Categories
Invention

পরীক্ষা ব্যবস্থার উদ্ভাবক যিনি ছাত্র সমাজের কাছে এক খলনায়ক।

ছাত্রজীবনে পরীক্ষা নামক দানব তাড়া করে বেড়ায় দিনরাত্রি। পরীক্ষার চিন্তায় নাওয়া খাওয়া শিকেয় উঠে বসে। ক্লাস পরীক্ষা, সাপ্তাহিক পরীক্ষা, মাসিক পরীক্ষা, হঠাৎ পরীক্ষা, ষাণ্মাসিক পরীক্ষা, টিউটোরিয়াল পরীক্ষা, প্রস্তুতি পরীক্ষা, অর্ধ বাৎসরিক পরীক্ষা, বাৎসরিক পরীক্ষা, ভর্তি পরীক্ষা, চাকরির পরীক্ষা– পরীক্ষার যেন অভাব নেই! এতসব পরীক্ষার যাঁতাকলে রীতিমত নাভিশ্বাস উঠে যায় ছাত্রদের। পরীক্ষার সাতদিন আগে থেকেই এক অজানা আতঙ্ক ভর করে বসে মনের মধ্যে। কেমন যেন অস্বস্তিকর একটা অনুভূতি বিরাজ করতে থাকে। খাওয়ার অরুচি, মাথাব্যথা, বমি বমি লাগা এমনকি অনেকের জ্বরও চলে আসে!

চলছে পরীক্ষার মৌসুম। মানে আবার সেই পুরনো পড়া রিভিশন দাও। টেনশনে চোখ ঢুলুঢুলু। বই আর বই। সারা বছর তো ঠিকই পড়াশোনা করেছি, অনেক জ্ঞানও হয়েছে। আবার এই হতচ্ছাড়া পরীক্ষার কী দরকার! সারা বছরের জ্ঞান কি আর তিন ঘণ্টায় জাহির করা সম্ভব! কে যে আবিষ্কার করেছে এসব পরীক্ষা-টরীক্ষা।

লোকটার নাম হেনরি ফিশেল। এই লোকটার কারণেই সুখের শৈশব-কৈশোর সব মাটি (ফার্স্টবয়দের ছাড়া)। বছরের শেষ সময়ে এসে মাথায় লেগে যায় জট। অ্যালজেব্রা আর চিড়িয়াখানার জেব্রাকে দেখায় একই রকম। এরপর শুরু হয় দিন গোনা। কবে যে শেষ হবে পরীক্ষা! যার কারণে এত টেনশন, সেই ফিশেল মশাইয়ের আজকে একশত সাত তম জন্মবার্ষিকী। পরীক্ষার আবিষ্কারক বলে অনেকেই চেনে তাঁকে। তিনিই বের করেছেন, বছর শেষে একটা পরীক্ষা না নিলেই নয়। কে পড়াশোনা করেছে আর কে করেনি, সেটা যাচাই করার এর চেয়ে ভালো পদ্ধতি নাকি আর নেই।

এরই মধ্যে যারা যারা ফিশেলের মুণ্ডুপাত করেছ, তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বলে রাখি, আসলে গোটা জীবনটাই তো পরীক্ষা। নানা রকম পরীক্ষা না থাকলে তো বিপদেই পড়ে যাবে। পরীক্ষা না থাকলে দেখা যাবে তোমার চেয়ে অনেক অনেক কম যোগ্য একজন পেয়ে যাচ্ছে নানা সুযোগ-সুবিধা ও সম্মান। পরীক্ষা নেই তো তোমার যোগ্যতা প্রমাণের উপায়ও নেই। তারপর? দেখবে কেউ তোমাকে দামই দিচ্ছে না। তখন নিশ্চয়ই খুব খারাপ লাগবে। সুতরাং ফিশেলকে দোষ দেওয়াটা ঠিক হবে না। সময় থাকতে এখনই ধন্যবাদ জানিয়ে বলে ফেলো- হ্যাপি বার্থডে ফিশেল!

👨‍💼হেনরি এ. ফিশেল
(নভেম্বর ২০, ১৯১৩ – মার্চ ২০, ২০০৮).

Categories
Photography

Photographer A H Emon

Facebook : https://www.facebook.com/ahemon8

Categories
Movies

Tom and Jerry official Trailer

Categories
Movies

NEWS UPDATE ( TheAdamProject)

ZoeSaldana and JenniferGarner have joined RyanReynolds in Netflix’s time travel adventure movie, TheAdamProject.

This marks the 2nd collaboration between Reynolds and FreeGuy director ShawnLevy.

Categories
Movies

ক্যানশেল হয়ে গেলো #Netflix এর #THEORDER

#THEORDER has been canceled by #Netflix after 2 seasons.

Categories
Photography

দুই যোদ্ধার গল্প

Photographer : Joy Ghosh

Facebook : https://www.facebook.com/profile.php?id=100024481009561

Categories
Lifestyle

https://www.facebook.com/1196866173780333/posts/2111680995632175/

Categories
Lifestyle

১৬ নভেম্বর, ২০২০, বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়াম, রাজারবাগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাননীয় ইন্সপেক্টর জেনারেল বাংলাদেশ পুলিশ, ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) স্যার ‘পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন’ এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি (এডমিন এন্ড অপস),পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স; অতিরিক্ত আইজিপি, এসবি; পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি; বাংলাদেশ পুলিশ এর বিভিন্ন ইউনিট প্রধানগণ; বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ।

সাইবার স্পেসে ব্যক্তিগত-পারিবারিক-সামাজিকসহ নানাভাবে সাইবার অপরাধের শিকার হচ্ছেন নারীরা। অনেকসময় ভিকটিম হয়েও তা লুকিয়ে রাখছেন, অভিযোগ তো নয়ই প্রকাশও করছেন না ভয় বা লজ্জায়। অনেকে হয়ত বুঝে উঠতে পারছেন না কোথায় বা কার কাছে যাবেন। এরই প্রেক্ষাপটে বর্তমান আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশনায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের তত্ত্বাবধানে সাইবার স্পেসে শুধু নারী ভিকটিমদের সহায়তার জন্য ‘পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন’ এর যাত্রা শুরু হলো।

নারীর জন্য নিরাপদ সাইবার স্পেস নির্মানে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোতভাবে সচেষ্ট আছে এবং থাকবে।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2871583856391271&id=1790565001159834

সাইবার অপরাধের শিকার নারীরা যোগাযোগ করতে পারেন এই ফেসবুক পেইজে https://www.facebook.com/PCSW.PHQ/ , ইমেইল [email protected] বা মোবাইল 01320000888 ।

Categories
Lifestyle

আর বেশী সময় নেই। মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে দারাজের BIGGEST FLASH SALE। নিচের বাটনে ট্যাপ করে অথবা https//click.daraz.com.bd/e/_eBUYG থেকে অর্ডার করে ফেলুন স্টক শেষ হবার আগেই।

“কথা” বাংলাদেশের প্রথম সোশ্যাল এবং লাইফস্টাইল অ্যাপ এখন দেশের সবচেয়ে বড় ই -কমার্স প্ল্যাটফরম দারাজ বাংলাদেশের পার্টনার। কথা অ্যাপের লাইফস্টাইল ট্যাব থেকে সহজে দারাজে শপিং করতে পারেন। ২০০ টাকার ডিসকাউন্ট পাচ্ছেন “KOTHASOHAG360” ভাউচার কোড ব্যবহার করে।

শর্ত: দারাজে নতুন ব্যবহারকারী এবং ৩০০০ টাকার অধিক পণ্য কিনতে হবে। রিডিম করা যাবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

#Daraz1111 #Kotha #Kothaapp

Categories
Invention

প্রিন্টার আবিষ্কার এবং এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।

মুদ্রণ শিল্পের আবিষ্কার না হলে এখনো আমরা অনেকেই অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার ব্যাপারে জানতে পারতাম না। এমনকি অনেক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারও আমাদের কাছে পৌঁছাতে হয়তো কয়েক শতাব্দী সময় লাগতো। অতএব আমাদের মুদ্রণশিল্পের ইতিহাস সম্পর্কে কিছুটা জ্ঞান রাখা প্রয়োজন।

◾মুদ্রণশিল্পের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

১ম পর্যায়: উডব্লক প্রিন্টিং-

৬ষ্ঠ শতাব্দীর চীনে ট্যাং রাজবংশের শাসনামলে উদ্ভূত অনেকগুলো আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো উডব্লক প্রিন্টিং। এই পদ্ধতিতে কাঠের ম্যাট্রিক্স-এর  উপর খোদাই করে তা কালিতে ডুবিয়ে কাগজের উপর ছাপ বসিয়ে মুদ্রণের করা হতো। উডব্লক প্রিন্টিং পদ্ধতিতে মুদ্রিত প্রথম বই হলো ‘Diamond Sutra’ (৮৬৮ খ্রি:)।

২য় পর্যায়: মুভেবল মুদ্রণ ব্যবস্থা-

এটি মুদ্রণশিল্পের অগ্রগতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ এবং এসময়ও চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১০৪১-এ চীনা মুদ্রক বি শেঙ মাটির তৈরী চলন্ত মুদ্রণ ব্যবস্থার আবিষ্কার করেন। যদিও এর কিছু ত্রূটি ছিল যেকারণে সহজেই এটি ভেঙে যাবার সম্ভাবনা ছিল। পরবর্তীতে ১২৯৮ খ্রি: আরেক চীনা মুদ্রক ওয়াং ঝেন প্রিন্টিং এর ম্যান উন্নয়নের জন্য আরো শক্তিশালী কাঠের মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে ১৫ শতকের দিকে ইউরোপে জোহান্স গুটেনবার্গ একটু ভিন্ন ধরণের চলমান মুদ্রণযন্ত্রের প্রচলন ঘটান। গুটেনবার্গের মুদ্রণ যন্ত্রে সর্বপ্রথম তেল- ভিত্তিক কালী ব্যবহার করা হয়, যা পূর্বে ব্যবহৃত পানি- ভিত্তিক কালির তুলনায় বেশি দীর্ঘস্থায়ী ছিল। এই মেশিনের টাইপিং এর অংশটুকু টিন, সীসা এবং এন্টিমনির সমন্বয়ে তৈরি বিধায় অন্য মেশিনের তুলনায় এর টাইপিং বেশি দৃঢ় হতো। ১৪৫৫ সালের ২৩ ফেব্রূয়ারি, দীর্ঘ ১ বছরের পরীক্ষা- নিরীক্ষা শেষে তিনি এই মেশিনের দ্বারা প্রথমবারের মতো বাইবেলের ১৮০ কপি প্রিন্ট করেন।

৩য় পর্যায়: রোটারি প্রিন্টিং প্রেস-

এই পর্যায়ে ১৮৪৩ সালে আমেরিকার রিচার্ড হোয়ে রোটারি প্রেসের আবিষ্কার করেন। প্রাথমিক অবস্থায় এই পদ্ধতিতে হাতে করে একটি একটি কাগজের শিট মেশিনে দিয়ে প্রিন্ট করতে হতো। পরবর্তীতে উইলিয়াম বুলক ১৮৬৩ সালে এমন একটি প্রেসের আবিষ্কার করেন যেটিতে একবারে একটি পেপার রোল মেশিনে দিয়ে দেয়া যেতো। এই ধরণের মুদ্রণযন্ত্রগুলো ঘন্টায় ৮০০০ পৃষ্ঠা মুদ্রণ করতে সক্ষম ছিলো যা তৎকালীন মুদ্রণ ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করেছিলো। উল্লেখ্য, ১৮৪৬ সালে রোটারি প্রেসের ব্যবহার শুরু হয় ফিলাডেলফিয়া পাবলিক লেজার মুদ্রণের মাধ্যমে।

৪র্থ পর্যায়: অফসেট প্রিন্টিং-

১৮৭৫ সালে রবার্ট বার্কলে ধাতব মাধ্যমে মুদ্রণের জন্য অফসেট প্রেসের প্রবর্তন করেন যা ১৯০৪ সালে ওয়াশিংটন রুবেল কাগজে প্রিন্টের জন্য ব্যবহার করেন। এই পদ্ধতিতে প্রিন্টের জন্য পানি ও তেলের বিকর্ষণের বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করা হয়।

অফসেট প্রিন্টিংয়ের সুবিধা হলো-

এর মাধ্যমে নিখুঁত এবং পরিষ্কার ছবি মুদ্রণ করা সম্ভব।

এই পদ্ধতিতে যেকোনো রকম কাগজ এমনকি অমসৃণ কাগজেও উন্নতমানের প্রিন্ট করা সম্ভব।

অফসেট প্রিন্টিংয়ের একমাত্র অসুবিধা হলো এর মেশিনটি অনেক বড়, যা রক্ষনাবেক্ষন যথাযথ সময় গুরুত্ব দিতে হয়। যেকারণে এই পদ্ধতি একটু ব্যয়বহুল কিন্তু বড় মাপের প্রিন্টিং কাজের জন্য যথার্থ।

৫ম পর্যায়: লাইনোটাইপ মেশিন-

১৮৮৫ সালে জার্মান বংশোদ্ভূত উদ্ভাবক ওটমার মেরজেন্টহেলার টাইপসেটিং মেশিন লিনোটাইপ তৈরি করেছিলেন। এটি অনেকটা টাইপরাইটারের মতো কাজ করতো। লাইনোটাইপ প্রিন্টিং স্বয়ংক্রিয় ছিলো বিধায় এটি উল্লেখযোগ্যভাবে প্রিন্টিংয়ের গতি বাড়িয়েছিলো। ১৮৮৬ সালে এই মেশিনটি প্রথম ব্যবহার করা হয় নিউ ইয়র্কের সংবাদপত্র ‘নিউ ইয়র্ক ট্রিবিউন’ মুদ্রণের জন্য পরবর্তীতে ১৮৯৭ সালে ইতালির অন্যতম প্রধান দৈনিক ‘ট্রিবিউনা‘ মুদ্রণের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

৬ষ্ঠ পর্যায়: লেজার প্রিন্টিং-

১৯৭১ সালে জেরক্স কর্পোরেশন লেজার প্রিন্টিং পদ্ধতির উদ্ভাবন করেছিলো যার মাধ্যমে মুদ্রণের বিষয়বস্তু বৈদ্যুতিক প্রক্রিয়ার সাহায্যে সরাসরি কাগজে মুদ্রণ করা সম্ভব হয়েছিলো। এই ভারী, জটিল এবং ব্যয়বহুল লেজার প্রিন্টারটির সাথে বর্তমানকালের লেজার প্রিন্টারের অনেক পার্থক্য। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে ক্যানন প্রথম ডেস্কটপ লেজার প্রিন্টার তৈরী করে। এটিও অপেক্ষাকৃত ব্যয়বহুল ছিলো। এরপর ‘৯০ এর দশকের শুরু থেকে লেজার প্রিন্টার সবার জন্য সহজলভ্য হয়ে উঠেছে এবং সময়ের সাথে এটি আরো সস্তা, বহনযোগ্য এবং কার্যক্ষম হয়ে উঠেছে।

সর্বশেষ পর্যায়: 3D প্রিন্টিং-

মুদ্রণশিল্পের সর্বশেষ এবং বর্তমান পর্যায় বা ধাপ হচ্ছে 3D প্রিন্টিং। ১৯৮৩ সালে চাক হাল যখন অতিবেগুনি রশ্মি ব্যবহার করে বার্নিশ শক্ত করতে চেয়েছিলো মূলতঃ তখন এই পদ্ধতিটির উদ্ভাবন হয়। তিনি তাঁর এই আবিষ্কারের নাম দিয়েছিলেন ‘স্টেরিওলিওগ্রাফি’। প্রাথমিক অবস্থায় এই প্রিন্টিংও অনেক ব্যয়বহুল ছিল। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এটি এখন বহুল ব্যবহৃত মুদ্রণ পদ্ধতি। অর্থাৎ, জ্ঞান- বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে যুগে যুগে মুদ্রণশিল্পের বিকাশ ঘটেছে। আশা করি এর সাথে জড়িতরা আরো আধুনিক এবং কর্মক্ষম যন্ত্র বা পদ্ধতির উদ্ভাবন করে এই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

Categories
Mobile

টেরাবাইট রমের ভিভো ‘ভি ২০এসই’ বাজারে

প্রি বুকিং পর্ব শেষে দেশে এলো ভিভোর নতুন প্রিমিয়াম সেগমেন্টের ফোন ‘ভিভো ভি ২০ এসই’। মঙ্গলবার থেকে দেশের সব ভিভো ব্রান্ডশপ ও মোবাইল বাজারগুলোতে স্মার্টফোনটি পাওয়া যাচ্ছে । ‘ভিভো ভি ২০ এসই’ এর মূল্য ২৬,৯৯০ টাকা ।

নতুন এই স্মার্টফোনটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর রম এবং হালকা ওজনের ডিজাইন। ‘ভিভো ভি ২০ এসই’ তে আরো পাওয়া যাবে ৮ জিবি র্যাম এবং ১২৮ জিবি রম- যা ১ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। এর সাথে পাওয়া যাবে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৬৫ প্রসেসর এবং মাল্টি টার্বো ফিচারস।

‘ভিভো ভি ২০ এসই’ তে আরো পাওয়া যাবে ৬.৪৪ ইঞ্চি ১০৮০পি এমোলেড হ্যালো ফুলভিউ ডিসপ্লে এবং ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানিং প্রযুক্তি।

‘ভিভো ভি২০ এসই’-তে রয়েছে সুপার নাইট, অরা স্ক্রিণ লাইট ও প্রফেশনাল পোর্ট্রেটসুবিধাসহ চমৎকার ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। বহুমুখী ছবি তোলার জন্য এই ফোনে রয়েছে ৩ টি এআই রিয়ার ক্যামেরা। ক্যামেরাগুলো হলো ৪৮মেগাপিক্সেলের সুপার নাইট মোডসহ মূল ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেলের সুপার ওয়াইড-এঙ্গেল ক্যামেরা এবং ২ মেগাপিক্সেলের সুপার ম্যাক্রো ক্যামেরা।

৩৩ ওয়াট ফ্ল্যাশচার্জিং প্রযুক্তির সুবিধাসহ ভিভো ভি২০ এসই-তে রয়েছে ৪১০০ এমএএইচ ব্যাটারি। ফলে স্মার্টফোনটি মাত্র ৩০ মিনিটেই ৬২% চার্জ হবে।

এছাড়াও এই স্মার্টফোনে যুক্ত করা হয়েছে আলট্রা গেমিং মোড। গেইম খেলার সময় এতে আলাদা একটি গেমিং কীবোর্ড চলে আসবে। এমনকি ব্যাকগ্রাউন্ডে নোটিফিকেশন এলেও গেমিং ডিসপ্লেতে কোনো নোটিফিকেশন আসবে না। ফলে স্মার্টফোনটিতে গেইম খেলা যাবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে।

Categories
Movies

চলে গেলেন ফেলুদা 😔

©® প্রথমআলো

চলে গেলেন সত্যজিৎ রায়ের ‘অপু’, অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

আজ ভারতীয় সময় ১২টা ১৫ মিনিটে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে অভিনেতা, আবৃত্তিকার, কবি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। ১২টা ১৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হয়। শেষ হাসপাতালের ৪১ দিনের যুদ্ধ। হাসপাতাল সূত্র বলছে, কোভিড এনসেফ্যালোপ্যাথির কারণেই সব রকম চিকিত্‍সার উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।

প্রথমত তিনি ছিলেন অভিনেতা। কবিতাচর্চা, রবীন্দ্রপাঠ, সম্পাদনা, নাট্যসংগঠন তাঁর বিপুল বৈচিত্র্যের একেকটি দিক। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সবকিছু নিয়েই অনন্য। তিনি এমনই এক শিল্পী, যাঁর মূল্যায়ন নিয়ে কোনো পণ্ডিতি-তর্ক তোলার অবকাশ রাখে না। বলা হতো সময়ের ধুলা তাঁর আভিজাত্যের সৌন্দর্য স্পর্শ করতে পারে না। সেই সৌমিত্রর সময় আজ চিরতরে থেমে গেল, ৮৬-তে এসে থামলেন তিনি। চলে গেলেন সত্যজিৎ রায়ের ‘অপু’, অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

আজ ভারতীয় সময় ১২টা ১৫ মিনিটে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে অভিনেতা, আবৃত্তিকার, কবি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। ১২টা ১৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হয়। শেষ হাসপাতালের ৪১ দিনের যুদ্ধ। হাসপাতাল সূত্র বলছে, কোভিড এনসেফ্যালোপ্যাথির কারণেই সব রকম চিকিত্‍সার উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।

গত ১ অক্টোবর থেকে বাড়িতে থাকাকালীন তাঁর শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না। প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন। তবে করোনার কোনো উপসর্গ পাওয়া যায়নি। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৫ অক্টোবর তাঁর কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট আসে। ৬ অক্টোবর তাঁকে ভর্তি করানো হয় বেলভিউ নার্সিং হোমে। এখানে সর্বশেষ ১৪ অক্টোবর তাঁর করোনার নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। এরপরই সৌমিত্র সুস্থ হতে থাকেন। চিকিৎসা চলছিল

২৪ অক্টোবর রাত থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার মূলত অবনতি হতে থাকে। এরপর ধীরে ধীরে তিনি চেতনাহীন হয়ে পড়েন। তাঁকে সুস্থ করার জন্য গত বৃহস্পতিবার প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয়। এর আগে বুধবার কিডনির ডায়ালাইসিস করা হয়। শুক্রবার বিকেলে তাঁর হৃদস্পন্দন হঠাৎ করে বেড়ে যায়, রাতে চেতনা স্তর ৫-এ নেমে যায়। সৌমিত্রর চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ১৬ সদস্যের চিকিৎসা দলের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ফুসফুসে আরও বেশি করে অক্সিজেন পৌঁছানোর জন্য গতকাল বাড়ানো হয়েছিল অক্সিজেনের মাত্রা। এ সময় তাঁর চিকিৎসা দলের প্রধান ক্রিটিক্যাল বিশেষজ্ঞ অরিন্দম কর জানিয়েছিলেন, এই চেতনা স্তর ৩-এ নেমে গেলে চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্রেন ডেথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁকে বিভিন্ন ধরনের লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। অরিন্দম করের ভাষায়, ‘মনে হচ্ছে, তাঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য আমাদের ৪১ দিনের লড়াই যথেষ্ট নয়। আপাতত আমাদের নতুন কিছু বলার নেই। তিনি যাতে ভালো হয়ে ওঠেন, সবাইকে সেই প্রার্থনা করতে হবে।’ চিকিৎসকেরা প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছিলেন অরিন্দম কর। অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকে।

আজ রোববার তাঁকে দেওয়া হয়েছিল শতভাগ ভেন্টিলেশন সাপোর্ট। রক্তচাপ, হার্টবিট, হার্ট রেট স্বাভাবিক করার জন্য যা যা ওষুধ দরকার, সব দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুতেই চিকিৎসায় তিনি সাড়া দেননি। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়, তিনি বিদায় নেন প্রকৃতির নিয়মে।

১৯৩৫-এর ১৯ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় জন্ম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বাবা ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী। জীবনের প্রথম ১০টা বছর সৌমিত্র কাটিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরে। তাঁর দাদার নাটকের দল ছিল। বাড়িতে নাট্যচর্চার পরিবেশ ছিল। ছোটবেলা থেকেই নাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি। কলকাতার সিটি কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে সৌমিত্র ভর্তি হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করেন। কলেজের ফাইনাল ইয়ারে হঠাৎ একদিন মঞ্চে শিশির ভাদুড়ীর নাটক দেখার সুযোগ হয় তাঁর। সেদিনই জীবনের মোড় ঘুরে যায় তাঁর। তিনি পুরোদস্তুর নাটকে মনোনিবেশ করেন।

শিশির ভাদুড়ীকে গুরু মানতেন সৌমিত্র। নিজেই বলেছেন, অদ্ভুত এক বন্ধুত্ব ছিল তাঁদের। সব রকম আলোচনা হতো দুজনের। বাংলা সিনেমাজগতের আরেক কিংবদন্তি ছবি বিশ্বাসের সঙ্গে সৌমিত্রকে পরিচয় করিয়ে দেন সত্যজিৎ নিজেই। সিনেমার জগতে হাতেখড়ি হয় সৌমিত্রর সে সময়। ‘অপুর সংসার’-এ অপু হন তিনি। প্রথম ছবিতেই আলোচনায় এসেছিলেন। জানা যায়, সে ছবির শুটিংয়ে প্রথম দিনের ফার্স্ট শটেই সিন ওকে। ছবিতে ‘খাওয়ার পর একটা করে, কথা দিয়েছ’, তাঁর আর শর্মিলা ঠাকুরের সেই সংলাপ, রসায়ন এখনো বাঙালি মননে অমলিন। পরে একে একে ‘ক্ষুধিত পাষাণ’, ‘দেবী’, ‘ঝিন্দের বন্দী’, ‘চারুলতা’, ‘কিনু গোয়ালার গলি’সহ বহু ছবি করেছেন তিনি। সত্যজিতের প্রায় ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন সৌমিত্র। সত্যজিতের সৃষ্টি ‘ফেলুদা’কে বড় পর্দায় জীবন্ত করেছিলেন তিনিই। ফেলুদা পরে বহুবার হয়েছে ছোট ও বড় পর্দায়। কিন্তু যেকোনো বাঙালি একবাক্যে স্বীকার করবেন যে সৌমিত্রর মতো ফেলুদা আর কেউ নন।

সৌমিত্রর উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘অশনিসংকেত’, ‘সোনার কেল্লা’, ‘দেবদাস’, ‘নৌকাডুবি’, ‘গণদেবতা’, ‘হীরক রাজার দেশে’, ‘আতঙ্ক’, ‘গণশত্রু’, ‘সাত পাকে বাঁধা’, ‘ক্ষুধিত পাষাণ’, ‘তিন কন্যা’, ‘আগুন’, ‘শাস্তি’, ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’প্রভৃতি।

অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন সৌমিত্র। ২০০৪ সালে তাঁকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় পুরস্কার, দাদাসাহেব ফালকেসহ অনেক পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি আবৃত্তি, রবীন্দ্রপাঠ, সম্পাদনা, নাট্যসংগঠন করেছেন তিনি। ১৯৬০ সালে সৌমিত্র বিয়ে করেন দীপা চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ে পৌলমী চট্টোপাধ্যায় সংস্কৃতি চর্চা করেন।

Categories
Photography

অনেকেই হয়তো কথা অ্যাপে ছবি কিভাবে সেভ করতে হয় জানেন নাহ!

ছবি সেভ করার জন্য উল্লেখিত পদ্ধতি ফলো করুন :

১. কাঙ্ক্ষিত ছবিটির উপর ট্যাপ করে এক্সপ্যান্ড করুন।

২. ছবিটি ট্যাপ করে নিচের দিকে ডান পাশে থাকা শেয়ার অপশনে ক্লিক করুন।

৩. শেয়ার করুন আপনার ইনবক্সে।

৪. প্রথম ছবিটি এক্সপ্যান্ড করে ট্যাপ করলেই ডাউনলোড অপশনটি পাবেন।

ধন্যবাদ ❤️

বি:দ্র: কপিরাইট ইস্যুর কারনে ছবি সেভ করার পদ্ধতি এমন রাখা হয়েছে।

Categories
Photography

Friendship with the Boatman and the River

Camera : Redmi Y3

Photographer : Tanzil Ahmed

Location : Savar, Dhaka

Date : 12/11/2020

Facebook : https://www.facebook.com/camtanzil

Do not leave the house without much need. Please Stay at home…Save yourself, save others.

Reviewer : Abdullah Bin Tamim

Kotha : https://link.kotha.app/app/user/preview/34bgaz298
Facebook :
https://www.facebook.com/anantamim04

Categories
Lifestyle

চলছে Daraz 11.11 FB Live আড্ডা কথার ফেইসবুক পেইজে। আজকে আমাদের সাথে অতিথি হিসেবে আছেন দিলশাদ নাহার কনা।
https://www.facebook.com/DarazBangladesh/videos/2898610817084071/?sfnsn=mo
11.11- World’s Biggest Sale, কোটি কোটি টাকার মূল্যছাড়, ভাউচার সহ অসংখ্য অফারে শপিং করতে ক্লিক করুনঃ https://click.daraz.com.bd/e/_eBUYG