরজা। আর মসজিদের ৪ কোণে ৪টি মিনারও আছে। এগুলোর নকশা গোলাকার এবং এরা উপরের দিকে সরু হয়ে গেছে। এদের কার্ণিশের কাছে বলয়াকার ব্যান্ড এবং চূঁড়ায় গোলাকার গম্বুজ আছে। মিনারগুলোর উচ্চতা ছাদের কার্নিশের চেয়ে বেশি। সামনের দুটি মিনারে প্যাঁচানো সিঁড়ি আছে এবং এখান থেকে আযান দেবার ব্যবস্থাও ছিলো। এদের একটির নাম রওশন কোঠা, অপরটির নাম আন্ধার কোঠা। মসজিদের ভেতরে ৬০টি স্তম্ভ বা পিলার আছে। এগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬ সারিতে অবস্থিত এবং প্রত্যেক সারিতে ১০টি করে স্তম্ভ আছে। প্রতিটি স্তম্ভই পাথর কেটে বানানো শুধু ৫টি স্তম্ভ বাইরে থেকে ইট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। এই ৬০টি স্তম্ভ এবং চারপাশের দেয়ালের ওপর তৈরি করা হয়েছে গম্বুজ।

▪মসজিদটির নাম ৬০ গম্বুজ হলেও এখানে গম্বুজ মোটেও ৬০টি নয় বরং গম্বুজ সংখ্যা ৭৭টি । ৭৭টি গম্বুজের মধ্যে ৭০ টির উপরিভাগ গোলাকার এবং পূর্ব দেওয়ালের মাঝের দরজা এবং পশ্চিম দেয়ালের মাঝের মিহরাবের মধ্যবর্তি সারিতে যে সাতটি গম্বুজ সেগুলো দেখতে অনেকটা বাংলাদেশের চৌচালা ঘরের চালের মতো। মিনারে গম্বুজের সংখ্যা ৪ টি এ হিসেবে গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় মোট ৮১ তে। তবুও এর নাম হয়েছে ষাটগম্বুজ। ঐতিহাসিকরা মনে করেন সাতটি সারিবদ্ধ গম্বুজ সারি আছে বলে এ মসজিদের সাত গম্বুজ এবং তা থেকে ষাটগম্বুজ নাম হয়েছে। আবার অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন গম্বুজগুলো ৬০ টি প্রস্তরনির্মিত স্তম্ভের ওপর অবস্থিত বলেই নাম ষাটগম্বুজ হয়েছে।

▪ভ্রমণ সুবিধার্থে বন্ধ-খোলার সময়সূচিঃ

গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কেল্লা খোলা থাকে। মাঝখানে দুপুর ১টা থেকে ১.৩০ পর্যন্ত আধ ঘণ্টার জন্যে বন্ধ থাকে। আর শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শীতকালেও দুপুর ১টা থেকে ১.৩০ পর্যন্ত বন্ধ থাকে। আর সবসময়ের জন্য শুক্রবারে জুম্মার নামাযের জন্যে সাড়ে বারোটা থেকে তিনটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। রবিবার সাধারণ ছুটি এবং সোমবার বেলা  ২.০০ থেকে খোলা থাকে।

➡ ছবি ও কিছু তথ্য ‘উইকিপিডিয়া’ থেকে সংগৃহীত।

▪Personal Kotha account⤵
🆔 HaBil
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bgf66x2