Categories
Life Hacks

আদার নানা ধরনের উপকারিতা

◽আদার উপকারিতা :

রান্নাঘরের সহজলভ্য একটি উপাদান আদা । সুস্বাদু খাবারের মসলা হিসেবেও এর জুড়ি নেই । আদা প্রাকৃতিক ঔষধি গুণাগুণেও ভরপুর । অতি প্রাচীনকাল থেকেই এটি ভেষজ ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে । আদাতে আছে শক্তিশালী এন্টি – অক্সিডেন্ট , এন্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যালার্জি প্রতিরােধক উপাদান । রান্নায় আদা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা ছাড়াও আদার রস ও আদা চা খাওয়ার প্রচলন রয়েছে প্রায় সব ঘরেই । এবার আদা চা বা আদার রসে কী কী গুণাগুণ রয়েছে । তা একবার জেনে নিই চলুন ।

১. পেটে ব্যথা : — পেটে ব্যথা হলে আদা চা খেতে পারেন । আদাতে রয়েছে বেদনানাশক উপাদান যা সহজেই তাৎক্ষণিকভাবে পেটে ব্যথা কমায় ও আরাম দেয় ।

২. রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় : — আদার রস শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় । এতে রয়েছে ভিটামিন , মিনারেল ও অ্যামিনাে এসিড । প্রতিদিন আদার রস বা আদা চা খেলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ঠিক থাকে ও হৃদরােগ হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়

৩. ঋতুস্রাব : — যাদের ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে ব্যাথা হয় , তারা আদা সেদ্ধ পানিতে তােয়ালে ভিজিয়ে পেটে সেঁক দিতে পারেন । এসময় আদা চায়ে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন । এতে করে মাসিক চক্র ঠিক থাকবে ।

৪. বাতের ব্যথা : — জয়েন্টে বাতের ব্যথা কমাতে আদা খুব ভালাে কাজ করে । আদার প্রদাহ ও ব্যথানাশক উপাদান বাতের ব্যথা খুব সহজেই নিরাময় করে । এক্ষেত্রে নিয়মিত আদা চা খান , পানিতে আদা সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে স্নান সেরে নিন , আরাম পাবেন । এখন বাজারে আদার তেলও পাওয়া যায় । ব্যথাস্থানে সেই তেল ম্যাসাজ করলেও আরাম পাবেন

৫. হজম ও আলসার : — আদা হজমে সহায়তা করে । ভারি খাবার খাওয়ার পর খানিকটা আদা চিবিয়ে খান । দেখবেন পেটের অস্বস্তিভাব কেটে যাবে । আদার রস খাদ্যের ভেতরকার পুষ্টিকে শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে । এছাড়াও এটি পাকস্থলিতে এক প্রকার শ্লেষ্ম তৈরি করে যা আলসার হওয়ার সম্ভাবনা দূর করে ।

৬. বমিভাব : — দূরের যাত্রাপথে বমিভাব হলে আদা খেতে পারেন । ব্যাগে আদা ছােট ছােট করে কেটে রাখুন । পুদিনা পাতা ও খানিকটা আদা চিবিয়ে খান । বমিভাব কেটে যাবে । এছাড়াও বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মধু দিয়ে আদা চা খেয়ে বের হলে ভালাে অনুভব করবেন ।

৭. রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা : — আদা শরীরের জীবাণু ধ্বংস করে রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা বাড়ায় । প্রতিদিন খাওয়ার সময় দুই টুকরাে আদা খান । এতে বুকে জমা কফ বেরিয়ে আসবে ও অসুখ – বিসুখ হওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে অনেকাংশেই ।

৮. মুখ পরিষ্কার করে : — আদায় রয়েছে এন্টি – ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যা মুখের ভেতরে জীবাণুকে মেরে ফেলে ও দাঁতের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে ।

৯. সংক্রামণ রােগ : — আদাতে রয়েছে এন্টি – ফাংগাল ও এন্টি – ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা শরীরের বাইরের অংশের ঘা ও সংক্রামণ রােগের বিনাশ করে । আর নয় দুশ্চিন্তা আদা চা মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে । সারাদিন পর এক কাপ আদা চা আপনাকে দেবে প্রশান্তি ।

১০. ক্যান্সার নিরাময়ক : — এতে রয়েছে এন্টি – ক্যান্সার প্রপার্টিজ । আদার উচ্চমানের এন্টি – অক্সিডেন্ট শরীরে ক্যান্সারের সেল তৈরি হতে দেয় না । অনেক সময় শরীরে ক্যান্সারের সেল তৈরি হলেও তা ছড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা কর

১১. মাইগ্রেন : — আদার রস রক্তনালীর প্রদাহ দমন করে । মাইগ্রেনের কারণে মাথাব্যথা হলে আদা পেস্ট করে কপালে লাগাতে পারেন , ধীরে ধীরে ব্যথা কমে যাবে ।

১২. ঠাণ্ডা , কাশি ও ফ্ল : — অতি প্রাচীনকাল থেকেই ঠাণ্ডা , কাশি ও ফ্লু – র ঔষধ হিসেবে আদার রস ব্যবহৃত হয়ে আসছে । ঠাণ্ডা বা কাশির সমস্যা সমাধানে আদার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ১০ সেকেন্ড গরম করে খান , শিঘগিরই সেরে উঠবেন।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Movies

Gravity

Drama, Sci-Fi, Thriller

IMDb:7.7

Survival মুভির মধ্যে One of the best মুভি হলো Gravity। মুভির ভিতরে খুব একটা Thriller
ছিল না। কিন্তু Survival এর অসাধারণ এক গল্পকে
Director ফুটিয়ে তুলেছেন এই মুভিতে । যারা যারা
Survival মুভি পছন্দ করেন তারা একবার এই মুভি টি দেখতে পারেন ।

মুভির কাহিনী : কিছু Astronauts প্রতিদিন এর মতোই কাজ করছিল মহাকাশে। হঠাৎ করে যানতে
পারলো যে তাদের পাশের স্যাটেলাইট ধ্বংস হয়ে গেছে এবং প্রচুর গতিতে তাদের দিকে আসছে ।
কিছু সময় পর তাদের স্যাটেলাইটের ও ধ্বংস হওয়া স্যাটেলাইট এর সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এবং
দুইজন বাদে সকলে মারা যায়। অন্যদিকে সকল কিছু ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ফলে পৃথিবীর সাথে সকল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। প্রতি 90 min পর পর আবার ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্যাটেলাইট তাদের সাথে সংঘর্ষ হবে । আবার তাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন ও নেই। এমন অবস্থায় তারা কী পৃথিবীতে বেঁচে ফিরতে পারবে ?
জানতে হলে মুভি টি শেষ পর্যন্ত দেখতে হবে ।

Categories
Life Hacks

তেঁতুলের নানা ধরনের উপকারিতা সমূহ

◽তেঁতুলের উপকারিতা :

তেঁতুল আমাদের দেশের বসন্তকালের টকজাতীয় ফল হলেও সারা বছর পাওয়া যায় । অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয় । এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল । বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ ৷ তেঁতুল দেহে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরােগীদের জন্য খুব উপকারী । তেঁতুল দিয়ে কবিরাজি , আয়ুর্বেদীয় , হােমিও ও এলােপ্যাথিক ঔষধ তৈরি করা হয় । পাকা তেঁতুলে মােট খনিজ পদার্থ সব ফলের চেয়ে অনেক বেশি । তেঁতুলে খাদ্যশক্তির পরিমাণ নারিকেল ও খেজুর ছাড়া সব ফলের চেয়ে অনেক বেশি । তেঁতুলে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি আছে । অন্যান্য পুষ্টি উপাদান স্বাভাবিক পরিমাণে আছে , এ তেঁতুল যেসব রােগের জন্য উপকারী তা হলাে স্কার্ভি রােগ , কোষ্ঠবদ্ধতা , শরীর জ্বালা করা প্রভৃতি রােগে তেঁতুলের শরবত খুব উপকারী । তেঁতুল রক্তের কোলস্টেরল কমায় , মেদভুঁড়ি কমায় ও পেটে গ্যাস হলে তেঁতুলের শরবত খেলে ভালাে হয় । তেঁতুল খেলে কোনাে ক্ষতি হয় না । তবে বেশি খেলে রক্তের চাপ কমে যেতে পারে ।

নিচে প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযােগী তেঁতুলে বিদ্যমান পুষ্টিমান উল্লেখ করা হলাে । পুষ্টি উপাদানঃ- পাকা তেঁতুল , কাঁচা তেঁতুল ও বিলাতি তেঁতুল
১া জলীয় অংশ ( গ্রাম ) – ২০.৯ , ৮৩.৬ , ৭৯.২
২। মােট খনিজ পদার্থ ( গ্রাম ) – ২.৯ , ১.২ , ০.৭
৩। আঁশ ( গ্রাম ) -৫.৬-১.০
৪। খাদ্যশক্তি ( কিলােক্যালরি ) – ২৮৩ , ৬২ , ৭৮
৫া আমিষ ( গ্রাম ) – ৩.১ ১-১ ২.৭
৬া চর্বি ( গ্রাম ) – ০.১ ০ -২.০৪
৭। শর্করা ( গ্রাম ) – ৬৬ , ৪ ১৩ , ৯ ১৬
৮। ক্যালসিয়াম ( মিলিগ্রাম ) – ১৭০ , ২৪ , ১৪
৯ | আয়রন ( মিলিগ্রাম ) – ১০.৯ – ১.০
১০৷ ক্যারােটিন ( মাইক্রোগ্রাম ) – ৬০
১১। ভিটামিন বি ১ ( মিলিগ্রাম ) – ০.০১ – ০.২২
১২। ভিটামিন বি ২ ( মিলিগ্রাম ) – ০.০৭ , ০.০২ ,০.০৩
১৩। ভিটামিন সি ( মিলিগ্রাম ) – ৩ , ৬ , ১০৮

তথ্য থেকে দেখা যায় পাকা তেঁতুল সবচেয়ে বেশি পুষ্টিসমৃদ্ধ । তবে এই পুষ্টিমান তেঁতুলের উৎপাদনের স্থান , জাত ও জলবায়ুর পরিবর্তনের জন্য কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে । আরও রয়েছে

১. পাকা তেঁতুল কফ ও বায়ুনাশক , খিদে বাড়ায় ও উষ্ণবীর্য হয় । তেঁতুল গাছের ছাল , ফুল , পাতা , বিচি ও ফল সবই ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয় । তেঁতুল বীজের শাঁস পুরনাে পেটের অসুখে উপকারী । তেঁতুল পাতার রস কৃমিনাশক ও চোখ ওঠা সারায় । মুখে ঘা বা ক্ষত হলে পাকা তেঁতুল জলে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায় ।

২. বুক ধড়ফড় করা , মাথা ঘােরা ও রক্তের প্রকোপে তেঁতুল উপকারী । কাঁচা তেঁতুল বায়ুনাশক । কাঁচা তেঁতুল গরম করে আঘাত পাওয়া স্থানে প্রলেপ দিলে ব্যথা সারে । তেঁতুল গাছের শুকনাে বাকলের প্রলেপ ক্ষতস্থানে লাগালে তা ভালাে হয় । পুরনাে তেঁতুল খেলে আমাশয় , কোষ্ঠবদ্ধতা ও পেট গরমে উপকার পাওয়া যায় । পুরনাে তেঁতুল খেলে কাশি সারে পাশাপাশি তেঁতুলের শরবত কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

◽ “কথা লাইফ হ্যাকস“কে কিছু জানাতে এবং
জানতে পারসােনাল প্রােফাইলে যােগাযােগ করুন

▶ My personal Kotha Account ⤵

🆔 ℳαΉα∂ι Ήαξαη 🎓

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

▶ Facebook Account ⤵

https://www.facebook.com/mahidi.shakil.5

▶ Facebook Page ⤵

https://www.facebook.com/কথা-লাইফ-হ্যাকস-111040167357029/

▶ Instagram Account ⤵

www.instagram.com/mahadi_hassan_shakil

Categories
Movies

Train to Busan (2016)

©®Moviekotha

Industry : South Korean
Genre : Horror | Thriller
Director : Yeon Sang-ho
IMDb : 7.5/10

Budget : 8.5 million USD
Collection : 98.5 million USD

💢 spoiler alert ..

একবার ভাবুন তো , আপনি আপনার কোন প্রিয়জনের সাথে ট্রেনে করে যাচ্ছেন । হঠাৎ শুনতে পেলেন সেই ট্রেনের ই এক যাত্রী Zombie তে পরিণত হয়েছে আর সে যাকেই কামড় দিচ্ছে সেও Zombie হয়ে যাচ্ছে । ঠিক সেই মূহুর্তে আপনার মনের অবস্থা কি রকম হতে পারে ? ভাবতে পারেন ? ঠিক এই রকমই এক ভীতিকর অবস্থার কাহিনি উঠে এসেছে South Korean Zombie masterpiece ” Train to Busan ” মুভিতে । মুভির শেষ দিকে বাবা মেয়ের ভালোবাসার এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত দেখে চোখের পানি আটকে রাখতে পারবেন না ।

Seok-woo একজন workaholic ডিভোর্সি বাবা , যে তার দশ বছরের কন্যা Su-an এর সাথে Seoul এ বসবাস করেন । কাজের কারণে মেয়েকে একদমই সময় দেন না Seok-woo । তো Su-an তার জন্মদিনে বাবার কাছে আবদার করে যে সে তার মায়ের সাথে Busan এ দেখা করতে চায় , আর এটাই হবে তার জন্য জন্মদিনের সেরা উপহার । Seok-woo একমাত্র মেয়ের কথা ফেলতে পারে না । তাই বাবা মেয়ে Busan এর উদ্দেশ্য ট্রেনে রওনা করে । তাদের সাথে ট্রেনে আরো যাত্রী হিসেবে উঠে Sang-Hwa এবং তার প্রেগনেন্ট স্ত্রী , স্কুল বেসবল টিমের একটা গ্রুপ সহ আরো বিভিন্ন লেভেলের মানুষজন । ট্রেন ছাড়ার ঠিক আগ মূহুর্তে পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত এক নারী ট্রেনে উঠে পড়ে , যে পরে Zombie তে পরিণত হয় আর একে একে সবাইকে কামড় দিয়ে Zombie তে পরিণত করতে থাকে । শেষ পর্যন্ত কি হয়েছিল ? কারা ই বা বেঁচে ছিল ? জানতে হলে দেখতেই হবে Train to Busan মুভিটি ।

একজন বাবার কাছে তার মেয়ে হচ্ছে রাজকন্যা । সেই রাজকন্যার জন্য বাবা সব কিছুই করতে পারে । নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও বাবা রাজকন্যার জীবন রক্ষার চেষ্টা করেন । Seok-woo সেই রকম ই একজন বাবা । শেষ দিকে বাবা মেয়ের ভালোবাসার রসায়ন দেখে চোখের পানি আটকে রাখা কষ্টকর হবে । সেই সাথে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ভালোবাসার এক অপূর্ব নজিরও হৃদয়ে দাগ কেটে যাবে ।

অভিনয়ের কথায় আসলে প্রথমেই বলতে হয় পিচ্চি Su-an এর কথা । এক কথায় অসাধারণ এক্টিং করেছে । কখনো মনেই হয়নি যে সে অভিনয় করছে । তারপর বাবা Seok-woo ও অনবদ্য ছিল , Zombie দের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য মেয়েকে কোলে নিয়ে দৌড়ানোর দৃশ্যটা এখনো চোখে ভাসছে । এছাড়া Sang-Hwa সহ বাকিরাও দারুন ছিল ।

তো দেরি কেন ? উঠে পড়ুন টানা ২ ঘন্টার টান টান উত্তেজনার Busan ভ্রমণের ট্রেনে । নড়তে চড়তে পারবেন না কিন্তু ।

YouTube video Moviekotha ⏩

আমাদের পাশেই থাকুন ✅

ডাউনলোড লিঙ্ক এর জন্য জয়েন করুন অথবা মেসেজ করুন মুভি কথাকে ধন্যবাদ ⏬⏬⏬

⏩Telegram link……… : https://t.me/Moviekotha

⏩YouTube link…….. : https://bit.ly/36GxyeC

⏩Instagram……………: instagram.com/moviekotha/

📌মুভি লাভারদের মত কেউ মোবাইল লাভার হন এখনি ঘুরে আসুন আমাদের অফিসিয়াল Mobile kotha account থেকে 🔜👇👇👇 ⏩mobile Kotha……… : https://bit.ly/36PVcFt

Categories
Invention

করোনাভাইরাস (Coronavirus) আবিষ্কারের কথা

কোভিড-১৯ একটি নতুন ধরনের ভাইরাস, তবে সেটি করোনাভাইরাসের একটি প্রজাতি। ১৯৬৪ সালে লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালের গবেষণাগারে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত করেছিলেন ড. জুন আলমেইডা। তিনি ছিলেন স্কটল্যান্ডের এক বাসচালকের মেয়ে। ১৯৬৪ সালে লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালের গবেষণাগারে প্রথম এই মরণ ভাইরাসের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন।

১৯৬৪ সালে ৩৪ বছর বয়সী জুন আলমেইডা যখন নতুন ধরনের ভাইরাসের খোঁজ পাওয়ার দাবি করলেন তখন একটি পিয়ার-রিভিউ জার্নালে তা প্রত্যাখ্যান করা হলো। তাঁর ধারণ করা ছবিগুলোতে ভাইরাসের চারপাশে যে বর্ণ বলয় বা মুকুটের মতো দেখা গেল তাকে বিচারকেরা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বাজে ছবি বলে বাতিল করে দিলেন। তাঁরা কি তখন বুঝতে পেরেছিলেন মাত্র পাঁচ দশক বাদেই ওই বাতিল হওয়া বাজে ছবির ভাইরাস বিশ্বজুড়ে মহাবিপর্যয় ডেকে আনবে?

স্কটিশ ভাইরোলজিস্ট আলমেইডাকেই করোনাভাইরাস আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয়। বর্তমানে কোভিড-১৯ মহামারি সৃষ্টিকারী সার্স-কোভ-২ ভাইরাস ওই করোনাভাইরাস পরিবারের সদস্য। কোভিড-১৯ সংক্রমণের তীব্রতার সঙ্গে করোনাভাইরাসকে ঘিরে বিশ্বব্যাপী যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে তাতে আলমেইডা আবিষ্কারটি আবারও আলোচনায় ফিরে এসেছে।

২০০৮ সালের আলমেডার এক মরণোত্তর প্রোফাইল অনুসারে, কানাডায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিবিহীন বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি অর্জন করা তখন ব্রিটেনের চেয়ে সহজ ছিল। কোনো আনুষ্ঠানিক যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও, তিনি বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রবন্ধের সহ-লেখক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভাইরাসগুলোর গঠন কাঠামোটি বর্ণনা করেছিলেন যা আগে দৃশ্যমান হয়নি।

আলমেইডাকে ইমিউন ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের একটি সহজ কৌশল ব্যবহারের প্রাথমিক পথিকৃৎ হিসেবে স্মরণ করা হয়, যা বিজ্ঞানীদের পক্ষে ভাইরাসগুলো দেখা সম্ভব করেছিল। মার্কিন সরকারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বিশেষজ্ঞ এ জেড কাপিকিয়ানকে ইমিউন ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের কৌশল শেখানোর কৃতিত্ব দেওয়া হলো আলমেইডাকে। কাপিকিয়ান এ কৌশলেই ‘নরোভাইরাস’ শনাক্ত করেন যা ‘শীতকালে বমির প্রাদুর্ভাব ঘটায়’।

➡ তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত। উইকিপিডিয়া লিংকঃ
https://en.m.wikipedia.org/wiki/June_Almeida

‘আবিষ্কারের কথা’কে কিছু জানাতে এবং জানতে পারসোনাল প্রোফাইলে যোগাযোগ করতে পারেন।
▪Personal Kotha account⤵
🆔 HaBil
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bgf66x2

Categories
Books

বই নিয়ে কথা “ত্রি”

রিভিউ নাম্বারঃ ২৫

ত্রি। তিনটে সায়েন্স ফিকশন। রিটেন বাই হুমায়ুন আহমেদ। ছোটবেলায় সায়েন্স ফিকশন বলতেই জাফর ইকবাল বুঝতাম। পড়ার নেশা হয়ে গিয়েছিল। একের পর এক গোগ্রাসে গিলেছিলাম জাফর ইকবাল স্যারের সায়েন্স ফিকশন আর কিশোর উপন্যাসগুলো। যেকোনো কারণেই হোক, হুমায়ুন আহমেদকে আমি তুলনামূলক কমই পড়েছি। অন্তত জাফর ইকবালের চেয়ে কম তো বটেই। তাই প্রথমবার হুমায়ুনীয় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীপাঠের অভিজ্ঞতা কিছুটা ব্যতিক্রম হয়েছে বৈকি!

ত্রি। “ইমা”, “ইরিনা”, “মানবী”__ হুমায়ুন স্যারের তিনটি সায়েন্স ফিকশন গ্রন্থের সংকলন। ক্রিটিসাইজ করার ক্ষমতা বা যোগ্যতা কোনোটাই আমার নেই। ইমা’র শুরুতে লেখক নিজেই একরকম ক্রিটিসাইজ করে দিয়েছেন :

“আমার ছোটভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশে ফিরেই মহা-উৎসাহে সায়েন্স ফিকশন লেখা শুরু করেছে। বাধ্য হয়েই আমাকে এজাতীয় লেখা বন্ধ করতে হয়েছে কারণ তার মতো সুন্দর করে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী আমি লিখতে পারি না। আমার সব বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী শেষপর্যন্ত মানবিক সম্পর্কের গল্প হয়ে দাঁড়ায়___ বিজ্ঞান খুঁজে পাওয়া যায় না।”

তিনটে বইই ভবিষ্যৎ পৃথিবীর তিনটি কাল্পনিক সময়কে ঘিরে লেখা। যেখানে বিজ্ঞানের অস্বাভাবিক অগ্রযাত্রা মানুষের স্বাভাবিক জীবনপ্রবাহে নানাবিধ পরিবর্তনের জন্ম দিয়েছে।
এম্নিতেই হুমায়ুন আহমেদের উপন্যাসগুলোর মূল উপাদান হয়ে থাকে কল্পনা। তার কল্পনার তৈরি জগতেই গড়ে ওঠে একেকটা গল্প, একেকটা চরিত্র। কাল্পনিক সব চরিত্র আর কাহিনীতেই বুঁদ হয়ে থাকে পাঠকেরা। আর টপিকই যখন সায়েন্স ফিকশন, কল্পনার আরো অবাধ সুযোগ। তাই হুমায়ুন আহমেদের সেই কাল্পনিক সৃষ্টির স্বাদ এখানে আরো অধিক উৎকর্ষতা লাভ করেছে।

তিনটে বইয়ের কাহিনীর একটা কমন প্লট হল, মানবসৃষ্ট শক্তিশালী মহাকম্পিউটার “সিডিসি”র উপস্থিতি আর সিডিসিকতৃক সারাবিশ্বের মানুষের জীবনব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ।

“মানবী” এবং “ইরিনা” বই দুটাতেই ভবিষ্যৎ পৃথিবীর দুইরকম কাল্পনিক আইন ও সরকারব্যবস্থা দেখানো হয়েছে।

সবচে ইন্টারেস্টিং ছিল “ইরিনা” বইটা। যারা পড়েছেন বুঝে থাকবেন, তিন স্তরের শহরব্যবস্থা এবং হাতেগোণা কয়েকজন অমর বিজ্ঞানীর নিজস্ব আইনে পৃথিবীর শাসন, জ্ঞানবিজ্ঞানের চর্চা একটা বিশেষ গোষ্ঠীর মধ্যে সীমিতকরণ___ পড়ার শুরু থেকেই এই কনসেপ্ট টার রূপক বক্তব্য আমি অনুভব করছিলাম। আর বইয়ের শেষদিকে ধর্মগ্রন্থের কথা উঠে আসায় আমার ধারণা পুরোপুরি নিশ্চিত বিশ্বাসে পরিণত হয়।

সবশেষে বলব গতানুগতিক সাহিত্য সমালোচনায় হুমায়ুন আহমেদের লেখা নিয়ে বিতর্কের অন্ত না থাকলেও বাংলা সাহিত্যে তার গদ্যের প্রয়োজনীয়তা ছিল অনস্বীকার্য। সাথে উপভোগ্যতা আর জনপ্রিয়তার হিসেবে হুমায়ুন আহমেদ আগে থেকেই সম্রাট।

রিভিউয়েঃ Nazmul Islam Shohan (হিমু)

#HappyReading

Categories
Career

ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিং প্রথম পর্ব

ইন্টারনেটের যুগে প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির বাইরে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং করে থাকেন। এর সবচেয়ে ভালো দিক হলো, দক্ষতা থাকলে যে কেউ খুব ভালো আয় করতে পারেন। এছাড়া রয়েছে নিজের পছন্দের কাজ করার সুবিধা। এবারের লেখায় জেনে নিন ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিং করার প্রাথমিক কিছু তথ্য। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন ও ক্যাড নিয়ে আপনি যদি কাজ করতে চান, তাহলে এ লেখা থেকে উপকৃত হবেন। আজকের পর্বে থাকছে গ্রাফিক ডিজাইন।

গ্রাফিক ডিজাইন

প্রচার ও প্রসারের এ যুগে ভিজুয়াল কন্টেন্টের চাহিদা অনেক। ফ্রিল্যান্সিংয়ে তাই গ্রাফিক ডিজাইনারহিসাবে কাজের যথেষ্ট সুযোগ পাওয়া সম্ভব।

কোথায় গ্রাফিক ডিজাইন প্রয়োজন হয়?

ভিজিটিং কার্ড

ব্যানার

লিফলেট

বইয়ের প্রচ্ছদ

প্রোডাক্টের প্রাথমিক ডিজাইন

ওয়েবসাইটে ব্যবহারের ছবি

ডিজিটাল বিজ্ঞাপন

গ্রাফিক ডিজাইনে কেমন কাজ করতে হবে আপনাকে?

ক্লায়েন্টের জন্য ডিজাইনের প্রাথমিক লেআউট তৈরি করা;

গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন কিংবা ডিজিটাল ফটোগ্রাফি ডিজাইন করা;

প্রজেক্ট বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ডিজাইনের সামঞ্জস্য বজায় রাখা।

গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ কোথায় পাবেন?

গ্রাফিক্স ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি সাইট। যেমনঃ

নাইন্টি নাইন ডিজাইনস (99designs)

আপওয়ার্ক (Upwork);

ফাইভার (Fiverr)

গ্রাফিকরিভার ডট কমে চাইলে নিজের ডিজাইন বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া বিড করে কাজ পাবার যোগ রয়েছে ফ্রিল্যান্সার আর গুরু ডট কমে।

গ্রাফিক ডিজাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কেমন আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে?

অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আপনি একটি লোগো ডিজাইন করলে ৫০ থেকে শুরু করে ২ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় হতে পারে। তবে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে আয় আরো বেশি।

একটি ওয়েবসাইটটের প্রথম পেইজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন করে পাওয়া যায় ২০০ ডলার থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত।

ফ্রিল্যান্সার হিসাবে একজন ভালো মানের গ্রাফিক ডিজাইনার মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে আয় করতে পারেন এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা।

গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য কী কী টেকনিক্যাল স্কিল দরকার?

কাজের উপর টেকনিক্যাল জ্ঞানের ধরন নির্ভর করে। সাধারণত যেসব গ্রাফিকস সফটওয়্যারে দক্ষতা দরকার হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে –

Adobe Photoshop

Adobe Illustrator

Adobe InDesign

Adobe PageMaker

GIMP

Inkspace

CorelDRAW

QuarkXPress

QuarkXPress

কোথায় শিখবেন গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ?

গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য ইউটিউবে অনেক টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। তাই ঘরে বসেই এ কাজ শিখতে পারবেন। এছাড়া আছে লিন্ডা ডট কম বা টিউটস প্লাসের মতো কিছু সাইট।

ঢাকায় বিভিন্ন মেয়াদের কোর্স করার ব্যবস্থা আছে এ বিষয়ে। এছাড়া গ্রাফিক আর্টস ইন্সটিটিউট থেকে প্রিন্টিং টেকনোলজিতে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ডিগ্রি দেওয়া হয়।

Categories
Science

গিরগিটির রঙ পরিবর্তন রহস্য ক্যাটাগরি: প্রাণী বিজ্ঞান

গিরগিটি-র ব্যাপারে আমাদের কাছে সবচে আকর্ষণীয় বিষয়ই হলো এর রঙ পরিবর্তনের ক্ষমতা। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতি হতে উদ্ধার পাবার জন্য মানুষ যেমন ছদ্মবেশ ধারণ করে থাকে, ঠিক তেমনি গিরগিটি দেরও কেমোফ্লেজ বা ছদ্মবেশ নেবার নিদারুণ দক্ষতা রয়েছে। “ক্রোমাটোফোর” নামক এক প্রকার বিশেষ কোষ ত্বকের উপর অন্য রঙের আবরণ তৈরি করে বিধায় গিরগিটি তার গায়ের রঙ বদলে ছদ্মবেশ ধারণ করতে পারে।

 

যদিও অক্টোপাস এবং ক্যাটলফিশও (সামুদ্রিক প্রাণী) তাদের ত্বকীয় কোষের পিগমেন্ট মুভিংয়ের মাধ্যমে গায়ের রঙ পরিবর্তন করতে পারে, অন্যদিকে ক্রোমাটোফোর ছাড়াও ত্বকে “ইরিডিয়োফোর” নামক বিশেষ কোষ থাকার কারণে গিরগিটিও গায়ের রঙ পরিবর্তন করতে পারে।

গিরগিটির জিহ্বা সাধারণত অনেক লম্বা হয় এবং ৩৬০° কোণে তার চোখ ঘুরাতে পারে বলে অনেকের কাছেই প্রাণিটি আকর্ষণীয়! তবে সবচে রোমাঞ্চকর ব্যাপার হলো গায়ের রঙ হুট করে পরিবর্তন যা বিজ্ঞানীদের সর্বদাই অবাক করে এসেছে। গিরগিটি সাধারণত যেকোনো রঙ তার ত্বকে ধারণ করতে পারে। তবে সবুজ, নীল, বাদামি ইত্যাদি খুবই পরিচিত এবং গোলাপি, কমলা ও লাল রঙ ধারণকৃত গিরগিটি খুব কমই দেখতে পাওয়া যায়।

 

গিরগিটির ত্বকে ক্রোমাটোফোরের বিভিন্ন কোষ লেয়ার রয়েছে যা রঙ পরিবর্তনের পুরো প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও, ক্রোমাটোফোর বিভিন্ন ধরনের পিগমেন্ট কোষে ভর্তি। উক্ত পিগমেন্ট কোষের বাইরের স্তরটি সাধারণত স্বচ্ছ থাকে এবং ভেতরের স্তরটি “মেলানোফোর” -এর সমন্বয়ে গঠিত।

মেলানোফোরে “মেলানিন” থাকে যা গিরগিটির গায়ের সাধারণ বাদামী রঙকে প্রতিফলিত করে। ইরিডিয়োফোরের লেয়ার মেলানোফোরের ঠিক নিচেই অবস্থিত যা সবুজ এবং সাদা বর্ণকে প্রতিফলিত করে। এরিথ্রোপোরস এবং জ্যান্থোফোরস সমন্বিত সর্বাপেক্ষা উপরের স্তরটি যথাক্রমে লাল এবং হলুদ বর্ণকে প্রতিফলিত করে। উল্লেখ্য গিরগিটির ত্বকের প্রত্যেকটি লেয়ার বা স্তর পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো প্রতিফলিত করে থাকে।

 

গিরগিটির ত্বকীয় কোষে বিভিন্ন ন্যানোক্রিস্টাল রয়েছে যা মাইক্রোস্কোপিক প্রিজমের মতো কাজ করে আলোকে আরো ভালোভাবে প্রতিফলিত করে। অর্থাৎ, এরিথ্রোপোর লাল রঙকে প্রতিফলিত করে; জ্যান্থোফোর হলুদ রঙকে; ইরিডিয়োফোর সবুজ, সাদা, নীল; আর মেলানোফোর বাদামি রঙকে প্রতিফলিত করে। এক্ষেত্রে অবাক করা ব্যাপার হলো মানবদেহেও মেলানোফোরের উপস্থিতি বিদ্যমান।

 

পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটি গিরগিটি তার গায়ের রঙ ত্বকের নির্দিষ্ট কিছু ক্রোমাটোফোরের সংকোচন এবং প্রসারণের মাধ্যমে পরিবর্তন করে থাকে। সাধারণ অবস্থায় গিরগিটির ক্রোমাটোফোর প্রসারিত থাকে এবং ত্বকের ন্যানোক্রিস্টালগুলো একে অপরের নিকটে থাকে। ফলে নীল এবং সবুজ রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের প্রতিফলন ঘটে। অন্যদিকে, একটি গিরগিটি যদি রাগান্বিত বা উত্তেজিত অবস্থায় থাকে তখন ক্রোমাটোফোর সংকুচিত হয় এবং ন্যানোক্রিস্টালগুলো ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়। ফলে লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের প্রতিফলন ঘটে। তবে ব্যাতিক্রম হিসেবে ত্বকে লাল-সবুজ-নীল রঙের মিশ্রণও দেখা যেতে পারে।

গিরগিটি সম্পর্কে আমরা সর্বদাই একটি ভুল ধারণা পোষণ করি; তা হলো এরা সাধারণত শিকারকে বিভ্রান্ত করে নিজের কবলে আনতেই তাদের গায়ের রঙ পরিবর্তন করে থাকে। যদিও তাদের গায়ের রঙ পরিবর্তনের পুরো ব্যাপারটিই মূলত ছদ্মবেশ ধারণ করবার জন্যে উপযুক্ত। কিন্তু আসলে তারা পারিপার্শ্বিক অবস্থার সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতেই ছদ্মবেশ ধারণ করে থাকে।

 

আরো বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণ; একে অপরের সাথে যোগাযোগের জন্য কিংবা পুরুষদের মধ্যে সক্ষমতা বা দখলদারিত্বের পরিচয় দিতে সচরাচর তারা গায়ের রঙ পরিবর্তন করে থাকে। একটি পুরুষ গিরগিটি স্ত্রী গিরগিটির নিকট নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতেও রঙের প্রতিফলন করতে পারে; অন্যদিকে স্ত্রী গিরগিটিও প্রতিউত্তর হিসেবে তার ত্বক থেকে যেকোনো গাঢ় রঙের প্রতিফলন করে থাকে।

গিরগিটি মূলত গরম এবং ঠান্ডা উভয় পরিবেশেই নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে দেহের রঙ পরিবর্তন করতে পারে। রাগান্বিত কোনো গিরগিটি পরিবেশের তাপ শোষণ করে গাঢ় বর্ণ ধারণ করে; অন্যদিকে স্বচ্ছন্দে থাকা কোনো গিরগিটি মলিন বর্ণ ধারণ করে এবং ক্রোমাটোফোরকে শিথিল করবার মাধ্যমে অন্য গিরগিটির কাছে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলে।

 

গিরগিটি সাধারণত এশিয়ার রেইন ফরেস্ট কিংবা কিছু নির্জন অঞ্চলে পাওয়া যায়। এছাড়াও আফ্রিকা, ইউরোপ, উত্তর অ্যামেরিকাতে এরা পোষা প্রাণী হিসাবে অধিক বিখ্যাত।

 

লিখেছেন:হাসান সৈকত
সোর্স: sciencebee.com.bd

Categories
Invention

ওলাবিবির রক্তচক্ষু এবং কলেরা রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কার।

টানা জ্বর, বমি, পাতলা পায়খানা এবং প্রচণ্ড খিঁচুনি দিয়ে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ত মানুষ। এর নাম কলেরা। আমাদের বঙ্গ অঞ্চলের আদিকালের মানুষ যার নাম দিয়েছিল ‘ওলাওঠা’। কারণ হিসেবে সবাই বলত, ওলাবিবি রক্তচক্ষু দিয়ে যেদিকেই তাকাত সেদিকে মাইলের পর মাইল এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে কেড়ে নিত হাজারো প্রাণ। কলেরা মহামারির প্রথম ঢেউ শুরু হয় ভারতের কলকাতায় ১৮১৭ থেকে শুরু হয়ে এশিয়ার অন্যান্য দেশ এবং ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে ১৮২৪ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় দফায় ইউরোপে এবং আমেরিকায় চলে ১৮২৬ থেকে ১৮৩৭ সাল পর্যন্ত। এভাবে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে কলেরা বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ, মহাদেশ ও অঞ্চলে মোট সাতবার মরণ থাবা বসায়।

১৮৯০ সালে ভারতবর্ষে ওলাবিবি দ্বিতীয় দফায় যখন তার কালো ডানা মেলে ধরে, তখন ওয়াল্ডিমার হাফকিন কাজ করছিলেন কলেরার জীবাণু ও এর প্রতিষেধক নিয়ে। কয়েক বছরের গবেষণার পর তিনি কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতো কলেরার জীবাণু দিয়েই কলেরাকে ঘায়েল করার উপায় বের করেন। ইউরোপে তার এই পদ্ধতির ব্যবহারের সুযোগ না মেলায় তিনি ১৮৯৩ সালে ভারতের কলকাতায় এসে কলেরায় আক্রান্ত স্থানীয়দের মধ্যে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে বেশ সফলতা লাভ করেন। প্রাথমিকভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগে তেমন কেউ রাজি না হলেও, প্লেগের টিকার মতো হাফকিন নিজের ওপরই তা প্রয়োগ করেন। এ ছাড়া অন্যান্য ডাক্তাররাও এই টিকা নেন। তখন মানুষের মধ্যে বিশ্বাস জন্মে, ফলে টিকা নিয়ে সেরে উঠতে থাকে সবাই। হাফকিনের কলেরার টিকা ধীরে ধীরে প্রসার লাভ করে বিশ্বজুড়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিভিন্ন অঞ্চলে দুই পক্ষের আক্রান্ত লাখো সৈনিকের প্রাণ তো বাঁচালেনই, বাঁচল পৃথিবীর কোটি প্রাণ।

ব্রিটিশ চিকিৎসাবিজ্ঞানী জন শ’র কলেরা যে পানিবাহিত রোগ এই গবেষণায়ও ধীরে ধীরে মানুষকে বিশুদ্ধ পানি পানে উৎসাহিত করে এবং কলেরা থেকে বেঁচে থাকতে সহায়তা করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়েও কলেরার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। কলেরায় অতিরিক্ত বমি ও পাতলা পায়খানার কারণে শরীরে পানিশূন্যতার অভাব পূরণে স্যালাইনের মাধ্যমে বাড়তি পানি প্রয়োগের বিষয়টিও কলেরা চিকিৎসায় বেশ কাজে দেয়। পরবর্তী সময়ে আইসিডিডিআর,বির রাইস স্যালাইন উদ্ভাবনও কলেরা নির্মূলে পৃথিবীকে আলোর পথ দেখায়।

‘আবিষ্কারের কথা’কে কিছু জানাতে এবং জানতে পারসোনাল প্রোফাইলে যোগাযোগ করতে পারেন।
▪Personal Kotha account⤵
🆔 HaBil
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bgf66x2

Categories
Bangla Tradition

আবহমান বাংলার লোকজ ঐতিহ্য বলী খেলা।

বলীর আভিধানিক অর্থ পরাক্রমশালী বীর পুরুষ। দ্বৈরথ যুদ্ধ যা দু’জন মল্লবীরের শারীরিক শক্তির পরীক্ষা বিশেষ। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে খেলাটি ‘কুস্তি’ নামে পরিচিত। কুস্তি ফারসি শব্দ। শক্তি, সাহস ও কৌশলই বলীদের বিজয়ী হবার প্রধান মন্ত্র। তবে বিখ্যাত বলীদের সেকালে মাল বা মল্ল নামে অভিহিত করা হতো। সমাজে এরা ছিলেন সম্মানের পাত্র। কোথাও কোথাও পাড়া-মহল্লা বা বাড়ির নাম মাল-মল্ল এবং বলীদের নামে নামকরণ হতে দেখা যায়।

একসময় বলী খেলাই ছিল গ্রামীণ জনসাধারণের অবসরযাপন ও চিত্তবিনোদনের অন্যতম খোরাক। গ্রামীণ জনপদে অনেক খেলাই ছিল; কালের বিবর্তনে অধিকাংশই হারিয়ে গেছে। অনেক নতুন নতুন খেলার উৎপত্তি হয়েছে। কিন্তু লৌকিক খেলাধুলার অংশ হিসেবে বলীখেলা সীমিত পরিসরে হলেও টিকে রয়েছে। আগের দিনে প্রায় প্রতিটি গ্রাম-ইউনিয়ন পর্যায়ে বড় আয়োজনে বলীখেলা হতো, দেশের এক স্থানের বলী অন্য স্থানে গিয়ে খেলতেন ও বিজয়ী হয়ে বীরের বেশে ঘরে ফিরতেন। সঙ্গে আনতেন পুরস্কার হিসেবে অর্থ ও মেডেল। পরিবারের সঙ্গে গ্রামবাসী আনন্দে শরীক হতেন। কেউ কেউ দূর-দূরান্তে সঙ্গী হয়ে চলে যেতেন ও নিজেদের বলীদের উৎসাহ দিতেন। সমাজে বলী খেলা ছিল একাধারে অনাবিল আনন্দের উৎস, অপরদিকে দৈহিক ও মানসিক প্রশান্তি।

‘বাংলার ঐতিহ্যের কথা’কে কিছু জানাতে এবং জানতে পারসোনাল প্রোফাইলে যোগাযোগ করতে পারেন।
▪Personal Kotha account⤵
🆔 HaBil
https://link.kotha.app/app/user/preview/34bgf66x2

Categories
History

শুকনো বারুদে আগুনের ফুলকি ;

২৭শে জানুয়ারী, ১৯৫২ সাল। পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে তমিজুদ্দিনের সাথে খাজা নাজিমুদ্দিন, গলা মিলিয়ে উর্দু রাষ্ট্রভাষার পক্ষে বক্তৃতার পর আবার তিনি খবরের কাগজের শিরোনাম হয়ে উঠেন। অত্যন্ত আত্মপ্রত্যয়ের সাথে তিনি ঘোষণা করেন, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, অন্য কোনো ভাষা নয়। একাধিক রাষ্ট্রভাষা নিয়ে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না।”

এর অর্থ দাঁড়ায়, পূর্ববঙ্গে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চা এবং রাষ্ট্রভাষা বাংলার মাধ্যমে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ প্রাদেশিকতার নামান্তর। এখানেই থামেননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানালেন যে, “পূর্ববঙ্গে উর্দু হরফে বাংলা লেখা সফল হয়েছে।” কোথায় তিনি এই উদ্ভট তথ্য পেলেন আমরা জানি না, কিন্তু তার এই বক্তৃতার প্রতিক্রিয়া ঘটতে এতটুকু দেরি হয়নি। কারণ আটচল্লিশের সুবিধাজনক অবস্থান পাকিস্তানি শাসকদের পক্ষে এরই মধ্যে কিছুটা দুর্বল হয়ে এসেছিলো।

ঢাকায় তখন বেশ জমজমাট শীত। কিন্তু নাজিমুদ্দিনের পল্টনী বক্তৃতায় ছাত্র সমাজের বুক থেকে শীত উবে গেলো। ক্ষুব্ধ বারুদের স্তুপে যেন আগুনের ফুলকি এসে পড়লো। ৩০শে জানুয়ারী ঢাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতীক ধর্মঘট পালিত হয়, আর বিকালে কলাভবনের আমতলায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নাজিমুদ্দিনের বক্তৃতার নিন্দা ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে জোরালো বক্তব্যের পর ৪ঠা ফেব্রুয়ারী শহরব্যাপী স্কুল-কলেজে ধর্মঘটের আহব্বান জানানো হয়। সভাশেষে একটি মিছিল ছাত্র এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

কেমন লাগলো কমেন্টে জানাবেন।জানাবেন আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে নিম্নোক্ত লিংকে ক্লিক করে যোগাযোগ করতে পারবেন। আমরা সর্বদা আপনার পাশে থাকবো।

Reviewer : Nit Mahim.
Photo : Collected from Pinterest.

☆ 𝙤𝙛𝙛𝙞𝙘𝙞𝙖𝙡 :

Telegram Channel : t.me/itihasherkotha

Telegram Group : t.me/itihasherkothagroup

Pinterest :

https://www.pinterest.com/its_me_nitmahim/

☆ 𝙥𝙚𝙧𝙨𝙤𝙣𝙖𝙡 :

Facebook account :

https://www.facebook.com/nit.mahim

Facebook Page :

https://www.facebook.com/kothon.official.24/

Instagram :

www.instagram.com/_______badboy__

Twitter :

https://mobile.twitter.com/hydrogen__boom_

Yt Channel : To know in a new way.

Kotha :

https://link.kotha.app/app/user/preview/34bjz5jf4

ধন্যবাদন্তে
Nit Mahim♡

Categories
Life Hacks

মেডিটেশনের নানা উপকারিতা সমূহ

◽মেডিটেশন :

মেডিটেশন হলো এমন এক অবস্থা যখন আমাদের মস্তিষ্ক অপ্রয়োজনীয় সবকিছু থেকে নিজেকে আলাদা করে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে নিমগ্ন হয় এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতাকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ও নিখুঁতভাবে ব্যবহার করতে শেখে। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের থেকে শুরু করে নোবেল বিজয়ী, বিজ্ঞানী বা লেখকদের অনেকের মধ্যেই একটি অভ্যাস খুবই কমন আর তা হলো মেডিটেশন।

১. IQ লেভেল বৃদ্ধিঃ 

আমরা সবাই কিন্তু নিজেকে একটু আধটু স্মার্ট ভাবতে পছন্দ করি। এখন যদি বলি এমন একটা জিনিস আছে যা আমাদের IQ লেভেল আসলেই বাড়িয়ে দিতে পারে তাহলে নিশ্চয়ই অবাক হবে! গবেষকদের মতে মেডিটেশন আসলেই আমাদের IQ লেভেল বাড়িয়ে দিতে পারে। ২০১১ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে করা এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৮ সপ্তাহ বা তার বেশি মেডিটেশনের ফলে আমাদের মস্তিষ্কের “LEFT HIPPOCAMPUS, “POSTERIOR CINGULATE CORTEX” এবং“TEMPORO PARIETAL JUNCTION” অংশ আয়তনে বৃদ্ধি লাভ করে। এতে আমাদের স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি ও নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়।

২. একাডেমিক পড়াশোনার ধকল থেকে মুক্তিঃ 

সারাদিন ক্লাস, প্রাইভেট আর হোমওয়ার্কের চাপে আমরা অনেকেই কিন্তু দিশেহারা হয়ে যাই। একাডেমিক পড়াশোনার এই ধকল দূর করার অনেক ভালো একটি উপায় হলো মেডিটেশন। মেডিটেশনের ফলে  আমাদের মস্তিষ্কের “AMYGDALA” অংশের cell volume হ্রাস পায় যার ফলে আমাদের ভয়, উদ্বেগ ও ধকল হ্রাস পায়। এছাড়াও মেডিটেশন আমাদের মস্তিষ্কে আলফা ওয়েভের নিঃসরণ বৃদ্ধি করে যা দুশ্চিন্তা, দুঃখ ও রাগের মত অনুভূতিগুলো কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

৩. মনোযোগ বৃদ্ধিঃ 

পড়ার টেবিলে মনযোগ স্থির রাখা আমাদের সবার জন্যই কিছুটা কঠিন। বিশেষত, পরীক্ষার দিনগুলোতে একটি বিষয়ের উপর দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখা সত্যিকার অর্থেই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তবে এই কষ্টসাধ্য ব্যাপারটাকে তোমার জন্য কিছুটা সহজ করে দিতে পারে মেডিটেশন। পরীক্ষার দিনগুলোতে দৈনিক কিছুক্ষণ মেডিটেশন তোমার মনোযোগ ৫০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে।মেডিটেশন তোমার চিন্তাশক্তিকে একটি বিষয়ে কেন্দ্রীভূত করতে শেখাবে।

৪. খারাপ অভ্যাসগুলো ত্যাগে সহায়কঃ 

ছাত্রজীবনের কিছু অভ্যাস আছে যেগুলো আমরা খারাপ জেনেও সহজে ত্যাগ করতে পারি না। এর কারণ যথেষ্ট ইচ্ছাশক্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অভাব; যার জন্য দায়ী মস্তিষ্কের সম্মুখ অংশের “DORSOLATERAL PREFRONTAL CORTEX (dlPFC)”। মেডিটেশন dlPFC কে প্রভাবিত করে যার ফলে আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পায় এবং বাজে অভ্যাসগুলো আমরা সহজে ত্যাগ করতে পারি।

৫. শারীরিক সুস্থতাঃ 

সঠিকভাবে জ্ঞান অর্জন ও পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো শারীরিক সুস্থতা। তুমি যতই ভালোভাবে প্রস্তুতি নাও না কেন, শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকলে তুমি কখনোই পরীক্ষায় তোমার ১০০% দিতে পারবে না। মেডিটেশন আমাদের মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি আমাদের শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতেও সাহায্য করে। মেডিটেশন আমাদের দেহে C-Reactive Protein এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে যার ফলে আমাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পায়।

৬. Depression কে বিদায়, এবার আনন্দের পালাঃ  

যুক্তরাষ্ট্রের Emory University এর করা এক জরিপে প্রতি ৩ জন শিক্ষার্থীর একজন ছাত্রজীবনে কোন না কোন সময় Depression বা বিষণ্ণতায় ভোগে। পড়াশোনায় চাপ, খারাপ রেজাল্ট বা বন্ধুদের সাথে দ্বন্দ্ব; যে কারণেই হোক না কেন- বিষণ্ণতা আমাদের দেহ ও মন উভয়ের জন্যই খুবই ক্ষতিকর। এমনকি প্রতিবছর ১০০০ এর বেশি ছাত্র শুধুমাত্র বিষণ্ণতার কারণেই আত্মহত্যা করে!

বিষণ্ণতা কাটিয়ে ওঠার অন্যতম সেরা উপায় হলো মেডিটেশন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির Professor Willem Kuyken এর মতে, একজন বিষণ্ণতায় আক্রান্ত মানুষের ক্ষেত্রে মেডিটেশন অনেকটা Anti-Depression ওষুধের মত কাজ করে। এছাড়াও মেডিটেশন একজন ছাত্রের বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩১% কমিয়ে দেয়।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Movies

❤️ Happy birthday kajol ❤️

আজ তার ৪৬ তম জন্মদিন। ১৯৭৪ সালের পাচ ই আগস্ট এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর জন্ম হয়। এখন তাকে আগের মত অভিনয়ে তেমন দেখা না গেলেও নব্বইয়ের দশক এবং শূন্য এর দশক সফলভাবে অত্যন্ত দাপটের সাথে কাটিয়েছেন।

ছোট থেকেই তার নায়িকা হওয়ার অনেক ইচ্ছা ছিল। এবং এই স্বপ্ন পূরণের লক্ষে তাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। অবশেষে ১৯৯২ সালে বেখুদি সিনেমার মাধ্যমে তার স্বপ্ন পূরণ হয়। তবে তিনি Baazigar মুভির মাধ্যমে প্রথম আলোচনায় আসেন আর এই মুভিটি শাহরুখ-কাজল জুটির প্রথম মুভি। এখনও এই জুটি কে বলিউডের সেরা রোমান্টিক জুটি হিসেবে মানা হয়। এর জন্যে সবচেয়ে বেশি অবদান ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ মুভিটির। এই জুটির সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় মুভি “দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে” সবচেয়ে দীর্ঘদিন ধরে হলে চলার রেকর্ড গড়ে।

তিনি চরিত্রের স্বার্থে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে অভিনয় করেন। কৃতিত্ব হিসেবে পাচ বার best actress ক্যাটাগরিতে filmfare পুরস্কার লাভ করেন। এবং২০১১ সালে ভারত সরকার এর পক্ষ থেকে তাকে পদ্মশ্রী পুরস্কার দেওয়া হয়। ব্যাক্তিগত জীবনে অজয় দেভগান এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

আগামীর জন্য শুভকামনা ❤️ 🖤

Categories
Health

পিত্তথলির পাথর সমস্যায় প্রাথমিক চিকিৎসা

◽পিত্তথলির পাথর :

ইদানীং কালের একটি সাধারণ রোগের নাম হল পিত্তথলিতে পাথর হওয়া। সাধারণত যারা দ্রুত তাদের শরীরের ওজন কমাতে চান তারা পিত্তথলিতে পাথর হওয়া রোগের সম্মুখীন বেশী হন। তাছাড়া জিনগত কারন ও খাদ্যাভ্যাসের ফলেও পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে।

পিত্তথলিতে পাথর কোনো ভয়ের বিষয় নয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটা সহজে ধরাই পড়ে না। কখনো দীর্ঘদিন ধরে রোগীর পেটের ওপরের অংশে ব্যথা হয়, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ চলতে থাকে, এমনকি খানিকটা ব্যথা কমেও তাতে। তাই পরীক্ষা করা হয় না। আবার কারও ক্ষেত্রে পোলাও, বিরিয়ানি বা ভাজাপোড়া বেশি তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ করেই শুরু হয়ে যায় তীব্র পেটব্যথা। এ ক্ষেত্রেও ব্যথা হয় পেটের ওপরের অংশে, মূলত ডান দিকে, ছড়িয়ে যেতে পারে পিঠের ওপরের দিকেও। বমি বমি ভাব থাকতে পারে, বমিও হতে পারে। হালকা জ্বর থাকতে পারে। প্রথম দিকে কিছু ওষুধ সেবনে ব্যথা ভালো হয়ে গেলেও পরে আর সেগুলোতে কাজ হচ্ছে না বলে মনে হয়।

খেয়াল রাখা দরকার, গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার মতো মনে হলেও পিত্তথলিতে পাথরের কারণে ব্যথার একটু ভিন্নতা আছে। এই ব্যথা সাধারণত অ্যাসিডিটি জনিত ব্যথার চেয়ে তীব্রতর। গ্যাসের ওষুধ সেবনে এ ব্যথা সম্পূর্ণ উপশম হয় না। কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এ ব্যথা। তারপর ভালো হয়ে গেলেও কিছুদিন পর আবার হয়। কোনো কোনো রোগীর আবার লক্ষণ থাকে না একদমই, হঠাৎ পরীক্ষা করাতে গিয়ে ধরা পড়ে পাথর।

পিত্তথলিতে পাথর হলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাথরসহ পিত্তথলিটি ফেলে দেওয়া উচিত। অস্ত্রোপচার না করে ওষুধের মাধ্যমে পাথর গলিয়ে ফেললেও পরে পাথর হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এভাবে পাথর গলিয়ে ফেলতে দু-তিন বছর সময় লাগে, এত দিন একটানা ওষুধগুলো খাওয়ার ফলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে। তাই অস্ত্রোপচারই ভালো সমাধান।

▫কাদের পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

ওজনাধিক্য বা স্থূলতা, রক্তে কোলেস্টেরল বা চর্বি বেশি থাকা, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি পিত্তথলিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে কোনো ঝুঁকি নেই—এমন ব্যক্তিরও পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে। আর পুরুষদের তুলনায় নারীদেরই এ সমস্যা বেশি হতে দেখা যায়।

⏩ প্রাকৃতিক উপায়ে কাটিয়ে উঠুন পিত্তথলির পাথরের সমস্যা—

আমরা চাইলে প্রাকৃতিকভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি। আর তাই ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা সমাধানের জন্য নিচের টিপস দেখতে পারেন।

বিটরুট ও গাজরের জুস পিত্তথলির পাথর প্রতিরোধে বিটরুট ও গাজরের জুসের তুলনা হয় না। বিটরুট গাছ থেকে বিটরুট ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস করুন, একইভাবে গাজর ও শশা থেকে জুস তৈরি করুন। এবার তিন রকম জুস সমপরিমাণ এক সাথে নিয়ে ভালোভাবে মিশান। দিনে দুইবার এই জুস খাওয়াতে আপনার সমস্যা দূর হবে।

আঁশযুক্ত খাবার আপনার পিত্তথলির পাথরের সমস্যা দূর করতে উচ্চ ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া জরুরী। আপনি আপনার খাবার তালিকা থেকে চিনি ও চর্বি যুক্ত খাবারগুলো বেছে বেছে বাদ দিয়ে সেখানে আপনার সকালে খাদ্যের মধ্যে প্রতিদিন উচ্চ ফাইবার খাদ্য শস্য যোগ করুন. এটি আপনার পিত্তশয়ের সমস্ত রোগ প্রতিরোধের সাথে সাথে পিত্তথলির পাথরের রোগ প্রতিরোধ করবে।

হলুদ পিত্তথলির পাথর রোধ করতে হলুদ একটি কার্যকরী উপাদান। হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান পিত্তথলির পাথর প্রতিরোধের একটি অন্যতম উপাদান। প্রতিদিন আধ টেবিল চামচ হলুদ গ্রহণ করাতে এ রোগের সম্ভাবনা ৮০ভাগ কমে যায়।

সবজি প্রতিদিনেরখাবার তালিকায় উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি যোগ করুন। আপনার অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত খাবারের থেকে এটি যেমন আপনাকে সুস্থ আর ফিট রাখবে ঠিক একইভাবে আপনার পিত্তথলির পাথর প্রতিরোধ করবে।

প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার এড়িয়ে চলুন এড়িয়ে চলুন বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাতকৃত ও কৃত্রিম ফ্লেভার-রংযুক্ত খাবার। যেমন, লাল মাংস, আইসক্রিম, সাদা ময়দাপণ্য, কৃত্রিম মিষ্টি জাত পণ্য।

◽ছবি ও কিছু তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত

▶ My personal Kotha Account ⤵

⏭👉 ΜαΉα∂ι Ήαξαη 🎓
🆔👉👉https://link.kotha.app/app/user/preview/34bfmycwq

Categories
Humor

পড়ে গিয়েছিলাম।

১ম বন্ধু : জানিস, আমি ছোটবেলায় একবার পাঁচতলা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছিলাম।

২য় বন্ধু : বলিস কি! তারপর? তারপর কী হলো? তুই কি মরে গিয়েছিলি?

১ম বন্ধু : কী জানি! ছোটবেলার কাহিনী কি আর এখন মনে আছে?

▶▶▶

⚫Personal Kotha Account⤵⤵⤵
★https://link.kotha.app/app/user/preview/34bhz17gh